মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করে এবার সেবায় প্রেসিডেন্ট পুলিশ মেডেলের (পিপিএম) জন্য মনোনীত হয়েছেন আমাদের আকবর শাহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর মাহমুদ।
Akbar Shah Police Station, Chattogram, Bangladesh
আকবর শাহ্ থানা, চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ। আকবর শাহ্ থানা নিয়ে ফেসবুকে এটিই সর্ব প্রথম আনঅফিসিয়াল পেইজ।
ছেলে আমার পুলিশের কর্মকর্তা, ভাতিজা তো অমুক এলাকার বাঘ, ভাইস্তা আমার বিরাট অফিসার, আমি কার ভাই জানেন? ব্লা ব্লা ব্লা……………… এগুলো পুলিশে কর্মরত কর্মকর্তাদের স্বজন বা বন্ধুদের কমন ডায়ালগ। অবশ্য কথা গুলোতে যে কাজ হয় না, তা না। কাজ হয় বলেই এই কথা গুলা এত বেশি শোনা যায়। আমি পুলিশ পরিবারের একজন নবীন সদস্য। সবে মাত্র হামাগুড়ি দিতে শিখেছি বলা যায়। সিনিয়র স্যারদের কাজ দেখে কাজ শেখাই আমার কাজ। হাজারটা ভুল করে একটা কাজ ঠিক মত করতে পারলেই বিরাট খুশি।
অপর দিকে, আশেপাশের মানুষের ধারণা, আমাদের চাকরিটাই হল তদবিরের চাকরি। তদবির শোনা আর তদবির করা। আমার এই কথাতে আমার ফ্রেন্ডলিস্টের অনেকেই আহত হতে পারেন, কিন্তু সত্য কথা একটু তিতাই হয়। আমি খুব কাছের আত্মীয় ছাড়া তেমন কারো বাসায় দাওয়াত খেতে যাই না। সত্যি বলতে, পুলিশকে কেউ অকারণে খাওয়ায় না বোধ করি। সবই বিনিয়োগ!!! সেদিন গেলাম এক অতি কাছের আত্মীয়র বাড়িতে। অনেক দিন পর দেখা। সালাম আর কুশলাদির পরের প্রথম কথা, আমার জমিটায় তো এই ঝামেলা, কিছু করা যায় না? দ্বিতীয় কথা, আমার ছেলেটার তো কোন চাকরির জোগাড় করে দিতে পারলানা, তুমি নাকি বিরাট অফিসার??? শেষের কথা, বাড়িতে আসবা যখন, পুলিশের বড় গাড়িটা নিয়ে আসতে পারলানা??
আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি, ৯৯.৯৯% পুলিশ অফিসারের এই অভিজ্ঞতা আছে। প্রচণ্ড বিরক্ত হয়ে উত্তর দিয়ে বসলাম, আমি কি তদবির শুনতে আসছি এখানে?? আমি কি চাকরির ঝুলি নিয়ে বসছি? নাকি আপনাদের প্রভাব চারদিকে দেখানোর গুরু দায়িত্বটা আমার? চলে আসার সময় বললাম, আমি একজন পুলিশ কর্মকর্তা ঠিক আছে, কিন্তু আমি আপনাদের আত্মীয়, এটা আগে মনে রাখবেন, আমার প্রফেসনাল পরিচয়ের চেয়ে এই পরিচয়টা অনেক বড়। আপনাদের একজন হয়ে আপনাদের সাথে কথা বলতেই ভাল লাগে।
স্কুল বা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের হবার পরে যে ছেলেটি কোনদিন ভুল করেও কল দেয়নি, নিজের বিয়ের অনুষ্ঠানেও বলার প্রয়োজন মনে করেনি, ফেসবুকে ম্যাসেজ সিন করেও রিপ্লাই দেয়নি, বাইক নিয়ে ধরা খেলে ঠিকই ফোন দেয়, আর আমিও আমার অধস্তন কর্মকর্তাকে অনুরোধ করি ছেড়ে দেয়ার জন্য। ২০০ টাকার জন্য মানুষ ফোন দিতে কুণ্ঠা বোধ করেনা। অনেকে আগে থেকেই বলে রাখে, আমি হুট করে ফোনে ধরিয়ে দিলে যেন মনে করি সার্জেন্ট ধরসে!!! বাহ, কি আবদার!!! সবাইকে বলি, কোন ইমারজেন্সিতে কল দিতে, কিছু মানুষ ২৪ ঘণ্টাই মনে হয় ইমারজেন্সিতে থাকে। এটা যেন পৈত্রিক সুত্রে পাওয়া অধিকার!!
