The Legal Network

The Legal Network

Share

Assalamu alaykum. Welcome to The Legal Network .We make the law accessible and
understandable for everyone.

10/05/2024

অসুস্থ হলেই বোঝা যায় সুস্থতাতা আল্লাহ
তায়ালার কত বড় নেয়ামত

গত রাত থেকে প্রচন্ড জ্বর ও সর্দি।
সবার কাছে দোয়া প্রার্থী।🙏

07/04/2021

আত্মহত্যায় প্ররোচনা

দণ্ডবিধিতে আত্মহত্যায় প্ররোচনা (Abetment) দান শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ বিষয়ে দু’টি ধারা রয়েছে। ধারা ৩০৫ - নাবালক, নির্বোধ লোককে এ প্ররোচনা দিলে তার শাস্তি হতে পারে মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত। আর, ধারা ৩০৬ - সুস্থ স্বাভাবিক লোককে এ প্ররোচনা দিলে তার হতে পারে ১০ বছর পর্যন্ত জেল (বোধ হয় প্ররোচিত হবার দায় আত্মহত্যাকারীর ওপরও কিছুটা দেয়া হয়েছে যে কারণে এক্ষেত্রে শাস্তি কিছুটা কম!) প্রসঙ্গক্রমে বলি কেউ আত্মহত্যার চেষ্টা করে সফল হলে মরে বেঁচে যাবেন। কিন্তু, ডাক্তারী খপ্পরে পড়ে ব্যর্থ হলে বিপদ ভারি, তখন পুলিশি চক্করে ৩০৯ ধারায় আত্মহত্যার চেষ্টার (ব্যর্থ!) দায়ে ১ বছরের ঘানি (জেল)।

২০০৮ সালে একটি জেলায় গিয়ে আমার আদালতে বেশ কয়েকটি দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারার (মানে সুস্থ স্বাভাবিক লোককে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দান) মামলা চার্জ শুনানীর অবস্থায় পাই। সব গুলো মামলার ঘটনার প্রকৃতি মূলগতভাবে প্রায় একই ধরনের – কেবল স্থান কাল পাত্র বদল করে ভিন্ন কাহিনী মাত্র। একটির কথা বলি। ঘটনা খুবই সংক্ষিপ্ত। আত্মহত্যাকারীর ছেলে গ্রামের দরিদ্র ভ্যান-চালক কিছু টাকা ধার নিয়েছিল অপেক্ষাকৃত স্বচ্ছল আসামীর কাছ থেকে। কিন্তু, দীর্ঘ দিন ধরে তাগাদা দিয়েও সে টাকা শোধ না পেয়ে আসামী যায় ভ্যান-চালকের বাড়ী এবং তাকে না পেয়ে তার পিতাকে গালমন্দ করে ছেলের এই ঠকবাজি আচরণের জন্য। তার কয়েক দিন পরে ভ্যান-চালকের পিতা গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেন। মামলা হয়। তদন্তে পুলিশ আবার একটি ডায়রীর পাতাও উদ্ধার করে, হ্যাঁ ভ্যান-চালকের পিতার লেখা! যেখানে সে তার আত্মহত্যার জন্য আসামীর ঐ গালমন্দের যাতনা উল্লেখ করে গেছে! কিন্তু, আমার মনে প্রশ্ন, এই গালমন্দ প্ররোচনা হয় কিভাবে? আসামী তো দড়ি এগিয়ে দেয় নি। গালমন্দের কারণে আর কোন বিকল্প পথ কি তার ছিল না? আত্মহত্যার মনস্তত্ত্ব নিয়ে ভাবনা এল। দু’এক ছত্র জীবনানন্দ পড়া ছিল, তাইই মনে পড়ল –

‘‘তবুও তো প্যাঁচা জাগে;
গলিত স্থবির ব্যাং আরো দুই মুহূর্তের ভিক্ষা মাগে
আরেকটি প্রভাতের ইশারায় – অনুমেয় উষ্ঞ অনুরাগে।
টের পাই যুঁথচারী আঁধারের গাঢ় নিরুদ্দেশে
চারিদিকে মশারির ক্ষমাহীন বিরুদ্ধতা;
মশা তার অন্ধকার সঙ্ঘারামে জেগে থেকে জীবনের স্রোত ভালোবাসে।”

