26/10/2023
দুনিয়ার ঘর ভেঙ্গে দিয়েছো বলে আমরা দুঃখিত নই, কারণ জান্নাতে আমাদের জন্য রয়েছে এমন প্রাসাদ যার উপরে তাকিয়ে শেষ দেখা যাবে না আর নিচ দিয়ে বইবে বহমান নহর!
একটি অরাজনৈতিক সামাজিক সংগঠন�
26/10/2023
দুনিয়ার ঘর ভেঙ্গে দিয়েছো বলে আমরা দুঃখিত নই, কারণ জান্নাতে আমাদের জন্য রয়েছে এমন প্রাসাদ যার উপরে তাকিয়ে শেষ দেখা যাবে না আর নিচ দিয়ে বইবে বহমান নহর!
ফজর ছেড়ে দিয়ে আমরা নিজেদের জীবন থেকে দূরে ঠেলে দিই আল্লাহর বারাকাহ।
একবার একলোক ইবরাহিম ইবনু আদহাম রাহিমাহুল্লাহকে বলল, ‘বারাকাহ বলতে কিছু আছে বলে আমার মনে হয় না।’
লোকটার কথা শুনে হাসলেন ইবরাহিম ইবনু আদহাম। বললেন, ‘কুকুর এবং ভেড়া চেনো?’
‘হ্যাঁ।’
‘কোনটার প্রজনন ক্ষমতা কেমন?’
‘একটা কুকুর সাতটা পর্যন্ত বাচ্চা দিতে পারে। অন্যদিকে, একটা ভেড়া বাচ্চা দিতে পারে বড়জোর তিনটি।’
‘তোমার চারপাশে তাকালে, দুটির ভেতরে কোন প্রাণীটিকে তুমি সবচেয়ে বেশি দেখতে পাও?’
‘ভেড়াই বেশি দেখি।’
‘কিন্তু ভেড়া তো এমন এক প্রাণী যাকে নিয়মিত জবাই করা হয় এবং যার মাংস মানুষ খায়, তাই না?’
‘জি।’
‘কুকুর কি জবাই করা হয়? কুকুরের মাংস কেউ খায়?’
‘না।’
‘তারপরও কুকুরের চাইতে ভেড়ার সংখ্যা দুনিয়ায় বেশি।’
‘এর কারণ?’
‘এর কারণ হলো বারাকাহ। ভেড়া রাতে দ্রুত ঘুমিয়ে পড়ে এবং ঠিক ফজরের আগে আগে তারা জেগে ওঠে। ফলে ফজরের সময়ে আল্লাহ যে বারাকাহ দুনিয়ায় পাঠান, ভেড়া সেটা লাভ করে। অন্যদিকে কুকুর সারা রাত জেগে থাকে, কিন্তু ফজরের ঠিক আগমুহূর্তে ঘুমিয়ে পড়ে। ফলে ফজরে আল্লাহ যে বারাকাহ প্রদান করেন তা থেকে কুকুর বঞ্চিত হয়। এজন্যেই ভেড়া কম বাচ্চা প্রসব করা সত্ত্বেও এবং তারা জবেহযোগ্য প্রাণী হওয়ার পরেও দুনিয়ায় তাদের সংখ্যাটা অত্যধিক। অন্যদিকে বেশি বাচ্চা প্রসব এবং জবেহ-অযোগ্য প্রাণী হওয়ার পরেও দুনিয়ায় কুকুরের সংখ্যা তুলনামূলক অনেক কম। এটাই হলো বারাকাহ।’
যারা ফজরে জাগে তারা বারাকাহ লাভ করে। জীবনে, সময়ে, কাজে। আর যারা জাগতে পারে না, তারা বঞ্চিত হয় এই বারাকাহ থেকে। তাদের কাজে বারাকাহ থাকে না, সময়ে বারাকাহ থাকে না। সর্বোপরি জীবন থেকেও তাদের বারাকাহ হারিয়ে যায়। বারাকাহ যে কত বড় একটি নিআমত, তা যে লাভ করে, কেবল সে-ই উপলব্ধি করতে পারে। জীবনে বারাকাহ লাভের জন্য আমরা কি হয়ে উঠতে পারি না সকাল বেলার পাখি? সুবহে সাদিকের স্নিগ্ধ শীতল হাওয়ায় মেলে দিতে পারি না নিজেদের ডানা?
06/11/2022
হায়রে, সততার পূরষ্কার!!
সূত্র: আজকের পত্রিকা, বিস্তারিত কমেন্টে...
