প্রাচ্যের রানী চট্টগ্রাম (CHITTAGONG-The City of Prosperity)
Share
CHITTAGONG...The major sea port & the most beautiful city in BANGLADESH... Chittagong is one of the main revenue earning sources of Bangladesh Government.
Every year Government generates the highest revenue from Chittagong........ CHITTAGONG ,THE CITY OF PROSPERITY & The GATEWAY OF SOUTH ASIA. It is the second largest city in Bangladesh
sits on the bank of the Karnapuli River,which ends nearby, in the Bay of Bengal. It is Bangladesh's chief sea-port. Chittagong is about 268 km from Dhaka by road and 30 minutes by air. The city has a population of 3.
9 million,and is constantly growing. Much of the city is surrounded by hilly terrains. The Chittagong Hill Tracts range is situated nearby.The green hill forests and the sea beaches have made Chittagong a good spot for the holiday-makers. If you are driven by wanderlust and inquisitive enough to delve deep into the history and heritage of a region as well as interested to enrich yourself with the taste and variety of a curious mix of cultures, Chittagong has literally a cornucopia to offer. Replete with tourist attractions, it holds out a great promise for the sightseers and holidaymakers. The country also owes a lot to this region for its highest contribution to national revenue. Some of the sporting icons of the country also hail from this region. Location:
The second largest city of Bangladesh as well as a Divisional Headquarter, Chittagong is located at the south-eastern part of the country. Nestled between the Chittagong Hill Tracts and the Bay of Bengal, Chittagong is a major commercial centre and Bangladesh's busiest seaport. Coupled with the presence of Karnafully River and the Bay of Bengal, hilly terrains surrounding the city make a bewitching landscape. History:
Chittagong has been a seaport since ancient times. Arabs traded with the port from the 9th Century AD. The Chittagong region was under the Vesali kingdom of Arakan during the Sixth to Eighth Centuries and under the Mrauk U kingdom of Arakan in the 16th and 17th Centuries. The Mughal Commander Shaista Khan and his son Buzurg Umed Khan expelled the Arakanese from the area in 1666 and established Mughal rule. They renamed Chittagong as Islamabad. Chittaong grew at the beginning of the twentieth century after the Partition of Bengal and the creation of the province of Eastern Bengal and Assam. The construction of the Assam Bengal Railway to Chittagong facilitated economic growth in the city. During the British Raj, it became a hot bed for patriotic, revolutionary activities. After the Partition of India in 1947, the city became a part of East Pakistan. During the Bangladesh War of Liberation in 1971, Chittagong suffered massive casualties and witnessed some of the heroic battles fought by the freedom fighters against the Pakistani occupation forces. People and Culture:
Being a port city from early times, Chittagong attracted people from various regions of the world. These international contacts left a lasting impact on the language, religion and culture of the city. The people of the city are diverse and multi-ethnic, and the native Bengali and Tibeto-Burman populations have had significant influence from Arab, Afghan, and Mughal traders and settlers. The descendants of Portuguese settlers, known as the Firingi, also continue to live in Chittagong as Catholic Christians in the Old Portuguese enclave of Patharghata. With the influx of foreigners, Chittagong became a melting pot of races. Here majority of the urban people are involved in the import-export, trade-commerce and various industrial and business activities along with many other private and government sector occupations like other port cities of the globe. The people of Chittagong are very enterprising and have always been found ready to leave their hearth and home in search of better opportunities. Chittagong is also home to several universities, like Asian University for Women (AUW), Chittagong University (CU) and Chittagong University of Engineering and Technology (CUET).University of Science & Technology Chittagong (USTC)
Tourism:
The city of Chittagong is a major tourist attraction in Bangladesh. Its green hills and forests, its broad sandy beaches and its fine cool climate always attract the holidaymakers. Described by the Chinese traveller poet, Huen Tsang (7th century A.D) as "a sleeping beauty emerging from mists and water" and given the title of "Porto Grande" by the 16th century Portuguese seafarers, Chittagong is filled with dense green forests, endless rolling hills, a moderate climate and breathtaking beaches. The bustling harbour stands in stark contrast to the tranquillity and peaceful surroundings of the city. CHITTAGONG ,THE CITY OF PROSPERITY
&
The GATEWAY OF SOUTH ASIA
It is a great potential for us....
