31/05/2026
সুজাইতপুরের SPL Season 1 সাকসেসফুল ভাবে শেষ হইছে।
সুজাইতপুর এর এডমিন AHOSAN BIJOY সহ যারা এই খেলা পরিচালনাই সহযোগিতা করেছে সবাই কে অসংখ্য ধন্যবাদ।
আমাদের পেইজে লাইক, কমেন্ট ও বন্ধুদের কে ইনভাইট করে পাশে থাকুন, ধন্যবাদ
31/05/2026
সুজাইতপুরের SPL Season 1 সাকসেসফুল ভাবে শেষ হইছে।
সুজাইতপুর এর এডমিন AHOSAN BIJOY সহ যারা এই খেলা পরিচালনাই সহযোগিতা করেছে সবাই কে অসংখ্য ধন্যবাদ।
SPPL-26
FINAL MATCH
SUJAITPUR WARRIORS vs SUJAITPUR STARS
2nd innings Sujaitpur stars batting
Final match
সুজাইতপুর পিমিয়ার লীগ সিজন ১
SPL Season 1 Final......
ম্যাচটি সুজাইতপুর পেজ থেকে সরাসরি সম্প্রচার হবে রায ৮:৩০ মিনিট
ধন্যবাদ
29/05/2026
মাদক বিরোধী সমাবেশের দাওয়াত পত্র
বিষয়ঃ মাদক বিরোধী সচেতনতামূলক সমাবেশে উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ।
প্রিয় সম্মানিত এলাকাবাসী,
আসসালামু আলাইকুম।
মাদক আজ আমাদের সমাজ, পরিবার ও যুবসমাজকে ধ্বংসের পথে ঠেলে দিচ্ছে। একটি সুন্দর, নিরাপদ ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে আমরা আয়োজন করতে যাচ্ছি একটি মাদক বিরোধী সচেতনতামূলক সমাবেশ।
উক্ত সমাবেশে আপনাকে ও আপনার পরিবারকে উপস্থিত থাকার জন্য আন্তরিকভাবে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।
📅 তারিখঃ ৩১শে মে ২০২৬
🕒 সময়ঃ সন্ধ্যা ৭:০০টা
📍 স্থানঃ সুজাইতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ।
সুজাইতপুর সোনাতলা বগুড়া।
বিষয়ঃ মাদকের ভয়াবহতা, এর ক্ষতিকর প্রভাব এবং সমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে করণীয় বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা।
আসুন, সবাই একসাথে শপথ করি—
“মাদককে না বলি, সুন্দর সমাজ গড়ি।”
আপনার উপস্থিতি আমাদের আয়োজনকে সফল ও অনুপ্রাণিত করবে।
ধন্যবাদান্তে,
.................................
আয়োজক
সুজাইতপুর সমাজসেবা সংস্থা
( Mohammad Anarul )
Alhamdulillah
Celebrating my 10th year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉
Our page passed 10 years.
All the credit goes to Shahriya Rashed vaiya 💙
Everybody,
Stay with us for supporting.Thanks to all.
সুজাইতপুরের ছোলপোলের উদ্যোগে বার্ষিক ক্রিকেট টুর্নামেন্ট
সিজন: ১
স্থান: টিটিরমোড়, সুজাইতপুর পশ্চিমপাড়া
সময়: বাদ এশা
১ম ম্যাচ: সুজাইতপুর ওয়ারিয়র্স বনাম সুজাইতপুর একতা বন্ধন ক্লাব
20/05/2026
ধর্ষক জাকিরের দূর্ভাগ্য, সে ভাইরাল হতে পারবে না কারণ তার মাথায় টুপি, গায়ে পাঞ্জাবি নেই, সে মোল্লা না।
বড় বোনের সাথে সকালে স্কুলে যাওয়ার কথা ছিল রামিসার। কিন্তু স্কুলের সময় ঘনিয়ে আসার পরও রামিসাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না।
দুই বোন সবসময় একসাথেই স্কুলে যেত। তাই রামিসাকে না পেয়ে বড় বোন তখন বাসার নিচে খুঁজতে বের হয়েছিল আর মা পাশের বিভিন্ন ফ্ল্যাটগুলোতে খুঁজছিল।
পাশের ফ্ল্যাটে খুঁজতে গিয়ে মা দেখে দরজার সামনে রামিসার একটা জুতা পড়ে আছে। আরেকটা জুতা মিসিং। জুতা দেখে মা মনে করেছিল হয়তো কোন দরকারে পাশের বাসায় গিয়েছে।
রামিসার মা তখন দরজায় কয়েকবার করে নক করে।
