সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট- বরগুনা

সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট- বরগুনা

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট- বরগুনা, Political organisation, Barishal.

21/11/2021
07/06/2021

২০০২ সালের ৮ জুন বুয়েটে সাবেকুন্নাহার সনি হত্যার বিরুদ্ধে "সন্ত্রাসবিরোধী বুয়েট ছাত্র ঐক্য" প্ল্যাটফর্মের নেতৃত্বে গড়ে ওঠে ঐতিহাসিক ছাত্র আন্দোলন। সনি হত্যা দিবসে এই ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম নেতা সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট এর সাবেক সভাপতি ইমরান হাবিব রুমনের স্মৃতিচারণ ঃ

সনি: সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের এক অনির্বাণ আলোকবর্তিকা
------------------------------------------------------------------------
আজ ৮ জুন। সাবেকুন নাহার সনির ১৯তম মৃত্যুদিবস। ২০০২ সালের ৮ জুন বুয়েটের কেমিকৌশল বিভাগের (৯৯ ব্যাচ) লেভেল ২, টার্ম ২–এর মেধাবী ছাত্রী সাবেকুন নাহার সনি টেন্ডারবাজিকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের গোলাগুলির মধ্যে গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। শোকে, বেদনায় স্তব্ধ হয়ে যায় সমগ্র বাংলাদেশ। এ দেশের শ্রেষ্ঠ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটিতে এমন কলঙ্কজনক ঘটনা আগে কখনো ঘটেনি।

এরপর বোন হত্যার বিচারের দাবিতে এবং সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে একটা ধারাবাহিক ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম রচনা করে বুয়েটের শিক্ষার্থীরা। দেশের সচেতন মানুষ এই আন্দোলনে সমর্থন জানান। কিন্তু তৎকালীন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবং রাষ্ট্রযন্ত্র এই সন্ত্রাসীদের রক্ষায় নির্লজ্জ ভূমিকা পালন করে। একটা নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর বিচারের দাবিতে গড়ে ওঠা ধারাবাহিক আন্দোলন, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দৃঢ়তা, আন্দোলন দমনে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন আর রাষ্ট্রের নির্মম নির্যাতন আর অপকৌশল সবকিছুই আমাদের কাছে একটা বড় শিক্ষা। কারণ, ‘সনি’ সাধারণ এই একটি নামের মধ্যেই উদ্ভাসিত হয়ে আছে এক বিশাল চেতনা, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের এক অনির্বাণ আলোকবর্তিকা।

২০০২ সালের ৮ জুন থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত বুয়েট ছিল অন্যায়ের বিরুদ্ধে ন্যায়বিচারের দাবিতে শান্তিপূর্ণ লড়াইয়ের এক ময়দান। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা হয়ে উঠেছিল পরস্পরের অতি আপনজন, সহযোদ্ধা। এই আন্দোলন আমাদের শিখিয়েছিল সংগ্রামের পথেই প্রকৃত বন্ধুত্ব রচিত হয়। আবার এই আন্দোলনে দেখেছিলাম, একটা নৈতিক আন্দোলন দমনে রাষ্ট্র কত নির্মম হতে পারে! এ প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের পক্ষে সেই দিনগুলো কল্পনা করাও কঠিন।

মনে পড়ে, ২০০২ সালের মিড-টার্মের পরে প্রথম দিনটি ছিল ৮ জুন। চলছে বিশ্বকাপের খেলা। খেলা দেখার জন্য স্বেচ্ছায় ছুটি নিয়েছিল শিক্ষার্থীরা। বেলা পৌনে একটার দিকে বুয়েটের বিশাল অঙ্কের টেন্ডারকে কেন্দ্র করে মোকাম্মেল হায়াত খান মুকির নেতৃত্বে ছাত্রদল বুয়েটের একটা সন্ত্রাসী গ্রুপের সঙ্গে গোলাগুলি শুরু হয় ঢাবির এসএম হলের আরেক সন্ত্রাসী টগর গ্রুপের সঙ্গে। অবিরাম গুলিবর্ষণের মধ্যে পড়ে আহসান উল্লাহ হলের সামনে সাবেকুন্নাহার সনি গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করেন।