This city is neglected by the Govt every time.. But CHITTAGONG pays the highest revenue to the Government.. It is the time for us to do something for THE QUEEN OF BANGLADESH.....
চট্টগ্রাম
চট্টগ্রাম বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর | বন্দরনগরী নামে পরিচিত। এটি দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত। দেশের বাণিজ্যিক রাজধানী হিসাবে পরিচিত পাহাড় ও সমুদ্রে ঘেরা চট্টগ্রাম শহর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য বিখ্যাত। এখানে চট্টগ্রাম বন্দর ছাড়াও অনেক গুলো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
সীমারেখা
বাংলাদেশের বন্দরনগরী হিসেবে স্বীকৃত চট্টগ্রামের পশ্চিমে বঙ্গোপসাগর, উত্তরে ফেনী নদী ও ভারত, পূর্বে পার্বত্য জেলাসমূহ এবং দক্ষিণে কক্সবাজার জেলা রয়েছে। তবে শহর চট্টগ্রাম উত্তরে ফৌজহারহাট, দক্ষিণে কালুরঘাট এবং পূর্বে হাটহাজারী পর্যন্ত বিস্তৃত।
প্রশাসনিক অঞ্চল
চট্টগ্রাম শহর এলাকা ১২টি থানার অধীনঃ চান্দগাঁও, বায়জীদ বোস্তামী, বন্দর, ডবলমুরিং, পতেঙ্গা, কোতোয়ালী, পাহাড়তলী, পাঁচলাইশ, বাকলিয়া, কর্ণফুলী এবং নবগঠিত হালিশহর ও খুলশী থানা।
চট্টগ্রাম শহরে রয়েছে ৪১টি ওয়ার্ড এবং ২৩৬টি মহল্লা। শহরের মোট এলাকা হলো ২০৯.৬৬ বর্গ কিলোমিটার।
নগর প্রশাসন
মূল নিবন্ধ: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন
১৮৬৩ সালের ২২ জুন চট্টগ্রাম মিউনিসিপ্যালিটি'র যাত্রা শুরু। তবে এর প্রশাসন ও কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ১৮ জন কমিশনার সমন্বয়ে পরিষদ গঠন করা হয় ১৮৬৪ সালে। ঐসময়ে চট্টগ্রাম শহরের সাড়ে চার বর্গমাইল এলাকা মিউনিসিপ্যালিটির আওতাধীন ছিল। প্রথমে ৪টি ওয়ার্ড থাকলেও ১৯১১ সালে ৫টি ওয়ার্ড সৃষ্টি করা হয়। চট্টগ্রাম মিউনিসিপ্যালিটি ১৯৮২ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর সিটি কর্পোরেশনে রুপান্তরিত হয়। বর্তমানে ওয়ার্ড সংখ্যা ৪১টি। চট্টগ্রাম শহর এলাকা চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন-এর অধীনস্ত। শহরবাসীদের সরাসরি ভোটে সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এবং ওয়ার্ড কমিশনারগণ নির্বাচিত হন। বর্তমানে এই শহরের মেয়র মনজুর আলম। শহরের আইন-শৃংখলা বজায় রাখার জন্য নিযুক্ত রয়েছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ। এর সদর দপ্তর দামপাড়ায় অবস্থিত। চট্টগ্রামের প্রধান আদালতের স্থান লালদীঘি ও কোতোয়ালী এলাকায় ঐতিহাসিক কোর্ট বিল্ডিং এ।
সংস্কৃতি
