22/01/2026
🎉 Just completed level 3 and I'm so excited to continue growing as a creator on Facebook!
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from মানবিক পুলিশ ইউনিট, চট্টগ্রাম, Social service, Chittagong.
22/01/2026
🎉 Just completed level 3 and I'm so excited to continue growing as a creator on Facebook!
08/02/2021
সাবধানে থাকুন
করোনার ভ্যাকসিনের চেয়ে,
বাংলাদেশে দূর্নীতি দমনের
ভ্যাকসিন বেশি দরকার।
গতকাল আমাদের মানবিক টিমের অন্যতম টিমলীডার মাঈনউদ্দিনের বাবা সন্ধ্যা ৬ টায় মারা যায় , তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন অথচ ওনার যখন প্যানক্রিয়াসের সমস্যায় শ্বাষকষ্ট দেখাদেয় চট্রগ্রামের অনেকগুলি প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তীর জন্য ওনাকে নিয়ে দৌড়ানো হয়েছে কিন্তু দুর্ভাগ্য কেউ ভর্তী নিলো না ৷ উনি কিন্তু কভিড রোগী ছিলেন না ৷ পরে আন্দর কিল্লা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তী করানোর কিছুক্ষন পর মারা যায় ৷ জাতির সৃর্য সন্তানদের সাথে চট্রগ্রামের প্রাইভেট হাসপাতাল গুলো যে আচরন করলো তা ইতিহাস কখনোই ক্ষমা করবে না ৷
ধীক্বার জানাই এই প্রাইভেট হাসপাতাল মালিকগুলো কে , ছি........ছি....... কার জন্য এই বাংলাদেশ পেয়েছিস ............?
তবে আশার আলো এই ঘুনে ধরা সমাজে আল মানাহিলের মত সেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান কে , সম্পূর্ন বিনামূল্যে করনা রোগিদের গোশল ,জানাজা,কবর সব কিছু অত্যান্ত সুন্দর ভাবে আন্তরিকতার সাথে ওনারা সম্পন্ন করে দিয়ে থাকে ৷ যেখানে আপন জন লাশ ফেলে পালিয়ে যায় সেখানে ওনারা করনা লাশকে আপন করে নেয় এই আল মানাহীল ফাউন্ডেশন ৷
কওমী মাদ্রাসার আলেম ও হাফেয দ্বারা পরিচালিত এই প্রতিষ্ঠান চট্রগ্রামে যে মানবিক দৃষ্টান্ত দেখিয়ে যাচ্ছেন তা বড় বড় ডিগ্রি ধারীদের কাছেও পাওয়া যায় না ৷ আমাদের মানবিক পুলিশ ইউনিট সিএমপির পক্ষ থেকে আল মানাহিল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের এই ভালকাজ গুলোকে সেলুট জানাই ৷ তাদের নিজের জীবনের মায়া ত্যাগ করে মানবতার কল্যানের এই কাজ ইতিহাসে স্বর্নাক্ষরে অমলিন হয়ে থাকবে ৷
শওকত হোসেন।
আমরা বাংলাদেশীরা চাইলেও খুব দ্রুত করোনা থেকে মুক্তি পাবো না। কারণ এ দেশে সেবার চেয়ে ব্যবসার ধান্দা বেশি।
আর এখানে আপন মানুষের থেকে, পর মানুষের ভালোবাসা বেশি।
করোনা সতর্কতাঃ
বিজ্ঞানীরা মনে করছেন পৃথিবী থেকে করোনা সহজে যাবে না। টিকা আসতেও দেরি হবে। কিছু ট্রায়াল ছাড়া সুনির্দিষ্ট কোন চিকিৎসাও আমাদের হাতে নেই। আবার ধীরে ধীরে সবকিছু খুলে যাবে; অফিস খুলবে, স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় খুলবে, পরিবহন চলবে, ব্যবসা-বানিজ্য শুরু হবে। কিন্তু জীবন-জীবিকা কি একেবারে স্বাভাবিক হয়ে যাবে আবার আগের মত ? মোটেই না। তাহলে করনীয় কি??
