01/12/2021
⚠️ করোনাজয়ীদেরও ওমিক্রনে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে || আজ বাংলাদেশী প্রবাসীবহুল সৌদী আরবে ওমিক্রনের প্রবেশ ⚠️
করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন নিয়ে প্রাথমিক তথ্য বিশ্লেষণ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা {World Health Organization (WHO)} এসব তথ্য বিশ্লেষণ করে সংস্থাটি বলেছে, ইতিপূর্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে যাঁরা সুস্থ হয়েছেন, এবার তাঁদেরও এ নতুন ধরনে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে!
বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী ন্যাচারের প্রতিবেদন অনুসারে চলতি মাসের শুরুর দিকে আফ্রিকার দেশ বতসোয়ানায় ওমিক্রন ধরন শনাক্ত হয়। এরপর সে ধরন ছড়িয়ে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা ও হংকংয়ে। সম্প্রতি আরও কয়েকটি দেশে করোনাভাইরাসের এ ধরন পাওয়া গেছে। ডব্লিউএইচও এ ধরনকে উদ্বেগজনক বলে আখ্যা দিয়েছে।
বাংলাদেশের জনগণের জন্য অত্যন্ত গভীর উদ্বেগের খবর হলো আজ সৌদী আরবে ওমিক্রনে আক্রান্ত একজন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। সেদেশের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এসপিএ আজ এই তথ্য জানিয়েছে। ওই ব্যক্তিকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। এছাড়া ওই ব্যক্তির সংস্পর্শে এসেছে এমন ব্যক্তিদেরও আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। সৌদি আরবে প্রবেশের মাধ্যমে করোনার অমিক্রন ধরন মধ্যপ্রাচ্যে প্রবেশ করলো যা বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের এই শক্তিশালী নতুন ভ্যারিয়েন্টটি ছড়িয়ে পড়ার দ্বার আশংকাজনক হারে বাড়িয়ে তুললো। কারণ বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশী প্রবাসী সৌদী আরবের অভিবাসী হওয়ায় বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলো দিয়ে প্রতিদিন শতশত মানুষ সৌদী আরবে যাতায়াত করে থাকেন।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, করোনাভাইরাস ব্যাপকভাবে রূপান্তরিত হয়ে নতুন এই রূপ পেয়েছে। যুক্তরাজ্যের গণমাধ্যম বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, এক বিজ্ঞানী করোনার নতুন এই ধরনকে ‘ভয়ংকর’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। আরেক বিজ্ঞানী বলেছেন, এতটা ভয়ংকর ধরন তাঁরা আগে দেখেননি। সঙ্গত কারণেই বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ যদি অত্যন্ত কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ না করে প্রথমবারের ন্যায় শিথিলতা অবলম্বন করে, তাহলে এবার সবকিছু মিলিয়ে আমাদের কপালে অনেক দুঃখ আছে!
পরম করুণাময় প্রভুর দরবারে প্রার্থনা করি, তিনি যেনো হতভাগা অবুঝ বাঙালি সম্প্রদায়কে ভয়াবহ ওমিক্রন হতে দূরে রাখেন। তথাপি আমাদেরকে রণপ্রস্তুতি নিয়েই থাকতে হবে। আমি কষ্ট রোধে নাগরিক পরিবারের আমার প্রাণপ্রিয় সকল স্বেচ্ছাসেবী ভাইবোনকে সতর্ক এবং পূর্বের ন্যায় সম্মুখ সমরের জন্য প্রস্তুত থাকার জন্য উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি। ""উদয়ের পথে শুনি কার বাণী, ভয় নাই ওরে ভয় নাই! নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান, ক্ষয় নাই তার ক্ষয় নাই""
-- অরণ্য দাশগুপ্ত (তপু)
সদস্য সচিব ও বিশেষ অপারেশনাল টীমের পরিচালক,
কষ্ট রোধে নাগরিক (করোনা)
📞 ০১৭১২৭৭০০১৭
31/05/2021
✰নিজের রক্তে বেঁচে যাবে আরেকটি প্রাণ,
দুনিয়াতে এরচে মহৎ হয় কি কোনো দান?✰
মোছা: রুবি। বয়স আনুমানিক ৪৫ বছর। স্বামী নাই, ছেলে নাই, আছে একমাত্র মেয়ে। তারও বিয়ে দিয়ে দিয়েছেন। মাথা গোঁজার ঠাই নাই। বগুড়া শহরের কাটনারপাড়ার একটা পশ্চাৎপদ জায়গায় ভাঙাচোরা কুঁড়েঘরে কোনোমতে মাথা গুঁজে থাকেন তিনি। শেষে 'মড়ার উপর খাড়ার ঘা' হয়ে দেখা দিলো কিডনির মারাত্মক জটিলতা! ৪-৫ মাস হলো প্রতিমাসে একদিন ডায়ালাইসিস করতে হচ্ছে। তবে সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বৃদ্ধি পেতে থাকবে ডায়ালাইসিস তথা রক্তের চাহিদা...