ওই দিন রাতেও খুনিরা অবস্থান করছিল বুয়েটের রশীদ হলে। রাতে হাজার হাজার শিক্ষার্থী মিছিল করে গিয়ে রশীদ হল ঘেরাও করে ফেলে। প্রশাসনকে জানানো হয় খুনিদের গ্রেপ্তারের জন্য। বেশ কিছুক্ষণ পরে পুলিশসহ প্রশাসন আসে রশীদ হলে। আশ্বস্ত হয় শিক্ষার্থীরা। কিন্তু সেখানে মঞ্চস্থ হয় আরেক নাটকের। পুলিশ এসে আন্দোলনকারীদের লাঠিপেটা করে ছত্রভঙ্গ করে খুনিদের পালিয়ে যেতে সহায়তা করে। আন্দোলন দমনের কৌশল হিসেবে পরদিন ৯ জুন বুয়েট অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এই বন্ধের মধ্যেও সারা দেশে আন্দোলন অব্যাহত থাকে।

বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করে নতুন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। খুনিদের বিষয়ে প্রশাসন নমনীয় থাকলেও আন্দোলনকারীদের বিষয়ে বেশ সোচ্চার হয়ে ওঠে তারা। বোনের হত্যার বিচারের দাবিতে আন্দোলন করার অপরাধে (!) বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি দেওয়া হয় আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের। আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়ায় স্থাপত্য বিভাগের বিজয় শংকর তালুকদার বিশু, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সহসভাপতি সুব্রত সরকারকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয়। এ ছাড়া অনেক শিক্ষার্থীকে হল থেকে বহিষ্কারসহ বিভিন্ন ধরনের শাস্তি দেওয়া হয়। প্রশাসন ভেবেছিল, এভাবে শাস্তি দিয়ে ছাত্রদের মধ্যে ভীতি তৈরি করতে হবে, যেন পরে আর আন্দোলন সংগঠিত না হয়।

সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অবিরাম প্রতিবাদ ও আন্দোলনের একপর্যায়ে গঠিত হয় ‘সন্ত্রাস বিরোধী বুয়েট ছাত্র ঐক্য’। এই ঐক্যে যুক্ত হয়েছিল সব রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অবস্থানকারী ছাত্রছাত্রীসহ সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ। জাতীয়ভাবেও এই আন্দোলন সফল করতে সব বামপন্থী ছাত্রসংগঠন মিলে গঠিত হয় ‘প্রগতিশীল ছাত্র জোট’। ৬৩ দিন বন্ধ থেকে বুয়েট খোলার পরে শুরু হয় শান্তিপূর্ণ আন্দোলন। ধারাবাহিকভাবে মানববন্ধন, মিছিল-মিটিং, সমাবেশ, ছাত্র ধর্মঘট, পুলিশের বেপরোয়া লাঠিপেটা, ক্লাসে ক্লাসে গিয়ে আন্দোলন না করার জন্য শিক্ষকদের হুমকি, কিছু শিক্ষার্থীর আন্দোলনের বিরোধিতা, আন্দোলনকারীদের হতাশা-দৃঢ়তা—কী ছিল না এই আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ে। এই আন্দোলনেরও বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার দাবি রাখে। এখানে বিস্তারিত আলোচনার সুযোগ না থাকলেও ভবিষ্যতে আমাদেরই কাউকে না কাউকে দায়িত্ব নিতে হবে। কারণ, ইতিহাস বিকৃতির ইতিহাস আমাদের অজানা নয়।

এ প্রজন্মের অনেকেই হয়তো এখন ব্যঙ্গ করে বলবে, ‘...কী লাভ হলো এই আন্দোলন করে? শুধু শুধু কয়েকটা মাস সেশনজট ছাড়া।...’ কথাটা বললাম এ জন্য যে তখনো আমাদের এ ধরনের প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছে। উত্তরটা না হয় প্রত্যেকেই আমরা নিজেদের মতো ভাবতে থাকি...।

