হযরত আবূ উমামা (রা.) রাসূল (সা.) থেকে বর্ণনা করেন। যে ব্যক্তি ঈদুল ফিত্বর এবং ঈদুল আযহার রাতে (সাওয়াবের নিয়তে, ইবাদতের উদ্দেশ্যে) জাগ্রত থাকবে, সে ব্যক্তির হৃদয় ঐ দিন মৃত্যুবরণ করবে না যেদিন অন্য হৃদয়গুলো মৃত্যুবরণ করবে। (অর্থাৎ কিয়ামতের দিবশে তার কোন ভয় থাকবে না)। ইবনে মাজা-২/৬৫৮, হাদীস-১৭৮২।
মহাগ্রন্থ আল কুরআনের অনুবাদ
সর্বশ্রেষ্ঠ আসমানি কিতাব আল কুরআনের ?
16/03/2026
আল্লাহুমা ইন্নাকা আফুয়ুন তুহিব্বুল আফওয়া ফা'ফু আন্নি।
হাদিস শরীফে এসেছে- যে-ব্যাক্তি আল্লাহর রাস্তায় জিহাদে গিয়ে রোজা রাখবে, আল্লাহ তাআলা তাকে ৭০ বছরের দূরত্বে নিয়ে যান! (সহিহুল বুখারি- ২৮৪০)
মুসনাদে আহমাদে বর্ণিত, কিয়ামতের দিন সাওম ও কুরআন সুপারিশ করবে। সিয়াম বলবে- ‘হে আমার রব! আমি তাকে দিনে খানাপিনা ও জৈবিক চাহিদা থেকে বিরত রেখেছি। আপনি তার ব্যাপারে আমার সুপারিশ কবুল করুন।’
রমজান জাহান্নাম থেকে মুক্তির মাস। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘আল্লাহ প্রতিদিন ইফতারের সময় কতিপয় বান্দাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন এবং তা প্রতি রাতেই হয়ে থাকে।’
(সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস : ১৬৪৩)
সাহাল (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘জান্নাতে রাইয়ান নামের একটি দরজা আছে। এই দরজা দিয়ে কিয়ামতের দিন শুধু রোজা পালনকারীরাই প্রবেশ করবে। তারা ব্যতীত আর কেউ এ দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না।’
(সহিহ বুখারি, হাদিস : ১৮৯৬)
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ এক জুমা থেকে অন্য জুমা এবং উভয়ের মধ্যবর্তী সময়ের সব গুনাহর জন্য কাফফারা হয়ে যায়, যদি সে কবিরা গুনাহে লিপ্ত না হয়।’।
(সহিহ মুসলিম, হাদিস : ৪৩৮)
নবীজি (সা.) বলেন, ‘সেই মহান সত্তার শপথ! যার হাতে মুহাম্মদের প্রাণ, অবশ্যই রোজাদারের মুখের গন্ধ আল্লাহর কাছে মিসকের ঘ্রাণের চেয়েও উত্তম।’
(সহিহ বুখারি, হাদিস : ১৯০৪)
হাদিসে কুদসিতে মহান আল্লাহ বলেন, ‘আদম সন্তানের প্রতিটি আমল তার জন্য, কিন্তু রোজা এর ব্যতিক্রম। কেননা তা আমার জন্য এবং আমিই তার প্রতিদান দেব।’
(সহিহ বুখারি, হাদিস : ১৯০৪)
আল্লাহ রোজাদারকে ক্ষমা করেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি ঈমানসহ সওয়াবের আশায় রমজানের রোজা পালন করবে, তার অতীতের সব গুনাহ মাফ করা হবে।’
(সহিহ বুখারি, হাদিস : ১৯০১)
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Chittagong
