08/12/2017
প্রথমবারের মতো বিদ্যুতের আওতায় আসছে সন্দ্বীপ।
Diper Alo - দ্বীপের আলো
08/12/2017
প্রথমবারের মতো বিদ্যুতের আওতায় আসছে সন্দ্বীপ।
01/05/2017
*** গুপ্তছড়া-কুমিরা ঘাটে ইজারাদারের উপর সন্ত্রাসী হামলা ***
গুপ্তছড়া-কুমিরা ঘাটের চট্টগ্রামের কুমিরা অংশে ঘাটের বিআইডব্লিউটিসির ইজারাদারের লোকের উপর সন্ত্রাসী হামলার হয়েছে ।আজ সোমবার দুপুর দেড়টায় এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানা যায়। এই ঘটনার জন্য বিআইডাব্লিউটিসি'র ইজারাদারের পক্ষ থেকে জেলা পরিষদের ইজারাদারের লোকজনকে দায়ী করা হয়।
কুমিরা ঘাটের যাত্রী ও বিআইডব্লিউটিসির চার্টারার ইকরাম হোসেন ফরহাদ বাংলাদেশ প্রেসকে জানান, সন্দ্বীপ থেকে পূর্ব নির্ধারিত সময়ে ছেড়ে আসা জাহাজ ভাষা শহীদ সালামের স্টাফ ও কাউন্টারের লোকজনের উপর জেলা পরিষদের ইজারাদার আনোয়ার চেয়ারম্যান এর লোকজন অতর্কিতভাবে হামলা করে তাদের আহত করে। এই সময় হামলাকারীরা ইকরাম হোসেনকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে ঘাট ছেড়ে দেওয়ার জন্য হুমকি-ধামকী দেয় ।
একপর্যায়ে সন্ত্রাসীরা আনোয়ার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সকল অভিযোগ তুলে নিতে ইকরাম হোসেনকে সতর্ক করে দেন। জাহাজে আসা এক যাত্রী জানান,আমরা নিরাপদে যাতায়াতের জন্য জেলা পরিষদের ইজারাদার আনোয়ার চেয়ারম্যান এর স্পীড বোটে না উঠে জাহাজে উঠতে চাইলে আনোয়ার হোসেনের লোকজন যাত্রীদের বিভিন্নভাবে কটুক্তি করে এবং কুমিরা ঘাটে গেলে দেখে নিবে বলে হুমকি দেয়।এখানে(কুমিরা) আসার পর তারা জাহাজের লোকজনের উপর মারধর করে।
যাত্রী নজরুল ইসলাম জানান, সন্দীপের নৌ- দূরঘটনায় ১৮জন নিহত হওয়ার পর আমরা সাধারণ যাত্রীরা অবৈধ স্পীডবোটে যাতায়াত না করে জাহাজে চলাচল করায় এখন স্পীডবোটে যাত্রী শূণ্য অবস্থায় ঘাটে বেকার পরে থাকে। সেজন্য আনোয়ার চেয়ারম্যান লোকজন দিয়ে এগুলো করিয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২রা এপ্রিল সন্দ্বীপে লালবোট উল্টে ১৮জন যাত্রী নিহত হয় এবং দীর্ঘদিন ধরে জেলা পরিষদ ও বিআইডব্লিউটিসির ইজারাদারদের মাঝে বিরোধ চলছে।
03/04/2017
এই সেই লাল বোট যা গতকাল সন্ধ্যায় সন্দ্বীপ গুপ্তছড়া ঘাটে প্রায় ৫০-৬০ জন যাত্রী সহ কড়াল স্রোতে উল্টে যায়।
#লাশ উদ্ধার ৬ জন
#নিখোঁজ প্রায় ১৭-২০ জনের মত
#জীবিত উদ্ধার ৩২ জনের মত।
ছবি: Somoy Sandwip
03/04/2017
কিছুক্ষন আগে এই মৃত লোকটিকে বাঁশবাড়িয়া ঘাটে পাওয়া গেছে | কেউ চিনেন কিনা দেখেন |
তথ্য-MD Rabiul Alam
03/04/2017
গতকাল সন্দ্বীপ গুপ্তছড়া ঘাটে লাল বোট দূর্ঘটনায় নিখোজ কয়েক জনের ছবি
তবে আজ হাফেজ অামিন রাসুলের লাশ নৌয়াখালি নাংগুল্লার চরে বাটাচ্ছরের দক্ষিণে পাওয়ে গেছে বলে জানা গেছে।
03/04/2017
