27/03/2026
Sayed's Media & Communication
Sayed's Media & Communication is platform where we are trying to reach you to the fact around us.
27/03/2026
আপনি কি গ্রামীণ সিম ব্যবহার করেন,তাহলে নিচের এই প্রয়োজনীয় কোডগুলো শে/য়ার করে রাখতে পারেন।প্রায়ই এই কোডগুলো আমাদের দরকার হয়...
💠 নিচে গ্রামীণফোন (Grameenphone) সিমের প্রয়োজনীয় ও বহুল ব্যবহৃত কিছু USSD কোড একসাথে দেওয়া হলো 👇
📞 সাধারণ প্রয়োজনীয় কোড
🔴 ব্যালেন্স চেক: *566 #
🔴 নাম্বার জানার কোড: *2 #
🔴 ইন্টারনেট ব্যালেন্স: *121*121 #
🔴 মিনিট ব্যালেন্স: *121*122 #
🌐 ইন্টারনেট ও প্যাক সম্পর্কিত
🟢 ডাটা প্যাক দেখুন/কিনুন: *121 #
🟢 ডাটা মেয়াদ দেখুন: *121*121 #
🟢 ফেসবুক প্যাক: *121*588 #
💰 রিচার্জ ও অফার
🟠 রিচার্জ কোড: *555*রিচার্জ নম্বর #
🟠 নিজের জন্য অফার চেক: *121*3 #
🟠 ইমার্জেন্সি লোন: *121*300 #
📱 সিম সংক্রান্ত
🟣 সিম রেজিস্ট্রেশন স্ট্যাটাস: *16001 #
🟣 অতিরিক্ত সিম চেক: *121*6 #
🟣 অপ্রয়োজনীয় সিম বন্ধ: *121*6 # অথবা
https://portal.btrc.gov.bd
☎️ কাস্টমার কেয়ার
🟤 গ্রামীণফোন হেল্পলাইন: 121
🟤 ডাইরেক্ট কাস্টমার কেয়ার: *121*5 #
31/12/2025
Happy New Year! 🎉✨
May the new year bring you happiness, good health, peace, and success.
May it be filled with new hopes, new opportunities, and beautiful moments.
Wishing you a joyful and prosperous year ahead! 🌟
31/12/2025
আপনার নামের অতিরিক্ত সিম ঘরে বসেই কিভাবে বন্ধ করবেন...!
বর্তমানে ঘরে বসেই নিজের জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে নিবন্ধিত অতিরিক্ত বা অপরিচিত সিম বন্ধ করা সম্ভব। এতে সময় বাঁচে এবং ব্যক্তিগত নি*রাপত্তাও নিশ্চিত হয়।
নিচে ধাপে ধাপে পুরো প্রক্রিয়াটি সহজভাবে তুলে ধরা হলো।
ধাপ–১: নিজের নামে কতটি সিম আছে তা জানুন।
যেকোনো মোবাইল ফোন থেকে *১৬০০১ # ডায়াল করুন।
ফিরতি এসএমএসে আপনার এনআইডির বিপরীতে নিবন্ধিত সব মোবাইল নম্বরের তালিকা দেখতে পারবেন।
ধাপ–২: অনলাইন পোর্টালে প্রবেশ করুন।
বিটিআরসি নির্ধারিত সিম যাচাই ও ব্যবস্থাপনা পোর্টালে প্রবেশ করুন।
এনআইডি নম্বর ও জন্ম তারিখ দিয়ে লগইন করুন।
ওটিপি ভে*রিফিকেশন সম্পন্ন করুন।
ধাপ–৩: অতিরিক্ত বা অপরিচিত সিম সিলেক্ট করুন।
লগইন করার পর আপনার নামে নিবন্ধিত সব সিম একসাথে দেখতে পাবেন।
যে নম্বরগুলো আপনি ব্যবহার করেন না বা চিনতে পারছেন না, সেগুলো নির্বাচন করুন।
ধাপ–৪: সিম বন্ধের অনুরোধ করুন।
নির্বাচিত নম্বরের পাশে থাকা “ডি-অ্যাক্টিভেট / বন্ধ করুন” অপশনে ক্লিক করুন।
অনলাইন ভেরিফিকেশন শেষে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সিমটি বন্ধ হয়ে যাবে।
ধাপ–৫: কনফার্মেশন নিশ্চিত করুন।
সিম বন্ধ হলে এসএমএস বা অনলাইন স্ট্যাটাসের মাধ্যমে নিশ্চিত বার্তা পাবেন।
ঘরে বসেই এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আপনি নিজের পরিচয়, আইনগত নিরাপত্তা এবং ডিজিটাল সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পারবেন।
ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন সাবমিট করতে গেলে আমাদের অনেকেরই হিসাব মিলে না।
আসলে হিসাব না মিলার কোনো কারণ নেই—যদি না কোথাও হিসাবের ভুল থাকে।
আমি খুব সিম্পলভাবে বিষয়টি উপস্থাপন করছি—
যদি কেউ আগে রিটার্ন সাবমিট করে থাকে, তাহলে—
আগের বছরের জের (Previous Year Net Wealth) নিতে হবে,
তার সঙ্গে এই বছরের মোট আয় যোগ করতে হবে,
এবং সকল প্রকার ব্যয় বা লস বিয়োগ করতে হবে।
তাহলেই যে ব্যালেন্স থাকবে, সেটাই হবে এই বছর শেষে আপনার Net Assets।
যদি হিসাব না মিলে, তাহলে বুঝতে হবে কোথাও না কোথাও ভুল হয়েছে।
মোটা দাগে সামারি হিসেবে ক্যালকুলেশনটি হবে—
আগের বছরের জের (Net Wealth) : ২,২২,৪৫,৬৫০ টাকা
(+) ২০২৪–২৫ অর্থবছরের আয় : ১১,৩৮,৭৫২ টাকা
(-) ২০২৪–২৫ অর্থবছরের খরচ : ৪,৩০,৫৫০ টাকা
এই বছর শেষে Net Assets = ২,২৯,৫৩,৮৫২ টাকা
এই রকম একটি ফুল উদাহরণ এটাচমেন্টে দেওয়া হলো।
তবে নতুনদের ক্ষেত্রে অর্থাৎ ১ম বার রিটার্ন সাবমিট এর ক্ষেত্রে বিষয়টি একটু ব্যতিক্রম, কারণ তাদের আগে কোনো ডিক্লারেশন থাকে না।
অনেকেই যে ভুলটি করে থাকে—প্রথম বছরই Previous Year Net Assets-এ একটি ফিগার বসিয়ে দেয়।
কিন্তু এটি করা যাবে না।
এখানে শুধু তারাই ফিগার বসাবে, যারা আগে রিটার্ন সাবমিট করেছে—অর্থাৎ আগে ডিক্লারেশন দিয়েছে।
🌈 পারকিনসনের নিয়ম: কাজ যত সময় পায়, ততই বড় হয়ে যায় 🟦
🌟 পারকিনসনের নিয়ম কী?
