গ্রামীণ সমাজ কল্যাণ পাঠাগার

গ্রামীণ সমাজ কল্যাণ পাঠাগার

Share

সংগঠনে যেতে হলে তোমাকে ব্যক্তিত্ব পরিবর্তন করতে হবে না শুধু তোমার অভ্যাস পরিবর্তন করো।

01/10/2025

Late Marriage = Billion Dollar Business!

26/07/2025

ভোলা - বরিশাল সেতু চাই,
বিরোধীদের ঠাই নাই।

09/06/2025

📢 সতর্কতা বার্তা 📢
বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে। যদিও এটি এখনো গুরুতর নয়, তবু আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।

✅ মাস্ক ব্যবহার করুন
✅ ভিড় এড়িয়ে চলুন
✅ হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করুন
✅ অসুস্থ বোধ করলে ঘরে থাকুন
✅ টিকা নিন (বুস্টার সহ)

😷 সচেতন হোন, নিরাপদ থাকুন!

#সতর্কতা

13/05/2025

‘স্মল বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কোর্স’ ২২তম ও ২৩তম ব্যাচের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি

আপনার ক্যারিয়ারকে উন্নত করতে আস-সুন্নাহ স্কিল ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট নিয়ে এসেছে ‘স্মল বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কোর্স’। ২২তম ও ২৩তম ব্যাচে ভর্তি হতে আজই আবেদন করুন!

📌 আবেদনের যোগ্যতা
✅ শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি/আলিম/শরহে বেকায়া তদূর্ধ্ব
✅ বয়স: সর্বোচ্চ ৩০ বছর

📌 কোর্সের বিবরণ
🔹 কোর্সের ধরন: আবাসিক
🔹 কোর্সের মেয়াদ: তিন মাস
🔹 ক্যাটাগরি: শুধুমাত্র পুরুষ

🔹 📖 কোর্সের বিষয়:
১. মাইক্রোসফট অফিস
2. প্রাকটিক্যাল অ্যাকাউন্টিং
3. গ্রাফিক ডিজাইন
4. ক্রিয়েটিভ মার্কেটিং
5. ভিডিও এডিটিং
6. জেনারেটিভ এআই টুলস
7. প্রাকটিক্যাল ইংলিশ
8. মৌলিক দীনি জ্ঞান

📌 প্রশিক্ষণ পদ্ধতি:
১ম দিন থেকে প্রত্যেকেই এই ৮টি সাবজেক্টের উপর ক্লাস করবেন এবং প্রশিক্ষণার্থীদের প্রথম ৩০ দিনের পারফরম্যান্সের উপর ভিত্তি করে দুইটি আলাদা গ্রুপে ভাগ করা হবে। যা গ্রাফিক ডিজাইন গ্রুপ এবং অ্যাকাউন্টিং গ্রুপ নামে পরিচিত। বাকি ৬০ দিন এই পৃথক গ্রুপে প্রশিক্ষণ চালিয়ে যাবেন।

📌 গ্রাফিক ডিজাইন গ্রুপের বিষয়সমূহ:
✅ গ্রাফিক ডিজাইন
✅ প্রাকটিক্যাল ইংলিশ
✅ ক্রিয়েটিভ মার্কেটিং
✅ মৌলিক দীনি জ্ঞান

📌 অ্যাকাউন্টিং গ্রুপের বিষয়সমূহ:
✅ প্রাকটিক্যাল অ্যাকাউন্টিং
✅ মাইক্রোসফট অ্যাডভান্সড এক্সেল
✅ অফিস এন্ড ওয়ার্কপ্লেস ম্যানেজমেন্ট
✅ প্রাকটিক্যাল ইংলিশ
✅ মৌলিক দীনি জ্ঞান

🌟বিশেষ কোর্স: এই তিন মাসে আরও ১৬টি শর্ট কোর্স অনুষ্ঠিত হবে, এবং প্রতিটি কোর্সের শেষে আলাদা সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে, ইন শা আল্লাহ।

📌 কোর্স ফি এবং আবাসন
💰 ভর্তি ফি: ১০,০০০ টাকা (অফেরতযোগ্য)
💰 আবাসন ও প্রশিক্ষণ ফি: ৫০,০০০ টাকা

