02/01/2026
'দোষ ত্রুটি খোঁজা বন্ধ করুন!
রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন,
তোমরা মুসলমানদের দোষ-ত্রুটি, ভুলভ্রান্তি খুঁজে বের করো না। যে ব্যক্তি অন্যের দোষ খুঁজে বেড়ায় ও প্রকাশ করে দেয়, স্বয়ং আল্লাহ তার দোষ প্রকাশ করে দেন। আর আল্লাহ যার দোষ-ত্রুটি প্রকাশ করেন তাকে নিজের বাড়িতেই লাঞ্ছিত করেন।
— আবু দাউদ: ৪৮৮০
#নেক_আমল #হাদিস #বাণী
22/12/2025
রিযিক বন্ধ হয়ে যাওয়ার ২০টি গুনাহ।
১. সুদ (Riba):
যে ব্যবস্থার বিরুদ্ধে আল্লাহ নিজেই যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন, সেখানে কখনো বারকাহ আসতে পারে না।
📖 রেফারেন্স: সূরা আল-বাকারা ২৭৯ — “আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের পক্ষ থেকে যুদ্ধের ঘোষণা।”
২. অকৃতজ্ঞতা:
যে রিযিককে তুমি তুচ্ছ করো, সেটাই ধীরে ধীরে তোমার হাত থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়।
📖 রেফারেন্স: সূরা ইবরাহীম ৭ — “কৃতজ্ঞ হলে বাড়িয়ে দেব, অকৃতজ্ঞ হলে শাস্তি কঠিন।”
৩. আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা:
রিযিকের সাথে আত্মীয়তার সম্পর্ক সরাসরি যুক্ত। সম্পর্ক কেটে দিলে রিযিকের দরজা বন্ধ হয়।
📖 হাদিস: “যে রিযিক বাড়াতে চায়, সে যেন আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখে।” — বুখারি ২৯৮৬
৪. অসততা:
ব্যবসায় মিথ্যা বললে সাময়িক লাভ হতে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে রিযিক নষ্ট হয়।
৫. প্রতারণা:
কারও হক মেরে খেলে প্রতিটি হারাম টাকা জীবনে অভাব ডেকে আনে।
📖 হাদিস: “যে প্রতারণা করে, সে আমার উম্মতের মধ্যে নয়।” — মুসলিম ১০২
৬. সালাত অবহেলা:
আজান–সালাত গুরুত্বহীন মনে করলে রিযিকের বারকাহ কমে যায়।
📖 হাদিস: “রিযিক সালাতে আছে।” — সহিহ অর্থে বহু বর্ণনায় প্রমাণিত
৭. গীবত:
অন্যের পিঠ পেছনে খারাপ বলা তোমার নিজ জীবনের বারকাহ খেয়ে ফেলে।
📖 সূরা হুজুরাত ১২
৮. অহংকার:
রিযিক উপহার, প্রমাণ নয় যে তুমি শ্রেষ্ঠ। অহংকার আসমানের দরজা বন্ধ করে দেয়।
📖 হাদিস: “যার অন্তরে অহংকারের অণু পরিমাণ থাকে, সে জান্নাতে যাবে না।” — মুসলিম ৯১
৯. যাকাত আটকে রাখা:
যাকাত না দিলে সম্পদ অপবিত্র হয়ে যায় এবং ধ্বংস হতে থাকে।
📖 সূরা তাওবা ৩৪-৩৫
১০. কর্মচারীদের ওপর জুলুম:
যাদের তোমার ওপর কিছুটা অধিকার আছে, তাদের হক না দিলে রিযিক শুকিয়ে যায়।
📖 হাদিস: “মজদুরের মজুরি ঘাম শুকানোর আগেই পরিশোধ করো।” — ইবন মাজাহ ২৪৪৩
১১. বেচাকেনায় প্রতারণা বা জিনিসের দোষ লুকানো:
এতে সম্পদের বারকাহ সম্পূর্ণ তুলে নেওয়া হয়।
১২. লোভ:
যে শুধু আরও আরও চায় কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ বলে না—সে শেষ পর্যন্ত কম পায়।
📖 হাদিস: “মানুষের মন যদি দুই পাহাড় ভরা সম্পদ পায়, তবুও সে তৃতীয়টি চাইবে।” — বুখারি ৬৪৩৯
১৩. বাবা–মাকে অবহেলা:
তোমার রিযিক তাদের দোয়া বা অভিশাপের সাথে জড়িত।