প্রকৃতির যেখানে অবস্থা এই যে, শত প্রতিকূলতার মাঝেও কীট পতঙ্গদের বাঁচার প্রাণান্তকর প্রচেষ্টা। সেখানে একজন মানুষকে একদিনের কিছু বাক্যবাণের কারণের একগাছা দড়ি হাতে নিয়ে অশ্বথ্থের কাছে যেতেই হবে! একি প্ররোচনা নাকি এক বিপন্ন বিষ্ময়!

দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা দেখলাম, না কোনভাবেই এটা প্ররোচনা বা সহযোগীতার পর্যায়ে পড়ে না। কিছু গালমন্দের অনিবার্য ও একমাত্র পরিণতি আত্মহত্যা হতে পারে এটা আসামী কেন অন্য সকলেরই ধারণাতীত।

এইসব যুক্তি দিয়ে আমি সবগুলো মামলার আসামীদের ডিসচার্জ করেছিলাম।

২০১৬ সালে আপীল বিভাগ কী বলছেন দেখুন – “Uttering of abusive language will not amount to provocation to commit su***de and does not constitute abetment unless something more is done in pursuance of the said utterance of abuses.” [APM Sohrab-uz-zaman vs State, 68 DLR (AD) 331]

গুঢ় কথা : কোথাও একটি লাশ পাওয়া গেলে কিছু দালাল পুলিশ মিলিয়ে মামলার ব্যবসা হয়। এগুলো প্রথমেই বিচক্ষণতার সাথে চিহ্নিত করা বিচারকের দায়িত্ব।

সতর্কবার্তা: স্ত্রীর আত্মহত্যার ক্ষেত্রে স্বামীর কিন্তু রেহাই নেই, ক্ষেত্র বিশেষে প্ররোচনার দায়ে স্বামী দোষী হতে পারেন। “The attending circumstances show that the husband created a situation for which the wife was compelled to commit su***de and thus the husband committed the offence of abetment of su***de which falls within the mischief of section 306 of the Penal Code.” [The State vs Md. Golam Sarwar @ Ripon, 35 BLD 159] একই কথা অন্য প্রেক্ষিতে আত্মহত্যার ঘটনার বেলায়ও প্রযোজ্য হতে পারে।

লেখকঃ মুঈদ ইসলাম, জেলা জজ। বর্তমানে মহাপরিচালক,দুর্নীতি দমন কমিশন

26/11/2020
02/10/2020

আমাদের সকলেরই কখনো না কখনো জমি সংক্রান্ত জটিলতার সম্মুখীন হতে হয়।এবং এরই ফলশ্রুতিতে নামজারি প্রক্রিয়াটি আমাদের জানা উচিত।

নামজারি করাটা অনেক ব্যয়বহুল বা জটিল মনে হয়, তাই নিম্নে বর্ণিত সরকারি ফি সম্পর্কে জেনে নেই, এবং দালাল চক্রের জটিলতা থেকে মুক্ত হই।

এবং কোন অবৈধ চক্রের শিকার হলে, স্থানিয় এসি ল্যান্ড বরাবর অভিযোগ করুন।

22/09/2020

বিভিন্ন প্রকার দলিল:

বাংলাদেশ ভূমি আইন অনুযায়ী
জমির দলিল মোট ৯ প্রকার :

(১) সাফ-কবলা দলিল
(২) দানপত্র দলিল
(৩) হেবা দলিল
(৪) হেবা বিল এওয়াজ দলিল
(৫) এওয়াজ দলিল
(৬) বন্টন নামা দলিল
(৭) অছিয়তনামা দলিল
(৮) উইল দলিল
(৯) নাদাবি দলিল