করনীয় হচ্ছেঃ
ক. আল্লাহর প্রতি পূর্ণ ভরসা করা।
খ. সর্বদা প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার ভিতরে থাকা যেমন- সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা, মাস্ক পরা, হাত ধোঁয়া, হাঁচি-কাশির শিষ্টাচার মেনে চলা।
গ. লাইফ স্টাইল পরিবর্তনের মাধ্যমে ইমিউন সিস্টেমকে বুস্ট আপ করা। এমূহুর্তে এটাই আমাদের করতে হবে নইলে নিস্তার নেই।
পৃথিবী যে বাস্তবতায় প্রবেশ করতে যাচ্ছে সেখানে টিকে থাকতে হলে করোনা ভাইরাসের মত আমাদেরও বৈশিষ্ট্য বদলে ফেলতে হবে, যাতে আমাদের ইমিউনিটি স্ট্রং হয়। কিভাবে??
আসুন জানার চেষ্টা করিঃ
১. নিয়মিত ব্যায়াম করি; দিনে কমপক্ষে ৩০ মি. করে সপ্তাহে ৫ দিন।
২. ফুসফুসের ব্যায়াম করি; লম্বা করে শ্বাস নিয়ে যতক্ষণ পারি ধরে রাখি। তারপর ধীরে ধীরে শ্বাস ছাড়ি। প্রতিদিন সকাল বিকাল ১০ বার করে এটা করি।
৩. ভিটামিন-ডি গ্রহণ করি; সূর্যের আলোয় ১৫ মি. থাকি। প্রয়োজনে vitamin D tablet নেই।
৪. ভিটামিন সি গ্রহন করি; লেবু, কমলা, আমলকী, কাঁচা মরিচ ইত্যাদি খাবার রুটিনে রাখি। প্রয়োজনে
Vit-C Tablet গ্রহণ করি।
৫. জিংক গ্রহণ করি; আদা, রসুন, লবংগের পরিমাণ বাড়িয়ে দেই, এমনকি Zinc Tabletও খেতে পারি।
৬. খাটি মধু, কালো জিরা খাওয়ার অভ্যাস করি; মনে রাখতে হবে, ডায়াবেটিস থাকলে মধু খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
৮. গ্রীন টি পান করি; চিনি ছাড়া আদা-লেবু-লং দিয়ে চা পান করি।
৯. এড়িয়ে চলি; চিনি, টেবিল সল্ট, ফাস্ট ফুড, তৈলাক্ত খাবার।
১০. আকড়ে ধরি; সিজেনাল ফলমুল, সবুজ শাকসবজি।
১১. পরিহার করি; দুশ্চিন্তা, stressful works.