📖 হাদিস: “রিযিক ও আয়ু বাড়ে বাবা-মাকে সন্তুষ্ট রাখলে।” — মুসলিম (হাসান সনদে বহু রেওয়ায়েতে প্রমাণিত)
১৪. জুলুম করে সম্পদ অর্জন:
জুলুমের সম্পদে কোনো বারকাহ নেই, বরং ধ্বংস ডেকে আনে।
১৫. সদকা অবহেলা:
সদকা কখনো সম্পদ কমায় না, বরং বাড়ায়।
📖 হাদিস: “সদকা সম্পদ কমায় না।” — মুসলিম ২৫৮৮
১৬. হিংসা:
অন্যের রিযিক দেখে মন খারাপ করা নিজের রিযিকের দরজা বন্ধ করে দেয়।
১৭. নারীদের ও বাচ্চাদের প্রতি জুলুম:
যাদের যত্নের অধিকার সবচেয়ে বেশি, তাদের প্রতি অন্যায় করলে রিযিক উঠে যায়।
১৮. মিথ্যা কসম খাওয়া:
টাকা বা ব্যবসার জন্য মিথ্যা শপথ বারকাহ পুড়িয়ে ফেলে।
📖 বুখারি ২০৮৭
১৯. অলসতা:
রিযিক চেষ্টা করা মানুষের কাছে আসে। যারা চেষ্টা করে না, ভাগ্যও দরজা খোলে না।
২০. তাকদির নিয়ে অসন্তুষ্টি:
আল্লাহর সিদ্ধান্ত নিয়ে অভিযোগ করা ভবিষ্যতের রিযিকের দরজা বন্ধ করে দেয়।
📖 হাদিস: “আল্লাহ্র সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট থাকলে সে হৃদয়কে পরিপূর্ণ করেন।” — তিরমিজি ২৫১০
02/12/2025
ছোটবেলা থেকেই যখনই কোথাও যেতাম / যাই সবসময়ই কবরবাসীকে সালাম দিয়ে যাই। এই সালামের এত ফজিলত জানতাম না। আল্লাহ পাক কবুল করুক
আপনি রাস্তা দিয়ে কারো সাথে কথা বলতে বলতে হাটছেন বা গাড়িতে চড়ে বাইরের দৃশ্য দেখতে দেখতে যাচ্ছেন। হঠাৎ আপনার দৃষ্টি থেমে গেলো রাস্তার পাশের একটি কবর দেখে। মুখ থেকে বেরিয়ে গেলো_
"আসসালামু আ'লাইকুম ইয়া আহলাল কুবুর"
অর্থঃ হে কবরবাসী! আপনাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক।
ঠিক সেই সময়ে সেই কবরবাসী ছিলো আযাবের ফেরেশতাদের দখলে যারা মারাত্মক আঘাতে ছিন্ন বিচ্ছিন্ন করে দিচ্ছিলো সেই কবরবাসীর দেহকে। আশ্চর্য! আপনার কয়েক সেকেন্ডর এই দুয়াতে আল্লাহর আরশ থেকে নির্দেশ এলো, তার শাস্তি থামিয়ে দিয়ে তার উপর শান্তি বর্ষিত হলো।
প্রায় ২০/৩০ বছর পর আজ আপনিও এক অন্ধকার কবরের বাসিন্দা। ক্রমান্বয়ে আপনার উপরেও চলছে আযাবের ফেরেশতাদের মারাত্মক আঘাত। হঠাৎ করেই তারা আঘাত করা বন্ধ করে দিলো। কিছু সময়ের জন্য আপনি সুকুন পেলেন।
আপনার মনে পড়ে গেলো ওই যে সেই দিনগুলোর কথা যেদিন আপনি রাস্তার পাশের কবর দেখে এই ছোট্ট দুয়াটি করে যেতেন। আজ সেভাবেই কোনো এক পথিকের ও আপনার কবর দেখে মায়া হলো, আপনার মতো তিনিও সেই ছোট্ট দুয়াটি পড়ে আপনাকে কিছুক্ষণ এর জন্য আযাব থেকে মুক্তি দিলো।
আপনি যে দুয়া করবেন তা আপনার জন্যও আল্লাহ ফিরিয়ে দিবেন। কেননা, আল্লাহ প্রতিটি ভালো কাজের জন্য পুরস্কার দেন।
প্রতিদিন আমরা এভাবে কত কবর পার করি।অথচ ভুলেই যাই এরাও একদিন আমাদের মতো দুনিয়ায় বিচরণ করতো। দৈনিক রাস্তা পার হতে ততক্ষন কবর দেখে দুয়া করুন, যতক্ষন আপনি কবরের আযাব থেকে মুক্তি পেতে চান।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে এই ছোট্ট আমলের তৌফিক দিন।
আমীন।
#আল্লাহ #নেক #আমল #দোয়া
05/11/2025
শরীরের সদকা করছেন তো?
