ছোটবেলায় বিটিভি ও বাংলাদেশ বেতারে দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত সুললিত কণ্ঠে ভেসে আসে আজানের সুমধুর ধ্বনি, মনোমুগ্ধকর সেই সুরলহরি মানুষকে সুরভিত করে এক নির্মোহ আনন্দে...সেই সুললিত কন্ঠের মানুষটি আর কেউ নন
আমাদের চট্টগ্রামেরই সন্তান ক্বারি উবায়দুল্লাহ...❤️❤️❤️
১৯৪৪ সালের ১ জানুয়ারি চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার কোদালা গ্রামে জন্ম নেন ক্বারী উবায়দুল্লাহ। তার বাবা হলেন আল্লামা শাহ মেহেরুজ্জামান ইসলামাবাদী। শৈশব-কৈশোরেই তার সুললিত কণ্ঠে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত শুনে পরিচিতজনরা মুগ্ধ হতে শুরু করেন।
ক্বারী উবায়দুল্লাহ ছোট বেলায় বাবার কাছে কায়দা পড়ার পর যোগদান করেন লালবাগ মাদরাসায় মক্তব বিভাগে। সেখানে তিনি হাফেজ্জী হুজুর (রহ) এবং শায়খুল হাদিস আল্লামা আজিজুল হকের (রহ) কাছে পড়েছেন। শায়খুল হাদিস তাকে বোখারী শরিফ পড়িয়েছেন।
১৯৬২ সালে তিনি মাওলানা পাশ করলে শায়খুল হাদীস তাকে লালবাগ মাদরাসাতেই শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিয়ে বোখারী শরিফ পড়ানোর দায়িত্ব দেন।
ওই বছরই মাত্র ১৮ বছর বয়সে নাজিমুদ্দিন রোডে অবস্থিত রেডিও পাকিস্তান কেন্দ্রে প্রথম কোরআন তেলাওয়াত করে ক্বারী উবায়দুল্লাহ। তার কণ্ঠে সূরা ফাতেহার তেলাওয়াত শুনে ব্যাপক সাড়া পড়ে যায় বাংলাদেশের মুসলমানদের মধ্যে।
তারপর শুরু হল বাংলাদেশি মুসলমানের জীবনের এক নতুন সংস্কৃতি। সাধারণ মানুষ যেন ক্বারীর কণ্ঠে ‘ফাবিআইয়ি আলা ইরাব্বিকুমা তুকাযযিবান’-এর মতো সুরময় কোরআনের নানা ছন্দে নিজের সারা দিনটিকে রাঙিয়ে নিতে উন্মুখ হয়ে থাকত। তাই প্রতিদিন ফজর নামাজের পর রেডিওর পাশে বসে থেকে ক্বারী ওবায়দুল্লাহর কণ্ঠে কুরআন তেলাওয়াত শুনতেন।
এরপর ১৯৬৫ সালে প্রথম চালু হওয়া পাকিস্তান টেলিভিশনেও নিয়মিত কুরআন তেলাওয়াত করতেন ক্বারী উবায়দুল্লাহ।
একাত্তরে দেশ স্বাধীন হলে ক্বারী উবায়দুল্লাহর সমাদার বাড়ে রাষ্ট্র ও সমাজে। ফলে স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশ বেতারে প্রথম যে সুর ধ্বনি বেজে উঠল সেও ক্বারী উবায়দুল্লাহর কণ্ঠে ‘জালিকাল কিতাবু লা রাইবা ফিহ’।
এরপর ১৯৭৫ সালে বিটিভি যার তেলাওয়াতের মাধ্যমে উদ্বোধন হল তিনিও ক্বারী উবায়দুল্লাহ। বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সেই শুরুর অধিবেশন থেকে ৯ম পার্লামেন্ট পর্যন্ত আমাদের জাতীয় সংসদকেও কোরআনের মধুর সুরে মুখরিত করে রেখেছিলেন তিনি।
এদিকে ক্বারী ওবায়দুল্লাহর তেলাওয়াত শুনে অত্যন্ত বিমোহিত হতেন সৌদি বাদশাহ ফয়সাল ও খালেদ। তারা দুইবার তাকে কোরআনের শিল্পী বা ক্বারী হিসেবে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করেন।
ক্বারী উবায়দুল্লাহ বিভিন্ন দেশে গিয়ে কুরআন তেলাওয়াত করে ব্যাপকভাবে সম্মানিত হন।
তিনি বিভিন্ন দেশের আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় বারবার প্রথম স্থান অর্জন করে বাংলাদেশের জন্য বয়ে আনেন বিরল মর্যাদা।
বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে সৌদি আরব, লিবিয়া, জর্দান, ইরাক, আরব আমিরাত, কাতার, ইরান, পাকিস্তান, ভারত, বার্মা, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরসহ ৩৩টি দেশ সফর করেছেন তিনি।
এদিকে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন, নিউমার্কেট, হোটেল শেরাটনসহ জাতীয় অসংখ্য স্থাপনার উদ্বোধন হয়েছে তার তেলাওয়াতের মাধ্যমে।
১৯৬২ সাল থেকে ঐতিহ্যবাহী চকবাজার শাহি মসজিদে খতিবের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছিলেন তিনি। অসুস্থ হয়ে যাওয়ার পর থেকে নামাজ পড়াতে না পারলেও তাকে নিয়মিত সম্মানী দিয়ে যাচ্ছিল মসজিদ কর্তৃপক্ষ।
বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারে তার সুমধুর কণ্ঠে আজান ও কুরআনের তেলাওয়াত সম্প্রচারিত হত। তিনি দীর্ঘ দিন অসুস্থ ছিলেন। অসুস্থ থেকেই২০ ডিসেম্বর ২০১৬ মঙ্গলবার বা'দ ঈশা ইন্তেকাল করেন।
মহান আল্লাহপাক হুজুরকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন এই দোয়াই কামনা করি।
Chittagong - History In Photographs.