✅ বিশেষ সুবিধা: আর্থিক অসচ্ছলতা প্রমাণ সাপেক্ষে সর্বোচ্চ ১০০% স্কলারশিপ পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে ভর্তি ফি ১০,০০০ টাকা সবাইকে পরিশোধ করতে হবে।
⚠ উল্লেখ্য: ভর্তি হওয়ার পর কোর্স সম্পন্ন না করলে পুরো কোর্স ফি পরিশোধ করা বাধ্যতামূলক।

📌 ভর্তি প্রক্রিয়া ও সময়সূচী
📅 আবেদন শুরু: ১০ মে
📅 আবেদন শেষ: ২২ মে (বিকাল ৪টা)
📅 অনলাইন পরীক্ষা ও ফলাফল: ২৪ মে
📅 লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা: ২৮ মে
📅 ওরিয়েন্টেশন ক্লাস শুরু: ১৫ জুন, ২০২৫ (সম্ভাব্য)

📌 আবেদন প্রক্রিয়া:
✅ গুগল ফর্ম পূরণ করে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুন।
✅ অনলাইন পরীক্ষার আগের দিন, পরীক্ষার লিংক ইমেইল এবং মোবাইলে পাঠানো হবে।
✅ অনলাইন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে রিটেন ও ভাইভা পরীক্ষায় সরাসরি অংশগ্রহণ করতে হবে।
📌 💻 আবেদন করতে নিচের লিংক ব্যবহার করুন:
https://forms.gle/9QvjvdNUXubah2cC6

📌 পরীক্ষার প্রস্তুতি নির্দেশিকা
🔹 অনলাইন পরীক্ষার প্রস্তুতি:
✅ ৭০০ শব্দের ইংলিশ ভোকাবুলারি মুখস্থ করুন।
✅ সাধারণ জ্ঞান (গুগল বা কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স থেকে প্রস্তুতি নিতে পারেন)।
✅ ইসলামি সাধারণ জ্ঞান (বই বা অনলাইনের মাধ্যমে জানতে পারেন)।
✅ আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন ও এর কার্যক্রম সম্পর্কে জানুন (ওয়েবসাইট ও পেইজের মাধ্যমে)।

🔹 রিটেন ও ভাইভা পরীক্ষার প্রস্তুতি:
✅ ৭০০ শব্দের ইংলিশ ভোকাবুলারি মুখস্থ করুন।
✅ বেসিক ইংলিশ প্রস্তুতি নিন।
✅ আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন ও এর কার্যক্রম সম্পর্কে জানুন।
✅ ভাইভার জন্য প্রস্তুতি নিন।

📌 ভোকাবুলারি লিংক:
https://drive.google.com/file/d/1XWLqGnaCvacprqoNnA8rTp4mc30ZWe5t/edit

📌 যোগাযোগ ও ঠিকানা
📞 যোগাযোগ: 01409979967 (হোয়াটসঅ্যাপ)
📍 ঠিকানা: ঢাকা, উত্তর বাড্ডা, আলিনগর গেটের বিপরীত পাশের বিল্ডিং, আস-সুন্নাহ স্কিল ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট।

🚀 আপনার ক্যারিয়ারকে সফলতার পথে পরিচালিত করতে আজই আবেদন করুন! 💼✨

13/05/2025

সমস্যা অটো রিকশায় নয়! সমস্যা বেকারত্বে,
সমস্যা আমাদের সিস্টেমে।

বড়লোকের রিকশা (কারখানা) বন্ধ করতে পারি না, কিন্তু গরিবের রিকশা ভাঙতে পারি!