ঘূর্ণিঝড় "সিত্রাং" ধেয়ে আসছে উপকূলের দিকে। সকলকে সতর্ক থাকতে বিশেষভাবে বলা হচ্ছে।
যে কোনো সময় আঘাত হানতে পারে এই শক্তিশালী ঝড় তাই সবাই মানসিকভাবে প্রস্তুুতি নিয়ে থাকেন।
প্রিয় চট্টগ্রামবাসী
সাইক্লোন সিত্রাং বা ঘুর্নিঝড়, প্রাককালে আপনি ও আপনারা সাইক্লোন সেন্টারে আশ্রয় নিবেন। সাথে শুকনো খাবার ও প্রয়োজনীয় কাপড় চোপর সঙ্গে নিবেন, জীবনের নিরাপত্তার জন্য সর্বদা সজাগ থাকবেন। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সাহায্য কারি কতৃপক্ষের সহায়তা গ্রহন করিবেন। (শিশু, প্রশুতি ও বৃদ্ধদের ব্যাপারে সকলে বিশেষ সর্তক থাকবেন)। আগে থাকতেই শুকনো খাবার, পরিস্কার পানি, টর্চ লাইট সহ প্রয়োজনীয় সবকিছু গুছিয়ে রাখুন এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দলিল বইখাতা ইত্যাদি নিরাপদ স্থানে রাখুন। আপনাদের আশেপাশে সকলকে সতর্ক করুন ।
আল্লাহর কাছে দোয়া করুন। আল্লাহ তায়ালা আমাদের এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে হেফাজত করুক আমিন।
কালিরহাট ব্লাড ব্যাংক
23/10/2022
প্রিয় এলাকাবাসী
ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং আগামী ২/১ দিনের মধ্যে বাংলাদেশের উপর আঘাত হানতে পারে। আমাদের এলাকা উপকূলীয় অঞ্চল হওয়াতে ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। তাই আপনারা সচেতন থাকুন। বিপদ দেখলেই আমাদের ওয়ার্ডের অর্ন্তগত সাইক্লোন শেল্টারে আশ্রয় গ্রহন করুন।
প্রিয় নবীজীর স্মরণে ছোট পরিসরে হলেও একবার দুরূদ পাঠ করুন
" সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম " ❤️❤️
09/10/2022
" তুমি আমার জন্য খেজুর এনেছো কিন্তু এগুলোর বীচি ফেলো নি ! "
এটা একটি বিখ্যাত আরবী প্রবাদ, কিন্তু এই প্রবাদটির উৎপত্তি কীভাবে হয়? আর কিভাবেই বা এটি বিখ্যাত হয়ে উঠে?
উমার বিন খাত্তাব ( রাঃ ) কে কেউ একজন জানালো যে, আবু বকর ( রাঃ ) ফজরের সালাত শেষ করে মদীনার সীমানার দিকে যান; একটা ছোটো বাড়িতে বেশ কিছু সময় কাটান; তারপর নিজের ঘরে ফিরে আসেন।
আবু বকর ( রাঃ ) কী করতেন না করতেন তার সব খবরই উমার ( রাঃ ) রাখতেন; শুধুমাত্র এই বাড়িতে কী হতো- তা তাঁর অগোচরে ছিলো।
দিন যায়, কিন্তু খলীফা আবু বকর ( রাঃ ) এর ঐ বাড়িতে গমন বন্ধ হয় না। উমার ( রাঃ ) সিদ্ধান্ত নিলেন- ফজরের পর আবু বকর ( রাঃ ) ঐ বাড়িতে গিয়ে কী করেন, তা তিনি নিজের চোখে একবার দেখে আসবেন।
উমার ( রাঃ ) ঐ ঘরে গিয়ে দেখতে পেলেন- ওখানে একজন বৃদ্ধা বাস করেন। বৃদ্ধার কেউ নেই, তারউপর বৃদ্ধা অন্ধ।
উমার ( রাঃ ) অত্যন্ত আশ্চর্যান্বিত হলেন। বৃদ্ধার সাথে আবু বকরের কী সম্পর্ক- তা জানার জন্য তিনি আগ্রহী হয়ে উঠলেন। উমার ( রাঃ ) বৃদ্ধাকে জিজ্ঞাসা করলেন,
" এই লোক আপনার বাড়িতে প্রতিদিন কী জন্য আসে? "