চট্টগ্রামের পুরনো ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যসমূহ সবার কাছে নতুন ভাবে উপস্থাপন করা।
07/04/2023
১৯৮০'র দশকে,
চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট।
আপনারও কি কখনো কারো জন্যে পেট পুড়ে?
কলিজা জ্বলে কারো কথা ভেবে?
তাহলে “পেটফুরেদ্দে তোঁয়ার লাই” গানটি আপনার জন্যই।
চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষার “পেটফুরেদ্দে তোঁয়ার লাই” গানটি শুনুন আর মেতে উঠুন গানের তালে তালে।
আর ১৮ই নভেম্বর চট্টগ্রামের সুগন্ধা সিনেমা হলে দেখতে ভুলবেন না,
চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষার প্রথম চলচ্চিত্র “মেইড ইন চিটাগং”।
মূল গান
গানের নাম : অ হালা চাঁন গলার মালা
শিল্পী : বুলবুল আক্তার
গীতিকার ও সুরকার : আমানউল্লাহ গায়েন
ক্যাসেট : লাল শাড়ি
Releasing on 18th November 2022
Partha Barua
Aparna Ghose
Chittralekha Guha
07/11/2022
একসময় এমন অপরূপ সৌন্দর্যের দেখা মিলতো,
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে পৌছানোর ঠিক আগমুহূর্তে।
সময়ের পরিক্রমায় চারপাশের পরিবেশের বেশ পরিবর্তন হয়েছে।
02/10/2022
সালটা ১৯৮৭,
বাবার সাথে অভিমান করে, সেই যে "চট্টগ্রামের" আজিজ বোডিং এর ছোট একটা কামরা থেকে এক স্বপ্নবাজ তরুণের উত্থান।
পরবর্তীতে ৯০ দশকের "বিগ থ্রি অফ রক" এর একজন।
‘'বাবা কত দিন দেখিনা তোমায়'’ শুনে যেমন বাবা হারা কোন মানুষের মনে হাহাকার তৈরি হয় তেমনি,
"ক্যামেলিয়া হাতে এক সন্ধ্যায়" লাইন শুনে নতুন প্রেমে পড়া কোন প্রেমিকের মনেও প্রেমিকার জন্য আন্দোলন তৈরি হয়। এমন কোন বিষয় নেই তার গানে স্থান পায়নি।
তাই লেইস ফিতা লেইস, সিনায় সিনায় মারে টান, মিরাবাঈ, মা, পদ্ম পাতার জল, সুলতানা বিবিয়ানা এখনো বাংলা গানের প্রথম সারিতে থাকা গানগুলোর মধ্যেই পড়ে। গান ছাড়াও বিজ্ঞাপনে কাজ করা, নিজের প্রোডাকশন হাউজের ব্যবসা থাকলেও তিনি কখনও হারিয়ে যাননি আর দশজনের মত।
তাই এখনও যেকোনো মেইন্সট্রিম কনসার্টে একদম
"শেষের স্লটটা" তার জন্যেই বরাদ্দ থাকে, মঞ্চে উঠার সময় অন্য শিল্পীদের মাথা তাকে দেখে এমনিতেই নুয়ে যায়।
এমনকি গভীর রাত পর্যন্ত তার জন্য অপেক্ষা করে হাজার হাজার মানুষ, মঞ্চে উঠে এক হাত তুলে বা মাইকে গর্জন তুলে "কেমন আছো" ডাক দেয়ার সাথে সাথে দর্শক সারিতে যে উন্মাদনা বয়ে যায় তা বলে বোঝানোর মত নয়। আর সেজন্যই তিনি আর সবার থেকে আলাদা।
তিনি বাংলা গানের মুকুটবিহীন সম্রাট...
And a pure rock star from this land of rock music, remember his name he is One and Only
"ফারুক মাহফুজ আনাম" 'জেমস'।
আমাদের "জেমস"
শুভ জন্মদিন গুরু..😍😍😍
সদ্য প্রয়াত ব্রিটেনের রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথ,
তার শাসনামলে দুইবার বংলাদেশে এসেছিলেন।
প্রথমবার এসেছিলেন পূর্ব পাকিস্তান আমলে ১৯৬১ সালে।
দ্বিতীয়বার বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৮৩ সালে।
আমাদের চট্টগ্রামেও তিনি সফর করেন ১৯৬১ সালে,
চট্টগ্রামে রাণী এলিজাবেথ আলেকজান্দ্রা মেরি বা দ্বিতীয় এলিজাবেথের সফরের কিছু ছবি ও ভিডিও আপনাদের মাঝে শেয়ার করলাম।
আশা রাখি ভালো লাগবে আপনাদের।
সময়কালঃ- ১৯৬১ সাল
স্থানঃ- সি আর বি,চট্টগ্রাম।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Chittagong