02/05/2025

ছেলেকে দেওয়া একজন আদর্শ বাবার উপদেশঃ
১. জুতা সেলাই বা রং করতে চাইলে মেরামতকারীর দোকানের সামনে পা বাড়িয়ে দিওনা, বরং জুতাটা খুলে নিজে একবার মুছে দিও।
২. কখনও কাউকে কামলা, কাজের লোক বা বুয়া বলে ডেকোনা। মনে রেখো তারাও কারো না কারো ভাই, বোন, মা, বাবা। তাদেরকে সম্মান দিয়ে ডেকো।
৩. বয়স, শিক্ষা, পদ বা পদবীর দিক দিয়ে কেউ ছোট হলেও কখনও কাউকে ছোট করে দেখোনা। নইলে তুমি ছোট হয়ে যাবে।
৪. পড়াশুনা করে জীবনে উন্নতি করো, কিন্তু কারো ঘাড়ে পা দিয়ে উপরে উঠার চেষ্টা করো না।
৫. কাউকে সাহায্য করে পিছনে ফিরে চেওনা, সে লজ্জা পেতে পারে।
৬. সব সময় পাওয়ার চেয়ে দেয়ার চেষ্টা করো বেশি । মনে রেখো, প্রদানকারির হাত সর্বদা উপরেই থাকে।
৭. এমন কিছু করোনা যার জন্য তোমার এবং তোমার পরিবারের উপর আঙুল ওঠে।
৮. ছেলে হয়ে জন্ম নিয়েছো, তাই দায়িত্ব এড়িয়ে যেওনা।
৯. তোমার কি আছে তোমার গায়ে লেখা নেই। কিন্তু তোমার ব্যবহারে দেখা যাবে তোমার পরিবার কোথায় আছে।
১০. কখনও মার কথা শুনে বউকে এবং বউয়ের কথা শুনে মাকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করিও না। কাউকে ফেলতে পারবে না।
১১. কারও বাসায় নিমন্ত্রন খেতে গেলে বাসায় দু-মুঠো ভাত খেয়ে যেও। অন্যের পাতিলের ভাতের আশায় থেকো না।
১২. কারো বাসার খাবার নিয়ে সমালোচনা করো না। কেউ খাবার ইচ্ছে করে অস্বাদ করার চেষ্টা করে না।
১৩. বড় হবার জন্য নয়, মানুষ হবার জন্য চেষ্টা করো।
১৪. শ্বশুর কিংবা শাশুড়িকে এতটা সম্মান দিও, যতটুকু সম্মান তোমার বাবা-মাকে দাও। এবং তাদের প্রতি এমন আচরন করো, যাতে করে তাদের মেয়েকে তোমার বাড়ি পাঠানোর জন্য উতলা থাকে।
১৫. সব সময় ভদ্র ও নম্রভাবে চলো এবং কথা বলো। কিন্তু অন্যায়ের সাথে আপোষ করোনা।

19/04/2025

নিশ্চিতভাবেই, ভোলা দ্বীপের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি এই তিনটি অবকাঠামো—ভোলা-বরিশাল সেতু, একটি পাবলিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, এবং একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। এগুলোর প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হলো:

১. ভোলা-বরিশাল সেতু (চারদিকে নদী)

ভোলার ভৌগোলিক অবস্থা: ভোলা বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় দ্বীপ জেলা, যার চারপাশ ঘিরে নদী। মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ নেই, শুধুমাত্র ফেরি ও নৌপথে যোগাযোগ নির্ভরশীল।

পর্যাপ্ত সংযোগের অভাব: দুর্যোগ বা সংকটকালে (যেমন—চিকিৎসা, নিরাপত্তা, খাদ্য সরবরাহ) ভোলা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রতিবন্ধকতা: ভোলায় বিপুল গ্যাস সম্পদ ও কৃষিভিত্তিক সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও যোগযোগের সমস্যায় শিল্প, ব্যবসা ও বিনিয়োগে উৎসাহ কম।

ভোলার মানুষকে মূল ভূখণ্ডের সাথে যুক্ত করতে সেতু অপরিহার্য, যা শিক্ষা, চিকিৎসা ও অর্থনীতির প্রতিটি স্তরে বিপ্লব ঘটাতে পারে।

২. পাবলিক মেডিকেল কলেজ ও উন্নত হাসপাতাল

সড়ক যোগাযোগ না থাকায় দ্রুত চিকিৎসা অসম্ভব: কোনো গুরুতর রোগীকে বরিশাল বা ঢাকায় নিতে হলে ফেরি-নৌপথে সময় লাগে, অনেকসময় মৃত্যুর ঝুঁকি তৈরি হয়।

স্বাস্থ্যসেবার অভাব: জেলার জনসংখ্যার অনুপাতে সরকারি আধুনিক হাসপাতাল নেই। প্রাইভেট ক্লিনিকও সীমিত এবং ব্যয়বহুল।

দুর্গম চরাঞ্চলের মানুষের চিকিৎসা একেবারে সীমিত।

একটি সরকারি মেডিকেল কলেজ ও উন্নত হাসপাতাল থাকলে চিকিৎসা হবে সহজলভ্য, কমবে মৃত্যুহার, বাড়বে স্বাস্থ্যসেবা-নির্ভর আস্থা।

