08/03/2026
জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় চট্টগ্রাম-১৫ আসনের নব নির্বাচিত সাংসদ শাহজাহান চৌধুরীকে ফুল দিয়ে বরণ করে নিচ্ছেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক জনাব মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।
"আসুন আধুনিক ও মানবিক লোহাগাড়া গড়ি"
-টিম লোহাগাড়া উপজেলা চট্টগ্রাম
➤গ্রুপটা কেন.?
➤লোহাগাড়া উপজেলা চট্টগ্রাম গ্রুপের মূল লক্ষ্য লোহাগাড়া ইতিহাস ঐতিহ্যকে সবার সামনে উপস্থাপন করা।
উপজেলার সকল খবর, নাগরিক সেবা, উন্নয়ন, সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে পোস্ট আকারে শেয়ার করার জন্য এই গ্রুপ।
স্থানীয় বাসিন্দারা একে অন্যের সাহায্য চেয়ে পোস্ট দিতে পারবেন। নিজেদের ভেতর তথ্য আদান-প্রদান করতে পারবেন।
বিশেষ করে: লোহাগাড়া সম্পর্কে জানতে, লোহাগাড়ার সৌন্দর্য-ঐতিহ্য নিয়ে লিখতে, গল্প বলতে,
08/03/2026
জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় চট্টগ্রাম-১৫ আসনের নব নির্বাচিত সাংসদ শাহজাহান চৌধুরীকে ফুল দিয়ে বরণ করে নিচ্ছেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক জনাব মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।
26/02/2026
যানজট নিরসনের জন্য সড়ক প্রশস্ত করা হচ্ছে। কিন্তু এ কাজটা কি যথাযথ প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হচ্ছে।
মূল সড়ক থেকে নতুনভাবে প্রশস্ত করা সড়ক যদি এমন উচু নিচু তফাৎ থাকে তাহলে পূর্বের ন্যায় সড়কটি অকার্যকর হয়ে থাকবে। আর গাড়ি চললেও চলমান যানবাহন দূর্ঘটনার শিকার হবে প্রতিনিয়ত।
*উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, যেন তদারকি করে কাজটা সঠিক ও নিরাপদ নিয়মে কাজটি সম্পন্ন হয়।
31/01/2026
সাতকানিয়া-লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম-১৫) আসনে ১১ দলীয় জোটের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় আমীর ডা. শফিকুর রহমানের আগমন উপলক্ষে প্রস্তুত হচ্ছে জনসভার মঞ্চ ও মাঠ।
নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষণ ও তথ্য প্রদানের জন্য উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নের কেন্দ্র প্রতি ২ জন করে সদস্য নিয়ে একটা টিম করতে আগ্রহী।
18/12/2025
চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী শাহজাহান চৌধুরীর জন্য মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম দক্ষিন জেলার আমীর জনাব আনোয়ারুল আলম চৌধুরী সহ জামায়াতের একটি প্রতিনিধি দল।
আসসালামু আলাইকুম আশা করি সবাই ভালো আছেন।
জরুরী ঘোষণা।
লোহাগাড়া উপজেলা চট্টগ্রাম। নামক প্রায় ২০ হাজার সদস্যের গ্রুপটি কোনো এক অসাধু চক্র হ্যা*ক করে নিয়ে নাম পরিবর্তন করার মধ্য দিয়ে নিষ্ক্রিয় করে দিয়েছে।
আমরা লোহাগাড়ার মানুষের জরুরী যেকোনো তথ্যগত সেবার জন্য ফেসবুক পেইজ ক্রিয়েটের মধ্য দিয়ে এই টিম চালু করেছিলাম ২০১৪ সালে।
পেইজের মাধ্যমে সাধারণ পাবলিক পোস্ট করার সুযোগ না থাকায় ২০১৯ সালে এসে পাবলিক গ্রুপ ক্রিয়েট করে জনগণের মনের ভাব প্রকাশের মাধ্যমে সেই সেবাকে আরো বৃদ্ধি করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলাম।
কিন্তু আগের গ্রুপটি নষ্ট হওয়াতে জনগণের সেই সেবা পুরোপুরি বন্ধ থাকায় নতুন এই গ্রুপটি ক্রিয়েট করা হয়েছে।
আশা করি আপনাদের সহযোগিতার মাধ্যমে আমরা আগের সদস্যের ফিরে পাবো এবং যেকোনো তথ্যগত সেবা, নিজেদের মতামত, রাষ্ট্রীয় বিষয়ে নিজেদের মনের ভাব প্রকাশ। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রার্থীর বিষয়ে মতামত প্রকাশ, পর্যালোচনা সহ নানা বিষয়ে পোস্ট করার মাধ্যমে মনের ভাব প্রকাশের মাধ্যম হয়ে উঠুক এই গ্রুপটিও....
