21/09/2025
নিয়মিত কচুর লতি খেলে শরীরের যেসব উপকার হয় জেনে রাখুন। শেয়ার করে অন্যকে জানার সুযোগ করে দিন।
রক্ত দিন জীবন বাঁচান❤️
আমার রক্তে বাঁচবে আরও একটি প্রান ❤️
21/09/2025
নিয়মিত কচুর লতি খেলে শরীরের যেসব উপকার হয় জেনে রাখুন। শেয়ার করে অন্যকে জানার সুযোগ করে দিন।
01/03/2025
#রোজা_রেখে_রক্তদান_করা_যায়_কি?
অনেকেই মনে করে রোজা রেখে রক্তদান করা যায়না বা দান করলে রোজা নষ্ট হয়ে যায়। কিন্তু এটা ভুল ধারণা। রক্তের সাথে অযুর সম্পর্ক রোজার নয়।
রক্ত দিলে যে রোজা ভাঙ্গে না
এ প্রসঙ্গে তিনটি হাদীস উদ্ধৃত করা যায়:
~ হযরত আকরামা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘নবী করিম (স.) হজ্জের জন্য ইহরাম বাঁধা অবস্থায় শরীর থেকে শিংগার* মাধ্যমে রক্ত বের করেছেন এবং রোজা অবস্থায়ও শরীর থেকে শিংগার মাধ্যমে রক্ত বের করেছেন।
হযরত সাবিত আল বানানী থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘হযরত আনাস বিন মালেক (রা.) কে জিজ্ঞেস করা হয়েছে যে রোজাদারের জন্য শরীর থেকে শিংগা লাগিয়ে রক্ত বের করাকে আপনি কি অপছন্দ করেন? জবাবে তিনি বলেন, না আমি অপছন্দ করি না। তবে দুর্বল হয়ে পড়ার ভয় থাকলে ভিন্ন কথা। [সহীহ আল বোখারী ১:২৬০]
~ একইভাবে শিংগা লাগানোও অপছন্দ নয়। অর্থাৎ দুর্বল হয়ে পড়ার ভয় না থাকলে রোজা অবস্থায়ও শিংগা লাগিয়ে রক্ত বের করা যায়। [শামী কিতাব ২:৩৯৯]
~ রোজা অবস্থায় তেল ও সুগন্ধী ব্যবহার করলে রোজা ভাঙে না। একইভাবে শিংগা লাগালেও রোজার ক্ষতি হয় না। [হেদায়া কিতাব ১:২১৭]
*শিংগা হলো গরু বা মহিষের শিং দিয়ে তৈরি বিশেষ এক রকম নল যা দিয়ে মানবদেহের দুষিত রক্ত, পুঁজ বের করা হতো।
তবে প্রকৃত সত্য এই যে রোজা রেখে রক্তদান অবশ্যই কষ্টের তাই পবিত্র রমজান মাসে ভলন্টিয়ারদের আরও বেশি সচেতন হওয়া উচিত আবেগী না হয়ে। না হয় রক্তদাতা কষ্ট পাবে এবং রোগীরা টেনশনে ভোগ করবে।
তাই আমরা প্রথমে চেষ্টা করব পবিত্র রমজান মাসে ভিন্ন ধর্মের ভাই বোনদের কে রক্ত দেওয়াতে, তা না হলে চেষ্টা করব ইফতারের পর দেওয়াতে অথবা চেষ্টা করব সবল কাউকে দেওয়াতে যাতে সে রক্ত দেওয়ার পর দূর্বল না হয়।
স্বেচ্ছাসেবক ভাই ও বোনেরা রিকোয়েস্টগুলো ভাল করে চেক করবেন। চেষ্টা করবেন ডোনার কে ইফতারের পর ইউজ করতে অথবা পরের দিনের ব্লাড আগের দিন ইফতার পর নিয়ে রাখতে। একেবারে অপরাগ ও রোগীর কন্ডিশন যদি খারাপ হয় তখন ভিন্ন কথা।
আশরাফুল মাখলুকাত মানুষকে রক্ত দিয়ে বাঁচাতে সাহায্য করা ইসলামের দৃষ্টিতে কত বড় একটি মহৎ কাজ তা আর বিশ্লেষণ করে বলার অবকাশ নেই।
আর মানুষের উপকার প্রসঙ্গে হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন,
