26/08/2021
১৭ অক্টোবর থেকে খুলছে বিশ্ববিদ্যালয়
আগামী ১৭ অক্টোবর থেকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এর আগে টিকা সংক্রান্ত সব তথ্য ছক আকারে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে (ইউজিসি) পাঠাতে হবে। যে বিশ্ববিদ্যালয় শতভাগ টিকার আওতায় আসবে সে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসন হলসহ সব কার্যক্রম শুরু করতে পারবে বলে বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ আগস্ট) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল্লাহ।
তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় খোলার বিষয়ে আজ বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। সেখানে সিদ্ধান্ত হয়েছে টিকা দেওয়া সাপেক্ষে সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আগামী ১৭ অক্টোবর থেকে খুলতে পারবে। এ বিষয়ে টিকা দানের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে স্ব স্ব বিশ্ববিদ্যালয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।
এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে করোনা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ টেকনিক্যাল কমিটির সঙ্গে বৈঠক হয়।
বৈঠকে অংশ নিয়েছেন ইউজিসি সদস্য প্রফেসর দিল আফরোজা বেগম। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় খুলতে এখন একটিই সমস্যা তা হলো শিক্ষার্থীদের তথ্য। কোন শিক্ষার্থী ভ্যাকসিন নিয়েছেন, কবে নিয়েছেন সে সংক্রান্ত কোনো তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা আমাদের জানাতে পারেনি।
তিনি বলেন, অন্তত এক ডোজ টিকা শিক্ষার্থীদের না দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় খোলা হবে না। অথবা যাদের টিকার সার্টিফিকেট আছেন তারা শ্রেণি পাঠে সরাসরি অংশ নিতে পারবেন। তবে দীর্ঘ ২ মাস ধরে শিক্ষার্থীদের জাতীয় পরিচয়পত্রের কোন সমাধান এমন কী বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এ সংক্রান্ত তথ্য আমাদের দিতে ব্যর্থ হয়েছে।
ইউজিসির সদস্য বলেন, শিক্ষার্থীদের তথ্যগুলো পেলে আমরা নির্বাচন কমিশন অথবা স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কোন একটি চুক্তি করতে পারতাম। কোন বিশেষ ব্যবস্থায় টিকা অথবা এনআইডি কার্ডের ব্যবস্থা করা যেতো। কিন্তু এখন পর্যন্ত তথ্য না থাকায় কোনো সমাধান আসেনি। একারণে তিনি শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
29/06/2021
চবির ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদে তাণ্ডব, নেপথ্যে চাঁদা
চাঁদা না পেয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদে তাণ্ডব চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার (২৮ জুন) রাতে তারা এই তাণ্ডব চালায়। এ সময় দুর্বৃত্তরা প্রায় ৪০০ বস্তা সিমেন্ট নষ্ট করে ফেলে। এতে ২ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে। এর আগে রবিবার (২৭ জুন) সন্ধ্যায় কর্মরত ৪ জন রঙ মিস্ত্রিকে মারধর চক্রটি।
অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সালামত উল্ল্যা ভূঁইয়া বলেন, আজ (মঙ্গলবার) ছাদ ঢালাইয়ের কথা রয়েছে। প্রায় ৪০০ ব্যাগের কাছাকাছি সিমেন্ট ছিল, এগুলো দা দিয়ে কেটে পানি ঢেলে দিয়েছেন তারা। স্টুডেন্ট লাউঞ্জের দিকের গেট ভেঙে ফেলেছে। ঢালাই মেশিন চালানোর জন্য যে জেনারেটর আনা হয়েছিল, সেটার ফুয়েল ট্যাংক ফুটো করে দিয়েছে। ওখানকার কর্মচারীদের মোবাইল কেড়ে নিয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছি। প্রক্টর এবং নিরাপত্তা প্রশাসনকে পুলিশ ডেকে ব্যবস্থা নিতে বলেছি।