পারকিনসনের নিয়ম হলো এমন একটি ব্যবস্থাপনা-মনস্তাত্ত্বিক সত্য যেখানে বলা হয়—
> “কাজের পরিধি সেই কাজের জন্য বরাদ্দ করা সময়কে পূর্ণ করতে ক্রমশ বড় হয়ে যায়।”
অর্থাৎ, কোনো কাজ করতে আপনার যদি ২ দিন সময় থাকে, কাজটি ২ দিনেই শেষ হবে; আর যদি একই কাজের জন্য ২ ঘন্টা দেওয়া হয়, কাজটি সেই ২ ঘন্টার মধ্যেই সম্পন্ন করার পথ খুঁজে বের করবে।
এই নিয়মটি ১৯৫৫ সালে ব্রিটিশ নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ও ইতিহাসবিদ সিরিল নর্থকোট পারকিনসন তাঁর গবেষণা ও অভিজ্ঞতার আলোকে প্রকাশ করেন।
🌈 নিয়মের মূল ব্যাখ্যা
সময় যত বেশি দেওয়া হয়, মস্তিষ্ক তত বেশি জটিলতা তৈরি করে।
কাজের গতি ধীরে ধীরে স্লো হয়ে যায়।
প্রয়োজনের চেয়ে বেশি প্রসেসিং, ডিলেই, মিটিং, পরিকল্পনা যুক্ত হয়।
ফলে একই কাজ অযথা বড় হয় এবং সময় অপচয় বাড়ে।
সংক্ষেপে
⏳ বেশি সময় → অলসতা + জটিলতা
⚡ কম সময় → দক্ষতা + ফোকাস
🌟 পারকিনসনের নিয়মের উৎপত্তি
১৯৫০-এর দশকে ব্রিটিশ সামরিক অফিসারদের দৈনন্দিন কর্মপদ্ধতি, চিঠি চালাচালি, মিটিং, অনুমোদন প্রক্রিয়া দেখে পারকিনসন দেখেন—
কাজের পরিমাণ কম হলেও কাজের গতি ধীর হচ্ছে
ছোট সিদ্ধান্তে অতি দীর্ঘ সময় লাগছে
নির্বাহী কর্মকর্তা সংখ্যা বাড়লেই কাজের গতি কমছে
এই পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে তিনি ঘোষণা করেন—
> “কাজের ধীরগতি সময়ের অনুপাতে বাড়ে।”
🌟 কেন কাজ সময় অনুযায়ী ফুলে-ফেঁপে ওঠে?
🧠 ১. ফাঁকা সময় মানেই আলসেমি
মানুষের মস্তিষ্ক চাপকে ভয় পায়, কিন্তু চাপ থাকলে কাজ দ্রুত করে। চাপ না থাকলে—
সময় নষ্ট
অপ্রয়োজনীয় পরিকল্পনা
অনর্থক জট
ধীরগতি
😴 সময় যত বেশি → তত বেশি দেরি।
🧩 ২. মানসিক স্বস্তির অঞ্চল (Comfort Zone)
মানুষ প্রাকৃতিকভাবে এমন কাজকে দীর্ঘায়িত করে যা—
শুরু করা কঠিন
সিদ্ধান্ত নিতে হয়
মানসিক চাপ তৈরি করে
তাই সময় থাকলে কাজ পিছিয়ে দিতে থাকে।
🗂️ ৩. মিটিং ও অনুমোদনের বিস্তার
অনেক প্রতিষ্ঠানে দেখা যায়—
অপ্রয়োজনীয় মিটিং
মেইল ফরোয়ার্ড
অনুমোদন চক্র
ফলে সহজ কাজও গোলকধাঁধায় পরিণত হয়।
🎯 ৪. তেমন জরুরি মনে না হওয়া
যে কাজে ডেডলাইন নেই, সেটি সর্বাধিক দেরিতে সম্পন্ন হয়।
ডেডলাইনই কাজকে দ্রুত করে।
💼 ৫. কর্মীর সংখ্যা বাড়লে জটিলতা বাড়ে
পারকিনসনের পর্যবেক্ষণ—
> “একটি দপ্তরে কর্মী যত বাড়বে, কাজের গতি তত কমবে।”
কারণ—
দায়িত্ব ভাগ
তথ্য বিভ্রান্তি
বারবার আলোচনা
যুক্তিহীন কাগজপত্র
🌈 বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যাখ্যা
🧠 Attention Dilution Effect
সময় বেশি থাকলে মনোযোগ এক জায়গায় থাকে না।
ফলে কাজ ভেঙে ভেঙে হয় এবং পুরোটা শেষ হতে দেরি হয়।
💡 Decision Fatigue
সময় বেশি থাকলে বারবার সিদ্ধান্ত নিতে হয়—
কীভাবে করবো?
কোন উপায়ে করবো?
আজ করবো না কাল?
ধীরে ধীরে সিদ্ধান্তক্ষমতা কমে যায় → কাজ আরও দেরি হয়।
🕒 Parkinson Expansion Formula
গবেষণা বলে—
> কাজ = উপলব্ধ সময় × মানসিক জটিলতা
সময় বাড়লে স্বভাবতই কাজ বড় হয়ে যায়।
🌟 বাস্তব জীবন থেকে পারকিনসনের নিয়মের উদাহরণ
🏫 ১. ছাত্রের পড়াশোনা
পরীক্ষার জন্য পুরো সপ্তাহ সময় আছে—
> প্রথম ৫ দিন ফেসবুক, ইউটিউব, ঘুম 😴
শেষ ২ দিনে হুড়োহুড়ি করে সব পড়া 📚🔥
কিন্তু যদি ২ দিনই সময় দেওয়া হতো—
→ ওই ২ দিনেই সে কাজ শেষ করত।
🏠 ২. ঘর পরিষ্কার
মা বললেন—“পুরো দিন সময় আছে, ঘর পরিষ্কার কর।”
→ ফলাফল: সারাদিন লেগে গেল 😅
কিন্তু যদি বলতেন—“১৫ মিনিট আছে”—
→ ঠিক ১৫ মিনিটেই দ্রুত কাজ হয়ে যেত।
💼 ৩. অফিস রিপোর্ট তৈরি
রিপোর্ট জমা দিতে আরও ৭ দিন আছে—
আকৃতি বাড়ানো
বারবার সম্পাদনা
নতুন আইডিয়া যোগ
অপ্রয়োজনীয় গ্রাফ
সবশেষে—৭ দিনেই শেষ হলো।
কিন্তু যদি ৭ ঘণ্টা সময় থাকত—
→ কাজ হতো সংক্ষিপ্ত, সরল, কার্যকর।
🎬 ৪. ভিডিও এডিটরের কাজ
ক্লায়েন্ট ৫ দিনের ডেডলাইন দিলে কাজ ৫ দিনই লাগে।
কিন্তু ১ দিনের ডেডলাইন দিলে
→ দ্রুত সিদ্ধান্ত
→ দ্রুত কাট
→ নির্দিষ্ট ফোকাস
কোনো জট ছাড়া দ্রুত কাজ হয়।
🧺 ৫. কাপড় ধোয়া
যে কাজ ২০ মিনিটে হওয়ার কথা,
পুরো দুপুর জুড়ে চলে যায় 😅
→ মোবাইল
→ গান
→ আলাপ
→ বিরতি
এটাই পারকিনসনের নিয়ম।
🌈 ৫টি বড় সমস্যা যা সৃষ্টি হয়
🔥 ১. সময়ের অপচয়
যে সময় কাজে লাগতে পারত—তা নষ্ট হয়ে যায়।
💸 ২. প্রতিষ্ঠানের খরচ বৃদ্ধি
অপ্রয়োজনীয় কর্মঘণ্টা → খরচ বাড়ে।
📉 ৩. উৎপাদনশীলতা কমে
কাজের গতি ধীর → আউটপুট কম।
🧩 ৪. মানসিক চাপ
শেষ সময়ে তাড়াহুড়া → স্ট্রেস বাড়ে।
🤯 ৫. জটিলতা বৃদ্ধি
কাজ সহজ ছিল, কিন্তু সময় বেশি → জটিল করে ফেলা হয়।
🌟 পারকিনসনের নিয়ম কোথায় বেশি কাজ করে?
সরকারি দপ্তর 🏛️
বিশ্ববিদ্যালয় 🏫
বড় কর্পোরেট অফিস 💼
সামরিক দপ্তর 🪖
ছাত্রদের পড়াশোনা 📚
গবেষণা ও পরিকল্পনা বিভাগ 🧪
মিডিয়া ও কন্টেন্ট ক্রিয়েশন 🎥
এই প্রতিষ্ঠানগুলোতে ডেডলাইন লম্বা করা, অনুমোদন প্রক্রিয়া এবং সময়ের অপচয় খুব বেশি।
🌈 কেন মানুষ কাজ শেষ করতে দেরি করে?