১২. পরিত্যাগ করি; ধুমপান, সারা জীবনের জন্য।
১৩. চেস্টা করি; পরিমিত ভালো ঘুমের, ন্যূনতম ৬ ঘন্টা প্রতিদিন।
১৪. পান করি; হালকা গরম পানি, দিনে ৮ থেকে ১০ গ্লাস।
১৫. কো-মর্বিডিটি (উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, হার্ট ডিজিজ) নিয়ন্ত্রণে রাখার সর্বাত্মক চেষ্টা করি।
১৬. বয়স ও উচ্চতার সাথে সামঞ্জস্য রেখে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার সর্বাত্মক চেষ্টা করি।
বদলে যাওয়া করোনা মোকাবিলায় আসুন নিজরাও বদলে যাই। প্রাণহীন করোনা যদি ক্ষনে ক্ষনে নিজেদেরকে বদলাতে পারে তাহলে সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে কেন আমরা নিজেদের লাইফ স্টাইলকে বদলাতে পারব না? নিশ্চয়ই পারব।
ইনশাআল্লাহ, সুদিন আমাদের আসবেই।।।
16/04/2020
দয়া করে ঘরে থাকুন, নিজে বাঁচুন অন্যকে ও বাঁচতে দিন।
মাত্র কিছুদিন আগে পৃথিবীর ফুসফুস জ্বলেছে মানুষের দেয়া আগুনে, আজ সেই মানুষ গুলো মারা যাচ্ছে ফুসফুসের রোগ নিয়ে। প্রকৃতি কখনো কাউকে ক্ষমা করে না সুতরাং যে যে কর্মই করেছেন সে কর্ম ফল আপনাকে ভোগ করতেই হবে। কেউ মনে করবেন না এ করোনা চলে গেলে সব আগের মতো হবে। পৃথিবী তাপমাত্রা বাড়ছে সাথে বাড়ছে বিপদ। লক্ষ লক্ষ বছর ধরে মেরু অঞ্চলের জমাট বাধা বরফ গলছে, সেই সাথে উন্মুক্ত হচ্ছে সে বরফের স্তরে স্তরে জমাট বাধা মৃত প্রাণীর ভাইরাস। আরেকটু উষ্ণতা পেলেই সক্রিয় হয়ে ঝাপিয়ে পড়বে নতুন নামে। নেমে আসবে নতুন বিপর্যয়। শেষ রক্ষা হবে তো??
🍏🌰একটি সচেতন মূলক পোস্ট🍅🍍
দুর্যোগের সময় টিকে থাকাই সাফল্য।
টিকেই যদি না থাকলাম,
সাফল্য ভোগ করবে কে??
প্লিজ, পড়ুন, জানুন, সম্ভব হলে মেনে চলুন।।
সবাই ঘরে থাকলে ফসল ফলবেনা, ফললেও সেটা আপনার ৮/১০ তালা উঁচু বাসাতে উড়ে আসবেনা।
ফ্যাক্টরি বন্ধ মানে সব জিনিসের উৎপাদন বন্ধ থাকবে বা খুবই কমে যাবে।
করোনা পরবর্তী পৃথিবী কি হতে যাচ্ছে আমরা কেউই জানিনা কিন্তু এটা জানি যে ফাইন্যান্সিয়াল স্ট্রাকচার পুরোপুরি ভেঙে পড়বে।
সেই অবস্থা কিভাবে ফেস করতে হবে আমরা জানিনা।
সেজন্য আপনি আগামী কয়েক মাস কিভাবে সারভাইভ করতে পারেন?
- ভুনা, কষানো তরকারি খাওয়া আপাতত বন্ধ রাখুন।
পাতলা ঝোলের তরকারি খাওয়া অভ্যাস করুন।
- কয়েক পদ না খেয়ে এক বা দুই পদ দিয়ে খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন।
- যাদের বাচ্চা মুরগির রান, গরুর রান ছাড়া খায়না তারা বাচ্চাদের অভ্যাস চেঞ্জের ট্রাই করুন।
সিম্পল খাবারের অভ্যাস করুন। ( এটা অবশ্য সবসময়ের জন্যই প্রযোজ্য)
- যে কদিন এখনো কমবেশি সবজি পাওয়া যাচ্ছে সবজি খান। কদিন পরে পাবেন কিনা নিশ্চয়তা নেই, একেবারেই নেই।
- মাছ মাংস গুচ্ছের করে রাঁধবেন না। একটু কম করেই নাহয় খান।
- বাসায় বসে আছি বলে পোলাও গোস্ত খেয়ে পেট ভরে বিলাসিতা করবেন না।
সামনে যে দিন আসছে আলু বাজারে পাবেন কিনা গ্যারান্টি নেই!