তবে এই ক্রমাগত আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে সনি হত্যাকাণ্ড মামলার দ্রুত বিচার নিষ্পত্তি করা হয় এবং মামলার রায়ে সন্ত্রাসী মুকি, টগরসহ তিনজনের ফাঁসির আদেশ দেওয়া হয়। এই মামলার রায় ছিল বাংলাদেশের যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সংগঠিত হত্যাকাণ্ডের প্রথম বিচার। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, সাকা চৌধুরীর নিকটাত্মীয় মুকিত পালিয়ে যায় রাতের অন্ধকারে। টগরসহ কয়েকজন গ্রেপ্তার হয়। এই রায়ের বিরুদ্ধে আসামিরা আপিল করলে উচ্চ আদালত ফাঁসির রায় কমিয়ে যাবজ্জীবন করেন। ধারাবাহিক এই আন্দোলন না থাকলে বিএনপি সরকারের সময়ে দ্রুত বিচারে ছাত্রদলের সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে বিচার হওয়াটা ছিল অলীক কল্পনা। এই বিচারটুকু অর্জিত হয়েছিল সবার ঐক্যবদ্ধ চেষ্টায়, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার মাধ্যমে।

একটা কথা আমাদের সব সময়ই মনে রাখতে হবে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাথা নত করে বা আপস করে হয়তো বড় ডিগ্রি অর্জন করা যায়, কিন্তু কখনোই মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠা যায় না। আমরা সন্ত্রাসবিরোধী বুয়েট ছাত্র ঐক্যের সহযোদ্ধারা অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাথা নত করিনি। পুলিশ-সন্ত্রাসীদের নির্যাতন-নিপীড়ন, দালাল শিক্ষকদের রক্তচক্ষু, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কারসহ বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি ভোগ, বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করে সেশনজট তৈরি করা ইত্যাদি সবকিছুই ছাপিয়ে গেছে এই ৩-৪ মাস অন্যায়ের বিরুদ্ধে হাতে হাত রেখে লড়াই করার শিক্ষা, মানুষ হওয়ার শিক্ষা। আমাদের জীবনের সবচেয়ে সুখময় স্মৃতি এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ লড়াইয়ের স্মৃতি।

সন্ত্রাস বিরোধী বুয়েট ছাত্র ঐক্যের পক্ষে
ইমরান হাবিব রুমন
(পুরকৌশল বিভাগ, ৯৮ ব্যাচ, বুয়েট)
সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সাবেক সভাপতি
বিজ্ঞান আন্দোলন মঞ্চের কেন্দ্রীয় সভাপতি
২০১৯ সালে দৈনিক প্রথম আলোতে প্রকাশিত

বেতন মওকুফসহ তিন দাবিতে বরিশালে ছাত্র ফ্রন্টের সমাবেশ 10/05/2021

https://www.newsbangla24.com/country-wide/136905/%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%A8-%E0%A6%A6%E0%A6%AB%E0%A6%BE-%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B6

বেতন মওকুফসহ তিন দাবিতে বরিশালে ছাত্র ফ্রন্টের সমাবেশ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বেতন-ফি মওকুফসহ তিন দফা দাবি আদায়ে বরিশালে ছাত্র সমাবেশ করেছে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্.....

মূলপাতা - 14/04/2021

মূলপাতা - সর্বশেষ সংবাদ ব্রাহ্মণবাড়ীয়ায় তান্ডব অগ্নিসংযোগের দায় প্রধানত হেফাজতের-আইন শৃঙ্খলা বাহিনী কেন বাঁধা দেয়নি তার ...

14/04/2021

বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ এর মুখপত্র ভ্যানগার্ড মার্চ-এপ্রিল ২০২১ সংখ্যা পড়ুন:https://spb.org.bd/wp-content/uploads/2021/04/Vanguard-March-April-2021.pdf

মূলপাতা - সর্বশেষ সংবাদ বন্ধ চিনিকল খুলে দাও, আধুনিকায়ন কর, দুর্নীতি-ভুলনীতি-অনিয়ম দূর কর-বাম গণতান্ত্রিক জোট করোনা ভ্যাক্.....

Photos from সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট- বরগুনা's post 03/03/2021

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ইতিহাসে টমাস আলভা এডিসন খুব গুরুত্বপূর্ণ এক বিজ্ঞানী। তাঁর আবিষ্কৃত ডিরেক্ট কারেন্টের (ডিসি) কথা আমরা সবাই জানি। শুধু বিদ্যুৎই নয়, বাতিও তাঁরই আবিষ্কার। এক যুক্তরাষ্ট্রেই তাঁর নামে সহস্রাধিক পেটেন্ট, মানে আবিষ্কার-স্বত্ব আছে।

এডিসনের মা–বাবার নাম, জন্ম সাল ইত্যাদি আমরা এক জীবনে নিতান্ত কম পড়িনি। কিন্তু এগুলোর কোনোটাই আমাদের মনে থাকে না। তার দরকারও নেই। বড়জোর বিসিএসের জন্য লাগলেও লাগতে পারে। তবে বিসিএসে এডিসনের বাবার নাম কখনো এসেছে বলে আমি শুনিনি!