মহিলার রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাওয়ায় এবার ডায়ালাইসিস করতে হঠাৎ করেই অতিরিক্ত এক ব্যাগ রক্তের প্রয়োজন পড়লো। রক্তের গ্রুপ B+। কিন্তু এক/দেড় ঘন্টার মধ্যে রক্তের যোগান দেয়াটা যে কতটা কষ্টসাধ্য ব্যাপার তা সংশ্লিষ্টরা হারে হারে জানেন। B+ সবচাইতে সহজলভ্য রক্ত হলেও গতকাল আমার মনে হয়েছে যে এরচেয়ে বুঝি নেগেটিভ গ্রুপের রক্তই সহজলভ্য! অবশেষে আমাদের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কষ্ট রোধে নাগরিক এর একজন নিবেদিতপ্রাণ স্বেচ্ছাসেবী কনিকা আপার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় খোঁজ পেলাম মেহেদী হাসান নামে একজন মহানুভব মানুষের। তিনি কর্মক্ষেত্র হতে ছুটে এসেছিলেন আর্তমানবতার সেবার মহান ব্রত বুকে নিয়ে। তাঁর দান করা রক্তে হতদরিদ্র অসহায় মহিলার কপালের ভাঁজ কিঞ্চিৎ পরিমাণ হলেও লাঘব হয়েছিলো। এটুকুতেই খুশি মেহেদী ভাই। তিনি আমাকে একাধিকবার অনুরোধ করেছিলেন যে তাঁর এই মহানুভবতার কথা যেনো আমরা প্রচার না করি। তাঁর অনিচ্ছা সত্ত্বেও আমাদেরকে তো প্রচার করতেই হবে যেনো ওনার দেখাদেখি আর দশজন মানুষ এমন নিখাঁদ মনুষ্যত্বের পরিচয় দিতে আগ্রহী হয়।
এখন মাসে একবার ডায়ালাইসিস করতে হচ্ছে, দুদিন পর হয়তো প্রতি সপ্তাহে করা লাগবে! কিন্তু সহায় সম্বলহীন রুবি কি তাঁর জীবনটাকে রক্ষা করতে পারবেন পাহাড়সম মূল্য দিয়ে?!!
আমরা কষ্ট রোধে নাগরিক পরিবারের সদস্যরা এই হতভাগ্য মানুষটার জন্য প্রতি মাসে পালা করে রক্তের যোগান দেবো। রক্ত দিয়ে যতদিন বাঁচিয়ে রাখা যাবে, ততদিনই আমরা রক্ত দিতে থাকবো। আপনিও প্রতি চারমাস পরপর এক ব্যাগ করে B+ রক্ত দান করার মাধ্যমে এই মহৎ উদ্যোগে সামিল হয়ে সৃষ্টির সেরা জীব মানুষ হয়ে জন্মদান করার জন্য মহান সৃষ্টিকর্তার অসীম কৃপার একটি ছোট্ট প্রতিদান দিতে পারেন। উল্লেখ্য যে চার মাস পরপর এক পাউন্ড করে রক্ত দেয়া স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী। ধন্যবাদ 🙂
___
অরণ্য তপু
সদস্য সচিব, কষ্ট রোধে নাগরিক - করোনা
ফোন নম্বর : ০১৭১২-৭৭০০১৭
28/04/2021
করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন এবং Tablet Ivermectin সেবন প্রসঙ্গে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী সদর দপ্তর বাহিনীটির সদস্য এবং পরিবারবর্গের প্রতি জরুরী নির্দেশনা দিয়েছে।
21/03/2021
বগুড়া জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটের আইসিইউতে কিছুক্ষণ আগে #কোভিড১৯ ছিনিয়ে নিলো আবারও একটি প্রাণ! আবারও কি শুরু হবে মৃত্যুর মিছিল; অস্পৃশ্য স্বজনকে বিদায়ের বেদনা?
দেশব্যাপী #করোনার নতুন স্ট্রেইন আশঙ্কাজনক হারে বিস্তার করছে! এবার সময় এসেছে আমাদের কঠোরভাবে সচেতনতা অবলম্বনের। দয়াকরে সবাই #মাস্ক পড়ুন; #স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। তা নাহলে আবারও কঠোর লকডাউনে চলে যাবে আমাদের জনপদ; অর্থের অভাবে আবার পঙ্গু হয়ে পড়বো আমরা সকলে!