প্রক্টর ড. রবিউল হাসান ভূঁইয়া বলেন, একটা সিসিটিভি ফুটেজ পেয়েছি। সেটা দেখে খোঁজ নেয়ার চেষ্টা করছি কারা আছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।-তথ্যসূত্র : পূর্বকোণ
27/06/2021
বিপাকে চবি শিক্ষার্থীরা
দীর্ঘদিন বন্ধের পর গত ১৫ জুন সশরীরে একাডেমিক পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয় চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয় (চবি)। পরবর্তীতে বিভিন্ন বিভাগ পরীক্ষার রুটিনও প্রকাশ করে। কিন্তু পরীক্ষাগুলো শুরু না হতেই সোমবার থেকে সরকার দেশজুড়ে লকডাউন ঘোষণা করে। ফলে সরকারের সাথে সমন্বয় করে শনিবার বিকেলে অনির্দিষ্টকালের জন্য সব পরীক্ষা স্থগিত করে। কিন্তু রাতে বিশ^বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জরুরি বৈঠকে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে ৩০ জুন অর্থাৎ কঠোর লকডাউনের আগ পর্যন্ত পরীক্ষা চালিযে যাওয়ার ঘোষণা দেয়। এদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা বাস্তবায়ন ও সরকারের সাথে সমন্বয় করতেই এই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. রবিউল হাসান ভূঁইয়া। তিনি বলেন, ‘সরকার সোমবার থেকে সীমিত পরিসরে লকডাউন ঘোষণা করায় আমরা পরীক্ষা চালিয়ে যাবো। বিভিন্ন অনুষদের ডিনবৃন্দের মৌখিক পরামর্শে পরবর্তী সরকারি প্রজ্ঞাপন না আসা পর্যন্ত ৩০ জুন পর্যন্ত পরীক্ষা চলবে। এরপর পরীক্ষা স্থগিত হবে কিনা সে বিষয়ে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’ প্রশাসনের হুট করে সিদ্ধান্ত পরিবর্তনকে দূরদর্শিতার অভাব বলে মনে করছেন পরীক্ষা দিতে এসে হয়রানির সম্মুখীন হওয়া অনেক শিক্ষার্থীরা। বিকেলে পরীক্ষা স্থগিতের বিষয়টা জানতে পেরে অনেক শিক্ষার্থী বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিয়েছেন বলে দাবি তাদের। অন্যদিকে পরীক্ষার নেওয়ার সিদ্ধান্তে আশার আলো দেখলেও ৩০ জুনের পর পরীক্ষা স্থগিত হলে পরবর্তী শিক্ষাজীবন ও চাকরিতে প্রবেশ নিয়ে আবারও সংশয়ে পড়তে হবে শিক্ষার্র্থীদের। পরীক্ষা নিয়ে প্রশাসন প্রহসন শুরু করছে দাবি করে সামাজিক মাধ্যমে ক্ষোভ ঝাড়ছেন ভোগান্তিতে পড়া এসব শিক্ষার্থীরা। জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকাকালীন সময়ে শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। পরীক্ষা শুরুর নির্দেশনা দেওয়ার পর হল বন্ধ থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশেই মেসে অবস্থান করে পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছিলেন এসব শিক্ষার্থী। কিন্তু এখন আবার হঠাৎ পরীক্ষা স্থগিত হওয়ায় মেস ছেড়ে যাবেন কি না, সেটা নিয়েও দ্বিধায় রয়েছেন। এছাড়া শারীরিক ও মানসিকভাবেও তারা ভেঙে পড়েছেন। তারা বলছেন, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে রীতিমতো রসিকতা করা হচ্ছে।
যা বলছেন শিক্ষার্থীরা:
গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী মুশফিক রাহাত পূর্বকোণকে বলেন, ‘আমাদের পরীক্ষার মাঝামাঝি বন্ধ কেন করতে হবে? এত দূর-দুরান্ত থেকে সবাই নিজ দায়িত্বে নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পরীক্ষা দিতে আসছে। যখন চাইলাম পরীক্ষা দিয়ে দিলাম, যখন ইচ্ছা বন্ধ করে দিলাম। আমাদের জান, মাল এর মূল্য নাই?’