৩. একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়

উচ্চশিক্ষা বঞ্চিত ভোলার তরুণরা: দ্বীপ জেলা হওয়ায় মেয়েদের পক্ষে ঢাকায় বা অন্য জেলায় গিয়ে পড়াশোনা করা কঠিন। অনেক প্রতিভা হারিয়ে যাচ্ছে কেবল সুযোগের অভাবে।

কলেজ দিয়ে জেলার মান রক্ষা কঠিন: বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের গবেষণা, উন্নয়নমূলক কর্মসূচি ও আধুনিক জ্ঞান অর্জনের সুযোগ থাকে না।

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হলে ভোলার শিক্ষা মান বাড়বে, তরুণ প্রজন্ম হবে দক্ষ, এলাকার সামগ্রিক উন্নয়ন তরান্বিত হবে।

ভোলা জেলা শুধু পিছিয়ে নেই, বরং সম্ভাবনার এক উর্বর ক্ষেত্র। একটিমাত্র সেতু, একটি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, এবং একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবায়িত হলে—ভোলার ভবিষ্যৎ বদলে যাবে। এটি শুধু একটি জেলার উন্নয়ন নয়, বরং জাতীয় অগ্রগতির একটি অংশ।

লেখা : রাসেল মাহমুদ

16/04/2025

ভোলা জেলায় হোক চীনের সহায়তায় ১০০০ শয্যার হাসপাতাল!

লক্ষ লক্ষাধিক মানুষের আবাসভূমি দ্বীপ জেলা ভোলা আজও স্বাস্থ্যসেবা সহ সার্বিকভাবে রয়ে গেছে অবহেলিত, বঞ্চিত ও উপেক্ষিত। একটি আধুনিক ও সুসজ্জিত হাসপাতাল এখানে শুধু দরকারই নয়, এটি এখন সময়ের দাবী।

ভোলা জেলার মানুষ উন্নত চিকিৎসা ও সম্মানজনক স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার রাখে।

আসুন, যার যার অবস্থান থেকে আমরা সবাই চীনের প্রস্তাবিত ১০০০ শয্যার আধুনিক হাসপাতালটি ভোলায় স্থাপনের জন্য জোরালো দাবী জানাই।

#ভোলা_চায়_হাসপাতাল
#স্বাস্থ্যসেবা_সবার_অধিকার

14/03/2025

#আমাদের বাসায় যখন কোন যুবক আত্মীয় ছেলে বেড়াতে আসে। মায়ের আত্মীয় হোক আর বাবার আত্মীয়ই হোক। তখনই মায়ের মেজাজ হিমালয়ের সমান উঁচু হয়ে যায়। মা আমার রুমে এসে রাগে গজগজ করে বলতে থাকে,

"তুই আমার রুমে বেশী থাকবি। রাতেও আমার সাথেই ঘুমাবি। নিজেকে সেইফ রাখতে হয় জোয়ান ছেলে বাসায় থাকলে। এমন করে মিশবি না। অমন ভাবে চলবি না। দূরত্ব বজায় রাখবি।খালাতো ভাই,ফুফাতো ভাই,মামাতো ভাই হইছে তো কি হইছে?"

আমি মায়ের কথার কোন জবাব দিলাম না। বরং মাকে বললাম,

"মা আজ তোমাকে নিয়ে এক সেমিনারে যাবো। বিকেলে রেডি হয়ে থেকো।"

"কিসের সেমিনার? আমি বলি কী আর তুই বলিস কী? "

" তুমি বলছো চিনি। আমি বলছি গুড়। পার্থক্য এটাই। তবে সাদৃশ্য আছে। গেলেই বুঝবে মা।"

"তুই বলতে পারিস না?"

"নাহ। পারি না।"

"একটা আজব মেয়ে জন্ম দিয়েছি। যন্ত্রণা!"

"তোমরা মায়ের জাতটাও আর ও বেশী আজব!হুহ!"

