রা জীব। আশরাফুল মাকলুখাত, মহান আল্লাহ অসংখ্য ছোট-বড় সৃষ্টির মধ্যে একমাত্র মানুষকেই সর্বশ্রেষ্ঠ মর্যাদা দিয়ে সৃষ্টি করেছেন। সব সৃষ্টিকেই তিনি একটি নিয়মের অধীন করে দিয়েছেন। কিন্তু মানুষকে তিনি ইচ্ছার স্বাধীনতা দিয়েছেন। মানুষ যা চায় তাই করতে পারে। এত বড় মর্যাদার সাথে তিনি মানুষকে করেছেন খলীফা বা প্রতিনিধি। মানুষ সৃষ্টির
আগে তিনি ফেরেশতাদের ডেকে বললেন,‘‘আমি পৃথিবীতে আমার খলীফা বা প্রতিনিধি প্রেরণ করব”। (সূরা বাকারা-৩০) খলীফার কাজ হচ্ছে মনিবের প্রদত্ত দায়িত্ব পালন করা এবং পরে যার প্রতিনিধি তাঁর কাছে হিসেব দেয়া।
██ জীবন বিধান ইসলাম ██
আল্লাহ মানুষকে দুনিয়ায় পাঠালেন। সাথে দিলেন তাঁর পক্ষ থেকে হেদায়াত। মানুষ যখনই তাঁর দেয়া হেদায়াত ভুলে পথভ্রষ্ট হয়েছে তখনই আল্লাহ তা’য়ালা পাঠিয়েছেন নবী বা রাসূল। সর্বশেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)। তিনি খাতামুন্নাবিয়ীন, সাইয়্যেদুল মুরসালীন। তাঁর পর আর কোন নবী আসবেন না। তিনি মানুষের কাছে নিয়ে এসেছেন হেদায়াত গ্রন্থ আল-কুরআন। আল্লাহর মনোনীত একমাত্র জীবন ব্যবস্থা ইসলামকে তার মাধ্যমে পরিপূর্ণতা দান করা হয়েছে। আল্লাহ বলেন, ‘‘ আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পূর্ণাঙ্গ করে দিলাম এবং আমার নিয়ামত তোমাদের প্রতি সম্পূর্ণ করলাম”। (সূরা মায়েদা-৩)
██ মুসলমানের পরিচয় ██
ইসলাম অর্থ আত্মসমর্পণ। তাই মানুষের মধ্যে যারা এ ইসলামকে কবুল করে বা আল্লাহর কাছে সম্পূর্ণরুপে নিজেদের আত্মসমর্পণ করে তাদের বলা হয় ‘মুসলিম’। কেবল মুসলমানের ঘরে জন্ম হলেই কেউ মুসলমান হয়না, বরং কাফের মুশরিকদের ঘরে জন্ম নিয়েও কেউ যদি ঈমান আনে এবং ইসলামের সব বিধি-বিধান মেনে চলে তবে সেও মুসলিম। মানুষের মধ্যে মুসলিমরা সর্বশ্রেষ্ঠ জাতি। কুরআনের ভাষায়, “তোমাদেরকে শ্রেষ্ঠ জাতি হিসেবে সৃষ্টি করা হয়েছে, যেন তোমরা সৎ কাজের আদেশ দাও আর অসৎ কাজ থেকে বিরত রাখ।“(সূরা- আলে ইমরান-১১০)
অন্য স্থানে বলা হয়েছে, “তোমাদেরকে মধ্যমপন্থি জাতি হিসেবে সৃষ্টি করা হয়েছে, যেন তোমরা মানুষের জন্য সত্যের সাক্ষ্য হতে পার।“ (সূরা-বাকারা-১৪৩)
██ কিন্তু ██
আজ মানুষ ভুলে গেছে তার পরিচয়। মুসলমান বিস্মৃত হয়েছে তার দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে। ফলে জলে-স্থলে সর্বত্র চলছে অনাচার, অবিচার ও অশান্তির প্রবল স্রোত। মানুষে মানুষে চলছে হানাহানি, কাটাকাটি, হিংসা-বিদ্বেষ, অসাম্য ও দূর্ভোগ। অসংখ্য বনী আদম অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান ও চিকিৎসার অভাবে ধুঁকে ধুঁকে মরছে। অথচ লক্ষ লক্ষ টন খাদ্য সমুদ্রে ফেলে নষ্ট করা হচ্ছে, পারমানবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতায় ব্যয় হচ্ছে কোটি কোটি ডলার। যাদের মুখে শোনা যায় শান্তির ললিত বাণী তারাই আবার অপরকে দেয় পারমাণবিক বোমার হুমকি। অসহায় মানুষ আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ করছে মুক্তির জন্য। মুসলমানদের অবস্থাতো আরো করুণ; আফগানিস্তান, ফিলিস্তিন, কাশ্মীরসহ বিশ্বের অনেক স্থানে মুসলমানদের রক্ত নিয়ে হোলি খেলছে বেদ্বীনরা। ইরাকের মুসলমানদের উপর চলছে ইহুদীবাদের ক্রীড়নক মার্কিনীদের নেতৃত্বে বিশ্ব ইসলাম বিরোধী শক্তির ভয়াবহ নিষ্ঠুর নির্যাতন। এ ব্যাপারে মুসলমানদের কোন ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা নেই, নেই কোন কার্যকর পদক্ষেপ। তাই মুসলমানদের বিরুদ্ধে দিন দিন ষড়যন্ত্র তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে। অবশ্য ইসলামের বিজয়ের সম্ভাবনাও দিন দিন বাস্তবরূপ লাভ করছে।