সাফকবালা দলিলঃ
কোন ব্যক্তি তাহার সম্পত্তি অন্যের নিকট বিক্রয় করে যে দলিল সম্পাদন ও রেজিষ্টারী করে দেন তাকে সাফাকবালা বা বিক্রয় কবলা বা খরিদা কবালা বলা হয়। এই কবালা নির্ধারিত দলিল ষ্ট্যাম্পে লিখার পর দলিল দাতা অর্থাৎ বিক্রেতা সাবরেজিষ্টারী অফিসে উপস্থিত হয়ে দলিল সহি সম্পাদন করে গ্রহিতা অর্থাৎ খরিদ্দারের বরাবরে রেজিষ্টারী করে দিবেন। এই দলিল রেজিষ্টারী হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দলিলের তফছিলে লিখিত অর্থাৎ বিক্রিত ভূমির যাবতীয় স্বত্ব দলিল দাতা হতে বিলুপ্ত হয়ে দলিল গ্রহিতাতে অর্থাৎ খরিদ্দারের উপর অর্পিত হলো। দলিলদাতা ময় ওয়ারিশানক্রমে উক্ত জমি হতে নিঃস্বত্ববান হলেন।

দানপত্র দলিলঃ
যে কোন সম্প্রদায়ের যে কোন ব্যক্তি তার সম্পত্তি দান করতে পারেন। এই দানপত্র দলিলে শর্তবিহীন অবস্থায় সকল প্রকার ক্ষমতা প্রদানের দান করতে হবে। স্বত্ব সম্পন্ধে দাতার কোন প্রকার দাবী থাকলে দানপত্র শুদ্ধ হবে না।

হেবা দলিলঃ
মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য এই হেবা অর্থাৎ দানপত্র দলিল, এই দলিল কোনকিছুর বিনিময়ে নয়, কেবলমাত্র সন্তুষ্ট হয়ে এইরূপ দান করা হয়। কিন্তু এই হেবা সর্তবিহীন অবস্থায় দান বিক্রয়, কট রেহান ও রূপান্তর ইত্যাদি সকল ক্ষমতা প্রদানে দান বা হেবা করতে হবে। স্বত্ব সম্বন্ধে দাতার কোনরূপ দাবী থাকলে সেই দান বা হেবা শুদ্ধ হবে না এবং তা যে কোন সময় বাতিলযোগ্য। এরূপ দানপত্রে দাতার কোন স্বার্থ সংরক্ষিত থাকবে না।

হেবা বিল এওয়াজঃ
এই হেবা বিল এওয়াজ মুসলিম সম্প্রদায়ের একটি দানপত্র দলিল এই দানও সন্তুষ্ট হয়ে করা হয় বটে। কিন্তু ইহা কোন কিছুর বিনিময়ে হয়ে থাকে, যেমন- পবিত্র কোরআন, জায়নামাজ, তছবিহ, মোহরানার টাকা, এমন কি যে কোন জিনিষের বিনিময়েও হতে পারে, যেমন আংটি ইত্যাদি। এই হেবা বিল এওয়াজ দলিল সম্পূর্ণ শর্তবিহীন অবস্থায় গ্রহিতা যাবতীয় হস্তান্তর ও রূপান্তরের সকল প্রকার ক্ষমতার অধিকারী হবে এবং দাতার যাবতীয় স্বত্ব গ্রহিতাতে অর্পিত হবে। দাতার স্বার্থে কোন প্রকার স্বত্ব দাতার জন্য সংরক্ষিত থাকলে দলিল শুদ্ধ হবে না। এই হেবা বিল এওয়াজ অবশ্যই রেজিষ্টারী হতে হবে। এই হেবা বিল এওয়াজ যদি টাকা বিনিময়ে হয় এবং ক্রমিক ওয়ারিশী সূত্রে আগে পরে তিন ধাপের পরের ব্যক্তিকে বা তৃতীয় ব্যক্তিকে হেবা বিল এওয়াজ মুলে দান করে থাকে তা হলে শরীক কর্তৃক জানার তারিখ হতে ৪ মাসের মধ্যে প্রিয়েমশান করতে পারে।