😴 ১. Procrastination বা কাজ ফেলে রাখার অভ্যাস
মস্তিষ্ক বলে—“সময় আছে পরে করবো।”
ফলে দেরি হয়।
🎭 ২. Perfect হতে চাওয়া
অনেকে নিখুঁত হতে গিয়ে
বারবার সংশোধন
নতুন পরিবর্তন
ভুল বের করার চেষ্টায়
কাজ দীর্ঘায়িত করে।
📱 ৩. বিভ্রান্তি
ফোন, সোশ্যাল মিডিয়া, আড্ডা।
সময় থাকলে বিভ্রান্তির পরিমাণ বাড়ে।
🧠 ৪. ভুল সময় ব্যবস্থাপনা
মানুষ অনেক কাজকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করে না—
ফলে দেরি।
🌈 উদাহরণ: প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ কাজ
🏛️ সরকারি দপ্তর
একটি সনদ দেয়ার জন্য—
ফাইল
ফাইল পাঠানো
অনুমোদন
সিল
জমা
→ কয়েক দিন বা কয়েক সপ্তাহ লাগে।
কাজটি ২ ঘণ্টাতেই করা যেত।
💼 কর্পোরেট কোম্পানি
একটি ছোট পোস্ট অনুমোদন করতে—
টিম লিড
ম্যানেজার
মার্কেটিং হেড
কমপ্লায়েন্স
ব্র্যান্ড ম্যানেজার
→ কয়েক দিনের কাজ।
এটাই পারকিনসনের নিয়ম।
🎓 বিশ্ববিদ্যালয় রিসার্চ
শিক্ষার্থীদের ছয় মাস সময় দিলে—
→ ছয় মাসই লাগবে।
যদি বলত ১ মাস—
→ সেই ১ মাসেই শেষ হত।
🌈 পারকিনসনের নিয়ম ভাঙার শক্তিশালী উপায়
⏱️ ১. কৃত্রিম ডেডলাইন তৈরি করুন
যদি কাজে ৫ দিন সময় থাকে—নিজেকে ১ দিনের ডেডলাইন দিন।
→ মস্তিষ্ক দ্রুত কাজ করতে বাধ্য হয়।
📦 ২. কাজকে ছোট ছোট ব্লকে ভাগ করুন (Time Boxing)
যেমন:
গবেষণা: ৩০ মিনিট
খসড়া: ৫০ মিনিট
সংশোধন: ২০ মিনিট
প্রতিটি ব্লকের সময় বেঁধে দিন।
🎯 ৩. ৮০/২০ নিয়ম অনুসরণ
৮০% ফল আসে ২০% কাজ থেকে।
অপ্রয়োজনীয় অংশ বাদ দিন।
🚫 ৪. নিখুঁত হওয়ার চেষ্টা বাদ দিন
Perfectionism হলো সময় নষ্ট করার সবচেয়ে বড় কারণ।
🔔 ৫. কাজ শুরু করার ৫ মিনিট নিয়ম
৫ মিনিট শুধু কাজ শুরু করুন।
শুরু করলেই দ্রুত এগিয়ে যায়।
📱 ৬. বিভ্রান্তি দূরে রাখুন
মোবাইল সাইলেন্ট
সোশ্যাল মিডিয়া ব্লক
নোটিফিকেশন বন্ধ
📝 ৭. ২-মিনিট রুল
যে কাজ ২ মিনিটে হয় → সাথে সাথে করুন।
ফেলে রাখলে বড় হয়ে যায়।
🧠 ৮. কাজের পরিমাণ সীমাবদ্ধ করুন (Work Compression)
সময় কম রাখলে কাজও ছোট থাকে।
🌈 পারকিনসনের নিয়ম ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে
💸 স্টার্টআপে
স্টার্টআপে কাজ দ্রুত হয় কারণ—
সময় কম
সম্পদ কম
সিদ্ধান্ত দ্রুত
বড় কোম্পানিতে—
সময় বেশি
ফাইল প্রসেসিং
অনুমোদন
→ কাজ ধীর।
📊 প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্টে
প্রজেক্টের টাইমলাইন যত বড়, কাজ তত বড়।
তাই প্রজেক্ট ম্যানেজাররা—
Sprint
Daily Standup
Short Deadline
ব্যবহার করেন।
🌟 পারকিনসনের নিয়ম বনাম অন্যান্য নিয়ম
⚡ ১. পারকিনসনের নীতি (৮০/২০)
২০% কাজ ৮০% ফল দেয়।
→ অপ্রয়োজনীয় জিনিস বাদ দিন।
⚡ ২. Hofstadter’s Law
কাজ সবসময় প্রত্যাশার চেয়ে বেশি সময় নেয়।
→ তাই ডেডলাইন কমাতে হয়।
⚡ ৩. Murphy’s Law
যা ভুল হওয়ার, তা ভুল হবেই।
→ সময় কমিয়ে ঝুঁকি কমানো যায়।
🌈 সংকেত যে আপনি পারকিনসনের নিয়মে পড়ছেন
কাজ করতে প্রচুর সময় নিচ্ছেন
ছোট কাজ বড় হয়ে গেছে
ফোকাস নেই
দেরি করছেন
অজুহাত দিচ্ছেন
শেষ মুহূর্তে দৌড়ঝাঁপ
🌟 জীবনে এর প্রভাব
উৎপাদনশীলতা কমে
সময় নষ্ট
স্ট্রেস বাড়ে
আত্মবিশ্বাস কমে
আরও কাজ পিছিয়ে যায়
🌈 পারকিনসনের নিয়ম থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য কার্যকরী ১০টি টিপস
1. ⏳ ডেডলাইন কমিয়ে দিন
2. 🧩 কাজ ভাগ করুন
3. 🎧 ফোকাসড সেশনে কাজ করুন (Pomodoro)
4. 📱 বিভ্রান্তি কমান
5. ⭐ টাস্ক প্রাধান্য দিন
6. 🔥 ২ মিনিট রুল
7. 📦 টাইম বক্সিং
8. 📝 To-Do লিস্ট ছোট রাখুন
9. 💡 দিনের শুরুতে কঠিন কাজ করুন
10. 🚀 ছোট জেতা উদযাপন করুন
🌈 শেষ কথা
পারকিনসনের নিয়ম আমাদের বলে—
> সময়ের নিয়ন্ত্রণ হলো জীবনের নিয়ন্ত্রণ।
সময় বেশি পেলে আমরা অলস হয়ে যাই, কাজ জটিল করি।
সময় কমালে—
⚡ দ্রুত
⚡ ফোকাসড
⚡ ফলপ্রসূ হয়।
07/12/2025
📌কীবোর্ড না দেখে (টাচ টাইপিং বা blind typing) কম্পিউটারে টাইপ করা শেখা আজকের দিনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। 💯
এর প্রধান কয়েকটা কারণ নিচে দেওয়া হলো: 👇
1️⃣. গতি অনেক বেশি বাড়ে:
✳️ যারা কীবোর্ড দেখে দেখে টাইপ করে তাদের গতি সাধারণত ২০-৪০ WPM (words per minute) এর মধ্যে থাকে। টাচ টাইপিং শিখলে সহজেই ৬০-১০০+ WPM পর্যন্ত যাওয়া সম্ভব। এতে একই সময়ে অনেক বেশি কাজ করা যায়।
2️⃣. মনোযোগ স্ক্রিনে থাকে:
✳️ কীবোর্ডের দিকে তাকালে চোখ স্ক্রিন আর কীবোর্ডের মাঝে বারবার যাতায়াত করে, যাকে বলে “visual switching”। এতে মনোযোগ ভেঙে যায়, ভুল বেশি হয় এবং ক্লান্তি বাড়ে।
✳️ টাচ টাইপিং করলে চোখ সবসময় স্ক্রিনে থাকে, তাই লেখা বা পড়া অনেক সহজ হয়।
3️⃣. ভুল অনেক কম হয় (Accuracy বাড়ে):
✳️ কীবোর্ডের পজিশন মাংসপেশির স্মৃতিতে (muscle memory) চলে আসে। ফলে আঙুল নিজে নিজে সঠিক কী-তে চলে যায়, ভুল কমে, এডিট করার প্রয়োজন কম পড়ে।
4️⃣. পেশাগত সুবিধা:
✳️ চাকরির ইন্টারভিউতে টাইপিং টেস্ট থাকলে ভালো গতি না থাকলে বাদ পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
✳️ ফ্রিল্যান্সিং, ডাটা এন্ট্রি, কনটেন্ট রাইটিং, প্রোগ্রামিং, সাংবাদিকতা – সব ক্ষেত্রেই দ্রুত টাইপ করা একটা বড় প্লাস পয়েন্ট।