██ একদিন...██
সব মানুষকেই মরতে হবে। ফিরে যেতে হবে মহান স্রষ্টার কাছে। কিয়ামাতের প্রবল প্রলয়ে সমস্ত কিছু ধ্বংসের পর মানুষের ভাল-মন্দের বিচারের সময় এসে যাবে। সেদিন যাদের ভাল কাজের পরিমাণ বেশী হবে তারাই মুক্তি পাবে, পুরস্কার হিসেবে পাবে চির শান্তির জান্নাত। আর যাদের মন্দ কাজের পাল্লা ভারী হবে তারা পাবে অবর্ণনীয় আযাবে ভরপুর চির দুঃখের জাহান্নাম। যে যেখানেই যাবে সেখানেই থাকবে চিরদিন, অনন্তকাল। সেদিন অবশ্যই সকলকে দুনিয়ার বর্তমান অবস্থায় তার ভূমিকা ও কাজ সম্পর্কে জবাবদিহি করতে হবে।
██ তাই ██
আল্লাহ নিজেই সেদিনের মুক্তির ব্যবস্থা করে রেখেছেন। তাঁর কালামের ভাষায়, ‘‘তোমরা আল্লাহর রাস্তায় জান ও মাল দিয়ে লড়াই কর। এটিই হবে তোমাদের জন্য কল্যাণকর, যদি তোমরা বুঝ। তোমাদের গুনাহ ক্ষমা করা হবে, আর তোমাদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে; যার তলদেশে আছে ঝর্ণাধারা।“ (সূরা আস্ সফ-১১-১২)
সুতরাং██
আজকের এই অবস্থায় আমাদের উচিৎ ইসলাম সম্পর্কে জানা, কুরআন-হাদীস পড়া এবং মানুষের মুক্তির জন্য আল্লাহর পথে প্রাণান্ত প্রচেষ্টা চালানো, সৎ কাজের আদেশ দেয়া ও অসৎ কাজ হতে বিরত রাখা। কিন্তু এ কাজটি একা একা করা যায়না। এজন্য প্রয়োজন সংঘবদ্ধ প্রচেষ্টা। হযরত উমর রাঃ তাই বলেছেন, ‘‘দল ছাড়া ইসলাম হয় না।“ আমাদের দেশের অবস্থা বড়ই নাজুক। পৃথিবীর অন্যতম একটি দরিদ্র জনপদ এই দেশ। শতকরা ৪৯ জন মানুষ দারিদ্র সীমার নিচে বাস করছে। মানুষের জীবনে নেই সুখ, নেই শান্তি, নেই কোন আদর্শের ছবি। শিশু কিশোররাও বেড়ে উঠছে অনৈতিকতার মধ্য দিয়ে। এ অবস্থা চলতে দিলে জাতির ভবিষ্যত গাঢ় অন্ধকারময়। এর হাত থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য প্রয়োজন একদল সচেতন লোকের। তাই এখানেও আল্লাহর পথে তরুণদের ডাকার জন্য, দেশের ভবিষ্যত নাগরিকদের আদর্শ ও চরিত্রবানরূপে গড়ে তোলার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তরুণ ও মেধাবী ছাত্রদের সংগঠণ- বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।
██ শিবিরের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ██
আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসূল সাঃ প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী মানুষের সার্বিক জীবনের পূণর্বিন্যাস সাধন করে আল্লাহর সন্তোষ অর্জন।
██ কর্মসূচী ██
উল্লেখিত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য ইসলামী ছাত্রশিবির প্রণয়ন করেছে বিজ্ঞানসম্মত পাঁচ দফা কর্মসূচী:
এক. দাওয়াত : তরুণ ছাত্রসমাজের কাছে ইসলামের আহবান পৌঁছিয়ে তাদের মাঝে ইসলামী জ্ঞানার্জন এবং বাস্তব জীবনে ইসলামের পূর্ণ অনুশীলনের দায়িত্বানুভূতি জাগ্রত করা।
দুই. সংগঠন : যেসব ছাত্র ইসলামী জীবন বিধান প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অংশ নিতে প্রস্তুত, তাদেরকে সংগঠনের অধীনে সংঘবদ্ধ করা।
তিন. প্রশিক্ষণঃ এই সংগঠনের অধীনে সংঘবদ্ধ ছাত্রদেরকে ইসলামী জ্ঞান প্রদান এবং আদর্শ চরিত্রবানরূপে গড়ে তুলে জাহেলিয়াতের সমস্ত চ্যালেঞ্জের মোকাবিলায় ইসলামের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করার যোগ্যতাসম্পন্ন কর্মী হিসেবে গড়ার কার্যকরী ব্যবস্থা করা।
চার. ইসলামী শিক্ষা আন্দোলন ও ছাত্র সমস্যা: আদর্শ নাগরিক তৈরির উদ্দেশ্যে ইসলামী মূল্যবোধের ভিত্তিতে শিক্ষাব্যবস্থার পরিবর্তন সাধনের দাবিতে সংগ্রাম এবং ছাত্রসমাজের প্রকৃত সমস্যা সমাধানের সংগ্রামে নেতৃত্ব প্রদান।
পাঁচ. ইসলামী সমাজ বিনির্মাণ : অর্থনৈতিক শোষণ, রাজনৈতিক নিপীড়ন এবং সাংস্কৃতিক গোলামী হতে মানবতার মুক্তির জন্য ইসলামী সমাজ বিনির্মাণে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো।