বিকেলে আমার মাকে নিয়ে যথাসময়ে উপস্থিত হলাম। স্থান শাহবাগ পাবলিক লাইব্রেরীর সুফিয়া মিলনায়তন। সেমিনারের আয়োজন করেছে আমার পরিচিত এক বড় আপু। সব কন্যা সন্তানদের উদ্দেশ্যে করেই গঠিত তার সংগঠনের নাম 'কন্যাকাহন।' বিশাল হলরুমে একজন পুরুষ ও নেই।

শতশত নারী ও তাদের কন্যারা উপস্থিত। স্টেজ সবার জন্যই উম্মুক্ত। সব মায়েরা ছোটবেলায় কোন সম্পর্কের কার দ্বারা, কিভাবে, কেমন করে যৌন হয়রানির শিকার হয়েছে,তা অবলীলায় বলছে। আমার মা একটু উসখুস করছে। আমি মাকে সহজ করে দিয়ে নিসংকোচে বললাম,

" মা যাও। যা লজ্জায় কোনদিন কাউকে বলতে পারনি। তা এখানে বলে, সেই শিশুমনের গোপন চাপাক্ষোভ আর ঘৃণার সমাধি দাও।"

মা মুখকে কাঁচুমাচু করে বলল,

"নাহ থাক! বলে কি হবে সবার সামনে। আর এখন যা বোঝার বুঝেছি।"

মাকে জোর করলাম না আর। বুঝলাম মা নিজের মেয়ের সামনে বলতে পারবে না।

বাসায় এসে মাকে বললাম,

"এই আপুটা এখন যেমন সুন্দর! ছোটবেলায় নাকি আরও বেশী সুন্দর ছিলো। তাই নিকট আত্মীয়, দূরাত্মীয় কারো নখের আর ঠোঁটের ছোবল থেকে রেহাই পায়নি তার তুলতুলে শরীরখানি। কাউকে বলতেও পারেনি লজ্জা আর আড়ষ্টতার জন্য। উনার ও দুই মেয়ে আছে এখন। তাই নিজের জীবনাভিজ্ঞতা থেকেই সিদ্ধান্ত নিল কন্যাশিশু ও নারীদের সুরক্ষা নিয়ে সচেতনতামূলক একটি সংগঠন গড়ে তুলবে। আমিও এর মেম্বার। চাইলে তুমিও হতে পার।"

"বুঝলাম। আমাকে যুক্ত করে দিস। নারী জীবনের নানাকিছু সম্পর্কে জানতে পারবো।"

"মা, তুমি সেমিনারে গিয়ে কি বুঝলে এবার বলতো?"

"শুন আসলে আমরা মায়েরা কিংবা বড়রা, কন্যা সন্তান ছোট থাকতে,কখনো চিন্তাই করতে পারি না যে, ওই কচি বয়সেই কোলে নেওয়া,বাজারে নেওয়া,আদর করা,ড্রেস চেঞ্জ করা,গোসল করানো,একটু খেয়াল রাখার অজুহাতে নিজের চেনা পুরুষ লোকেরাই যৌন নিপীড়ন করে মেয়ে শিশুদের। এটা অনেক বড় গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। যা আজ এই সেমিনারে না গেলে উপলব্ধিই করতে পারতাম না।

এতদিন মনে মনে ভাবতাম, হয়তো আমার মত বাল্যবেলায় অল্পসংখক মেয়েরাই এমন এবিউজের শিকার হয়েছে। কিন্তু আমি বিস্মিত হয়ে গিয়েছি। যখন দেখলাম, তোর ওই আপুটা মাইক্রোফোন হাতে নিয়ে সবার উদ্দেশ্যে যখন বলল,

আজ এই মঞ্চে বসা একজন বিবাহিত নারীও ও কি আছেন,যিনি ছোটবেলায় এমন বিশ্রী পরিস্থিতির মুখোমুখি হননি? হয়তো কম নয়তো বেশী?

ঘাড় ঘুরিয়ে সবার দিকে লক্ষ্য করে দেখলাম, একজন নারীর হাত ও উপরে উঠেনি।
হায় খোদা!তখন আমার হৃৎপিণ্ডটা সেই শিশুবেলার মত আবারও কেঁপে উঠলো।"

"রাইট মা। প্রতিটি মা,বাবারা নিজে সতর্ক হয়, আর মেয়েকেও সতর্ক থাকতে বলে ঠিক সেই বয়সে,
যেই বয়সে বলার প্রয়োজন পড়ে না।তখনতো নিজেই নিজের প্রতি খেয়াল রাখতে পারে একজন মেয়ে। এই যে তুমি সবসময় বাসায় কোন ছেলে আসলেই অস্থির হয়ে যাও আমার নিরাপত্তা নিয়ে। তখন বেশ রাগ হয় আমার মা। আরেহ! এখন ত আমিই আমার ভালোমন্দ রিয়েলাইজ করার মত যথেষ্ট বয়স হয়েছে। এমনকি কার সাথে কি রকম দূরত্ব রেখে চলতে হবে তাও বুঝি। যখন বেশ ছোট ছিলাম,তখন ত এমন করে খেয়াল রাখনি। আর সেই সুযোগেই সামান্য হলেও কী এবিউজের শিকার হইনি? হয়েছি মা।"

মা ক্ষেপে গেল শুনে।
"কিহ?তুই আমাকে বলিসনি কেন?কোন জানোয়ার আমার মেয়ের গায়ে হাত দিয়েছে নাম বল?"

