আসমানের নিচে জমিনের উপরে একজন সালাফি/আহলে হাদীছের দোয়াই সর্বোৎকৃষ্ট দোয়া ; ঠিক তেমনি....
আসমানের নিচে জমিনের উপরে একজন সালাফি/আহলে হাদীছের বদ দোয়া ই সবচাইতে ভয়ংকর, সবচাইতে ক্ষতিকর, সবচাইতে বিভৎস, সবচাইতে............
সুতরাং একজন সালাফি/আহলে হাদীছের দোয়া না পাও বদ দোয়ার স্বীকার হইও না..............
এ টু জেড.............
Mahedi Hasan Bappy - মেহেদী হাসান বাপ্পী
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Mahedi Hasan Bappy - মেহেদী হাসান বাপ্পী, Social service, Chittagong.
শির্ক এক ভয়ংকর পাপ, সরাসরি মহান রবের উপর অত্যাচার, আহা এ যে কতো বড় জঘন্য অত্যাচার, কতো নির্মম অত্যাচার, কতোটা ভয়ংকর......
যেই রব আপনাকে সৃষ্টি করে এই পৃথিবীতে পাঠিয়েছে, আপনাকে মা দিয়েছে, বাবা দিয়েছে, ভাই-বোন দিয়েছে, সন্তান-সন্ততি দিয়েছে, আপনাকে বেঁচে থাকার জন্য শ্বাস প্রশ্বাস দিয়েছে, খাদ্য দিয়েছে, বাসস্থান দিয়েছে, সেই রবের উপর কি নিদারুণ জুলুম, সেই রবের আত্মমর্যাদা নিয়ে কি জঘন্যভাবে টানাহেঁচড়া, আহ........
রব ও বলে দিয়েছেন তিনি তাঁর উপর এই অত্যাচার, জুলুম বা স্বেচ্ছাচারিতার ক্ষমা করবেন না........
এই জঘন্য পাপের শাস্তি যে কি ভয়ংকর, কি ভয়ংকর, কি ভয়ংকর, কি ভয়ংকর, কি ভয়ংকর, কি ভয়ংকর, কি ভয়ংকর, কি ভয়ংকর, কি ভয়ংকর, কি ভয়ংকর, কি ভয়ংকর, কি ভয়ংকর, কি ভয়ংকর, কি ভয়ংকর, কি ভয়ংকর, কি ভয়ংকর, কি ভয়ংকর, কি ভয়ংকর, কি ভয়ংকর, কি ভয়ংকর.....................................
🟢 ও আল্লাহ্ ! আপনি মাসজিদুল আক্বসা কে হেফাজত করুন।
🟢 ও আল্লাহ্ ! আপনি মাসজিদুল আক্বসা কে হেফাজত করুন।
🟢 ও আল্লাহ্ ! আপনি মাসজিদুল আক্বসা কে হেফাজত করুন।
🔴 আগ্রাসকদের আগ্রাসন থেকে এবং
🔴 দখলদারদের দখল থেকে।
🟢 হে মহিমা ও সম্মানের অধিকারী (আল্লাহ্) !
🟢 আপনি সেটাকে কেয়ামত পর্যন্ত সম্মানিত এবং গৌরবময় রাখুন।
🟢 হে বিশ্বজগতের প্রতিপালক !
Jazak Allahu Khayran - জাযাক আল্লাহু খাইরান - ﺟَﺰَﺍﻙَ ﺍﻟﻠّٓﻪُ ﺧَﻴْﺮًﺍ
🎙️ আব্দুর রহ্মান বিন আব্দিল আযিয আস-সুদাইস (হাফিঃ)
বিশ্বাসী আর অবিশ্বাসী
এক বিশ্বাসীর কঠিন থেকে কঠিন পরীক্ষা চলছিলো, মানুষ রূপি কিছু শয়তান তার আল্লাহ দেয়া রিয্বিক ছিনিয়ে নিতে উঠে পরে লেগেছিলো, নিয়েও ছিলো, ঠকিয়ে ছিলো তাঁকে, ভয়ংকর ভাবে ঠকিয়েছিলো। তাতেও অবিশ্বাসীরা ক্ষান্ত হয়নি। যে কোনও মূল্যেই হোক বিশ্বাসীকে ধ্বংস কেরতে চায়।
অবিশ্বাসীরা বিশ্বাসীকে এমন কোনও জঘন্য উপায় নাই যার মাধ্যমে হেনস্তা করেনি, বিপরীতে বিশ্বাসী কেবল ধৈর্য্যই ধরে ছিলো, বিশ্বাসীকে আল্লাহ ধৈর্যের মাধ্যমে সবর নামক নেয়ামত দিয়েছিলেন। বিশ্বাসীর বিশ্বাস ছিলো একসময় অবিশ্বাসীদের হয়তো মহান আল্লাহ হেদায়েত দিলেও দিতে পারেন। সেই অপেক্ষাতেই ছিলো বিশ্বাসী..........