কিন্তু দরজা খুলেনি। একপর্যায়ে ধাক্কাও দেয় কিন্তু
তাতেও দরজা খোলা হচ্ছিল না বরং ভিতর থেকে শক্ত করে দরজাটা লাগিয়ে দেয়া হয়েছিল।
দরজা না খোলায় রামিসার মায়ের মনের সন্দেহ গাঢ় হতে থাকে। চিৎকার দিয়ে আশেপাশের ফ্ল্যাটের সবাইকে ডাক দেয়ার পর ৯৯৯ এ কল দিয়ে পুলিশ আনা হয়।
পুলিশ এসে দরজায় ধাক্কা দিয়ে না খোলায় ভাঙার পরিকল্পনাও করে। অনেকক্ষণের প্রচেষ্টায় দরজাটা খোলা হয় এবং উপস্থিত সবাই দেখতে পায় রুমের চারদিকে র*ক্ত ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।
র*ক্তের উৎস খুঁজতে গিয়ে পুলিশ খাটের নিচে তাকিয়ে দেখে মাথা ছাড়া একটা ছোট্ট মেয়ের লা*শ অসহায়ভাবে পড়ে আছে। পুলিশের লোকজন তখন পা ধরে টেনে সেই লা*শ বের করে।
রামিসার শরীর পেলেও কা*টা মাথাটা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না।
তারপর ছোট্ট রামিসার মাথা খুঁজতে রুমের চারদিকে তল্লাশি চালায় পুলিশ। রুমেও না পেয়ে এরপর যায় বাথরুমে এবং সেখানেই র*ক্তে ভেজা রামিসার কা*টা মাথাটা পাওয়া যায়।
আর ততক্ষণে ধ*র্ষক জাকির জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে গিয়েছে। জাকিরকে পালাতে তার স্ত্রী স্বপ্নাই সাহায্য করেছে।
রামিসার মা যখন দরজায় ধাক্কা দিচ্ছিল জাকিরের স্ত্রী তখন ইচ্ছে করেই দরজা খুলেনি যাতে তার স্বামী ঠিকঠাক ভাবে পালাতে পারে।
স্বপ্নাকে ধরার পরপরই তার জবানবন্দি নিয়েছে পুলিশ। স্বপ্না জানিয়েছে- তার স্বামী জাকির বিকৃত যৌ*নলালসা পছন্দ করতো। তার সাথেও এমন পাষবিক নির্যাতন করেছে।
রামিসাকে দেখে ভালো লাগার পরই তার স্বামী জাকির বাসা পাল্টিয়ে দুই মাস আগে এই ফ্ল্যাটে বাসা নিয়েছে যাতে বিকৃত যৌ*নাচারের স্বাদ মিটাতে পারে।
জাকিরের স্ত্রী স্বপ্নার ভাস্যমতে- ছোট্ট রামিসাকে টেনেহিঁচড়ে রুমে আনার পর তার স্বামী রামিসাকে ধ*র্ষণ করার চেষ্টা চালায়। কিন্তু রামিসা ছোট বাচ্চা হওয়ায়
যৌ*নাঙ্গে র*ক্তক্ষরণ শুরু হয়।
র*ক্তক্ষরণ টের পেয়ে জাকির দ্রুত গলা টিপে রামিসাকে হ*ত্যা করে। তারপর কেউ যাতে টের না পায় তাই স্বপ্নাকে সাথে নিয়েই লা*শ গুম করার জন্যে রামিসার শরীর থেকে মাথাটাকে কে*টে আলাদা করে ফেলে।
জাকিরের পরিকল্পনা ছিল মস্তকটাকে একজায়গায় ফেলবে এবং শরীরটাকে আরেক জায়গায় ফেলবে যাতে কেউ লা*শ চিনতে না পারে।
কিন্তু তার আগেই রামিসার মা দরজার সামনে চলে আসায় সেটা আর সম্ভব হয়নি। জাকিরও ততক্ষণে জানালা কেটে পালিয়ে গিয়েছে। আর তাকে পালাতে সাহায্য করেছে তারই স্ত্রী স্বপ্না।
এই ধ*র্ষক জাকির রিকশার মেকানিক। তার নামে আগেও নাটোরে মামলা হয়েছিল কিন্তু সে ঠিকই টাকা খাইয়ে জামিনে ছাড়া পেয়ে গেছে।
এবারে ধরা পেলেও হয়তো ঠিক আগের মতোই ছাড়া পেয়ে যাবে। কারণ এদেশে আইনের চেয়েও টাকা বড়।
দেশে প্রতিদিন অসংখ্য বাচ্চা বাচ্চা শিশু ধ*র্ষণ হচ্ছে ,শত শত মানুষ খু*ন হচ্ছে কিন্তু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কোন ভ্রুক্ষেপ নাই। উল্টো সেদিন গলা বড় করে বলেছে- দেশে নাকি আইনশৃঙ্খলা সব ঠিকঠাক চলছে।
রামিসার বাবা মধ্যবিত্ত পরিবারের ,তেমন কোন ক্ষমতা নাই। অথচ আজকে কোন এমপি, মন্ত্রীর মেয়ে ধ*র্ষণ হলে সারাদেশে তোলপাড় লেগে যেত, রেড এলার্ট জারি হতো। মিছিল মিটিং হতো, বিক্ষোভ হতো, আরও কতকিছু হতো!