অনেকে তো সার্জেন্টদের সাথে খারাপ আচরণ করতেও বাদ রাখেনা। মনে রাখবেন, সার্জেন্ট কেবল আমাকে সম্মান করে আপনাকে ছেড়ে দেয়, আমার কথায় আপনাকে ছেড়ে দিতে সে বাধ্য না।
এবার আসি চাকরির কথায়। আমি বি সি এস এর ফর্ম পূরণ থেকে শুরু করে চাকরিতে জয়েন করার মাঝে চলে গেছে প্রায় ৪০ মাস!!! তার উপর দুনিয়ার বেহেস্ত সারদার পুলিশ একাডেমী তো আছেই!!! একটা চাকরি অনেক কঠিন ব্যাপার, সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। যারা আমার কাছে চাকরির কথা বলেন, তাদের কাছে একটা জিজ্ঞাসা, আমিও তো চাকরি করি। চাকরি দেয়ার ক্ষমতা আমার থাকলে আমি নিজে চাকরি করব কেন??? আর যারা এভাবে চাকরি চান, তারা খুবই সিলেকটিভ!! সরকারি চাকরি লাগবে, কারণ বেসরকারি চাকরি যেকোনো সময় চলে যেতে পারে। আপনি ঠিকমত কাজ না করলে আপনাকে কেন চাকরিতে রাখবে?? ঢাকার বাইরে চাকরি করবেনা, যেন দেশের ১৭ কোটি মানুষ ঢাকায় থাকে। খুব বেশি কষ্ট করাটা তার সাথে যায়না, ডেস্ক জব হলে ভাল হয়। সবাই যদি ডেস্ক এ কাজ করে, তাহলে ফিল্ডে কে যাবে ভাই?? আর কষ্টের কথা বলবেন? যারা সারদা পুলিশ একাডেমী যাওয়ার আগে আর পরে আমাকে দেখেছেন, তারা চেহারা আর গায়ে ৩/৪ ধরণের শেড দেখলে বুঝবেন, কষ্ট কাকে বলে। এখনও আমাদের সহকারী / অতিরিক্ত পুলিশ সুপারগণ রাতভর পদ্মা নদীতে অভিযান চালান যেন আপনারা কয়দিন পর বড় ইলিশ খেতে পারেন। সকালেও দেখবেন অফিস করছেন তারা।
আরেকটা বড় অভিযোগ, বড় অফিসার হয়ে গেছে, এখন তো চেনেই না, কল রিসিভ করেনা। পুলিশ অফিসারদের একটা অফিসিয়াল নাম্বার থাকে, যেটা অধিকাংশ সময়ই বিজি থাকে আপনাদের কারণেই। সাথে থাকে একটা ওয়ারলেস, অনেক সময় সিনিয়র স্যারদের সাথে থাকতে হয়, যেখানে ফোন রিসিভ না করাটাই উত্তম। এতগুলা ফিল্টারিং স্টেজ পেরিয়ে আপনার কল টা ধরতে না পারলেই হয়ে গেলাম অহংকারী!!! আর সবসময় কথা বলতে ভালও লাগেনা, এটা মানতে আপনারা নারাজ। পুলিশের কাজই তো আপনার কথা শোনা, তাইনা?