চট্টগ্রামের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সুপ্রাচীন। জানা ইতিহাসের শুরু থেকে চট্টগ্রামে আরাকানী মঘীদের প্রভাব লক্ষনীয়। ফলে গ্রামীণ সংস্কৃতিতেও এর যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে। সে সময় এখানকার রাজারা বৌদ্ধধর্মাবলম্বী হওয়ায় তার প্রভাবও যথেষ্ট। সুলতানি, আফগান এবং মোগল আমলেও আরাকানীদের সঙ্গে যুদ্ধবিগ্রহ লেগেই ছিল। ফলে শেষ পর্যন্ত মঘীদের প্রভাব বিলুপ্ত হয়নি। এছাড়া চট্টগ্রামের মানুষ আতিথেয়তার জন্য দেশ বিখ্যাত।
চট্টগ্রামের বর্তমান সংস্কৃতির উন্মেষ হয় ১৭৯৩ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কর্তৃক চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তনের পর। এর ফলে ভারতীয় উপমহাদেশে সামাজিক ধানোৎপাদন ও বন্টনে পদ্ধতিগত আমূল পরিবর্তন হয়। অন্যান্য স্থানের মতো চট্টগ্রামেও একটি নতুন মধ্যবিত্ত সম্প্রদায়ের উদ্ভব হয়। নতুন এরই ফাঁকে ইংরেজরা প্রচলনা করে ইংরেজি শিক্ষা। মধ্যবিত্ত সম্প্রদায় ইংরেজি শিক্ষার মাধ্যমে পাশ্চাত্যের সঙ্গে পরিচিত হতে শুরু করে।
চট্টগ্রামের আঞ্চলিক গানের ইতিহাস সমৃদ্ধ। শেফালী ঘোষ এবং শ্যাম সুন্দর বৈষ্ণবকে বলা হয় চট্টগ্রামের আঞ্চলিক গানের সম্রাট ও সম্রাজ্ঞি। মাইজভান্ডারী গান ও কবিয়াল গান চট্টগ্রামের অন্যতম ঐতিহ্য। কবিয়াল রমেশ শীল একজন বিখ্যাত কিংবদন্তি শিল্পী। জনপ্রিয় ব্যান্ড সোলস, এল আর বি, রেঁনেসা, নগরবাউল এর জন্ম চট্টগ্রাম থেকেই। আইয়ুব বাচ্চু, কুমার বিশ্বজিৎ, রবি চৌধুরী, নাকিব খান, পার্থ বডুয়া, সন্দিপন, নাসিম আলি খান, মিলা ইসলাম চট্টগ্রামের সন্তান। নৃত্যে চট্টগ্রামের ইতিহাস মনে রখার মত। রুনু বিশ্বাস জাতীয় পর্যায়ে বিখ্যাত নৃত্যগুরু। চট্টগ্রামের বিখ্যাত সাংস্কৃতিক সংগঠন হল দৃষ্টি চট্টগ্রাম www.drishtyctg.com, বোধন আবৃত্তি পরিষদ, প্রমা, আলাউদ্দিন ললিতকলা একাডেমি, প্রাপন একাডেমি, উদিচি, আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদ, ফু্লকি, রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী সংস্থা, রক্তকরবী, আর্য সঙ্গীত, সঙ্গীত পরিষদ। মডেল তারকা নোবেল, মৌটুসি, শ্রাবস্তীর চট্টগ্রামে জন্ম । সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড পরিচালিত হয় জেলা শিল্পকলা একাডেমি, মুসলিম হল, থিয়েটার ইন্সটিটিউটে।
খাদ্য
চট্টগ্রামের মানুষ ভোজন রসিক হিসেবে পরিচিত। তারা যেমন নিজেরা খেতে পছন্দ করেন, তেমনি অতিথি আপ্যায়নেও সেরা। চট্টগ্রামের মেজবান হচ্ছে তার বড় উদাহরন। শুঁটকি মাছ , মধুভাত, বেলা বিস্কিট ,বাকর খানি ,লক্ষিশাক ,কালো গরুর গো্স্ত ভুনা , পেলন ডাল, মেজবানি মাংস, আফলাতুন হালুয়া, তাল পিঠা , নোনা ইলিশ চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহি খাদ্য ।
গণমাধ্যম