কিন্তু এই ছোট্ট রামিসার বেলায় তা হবে না। কারণ সে তো আর এমপি, মন্ত্রীর মেয়ে না। তাই এভাবে সাধারণ জনগণের বাচ্চা মেয়েদের ধ*র্ষণের সংখ্যা শুধু বাড়তেই থাকবে।
খাটের নিচ থেকে পা ধরে যখন রামিসার লা*শটা বের করা হচ্ছিল মা টা তখন পড়নের কাপড় দেখেই রামিসাকে চিনে ফেলেছিল। মেয়েটা যে তাদের খুব আদরের ছিল।
এবছর রামিসার বয়স মাত্র ৮ হয়েছে। ক্লাস টুতে পড়তো মেয়েটা। বেশ হাসিখুশি এবং ব্রিলিয়ান্ট স্টুডেন্ট ছিল সে।
এই ছোট্ট আদরের মেয়েটার মাথা ছাড়া লা*শ দেখার পর সেখানেই মা বেহুশ হয়ে পড়ে গিয়েছিল। আর রামিসার অসহায় বাবাটা এখন মেয়ের ছবি হাতে নিয়ে অনবরত কাঁদতেছে।
ধ*র্ষক জাকির আগেরবার জামিন পেয়েছে এবারেও ঠিকই জামিন পেয়ে আরামসে ঘুরে বেড়াবে আর নতুন শিকার খুঁজবে। দিনশেষে আমরাও সবকিছু ভুলে যাব।
কিন্তু রামিসার বাবা-মা ভুলতে পারবে না।
তাদের চোখে আজীবন শুধু ভেসে উঠবে- তাদের ছোট্ট আদরের মেয়েটার মাথা কে*টে শরীর থেকে আলাদা করে খাটের নিচে ফেলে রাখা হয়েছিল
18/05/2026
ইয়েমেনের এক মসজিদের ইমাম সাহেব জুমার বয়ানে মুসল্লিদের একটু হাসানোর জন্য বললেন,
“আমার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর সময় কেটেছে এমন একজন নারীর সঙ্গে…
যিনি আমার স্ত্রী নন!”
এই কথা শোনামাত্রই পুরো মসজিদে নীরবতা নেমে এলো…
মুসল্লিরা একে অপরের দিকে তাকাতে লাগল!
সবাই ভাবলো,
“ইমাম সাহেব আজ কী বলছেন!”
কিছুক্ষণ পরে ইমাম সাহেব মুচকি হেসে বললেন,
“হ্যাঁ… তিনি ছিলেন আমার মা!” ❤️
এই কথা শুনে পুরো মসজিদ আবেগে ভরে গেল…
“আল্লাহু আকবার” ধ্বনিতে মুখরিত হলো পরিবেশ।
অনেকের চোখে পানি চলে এলো…
কিন্তু গল্প এখানেই শেষ নয়।
মসজিদে থাকা এক ব্যক্তি খুবই অনুপ্রাণিত হলো। বাড়ি ফিরে ভাবল,
“আজ আমিও একই স্টাইলে কিছু বলব!”
স্ত্রী তখন রান্নাঘরে রান্না করছিলেন…
স্বামী রোমান্টিক ভঙ্গিতে বললেন,
“আমার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর সময় কেটেছে এমন একজন নারীর সঙ্গে…
যিনি আমার স্ত্রী নন!” 😎
ব্যস!
এরপর আর কিছু মনে নেই… 😶
হাসপাতালের সূত্র অনুযায়ী জানা যায়,
“ছয় ঘণ্টা অস্ত্রোপচারের পর সফলভাবে কাটা চামচ রোগীর মাথা থেকে অপসারণ করা হয়েছে।”
দুর্ভাগ্যজনকভাবে, তিনি আর বলতে পারেননি,
“তিনি আমার মা ছিলেন!”
সত্যি কথা হলো, এ ধরনের “ইমোশনাল ডায়লগ” রান্নাঘরের ভিতরে বলা একদমই নিরাপদ নয়!
আরবি থেকে অনূদিত