5️⃣. দীর্ঘমেয়াদে শরীরের ক্ষতি কমায়:
✳️ কীবোর্ডের দিকে ঝুঁকে থাকলে ঘাড়ে, কাঁধে ও পিঠে ব্যথা হয় (neck strain, forward head posture)। টাচ টাইপিং করলে সোজা হয়ে বসে স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে কাজ করা যায়, এরগোনমিক্স ভালো থাকে।
6️⃣. বাংলা টাইপিংয়েও সমান প্রয়োজন:
✳️ অনেকে মনে করেন বাংলা টাইপ করতে গেলে কীবোর্ড দেখতেই হয়। কিন্তু Avro, Ridmik বা Bijoy-এর ফনেটিক লেআউট শিখে টাচ টাইপিং করলে বাংলাতেও ৪০-৭০+ WPM গতি তোলা সম্ভব।
▶️সারমর্ম: আজকের দিনে যে কোনো ডিজিটাল কাজে সময় ও দক্ষতা সবচেয়ে বড় সম্পদ। কীবোর্ড না দেখে টাইপ করতে পারলে আপনি নিজের সময় অনেক বাঁচান এবং পেশাগতভাবে অনেক এগিয়ে থাকেন। এটা একবার শিখে নিলে সারাজীবন কাজে লাগে – এক ধরনের “lifelong skill”।
▶️শুরু করতে চাইলে typingclub.com, keybr.com, 10fastfingers.com (বাংলা আছে) বা ratatype.com দিয়ে প্র্যাকটিস করতে পারেন। ১-২ মাস নিয়মিত ৩০ মিনিট করে দিলে অনেকেরই ভালো গতি চলে আসে।
Free Touch Typing Software Learn touch typing online using TypingClub's free typing courses. It includes 650 typing games, typing tests and videos.
❓e-Return সম্পর্কিত প্রশ্ন ও উত্তরঃ
সহজে রিটার্ন দাখিল করতে ই-রিটার্ন সংশ্লিষ্ট Frequently Asked Questions গুলো জানুন।
১. আমি অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করতে চাই। কীভাবে শুরু করব?
উত্তরঃ অনলাইনে রিটার্ন দাখিলের জন্য e-Return সিস্টেমে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। উক্ত সিস্টেমে রেজিস্ট্রেশনের জন্য আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যাবহারপূর্বক বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নিবন্ধিত সিমকার্ড সম্বলিত মোবাইল ফোন নম্বর ও একটি টিআইএন প্রয়োজন। প্রথমবার সফলভাবে রেজিস্ট্রেশন করার পর সাইন-ইন করে প্রোফাইলের তথ্য প্রয়োজন অনুসারে আপডেট করতে পারবেন। এরপর ধাপে ধাপে আপনার খাত ভিত্তিক আয়, বিনিয়োগ, পারিবারিক ব্যয়, সম্পদ ও দায় এবং কর পরিশোধের তথ্য ইনপুট দিয়ে সহজেই রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন। উল্লেখ্য, তথ্য ইনপুট দেবার সময় সকল প্রমাণ ও তথ্য দেখে সঠিকভাবে ইনপুট দেওয়া বাঞ্ছনীয়।
২. e-Return সিস্টেমে সাইন-ইন করব কীভাবে?
উত্তরঃ এই সিস্টেমে সাইন-ইন করার জন্য টিআইএন ও পাসওয়ার্ড প্রয়োজন। আপনি etaxnbr.gov.bd ওয়েবসাইটে রেজিস্ট্রেশন করার সময় নিজের পাসওয়ার্ড ঠিক করে নিবেন। এরপর যেকোন সময় টিআইএন ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে সাইন-ইন করতে পারবেন। এছাড়া আপনার প্রয়োজনে পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করতে পারবেন।
৩. e-Return সিস্টেমে রেজিস্ট্রেশনের জন্য কী প্রয়োজন?
উত্তরঃ e-Return সিস্টেমে রেজিস্ট্রেশনের জন্য আপনার টিআইএন ও জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যাবহার পূর্বক বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নিবন্ধিত সিমকার্ড সম্বলিত মোবাইল ফোন নম্বর প্রয়োজন। আপনার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি আপনার নামে রেজিস্টার্ড কিনা তা যাচাইয়ের জন্য *১৬০০১ # ডায়াল করুন।
8. e-Return সিস্টেমে রেজিস্ট্রেশনের পদ্ধতি কী?
উত্তরঃ etaxnbr.gov.bd ওয়েবসাইটে I am not registered yet বাটনে ক্লিক করে পরবর্তীতে আপনার টিআইএন ও মোবাইল ফোন নম্বর ইনপুট দিয়ে ভেরিফাই বাটনে ক্লিক করলে আপনার মোবাইলে ৬ ডিজিটের একটি ওটিপি যাবে যা টাইপ করে পাসওয়ার্ড সেট করতে হবে এবং রেজিস্টার বাটনে ক্লিক করলে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হবে।
৫. টিআইএন খোলার সময় যে মোবাইল নম্বর দিয়েছিলাম তা আর নেই, আমি কি e-Return সিস্টেমে রেজিস্ট্রেশন করতে পারব?
উত্তরঃ হ্যাঁ, পারবেন। টিআইএন খোলার সময় যে মোবাইল নম্বর ব্যবহার করেছিলেন তা গুরুত্বপূর্ণ নয়। আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যাবহারপূর্বক বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নিবন্ধিত সিমকার্ড সম্বলিত মোবাইল ফোন নম্বর দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করা সম্ভব। কোন একটি মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে e-Return সিস্টেমে রেজিস্ট্রেশন করার পর মোবাইল নম্বর পরির্বতনের সুবিধাও রয়েছে।
৬. পাসওয়ার্ড কিভাবে সেট করব? পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে কীভাবে তা রিসেট করব?
উত্তরঃ পাসওয়ার্ড কমপক্ষে আট character বিশিষ্ট হবে। এর মধ্যে কমপক্ষে একটি করে lower case alphabet, upper case alphabet, digit (0-9) এবং special character (@, #, $, %, *. &,! ইত্যাদি) থাকতে হবে। ল্যাপটপ বা ডেস্কটপ কম্পিউটার ব্যবহার করলে সিস্টেম আপনাকে গাইড করবে। পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে Forget password এ ক্লিক করলে আপনার মোবাইলে একটি OTP যাবে এবং আপনি পাসওয়ার্ড রিসেট করতে পারবেন।
৭. মোবাইল নম্বর আমার নামে নিবন্ধিত কিনা তা কিভাবে জানতে পারব?