এভাবেই দিন যায়, মাস যায়, বছরের পর বছর যায়, না অবিশ্বাসীরা থামছেই না, থামার কোনও নাম গন্ধ নেই, একের পর এক অত্যাচার, সামাজিক - পারিবারিক - রাজনৈতিক, এমনকি কুফরি - শির্কী অত্যাচারও দিনের পর দিন চলতেই থাকলো।
বিশ্বাসী অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে আর টিকতে পারছিলো না, বিশ্বাসীও রক্তে মাংসে গড়া মানুষ, তারও রাগ হয়, তারও আল্লাহর দেয়া ক্ষমতা প্রয়োগ করতে ইচ্ছা হয়, তার যেনো ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে যাচ্ছিলো, একটা সময় থেকে বিশ্বাসী আতংকিত হতে থাকলো না জানি কখন মোক্ষম জবাব দিতে গিয়ে ঈমান হারিয়ে ফেলে, না জানি সে বেঈমান হয়ে মৃত্যু বরণ করে, না জানি সে এমন কোনও জঘন্য প্রতিশোধ নিতে গিয়ে আল্লাহর ক্রোধের শিকার হয়, না জানি সে......
বিশ্বাসী মহান আল্লাহর কাছে দুই হাত তুলে দোয়া করলো, বল্লো মালিক আপনি মহান, আপনি পবিত্র, আপনিই একমাত্র প্রকৃত ক্ষমতাবান, সত্যিকারের রব ও ইলাহা, আপনি চিরস্থায়ী.........
মালিক আপনি আপনার যে বার্তাবাহক প্রেরণ করেছেন আমি তাঁকে মেনে নিয়েছি হৃদয়ের গভীর থেকে, আমি তাঁর দেখানো পথে অটল ও অটুট থাকতে চাই, আপনিই একমাত্র সাহায্যকরী তাই বার্তাবাহকের সঠিক পথে আমৃত্যু টিকে থাকতে আমাকে সাহায্য করুন, আমিতো নিঃস্ব, অসহায়।
আপনি অবিশ্বাসীদের ব্যবস্থা করুন।
অবিশ্বাসীদের কাজতো তারা করেই যাচ্ছে ; হঠাৎ অবিশ্বাসীদের একজনের একমাত্র পুত্র সন্তান মারা গেলো,
এ কি যেমন তেমন মৃত্যু..........
ঐ অবিশ্বাসীর পুত্র সন্তান ঘুরতে ভালোবাসতো, হঠাৎ কোনও এক ট্যুরে যাচ্ছিলো নামি-দামি এক বাসে চরে, বাস চলছে পাহাড়ি রাস্তার আঁকাবাঁকা পথে, প্রচন্ড গতিতে, বাসের ভিতর সবাই সেকি হৈ হুল্লোড়, আনন্দ - ফুর্তি, নাচ-গান। হঠাৎ অবিশ্বাসীর পুত্র সন্তানকে সবাই প্রায় একযোগে বলে উঠলো গান ধরতে, কোনও এক ট্যুর মেটের প্রেমে হাবুডুবু খাওয়া ছেলেটি নিজ সিট থেকে দাঁড়িয়ে গলা ছেড়ে গান ধরলো........
রাস্তার দুইপাশের পাহাড়ে তখন সামরিক বাহিনীর গোপন মিশনে বেশ ক'জন সেনা তাদের অত্যাধুনিক বন্দুক তাক করে আছে বিপরীত পাশের আদিবাসী গেরিলা যোদ্ধাদের দিকে, সে কি টান টান উত্তেজনা। অতীব ভয়ংকর পরিস্থিতি......