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন যে, মানুষের শরীরের প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের জন্য সদকা রয়েছে। এটি কেবল দান বা অর্থসম্পর্কিত নয়, বরং বিভিন্ন সৎ কাজও সদকার অন্তর্ভুক্ত। নীচে শরীরের সদকার কিছু উদাহরণ তুলে ধরা হলো:
১. সালাম দেওয়া:
সালাম বিনিময় করা সদকার একটি রূপ। এটি সমাজে শান্তি ও ভ্রাতৃত্ব তৈরি করে।
রেফারেন্স: (সহিহ বুখারি: 2989)
২. সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজ থেকে বারণ করা:
অন্যকে ভালো কাজে উৎসাহিত করা এবং মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখতে সাহায্য করাও সদকা।
রেফারেন্স: (সহিহ মুসলিম: 1009)
৩. কোনো কষ্টদায়ক জিনিস পথ থেকে সরিয়ে ফেলা:
রাস্তা থেকে কোনো কাঁটা, পাথর বা অন্য কোনো বিপদজনক বস্তু সরিয়ে দিলে তা সদকা হিসেবে গণ্য হয়।
রেফারেন্স: (সহিহ মুসলিম: 1009)
৪. ভালো কথা বলা:
মিষ্টি কথা বা কারও প্রতি সদয় হওয়া, ভালো পরামর্শ দেওয়া, এবং কাউকে উৎসাহিত করা — এসব কাজও সদকা।
রেফারেন্স: (সহিহ বুখারি: 2989)
৫. মুসকান বা হাসি:
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: "তোমার ভাইয়ের প্রতি হাসি হলো সদকা।"
রেফারেন্স: (তিরমিজি: 1956)
৬. কেউকে পথ দেখানো:
যদি কেউ পথ হারিয়ে ফেলে বা দিকনির্দেশনা চায়, তাকে পথ দেখানোও সদকা।
রেফারেন্স: (তিরমিজি: 1956)
৭. পানির ব্যবস্থা করা:
কাউকে পানি পান করানো বা পানি পাওয়ার ব্যবস্থা করাও সদকার মধ্যে গণ্য।
রেফারেন্স: (আবু দাউদ: 1677)
৮. নিজের জন্য এবং পরিবারের জন্য খরচ করা:
আপনি যদি আপনার পরিবারের জন্য খরচ করেন, তা-ও সদকা হিসেবে গণ্য হবে।
রেফারেন্স: (সহিহ বুখারি: 4006)
৯. নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করা:
খারাপ অবস্থায় ধৈর্য ধারণ করা এবং নিজের আবেগ বা রাগ নিয়ন্ত্রণ করাও সদকা।
রেফারেন্স: (তিরমিজি: 2024)
এই কাজগুলো সহজে করা যায় এবং এগুলোর প্রতিটি মানুষের দেহের সদকার অন্তর্ভুক্ত।এসবের বিপরীতে ফজর নামাজের পর সূর্য উঠা পর্যন্ত জিকির আজকারে সময় দিয়ে পরবর্তীতে দুই রাকআত সালাতুল এশরাক পড়লেও শরীরের সমস্ত জোড়ার সদকা আদায় হয়ে যায়।