উল্লেখযোগ্য দৈনিক পত্রিকার মধ্যে রয়েছে দৈনিক আজাদী, দৈনিক পূর্বকোণ , সুপ্রভাত বাংলাদেশ এবং দৈনিক বীর চট্টগ্রাম মঞ্চ। এছাড়া জাতীয় দৈনিক প্রথম আলোর চট্টগ্রাম সংস্করন বের হয়।
বাংলাদেশ বেতার চট্টগ্রাম কেন্দ্রের মূল স্টুডিও আগ্রাবাদে অবস্থিত। এছাড়া কালুরঘাটে একটি বেতার সম্প্রচার কেন্দ্র রয়েছে। বাংলাদেশ টেলিভিশনএর চট্টগ্রাম কেন্দ্র পাহাড়তলীতে অবস্থিত। বেসরকারী এফএম রেডিও রেডিও ফুর্তি এবং রেডিও টুডের চট্টগ্রাম সম্প্রচার কেন্দ্র রয়েছে।
শিক্ষা
চট্টগ্রামে ইংরেজ শাসন প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আগে ভারতের অন্যান্য স্থানের মতো ধর্ম ভিত্তিক তিন ধরনের শিক্ষা ব্যবস্থার প্রচলন ছিল। আরবি নির্ভর মুসলমানদের জন্য মক্তব-মাদ্রাসা, সংস্কৃত ভাষা নির্ভর হিন্দুদের জন্য টোল-পাঠশালা-চতুষ্পাঠী এবং বৌদ্ধদের জন্য কেয়াং বা বিহার। সে সময় রাষ্ট্রাচারের ভাষা ছিল ফারসি। ফলে হিন্দুদের অনেকে ফারসি ভাষা শিখতেন। আবার রাষ্ট্র পরিচালনা এবং জনসংযোগের জন্য মুসলিম আলেমদের সংস্কৃত জানাটা ছিল দরকারী। এ সকল প্রতিষ্ঠানে হাতে লেখা বই ব্যবহৃত হতো। ইংরেজদের নতুন শিক্ষা ব্যবস্থার আগ পর্যন্ত এই তিন ধারাই ছিল চট্টগ্রামের শিক্ষার মূল বৈশিষ্ট্য।
১৭৬০ সালে কোম্পানির শাসন প্রতিষ্ঠত হলেও ইংরেজি শিক্ষা বিস্তারের কোন উদ্যোগ দেখা যায় নি, সমগ্র ভারত বর্ষে। ১৭৮১ সালে প্রতিষ্ঠিত কলকাতা মাদ্রাসা ছাড়া শিক্ষা বিস্তারে কোম্পানির আর কোন উদ্যোগ ছিল না। ১৮১৩ সালে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ভারতে শিক্ষা বিস্তারের জন্য আইন পাশ করে। এর পর ভারতের বিভিন্ন স্থানে মিশনারী স্কুলের সংখ্যা বাড়ে তবে ১৮৩৬ এর আগে চট্টগ্রামে সে মাপের কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠে নি। ১৮৩৬ সালে জেনারেল কমিটি অব পাবলিক ইনস্ট্রাকশন চট্টগ্রাম জেলা স্কুল নামে প্রথম ইংরেজি শিক্ষার প্রতিষ্ঠান চালু করে। এলাকার খ্রীস্টান মিশনারীরা ১৮৪১ সালে সেন্ট প্লাসিডস স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন।
১৮৪৪ সালে ভারতের বড়লাট ল্ড হার্ডিঞ্জ রাজকার্যে নিয়োগ পাওয়ার জন্য ইংরেজি জানা আবশ্যক ঘোষণা করলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বাড়ে। ১৮৫৬ ও ১৮৭১ সালে কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রামে প্রতিষ্ঠিত হলেও সেগুলো ছিল স্বল্পস্থায়ী। ১৮৬০ খ্রীস্টাব্দে মিউনিসিপ্যাল হাই স্কুল প্রতিষ্ঠত হয়। ১৮৮৫ সালে শেখ-ই-চাটগাম কাজেম আলী চিটাগাং ইংলিশ স্কুল নামে একটি মধ্য ইংরেজি স্কুল (অর্থাৎ ষষ্ঠ শ্রেণী পর্যন্ত) প্রতিষ্ঠা করেন। ১৮৮৮ সালে এটি হাই স্কুলে উন্নীত হয়।