গ্রুপ লিংক
https://www.facebook.com/groups/teamlohagaraupaliza/
এই কামনায়
-এডমিন প্যানেল
11/12/2025
কমেন্ট করতে অনুরোধ করা হচ্ছে...
খলিফা উমার (রাঃ) তাঁর দরবারে বসে আছেন। মানে মসজিদের মেঝেতে বসা। এইসময়ে এক সাধারণ লোক এলো, বেশভূষায় বুঝা যায় সে মিশরীয়। অমুসলিমতো অবশ্যই। তা বেচারার অভিযোগ কী?
"ইয়া আমিরুল মু'মিনিন। গভর্নরের ছেলে আমাকে দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে বলেছিল। আমি তাঁর সাথে দৌড়ালাম, এবং প্রতিযোগিতায় আমিই জিতলাম। কিন্তু ব্যাপারটা তাঁর পছন্দ হলো না। তিনি আমাকে লাঠিপেটা করলেন। বললেন, কোন সাহসে আমি তাঁকে হারালাম!"
কোটেশন ব্যবহার করলেও, নিজের ভাষায় লিখলাম যাতে বুঝতে সুবিধা হয়।
উমার (রাঃ) সাথে সাথে মিশরের গভর্নর এবং তাঁর পুত্রকে রাজধানীতে জরুরি তলব করলেন।
মিশর তখন মাত্রই মুসলিমদের অধীনে এসেছে। আমর ইব্নে আল আস (রাঃ) এর বিজেতা ছিলেন। খলিফা উমারই (রাঃ) তাঁকে মিশরের গভর্নর নিয়োগ করেছিলেন।
সবাই জানে উমার (রাঃ) শাসনের ব্যাপারে কতটা কড়া - এবং দোষী যদি মুসলিম হয়, তাহলেতো কথাই নেই।
আমর (রাঃ) তাই বারবার নিজের পুত্রকে জিজ্ঞেস করতে লাগলেন, "তুমি এমন কিছু করোনিতো?"
পুত্র পিতাকে ভয় পেয়ে নিজের অপকর্মের কথা চেপে গেলেন।
"না বাবা। আমিও বুঝতে পারছিনা কেন তিনি আমাদের ডাকলেন।"
খলিফার সামনে পিতা পুত্র দাঁড়িয়ে আছেন। খলিফা ডাকলেন মিশরীয় লোকটিকে। খলিফা অভয় দিয়ে বললেন, "বলো তোমার অভিযোগ কী?"
অত্যাচারিত ব্যক্তিটি আবারও তাঁর ঘটনা খুলে বলল। উমার চুপচাপ শুনলেন। তারপর আমর (রাঃ) পুত্রকে জিজ্ঞেস করলেন, "তুমি কী নিজের দোষ স্বীকার করছো?"
পুত্র খানিকটা ইতস্তত করলেও উমারের (রাঃ) সামনে মিথ্যা বলার সাহস করলেন না।
"জ্বি হে বিশ্বাসীদের নেতা। আমি দোষী।"
উমার তখন মিশরীয়ের হাতে নিজের লাঠি তুলে দিলেন। বললেন, "এটি দিয়ে তুমি তাঁকে ততক্ষন পেটাতে থাকো যতক্ষণ না তোমার মনে হয় তুমি ন্যায় বিচার পেয়েছো।"
লোকটা হকচকিয়ে গেল। সে সামান্য কৃষক বা এই শ্রেণীর অতি নগন্য সিভিলিয়ান। সে কিনা পেটাবে গভর্নরের পুত্রকে!