যেকোনো বিপদে বগুড়ার মানুষের পাশে দিবারাত্রি আছি আমরা কষ্ট রোধে নাগরিক পরিবার।
24/12/2020
গত ২১শে ডিসেম্বর রাত ৮টা ৩০মিনিটে দুঃখজনকভাবে বগুড়া জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন ইউনিটের আইসিইউতে বগুড়া শহরের শিববাটী এলাকার বাসিন্দা শেখ আমান উদ্দিন (৬৮) করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। কষ্ট রোধে নাগরিক - করোনা সংগঠনের অপারেশনাল টীমের স্বেচ্ছাসেবীরা মৃতদেহ World Health Organization (WHO) ও Institute of Epidemiology Disease Control & Research - IEDCR প্রণীত স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী জীবাণুমুক্ত করে জানাজার জন্য ধর্মীয় বিধি মোতাবেক প্রস্তুত করে। প্রক্রিয়া শেষে দিবাগত রাত ৩টার দিকে পরিবারের ইচ্ছানুযায়ী জিয়া মেডিকেলের আইসিইউ থেকে বগুড়া টিএমএসএস রফাতুল্লাহ্ কমিউনিটি হাসপাতালের হিমঘরে মৃতদেহ সংরক্ষণের জন্য নিয়ে আসেন। সকল প্রক্রিয়া শেষ করতে প্রায় ভোর হয়ে আসে। এরপর আমাদের স্বেচ্ছাসেবীদের সহায়তায় দুপুর ১টা ৩০মিনিটের দিকে বগুড়া শহরের কালিতলা মদিনা মসজিদ প্রাঙ্গণে জানাজা শেষে শহরের নামাজগড় গোরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়।
কষ্ট রোধে নাগরিক - করোনা পরিবার মৃতের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছে এবং তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করছে।
30/11/2020
#কোভিড১৯ এর দ্বিতীয় ঢেউ (second wave) মোকাবেলায় পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত বগুড়া সদর উপজেলাধীন সকল প্রকার ধর্মীয় অনুষ্ঠান (ইসলামী জলসা/সনাতন ধর্মীয় সমাবেশ), সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ক্রীড়া অনুষ্ঠান, জন্মদিন, বিবাহ ইত্যাদি যেসব অনুষ্ঠানে জনসমাগম হয়, এ রকম অনুষ্ঠানাদি বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে বগুড়া সদর উপজেলা প্রশাসন। অন্যথায় মোবাইল কোর্টসহ কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
আমরা যদি ১ম ধাপের লকডাউন সরকারী নির্দেশনা অনুযায়ী সঠিকভাবে মেনে চলতাম, পরিপূর্ণভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতাম (যেমন - বাইরে বেড়োলে মাস্ক পড়া, হাঁচি-কাশি শিষ্টাচার মেনে চলা, ঘনঘন সাবানপানি দিয়ে হাত ধোয়া) তাহলে আজ ৮ মাস পর আবারও #করোনা'র ২য় ধাপ মোকাবেলার জন্য রণপ্রস্তুতি নিতে হতো না। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলে করোনা ভাইরাসকে আমাদের বাংলাদেশ থেকে বিদায় জানানোর এটাই হয়তো শেষ সুযোগ!
আমাদেরকে মনে রাখতে হবে - নিজের স্বাস্থ্যের হেফাজত এবং একইসাথে নিজের পরিবার ও পরিজনের স্বাস্থ্যের হেফাজত করা ঈমানের অঙ্গ। ভালো থাকার চেষ্টা করলে তবেই সৃষ্টিকর্তা ভালো রাখবেন। আমরা যদি মাস্ক ব্যবহার না করে, ঘনঘন হাত না ধুয়ে, নিয়ম-কানুন না মেনে সবকিছু সৃষ্টিকর্তার উপর ছেড়ে দিই, তাহলে কখনই সৃষ্টিকর্তার অনুরাগ পাওয়া যাবেনা। যেমন, আমার যদি ক্যান্সার, টিবি, হেপাটাইটিস, ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ, অ্যাজমা বা অন্যকোনো দুরারোগ্য ব্যাধি হয়, তাহলে কি আমি কোনোরকম দুনিয়াবি চিকিৎসা না করিয়ে শুধুমাত্র সৃষ্টিকর্তার অনুগ্রহের অপেক্ষায় বসে রইব? যেহেতু এখন পর্যন্ত করোনা রোগের শতভাগ কার্যকরী ওষুধ নেই, তাই এই রোগ যেনো আমাদের ভেতরে না ঢুকতে পারে, সেই চেষ্টা করতে হবে। আমাদের নৈতিক দ্বায়িত্ব হলো চেষ্টা করে যাওয়া, বাদবাকি সব পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছা।
পরম করুণাময় প্রভু আমাদেরকে পরিপূর্ণভাবে সকল স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার তৌফিক দান করুন... স্বাস্থ্যবিধি মানতে যারা উদাসীন, তাদেরকে হেদায়েত দান করুন... আমরা ধৈর্য্য, ন্যায়, সততা ও পরিচ্ছন্নতার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে আমাদেরকে এই বিশ্ব-মহামারীর কবল থেকে পরিত্রাণ প্রদান করুন...