‘তোমাদের কেউ তার অপর ভাইয়ের উপকার করতে সক্ষম হলে সে যেন তা করে।’(মুসলিম শরিফ)
রক্তদান একটি মানবিক দায়বদ্ধতা ও সামাজিক অঙ্গীকার।
পবিত্র কোরআনে কারিমের সূরা হুজরাতের ১০নং আয়াতে আল্লাহতায়ালা বলেন……. মুমিনগণ পরস্পর ভাই ভাই।’
“পবিত্র কোরআন শরিফে বলা হয়েছে ‘যে ব্যাক্তি একজন মানুষের জীবন রক্ষা করল, সে যেন সমগ্র মানব জাতির জীবন রক্ষা করল।” (সূরা মায়েদাঃ ৩২), তাহলে এই আয়াত থেকে প্রতিয়মান হয় যে মানুষের জীবন রক্ষায় সহায়তা করল, তাহলে সেই যেন পুরো মানব সমাজকে রক্ষা করল।
সবাইকে জানাই রমাদান মোবারক 🌙❤️
এদেরকে চিনে রাখুন.. এরা দালাল😡😡😡
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হইতে ব্লাড চোর চক্রের সক্রীয় ০২ (দুই) জন চোরকে ব্লাড চুরি করার সময় গ্রেফতার করা হয়।
আসামীরা হলেন, ১। মোঃ নাঈম খান পাঠান (৩৮), পিতা-মাওলানা মোঃ আব্দুর রহমান খান, সাং-গোয়াইলকান্দি তারাকান্দা, ময়মনসিংহ, ২। মোঃ আব্দুল্লাহ তুষার চন্দ্র দে (২২), পিতা-মন্টু চন্দ্র দে, সাং মড়ল বাড়ি (ভাসমান), থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহ
01/11/2024
শুভ জন্মদিন
হালিশহর ব্লাড ব্যাংক
একজন ডা: তার সর্ব চেষ্টা করেন একজন রোগীর সুস্থতার জন্য ❤️❤️
゚viralシ ゚
30/06/2024
#আলহামদুলিল্লাহ
আমাদের মানবতার সংগঠন হালিশহর ব্লাড ব্যাংক পরিবারের সম্মানিত মোডারেটর হিসেবে যোগ দিলেন🥰
প্রিয় রক্তদাতা ও স্বেচ্ছাসেবী Shamol Dey নুরুল মুহিম বিন করিম Mohammad Ashik Billah
ভালোবাসা অবিরাম আপনাদের জন্য😍😍
08/05/2024
আলহামদুলিল্লাহ
হালিশহর ব্লাড ব্যাংক পরিবারের সম্মানিত এডমিন Md Noyon এর
১২ তম লাল ভালোবাসা দান❤️
07/05/2024
িশ্ব_থ্যালাসেমিয়া_দিবস।
থ্যালাসেমিয়া এমন একটি রোগ, যে রোগে আক্রান্ত রোগীর প্রতিনিয়ত রক্তের প্রয়োজন হয়। আসুন জেনে নিই থ্যালাসেমিয়া রোগ কি, কেন হয় এবং প্রতিকারের উপায়ঃ-------
থ্যালাসেমিয়া কীঃ-
থ্যালাসেমিয়া (Thalassemia) একটি বংশগত রক্তের রোগ। এ রোগে রক্তে অক্সিজেন পরিবহনকারী হিমোগ্লোবিন কণার উৎপাদনে ত্রুটি হয়। রক্তে যদি স্বাভাবিক হিমোগ্লোবিন কম থাকে তাহলে থ্যালাসেমিয়া হয়। এর ফলে রক্তস্বল্পতা দেখা দিতে পারে। থ্যালাসেমিয়া ধারণকারী মানুষ সাধারণত রক্তে অক্সিজেন স্বল্পতা বা অ্যানিমিয়াতে ভুগে থাকেন। অ্যানিমিয়ার ফলে অবসাদগ্রস্ততা থেকে শুরু করে অঙ্গহানি ঘটতে পারে।
থ্যালাসেমিয়ার ভয়াবহতাঃ-