উত্তরঃ আপনার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নম্বরটি আপনার নামে নিবন্ধিত কিনা তা যাচাইয়ের জন্য ১৬০০১ # ডায়াল করে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বরের সর্বশেষ ৪ ডিজিট ইনপুট দিতে হবে। ইনপুট দেবার পর ফিরতি মেসেজে মোবাইল ফোন কোম্পানী আপনাকে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে কয়টি মোবাইল ফোন নম্বর নিবন্ধিত তা জানিয়ে দিবে।
৮. e-Return এর কোন সমস্যার ক্ষেত্রে সহায়তার জন্য কোথায় যোগাযোগ করব?
উত্তরঃ e-Return এর কোন সমস্যার ক্ষেত্রে সহায়তার জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কল সেন্টারে যোগাযোগ করতে পারবেন। কল সেন্টারের ০৯৬৪৩ ৭১৭১৭১ নম্বরে ছুটির দিন ব্যতীত সকাল ৯.০০ টা হতে বিকাল ৫.০০টা পর্যন্ত ফোনে আয়কর কর্মকর্তারা তাৎক্ষণিক e-Return এর যেকোন সমস্যা বা জিজ্ঞাসার উত্তর দিয়ে থাকেন। Etax service center পোর্টালে ইমেইল করে সহায়তা চাইতে পারবেন। এছাড়া আয়কর সেবা মাসে প্রতিটি কর অঞ্চল e-Return সংক্রান্ত সহায়তা প্রদান করছে।
০৯. মোবাইল ফোনে কি e-Return তৈরী করা যাবে?
উত্তরঃ e-Return সিস্টেমকে সহজ ও user friendly করার জন্য অনেক feature দেয়া আছে যার অনেকগুলো মোবাইল ডিভাইসে পাওয়া যাবে না। তাই ল্যাপটপ বা ডেস্কটপ কম্পিউটারে এই সিস্টেম ব্যবহার করুন।
১০. অনলাইনে রিটার্ন দাখিলের পর সাপোর্টিং কাগজপত্র কোথায় জমা দিব বা কীভাবে attach করব?
উত্তরঃ এই বছরে অনলাইন রিটার্ন দাখিলে কোনো ডকুমেন্টস upload করতে হবে না। আপনি দরকারি কাগজপত্র সাথে নিয়ে বসুন এবং প্রয়োজনীয় ফিল্ডগুলোতে নির্ভুলভাবে এন্ট্রি দিন। অনলাইনে রিটার্ন submit করার সাথে সাথে সিস্টেমে আপনার অ্যাসেসমেন্ট হয়ে যাবে এবং আপনি Acknowledgement slip পেয়ে যাবেন। Tax certificate (ট্যাক্স সার্টিফিকেট) সাথে সাথে তৈরি হয়ে যাবে। বামপাশের Tax record মেনুতে ক্লিক করে আপনি যে কোনো সময় Acknowledgement slip, Tax certificate ও রিটার্নের কপি প্রিন্ট করতে পারবেন।
১১. অনলাইনে রিটার্ন দাখিলের পর পুনরায় কি সার্কেলে রিটার্ন বা কোন প্রমাণ দাখিল করতে হবে?
উত্তরঃ অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করার পর পুনরায় সার্কেলে রিটার্ন দাখিলের প্রয়োজন নাই। অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করার সাথে সাথেই আপনার কর নির্ধারণ (এসেসমেন্ট) সম্পন্ন হয়ে যাবে।
১২. আমি রেজিস্ট্রেশন করেছি। সাইন-ইন করার পর কীভাবে রিটার্ন পূরণ শুরু করব?
উত্তরঃ রিটার্ন জমা দেওয়ার নীচের পদক্ষেপগুলি অনুসরণ করুনঃ
ক। etaxnbr.gov.bd এ প্রবেশ করার পর আপনি একটি স্ক্রীন দেখতে পাবেন যার বাম দিকে তিনটি মেনু দেখায়-
Home. Return submission, Tax record
খ। সেই স্ক্রীন থেকে Return submission মেনুতে ক্লিক করুন। তারপর সিস্টেম আপনাকে আরেকটি স্ক্রীনে নিয়ে গিয়ে Assessment information এবং heads of income দেখাবে।
গ। তারপর ধাপে ধাপে এগিয়ে যান এবং সফটওয়্যার আপনাকে গাইড করবে, যেকোন টার্ম বুঝতে যদি কোন অসুবিধা হয় অনুগ্রহ করে প্রথমে ইউজার ম্যানুয়াল অনুসরণ করুন। এছাড়াও অনলাইনে অধিকাংশ অপশনের উপরেই প্রশ্নবোধক চিহ্ন রয়েছে যার উপরে ক্লিক করলে সেই সংক্রান্ত বিস্তারিত ব্যাখা পাওয়া যাবে এবং তারপরেও যদি তা বোঝা কঠিন হয় তাহলে কল সেন্টারে কল দিয়ে বুঝে নিতে পারেন।
১৩. অনলাইনে রিটার্ন জমা দেবার প্রক্রিয়া কী?
উত্তরঃ রিটার্ন জমা দেওয়ার ৭টি ধাপ রয়েছে, সেগুলি নিচে দেয়া হল-
i) Assessment প্রথমে আপনাকে কিছু মৌলিক তথ্য দিতে হবে
ক। Assessment information: Assessment year, Income year ইত্যাদি।
খ। Heads of income- চাকরি হতে আয়, সম্পত্তি ভাড়া হতে আয়, কৃষি আয়, ব্যবসা আয়, মূলধনী লাভ, আর্থিক পরিসম্পদ হতে আয়, অন্যান্য উৎসের আয়। এই খাতসমূহের মধ্যে প্রযোজ্যটি সিলেক্ট করতে হবে।
গ। Additional information- আয়ের প্রধান উৎসের অবস্থান এবং অন্যান্য আয়।
ঘ। IT-10B requirements সম্পদ সম্পর্কিত তথ্য যেমন সম্পদের পরিমাণ, মোটর গাড়ি ইত্যাদি।
ii) Income এই পেজে খাতভিত্তিক আয়ের সমস্ত তথ্য দিন, যেমন- চাকরি হতে আয়, ভাড়া হতে আয়, কৃষি হতে আয়, ব্যাবসা হতে আয়, মূলধনি হতে আয়, আর্থিক পরিসম্পদ হতে আয় এবং অন্যান্য উৎস হতে আয়।
iii) Rebate- রেয়াতযোগ্য বিনিয়োগ যেমন জীবন বিমা, ডিপিএস, সঞ্চয়পত্র, জিপিএফ ইত্যাদির তথ্য উল্লেখ করুন।
iv) Expenditure- আপনার বাৎসরিক ব্যয় সংক্রান্ত তথ্য প্রদান করুন।
v) Asset & liabilities- সম্পদ এবং দায় সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য। যেমন: ব্যবসার মূলধন, অ-কৃষি সম্পত্তি, কৃষি সম্পত্তি, আর্থিক সম্পদ (শেয়ার, ডিবেঞ্চার, সেভিংস সার্টিফিকেট, এফডিআর, ডিপিএস), মোটর গাড়ি, সোনা, হীরা, গৃহস্থালীর জিনিসপত্র, নগদ ইত্যাদি। এছাড়া ঋণের তথ্যও প্রদান করুন।
vi) Tax & payment-এই সেকশনে সিস্টেম আপনাকে আপনার মোট আয়ের বিবরণ, ট্যাক্স কম্পিউটেশনের বিবরণ, প্রদেয় করের পরিমাণ দেখাবে। এই সেকশন থেকে আপনি ইতোমধ্যে উৎসে কর্তিত কর, অগ্রিম প্রদত্ত কর, পূর্ববর্তী বছরে পরিশোধিত অতিরিক্ত কর এবং রিটার্নের সাথে পরিশোধিত করের তথ্য প্রদান করে আপনার কর পরিশোধের তথ্য আপডেট করতে পারবেন। এরপর অনলাইনে রিটার্ন জমা দিতে পারবেন। এই সেকশন হতে আপনি আপনার জন্য প্রযোজ্য প্রদেয় কর মোবাইল ব্যাংকিং যেমন- বিকাশ, রকেট, নগদ ইত্যাদি বা ইন্টারনেট ব্যাংকিং ও ডেবিট এবং ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে পরিশোধ করতে পারবেন।
vii) Return view- এখানে সম্পূর্ণ রিটার্ন দেখাবে, আপনি ভুল কোন তথ্য এন্ট্রি দিয়েছেন কিনা তা পরীক্ষা করতে পারবেন, সেভ করে রাখতে পারবেন এবং সবশেষে সাবমিট করতে পারবেন। অনলাইন রিটার্ন পূরণে আপনি চাইলে সব তথ্য একেবারে ইনপুট দিয়ে রিটার্ন দাখিল করতে পারেন আবার প্রয়োজনে সময়ে সময়ে তথ্য ইনপুট দিয়ে সেভ রাখতে পারবেন এবং সময় নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে সাবমিট করতে পারবেন। সাবমিট করা হলে যেকোনো সময়ে প্রাপ্তি স্বীকারপত্র, রিটার্ন, সার্টিফিকেট, চালান ডাউনলোড ও প্রিন্ট করতে পারবেন।
১৪. আমার উৎসে কর ও অগ্রিম কর প্রদান করা আছে। আমি কি অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করতে পারব?