অনেকের প্রশ্ন এশরাক ও দুহা'র নামাজ কি একই? তাদের জন্য বলা যেতে পারে
হ্যাঁ, এশরাকের নামাজ এবং সালাতুত দুহা (দুহার নামাজ) মূলত একই ধরনের নামাজ, তবে এর সময়ের উপর ভিত্তি করে ভিন্ন নামে পরিচিত হয়।
১. এশরাকের নামাজ:
এশরাকের নামাজ সূর্যোদয়ের পর কিছুটা সময় (প্রায় ১৫-২০ মিনিট) অপেক্ষা করে আদায় করা হয়। এটি নফল নামাজ এবং দুটি বা চার রাকাত পড়া যায়।
এশরাকের নামাজের মূল উদ্দেশ্য হলো আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা, এবং এই নামাজের অনেক ফজিলত রয়েছে।
২. সালাতুত দুহা (দুহার নামাজ):
দুহার নামাজ দিনের প্রায় মধ্যভাগের কাছাকাছি সময়ে (সূর্যোদয়ের প্রায় এক থেকে দেড় ঘণ্টা পর থেকে শুরু করে জোহরের আজানের আগে পর্যন্ত) আদায় করা হয়। এটি ২, ৪, ৬ বা ৮ রাকাত পর্যন্ত পড়া যায়।
এই নামাজেরও অনেক ফজিলত রয়েছে এবং এটাকে "আওয়াবিনদের নামাজ" (আল্লাহর দিকে ফিরে আসা ব্যক্তিদের নামাজ) বলা হয়।
মূল পার্থক্য:
এশরাক: সূর্যোদয়ের কিছুক্ষণ পর (প্রায় ১৫-২০ মিনিট পর)।
সালাতুত দুহা: সূর্যোদয়ের ১-১.৫ ঘণ্টা পর থেকে জোহরের সময়ের আগ পর্যন্ত।
ফজিলত:
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:
"মানুষের দেহের ৩৬০টি অস্থির প্রত্যেকটির উপর সদকা রয়েছে। এবং দুহা সময়ে ২ রাকাত নামাজ পড়া সমস্ত অস্থির জন্য সদকা হিসেবে পরিগণিত হয়।"
— (সহিহ মুসলিম: 720)
তাহলে, এশরাক এবং সালাতুত দুহা একই ধরনের নামাজ, তবে সময়ের ভিত্তিতে তাদের ভিন্ন নাম দেওয়া হয়েছে।
04/09/2025
একটুখানি_লজ্জায়_সব_নামাজ_রোজা_ বাতিলঃ!
আপনি সারাজীবন খুব ভালো ভাবে ইবাদত করে কাটালেন। মৃত্যুর পরে বিচার দিবসে যখন আপনার আমলনামা আপনার হাতে দিবে, তখন দেখলেন আপনার আমলনামায় কোন আমল জমা হয়নি। তখন আপনার চাইতে কপাল পোড়া আর কেউ কি থাকবে????
হ্যাঁ এমনটাই হতে পারে, যদি নিয়ম না জেনে ফরজ গোসল করেন। কারণ ফরজ গোসল সঠিক পদ্ধতিতে না করলে সারাজীবনই নাপাক অবস্থায় কাটাবেন।
বিশেষ করে আমার সমবয়সী বন্ধু সকল তোমরা লজ্জায় কোনো আলেম বা যারা জানেন তাদের কাছে কোনদিনই জানতে যাওনি। না জেনে যদি এভাবেই তোমার জীবনঘড়ি থেমে যায় কেমন হবে সেই সময়টা একটু চিন্তা করে দেখেছো কি.?
একটু লজ্জায় সারাজীবনের ইবাদত বরবাদ!!!