অবিশ্বাসীর ছেলের বাস চলছেই তো চলছে। হঠাৎ গেরিলা কোনও এক যোদ্ধা গুলি অন করে, পরক্ষণেই সামরিক বাহিনীর গুলি অন হলেই হুন্দাই বাসের এসি কোচের কালো গ্লাস ভেধ করে একটি গুলি ঐ অবিশ্বাসীর ছেলের মাথায় আঘাত হানে, কেউ কিছু বুঝতেও পারে নাই, বাসে গানের শব্দে কেউ কিছু বুঝতেও পারে নাই, বাস চলছে তার নিজ গতিতে, প্রায় পয়তাল্লিশ সেকেন্ড পর পাশের ছেলেটা অবিশ্বাসীর ছেলেকে বলছে থামলি কেন, ভালোইতো গাইছিলি.......
অবিশ্বাসীর ছেলে ঐ দাঁড়ানো অবস্থাতেই নাই, কানের বরাবর এক ইঞ্চি উপরে সরাসরি মস্তিষ্কে আঘাত করে প্রায় পঞ্চাশ মিটার দূর থেকে ছোড়া একে ফিফটি সেভেনের গুলি, গুলিটি হুন্দাই বাসের কঠিন কাঁচের জানালা ভেধ করে অবিশ্বাসীর ছেলের মস্তিষ্কে ঢুকে পরে, গুলিটি মাথার অপর প্রান্ত দিয়ে আর বের হতে পারে নি। মস্তিষ্কের ভিতরে অপর প্রান্তের ঠিক আগে আগে থেমে যায় গুলির শক্তি।
পাশের ছেলেটা বলার প্রায় একমিনিট পার হওয়ার পরেও যখন অবিশ্বাসীর ছেলে নিশ্চুপ তখন সে তাকে ধাক্কা দেয় আর অমিনি সে এলিয়ে পরে। পাশের ছেলেটি তার মোবাইলের আলো অন করে তার দিকে দিতেই দেখে সে বাসের জানালায় এলিয়ে পরেছে, উঠে তাকে ধরতেই এক হাত গরম রক্তে ভিজে উঠে, মোবাইলের আলো হাতে মেরে দেখে রক্ত। এক বিকট চিৎকার দেয় সে, বাস ড্রাইভার হার্ড ব্রেক করে কোনও মতে পাহাড়ের সঙ্গে কিছুটা ধাক্কা লাগিয়ে বাস থামায়, বাস জুড়ে ভয়ংকর বিভৎস চিৎকার চেচামেচি আর.........
চলবে.........
27/07/2023
⚫ জামে’ আত–তিরমিজি
🔴 ৬▪️কিতাবুল সিয়াম (রোযা)
🔵 ৫০▪️অনুচ্ছেদ
⚫ কোন্টি আশূরার দিন?
🟢 ৭৫৫
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ، عَنْ يُونُسَ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ أَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِصَوْمِ عَاشُورَاءَ يَوْمَ الْعَاشِرِ . قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ ابْنِ عَبَّاسٍ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ . وَقَدِ اخْتَلَفَ أَهْلُ الْعِلْمِ فِي يَوْمِ عَاشُورَاءَ فَقَالَ بَعْضُهُمْ يَوْمُ التَّاسِعِ . وَقَالَ بَعْضُهُمْ يَوْمُ الْعَاشِرِ . وَرُوِيَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّهُ قَالَ صُومُوا التَّاسِعَ وَالْعَاشِرَ وَخَالِفُوا الْيَهُودَ . وَبِهَذَا الْحَدِيثِ يَقُولُ الشَّافِعِيُّ وَأَحْمَدُ وَإِسْحَاقُ .