উত্তরঃ হ্যাঁ, পারবেন। Tax & Payment সেকশনে আপনি ইতোমধ্যে উৎসে কর্তিত কর, অগ্রিম প্রদত্ত কর, পূর্ববর্তী বছরে পরিশোধিত অতিরিক্ত কর এবং রিটার্নের সাথে পরিশোধিত করের তথ্য প্রদান করে আপনার কর পরিশোধের তথ্য আপডেট করে রির্টান দাখিল করতে পারবেন।
১৫ . কর্তিত উৎসে কর ও অগ্রিম করের ক্রেডিট কীভাবে পাব?
উত্তরঃ Tax & Payment সেকশনে Total Amount Payable এর নিচে Update Tax Payment Status বাটনে ক্লিক করলে e-Return Ledger এর হোম পেজ আসবে। এখানে যে নির্দেশনা দেওয়া আছে তা অনুসরণ করে বাম পাশের মেনু হতে আপনি উৎসে কর, অগ্রিমকরসহ সকল ধরনের কর পরিশোধের বিবরণ হালনাগাদ করতে পারবেন। উৎসে করের ক্ষেত্রে Claim source tax, অগ্রিম করের ক্ষেত্রে Claim AIT. রিটার্নের সাথে পরিশোধিত করের ক্ষেত্রে Tax paid with return, পূর্ববর্তী বছরের অতিরিক্ত পরিশোধিত কর সমন্বয়ের ক্ষেত্রে Adjustment of tax return অপশনে গিয়ে তথ্য হালনাগাদ করতে হবে।
প্রথমে Purpose of payment হতে উৎসে কর কর্তনের খাত সিলেক্ট করতে হবে। যে কর্তৃপক্ষ উৎসে কর কর্তন করে জমা প্রদান করেছে তার নাম, উৎসে করের চালান নম্বর, তারিখ, ব্যাংকের নাম, শাখার নাম পূরণ করতে হবে। তবে কোন ক্ষেত্রে চালানের পরিবর্তে সার্টিফিকেট বা প্রত্যয়ন থাকলে সার্টিফিকেটের রেফারেন্স/নথি/স্মারক নম্বর ও তারিখ পূরণ করতে হবে। এরপর উক্ত চালান/সার্টিফিকেটের মোট অংক Challan/Certificate amount এ এবং আপনার নিজের জন্য প্রযোজ্য/কর্তিত অংক Claimed amount এ টাইপ করতে হবে। উল্লেখ্য, চালান বা সার্টিফিকেটটি শুধুমাত্র আপনার জন্য প্রযোজ্য হলে Challan/ Certificate amount Claimed amount এক হবে। কিন্তু একাধিক ব্যক্তির জন্য হলে Challan/ Certificate amount এ সম্পূর্ণ অংক এবং Claimed amount এ নিজের জন্য প্রযোজ্য/কর্তিত উৎসে করের তথ্য ইনপুট দিতে হবে।
অগ্রিম কর চালানে পরিশোধের ক্ষেত্রে AIT (154) হতে চালানের তথ্য এবং গাড়ির অগ্রিম করের ক্ষেত্রে AIT on Car হতে ব্যাংক স্লিপের উপরের দিকে ডানে ট্র্যানজাকশন আইডি (Transaction ID) পূরণ করে কর পরিশোধের তথ্য হালনাগাদ করতে হবে।
e-Return Ledger অংশের জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট হাতে নিয়ে সতর্কতার সাথে পূরণ করতে হবে। অন্যথায় রিটার্ন পূরণ অসত্য ও অসম্পূর্ণ হয়ে যাবে।
সর্বশেষ মূল রিটার্নে ফেরত আসতে Tax Payment Status গিয়ে Go to Return বাটনে ক্লিক করতে হবে।
১৬. বেতন হতে উৎসে করের ক্রেডিট কীভাবে পাব?
Tax & Payment সেকশনে Total Amount Payable এর নিচে Update Tax Payment Status বাটনে ক্লিক করলে e-Return Ledger এর হোম পেজ আসবে। এখানে Claim source tax এ সরকারি কর্মচারি যাদের ibas হতে বেতন হয় তারা Salary (ibas) সিলেক্ট করে Search বাটনে ক্লিক করে কর্তিত করের পরিমাণ দেখাবে এবং আপনি করের পরিমাণ টাইপ করে সেভ অপশনে ক্লিক করে তথ্য হালনাগাদ করবেন।
অন্যান্যদের ক্ষেত্রে Salary (others) চালান, সার্টিফিকেট বা প্রত্যয়ন থাকলে তার নম্বর, তারিখ, ব্যাংকের নাম, শাখার নাম বা রেফারেন্স/নথি/স্মারক নম্বর ও তারিখ পূরণ করতে হবে। এরপর উক্ত চালান/সার্টিফিকেটের মোট অংক Challan/Certificate amount ঘরে এবং আপনার নিজের জন্য প্রযোজ্য/কর্তিত অংক Claimed amount ঘরে টাইপ করতে হবে। উল্লেখ্য চালান বা সার্টিফিকেটটি শুধুমাত্র আপনার জন্য প্রযোজ্য হলে Challan/Certificate amount Claimed amount এক হবে। কিন্তু একাধিক ব্যক্তির জন্য হলে Challan/Certificate amount এ সম্পূর্ণ অংক এবং Claimed amount এ নিজের জন্য প্রযোজ্য/কর্তিত উৎসে করের তথ্য ইনপুট দিতে হবে।
১৭. ব্যাংক, সঞ্চয়পত্র ও ডিভিডেন্ড এর উৎসে করের ক্রেডিট কীভাবে দাবী করব?
Tax & Payment সেকশনে Total Amount Payable এর নিচে Update Tax Payment Status বাটনে ক্লিক করলে e-Return Ledger এর হোম পেজ আসবে। এখানে Claim source tax এ Sanchaypatra/BankFI Interest/Other (Dividend-Section-117) হতে Sync from Income সিলেক্ট করে পরের স্ক্রীনে প্রয়োজনীয় তথ্য ইনপুট দিয়ে Save বাটনে ক্লিক করে কর্তিত করের পরিমাণ হালনাগাদ করতে হবে। এক্ষেত্রে e-Return Ledger এ প্রবেশের পূর্বে সংশ্লিষ্ট খাতের আয়ের তথ্য পূরণ না করলে Sync from Income ক্লিক করলে কোন তথ্য আসবে না।
১৮. মিটিং ফি, ট্রেনিং ফি, সম্মানী হতে প্রাপ্ত আয় কোন ধরনের আয় হিসেবে প্রদর্শন করব?