দেশের প্রতিটি জনপদ জুড়ে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির কাজ করে যাচ্ছে তার বিশাল কর্মী বাহিনী নিয়ে। শিবির একজন তরুণকে একই সাথে একজন ভাল ছাত্র ও একজন ভাল মুসলমান হিসেবে গড়ে তুলতে চেষ্টা করছে। ব্যক্তিগত রিপোর্টে পাঠ্য বই পড়ার ও ক্লাসে উপস্থিতির হিসেব রাখার ব্যবস্থা করে শিবির তার কর্মীদের ভাল ছাত্র হতে আগ্রহী করে তোলে।
ইসলাম যেমন সকল মানুষের কল্যাণের জন্য তেমনি ইসলামী ছাত্রশিবিরও মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান সবার কাছে ইসলামকে সুন্দরভাবে তুলে ধরার কর্মসূচী নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। তাই এই সুন্দর কর্মসূচী ও চরিত্রবান কর্মীদের প্রতি দিন দিন জনসমর্থন বাড়ছে। আসুন, আপনিও শিবিরের পতাকাতলে সমবেত হয়ে নিজেকে গড়ে তুলুন সুন্দর ও যোগ্যতম ব্যক্তি হিসেবে। শরিক হোন ইহকাল ও পরকালের মুক্তিকামী মানুষের এই কাফেলায়।
09/09/2021
জামায়াত নেতৃবৃন্দকে গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ এবং অবিলম্বে নেতৃবৃন্দের মুক্তির দাবি জানিয়ে ছাত্রশিবিরের বিবৃতি
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, সাবেক কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি হামিদুর রহমান আজাদ, সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ইয়াছিন আরাফাতসহ ১০ জনকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ এবং অবিলম্বে তাদের মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিবৃতি প্রদান করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।
এক যৌথ প্রতিবাদ বার্তায় ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি সালাহউদ্দিন আইউবী (Salahuddin Ayubi) ও সেক্রেটারি জেনারেল রাশেদুল ইসলাম (Rashedul Islam) বলেন, জামায়াতে ইসলামী একটি নিয়মতান্ত্রিক, গণতান্ত্রিক ও জনগণের প্রতিনিধিত্বকারী জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল। জামায়াতে ইসলামী বর্তমান সরকারের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে দেশ ও জাতির কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আজ ৬ সেপ্টেম্বর কোন কারণ ছাড়াই নিয়মিত দলীয় বৈঠক থেকে অন্যায়ভাবে জামায়াত নেতৃবৃন্দ ও সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতিদের গ্রেফতার করা হয়েছে। এই গ্রেফতারের মধ্যে দিয়ে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও দেউলিয়াত্বের নিকৃষ্ট নজির স্থাপন করলো অবৈধ আওয়ামী সরকার। এর আগেও ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দিয়ে গ্রেফতারকৃত নেতৃবৃন্দকে দীর্ঘদিন কারাগারে আটকে রেখেছিল আওয়ামী সরকার। লজ্জাজনক পরিণতির ভয়ে ভীত জনসমর্থনহীন সরকার অবৈধ পন্থায় ক্ষমতায় আসার পর থেকেই কোন কারণ ছাড়াই যখন তখন জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীদের নির্বিচারে গ্রেপ্তার ও নির্যাতন করে আসছে। দেশের শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করে গণবিচ্ছিন্ন সরকার নিজেদের দেউলিয়াত্বেরই বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছে।
নেতৃবৃন্দ বলেন, গণধিকৃত অবৈধ সরকারের মনে রাখা উচিৎ গ্রেফতারকৃতরা জনপ্রিয় নেতা ও তাদের মধ্যে সাবেক এমপিও রয়েছেন। বার বার তাদেরকে গ্রেফতারের পরও এদেশের তৌহিদী জনতা ধৈর্য্যরে পরিচয় দিয়েছেন। কিন্তু নিরপরাধ জনপ্রিয় নেতাদের উপর এমন অবিচার অব্যাহত থাকলে জনগনের ধৈর্য্যের বাঁধ ভেঙ্গে যাবে। অবিলম্বে অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ গ্রেফতারকৃতদের মুক্তি দিতে হবে।
