31/05/2026
বাংলাদেশ কুরআন শিক্ষাবোর্ড-এর তত্ত্বাবধানে
এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষার্থীদের জন্য ১০ দিনব্যাপী কুরআন ও ইসলামী বুনিয়াদি শিক্ষা কর্মশালা ২০২৬
তারিখ: ১৬ জুন ২০২৬ থেকে ২৫ জুন ২০২৬ পর্যন্ত
স্থান: জামিয়া রাশিদিয়া আহসানাবাদ (চরমোনাই মাদরাসা) বরিশাল।
কোর্স ফি: ৳১০০০/- [থাকা-খাওয়া ফ্রি]
প্রিয় বন্ধু,
কুরআন হিদায়াতের আলোকবর্তিকা ও জীবন্ত মুজিজা। কুরআন মহাঐশী গ্রন্থ, যার তিলাওয়াত হৃদয়কে করে বিগলিত, ঈমানকে করে সুদৃঢ় এবং প্রতিটি হরফ পাঠে দশটি করে অর্জিত হয় নেকি। তিলাওয়াতকারীর মনে আনে স্বর্গীয় অনুভব, মুছে দেয় যাবতীয় পঙ্কিলতা। যার হৃদয়ে ধারণ রয়েছে কুরআন, তার অন্তর আলোকিত, চরিত্র হয় মার্জিত। কুরআন কবরেও সঙ্গ দেয়, জাহান্নাম থেকে রক্ষা করে এবং জান্নাতের পথে টেনে নেয়। ইহকালে এনে দেয় শান্তি, পরকালে দেয় মুক্তির নিশ্চয়তা।
এই কুরআন মুমিনদের কাছে কিছু মৌলিক দাবি রাখে। তার মধ্যে দুটি সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ :
এক. দৈনন্দিন পাঁচ ওয়াক্ত সালাত সঠিকভাবে আদায়ের জন্য কুরআনের বিশুদ্ধ তিলাওয়াত জানা অপরিহার্য। একজন মুসলিম হিসেবে কুরআন শুদ্ধভাবে পড়তে পারা একান্ত প্রয়োজন।
দুই. জীবনের পরতে পরতে-ব্যক্তি থেকে সমাজ, পরিবার থেকে রাষ্ট্র-সর্বত্র শান্তির সুবাতাস ছড়িয়ে দিতে কুরআনের বার্তা উপলব্ধি করা এবং তা বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করা অপরিহার্য।
এই মৌলিক দুটি দাবি পূরণে ও সমাজে শান্তি ফিরিয়ে আনার প্রত্যয়ে এসএসসি ও দাখিল সমাপ্তকারী শিক্ষার্থীদের জন্য আয়োজিত হয়েছে কুরআনের বিশুদ্ধ তিলাওয়াত এবং দীনের মৌলিক বিধানাবলি বিষয়ক বিশেষ এক কর্মসূচি।
যা থাকছে...
১. তাজভীদ সহকারে বিশুদ্ধ কুরআন তিলাওয়াত
২. দৈনন্দিন মাসআলা-মাসায়িল
৩. মাসনূন দুআসমূহ
৪. সীরাতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর শিক্ষা
৫. সাহাবায়ে কেরামের জীবনকথা
৬. সুহবাতুল ওলামা ও নসীহত
৭. নামাজের বাস্তব প্রশিক্ষণ
৮. আত্মোপলব্ধি সৃষ্টিকরণ (মুমিনের করণীয় ও বর্জনীয় বিষয়গুলো স্পষ্ট করার মাধ্যমে)
৯. সুন্নত অনুযায়ী জীবন ধারণের বাস্তব প্রশিক্ষণ
১০. দৈনিক পত্রিকা পাঠ ও দাওয়াত প্রশিক্ষণ
কর্মশালায় অংশগ্রহণ করতে ও
বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন:
+8801889018244/+8801825971936
30/05/2026
দারুল উলুম দেওবন্দ: দেড় শতাব্দীর এক জীবন্ত ইশতেহার ও আমাদের মনস্তাত্ত্বিক স্বাধীনতার মূল ভিত্তি।
৩০ মে ১৮৬৬ ঈ. উপমহাদেশের রাজনৈতিক ও ইসলামী ইতিহাসের বাঁক পরিবর্তনের এক অবিস্মরণীয় দিন।
১৮৫৭ সালের প্রথম স্বাধীনতা যুদ্ধ (সিপাহি বিপ্লব) ব্যর্থ হওয়ার পর এই অঞ্চলের মুসলমানদের ওপর নেমে এসেছিল নির্মম রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন। রাজনৈতিক অস্তিত্ব সংকট, সাংস্কৃতিক আগ্রাসন এবং মানসিকভাবে পঙ্গু করার এক দীর্ঘমেয়াদী ব্লুপ্রিন্ট তৈরি করেছিল ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ। সেই চরম দুঃসময় ও জাতীয় বিপর্যয়ের ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে ভারতের উত্তর প্রদেশের সাহারানপুরের দেওবন্দ নামক এক ছোট্ট জনপদে রোপণ করা হয়েছিল এই ঐতিহাসিক চারাগাছটি।
কোনো রাজকীয় অনুদান নয়, বড় কোনো অট্টালিকা নয়; এক ঐতিহাসিক ডালিম গাছের নিচে, মাত্র একজন শিক্ষক ও একজন শিক্ষার্থী নিয়ে শুরু হয়েছিল এক বুদ্ধিবৃত্তিক ও রাজনৈতিক বিপ্লবের প্রথমপাঠ। যার একমাত্র পুঁজি ছিল ইখলাস, তাকওয়া, চোখের পানি এবং সাম্রাজ্যবাদবিরোধী আপসহীন চেতনা।
ইসলামী রাজনীতি ও ছাত্র আন্দোলনের কর্মীদের জন্য দেওবন্দ একটি জীবন্ত দর্শন।
