06/04/2026
অজ্ঞাতনামা মৃত ব্যক্তির লাশ সনাক্ত করেন পিবিআই, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়া রেলওয়ে থানাধীন আখাউড়া রেলওয়ে স্টেশনের কেবিনের উত্তর পাশ মৃত অবস্থায় একজন অজ্ঞাতনামা পুরুষ (৭০) ব্যক্তি, মুসলিম এর মৃতদেহ দেখতে পেয়ে লোকজন আখাউড়া রেলওয়ে থানা পুলিশকে সংবাদ দিলে আখাউড়া রেলওয়ে থানার ইউডি মামলা নং-১১/২০২৬ তারিখ-০৬/০৪/২০২৬ খ্রিঃ মূলে এসআই (নিঃ) আশিকুর রহমান বিপি-৯১১৯২২২৭৬৭ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় অজ্ঞাতনামা পুরুষ ব্যক্তিকে মৃত অবস্থায় পেয়ে সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করেন। মৃত ব্যক্তির মাথা স্বাভাবিক মুখ মন্ডল বিশেষ করে মুখ বাম দিকে বেকে আছে, বাম চোখ দিয়ে রক্ত নিশ্রিত তরল নির্গ হওয়ার দাগ রয়েছে, গলা কাধ হতে ০২ হাতের আঙ্গুল স্বাভাবিক, বুক, পেট, পিট কোমড়, মাথা স্বাভাবিক, গায়ের রং ফর্সা, ০২ পা বাকা হয়ে শক্ত হয়ে আছে, মলদ্বার ও যৌনাঙ্গ স্বাভাবিক, পরনে ঘিয়ে রংয়ের পাঞ্জাবি ও সবুজ-ক্রিম চেক লুঙ্গি পরিহিত আছে। উক্ত মৃত ব্যক্তির লাশ ময়না তদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়। আখাউড়া রেলওয়ে থানা পুলিশ উক্ত সংবাদ প্রাপ্ত হয়ে পুলিশ সুপার, পিবিআই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার মহোদয়কে অবগত করেন।পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশক্রমে ইন্সপেক্টর (নি:)/জনাব মোঃ আলী আশ্রাফ,পিপিএম সঙ্গীয় ফোর্সের সমন্বয়ে গঠিত ক্রাইমসিন টিম পিবিআই, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার জিডি নং-৪৭ তাং-০৬/০৪/২০২৬ খ্রি: মূলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে উপস্থিত হয়ে অদ্য ১৩.৩০ ঘটিকায় উক্ত অজ্ঞাতনামা মৃত পুরুষ (৭০) ব্যক্তির পরিচয় শনাক্তের জন্য একাধিকবার দুই হাতের ফিঙ্গার প্রিন্ট সংগ্রহ করে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে তার পরিচয় সনাক্তের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু ফিঙ্গার প্রিন্ট ম্যাচ না করায় বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে তার পরিচয় সনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয় মৃত ব্যক্তি ভাসমান হওয়ায় তার কোন এনআইডি না থাকায় তার পরিচয় সনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। অজ্ঞাতনামা মৃত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্তকরণসহ মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনের জন্য পিবিআই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ক্রাইমসিন টিমের ছায়া তদন্ত অব্যাহত আছে।
14/07/2025
হত্যা ও লাশ গুমের অভিযোগ: পিবিআই কর্তৃক ভিকটিম জীবিত উদ্ধার।
৫ লক্ষ টাকা যৌতুকের দাবিতে মেয়েকে হত্যা এবং লাশ গুমের অভিযোগ এনে বিজ্ঞ আদালতে মামলা দায়ের করেন মা আসমা বেগম । (পিটিশন মামলা নং-৭৪/২০২৫ (আশুগঞ্জ), ধারা-নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত-০৩) এর ১১(ক)/৩০।)
পিবিআই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নিরলস প্রচেষ্টায় ভিকটিমকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ থানায়।
মামলার অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এ ভিকটিম সামিয়া বেগমের মা আসমা বেগম একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয় যে, ভিকটিম সামিয়া বেগম (১৯) এর স্বামী মোঃ আল-আমিন ও তার ভাই মামুন সহ অপরাপর বিবাদীগণ পরস্পর যোগসাজশে ৫ লক্ষ টাকা যৌতুকের দাবিতে ভিকটিমকে প্রাণে হত্যা করে তার লাশ অজ্ঞাত স্থানে গুম করেছে। আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য পুলিশ সুপার, পিবিআই, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা মহোদয়কে নির্দেশ প্রদান করেন।