নেতৃবৃন্দ সকল প্রকার জুলুম নির্যাতন বন্ধ করে গ্রেফতারকৃত জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, সাবেক কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি জনাব হামিদুর রহমান আজাদ ও সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ইয়াছিন আরাফাতসহ গ্রেফতারকৃত ১০ জন নেতৃবৃন্দকে অবিলম্বে মুক্তি দিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহবান জানান।
07/09/2021
গ্রেফতারকৃত জামায়েত নেতৃবৃন্দের সাথে সাক্ষাৎ এর জন্য কোর্টে যান বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের মুহতারাম কেন্দ্রীয় সভাপতি সালাহউদ্দিন আইউবী।
07/09/2021
আলহামদুলিল্লাহ!!
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারী জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার গ্রেফতার হওয়ার প্রেক্ষাপটে সন্মানিত আমীরে জামায়াত মাওলানা এ,টি,এম মা'ছুমের উপর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারী জেনারেলের দায়িত্ব অর্পণ করেছেন।
07/09/2021
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারী জেনারেল সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ আটক ১০ নেতা কর্মীর মুক্তির দাবীতে বরিশাল মহানগর জামায়াতের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
06/09/2021
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান ও জনাব হামিদুর রহমান আজাদসহ ১০ জনকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতারের প্রতিবাদে রাজধানীতে তাৎক্ষনিক বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ।
06/09/2021
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান ও জনাব হামিদুর রহমান আজাদসহ ১০ জনকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ এবং অবিলম্বে তাদের মুক্তি দেয়ার আহ্বান জানিয়ে আমীরে জামায়াত ডাঃ শফিকুর রহমান ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ নিম্নোক্ত বিবৃতি প্রদান করেছেন।
“জামায়াতে ইসলামী একটি নিয়মতান্ত্রিক ও গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল। দেশে বিদ্যমান ভয়াবহ করোনা পরিস্থিতিতে জামায়াত জনগণের পাশে থেকে সেবা করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। জামায়াতের নিয়মিত কাজের অংশ হিসেবে ৬ সেপ্টেম্বর বিকেলে সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ারের সভাপতিত্বে এক বৈঠকের আয়োজন করা হয়। এই বৈঠক থেকে সরকার অন্যায়ভাবে জামায়াতের ৭ জন কেন্দ্রীয় নেতাসহ ১০ জনকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত অন্যান্যরা হলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য জনাব আবদুর রব, অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্লাহ ও জনাব মোবারক হোসাইন এবং ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি জনাব ইয়াসিন আরাফাত।
দেশে এক বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি চলছে। সরকার দীর্ঘ এক যুগ ধরে জনগণের রাজনৈতিক অধিকার কেঁড়ে নিয়েছে। কোনো দলকেই তাদের রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে দিচ্ছে না। সরকারের সবচাইতে জুলুম-নির্যাতনের স্বীকার হয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। জামায়াতের হাজার হাজার নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে নির্যাতন চালানো হয়েছে। অনেককে গুম করা হয়েছে ও পঙ্গু করে দেয়া হয়েছে। শত জুলুম বুকে ধারণ করে জামায়াত নিয়মতান্ত্রিকভাবে তার স্বাভাবিক রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। বিশেষ করে করোনা ভাইরাসের ১৮ মাসে জামায়াত জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে সেবা দেওয়ার চেষ্টা করেছে।
আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই, প্রত্যেক রাজনৈতিক দলেরই তাদের রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করার অধিকার আছে। এটা দেশের জনগণের নাগরিক ও সাংবিধানিক অধিকার। এ অধিকার থেকে বঞ্চিত করার এখতিয়ার কারো নেই। গায়ের জোরে বেশি দিন ক্ষমতায় টিকে থাকা যায় না। অতীতে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে গ্রেফতার করে জনগণের ন্যায় সংগত অধিকার আদায়ের কোনো আন্দোলনকে দমন করা যায়নি। এখনো যাবে না ইনশাআল্লাহ। আমি সকল ষড়যন্ত্র ও জুলুম-নিপীড়ণ বন্ধ করে গ্রেফতারকৃত সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান ও জনাব হামিদুর রহমান আজাদসহ গ্রেফতারকৃত ১০ জনকে অবিলম্বে মুক্তি দেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।”
06/09/2021
06/09/2021
ইন্নালিল্লাহ!
সম্মানিত সেক্রেটারি জেনারেল জনাব মিয়া গোলাম পরওয়ার সহ ৯জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
আল্লাহ সবাইকে হেফাজত করুন, আমীন।
25/08/2021
আলহামদুলিল্লাহ
আমাদের মোঃ জসিম ভাইয়ের বাবার জানাযা সম্পন্ন হয়েছে। জানাযায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের জামায়াত ইসলাম বরগুনা জেলা শাখার জামায়াতের সেক্রেটারি, এইস এম আফজালুর রহমান এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি , সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান, বেতাগী থানা জামায়াতের আমীর,সাবেক ইউনিয়ন চেয়ারম্যান, উপজেলা বি এন পি, জামায়াত এবং জেলা ও উপজেলা ছাত্রশিবিরের নেতৃবৃন্দ এবং এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। সকলে মরহুমের জন্য দোয়া করবেন আল্লাহ যেন তাকে জান্নাতুল ফেরদৌসের মেহমান হিসেবে কবুল করুন আমিন।
মরহুমের জানাযা নামাজ পড়ান তারা একমাত্র পুএ সন্তান পটুয়াখালী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজর সম্মান তৃতীয় বর্ষের ছাএ মোঃজসিম উদ্দীন।
16/08/2021
আফগান ইস্যুতে আমীরে জামায়াত
Dr. Shafiqur Rahman পরিস্কার বক্তব্য রেখেছেন।
ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ আফগানিস্তানে তিন যুগের অধিক সময় ধরে চলে আসা অস্থিরতা, সহিংসতা আর জান-মাল, ইজ্জত-আব্রুর সীমাহীন ক্ষতি হয়েছে। আফগানিস্তান ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ বাঁকে এসে দাঁড়িয়েছে। দেশটির স্থিতিশীলতা এ অঞ্চলের দেশগুলোর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
প্রত্যাশাঃ প্রতিহিংসা পরিহার করে সকল পক্ষের দায়িত্বশীল আচরণ, সহিষ্ণুতা-সহমর্মিতা, সহযোগিতার মাধ্যমে আফগানিস্তানে জনগণের একটি স্থিতিশীল সরকার গড়ে উঠুক।
আল্লাহ্ তা’য়ালা সকল ধরনের বিশৃঙ্খলা, রক্তপাত ও সকল প্রকার ক্ষয়-ক্ষতি থেকে দেশটিকে রক্ষা করুন। দেশটির জনগণের জন্য আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’য়ালা শান্তির ফায়সালা দান করুন, এই দো’য়া করছি।
Our brotherly nation Afghanistan has been suffering from massive losses due to three decades long tensions, violence, losses of public lives and properties. Afghanistan has come in to a historic transitional moments right now. Stability of this country is truly crucial for this region.