থ্যালাসেমিয়ার রোগীকে বাঁচিয়ে রাখতে দিনের পর দিন রক্ত দিয়ে যেতে হয়। একসমুদ্র রক্ত দিলেও যেন এই রোগীর তৃষ্ণা মিটে না। উপরন্তু পানিবাহিত রোগের মতো নানা রক্তবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়; যেমন—জন্ডিস, এইচআইভি, হেপাটাইটিস ‘বি’ ও ‘সি’ ভাইরাসজনিত রোগ। এছাড়া প্রতি ব্যাগ রক্তের সঙ্গে জমা হচ্ছে ২০০ মিলিগ্রাম করে আয়রন। প্রতি ব্যাগ রক্তের সঙ্গে ২০০ মিলিগ্রাম আয়রন জমা হলে ৫০ ব্যাগ রক্তের সঙ্গে ১০ গ্রাম আয়রন শরীরে জমা হচ্ছে। এই আয়রন আস্তে আস্তে লিভার প্যানক্রিয়াসের প্রতিটি কোষ ধ্বংস করে দেয়। ফলে ডায়াবেটিস, সিরোসিস রোগের উত্পত্তি হয়। থ্যালাসেমিয়ার রোগীর জীবনকাল ২০-৩০ বছর পর্যন্ত। এই স্বল্পকালীন জীবনে রোগীর নিজের ও পরিবারের যে মানসিক অর্থনৈতিক বিপর্যয় ঘটে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। স্বীকৃত মৌলিক অধিকারের মধ্যে স্বাস্থ্য বা চিকিৎসা হচ্ছে অন্যতম।
লক্ষণ ও উপসর্গগুলোঃ-
থ্যালাসেমিয়া হলে সাধারণত যেসব লক্ষণ ও উপসর্গগুলো দেখা যায় তার মধ্যে: অবসাদ অনুভব, দুর্বলতা, শ্বাসকষ্ট, মুখমণ্ডল ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া, অস্বস্তি, ত্বক হলদে হয়ে যাওয়া (জন্ডিস), মুখের হাড়ের বিকৃতি, ধীরগতিতে শারীরিক বৃদ্ধি, পেট বাইরের দিকে প্রসারিত হওয়া বা বৃদ্ধি পাওয়া, গাঢ় রঙের প্রস্রাব।
চিকিৎসাঃ-
যদি কারও অ্যানিমিয়া বা রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কম থাকে তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী রক্তের পরীক্ষা করিয়ে নিশ্চিত হতে হবে যে এটা থ্যালাসেমিয়া কিনা। যদি থ্যালাসেমিয়া হয়ে থাকে তবে মাইনর নাকি মেজর সেটাও নিশ্চিত হতে হবে। থ্যালাসেমিয়া মেজর হলে ক্রমাগত মাসিক রক্ত নিতে হবে। ঘরে বসে কীভাবে প্রতি রাতে আয়রন চিলেশন করা যায় সেটা শিখে নিতে হবে। তাহলে ক্রমাগত রক্ত গ্রহণের ফলে ত্বকে বা বিভিন্ন অঙ্গে আয়রন জমা হয়ে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারবে না। পরে অস্থিমজ্জা পরিবর্তন এবং জেনেটিক কাউন্সিলিং করতে হবে।
থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে করণীয়ঃ-
চিকিৎসা অপেক্ষা প্রতিরোধই উত্তম। থ্যালাসেমিয়ার মহামারি হতে নিষ্কৃতি পাওয়ার জন্য প্রথম প্রয়োজন থ্যালাসেমিয়া বহনকারী ব্যক্তিদের শনাক্তকরণ। দুজন বাহক যদি একে অন্যকে বিয়ে না করে তাহলে কোনো শিশুরই থ্যালাসেমিয়া নিয়ে জন্ম নেয়া সম্ভব নয়। যদি কোনো কারণে দুজন বাহকের বিয়ে হয়েও যায়, তাহলে সন্তান গর্ভধারণের অনতিবিলম্বে গর্ভস্থিত সন্তানের পরীক্ষা করা সম্ভব এবং পরীক্ষায় যদি প্রমাণিত হয় যে ভ্রূণটি থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত, সেক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এবং বাবা-মায়ের ইচ্ছায় গর্ভপাত ঘটানো যাবে।
সচেতনতায়: হালিশহর ব্লাড ব্যাংক
06/05/2024
"যৌবনাশ্রম খুঁজে দেখো!"