"দূর মা। বাংলা সিনেমার মত ডায়ালগ দিওনা। তুমি পেরেছ তোমার সময়ে বলতে?
৫ - ৭ বছর বয়সে কেউ বলতে পারে?৮-১৩ বছর বয়সেও লজ্জায়,ভয়ে,সংকোচে বলতে পারেনা কোন মেয়ে।
আমাদের দেশে প্রায় ৭০ শতাংশ কন্যাশিশু নিজের পরিবারের মধ্যেই শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়। এটা জেনে রাখো।"

"নাহ। এটা জানতামনারে মা।"
করুণ চাহনিতে নিরীহ সুরে বলল আমার মা।

"শুননি,আপুটা কি বলছে?কন্যাশিশুদের জন্য নিজের বাসাটাই সবচেয়ে বেশী অনিরাপদ।"

"মারে এটাত বুঝিনি তখন। এখন থেকে চেনা অচেনা সবাইকে অনুরোধ করবো যেন কন্যাশিশুকে একা কারো কাছে না দেয়। সে চাচা,মামা, খালাতো, মামাতো ভাই যেই হোক না কেন।"

" ধন্যবাদ মা। আজকের সেমিনারের মূল মেসেজ এটাই ছিল। কন্যাশিশুদের দিকে যেন মায়েরা বিশেষভাবে খেয়াল রাখে। যেকোন পুরুষের বা ছেলের কাছে একা কিছুতেই যেন না রাখে। সেই ব্যক্তি, হোক ভাই,হোক চাচা। এই পৃথিবীতে একমাত্র মা ছাড়া কন্যাসন্তানের জন্য কেউই নিরাপদ নয়। সে যত কাছের কেউই হোকনা কেন। শিশুবয়স ও বাল্যবয়স, এই দুই বয়সেই খেয়াল রাখতে হবে,নিজের কন্যাকে সুরক্ষিত রাখতে চাইলে।"

"তুই নারীদের নিয়ে এমন কোন সেমিনার হলেই আমাকে নিয়ে যাস কিন্তু।"

"অবশ্যই মা। আমার বিয়ের পর মেয়ে হলে আমি সারাক্ষণ চোখে চোখে রাখবো।"

"তাই করিস মা। আল্লাগো! আমার ছোটবেলার কিছু মুহূর্তের কথা মনে পড়লে এখনো গা গুলিয়ে আসে। শিউরে উঠি!"

"থাক মা। বাদ দাও। বরং প্রার্থনা করো, মরচে ধরা বিবেকগুলোর দেয়াল থেকে যেন খসে পড়ে সেই পশুদের ইতর আর অসভ্য দৃষ্টিভঙ্গির পলেস্তারা। আর আমি থেকে তুমি,তুমি থেকে তারা,তারা থেকে অনেক,সেই অনেক থেকে সব মায়েরাই শুনবে, জানবে, সচেতন হবে ধীরে ধীরে। "

এভাবেই একদিন পৃথিবীর সব কন্যাশিশুরা সুরক্ষিত থাকবে। নির্ভয়ে ঘরের আঙিনায় রঙিন প্রজাপতির মতো ছুটে বেড়াবে। কন্যাশিশুদের খলবল করা নিষ্পাপ হাসিতে মুখরিত হবে চারপাশ। সুস্থ ও প্রাণময় হয়ে বেড়ে উঠবে জগতের সকল মায়ের কন্যাসন্তানেরা।