আপনার টাকা অমুকে নিয়েছে, অনেকদিন ধরে দিচ্ছে না। কোন ডকুমেন্ট আছে?? না, নাই। জিডি বা মামলা করেন। না ভাই, আইনি ঝামেলার কি দরকার? তাহলে কিভাবে হেল্প করব? কোন প্রমাণই তো নেই, সাক্ষীও দেখাতে পারছেন না। ভাই, ফোন দিয়ে একটু ভয় দেখান, আপনারে কিছু দিবনে!! আপনার এই ফাঁদে পা দেয়া মানেই সাধের চাকরিটা নড়বড়ে করে দেয়া।
আপনার টাকা গায়ের জোরে উঠানোর দায়িত্ব পুলিশের না। আমরা পুলিশ, ডাকাত বা সন্ত্রাসী না। আমরা অস্ত্রধারী (বি সি এস) ক্যাডার
এই পুলিশ অফিসারই যখন একটা পার্সোনাল দামি গাড়িতে চড়ে বেড়ায়, আপনারাই বলেন, ঘুষের টাকা। তার স্ত্রী যদি একটু বেশি গহনা পরে, সেটা হয়ে যায় আসামির গিফট, বাচ্চাটা যদি ইংলিশ মিডিয়ামে পরে, সেটাও আপনার গায়ে চুল্কানির সৃষ্টি করে। কেন ভাই?? হতদরিদ্র পরিবার ছাড়া কি কেউ পুলিশে চাকরি পাবেনা???তার কি বাবার টাকা থাকতে নেই? নাকি সবাই শুধু পেটের দায়ে পুলিশে আসে? এমন অনেক অফিসার আছেন, যারা শুয়ে বসে খেলেও পৈত্রিক সম্পত্তি শেষ হবেনা। তবুও তারা এসেছেন দেশকে সেবা দিতে, পুলিশ সার্ভিসকে ভালবেসে। আর পুলিশের একটা মিশনে যথেষ্ট টাকা আসে।
পুলিশ আর আর্মড ফোর্সে চাকরি করে হালাল উপায়ে কোটিপতি হওয়া যায়, কথাটা মাথায় রেখে তারপর কমেন্ট করবেন। আর পরশ্রীকাতরতা মানুষকে কখনো সুখ দেয়না।
এটা সত্যি, পুলিশের কথাকে মানুষ ইজ্জত করে। একবার কেন, হাজার বার ফোন দেবেন, যদি কেউ আপনার সাথে অন্যায় করে, যদি আপনি পুলিশের কাছে কাঙ্ক্ষিত সেবা না পান। কিন্তু নিজেই অপরাধী হয়ে যদি বলেন তদবির করতে, সেটা আমাদের মাথাকে নিচু করে দেয়, সেই সাথে নষ্ট করে দেয় আপনার সাথে আমার সম্পর্ক, সেটা হতে পারে পারসোনাল বা প্রফেশনাল। একটু সোজা ভাবে চিন্তা করুন, দেখবেন, কাউকে অন্যায় তদবির করা লাগবেনা। মাথা উঁচু করে চলতে পারবেন। আর দয়া করে মনে রাখবেন, পুলিশও মানুষ, আপনাদের মতই |
(Khorshed Alam স্যারের লেখা)
#এডমিন
#বিপি_হেল্পলাইন
04/08/2017
ঘটনার পিছনের ঘটনা অনেকেই জানে না কিংবা বুঝতে চায় না। :(
http://bonikbarta.net/bangla/news/2017-07-11/123812/-%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%98-%E0%A6%A1%E0%A6%BF%E0%A6%89%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%B2--%E0%A6%B9%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%B6/
দীর্ঘ ডিউটিতে দুর্বল হচ্ছে পুলিশ অতিরিক্ত চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে আগের চেয়ে দ্বিগুণের বেশি পুলিশ সদস্য মোতায়েন করতে হচ্ছে বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। জনবল ঘাটতি থাকায় পুলিশের এ সদস্যদের ১৬-১৮ ঘণ্টা ডিউটি
08/05/2017
জনগণের বন্ধু পুলিশ।
আপনাদের সহায়তায় সর্বদা সদা প্রস্তুত।
https://youtu.be/PM0_LjnyV24
Documentary: Salute To Police It's on Police-Citizen Relationship in Bangladesh, Made for a Public Event named 'Salute to Police', which is running it's Activism to show citizen's gratitu...