আব্দুর রহমান সাহেব ক'মাস ধরেই কিছু আঁচ করছিলেন। উনি তিন বছর হয় রিটায়ার করেছেন। সরকারী উচ্চপদে ছিলেন। ভাল অঙ্কের পেনশন পান। স্ত্রী গত হয়েছেন বহুদিন আগে।
দুটি ছেলেকে বড় যত্নে মানুষ করেছেন। বাবা এবং মায়ের দুজনের স্নেহ দিয়ে ভালভাবে লেখাপড়া করে তারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তারপর বড় ছেলের বিয়ে দিলেন। একটি নাতি হল। উনার মনে আর আনন্দ ধরে না ।
এরপর ছোট ছেলে নিজের পছন্দের মেয়ে খুঁজে বাবাকে জানালে তিনি সানন্দে সেই মেয়েকে ঘরে নিয়ে এলেন। রিটায়ারের আগেই বড় ছেলের বিয়ে হয়েছিল। তারপর ছোট বৌমা এল।
আব্দুর রহমান সাহেব এখন নাতিকে নিয়ে বেশ সময় কাটান। সংসারের অনেকটা ব্যয় ভার বহন করেন।
একদিন ইজি চেয়ারে বসে সকালে কাগজ পড়ছেন বড় বৌমার গলা পেলেন, আজ বাজার শর্ট আছে.রাতে রান্না হবে না। সে চাকরী করে। বলছে জা কে।
এ বাড়িতে ছেলেদের জন্মের আগে থেকে কাজের মেয়ে জয়নব আছে। সে তাঁর ছেলেদের থেকে বেশ কিছুটা বড়। জয়নব মাতৃহারা দুই ছেলেকে অপার স্নেহে আগলে রেখেছিল।
সে বলল--ভাইজানরা কেউ এনে দেবে।
বড় বৌ বলল--কেন বাবা তো বসে আছেন বাজারটা রোজ করলেই পারেন।
আব্দুর রহমান সাহেবের কানে কথাটা বাজল। বুঝলেন সংসারে তাঁর প্রয়োজন ফুরিয়েছে।
নিজের মনকে বললেন-- মন তুই তৈরী থাক।
এরপর থেকে বৌদের নানা আচরণে তাঁর প্রতি বিরূপতা প্রকাশ পেতে থাকল।
একদিন সকালে বড় ছেলে রাগত গলায় বৌকে বলছে--আমার শার্টটা লণ্ড্রী থেকে আনা হয়নি?
বড় বৌ বললো-- না যাবার সময় হয়নি।
বড় ছেলে -বাবা একটু আনতে পারল না? সারাদিন তো বসেই থাকে।
আব্দুর রহমান সাহেবের কানে গেলে ভাবলেন-- যুগধর্ম!