এওয়াজ দলিল:
যে কোন সম্প্রদায়ের বা একই সম্প্রদায়ের বা একই বংশের বা কোন ব্যক্তি যে কোন ব্যক্তির সহিত তাহাদের লপ্ত ও সুবিধা মত একের ভূমি অপরকে দিতে পারেন অর্থাৎ পরস্পর এওয়াজ পরিবর্তন সরতে পারেন। এই দলিল অবশ্যই রেজিষ্টারী হতে হবে।
এওয়াজ পরিবর্তন দলিলের একটা ব্যাখ্যা দেওয়া হলো+: ক এর জমি খ এর বাড়ীর নিকট এবং খ এর জমি ক এর বাড়ীর নিকট। উভয়ের জমিই উভয়ের বেলপ্ত। কাজেই ক তার জমি খ কে এবং তার জমি ক কে দিয়ে উভয়ে একটি দলিল সম্পাদন করে রেজিষ্টারী করে নিল। একেই এওয়াজ পরিবর্তন দলিল বলে। এই দলিলের কেহ প্রিয়েমশান করতে পারে না।

বন্টনমানা দলিল:
শরিকগণের মধ্যে সম্পত্তি ক্রমে নিজ নিজ ছাহাম প্রাপ্ত হয়ে উক্ত ছাহামের বাবদ যে দলিল করতে হয় তাকে বন্টননামা দলিল বলে। একই সম্পত্তিতে মালিক একই বংশের লোককে সাধারণত শরিক বলা হয়। শরিক দুই প্রকারের, যথা- উত্তরাধিকার সূত্রে শরিক ও কোন শরিক হতে খরিদ সূত্রে শরিক। ইংরেজীতে বলা হয় কো-শেয়ারার বাই ইনহেরিটেন্স এন্ড কো-শেয়ারার বাই পারচেজ। বন্টননামা দলিল করবার সময় সকল শরিকগণ দলিলে পক্ষভুক্ত থেকে ও দস্তখত করে বন্টননামা দলিল করতে হবে। কোন একজন শরিক বাদ থাকলে বন্টননামা শুদ্ধ হবেনা। বন্টননামা দলিল রেজিষ্টারী করতে হবে কিন্তু ঘরোয়াভাবে বন্টন করে সকল পক্ষগণ যদি বন্টননামা দলিলে দস্তখত করে থাকেন তা হলেও বন্টননামা কার্যকরী হতে পারে। যদি শরিকগণ আপোষ মতে বন্টন করতে রাজী না হন তাহলে যে কোন শরিক বন্টনের জন্য আদালতে নালিশ করতে পারেন।

অছিয়তনামা দলিল:
কোন ব্যক্তি তার সম্পত্তি কাউকে বা তার উত্তরাধিকারীদের মধ্যে অছিয়তকারী ব্যক্তির উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সকলকে না দিয়ে যদি একজনকে বা কোন তৃতীয় ব্যক্তিকে প্রদান করে থাকেন এবং অছিয়তকারীর মৃত্যুর পর যদি তাহার উত্তরাধিকারীগণ দাবী উত্থাপন করেন তাহলে যাকে সম্পত্তি অছিয়ত করা হলো সেই ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তির এক তৃতীয়াংশ পাবে এবং অবশিষ্ট দুই তৃতীয়াংশের মালিক উত্তরাধিকারী দের মধ্যে সকলেই হবেন।

উইল দলিল:
হিন্দু সম্প্রদায়ের লোক তাদের নিজস্ব সম্পত্তি তাদের আত্মীয়দের মধ্যে যাকে ইচ্ছা উইল করে দিতে পারেন। যিনি উইল করলেন তিনি জীব কালে একের অধিক উইল করতে পারেন। কিন্তু সর্বশেষ যে উইল করলেন কেবল ঐটাই কার্যকরী হবে।

নাদাবী দলিল:
কোন ব্যক্তি সুনির্দিষ্ট কোন সম্পত্তিতে তার স্বত্ত্বাধিকার নাই মর্মে অথবা স্বত্ত্বাধিকার ত্যাগ করছেন মর্মে দলিল সম্পাদন ও রেজিষ্ট্রি করে দিতে পারেন। এরূপ দলিলকে নাদাবী দলিল বলে ।।