26/12/2016
চুরি যাওয়া মুঠোফোন উদ্ধারই নেশা এসআই মনিরুলের
"মোবাইল উদ্ধার করাটা আমার নেশা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই কাজটা আমাকে নেশার মতো টানে। কি যে ভালো লাগে, একজন মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারলে, একটা মোবাইল উদ্ধার করতে পারলে, এটা বলে বোঝানো যাবে না।" তৃপ্তির হাসি মুখে নিয়ে কথাগুলো বলছিলেন চট্টগ্রাম নগরীর পতেঙ্গা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মনিরুল ইসলাম। চোরাই ও হারিয়ে যাওয়া মোবাইল উদ্ধারে অবিশ্বাস্য সাফল্য পাচ্ছেন এই পুলিশ কর্মকর্তা। প্রতিটি মোবাইল উদ্ধারের তথ্য নিজের ডায়েরিতে লিখে রাখেন তিনি। উদ্ধার হওয়া সবগুলো মোবাইলই হয় স্মার্টফোন, নয়তো দামি অ্যান্ড্রয়েড ফোন।
অবসর সময়কে কাজে লাগিয়ে গত পাঁচ মাসে এসব মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছেন পুলিশ কর্মকর্তা মো. মনিরুল ইসলাম, "রুটিন কাজ না থাকলে আমি বাইরে বের হই না। ল্যাপটপ আর মোবাইল নিয়ে বসে পড়ি। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মুখে হাসি ফিরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করি।"
চলতি বছরের ২৯ জুলাই একটি মোবাইল উদ্ধার করেন মো. মনিরুল ইসলাম। এরপর মোবাইল উদ্ধারের নেশা পেয়ে বসে তাকে। এ পর্যন্ত কতটি মোবাইল উদ্ধার করলেন? প্রশ্ন রাখতেই হাতের কাছে থাকা ডায়েরি খুলে হিসাব-নিকাশ শেষে মনিরুল জানালেন, "৪৮টি! প্রতি সপ্তাহে দু-তিনটা উদ্ধার হচ্ছে। কখন কোনটা উদ্ধার করি, সব তথ্য-উপাত্ত ডায়েরির একেকটি পৃষ্ঠায় লিখে রাখি। যেটা উদ্ধার হয়, সেই পৃষ্ঠাটা লাল কালি দিয়ে কেটে দিই।" মোবাইল উদ্ধার করার পর তা মালিকের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার সময় ছবি তুলে নিজের ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করেন মো. মনিরুল ইসলাম। সেখানে কমেন্ট করে মনিরুলকে প্রশংসায় ভাসান অনেকেই। এ প্রসঙ্গটা উঠলে তিনি বলেন, "সব মোবাইল উদ্ধারের তথ্য ফেসবুকে শেয়ার করিনি। একেকটি মোবাইল উদ্ধারের ঘটনা, একেকটি গল্প। কোনোটি আনন্দের, কোনোটি কষ্টের। তা ছাড়া সবকিছু তো আর ফেসবুকে শেয়ার করা যায় না!"
গত ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৬ পতেঙ্গায় বেড়াতে গিয়ে মোবাইল (স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৭) হারিয়ে ফেলেন সুজন নামের এক যুবক। এরপর মোবাইলটি বরিশাল থেকে উদ্ধার করে ৪ ডিসেম্বর সুজনকে ফিরিয়ে দেন এসআই মনিরুল ইসলাম।
ওমান প্রবাসী ব্যবসায়ী জাফর সাদেক হারিয়ে ফেলেন স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৭। অবশেষে এটি উদ্ধার হয়। তবে শখের মোবাইল ফিরে পেয়েও পুরোপুরি সন্তুষ্ট হতে পারেননি জাফর সাদেক! পুলিশের প্রতি তার অনুরোধ, চোর যেন ধরা পড়ে।
এ প্রসঙ্গে মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, "মোবাইল উদ্ধার হওয়ায় সবাই খুব খুশি হচ্ছেন। মোবাইলটা শখের জিনিস। মানুষ টাকা-পয়সা হারালেও তেমন হতাশ হয় না, যতটা হয় মোবাইল হারালে।" কীভাবে মোবাইল উদ্ধার করেন তার একটা ধারণা দিয়েছেন মো. মনিরুল ইসলাম। "যে মোবাইলটি হারিয়েছে সেটার আইএমইআই (IMEI) নম্বর শনাক্ত করি প্রথমে। এরপর দেখি ওই আইএমইআই নম্বরের সঙ্গে কোন সিম নম্বরটি ব্যবহার হচ্ছে। পুলিশের একটা সফটওয়্যার আছে, এটা ব্যবহার করে মোবাইলের অবস্থান বের করি। এর বাইরেও আমি আরো দুটি সফটওয়্যার ব্যবহার করি, এসব আমার একান্ত। নম্বরটি ফেসবুকে সার্চ দিয়েও দেখি। এভাবে হারানো মোবাইলটি যিনি ব্যবহার করছেন, তার সব ধরনের তথ্য সংগ্রহ করি। এরপর তাকে ফোন করে সংগ্রহকৃত তথ্যগুলো একে একে বলা শুরু করলে, সে চমকে যায়।"