সন্দ্বীপ গুপ্তছড়া ঘাটে লাল বোট দূর্ঘটনায় নিখোঁজ হাফেজ আমীন রসুলের মৃতদেহ নোয়াখালী চরে পাওয়া গেছে।ছবি-Yeal Yeal Ahmmad
03/04/2017
সন্দ্বীপ গুপ্তছড়া ঘাটে লাল বোট দূর্ঘটনায় নিখোঁজ হাফেজ আমীন রসুলের মৃতদেহ নোয়াখালী চরে পাওয়া গেছে।ছবি-Yeal Yeal Ahmmad
সন্দ্বীপের পশ্চিমাংশে জেগে উঠা চরসমূহের তথা সন্দ্বীপের ন্যামস্তি ইউনিয়ন (ঠেঙ্গারচর) এবং জাহাজ্জার চর ( #স্বর্ণদ্বীপ) এর মালিকানা ফিরে পাওয়া ও সীমানা রক্ষার দাবীতে
হাজার হাজার সন্দ্বীপ বাসির আন্দোলনের খবর Jamuna Television এ গুরুত্ব সহকারে প্র্চার করা হয়েছে।
সকল ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া কে ধন্যবাদ অবৈধ ভূমি দস্যুদের সাথে নয় সত্যের সাথে থেকে সহযোগীতা করার জন্য।
#ঠেংগারচর_নই #ঠেঙ্গারচর_নই #ন্যায়ামস্তি
#স্বর্নদ্বীপ #স্বর্ণদ্বীপ
26/02/2017
আজ সন্দ্বীপের একটি বিশেষ টিম সন্দ্বীপের পাশে জেগে উঠা চর সাবেক নেমস্তি ইউনিয়ন (প্রকাশ ঠেংগার চর) পরিদর্শন করেন।
উক্ত টিমে ছিলেন সন্দ্বীপ থানার ওসি,ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শামসুল আলম,UNO জাকারিয়া ইসলাম,মাঈট ভাংগা ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিজান,সারিকাইত ইউপি চেয়ারম্যান ফখরুল ইসলাম,সন্দ্বীপ থানার একটি পুলিশের টিম,বিভিন্ন গন্যমান্য ব্যাক্তি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, মুক্তিযুদ্ধা,সাবেক নেয়মস্তি বাসিন্ধা সহ প্রমুখ।
উক্ত চর পরিদর্শনের কিছু ছবি ।
ছবি: দ্বীপের আহবান
26/02/2017
সন্দ্বীপ ভুমি রক্ষা আন্দোলনের জন্য একত্রিত হচ্ছে প্রবাসিরা। যুক্তরারাস্ট্রের নিউ ইয়র্ক সিটির ব্রুকলিনে সন্দ্বীপ এডুকেশনাল এন্ড কালচারাল সোসাইটির আয়োজনে এক মত বিনিমিয় সভায় সন্দ্বীপের বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের শতাধিক নেতা কর্মী উপস্থিত হন। সংগঠনের সভাপতি এস,এফ, ফেরদৌস এর সভাপতিত্বে উক্ত সভায় বক্তব্য রাখেন, ইকবাল হায়দার, মোহাম্মদ হামিদ, আবুল কাশেম, মোহাম্মদ সাহেদ, ফিরোজ আলম, হেলাল উদ্দিন, এমলাক হোসেন ফয়সাল, বাবর উদ্দিন, বোরহান উদ্দিন, সোহেল মাহমুদ,আশ্রাফ উদ্দিন ও মোস্তফা কামাল পাশা বাবুল। সভায় বক্তারা সন্দ্বীপের আশে পাশে জেগে উঠা চর সমুহে সন্দ্বীপের ভিটেমাটি হারা লোকেদের পুনর্বাসিত করার দাবি জানান। ঢাকা চট্রগ্রাম সন্দ্বীপে ভুমি রক্ষায় চলমান আন্দোলনের পাশাপাশি নিউ ইয়র্ক থেকেও আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার লক্ষে আগামি মঙ্গলবার সন্দ্বীপের সমস্ত সামাজিক সংগঠনের সভাপতি সম্পাদকের নিয়ে একটি মত বিনময় সভা করে একটি সমন্বয় কমিটি প্রস্তুত করা হবে। সেই সভা থেকে আগামিতে মানব বন্ধন, স্মারকলিপি প্রদান সহ বিভিন্ন পদক্ষেপের সিদ্ধান্ত গ্রীহিত হবে।