পিবিআই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার এসআই মোঃ শাহাদাত হোসেনকে মামলার তদন্তভার অর্পন করেন। তিনি নিবিড় তদন্ত পরিচালনা করেন এবং ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে নিশ্চিত হন যে, ভিকটিম সামিয়া বেগম নিখোঁজ হননি বা তাকে হত্যা করা হয়নি। পুলিশ সুপার মহোদয়ের সার্বিক নির্দেশনায় ও তত্ত্বাবধানে আশুগঞ্জ থানা পুলিশের সহায়তায় ফেনী জেলার সদর মডেল থানা এলাকা থেকে ভিকটিম সামিয়া বেগম (১৯), পিতা-শাহ্ আলম, মাতা-আসমা বেগম’ সাং-তালশহর পশ্চিম, থানা-আশুগঞ্জ, জেলা-ব্রাহ্মণবড়িয়া’ বেগমকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত ভিকটিমের ২২ ধারা মোতাবেক জবানবন্দি গ্রহণ করা সহ নিরাপদ হেফাজতে (জিম্মায়) প্রদানের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে বিজ্ঞ আদালতে উপস্থাপন করা হলে ভিকটিম জানান যে, এই বছর জানুয়ারীর ১০ (দশ) তারিখ তার বিয়ে হয়। তার স্বামী মোঃ আল-আমিনের সাথে ঝগড়া করে বাসা থেকে পালিয়ে ঢাকার সাভারে তার এক খালাম্মার বাসায় ছিলেন। তিনি তার জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন তাকে কেউ অপহরণ করে নাই।
14/07/2025
যৌতুকের দাবিতে হত্যা ও লাশ গুমের অভিযোগ: পিবিআই ব্রাহ্মণবাড়িয়া কর্তৃক ভিকটিম জীবিত উদ্ধার।
৫ লক্ষ টাকা যৌতুকের দাবিতে মেয়েকে হত্যা এবং লাশ গুমের অভিযোগ এনে বিজ্ঞ আদালতে মামলা দায়ের করেন মা আসমা বেগম । (পিটিশন মামলা নং-৭৪/২০২৫ (আশুগঞ্জ), ধারা-নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত-০৩) এর ১১(ক)/৩০।)
পিবিআই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নিরলস প্রচেষ্টায় ভিকটিমকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ থানায়।
মামলার অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এ ভিকটিম সামিয়া বেগমের মা আসমা বেগম একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয় যে, ভিকটিম সামিয়া বেগম (১৯) এর স্বামী মোঃ আল-আমিন ও তার ভাই মামুন সহ অপরাপর বিবাদীগণ পরস্পর যোগসাজশে ৫ লক্ষ টাকা যৌতুকের দাবিতে ভিকটিমকে প্রাণে হত্যা করে তার লাশ অজ্ঞাত স্থানে গুম করেছে। আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য পুলিশ সুপার, পিবিআই, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা মহোদয়কে নির্দেশ প্রদান করেন।
পিবিআই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার এসআই মোঃ শাহাদাত হোসেনকে মামলার তদন্তভার অর্পন করেন। তিনি নিবিড় তদন্ত পরিচালনা করেন এবং ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে নিশ্চিত হন যে, ভিকটিম সামিয়া বেগম নিখোঁজ হননি বা তাকে হত্যা করা হয়নি। পুলিশ সুপার মহোদয়ের সার্বিক নির্দেশনায় ও তত্ত্বাবধানে আশুগঞ্জ থানা পুলিশের সহায়তায় ফেনী জেলার সদর মডেল থানা এলাকা থেকে ভিকটিম সামিয়া বেগম (১৯), পিতা-শাহ্ আলম, মাতা-আসমা বেগম’ সাং-তালশহর পশ্চিম, থানা-আশুগঞ্জ, জেলা-ব্রাহ্মণবড়িয়া’ বেগমকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত ভিকটিমের ২২ ধারা মোতাবেক জবানবন্দি গ্রহণ করা সহ নিরাপদ হেফাজতে (জিম্মায়) প্রদানের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে বিজ্ঞ আদালতে উপস্থাপন করা হলে ভিকটিম জানান যে, এই বছর জানুয়ারীর ১০ (দশ) তারিখ তার বিয়ে হয়। তার স্বামী মোঃ আল-আমিনের সাথে ঝগড়া করে বাসা থেকে পালিয়ে ঢাকার সাভারে তার এক খালাম্মার বাসায় ছিলেন। তিনি তার জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন তাকে কেউ অপহরণ করে নাই।
12/08/2021
ডেঙ্গু প্রতিরোধে পিবিআই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কার্যালয়ে পরিচ্ছনাতা
কর্যক্রম চলছে।