উমার (রাঃ) ধমক দিলেন। "নাও বলছি! পেটাও তাঁকে।"
গভর্নরের সামনে তাঁর পুত্রকে পেটানো হলো। গভর্নর কিছু বললেন না।
উমার (রাঃ) বললেন, "যে মায়ের পেট থেকে স্বাধীন হয়ে জন্মেছে - তুমি কোন অধিকারে তাঁকে দাস বানাও?" (ইসলামই প্রথম স্বাধীন মানুষকে দাস বানানো নিষিদ্ধ করে। শুধুমাত্র যুদ্ধে পরাজিত সৈনিক, যে নিজের মুক্তিপণ দিতে পারবেনা, তাঁকেই দাস বানানো যাবে। এবং সে যদি নিজের স্বাধীনতা কিনে ফেলতে পারে - তবে তাঁকে মুক্তি দেয়া হবে। এবং ততদিন পর্যন্ত তাঁর সাথে অতিরিক্ত ভাল আচরণ করতে হবে।)
দুই একটা লাঠির আঘাত করার পর মিশরীয় যখন লাঠিটা উমারকে (রাঃ) ফেরত দিতে যাবে, উমার (রাঃ) তখন বললেন, "ওটা তোমার কাছে রাখো। এখন তুমি গভর্ণরকে পেটাবে। বাপের যে পদবীর জোরে তাঁর পুত্র সাধারণ মানুষের উপর অত্যাচার করে বেড়ায় - তাঁর শিক্ষা হওয়া উচিৎ আল্লাহর দরবারে রাজা ফকির ধনী গরিব কিছুই প্রভাব ফেলে না।"
আমরের চোখ কপালে উঠে গেল। খলিফার বিচার সভার অন্যান্যরাও হকচকিত হয়ে গেলেন। আমর কিন্তু আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ হওয়া পাবলিক না। তাঁরা খান্দানিভাবেই ইজ্জতওয়ালা কুরাইশ। নিজের গোত্রে তাঁরাই রাজা। কয়েকপুরুষ ধরেই এমনটা ঘটে আসছে। এক সাধারণের আমরের গায়ে হাত তোলা তাই রিয়েলি বিগ ডিল।
কিন্তু উমার(রাঃ) অনড়!
মিশরীয় কান্নায় ভেঙে পড়লো। লাঠি ফেরত দিয়ে আমিরুল মু'মিনিনকে বলল, "আমার বিচার পেয়ে গেছি। আমার আর কিছু লাগবেনা।"
ঘটনাটা কেন মনে করিয়ে দিলাম, বুঝলেনতো?
24/11/2025
ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম জানিয়েছেন এই মাহফিলের ব্যাপারে ওনার সাথে কোনো ধরনের যোগাযোগ হয়নি এবং ডাকসু জিএস এস.এম ফরহাদও এব্যাপারে কিছু জানেন না।
ওনারা প্রোগ্রামে উপস্থিত থাকার বিন্দুমাত্র কোনো সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন দুইজনেই।
এভাবে অনুমতি ছাড়া পোস্টারে অতিথির নাম ব্যবহার করা সমীচীন কাজ নয়।
এটা মাহফিলে আগত লোকদের জন্যও বিভ্রান্তির কারণ হতে পারে।
08/11/2025
আজকের খেলার দুটি দৃশ্য!
25/10/2025
শেখ মুজিবুর রহমান ও ডঃ কামাল হোসেনের নাগরিকত্বের প্রশ্নতো সমাধান হলো না!!
শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ দিবাগত রাতে স্বেচ্ছায় বন্দী হয়ে পশ্চিম পাকিস্তানে চলে যান। ছিলেন মিয়াওয়ালী জেলে। ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ পাক বাহিনীর আত্মসমর্পনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়। এর তিন সপ্তাহ পরে ১৯৭২ সালের জানুয়ারীর প্রথম সপ্তাহে শেখ মুজিবুর রহমান ও ডঃ কামাল হোসেন নতুন পাকিস্তানী পাসপোর্ট নেন (সূত্র: ডঃ কামালের সাক্ষাৎকার, "সাপ্তাহিক" ২৮ অক্টোবর ২০১০)। এই পাসপোর্ট দিয়েই পাকিস্তানী নাগরিক হিসাবে শেখ মুজিবুর রহমান এবং ড. কামাল হোসেন বাংলাদেশে আসেন ১০ জানুয়ারী ১৯৭২। এসেই ওনারা যথাক্রমে দায়িত্ব নিলেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে। প্রশ্ন হলো, ওনারা দু'জন কি পাকিস্তানের নাগরিকত্ব ছেড়েছিলেন এবং বাংলাদেশের প্রতি আনুগত্য পোষন করে হলফনামা দিয়েছিলেন? দিয়ে থাকলে কবে? কখন? আর না দিয়ে থাকলে পাকিস্তানি নাগরিক হিসেবেই কি ওনারা বেআইনীভাবে রাজত্ব করে গেছেন??
বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পরেও ওনারা দু'জন পাকিস্তানের নাগরিক হিসাবে পাকিস্তানের পাসপোর্ট নিয়েছিলেন ১৯৭২ সালে। তাহলে ওনাদের নাগকিত্বের বিষয়টি কিভাবে নিস্পন্ন হয়েছিল, সেটা একটা গুরুত্বপূর্ন প্রশ্ন। বাংলাদেশের প্রত্যেকটি নাগরিকের এ প্রশ্নের যথাযথ জবাব জানা প্রয়োজন।
সূত্র: somewhere in blog & other on-line sources(edited)
14/10/2025
আগামী ১ নভেম্বর ২০২৫ থেকে ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ বাংলাদেশ (NPSB) প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ব্যাংক থেকে মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস (MFS) — যেমন বিকাশ, নগদ, রকেট — এ সরাসরি টাকা পাঠানো যাবে।
এছাড়া এক এমএফএস থেকে অন্য এমএফএসেও (যেমন বিকাশ থেকে নগদ বা রকেটে) টাকা পাঠানো যাবে। এর আগে বিকাশ বা নগদের মাধ্যমে কিছু নির্দিষ্ট ব্যাংকে টাকা স্থানান্তর করার সুবিধা থাকলেও, এবার সব ব্যাংক ও এমএফএস প্ল্যাটফর্মের মধ্যে লেনদেন সম্ভব হবে।
চার্জ কাঠামো (বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী):
*এমএফএস থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠালে প্রতি ১,০০০ টাকায় চার্জ হবে ৮ টাকা ৫০ পয়সা। (আগে এই খরচ ছিল প্রায় ১১ টাকা বা তার কিছু বেশি)
* এক এমএফএস থেকে অন্য এমএফএসে (যেমন বিকাশ ➜ নগদ, নগদ ➜ রকেট) টাকা পাঠানোর ক্ষেত্রেও একই হারে — ৮ টাকা ৫০ পয়সা প্রতি ১,০০০ টাকায় চার্জ প্রযোজ্য হবে।
* তবে ব্যাংক থেকে এমএফএসে (যেমন সিটি ব্যাংক ➜ বিকাশ, ব্র্যাক ব্যাংক ➜ নগদ) টাকা পাঠালে চার্জ অনেক কম — প্রতি ১,০০০ টাকায় মাত্র ১ টাকা ৫০ পয়সা।
সব ক্ষেত্রেই প্রেরক (sender) চার্জ বহন করবে, গ্রাহক (receiver) কোনো ফি দেবে না।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, এই চার্জগুলো হলো সর্বোচ্চ সীমা — অর্থাৎ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান চাইলে এর চেয়ে কম ফি নিতে পারবে।
এই নতুন উদ্যোগের ফলে ব্যাংক ও এমএফএস অ্যাকাউন্টের মধ্যে অর্থ স্থানান্তর হবে আরও সহজ, দ্রুত এবং অনেক ক্ষেত্রে সাশ্রয়ী।