উত্তরঃ মিটিং ফি, ট্রেনিং ফি, সম্মানী হতে প্রাপ্ত আয় হতে উৎসে কর কর্তন করা থাকলে Income from other source এর Income type এ Other source (with TDS) সিলেক্ট করে আয়ের তথ্য পূরণ করতে হবে। যদি উৎসে কর কর্তন করা না থাকে তবে Income type এ Any other income সিলেক্ট করে আয়ের তথ্য পূরণ করতে হবে।
১৯. ৩০/০৬/২০১৯ তারিখের পূর্বের সঞ্চয়পত্রের উৎসে করের ক্রেডিট কীভাবে পাব?
Tax & Payment সেকশনে Total Amount Payable এর নিচে Update Tax Payment Status বাটনে ক্লিক করলে e-Return Ledger এর হোম পেজ আসবে। এখানে Claim source tax এ Sanchaypatra হতে Sync from Income সিলেকপূর্বে সংশ্লিষ্টরীনে Income page এ Financial asset>Sanchaypatra আয়ের সকল তথ্য প্রদর্শন করবে। এরপর প্রয়োজনীয় তথ্য ইনপুট দিয়ে Save বাটনে ক্লিক করে কর্তিত করের পরিমাণ হালনাগাদ করতে হবে। এক্ষেত্রে e-Return Ledger এ প্রবেশের পূর্বে সংশ্লিষ্ট খাতের আয়ের তথ্য পূরণ না করলে Sync from Income ক্লিক করলে কোন তথ্য আসবে না।
২০. যৌথ সঞ্চয়পত্রের মুনাফা ও উৎসে করের তথ্য কীভাবে প্রদর্শন করব?
Tax & Payment সেকশনে Total Amount Payable এর নিচে Update Tax Payment Status বাটনে ক্লিক করলে e-Return Ledger এর হোম পেজ আসবে। এখানে Claim source tax এ Sanchaypatra হতে Sync from Income সিলেক্ট করলে পরের স্ক্রীনে Income page এ Financial asset>Sanchaypatra এ পূরণকৃত আয়ের সকল তথ্য প্রদর্শন করবে। এখানে TDS available এর মধ্যে নিজের অংশের জন্য প্রযোজ্য অংক TDS claim (in case of joint holder your portion only) এ পূরণ করতে হবে।
২১. গাড়ির অগ্রিম করের ক্রেডিট কীভাবে দাবী করব?
Tax & Payment সেকশনে Total Amount Payable এর নিচে Update Tax Payment Status বাটনে ক্লিক করলে e-Return Ledger এর হোম পেজ আসবে। এখানে Claim AIT হতে AIT on Car এ Unique Key (Transaction No.) টাইপ করার পর Search করে Save করতে হবে।
২২. e-Return সিস্টেমের মাধ্যমে কর পরিশোধ করা যায় কি?
উত্তরঃ প্রযোজ্য কর অপরিশোধিত থাকলে Tax & Payment সেকশন এর নিচে অপরিশোধিত কর Payable এ প্রদর্শন করবে এবং Pay Now বাটন একটিভ থাকবে। Pay Now বাটন ক্লিক করে আপনি আপনার জন্য প্রযোজ্য
অপরিশোধিত কর এ-চালান বা সোনালী ব্যাংক গেটওয়ে ব্যবহার করে মোবাইল ব্যাংকিং যেমন- বিকাশ, রকেট, নগদ ইত্যাদি বা ইন্টারনেট ব্যাংকিং এবং ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে কর পরিশোধ করতে পারবেন।
২৩. পূর্ববর্তী বছরের অতিরিক্ত পরিশোধিত কর কীভাবে প্রদর্শন করব?
Tax & Payment সেকশনে Total Amount Payable এর নিচে Update Tax Payment Status বাটনে ক্লিক করলে e-Return Ledger এর হোম পেজ আসবে। এখানে বামপাশের Adjustment of tax refund মেনু হতে আপনি পূর্ববর্তী বছরের অতিরিক্ত পরিশোধিত করের সমন্বয় প্রদর্শন করতে পারবেন। তবে উপ কর কমিশনার আপনার প্রদর্শন সঠিক কিনা তা পরবর্তীতে চেক করার পর এ সমন্বয় সম্পূর্ণরূপে কার্যকর হবে।
২৪. আমি একজন মহিলা, কিন্তু পুরুষ হিসেবে আমার কর পরিগণনা হচ্ছে। এর কারণ কী এবং করণীয় কী?
উত্তরঃ টিআইএন রেজিস্ট্রেশনের সময় আপনার Gender ভুলবশত Male সিলেক্ট হওয়ায় এই সমস্যা হচ্ছে। আপনি টিআইএন সিস্টেমে Edit/Correct/Update অপশন হতে এটি পরিবর্তন করে e-Return সিস্টেমে Profile হতে Sync with TIN option এ ক্লিক করে আপডেট করতে পারবেন। প্রয়োজনে কল সেন্টারের সহায়তা গ্রহণ করুন।
২৫. e-Return এ আয়কর রিটার্ন জমা প্রদানের সুবিধা কী?
উত্তরঃ e-Return সিস্টেমে রিটার্ন জমা দেওয়া হলে আপনি তাৎক্ষণিক নিম্নোক্ত সুবিধা পাবেন-
i) ঘরে বসে আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন। আয়কর অফিসে যাওয়ার প্রয়োজন হবে না।
ii) টিন সার্টিফিকেট প্রিন্ট/ডাউনলোড করতে পারবেন।
iii) রিটার্ন ও ট্যাক্স সার্টিফিকেট প্রিন্ট/ডাউনলোড করতে পারবেন।
iv) রিটার্ন জমা দেওয়ার প্রমাণ হিসেবে Acknowledgement slip ডাউনলোড করতে পারবেন।
V) এই সিস্টেমের মাধ্যমে পরিশোধিত করের চালান ডাউনলোড ও প্রিন্ট করতে পারবেন।
vi) এই সিস্টেমের মাধ্যমে পূর্ববর্তী বছরসমূহে কোন রিটার্ন দাখিল করা হয়ে থাকলে তার রেকর্ড প্রিন্ট এর সুবিধা পাওয়া যাবে।
২৬. ২০২৫-২০২৬ কর বছরে কার জন্য e-Return দাখিল বাধ্যতামূলক?
উত্তরঃ ২০২৫-২০২৬ কর বছরে সকল স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতার জন্য অনলাইন রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক। তবে নিম্নলিখিত ব্যক্তিবর্গ এই শর্তের আওতামুক্ত থাকবে-
ক) ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের প্রবীণ করদাতা
খ) শারীরিকভাবে অসমর্থ বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন করদাতা (সনদপত্র দাখিল সাপেক্ষে)
গ) বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশী করদাতা
ঘ) মৃত করদাতার পক্ষে আইনগত প্রতিনিধি
ঙ) বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশী নাগরিকগণ।
তবে উপরে বর্ণিত করদাতাগণ ইচ্ছাপোষণ করলে অনলাইন রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন। এছাড়া, ই-রিটার্ন সিস্টেমে নিবন্ধন সংক্রান্ত সমস্যার কারণে অনলাইনে রিটার্ন দাখিলে সমর্থ না হলে ৩১ অক্টোবর ২০২৫ এর মধ্যে সংশ্লিষ্ট উপ কর কমিশনারের নিকট যৌক্তিক কারণসহ আবেদন করলে সংশ্লিষ্ট অতিরিক্ত/যুগ্ম কর কমিশনারের অনুমোদনক্রমে পেপার রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন।
২৭. গতবছর অনলাইনে রিটার্ন দাখিলের সময় সম্পদ বিবরণীতে সম্পদের তথ্য পূরণ করেছি, এবারও কি পূরণ করতে হবে?