Expectations : A stable and effective government would be formed in Afghanistan based on tolerance, empathy, mutual cooperation and sensible responsibilities. Every quarter should give up vengeance and vendetta at once.
May Allah save and protect this country from all types of anarchy, chaos and bloodshed. May Allah endorse peace and stability for the people of Afghanista
05/06/2021
02/06/2021
ঢাবি’তে ছাত্রদল নেতাকর্মীদের উপর ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ
ঢাবি’তে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের উপর ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীদের হামলা ও নির্যাতনের তীব্র নিন্দা এবং হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।
এক যৌথ প্রতিবাদ বার্তায় ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি সালাহউদ্দিন আইউবী ও সেক্রেটারি জেনারেল রাশেদুল ইসলাম বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আবারো সন্ত্রাসের ঘৃণ্য নজীর স্থাপন করেছে ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীরা। আজ দুপুর ১২টায় প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪০তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে ছাত্রদল কর্তৃক টিএসসিতে অসহায়দের মাঝে খাবার ও শিক্ষাসামগ্রী বিতরণ করার কর্মসূচি চলাকালে বিনা উস্কানীতে ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীরা হামলা চালায়। এই বর্বর হামলায় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি ফজলুর রহমান খোকনসহ ছাত্রদলের অন্তত ২০ নেতাকর্মী আহত হয়েছে। কিন্তু সুযোগ থাকার পরও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বা পুলিশ প্রশাসন কেউই তাদের রক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। খাবার ও শিক্ষাসামগ্রী বিতরণের মত একটি মানবিক প্রোগ্রামেও সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে নিজেদের বর্বর ও বিকৃত রুপটি আরেকবার জাতির সামনে উন্মোচন করেছে ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীরা।
নেতৃবৃন্দ বলেন, ছাত্রলীগ সন্ত্রাস, বর্বরতা আর অসভ্যতার প্রতীকে পরিণত হয়েছে। প্রতিটি ক্যাম্পাসকে সন্ত্রাসের আখড়ায় পরিণত করেছে। এর আগেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র খুন এবং সম্মানিত শিক্ষকদের মারধর ও লাঞ্চিত করেছে ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীরা। ক্যাম্পাসগুলোকে অবৈধ অস্ত্রের মিনি ক্যান্টনমেন্টে পরিণত করেছে। ক্যাম্পাসগুলোতে তারা প্রতিদিনই টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, ভর্তি বাণিজ্য, ইভটিজিং ও র্যাগিংসহ নানাবিধ অপকর্ম করে যাচ্ছে। অথচ আজ পর্যন্ত তাদের কোন অপরাধেরই দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হয়নি। উল্টো বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও পুলিশ নিরব ভূমিকা পালনের মাধ্যমে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী কার্যক্রমে মদদ যুগিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসন নিজেদের বিবেক ও দায়িত্ববোধ ছাত্রলীগের কাছে জিম্মি করে রাখলেও ছাত্রসমাজ তাদের জান-মাল সন্ত্রাসীদের হাতে জিম্মি দেখতে প্রস্তুত নয়। দেশের শীর্ষ ছাত্র নেতৃবৃন্দের উপর অব্যাহত সন্ত্রাসী হামলা ও নির্যাতন ছাত্রসমাজ মেনে নেবে না। অবিলম্বে চিহ্নিত ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনতে হবে। হাসপাতালে ভর্তি থাকা ছাত্রদল নেতৃবৃন্দকে উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। আবারো বিচারহীনতার মাধ্যমে ছাত্রদের জীবন বিপন্নের ধারা অব্যাহত রাখলে সারাদেশে ছাত্রসমাজ দূর্বার প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। আর তখন যে কোন পরিস্থিতির জন্য দায়িত্বহীন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনকেই দায়ী থাকতে হবে।