স্বাস্থ্যবিধি ও করোনা সম্পর্কিত যেকোনো আপদকালীন মুহূর্তে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন অথবা কষ্ট রোধে নাগরিক - করোনা সংগঠনকে অবহিত করুন।
প্রয়োজনীয় নম্বরসমূহ (বগুড়া):
০১৭১১-২৩৪৫০৪ [মোঃ আলী হাসপাতাল]
০১৭১৪-১৭৪৮২২ [মোঃ আলী হাসপাতাল]
০১৪০৭-০১৬৭৭৫ [জিয়া মেডিকেল]
০১৩০৯-৫২৭৩০৭ [জিয়া মেডিকেল]
০১৫৩১-৬২৪৮৪৮ [করোনা বগুড়া হটলাইন]
০১৩১২-০৪৮৮০৮ [করোনা বগুড়া হটলাইন]
০১৭৩০-০১৭১৪২ [টিএমএসএস করোনা ইউনিট]
ধন্যবাদান্তে -
অরণ্য তপু
সদস্য সচিব,
কষ্ট রোধে নাগরিক - করোনা
ফোনঃ ০১৭১২-৭৭০০১৭
16/10/2020
গতকাল ১৫'অক্টোবর, ২০২০; বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টা ৪০ মিনিটের দিকে বগুড়া জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন ইউনিটের আইসিইউতে জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার কাশিরা গ্রামের নিবাসী মোঃ দেলোয়ার হোসেন (৭০) কোভিড১৯ এ আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। স্বাস্থ্যবিভাগ ও পুলিশ বিভাগের সহায়তায় কষ্ট রোধে নাগরিক - করোনা অপারেশনাল টীম World Health Organization (WHO) প্রণীত স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী মৃতদেহ ধর্মীয় বিধি মোতাবেক দাফনের জন্য প্রস্তুত করে মরহুমের গ্রামের বাড়িতে জানাজা পূর্বক দাফন সম্পন্ন করে।
আইসিইউ থেকে মৃতদেহ নিয়ে নামার জন্য ইউনিটের একমাত্র লিফটে ঢুকে লাশসহ পুরো টীম প্রায় ১৫ মিনিট লিফটের ভেতরে বন্দী হয়ে ছিলো। অপারেশন চলাকালীন সময়ে নিয়মানুযায়ী আমাদের কারো কাছেই ফোন ছিলোনা। ভেতর থেকে সাহায্যের জন্য ডাকাডাকি করা হলেও সাহায্য করার কেউ ছিলোনা। অনেক চেষ্টার পর এক সময় বন্ধ হয়ে থাকা লিফটের দরজা খুলতে সমর্থ হয় টীমের স্বেচ্ছাসেবীগণ। অতঃপর লিফট অপারেট করার মতন লোক না পেয়ে স্ট্রেচার হাতে বহন করে সিঁড়ি দিয়ে অনেক কষ্টে নামতে হয়েছে। বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে।
মরহুমের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছে কষ্ট রোধে নাগরিক পরিবার। পরম করুণাময় তাঁর বিদেহী আত্মাকে ভালো রাখুন; সেইসঙ্গে এই বিশ্ব মহামারী থেকে বিশ্ববাসীকে পরিত্রাণ প্রদান করুন...
11/10/2020
আগামী শীতকালে ২য় ধাপে #করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির আশঙ্কা করা হচ্ছে। অপরদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে নুন্যতম স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ, মাস্ক ব্যবহারে চরম উদাসীনতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। উদ্ভুত পরিস্থিতিতে #কোভিড১৯ মহামারী সংক্রমণ রোধে দেশের সকল মসজিদ থেকে প্রতিদিন মাইকে ও জুমা'র খুতবার সময় এবং অনুরূপভাবে অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয় থেকে সচেতনতা মূলক ঘোষণা ব্যাপকভাবে প্রচার করার জন্য ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক বিজ্ঞপ্তি জারী করা হয়েছে।
দেশের আপামর জনসাধারণের স্বাস্থ্যঝুঁকির বিষয়টি মাথায় রেখে, মহামারী সংক্রমণের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে এখন থেকে কষ্ট রোধে নাগরিক - করোনা সংগঠনের একটি স্বেচ্ছাসেবী টীম উত্তরবঙ্গের অন্যতম করোনা হটস্পট বগুড়ার জনবহুল স্থানগুলোতে নিয়মিতভাবে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করার কাজে নিয়োজিত থাকবে।