মনিরুল বলেন, "যাদের কাছে মোবাইল থাকে, তাদের বেশির ভাগই চোর নয়। হারিয়ে ফেলা মোবাইল কুড়িয়ে পেয়ে অনেকে লোভের বশে ফেরত দেয় না। আবার কেউ কেউ চোরাই মোবাইল কিনে থাকে। তাই মোবাইলটা যাতে ফেরত দিয়ে দেয় সেজন্য অনেক সময় ভীতি সৃষ্টি করি। অনেকেই আবার এ ধরনের মোবাইল কেনায় অনুতপ্তও হয়। পরে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে ফেরত পাঠিয়ে দেয়। অনেকেই আছে, ফেরত দিতে চায় না। এ রকম হলে সংশ্লিষ্ট থানা এলাকার পুলিশ কর্মকর্তাদের ফোন করে অনুরোধ করি, ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য।"
পুরনো মোবাইল কেনার ক্ষেত্রে মনিরুলের পরামর্শ, "পুরাতন মোবাইল হলে বিক্রয় রসিদ ও মোবাইলের প্যাকেট ছাড়া যাতে কেউ না কিনে। কাগজপত্র না থাকা মানেই ধরে নিতে হবে সেটা চোরাই। নিজের কষ্টের টাকায় চোরাই মোবাইল কিনে শুধু শুধু বিপদে পড়ার কোনো দরকার নেই।"
চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) হারুন-উর-রশিদ হাযারী বলেন, "সে (মনিরুল) ভালো, মেধাবী অফিসার। পতেঙ্গায় মাদক উদ্ধার ও অস্ত্র উদ্ধার করেছে অনেক, এজন্য পুরস্কারও পেয়েছে। তার চেষ্টায় মোবাইল উদ্ধারের মাধ্যমে পুলিশ বাহিনীর সুনাম ও আস্থা বাড়ছে।"
চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি কফিল উদ্দিন চৌধুরী বলেন, "বিপদে পড়া মানুষ সহায়তার জন্য পুলিশের কাছেই ছোটেন। কিছু ক্ষেত্রে পানও সে সহযোগিতা। আবার হতাশও হন কেউ কেউ। এই যে হারানো একটা মোবাইল পুলিশ উদ্ধার করে আনছে, এরূপ করতে থাকলে তাদের প্রতি সাধারণ জনগণের আস্থার মান বাড়বে। সে আস্থাই হবে পুলিশের মনোবল বৃদ্ধিরমূল প্রেরণা।"
- লেটেস্ট বিডি নিউজ।
এখন পর্যন্ত পাওয়া খবরে শোলাকিয়ায় এই ঈদের দিনেও ১ জন পুলিশ নিহত হয়েছে। ৮-১০ জন আহত হয়েছে।
১ জন হামলাকারীও নিহত হয়েছে সেখানে।
ঈদের দিনটাতেও পুলিশ বাহিণীর রক্ত ঝড়লো। যারা ঈদের দিনও আপনার আমার পাহারা ও নিরাপত্তা দিচ্ছে। ওই হামলাকারী হয়ত শোলাকিয়াতেই বোমা নিয়ে ঢুকতে গিয়েছিল। পুলিশ বাঁধা হয়ে দাঁড়ায়।
পুলিশ না থাকলে কি হত চিন্তা করে দেখুন!
পুলিশ জনগণের জান-মালের নিরাপত্তায় জড়িত। আপনাদের ঈদের ছুটি আনন্দময় ও নির্বিঘ্ন করতে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঈদের ছুটিতে যেতে না পেরে পরিবার পরিজন থেকে দূরে থাকে।
আনন্দময় হোক আপনাদের ঈদের ছুটি।
ঈদ মোবারক।
মানুষের ঈদ আনন্দ নির্বিঘ্ন করতে ছুটি না কাটিয়ে পরিবার থেকে দূরে থেকে কমপক্ষে ১৮ ঘন্টা অক্লান্ত ডিউটি করে জনগণের জান মালের নিরাপত্তা প্রদান করে বাংলাদেশ পুলিশ।
আপনার কোন সাহায্যের প্রয়োজন হলে পুলিশের দ্বারস্থ হতে দ্বিধাবোধ করবেন না।
কারণ পুলিশ জনগণের বন্ধু এবং সকল সময়ে আপনাদের নিরাপদে রাখতে এই পুলিশ বাহিনীই এগিয়ে আসে এবং আসবেই।
সকল পেশাতেই ভালো এবং খারাপ রয়েছে। আপনি যদি কোন প্রকার অযাচিত হয়রানীর শিকার হোন তবে সংশ্লিষ্ট পুলিশ হেডকোয়ার্টারে যোগাযোগ করুন।
সেবাই পুলিশের ধর্ম।
জনগণের জান মালের নিরাপত্তায় সর্বদা সচেষ্ট পুলিশ। :)
22/06/2015
An honest police officer like this is the proud of Bangladesh Police as well for the country Bangladesh. (y)
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Telephone
Website
Address
আকবর শাহ্ থানা, চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ
Chittagong
4207