চট্টগ্রাম শহরের মাধ্যমিক পর্যায়ের বিদ্যালয় গুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলোঃ চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল (স্থাপিত ১৮৩৬), মুসলিম হাই স্কুল, ইস্পাহানী পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, চট্টগ্রাম সরকারী ঊচ্চ বিদ্যালয়, ডাঃ খাস্তগীর বালিকা বিদ্যালয়, বাংলাদেশ মহিলা সমিতি উচ্চ বিদ্যালয়, সেন্ট প্লাসিডস, সেন্ট স্কলাসটিকা, নাসিরাবাদ সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম সরকারী বালিকা ঊচ্চ বিদ্যালয়, চট্রগ্রাম সেনানিবাস উচ্চ বিদ্যালয়, হাটহাজারী পার্বতী উচ্চ বিদ্যালয়, চ.বি. স্কুল এন্ড কলেজ, অপর্ণাচরন সিটি করপোরেশন স্কুল, আগ্রাবাদ সরকারী কলোনী উচ্চ বিদ্যালয় (বালক ও বালিকা শাখা), ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ, মহসিন স্কুল(স্থাপিত ১৮৭৪), হাতে খড়ি উচ্চবিদ্যালয়,কলকাকলি প্রাথমিক ও উচ্চ বিদ্যালয় আগ্রাবাদগোসাইলডাঙ্গা কে.বি.দোভাষ সিটির্কোপরাশন বালিকা বিদ্যালয়,বারিক মিয়া উচ্চ বিদ্যালয় গোসাইলডাঙ্গা,জে.আর.কে উচ্চ বিদ্যালয় আগ্রাবাদ বালিকা বিদ্যালয় ইত্যাদি। উল্লেখযোগ্য কলেজের মধ্যে রয়েছে চট্টগ্রাম কলেজ, মহসিন কলেজ, সরকারী বাণিজ্য কলেজ, সিটি কলেজ, হাটহাজারী কলেজ এবং আগ্রাবাদ মহিলা কলেজ চট্টগ্রাম অঞ্চলের সরকারী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, যা শহরের ২২ কিলোমিটার উত্তরে চট্টগ্রামের প্রাণকেন্দ্র হাটহাজারী থানায় অবস্থিত। চট্টগ্রাম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় এ কারিগরি ও প্রকৌশলে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষা প্রদান করা হয়। চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় দেশের একমাত্র ভেটেরিনারি বিশ্ববিদ্যালয়। বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর মধ্যে রয়েছে , বিজিসি ট্রাস্ট বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম (ইউএসটিসি), আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম, ইসলামিয়া ডিগ্রি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় সদর ঘাট ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ (আইইউবি), প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়, ইত্যাদি। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ চিকিৎসা শিক্ষার প্রধান কেন্দ্র। এছাড়া শহরে বেসরকারী মেডিকেল কলেজ ইউএসটিসি, মা ও শিশু হাস্পাতাল মেডিকাল কলেজ, সাউদার্ন মেডিক্যাল কলেজ, চট্টগ্রাম ডেন্টাল কলেজ রয়েছে। ইংরেজি মাধ্যম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলোর মধ্যে আছে সানশাইন গ্রামার স্কু্ল, চিটাগাং গ্রামার স্কুল, বে ভিউ, লিটল জুয়েলস, সামাফিল্ডস স্কুল, রেডিয়্যান্ট স্কুল, সাউথ পয়েন্ট স্কুল, সাইডার ইন্টা্ন্যাশনাল স্কুল,মাস্টারমাইন্ড স্কুল,চাইল্ড হেভেন স্কুল, প্রেসিডেন্সি ইন্টারন্যাশনাল স্কুল। শহরের একমাত্র আমেরিকান কারিকুলাম ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান উইলিয়াম কেরি একাডেমি।