এরপর একদিন এক ছুটির দিনে সকালে ব্রেকফাস্ট টেবিলে এসে দেখলেন--সবাই আগে ভাগেই উপস্থিত।
জয়নব প্লেটে গরম লুচি, আলু ভাজি আর সন্দেশ পরিবেশন করছে।
বড় ছেলে বলল --বাবা একটা কথা ছিল।
আব্দুর রহমান সাহেব বুঝলেন এরা সকলে কিছু প্ল্যান করেছে। বললেন, বল।
বড় ছেলে বললো, জানো বাবা কাল অফিসের কাজে গাজীপুর গিয়েছিলাম। কাজের ফাঁকে সময় পেয়ে ওখানকার দর্শনীয় জায়গা গুলো দেখতে বেড়িয়েছিলাম। দেখলাম নদীর ধারে স্বাস্থ্যকর পরিবেশে একটা সুন্দর বৃদ্ধাশ্রম চালু হয়েছে। দেখেই ভাবলাম তুমি ওখানে মনোরম পরিবেশে শেষ জীবনটা থাকতে পারো। আমরা যাব আসব। কিরে ভাই কি বলিস?
ছোট ছেলে বলল, বেশ ভালো হবে।
আব্দুর রহমান সাহেব হেসে বললেন--সব তো শুনলাম। কিন্তু বাবারা তোমরা যেমন আমার জন্য ভাবো, আমিও তোমাদের জন্য ভাবি। তাই আমারও একটা প্রস্তাব আছে তোমাদের জন্য। তোমরাই বরং যুতসই এবং মনোরম পরিবেশের একটা যৌবনাশ্রমের খোঁজ করে নিয়ে সেখানে গিয়ে থাকোনা কেন। বাড়ীটাতো আমারই, পেনশনও পাই ভাল। জয়নব মাকে নিয়ে আমরা বাপ বেটিতে বেশ ভালই থাকব। তোমরাও আসবে যাবে।
এই ভাবে তিনি এক ছক্কায় বাজীমাত করে দিলেন। জয়নবকে বললেন--জয়নব মা, লুচিগুলো ঠাণ্ডা হয়ে গেল। গরম গরম নিয়ে আয় তো।
ছেলেরা আর ছেলেদের বৌয়েরা রীতিমতো হতভম্ব হয়ে গেল, বাকরুদ্ধ হয়ে বসে রইলো.....!!
দিন কাল পালটাচ্ছে। তাই যোগ্য জবাব দেবার জন্য তৈরী থাকা উচিৎ ........Cp
01/04/2024
সৌদি ফেরত প্রবাসীর জরুরি পরিবারের সন্ধান প্রয়োজন!
গতকাল ৩০ মার্চ রাত ৮.৩০ মিনিটে ফ্লাইদুবাই বিমান যোগে সৌদি আরবের জেলখানা থেকে মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় সরোয়ার ভাই দেশে ফিরেছেন। তিনি কিছুই বলতে পারেনা, সবসময় চুপচাপ থাকেন তাই আমরা অনেক চেষ্টা করেও কোন তথ্য পায়নি। তার সাথে থাকা বোর্ডিং পাশ ও জেলখানার কাগজে উল্লেখিত ভূক্তোভগীর নাম সরোয়ার, পিতা: আব্দুল বাশার। তার সাথে আসা জেলফেরত কর্মীরা জানান সরোয়ার ভাইয়ের বাড়ি কুমিল্লা পদুয়ার বাজার। এছাড়া আর কোন তথ্য পাওয়া যায়নি। জেলখানা থেকে তার সাথে আসা কর্মীরা সরোয়ারকে এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ান (এপিবিএন) অফিসে দিয়ে যায়, এরপর এপিবিএন থেকে সরোয়ার ভাইয়ের পরিবার খুঁজে নিরাপদে হস্তান্তরের জন্য রাতেই ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের কাছে হস্তান্তর করেন। বর্তমানে ব্র্যাক লার্নিং সেন্টারে আছেন সরোয়ার। সরোয়ার ভাইয়ের স্বজনের খোঁজে সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।
বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন: আল আমিন নয়ন, ম্যানেজার, ব্র্যাক মাইগ্রেশন ওয়েলফেয়ার সেন্টার, আশকোনা ঢাকা, 01712197854