সো কিপ্টা হোন।
- বাসায় আছেন নানান নতুন রান্না করছেন, এক্সপেরিমেন্ট করছেন, নতুন আইটেম করছেন।
বেশ ভালো সময় কাটছে।
কদিন পরে যখন বাজারে আটা, ময়দা, চিনি পাবেন না তখন খাবেন কি?
- নিজেরা এবং বাসার বাচ্চাদের খাবারের অভ্যাসে বদল আনুন।
- আমার টাকা আছে আমি ইচ্ছামত খরচ করবো এই ভাবনা থেকে বেরিয়ে আসুন।
ফ্যাক্টরিতে উৎপাদন না হলে টাকা খেয়ে তো বাচতে পারবেন না!
- ঘরে বসে আছেন বলেই বেলায় বেলায় নিত্য নতুন নাস্তা বানিয়ে খেয়ে জমানো শুকনো খাবারের মজুদ শেষ করে ফেলবেন না।
সামনে আরও কঠিন দিন আসছে।
- ভোগবাদী আচরণ থেকে বের হয়ে মিনিমালিস্ট আচরণ করুন।
- নিজে কম খেয়ে বাচ্চাকে বেশি খাওয়ানোর চিন্তা ঝেড়ে ফেলুন।
সিচুয়েশন অনুযায়ী আচরণ করুন।
বাচ্চাকেও জরুরি অবস্থার সাথে এডাপ্ট করান।
- যাদের বাড়িতে গাছপালা লাগানোর সুযোগ আছে তারা নিজেদের সবজি কিছু হলেও নিজেরা উৎপাদন করার সুযোগ পাচ্ছেন, কাজে লাগান।
- খাবার অপচয় করবেন না। এক দানাও না।
* কাপড়ের দাম বেড়ে যাবে। সেজন্য পুরাতন কাপড় যেটা আপনার প্রয়োজন হবেনা ফেলে না দিয়ে জমিয়ে রাখুন এবং অবশ্যই যত্ন করে।
অনেক মানুষ আছে যাদের কাপড় কেনার ক্ষমতা থাকবেনা।
আপনার, আপনার বাচ্চার পুরাতন কাপড়ে তাদের লজ্জা নিবারণ হবে।
অনেকে মাইন্ড করতে পারেন যে কম খাওয়া পরা নিয়ে কেন এতবার বলছি।
আগামীতে কেমন দিন আসছে যেহেতু জানিনা একটু কম কম খাওয়া পরার অভ্যাস করলে সমস্যার কিছু নাই ভাই।
সব নরমাল হলে নাহয় আবার বেশি বেশি খেয়েপরে উসুল করে নিলেন।🙂
আপদকালীন সময়টা বুঝে চলুন। বিলাসী আচরণ পরিহার করুন।
দান বা ত্রাণ দেয়ার সময় চলে যাচ্ছেনা বরং আসছে। সো হুড়োহুড়ি করে রাস্তায় দান করা শুরু করবেন না।
আগে নিজের চারপাশে দেখুন কার কি অবস্থা। অবস্থা বুঝে সাহায্য করুন!!
ধন্যবাদ 💚🌹
পৃথিবী মেরামতের কাজ চলতেছে ,
সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখিত । আল্লাহ যেন আমাদের ক্ষমা করেন ৷৷৷
অসুস্থ বা রোগীর জন্য দোয়া করার দোয়া
أَسْأَلُ اللهَ العَظيمَ، رَبَّ العَرْشِ العَظِيمِ، أَنْ يَشْفِيَكَ
উচ্চারণ : আসআলুল্লাহাল আজিমা, রাব্বাল আরশিল আজিমি, আঁইয়্যাশফিয়াক।
অর্থাৎঃ আমি সুমহান আল্লাহ, মহা আরশের প্রভুর নিকট তোমার আরোগ্য (সুস্থতা) প্রার্থনা করছি। আল্লাহ তাকে সে রোগ থেকে মুক্তি দান করবেন।
23/03/2020
আল্লাহর উপর ভরসা রাখুন।