যে সব কারণে গোসল ফরজ হয়ঃ
১. স্বপ্নদোষ বা উত্তেজনাবশত বী-র্য-পাত হলে।
২. সহ–বাসে (সহ–বাসে বী-র্য-পাত হোক আর নাই হোক)।
৩. মেয়েদের হায়েয-নিফাস শেষ হলে।
৪. ইসলাম গ্রহন করলে (নব-মুসলিম হলে)।
গোসলের ফরজ ৩ টিঃ
১. গড়গড়া সহ কুলি করা, যাতে পানি গলার হাড় পর্যন্ত পৌছে।
২. হাতে পানি নিয়ে নাকের নরম হাড় পর্যন্ত পানি পৌছানো।
৩. সমস্ত শরীর উত্তম রুপে ধৌত করা।
ফরজ গোসলের সঠিক নিয়মঃ
১গোসলের নিয়ত করা, 'বিসমিল্লাহ' বলে গোসল শুরু করা। দুই হাত কবজি পর্যন্ত ধোওয়া (বুখারী ২৪৮)
২ পানি ঢেলে বাম হাত দিয়ে লজ্জাস্থান পরিষ্কার করা (বুখারী ২৫৭)
৩ বাম হাতটি ভালভাবে ঘষে ধুয়ে নেওয়া (বুখারী ২৬৬)
৪ নামাজের ওজুর মতো ভালভাবে পূর্ণরূপে ওজু করা। এক্ষেত্রে শুধু পা দুটো বাকি রাখলেও চলবে, যা গোসলের শেষে ধুয়ে ফেলতে হবে। (বুখারী ২৫৭, ২৫৯, ২৬৫)।
৫ মাথায় পানি ঢেলে চুলের গোড়া ভালভাবে আঙ্গুল দিয়ে ভিজানো। (বুখারী ২৫৮)।
৬ পুরো শরীরে পানি ঢালা; প্রথমে ডানে ৩বার, পরে বামে ৩বার, শেষে মাথার উপর ৩ বার (বুখারী ১৬৮)।
৭ (যেন শরীরের কোন অংশ বা কোন লোমও শুকনো না থাকে। পুরুষের দাড়ি ও মাথার চুল এবং মহিলাদের চুল ভালোভাবে ভিজতে হবে।
নাভি, বগল ও অন্যান্য কুঁচকানো জায়গায় অবশ্যই পানি ঢালতে হবে)।
গোসলের জায়গা থেকে একটু সরে গিয়ে দুই পা ধোওয়া। (বুখারী ২৫৭)।
এটাই হচ্ছে গোসলের পরিপূর্ণ পদ্ধতি। উল্লেখ্য, এইভাবে গোসল করলে এর পরে নামায পড়তে চাইলে আলাদা করে ওযু করতে হবেনা, যদিনা গোসল করার সময় ওযু ভংগের কোনো কারণ ঘটে থাকে।
গোসলের পরে কাপড় চেঞ্জ করলে বা হাঁটুর উপরে কাপড় উঠে গেলে ওযু ভাংবেনা, এটা ওষু ভংগের কারণ না।
আল্লাহ আমাদের সঠিকভাবে আমল করার ও এ জ্ঞান সকলের কাছে পৌছে দেয়ার তওফিক দান করুন।
আমিন।
সওয়াবের নিয়তে পোস্টটি শেয়ার করুন।
#ইসলামিকভিডিও #নামাজ #রোজা #ফরজগোসল #ইবাদত
26/04/2025
নিশ্চয়ই তা অশ্লীল কাজ ও মন্দ পথ
11/04/2025
📛মার্চ ফর গাজা📛
বাংলাদেশের ইতিহাসে সম্ভবত এই প্রথম এমন একটি গণ জমায়েত হতে যাচ্ছে, যেখানে সকল রাজনৈতিক-অরাজনৈতিক দলমতের মানুষের সম্মিলিত স্রোত আগামী ১২ এপ্রিল রোজ শনিবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মোহনায় মিলিত হবে ইনশাআল্লাহ।
যেখানে অংশ নিচ্ছে বিএনপি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, এবি পার্টি, গণঅধিকার পরিষদ, হেফাজতে ইসলাম, জাতীয় দলের ক্রিকেটার, অভিনেতা, তাবলীগ জামাত, আহলে হাদীস, হাইয়াতুল উলইয়া, বেফাকুল মাদারিস, দারুন্নাজাত মাদরাসা, খেলাফত মজলিশ, খেলাফত আন্দোলনের মতো রাজনৈতিক-অরাজনৈতিক সংগঠনের পাশাপাশি বিভিন্ন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব।
যেমন : বায়তুল মোকাররমের খতিব মাওলানা আব্দুল মালেক, আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, শায়খ আহমাদুল্লাহ, মামুনুল হক, সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করিম, আব্দুল হাই মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ, ড. আবুল কালাম আজাদ বাশার, প্রফেসর মোখতার আহমাদ, ক্রিকেটার মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, মাহমুদুল হাসান সোহাগ, আয়মান সাদিক, হাসনাত আব্দুল্লাহ, আরজে কিবরিয়া, কবি মুহিব খান, লতিফুল ইসলাম শিবলী সহ বিভিন্ন সেক্টরের সেলিব্রেটিগণ।
মানবতার জন্য এদিন আপনিও আসুন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। কাছের মানুষকে আসতে উদ্বুদ্ধ করুন। সম্ভব হলে সন্তানকেও সঙ্গে আনুন। তারাও জানুক পবিত্র ভূমির মানুষের মর্মন্তুদ দুঃখগাথা।
পাশাপাশি বিপুল জমায়েতের সুযোগে কোনো অসাধু চক্র যেন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে সে বিষয়েও সর্বোচ্চ সর্তক থাকুন।
29/03/2025
আপনিও কি এ বছর অনুরূপ উপলব্ধি করেছেন?