তবু এডিসনের কথা বলতে গেলে তাঁর মা–বাবার নাম একবার হলেও বলতে হবে। যতটা না জানার জন্য, তার চেয়ে বেশি তাঁদের প্রাপ্য সম্মান দেওয়ার জন্য। হ্যাঁ, এডিসনের বাবার নামও এডিসনই ছিল! স্যামুয়েল অগডেন এডিসন। আর তাঁর মায়ের নাম, ন্যান্সি এলিয়ট।

তাঁর একদম ছোটবেলায় পরিবারের আর্থিক অবস্থা খুব একটা খারাপ ছিল না। খানিকটা সে জন্যই, ইচ্ছেমতো দুষ্টুমি করার সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি। আসলে, বড়রা দুষ্টুমি বললেও ছোটদের জন্য এগুলো হলো জীবন-মরণের কেস!

যেমন, মুরগির ডিমের কথাই ধরা যাক। এডিসন খেয়াল করে দেখেছিলেন, মুরগি ডিম পাড়ার পর সেটার ওপরে বসে থাকে। তা দেয়। তিনি ভাবলেন, মুরগি পারলে আমি কেন পারব না! যেই ভাবা, সেই কাজ। ঘরের কোণে খড়টড় দিয়ে এর ওপরে ডিম রেখে বসে পড়লেন তা দিতে! এরপরে কী হয়েছে, সেটা ভাসা–ভাসাভাবে শোনা যায়। তবে কানমলা একটা নিশ্চয় খেয়েছিলেন। ছেলের ডিম ফোটানোর চেষ্টা কোনো মা–বাবারই অত সহজে মেনে নেওয়ার কথা নয়।

কিন্তু এডিসন সেখানে থামেননি। চালিয়ে গেছেন এসব ‘গুরুত্বপূর্ণ’ গবেষণা। এখানে আরেকটা ব্যাপারও আছে অবশ্য। স্কুলে এক শিক্ষককে একবার পেছন থেকে ‘বোকা’ বলেছিলেন তিনি। ফলে তিন মাসেই তাঁর স্কুলজীবন শেষ হয়ে গিয়েছিল। (তোমরা কেউ এখন আবার স্কুলের শিক্ষককে বোকা বলতে যেয়ো না যেন!) বাকি সব পড়াশোনা ও দুষ্টুমি তিনি বাসায় বসেই করেছেন, একেবারে নিজ উদ্যোগে! আর পড়াশোনার দিকটা সামলেছেন তাঁর মা।

এখন পড়াশোনার পাশাপাশি ‘গুরুত্বপূর্ণ’ গবেষণার জন্য দরকার গবেষণাগার। এডিসন সেদিকে মন দিলেন। টুকটাক যন্ত্রপাতি কিনে ফেললেন নিজে নিজেই। কিন্তু এ সময় তাঁর পরিবারে কিছুটা অর্থনৈতিক সংকট দেখা দেয়। কিন্তু গবেষণা তো আর এভাবে ফেলে রাখা যায় না। এডিসন ভাবেন। ভেবে ভেবে তাঁর মনে হয়, উঁহু! এভাবে ছেড়ে দিলে চলবে না। নিজেকেই যা করার, একটা কিছু করতে হবে।

বাবা-মাকে বললেন সে কথা। তাঁর বয়স তখন তেরো। এই বাচ্চা আবার কাজ কী করবে! মা–বাবা রাজি হলেন না। কিন্তু ছেলের জেদের সঙ্গে কী আর পারা যায়? শেষমেশ এডিসন খবরের কাগজ ফেরি করার কাজ জুটিয়ে ফেললেন। বুদ্ধিমান এডিসন ভাবলেন, কান টানলে মাথা আসে—এটা একটা প্রতিষ্ঠিত সত্য। তাই কাগজের সঙ্গে সঙ্গে বাদাম, চকলেট ইত্যাদিও রাখতে শুরু করলেন তিনি। যে কাগজ কিনবে, দুটো বাদামও কিনে নেবে সঙ্গে! আর বাদাম দেখলে কার না খেতে ইচ্ছে করবে?