কন্যাকাহন

✍️ রেহানা_পুতুল

#লিখালিখি

11/12/2024

📣📢 সুখবর সুখবর 📣📢

শীতের স্নিগ্ধতায় উষ্ণতা ছড়াতে, বন্ধুত্বের বন্ধন দৃঢ় করতে, ভোলার পরানগঞ্জস্থ ‘গ্রামীন সমাজ কল্যাণ পঠাগার’ এর সকল সদস্য এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের নিয়ে আয়োজন হতে যাচ্ছে
🧡 নৌ-ভ্রমণ-২০২৪
👉বিবরণীঃ-
#শুভেচ্ছা কূপন-১০০০/- টাকা।
👉তারিখঃ ২১ ডিসেম্বর-২০২৪ইং (শনিবার)।
👉স্থানঃ মোহনপুর দৃষ্টিনন্দন পার্ক, চাঁদপুর।
👉সময়ঃ সকাল ৭ঃ৩০ ঘটিকায়।
👉লঞ্চ ছাড়ার স্থানঃ ইলিশা ফেরিঘাট।
👉শুরু হয়ে গেছে "শুভেচ্ছা কূপন" গ্রহণ। তাই দ্রুত শুভেচ্ছা কূপন সংগ্রহ করুন।
#প্রোগ্রামে_যা_যা_থাকছেঃ-
👉 সকালের নাস্তা।
👉 দুপুরের খাবার।
👉 আকর্ষণীয় টি-শার্ট।
👉 একটা ব্যান্ড শো কনসার্ট।
👉 বিকালের নাস্তা (পায়েশ)।
👉 র‍্যাফেল ড্র ও আকর্ষনীয় পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান।
👉 ⏰ # শুভেচ্ছা কূপন সংগ্রহের_শেষ_দিনঃ
# ১৬ ডিসেম্বর-২০২৪ইং
#শুভেচ্ছা কূপন এর_জন্য_যোগাযোগ_করুন
👉আয়োজনেঃ-
# গ্রমীন সমাজকল্যাণ পাঠাগার, পরানগঞ্জ, ভোলা সদর, ভোলা।

02/12/2024

আসসালামু আলাইকুম।
উত্তর ভোলার অন্যতম সামাজিক সংগঠন "গ্রামীণ সমাজ কল্যাণ পাঠাগার" প্রতি বছর শীতের আমেজে সম্মানিত সদস্য ও ভ্রমনপিপাসদের নিয়ে নৌ-ভ্রমণ এর আয়োজন করে আসছে। পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা দুদকের পিপি এডভোকেট সাহাদাত হোসেন শাহিন কাকার সুযোগ্য নেতৃত্বে পাঠাগারের দায়িত্বশীল সুপারস্টারদের অক্লান্ত পরিশ্রমে সুন্দর ও প্রসংশনীয় হয় নৌ-ভ্রমণ। যা সকলের কাছে প্রতি বছরের এই নৌ-ভ্রমণ আয়োজন সুনাম অর্জন করেছে। যা পাঠাগারের সকলকে প্রসংশায় ভাসিয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রতি বছরের ন্যায় এই বছর (২০২৪ সালের ২১ ডিসেম্বর শনিবার) নৌ-ভ্রমণের আয়োজন করা হয়েছে। এবারের গন্তব্য চাঁদপুর জেলার মতলবের মোহনপুর দৃষ্টিনন্দন পার্ক। সকলের মতামতের ভিত্তিতে পাঠাগার কতৃপক্ষ এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। ২১ ডিসেম্বর-২০২৪ শনিবার এর আনন্দময় নৌ-ভ্রমণে পাঠাগারের সকল সম্মানিত সদস্যদের এব ভ্রমণপিপাসুদের দাওয়াত রইলো। সবাই এই আয়োজনে মিলিত হয়ে আনন্দ ভাগাভাগি করে নিবো একদিন সারাদিন।
শুভেচ্ছা কূপণ মূল্য: ১০০০/- টাকা
শুভেচ্ছান্তে
পাঠাগার কতৃপক্ষ
গ্রামীণ সমাজ কল্যাণ পাঠাগার #নৌ_ভ্রমণ

09/11/2024

গ্রামীণ সমাজ কল্যাণ পাঠাগারের সদস্য সচিব চাচাতো ভাই ফজলে রাব্বির মমতাময়ী মা আজ শনিবার সকাল ১০টায় হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না-লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজিউন)। মরহুমার মৃত্যুে গভীর শোক প্রকাশ করছি। মরহুমার রুহের মাগফেরাত কামনা ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।

Want your business to be the top-listed Government Service in Bhola?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


BHOLA Barishal Highway
Bhola
8300