বৃদ্ধা জবাব দিলেন,
" আল্লাহ্র কসম ! আমার জানা নেই। সে প্রতিদিন আসে, তারপর আমার ঘর ঝাড়ু দেয়, সবকিছু পরিষ্কার করে, তারপর আমার জন্য খাবার তৈরি করে, তারপর কোনো কথা না বলেই চলে যায়। "
আবু বকর ( রাঃ ) এর মৃত্যুর পর আমীরুল মুমিনীন উমার ( রাঃ )ও একইভাবে বৃদ্ধার সেবা করতে আরম্ভ করলেন। বৃদ্ধা কিছু একটা টের পেয়ে জিজ্ঞাসা করলেন, " তোমার বন্ধু কি মারা গেছেন? "
উমার ( রাঃ ) অন্ধ বৃদ্ধার প্রশ্ন শুনে প্রচণ্ড অবাক হলেন। উমার ( রাঃ ) বৃদ্ধাকে জিজ্ঞাসা করলেন, " আপনি কীভাবে বুঝলেন? "
বৃদ্ধা জবাব দিলেন,
" তুমি আমার জন্য খেজুর এনেছো, কিন্তু খেজুরগুলোর বীচি ফেলো নি। " ( অথচ এই সামান্য বিষয়টাও তোমার বন্ধুর নজর এড়াতো না )
উমার ( রাঃ ) হাঁটু গেঁড়ে বসে পড়লেন। তাঁর চোখ অশ্রুতে পরিপূর্ণ হয়ে গেলো। আর এই অবস্থায় উমার ( রাঃ ) তাঁর বিখ্যাত উক্তিটি বললেন,
" হে আবু বকর ! আপনি পরবর্তী খলীফাদের কাজ অত্যন্ত কঠিন করে গেছেন। "
( আল্লাহ্ তাঁদের উপর রহম করুন )
[ সংগৃহীত এবং ঈষৎ পরিমার্জিত ]
08/10/2022
শিয়াকত ২০১৩ সালে কাতারে শ্রমিক ভিসায় গিয়েছিল। সেখানে বার্সেলোনার একটি রেফারি অন্বেষণ কার্যক্রমে অংশ নিয়ে কপাল খুলে যায় তাঁর। পূর্বদেশ
08/10/2022
শায়েখ আসরার রশিদ বর্তমান বিশ্বের বিখ্যাত একজন ইসলামিক স্কলার। শায়েখ একবার ইংল্যান্ডে ডিবেটে বসলেন সেখানে খ্রিষ্টান ও ভিন্ন মতাদর্শ লোক তার সাথে ডিবেটে অংশ নিলেন।
ক্রিশ্চিয়ান পাদ্রীটি হাদিসের একটা রেফারেন্স তুলে শায়েখকে বললেন, “আপনাদের মোহাম্মদ (সা:) বলছেন আজওয়া খেজুর মৃত্যু বাদে সর্বরোগের ওষুধ। প্রফেট মোহাম্মদ (সা:)এর কথা আজ আপনাকে প্রমাণ দিতে হবে।প্রমাণ দিতে পারলে বুঝে নিবো আপনার ধর্ম সেরা এবং প্রফেট মোহাম্মদ (সা:) সত্যবাদী।
আমি বিষ নিয়ে এসেছি।আপনাকে এখন আজওয়া খেজুর খেয়ে আমার সামনে থাকা বোতলে রাখা বিষটুকু খেয়ে প্রমাণ করে দিতে যে আপনার নবী সত্য দাবী করছেন।
শায়েখ আর কোন কথা বললেন না। তিনি আজওয়া খেজুর খাওয়া শেষ করে সবার সামনে দাঁড়িয়ে ইঁদুর পয়জন টা খেয়ে নিলেন
আপনি চাইলে ভিডিও দেখতে পারেন (ইন্টারেন্টে ভিডিও) আছে
আল্লাহর রহমতে তিনি সামান্য টললেন ও না।তিনি দিব্যি সুস্থ স্বাভাবিক ভাবে অনুষ্ঠান শেষ করলেন।
এই ঘটনায় সমগ্র ইংল্যান্ড জুড়ে হইচই পড়ে গেল। চুরের মতো মাথা নিচু করে ওরা পালিয়ে গেলেন
এটাই হচ্ছে ঈমান ❤
*YouTube Link : https://youtu.be/ucB_ovdB5tU
06/10/2022
শুন্যে লাফাচ্ছে হরিণ। এক লাফেই তেইশ হাত। হরিণের গতি ৮০ কিমি / ঘন্টা ( ৫০ মাইল / ঘন্টা) । আর বাঘ যায় এক লাফে বাইশ হাত! বাঘের সর্বোচ্চ গতি ৬৫ কিমি / ঘন্টা। তাহলে অঙ্কের হিসেবে বাঘ কখনও হরিণকে ধরার কথা নয়। কিন্তু বাস্তবে ঘটছে উল্টোটা। বাঘের হাতে বেশীরভাগ সময়ই হরিণকে ধরাশায়ী হতে হয়।কারণটা কী?