খেলাধূলা
বাংলাদেশের অন্যান্য স্থানের মতো চট্টগ্রামে বিভিন্ন জনপ্রিয় খেলা যেমন ফুটবল, ক্রিকেট, বিলিয়ার্ড, টেবিল টেনিস, এথলেটিক্স, স্নুকার, দাবা ইত্যাদি প্রচলিত রয়েছে। চট্টগ্রামের ঐতিহাসিকগণ অবশ্য বেশ কিছু প্রাচীন খেলার কথা উল্লেখ করে থাকেন। এর মধ্যে রয়েছে বলীখেলা, গরুর লড়াই. তুম্বুরু, চুঁয়াখেলা, ঘাডুঘাডু, টুনি ভাইয়র টুনি, তৈইক্যা চুরি, হাতগুত্তি, কইল্যা, কড়ি, নাউট্টা চড়াই, ডাংগুলি, নৌকা বাইচ ইত্যাদি। এর মধ্যে জব্বারের বলীখেলার কারণে বলীখেলা, কুস্তি এবং নৌকা বাইচ এখনও চালু আছে। গ্রামাঞ্চলে বৈচি, ডাংগুলি এখনো দৃষ্টি আকর্ষন করে। তবে, অন্যগুলোর তেমন কোন প্রচলন দেখা যায় না।
জাতীয় পর্যায়ে চট্টগ্রামের খেলোয়াড়দের যথেষ্ঠ সুনাম রয়েছে। দেশের বাইরে থেকে সুনাম আনার ক্ষেত্রেও চট্টগ্রামের ক্রীড়াবিদদের অবদান উল্লেখযোগ্য। আইসিসি ট্রফি জেতা বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের দলনেতা ছিলেন আকরাম খান। কমনওয়েলথ গেমস থেকে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম স্বর্ণপদক অর্জনকারী চট্টগ্রামের শুটার আতিকুর রহমান। [১০]
চট্টগ্রামের স্প্রিন্টার মোশাররফ হোসেন শামীম জাতীয় পর্যায়ে পরপর ৭ বার ১০০ মিটার স্প্রিন্টে চ্যাম্পিয়ন হোন। এ কারণে ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ দল যখন প্রথম বিশ্ব অলিম্পিকে অংশ নেয় তখন মোশাররফ হোসেন শামীম বাংলাদেশের পক্ষে একমাত্র ক্রীড়াবিদ ছিলেন।
চট্টগ্রামের ক্রীড়াঙ্গণের মূল কেন্দ্র চট্টগ্রাম এম এ আজিজ স্টেডিয়াম। চট্টগ্রামের প্রধান ক্রীড়া সংগঠন চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া পরিষদের প্রধান কার্যালয় এই স্টেডিয়ামে।
চট্টগ্রামের দর্শনীয় স্থানসমূহ
ঐতিহাসিক স্থানসমূহঃ লালদিঘী ও লালদিঘী ময়দান, বদর আউলিয়ার দরগা, বায়েজিদ বোস্তামীর মাজার, সিটি কর্পোরেশন ভবন, আদালত ভবন, চেরাগি পাহাড় মোড় (স্মৃতি মিনার),জে এম সেন হল, পাহাড়তলীতে প্রীতিলতার স্মৃতি স্মারক, পার্ক , বিনোদন ও প্রাকৃতিক স্থানঃ ফয়'স লেক, জাতি-তাত্ত্বিক যাদুঘর (চট্টগ্রাম), মুসলিম হল, স্বাধীনতা পার্ক, ডিসি হিল পার্কর্কণফুলি শিশুর্পাক আগ্রাবাদপতেঙ্গা সমূদ্র সৈকতপতেঙ্গা বাটারফ্রাই র্পাকফয়েজলেক ওয়াটার লেন্ডকাজি দেউরি জাদুঘরনেভেল একাডিমি সীতাকুন্ড ইকুর্পাকভাটিয়ালি গল্ফ রাঙ্গামাঠি,বান্দরবন,খাখরাছড়ি,বিশ্বের দৈর্ঘ্যতম সমুদ্রসৈকত কক্সসবাজারসেন্ট র্মাটিন