তাজিন সুলতানা নামে এক ছাত্রী বলেন, ‘হল না খুলে, পরীক্ষা নেয়ার কথা বলে আমাদের চট্টগ্রামে টেনে আনা হলো। জায়গা ম্যানেজ করতে কতটা কস্ট হয়েছে তা বলা বাহুল্য।
কর্তৃপক্ষের বক্তব্য:
সার্বিক বিষয়ে বিশ^বিদ্যালয় রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এস এম মনিরুল হাসান বলেন, ‘আমি শিক্ষার্থীদের কষ্ট বুঝছি। কিন্তু এ মুহূর্তে আমাদের কিছু করার নেই। সরকারি সিদ্ধান্ত আমাদের মেনে চলতে হবে।’
26/06/2021
অনির্দিষ্টকালের জন্য চবি’র সকল পরীক্ষা স্থগিত
কঠোর লকডাউন ঘোষণা করায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) চলমান সকল পরীক্ষা অর্নিদিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। শনিবার (২৬ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চবি প্রক্টর রবিউল হাসান ভূঁইয়া।
তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের উপার্চায ও উপ-উপাচার্য, রেজিস্ট্রার এবং পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে অনলাইনে মিটিংয়ে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এতে আগামীকালের পরীক্ষাসহ চলমান সকল পরীক্ষা অর্নিদিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘চবি শিক্ষার্থীদের ঢাকা পর্যন্ত পৌঁছে দিবে চবি প্রশাসন। আগামীকাল দুপুর ১২টায় চবি জিরো পয়েন্ট থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে বাস রওনা দিবে। শিক্ষার্থীদেরকে আইডি কার্ড সাথে রাখতে হবে।’
আগামীকাল থেকে চলমান সকল পরীক্ষা পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত স্থগিত থাকবে বলেও জানান তিনি।
30/11/2012
আগামীকাল চবির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
ব্যাপক উৎসব, উদ্দীপনা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য শনিবার ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করতে যাচ্ছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য প্রফেসর মো. আনোয়ারুল আজিম আরিফ লিখিত বক্তব্যে এ তথ্য জানান।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ‘জ্ঞানভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় অঙ্গীকারাবদ্ধ’ স্লোগান নিয়ে শনিবার দিনব্যাপী নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হবে।
সংবাদ সম্মেলনে আরো জানানো হয়, গত ১৮ নভেম্বর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা দিবস ছিল। গত ১১ নভেম্বর হতে ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ায় ওই দিন প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। তাই ১ ডিসেম্বর শনিবার দিবসটি উদযাপন করা হচ্ছে।
ওই দিন সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয় গোল চত্বরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ৪৬টি বেলুন উড়াবেন উপাচার্য প্রফেসর মো. আনোয়ারুল আজিম আরিফ। এরপর উপাচার্যের নেতৃত্বে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বিশ্ববিদ্যালয় কাটা পাহাড় রাস্তা হয়ে শেষ হবে জারুল তলার অস্থায়ী মঞ্চে। সেখানে ৪৬টি মোমবাতি জ্বালিয়ে ৪৬ পাউন্ডের একটি কেক কেটে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন উপাচার্য প্রফেসর আরিফ।
দিনব্যাপী এ আয়োজনে থাকবে বিশ্ববিদ্যালয় ইতিহাস-ঐতিহ্যে নিয়ে আলোচনা, প্রাক্তনদের স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠান, স্লাইড প্রদর্শনী, অতিথি আপ্যায়ন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব শিল্পীদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও প্রীতি ক্রীড়া প্রতিযোগিতাসহ নানান আয়োজন। সন্ধ্যার পর থাকছে দেশে সেরা ব্যান্ড দল শিরোনামহীনের এর পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা।
29/11/2012
29 Nov 2012
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনে প্রস্তুত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