কারণ হল হরিণ লাফাতে লাফাতে কখনও কখনও পেছন ফিরে তাকায়। বাঘের চাইতে সে কতোটা এগিয়ে আছে বুঝার জন্য। আর এটাই হয় সর্বনাশের মুল কারণ।পেছন ফিরতে গিয়ে এক লাফ কমলেই তেইশ হাত পিছনে চলে আসে! (প্রাপ্ত তথ্য)
তাই চলার পথে কখনও পেছনে তাকাতে নেই। জীবনে লক্ষ্যে পৌঁছাতে হলে কে কি বললো সেদিকে ভ্রুক্ষেপ না করে, কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে সামনে এগিয়ে যাবার নামই হচ্ছে স্বপ্নের কাছাকাছি পৌঁছা ??♥️
25/09/2022
গত কিছুদিন ধরে খেয়াল করছি, ‘যৌনকর্মীর ছেলে’ গালিটা বেশ চর্চিত হচ্ছে বন্ধুমহলে। একজন আরেকজনকে ‘যৌনকর্মীর ছেলে’ বলে খুশিতে লুটিয়ে পড়ছে।
প্রথমে ব্যাপারটা বুঝে উঠতে পারছিলামনা, এটা কি ধরণের ফাজলামি হতে পারে! এক বন্ধু আরেক বন্ধুর মাকে সরাসরি ‘পতি*তা’ বলছে কিন্তু সেই অর্থে কারো তেমন প্রতিবাদ নেই। ভাবটা যেনো এমন, নিজের মা চুলোয় যাক ‘ট্রেন্ডের সাথে চলছি’ এটাই তো আসল।
যাই হোক, একটু আগে মারজুক রাসেলের ফেসবুক পেজের একটা পোস্টে বাক্যটির ব্যবহার দেখে বুঝতে পারলাম, আসলেই ‘যৌনকর্মীর ছেলে’ কথাটার উৎপত্তি কোথায়।
‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ নাটকের নতুন ট্রেন্ড এই ‘যৌনকর্মীর ছেলে’গালি।
যেহেতু এই নাটকের বেশিরভাগ দর্শক উঠতি বয়সের ছেলেমেয়ে, তাই স্বভাবগতভাবেই জমজমাট এই গালির ব্যবহার এখন সর্বত্র এবং সর্বজন স্বীকৃত। একবার ভাবুন তো, একটা নাটক গোটা এক প্রজন্মকে শেখাচ্ছে, কিভাবে অন্যের জন্মদাতা মাকে সহজভাবে বে*শ্যা বা পতিতা বলে গালি দিতে হয়।
শুধু কি তাই? ফেসবুকে এসে সেই নাটকের প্রমোশনাল পোস্টের ক্যাপশনে লেখা, এএএএএ ‘যৌনকর্মীর ছেলে’...! পোস্টদাতা এই নাটকেরই অন্যতম চরিত্র পাশা নামে খ্যাত মারজুক রাসেল। তিনিই মূলত এই গালির জনক।
মা কেন্দ্রিক গালিতে বরাবরই মুন্সিয়ানার পরিচয় দিয়েছে এই টোকাই রাসেল। একটা সময় নিজের ফেসবুকের ওয়ালই ছিলো তার ‘মা’ চর্চার একমাত্র হাতিয়ার, বর্তমানে ব্যাচেলর পয়েন্ট নাটকের সুবাদে সেই ব্যাপ্তি বেড়েছে কয়েকগুন।
ব্যাচেলর পয়েন্ট নাটকটি ঘিরে এমন অভিযোগ নতুন কিছু নয়, গত কয়েক মাসে বেশ কিছু বিতর্কিত কারণে অনেকবার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল এই নাটক। তবে নাটকের নির্মাতারা এসবের থোরাই কেয়ার করে।
দিন যত গড়িয়েছে নোংড়ামি আর ভাড়ামোতে প্রত্যেকবার নিজেকে ছাড়িয়ে গেছে এই নাটকের পরিচালক কাজল আরেফিন অমি।
সর্বশেষ ‘যৌনকর্মীর ছেলে’ গালির মাধ্যমে আবারো নিজেদের জাত চেনালো অমি, মারজুক রাসেল, শুভ, জিয়াউল হক পলাশ গ্যাংরা।
সংশ্লিষ্টদের কাছে অনুরোধ, নতুন প্রজন্মকে এদের হাত থেকে বাঁচান!
©collected