উত্তরঃ না, আপনি সম্পদ-দায় অংশে অটো ফিল (Autofill) অপশনে ক্লিক করলেই পূর্ববর্তী বছরের তথ্য চলে আসবে, এখন প্রয়োজন মাফিক আপনি এডিট, ডিলিট, এ্যড, আপডেট করতে পারবেন।
২৮. গতবার আমি অনলাইনে রিটার্ন তৈরী করে প্রিন্ট কপি অফিসে জমা দিয়েছি। কিন্তু এবার e-Return এ সেই তথ্য পাচ্ছি না। করণীয় কী?
উত্তরঃ বিগত বছর আপনি e-Return সিস্টেমে রিটার্ন তৈরী করলেও অনলাইনে তা দাখিল করেননি। তাই সিস্টেম আপনার তথ্য সংরক্ষণ করেনি।
২৯. Declared bank TDS is not found in declared income/ Bank TDS claimed more than declared income এ ধরনের সমস্যার ক্ষেত্রে করণীয় কী?
উত্তরঃ আপনি Income section Tax and payment এর Update tax payment এ ভিন্ন তথ্য ইনপুট দিয়েছেন। উভয় সেকশনে প্রকৃত তথ্য একইভাবে ইনপুট দিলে এই সমস্যা থাকবে না। অথবা সহজে ইনপুট দেবার জন্য আপনি e-Return Ledger এ Bank TDS এর ক্ষেত্রে Sync from Income ক্লিক করলে পূর্বে এন্ট্রিকৃত তথ্য দেখাবে যা সিলেক্ট করে সহজেই তথ্য হালনাগাদ করা যাবে না এবং এই সমস্যা হবে না।
৩০. কর সেবা মাসে কি e-Return সংক্রান্ত সহায়তা পাওয়া যাবে?
উত্তরঃ বিভিন্ন কর অঞ্চল কর সেবা মাসে e-Return সংক্রান্ত সহায়তা প্রদান করছে।
৩১. গাড়ির কর সমন্বয় হচ্ছে না। করণীয় কী?
উত্তরঃ আপনি গাড়ির জন্য ০১-০৭-২০২৪ হতে ৩০-০৬-২০২৫ এই সময়ের মধ্যে পরিশোধিত করের ব্যাংক স্লিপে উল্লিখিত ট্রানজেকশন আইডি ব্যবহার করলে সমন্বয় হবে। ০১-০৭-২০২৪ এর পূর্বে বা ৩০-০৬-২০২৫ এর পরে পরিশোধিত কর এই বছরে দাখিলকৃত রিটার্নে সমন্বয় হবে না। এক্ষেত্রে কোন সমস্যার সম্মুখীন হলে কল সেন্টারের সহায়তা গ্রহণ করুন।
৩২. গত বছরে আমি ২টি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলাম। ২টি চাকরির আয় কীভাবে প্রদর্শন করব?
উত্তরঃ Employment income section এ Add Employment হতে আপনি একাধিক চাকরির তথ্য ও আয় ইনপুট দিতে পারবেন।
৩৩. আমার সম্পদ ৪ কোটির কম এবং ৮০০০ ব.ফু এর বাড়ি নেই। আমার একটি মোটরসাইকেল ও একটি মোটর কার রয়েছে। আমার জন্য কি সারচার্জ প্রযোজ্য?
উত্তরঃ না, প্রযোজ্য নয়।
৩৪. সঞ্চয়পত্রের রেজিস্ট্রেশন দিয়ে উৎসে কর সার্চ করলে Data not found দেখায়। কারণ কী?
উত্তরঃ সঞ্চয়পত্রের রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও তারিখ ভুল দিলে এরুপ সমস্যা হয়। এছাড়াও ৩০/০৬/২০১৯ এর পূর্বে ক্রয়কৃত সঞ্চয়পত্র হলে সেক্ষেত্রে তথ্য আসবে না। তবে এক্ষেত্রে Income from Financial Assets পেজে আয়ের সঠিকভাবে তথ্য ইনপুট দেবার পর e-Return Ledger এ সঞ্চয়পত্রের জন্য Sync from Income ক্লিক করলে এই সমস্যা হবে না।
৩৫. স্বর্ণ ও অন্যান্য সম্পদের কি বাজার মূল্য প্রদর্শন করব?
উত্তরঃ না, পূর্ববর্তী বছরে প্রদর্শিত মূল্য, তবে নতুন হলে প্রকৃত ক্রয় মূল্য প্রদর্শন করতে হবে।
৩৬. আমি জাতীয় পরিচয়পত্রে নাম/জন্ম তারিখ সংশোধন করেছি। কিন্তু e-Return পূর্বের তথ্য প্রদর্শন করছে। এক্ষেত্রে করণীয় কী?
উত্তরঃ টিআইএন সিস্টেমে Revalidate অপশন হতে এটি পরিবর্তন করে e-Return সিস্টেমে Profile হতে Sync with TIN ব্যবহার করে আপডেট করতে পারবেন। প্রয়োজনে কল সেন্টারের সহায়তা গ্রহণ করুন।
৩৭. চিকিৎসক/আইনজীবী হিসেবে e-Return এ কোথায় আয় প্রদর্শন করব?
উত্তরঃ ব্যবসা আয় হিসেবে প্রদর্শিত হবে। নিয়মিত আয়ের ক্ষেত্রে Regular Business Income এ আয়ের তথ্য পূরণ করতে হবে। যদি প্রাপ্তি/আয় হতে উৎসে কর কর্তন করা থাকে তবে Business Subject to Minimum Tax >> Profession/ Consultancy/ Other Services এ আয়ের তথ্য পূরণ করতে হবে।
৩৮. বিগত বছরের সকল সম্পদ কি এ বছর প্রদর্শন করতে হবে?
উত্তরঃ বিগত বছরের যেসকল সম্পদ নগদায়ন বা হস্তান্তর হয়ে গেছে সেগুলো বাদে অবশিষ্ট সকল সম্পদ এ বছর প্রদর্শন করতে হবে।
৩৯. e-Return এ আমি কর পরিশোধ করেছি, আমার একাউন্ট/বিকাশ হতে টাকা কেটে নিয়েছে। কিন্তু এখনও আয়কর অপরিশোধিত রয়েছে। কীভাবে রিটার্ন দাখিল করব?
উত্তরঃ আপনি সেভ করে লগ-আউট করে পুনরায় লগ-ইন করে Tax and payment পেজে যান, যদি এখনও অপরিশোধিত থাকে তবে কল সেন্টারের সহায়তা গ্রহণ করুন।
80. অনলাইনে দাখিলকৃত রিটার্নে ভুল হয়ে থাকলে কীভাবে তা সংশোধন করব?
উত্তরঃ অনলাইনে দাখিলকৃত রিটার্নে ভুল হয়ে থাকলে দাখিলের ১৮০ দিনের মধ্যে আপনাকে অনলাইনে সংশোধিত রিটার্ন দাখিল করতে হবে। তবে সংশোধিত রিটার্ন একবার দাখিল করা যাবে।
৪১. আমি ৮ মাস ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ও ৪ মাস সাতক্ষীরায় চাকরি করেছি। আমি লোকেশনে কোন অপশন সিলেক্ট করব?
উত্তরঃ আপনি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন সিলেক্ট করবেন।
৪২. এমপিও'ভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন কি সরকারি না বেসরকারি চাকরিরত হিসেবে বিবেচিত হবে?
উত্তরঃ বেসরকারি হিসেবে বিবেচিত হবেন।
৪৩. অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করলে আমার তথ্য কি নিরাপদ থাকবে?
উত্তরঃ আপনার তথ্য সম্পূর্ণ নিরাপদ থাকবে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড আইনগতভাবে তথ্যের গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
🔗 পোস্টটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন। ধন্যবাদ।
#আয়কর_রিটার্ন
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the business
Website
Address
Nasirabad
Chittagong
4210