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন: “কিয়ামত ততক্ষণ সংঘটিত হবে না, যতক্ষণ না সময় দ্রুত অতিক্রান্ত হতে থাকে…”
📖— [সুনান আত-তিরমিজি ২৩৩২]
এর অর্থ হলো সময় সংক্ষিপ্ত হয়ে আসবে আর বরকত কমে যাবে। একদিনে যা উপকার ও সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হতো, তা এক ঘণ্টার মধ্যেই সীমাবদ্ধ হয়ে যাবে। এটি কিয়ামতের নিকটবর্তী হওয়ার অন্যতম লক্ষণ।
এ ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন শাইখুল ইসলাম ইমাম আন-নববী এবং শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবনু হাজার আল-আসকালানি رَحِمَهُ ٱللَّٰهُ।
াংলা
27/03/2025
শবে কদরের সেরা দুয়া ও আমল
26/03/2025
আগামী বুধবার না থাকবে রোজা, না থাকবে বিজোড় রাত। সময় কী অদ্ভুতভাবেই না চলে যায়!🖤
14/02/2025
১.📿সুবাহানআল্লাহ
২.📿আলহামদুলিল্লাহ
৩.📿লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাঃ
৪.📿আল্লাহু আকবর
৫.📿আল্লাহুমা সল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ
৬.📿আস্তাগফিরুল্লাহ
৭. 📿সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি সুবহানাল্লাহিল আযীম
৮. 📿লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ
৯. 📿আল্লাহুমাগফিরলি
১০.📿আল্লাহুম্মা আজিরনি মিনান্নার
১১.📿ইয়া হাইয়ু ইয়া কাইয়ুম বিরাহমাতিকা আসতাগিস
১২. 📿ইয়া জাল জালালি ওয়াল ইকরাম
১৩.📿জাযাল্লাহু আন্না মুহাম্মাদান মা হুয়া আহলুহু
১৪. 📿আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল আফিয়া
১৫. 📿আস্তাগফিরুল্লাহ ইন্নাল্লাহা গাফুরুর রাহিম
১৬.📿লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনাজ জোয়ালিমিন
১৭.📿 ইয়া হালালাল মুশকিলাত
১৮.📿আলহামদুলিল্লাহ আলা কুল্লি হাল
১৯.📿ইয়া আরহামার রাহিমীন
২০.📿ইয়্যা কানাহ'বুদু ওয়া ইয়্যা কানাসতাঈন
২১.📿 আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা হুসনাল খ তিমাহ
২২.📿 আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা হুব্বাক
২৩.📿আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল জান্নাতা ওয়া আ'উযু বিকা মিনান্নার
২৪.📿আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল হুদা ওয়াস সাদাত আস সাবুর
২৫.📿লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকালাহু আহাদান ছমাদান লাম ইয়ালিদ ওয়ালাম ইউলাদ ওয়ালাম ইয়া কুল্লাহু কুফুওয়ান আহাদ
২৬.📿লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকালাহু লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদির
২৭.📿ওয়াল্লাজিনা ইয়াকুলুনা রাব্বানা হাবলানা মিন আযওয়াজিনা ওয়া জুররিয়্যাতিনা কুররাতা আই নিউ ওয়াজ আলনা লিল মুত্তাকীনা ইমামা
২৮.📿ইয়া ওয়াদুদু
২৯.📿 রাব্বি হাবলি মিনাস সলিহিন
৩০.📿ইন্নামা আশকু বাছহি অ হুজনি ইলাল্লাহ
৩১.📿ইন্নাল্লাহা মাআ সবেরীন
৩২.📿হাসবুনাল্লাহু ওয়ানি'মাল ওয়াকিল
৩৩. 📿ইয়া রাব্বিগ ফিরলি
৩৪. 📿সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
৩৫.📿আস্তাগফিরুল্লাহ হাল্লাজি লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়ুল কাইয়ুম ওয়া আতুবু ইলাইহি লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিউল আজিম
পড়া শেষে সবাই আলহামদুলিল্লাহ!😊❤️