সব মিলিয়ে টুকিটাকি ভালোই আয় হলো। এ সময় জানতে পারলেন, পুরোনো ছাপার যন্ত্র বিক্রি হবে কম দামে। ভাবলেন, হাতে যেহেতু কিছু টাকা আছে, কিনেই ফেলা যাক যন্ত্রটা! কিন্তু কিনে কী করবেন? কেন, পত্রিকা বের করবেন! স্থানীয় পত্রিকার জন্য সংবাদ সংগ্রহ করাটা তাঁর জন্য কঠিন কিছু নয়। আরও কিছু কাজ অবশ্য আছে। সম্পাদনা করা, ছাপা, বিক্রি করা ইত্যাদি। কিন্তু যে ছেলে ছাপানোর যন্ত্র কিনে ফেলেছে, বড় হয়ে যে কিনা ইতিহাসের সবচেয়ে বড় উদ্যোক্তাদের একজন হয়ে উঠবে; এসব কি আর তাকে আটকাতে পারবে?

ছেলেবেলায় এডিসন
সত্যি সত্যি পত্রিকা বের করে ফেললেন এডিসন। বিক্রিও হতে লাগল মোটামুটি। টাকাও মন্দ জমল না। তবে পরিমাণটা যে খুব বেশি না, সেটা তো বোঝাই যায়। মাত্র পনেরো বছর বয়সে রাতারাতি পত্রিকার মালিক হয়ে যাওয়া ছেলেটার মাথায় তখন আরেক জিনিস ঘুরছে। যেভাবেই হোক, টেলিগ্রাফ শিখতে হবে।

কথায় আছে, কেউ যখন মন থেকে খুব করে কিছু চায়, পুরো পৃথিবী তাকে সেটা পাইয়ে দেওয়ার জন্য উঠেপড়ে লাগে। এডিসনের সামনেও সুযোগ এসে গেল।

একদিন কাগজ নিয়ে রেললাইন দিয়ে যাচ্ছেন। দেখলেন, এক পিচ্চি লাইনের মধ্যেই খেলছে। ওদিকে দূর থেকে আসছে ট্রেন। পিচ্চির সেদিকে খেয়ালই নেই। কাগজপত্র সব ফেলে দিয়ে ছুট দিলেন। সরিয়ে আনলেন সেই পিচ্চিকে। দেখা গেল, সেই পিচ্চি স্টেশনমাস্টারের সন্তান! খুশি হয়ে ভদ্রলোক বললেন, বলো, তোমার জন্য কী করতে পারি? এডিসন তখন তাঁকে টেলিগ্রাফ শেখার ইচ্ছার কথা জানান। এভাবেই কয়েক মাসের মধ্যেই টেলিগ্রাফ শেখা হয়ে গেল তাঁর। সেই সঙ্গে সাংকেতিক লিপিও শিখে ফেললেন। এই সংকেত ও মোর্স কোড নিয়ে একটা বেশ মজার ঘটনা আছে।

১৮৮৫ সাল। এডিসনের প্রথম স্ত্রী মারা গেছেন। মিনা মিলার নামের এক তরুণীর সঙ্গে পরিচয় হয় এডিসনের। এডিসন তাঁকে মোর্স কোড শেখালেন। এভাবেই তাঁদের প্রেম হয়ে গেল। দেখা যেত, আশপাশে মানুষ থাকলেও তাঁরা গোপনে ঠিকই নিজেদের কথা চালিয়ে যাচ্ছেন। একদিন এডিসন সবার সামনেই মিনার হাতে ট্যাপ করে, মোর্স কোডের মাধ্যমে একটা কথা বললেন। উত্তরে মিনাও ট্যাপ করেই জবাব দিলেন।

এডিসন তাঁকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, আমাকে বিয়ে করবে?

মিনা জবাব দিয়েছিলেন, হ্যাঁ!