চট্টগ্রাম: প্রতিষ্ঠার ৪৬ বছর পূর্তি উদযাপন করতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। এ উপলক্ষে আগামী শনিবার দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য কর্মসূচির আয়োজন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে নগরীর একটি রেস্টুরেন্টে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে উপাচার্য প্রফেসর আনোয়ারুল আজিম আরিফ বলেন,‘গত ১৮ নভেম্বর ছিল চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠা দিবস। কিন্তু প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা থাকার কারণে কর্মসূচী পিছিয়ে দেয়া হয়। আগামী ১ ডিসেম্বর শনিবার আমরা বর্ণাঢ্যভাবে দিবসটি উদযাপন করব। এজন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।`
৪৬ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানসূচি সর্ম্পকে উপাচার্য জানান, শনিবার সকাল ১০টায় গোলচত্বরে `স্বরণ` ভাস্কর্যের সামনে থেকে ৪৬টি বেলুন উড়িয়ে প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহনে আনন্দ শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের শুরু হবে।
শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের সামনে জারুলতলার অস্থায়ী মঞ্চে গিয়ে শেষ হবে। সেখানে ৪৬টি মোমবাতি জ্বালিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও আমন্ত্রিত অতিথিরা।
প্রফেসর আরিফ জানান, জারুলতলার মঞ্চে এরপরই শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের স্মৃতিচারণ, চবি ক্যাম্পাস ও ৪৬ বছরের অর্জন নিয়ে ডিজিটাল পর্দায় স্লাইডশো প্রদর্শন এবং গৌরবাজ্জ্বল ইতিহাস তুলে ধরে একটি সুভিন্যর বের করা হবে। বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত শিল্পীদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং সন্ধ্যে ৭টায় থাকছে ‘শিরোনামহীন’ ব্যান্ডের পরিবেশনা।
মতবিনিময় সভায় উপাচার্য প্রফেসর আরিফ জানান, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্য ছাড়াও, সাবেক উপাচার্য, বরেণ্য শিক্ষাবিদ, মন্ত্রী এবং সাংসদদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। এ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
উপাচার্য বলেন,‘ প্রতিষ্ঠার ৪৭ তম বছরে পা রাখা উপলক্ষে ‘জ্ঞান ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় অঙ্গীকারবদ্ধ’ একটি থিম নির্ধারণ করা হয়েছে। উন্নত ও আধুনিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় জ্ঞানের বিকল্প নেই। আর আগামী দিনে দক্ষ, যোগ্য ও প্রশিক্ষিত মানবসম্পদ সৃষ্টিতে আলোর দিশারী হয়ে সেই জ্ঞানের প্রদীপ জ্বেলে যেতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।’
স্বাধীনতার পাঁচ বছর আগে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে ১৯৬৬ সালের ১৮ নভেম্বর বন্দরনগরীর ২২ কিলোমিটার দূরে উত্তর সীমান্তে হাটহাজারী উপজেলার ফতেপুর গ্রামের পাহাড়-সমতলে ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়’ প্রতিষ্ঠিত হয়।
প্রতিষ্ঠাতা উপাচার্য শিক্ষাবিদ ড. আজিজুর রহমান (এ আর) মল্লিকের হাতধরে প্রথমে কলা অনুষদের অধীনে বাংলা, ইংরেজি, ইতিহাস ও অর্থনীতি বিভাগে ২০২ শিক্ষার্থী নিয়ে এমএ প্রিলিমিনারি কোর্স দিয়ে যাত্রা শুরু হয় পাহাড় ঘেরা এ সবুজ ক্যাম্পাসের। দীর্ঘ পথ পেরিয়ে বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের আটটি অনুষদে (অধিভুক্ত চিকিৎসা অনুষদ) ৩৯টি বিভাগ ও ৭টি ইনস্টিটিউটে ২০ হাজার ১৯৭ জন শিক্ষার্থী স্নাতক ও স্নাতকোত্তরে অধ্যয়ন করছেন। এছাড়াও শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের গবেষণার জন্য নজরুল গবেষণা কেন্দ্র, ব্যুরো অব বিজনেস রিসার্চ, গণিত ও ভৌত গবেষণা কেন্দ্র এবং নজরুল গবেষণা কেন্দ্র রয়েছে।
১৯৮৯ সালে নোবেলজয়ী আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন পদার্থবিজ্ঞানী আবদুস সালাম গণিত ও ভৌত গবেষণা কেন্দ্রটি উদ্বোধন করেন। উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণা উৎকর্ষের পাশাপশি ‘৬৯-এর গণঅভ্যূত্থান,৭০-এর নির্বাচন, স্বাধীনতাযুদ্ধ, ‘৯০ এর গণ আন্দোলনসহ দেশের বিভিন্ন ইস্যুতে বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরবজ্জ্বল ভুমিকা আছে।
11/10/2012
Hi
chittagong university college friends.
how are all of you..?