30/08/2020

‼️চেক লেখার সময় সাবধান‼️

নিম্নের ছবিতে চেক দ্বারা জালিয়াতির সুস্পস্ট প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। চেক লেখার সময় অবশ্যই টাকার পরিমাণ এবং সকল শব্দসমূহ সাবধানতার সাথে স্থাপন করতে হবে এবং কথায় লেখার সময় আগে ও পরে জায়গা রাখা থেকে বিরত থাকতে হবে-
যাতে জালিয়াত চক্রের দুষ্কর্মের শিকার না হই।

আপনার স্বাক্ষরই ব্যাঙ্কে আপনার প্রতিনিধি রূপে কাজ করে। তাই স্বাক্ষর করার সময় বিশেষ ভাবে হুঁশিয়ার ও যত্নশীল হই।

31/07/2020

The Legal Network family wishes you a blessed Eid. Eid Mubarak!

18/04/2020

জেনে নিন,
কোন দলিলে কত টাকার স্ট্যাম্প লাগবে।

দৈনন্দিন জীবনের নানা বিষয়ে দলিল করতে হয়। দলিলের বিষয়ের ওপর নির্ভর করে স্ট্যাম্পের মূল্যমান বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে।

২০১২-১৩ অর্থবছরের বাজেটে দলিল সম্পাদনের জন্য স্ট্যাম্পের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে পুরনো মূল্যের স্ট্যাম্প দিয়ে দলিল লেখা হলে তা বাতিল বলে গণ্য হবে ও কোনো রকম আইনগত ভিত্তি থাকবে না। কোন দলিলে কত টাকার স্ট্যাম্প ব্যবহার করতে হবে তা তুলে ধরা হলো:

(১) রাজউকের প্লট ও ট্যাক্সের দলিলের জন্য মোট মূল্যের ওপর ২ শতাংশ টাকার সমমানের স্ট্যাম্প

(২) ট্রাস্ট ডিড ক্যাপিটাল দলিলের মূল্যের ওপর ২ শতাংশ টাকার সমমানের স্ট্যাম্প

(৩) অছিয়তনামার কপির জন্য ৩০ টাকার স্ট্যাম্প

(৪) নকলের কবলা, বন্ড, বণ্টননামা, সার্টিফায়েড কপির দলিলের জন্য ৫০ টাকার স্ট্যাম্প

(৫) অনুলিপি, খাস-মোক্তারনামা দলিলের জন্য ১০০ টাকার স্ট্যাম্প

(৬) হলফনামা, বায়নার হলফনামা, হেবার ঘোষণাপত্র, না দাবি পত্র, বাতিলকরণ দলিলের জন্য ২০০ টাকার স্ট্যাম্প

(৭) চুক্তিনামা দলিল, অঙ্গীকারনামা, বায়নানামার দলিল, মেমোরেন্ডাম অব অ্যাগ্রিমেন্ট, রিডেম্পশন, সোলেনামা বা আপসনামার দলিলের জন্য ৩০০ টাকার স্ট্যাম্প;আমমোক্তারনামা

(৮)দলিল ও সাফকবলা দলিলের জন্য ৪০০ টাকার স্ট্যাম্প

(৯) তালাকের হলফনামার দলিলের জন্য ৫০০ টাকার স্ট্যাম্প

(১০) অংশীদারি দলিলের জন্য ২ হাজার টাকার স্ট্যাম্প

> মর্টগেজ বা বন্ধকের দলিল সম্পাদনের ক্ষেত্রে-

(ক) ১ টাকা থেকে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ২ হাজার টাকা

(খ) ২০ লাখ ১ টাকা থেকে ১ কোটি টাকা পর্যন্ত ৫ হাজার টাকা

(গ) ১ কোটি ১ টাকার ওপরের ক্ষেত্রে ৫ হাজার টাকার ও প্রতি লাখের জন্য ২ শতাংশ হারে মোট টাকার মূল্যমানের স্ট্যাম্প লাগবে।

18/04/2020
Want your business to be the top-listed Government Service in Chittagong?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Chittagong