১৮৮৬ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি তাঁদের বিয়ে হয়। পরে তাঁদের তিন সন্তানও হয়েছিল।

এডিসনের ঘটনাবহুল জীবনী নিয়ে বলতে গেলে আসলে বলে শেষ করা যাবে না। তাই তাঁর উদ্যোগ ও বিদ্যুতের ব্যাপারে ছোট্ট করে বলি। ১৮৬৯ সালে ভোল্ট পরিমাপের একটা যন্ত্র বানান তিনি। এটা অবশ্য বর্তমানের ভোল্টমিটার নয়। তবে সেটার পেটেন্ট নিয়েছিলেন এডিসন। এই পেটেন্ট তাঁর জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। যে টাকা পেয়েছিলেন, সেটা নিয়ে পাড়ি জমালেন নিউইয়র্কে। কিন্তু অল্প কয়েক দিনেই সেসব টাকা শেষ হয়ে গেল। এ সময় তাঁর পরিচয় হয় এক টেলিগ্রাফ অপারেটরের সঙ্গে। সেই অপারেটর তাঁকে এক ডলার ধার দেন। সেই সঙ্গে গোল্ড ইন্ডিকেটর কোম্পানির ব্যাটারি ঘরে থাকার ব্যবস্থা করে দেন। সেখানে থাকাবস্থায় তৃতীয় দিন এডিসন দেখলেন, ট্রান্সমিটারের বেহাল দশা। ম্যানেজারের অনুমতি নিয়ে ঠিক করে দিলেন সেটা। সেদিনই ওই কোম্পানির কারখানায় ফোরম্যান হিসেবে চাকরি পেয়ে যান তিনি। বেতন ৩০০ ডলার!

সে আমলে ৩০০ ডলার অনেক টাকা। তার ওপরে অল্প কিছুদিনের মধ্যেই তিনি ম্যানেজার হয়ে গেলেন। বেতন আরও বেড়ে গেল। এর কিছুদিন পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোর একটা করলেন তিনি। গোল্ড ইন্ডিকেটর কোম্পানি একধরনের যন্ত্র বানাত। এই যন্ত্রের ফিতায় লেখা হতো টেলিগ্রাফের খবর। এডিসন নতুন এক যন্ত্র বানালেন। যেটা আগের চেয়ে অনেক উন্নত, কিন্তু এটা বানাতে খরচ পড়বে অনেক কম। কোম্পানির মালিকের কাছে নিয়ে গেলেন সেই যন্ত্র। ভদ্রলোক সেই যন্ত্র দেখে বললেন, কত দামে বিক্রি করতে চান এটা? এডিসন ঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারছিলেন না। কিন্তু চার-পাঁচ হাজারের মতো ভাবছিলেন। তাঁকে অবাক করে দিয়ে ৪০ হাজার ডলার ধরিয়ে দিলেন ভদ্রলোক!

এত দিনে এডিসন পুরোপুরি স্বাধীন হয়ে গেলেন। কাজ শুরু করলেন পুরোদমে। নিত্যনতুন আবিষ্কার করেন আর পেটেন্ট করে নেন। সেগুলোর কিছু বিক্রি করে আয় করেন মোটা অঙ্কের টাকা।

১৮৭৬ সালে নতুন এক কারখানা বানান তিনি মেনলো পার্কে। তত দিনে টেলিফোন আবিষ্কার হয়ে গেছে৷ কিন্তু যন্ত্রটা অতটা উন্নত ছিল না। কথা ভালোভাবে শোনাও যেত না। এ সময় এডিসন কার্বন ট্রান্সমিটার উদ্ভাবন করলেন। ফলে টেলিফোনে কথাবার্তা ও যোগাযোগ খুব সহজ হয়ে গেল। রাতারাতি বিখ্যাত হয়ে গেলেন এডিসন।

এবার তিনি মনোযোগ দিলেন বিদ্যুতের দিকে। বানালেন কার্বন ফিলামেন্ট। নিউইয়র্কে প্রথম বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রও গড়ে তুলেছিলেন তিনি।

এডিসনকে নিয়ে একটা বিখ্যাত গল্প আছে। তাঁর বানানো প্রথম সফল বাল্বটি এক কাজের লোককে দিয়ে একবার বলেছিলেন, রেখে আসতে। লোকটা সেটা ভেঙে ফেলে। কিন্তু এডিসন তাকে কিছু বলেননি। খেটেখুটে আরেকটা বাল্ব বানালেন। সফলভাবে সেটা জ্বালিয়ে দেখার পরে সেই লোককেই আবার ডাকলেন বাল্ব রেখে আসতে। লোকটা তখন ভয় পাচ্ছিল। উপস্থিত অন্যরাও বলছে, করছেন কী আপনি! আবার ভেঙে ফেলবে তো! এডিসন বললেন, বাল্ব ভাঙলে আমি বানাতে পারব। কিন্তু আজ ওকে এই কাজ না করতে বললে ওর আত্মবিশ্বাসটা যে আর কখনো জোড়া লাগবে না!