দেওবন্দ কেবল একটি বিদ্যাপীঠ নয়, এটি ছিল ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের মূল কেন্দ্রবিন্দু। রেশমী রুমাল আন্দোলন থেকে শুরু করে উপমহাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম সবখানেই নেতৃত্ব দিয়েছেন দেওবন্দের সূর্যসন্তানেরা।
লর্ড মেকলের চাপিয়ে দেওয়া দাসত্বমুখী শিক্ষাব্যবস্থার বিপরীতে মুসলিম উম্মাহর নিজস্ব স্বকীয়তা ও মনস্তাত্ত্বিক স্বাধীনতা টিকিয়ে রাখার ঢাল ছিল এই দেওবন্দ।
দেওবন্দ মুসলিম উম্মাহকে শুধু আলেম দেয়নি, বরং যুগসচেতন মুফাক্কির, রাজনৈতিক দূরদর্শী নেতা এবং সমাজ সংস্কারক উপহার দিয়েছে।
আজকের এই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আমরা শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস স্মরণ করছি না; বরং আমরা পুনর্পাঠ করছি আত্মত্যাগ, দূরদর্শিতা এবং রাজপথের আপসহীন সংগ্রামের এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়কে।
বর্তমান সময়ের তরুণ রাজনৈতিক কর্মীদের জন্য দেওবন্দের সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো, আদর্শিক পরিবর্তন শুরু হয় খাঁটি ইলম থেকে, চরিত্র গঠিত হয় আধ্যাত্মিকতায়, আর জাতির রাজনৈতিক পুনর্জাগরণ আসে খালেস আত্মত্যাগের মাধ্যমে।
দারুল উলুম দেওবন্দের ১৬০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে এর প্রতিষ্ঠাতা হুজ্জাতুল ইসলাম মাওলানা কাসেম নানুতবি (রহ.), ফকিহুন নাফসান মাওলানা রশীদ আহমাদ গাঙ্গোহী (রহ.), শায়খুল হিন্দ মাওলানা মাহমুদ হাসান (রহ.) সহ স্বাধীনতা সংগ্রামের সকল আকাবিরদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও সালাম জ্ঞাপন করছি।
আল্লাহ তা'য়ালা আমাদের এই মহান উত্তরাধিকার বহনের তাওফিক দান করুন। আমিন।
27/05/2026
ত্যাগের মহিমা হৃদয় ভরে
ঈদের খুশি সবার ঘরে
চরমোনাই কওমি মাদরাসাসহ দেশের সর্বস্তরের শিক্ষার্থী এবং সচেতন ও দেশপ্রেমিক জনতাকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা
ঈদ মোবারক
ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ
চরমোনাই কওমিয়া শাখা।
25/05/2026
হযরত আবু কাতাদা আনসারী রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে আরাফার দিনের রোযা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন:
“এটি বিগত এক বছর ও আগত এক বছরের গুনাহের কাফফারা হয়ে যায়।”
সহীহ মুসলিম:১১৬২
24/05/2026
আর যে লোকেরা ঐ ঘর (বাইতুল্লাহ ) পর্যন্ত পৌঁছার সামর্থ্য রাখে তাদের ওপর আল্লাহর জন্য (ঐ) ঘরের হজ্ব করা ফরজ
সূরা আলে ইমরান আয়াত: ৯৭
24/05/2026
স্বপ্ন যাচ্ছে বাড়ি
আজ থেকে ১৫ দিনের জন্য ক্যাম্পাস ছুটি হয়েছে। সকলে বাড়ির উদ্দেশ্য রওয়ানা হয়েছে। সকলের বাড়ি ফেরার এ যাত্রা নিরাপদ হোক।
সকলের জন্য দোয়া ও শুভকামনা রইল।
আবারও দেখা হবে সবুজে ঘেরা ক্যাম্পাসে।
23/05/2026
আবদুল্লাহ ইবনে উমর থেকে বর্ণিত,তিনি বলেন–রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
“আল্লাহর নিকট জিলহজ্বের এই দশ দিনের চেয়ে অধিক মর্যাদাপূর্ণ এবং এ দিনগুলোর আমলের চেয়ে অধিক প্রিয় আর কোনো দিনের আমল নেই। সুতরাং তোমরা এ দিনগুলোতে বেশি বেশি তাহলিল (لا إله إلا الله), তাকবীর (الله أكبر) ও তাহমীদ (الحمد لله) পাঠ করো।”
মুসনাদে আহমদ, হাদিস:৫৪৪৬
21/05/2026
হযরত আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন— রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
“এমন কোনো দিন নেই, যেসব দিনে ইবাদত করা আল্লাহর কাছে জিলহজ্জ মাসের প্রথম দশ দিনের ইবাদতের চেয়ে বেশি প্রিয়। এই দিনগুলোর প্রত্যেক দিনের রোজা এক বছরের রোজার সমান এবং প্রত্যেক রাতের ইবাদত শবে কদরের ইবাদতের সমান।”
Icab charmonai kawmia
20/05/2026
"শিশু রামিসাকে" নির্মমভাবে হ/ত্যার প্রতিবাদ ও খু/নীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে "বিক্ষোভ মিছিল"
২০ মে ২০২৬ বুধবার, রাত ৯টা
পল্টন মোড়,ঢাকা
ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ
ঢাকা মহানগর