09/01/2026
প্রায় ২০ লক্ষ বই দিয়ে গড়ে তোলা ব্যক্তিগত লাইব্রেরি।
কর্ণাটকের বাস কন্ডাকটর আঙ্কে গৌড়া এই লাইব্রেরি গড়ে তুলতে নিজের বাড়ি বিক্রি করেছেন। এখন তাঁর বয়স ৭৫। প্রায় ২০ টি ভাষার বই আছে লাইব্রেরিতে।
এমন আশ্চর্য মানুষও পৃথিবীতে আছে ভাবলে বাঁচার সামান্য হলেও অর্থ খুঁজে পাই।
আপনার সংগ্রহে কতটি বই আছে??
কমেন্ট করে আপনার মূল্যবান মতামত দিন।
22/12/2024
"সর্বাবস্থায় হতাশা বা অতীত নিয়ে মনোকষ্ট অনুভব করা যাবে না। কখনোই মনে করা যাবে না যে, যদি আমি এরূপ করতাম তাহলে হয়ত এরূপ হতো, অথবা এরূপ না করলে হয়ত এরূপ হতো না।এ ধরণের আফসোস মুমিনের জন্য নিষিদ্ধ। বিপদ এসে যাওয়ার পর মুমিন আর অতীতকে নিয়ে আফসোস করবেন না; বরং আল্লাহর সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। রাসূলুল্লাহ ﷺ এভাবেই নির্দেশনা দিয়েছেন"।
- ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রহ.)
17/04/2024
#ফ্রী_ডেলিভারি!
অবক্ষয়কাল ৩৮০৳
আকাশের ওপারে আকাশ ২৮০৳
বই দু'টি একত্রে অর্ডার করলেই সারা বাংলাদেশে সুন্দরবন কুরিয়ার চার্জ ফ্রী🥰
16/03/2024
নববধূর উপহার... 🥰
বিয়ের প্রথম রাতে আমার স্ত্রীকে ১০১ টি বই উপহার...
ওকে যখন প্রথম দেখতে যাই ওর সেল্ফে বই দেখে বুঝেছি ও বই পড়তে ভালোবাসে।
আপনারাও নিজেদের স্ত্রী-কে বই উপহার দিয়ে ঘরে ঘরে বই প্রেমী গড়ে তুলুন।
সংগৃহীত
16/03/2024
এই সমাজের কিছু বাপ মা'
বুঝেনা মেয়েদের আসল সুখ কোথায়, তারা শুধু চায় টাকা ওয়ালা স্মার্ট বিদেশী ছেলে,
অথচ যুগশ্রেষ্ঠ তাবেয়ি সাইদ ইবনে মুসাইয়্যাব (রঃ) তার মেয়েকে উমাইয়া খলিফার ছেলে, ভবিষ্যত খলিফার নিকট বিবাহ দিতে অস্বীকৃত জানান।
এর পরিবর্তে তিনি মেয়েকে এক দরিদ্র ছাত্রের নিকট বিবাহ দেন। কারণ, তিনি খলিফা পুত্রের চেয়ে সেই গরিব ছাত্রের মাঝে অধিক পরহেজগারিতা প্রত্যক্ষ করেছিলেন। তাই তাকেই নিজের মেয়ের জন্য অধিকতর নিরাপদ আশ্রয় মনে করেছেন।
ুমিন_জীবনে_পরিবার
11/03/2024
সূরা আল কাহাফে আমরা দেখি, মুসা আলাইহিস সালামের সাথে খিযির আলাইহিস সালামের একপর্যায়ে সাক্ষাৎ হয়৷ সেই সাক্ষাতে মুসা আলাইহিস সালাম খিযির আলাইহিস সালামের অদ্ভুত সব কাণ্ডকারখানা দেখে বিস্মিত হয়ে পড়েন৷ যদিও সাক্ষাতের শুরুতে খিযির আলাইহিস সালাম শর্তজুড়ে দেন যে—যতো অদ্ভুত ঘটনাই দেখুক, কোনো ধরণের প্রশ্ন করা যাবে না। কিন্তু ঘটনাগুলোর আকস্মিকতা এতো প্রচণ্ড এবং সেগুলো (আপাত) এতোটাই যুক্তিবিরুদ্ধ যে—ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে বারবার মুসা আলাইহিস সালাম প্রশ্ন করে বসতেন।
সেই ঘটনাগুলোর একটা এমন ছিলো যে—খিযির আলাইহিস সালাম একটা ছোট্ট বালককে হত্যা করে ফেলেন। এটা দেখে চমকে যান মুসা আলাইহিস সালাম। কেনো তিনি এটা করলেন সেই প্রশ্ন করে বসেন খিযির আলাইহিস সালামকে।
সেই ঘটনার ব্যাখ্যায় খিযির আলাইহিস সালাম বলেন—এই বালকের পিতা মাতা অত্যন্ত নেককার মানুষ। কিন্তু, বড় হলে সেই ছেলেটা হবে বাবা-মা’র ঠিক বিপরীত। সে হয়ে উঠবে আল্লাহদ্রোহী। তার এই আল্লাহদ্রোহীতা তার পিতামাতার কষ্ট এবং দূর্ভোগের কারণ হবে৷ সেই আশংকা থেকেই তিনি এই বালককে হত্যা করে ফেলেন এবং সাথে এই দুয়াও করেন যে—এর বিপরীতে আল্লাহ যেন সেই পিতামাতাকে নেককার সন্তানাদি দান করেন।
আমার কাছে মনে হয়, এই দেশের যেসব কলেজ আর ইউনিভার্সিটিতে ওপেন কালচার বিদ্যমান আছে, সেসব জায়গায় যেসকল পিতামাতারা নিজেদের সন্তানদের পড়তে পাঠান, জীবনের একটা পর্যায়ে তাদের অনেকেই নিজের সন্তানকে আছাড় দিয়ে মেরে ফেলতে চাইবেন, যেভাবে ছোট্ট বালকটাকে মেরে ফেলেছিলেন খিযির আলাইহিস সালাম। কারণ, সেই সকল সন্তানেরা এমন একটা জীবন আর লাইফস্টাইলকে ধারণ করবে—যেটা নিয়ে বাপ মায়েরা (যদি বাপ মায়েদের মাঝে ন্যুনতম মূল্যবোধ, ধর্মবোধ বজায় থাকে—তবে) সারাজীবন মর্মজ্বালায় ভুগবেন৷ সেই মর্মজ্বালার চাইতে নিজে মরে যাওয়া অথবা সন্তানের মৃত্যু চাওয়াটাকেই ঢের সহজ বলে মনে হবে।