এডিসনকে নিয়ে এ রকম চমৎকার সব গল্প আছে। কিন্তু তিনিও মানুষ ছিলেন। তাই মুদ্রার উল্টো পিঠে তাকালে দেখা যায়, তাঁর ব্যাপারে অভিযোগও আছে অনেক। যেমন, পেটেন্টের ব্যাপারটাই ধরা যাক। এডিসনের আগেও অনেক দারুণ আবিষ্কার হয়েছে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা তখনো পেটেন্ট করে সব কুক্ষিগত করে রাখতেন না। এখন যেমন, ইলন মাস্ক কিছু পেটেন্ট ছাড়া বেশির ভাগই উন্মুক্ত করে দিয়েছেন, সে রকম। কিন্তু এডিসন ছিলেন অন্য রকম। কিছুই ছাড়তে চাইতেন না তিনি।

গবেষণায় মগ্ন এডিসন

তাঁর কোম্পানিতেই কাজ করতেন নিকোলা টেসলা। টেসলা অভিযোগ করে বলেছিলেন, এডিসন নাকি তাঁকে ঠিকভাবে প্রাপ্য টাকাপয়সাটুকুও দিতে চাইতেন না। তাই খুব খেপেছিলেন টেসলা। এর মধ্যে তিনি আবিষ্কার করেছিলেন এসি কারেন্ট। এডিসনের ডিসি ও টেসলার এসি কারেন্ট নিয়ে রাতারাতি যুদ্ধ লেগে গিয়েছিল। এটা ‘কারেন্ট ওয়ার’ নামে খ্যাত। টেসলার নিজের কোম্পানি ছিল না। ওয়েস্টিংহাউস ইলেকট্রিক কোম্পানির সাহায্য নিয়েছিলেন তিনি।

এসি কারেন্ট অনেক কম খরচে বহুদূরে সরবরাহ করা যায়। তা ছাড়া এটি তুলনামূলকভাবে অনেক নিরাপদ। কারণ, সার্কিট পূর্ণ না হলে, বৈদ্যুতিক তারে হাত লেগে গেলেও সমস্যা হয় না। যেমন রাবারের জুতো পায়ে থাকলে। মানুষের শরীর বিদ্যুৎ পরিবাহী হলেও রাবার বিদ্যুৎ পরিবাহী নয়। সে জন্য জুতো পায়ে তারে হাত লেগে গেলেও সমস্যা হয় না।

সব মিলিয়ে কারেন্ট ওয়ারে শেষ পর্যন্ত হেরে গিয়েছিলেন এডিসন। ঘরে ঘরে জায়গা করে নিয়েছিল এসি কারেন্ট। তবে ব্যাটারিতে এখনো সেই ডিসি কারেন্টই ব্যবহৃত হয়। অর্থাৎ ব্যাটারিচালিত যত কিছু আমরা চালাই, এডিসনের সেই আবিষ্কারই ব্যবহার করি।

নন্দিত যেমন হয়েছেন, তেমনি নিন্দাও কম পাননি এডিসন। কিন্তু আজকের শিল্পবিপ্লবনির্ভর পৃথিবীর পেছনে তাঁর অবদানকে কোনোভাবেই অস্বীকার করা যাবে না।
তথ্যসূত্র: কিশোর আলো।

17/02/2021

প্রেস বিজ্ঞপ্তি ১৭/২/২১
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উপর বর্বরোচিত হামলার তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন ও দোষীদের শাস্তি দাবী
আজ এক যুক্ত বিবৃতিতে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট বরিশাল জেলার আহবায়ক সাগর দাস আকাশ ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট মহানগর শাখার আহবায়ক প্রতিভা রায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উপর বর্বরোচিত হামলার তীব্র নিন্দা জানান এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।
নেতৃবৃন্দ বলেন, শিক্ষার্থীদের সাথে তুচ্ছ কথা কাটাকাটির ঘটনাকে কেন্দ্র করে রূপাতলী বাসস্ট্যান্ডের প্রভাবশালী মহল পরিকল্পিতভাবে ছাত্রদের বাসায় বাসায় গিয়ে তাদের উপর এই ন্যাক্কারজনক হামলা চালিয়েছে। বর্তমানে প্রায় ১৫ জন ছাত্র শেবাচিম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে যাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর। একটি স্বাধীন দেশে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উপর এহেন সন্ত্রাসী কায়দায় হামলা জাতির জন্য লজ্জার। নেতৃবৃন্দ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও স্থানীয় প্রশাসনকে অবিলম্বে দোষীদের গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনার দাবী জানান এবং আন্দোলনরত ছাত্রদের সাথে একাত্মতা পোষণ করে আগামীকাল সকাল ১০টায় অশ্বিনী কুমার হলচত্বরে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে সবাইকে যোগদান করার আহবান জানান।
বার্তা প্রেরক
বিজন শিকদার
প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক
সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট
বরিশাল মহানগর।

05/01/2021

সোনারগাঁও টেক্সটাইল মিলের শ্রমিকদের বকেয়া বেতন পরিশোধ ও মিল চালুর দাবিতে আগামী ১২ জানুয়ারি থেকে লাগাতার সড়ক অবরোধের কর্মসূচি ঘোষণা
আজ সকাল ১১টায় বাসদ কার্যালয়ে সোনারগাঁও টেক্সটাইল মিলের শ্রমিক-কর্মচারী ঐক্য পরিষদের এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সোনারগাঁও টেক্সটাইল মিল শ্রমিক-কর্মচারী সংগ্রাম কমিটির সভাপতি গাজী মোঃ বেল্লাল, সহ-সভাপতি হারুন শরীফ, সাধারণ সম্পাদক নুরুল হক, বাসদ বরিশাল জেলার সদস্য সচিব ডাঃ মনীষা চক্রবর্তী সহ শ্রমিক নেতৃবৃন্দ।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, গত মার্চ মাস থেকে সোনারগাঁও টেক্সটাইল মিলের শ্রমিকদের বকেয়া বেতন পরিশোধ করা হয়নি, মিল চালু করার কথা বলে বারবার শ্রমিকদের সাথে প্রতারণা করা হচ্ছে। মিল খোলা ও শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধের দাবিতে সংগ্রাম কমিটির পক্ষ থেকে আগামী ১২ জানুয়ারি থেকে লাগাতার সড়ক অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
শ্রমিক নেতৃবৃন্দ প্রায় সাতশত শ্রমিক পরিবারের জানমাল রক্ষার এই আন্দোলনে বরিশালের সর্বস্তরের মানুষের সমর্থন ও সহযোগিতা কামনা করেন।
বার্তা প্রেরক
ফরহাদ হোসেন
দপ্তর সম্পাদক
সোনারগাঁও টেক্সটাইল মিল শ্রমিক-কর্মচারী সংগ্রাম কমিটি

Photos from সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট- বরগুনা's post 29/12/2020

বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ
বরগুনা জেলা

আজ এক যুক্ত বিবৃতিতে বাসদ বরগুনা জেলা শাখার সংগঠক গোবিন্দ মালাকার ও সুশান্ত পোদ্দার বরগুনা আদর্শ স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা ও সংস্কৃতিমনা প্রগতিশীল মানুষ ইসরাত জাহান মোনালিসার মৃত্যুতে গভীর শোক ও শ্রদ্ধা প্রকাশ করেন।
নেতৃবৃন্দ বলেন, ইসরাত জাহান মোনালিসা বরগুনা আদর্শ স্কুলের প্রধান শিক্ষিকাই শুধু ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন আদর্শ মানুষ। তিনি বরগুনায় সাংস্কৃতিক বা প্রগতিশীল যেকোন আয়োজনকে আন্তরিকতার সাথে পৃষ্ঠপোষকতা করতেন। তাঁর স্কুলের প্রাঙ্গনকে তিনি বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষামূলক কর্মসূচির জন্য উদারতার সাথে উন্মুক্ত করে দিয়ে বরগুনার শিক্ষার্থীদের বিকশিত হওয়ার সুযোগ করে দিতেন। এমন একজন মহান মানুষের অকালে চলে যাওয়া বরগুনাবাসীর জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।
নেতৃবৃন্দ ইসরাত জাহান মোনালিসার অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক ও শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।

বার্তা প্রেরক
দীপজয় চক্রবর্তী
সদস্য,বাসদ
বরগুনা জেলা।

Want your business to be the top-listed Government Service in Barishal?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Barishal
8200