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, (মুহার্রামের) দশম তারিখে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আশূরার রোযা পালন করতে আদেশ করেছেন।
🔳 আবূ ঈসা ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে হাসান সহীহ্ বলেছেন। আলিমগণের মধ্যে আশূরার দিন প্রসঙ্গে দ্বিমত রয়েছে। কেউ কেউ (মুহার্রামের) নয় তারিখের কথা বলেন, আবার অন্য একদল দশ তারিখের কথা বলেছেন। ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন, তোমরা নয় ও দশ (এই দুই দিন) রোযা পালন কর এবং (এই ক্ষেত্রে) ইয়াহূদীদের বিপরীত কর। এই হাদীস অনুযায়ী মত প্রকাশ করেছেন ইমাম শাফিঈ, আহ্মাদ ও ইসহাক।
🟩 হাদিসের মানঃ সহিহ হাদিস
🔘 [ জামে’ আত–তিরমিজিঃ ( ৭৫৫ ) ]
––––––––––––––––––––––––––––––
⚫ সহিহ মুসলিম
🔴 ১৪▪️কিতাবুস্ সিয়াম (রোজা)
🔵 ৩৬▪️অধ্যায়
⚫ প্রতি মাসে তিনদিন, আরাফাতের দিন, ‘আশুরার দিন, সোম ও বৃহস্পতিবার সওম পালনের ফাযীলাত
🟢 ১১৬২ ( আন্তর্জাতিক নাম্বার )
২৬৩৬ ( হাদিস একাডেমি নাম্বার )
وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى التَّمِيمِيُّ، وَقُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، جَمِيعًا عَنْ حَمَّادٍ، - قَالَ يَحْيَى أَخْبَرَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، - عَنْ غَيْلاَنَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَعْبَدٍ الزِّمَّانِيِّ، عَنْ أَبِي قَتَادَةَ، رَجُلٌ أَتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ كَيْفَ تَصُومُ فَغَضِبَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَلَمَّا رَأَى عُمَرُ - رضى الله عنه - غَضَبَهُ قَالَ رَضِينَا بِاللَّهِ رَبًّا وَبِالإِسْلاَمِ دِينًا وَبِمُحَمَّدٍ نَبِيًّا نَعُوذُ بِاللَّهِ مِنْ غَضَبِ اللَّهِ وَغَضَبِ رَسُولِهِ . فَجَعَلَ عُمَرُ - رضى الله عنه - يُرَدِّدُ هَذَا الْكَلاَمَ حَتَّى سَكَنَ غَضَبُهُ فَقَالَ عُمَرُ يَا رَسُولَ اللَّهِ كَيْفَ بِمَنْ يَصُومُ الدَّهْرَ كُلَّهُ قَالَ " لاَ صَامَ وَلاَ أَفْطَرَ - أَوْ قَالَ - لَمْ يَصُمْ وَلَمْ يُفْطِرْ " . قَالَ كَيْفَ مَنْ يَصُومُ يَوْمَيْنِ وَيُفْطِرُ يَوْمًا قَالَ " وَيُطِيقُ ذَلِكَ أَحَدٌ " . قَالَ كَيْفَ مَنْ يَصُومُ يَوْمًا وَيُفْطِرُ يَوْمًا قَالَ " ذَاكَ صَوْمُ دَاوُدَ عَلَيْهِ السَّلاَمُ " . قَالَ كَيْفَ مَنْ يَصُومُ يَوْمًا وَيُفْطِرُ يَوْمَيْنِ قَالَ " وَدِدْتُ أَنِّي طُوِّقْتُ ذَلِكَ " . ثُمَّ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " ثَلاَثٌ مِنْ كُلِّ شَهْرٍ وَرَمَضَانُ إِلَى رَمَضَانَ فَهَذَا صِيَامُ الدَّهْرِ كُلِّهِ صِيَامُ يَوْمِ عَرَفَةَ أَحْتَسِبُ عَلَى اللَّهِ أَنْ يُكَفِّرَ السَّنَةَ الَّتِي قَبْلَهُ وَالسَّنَةَ الَّتِي بَعْدَهُ وَصِيَامُ يَوْمِ عَاشُورَاءَ أَحْتَسِبُ عَلَى اللَّهِ أَنْ يُكَفِّرَ السَّنَةَ الَّتِي قَبْلَهُ " .
আবূ ক্বাতাদাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে উপস্থিত হয়ে জিজ্ঞেস করল, আপনি কিভাবে সওম পালন করেন? তার এ কথায় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অসন্তুষ্ট হলেন। ‘উমার (রাঃ) তাঁর অসন্তোষ লক্ষ্য করে বললেন, “আমরা আল্লাহ্র উপর (আমাদের) প্রতিপালক হিসেবে, ইসলামের উপর (আমাদের) দ্বীন হিসেবে এবং মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উপর আমাদের নবী হিসেবে আমরা সন্তুষ্ট। আমরা আল্লাহ্র কাছে তাঁর ও তাঁর রসূলের অসন্তোষ থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করি”। উমার (রাঃ) কথাটি বার বার আওড়াতে থাকলেন, এমনকি শেষ পর্যন্ত রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর অসন্তোষের ভাব দূরীভূত হ’ল। তখন ‘উমার (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহ্র রসূল! যে ব্যক্তি সারা বছর সওম পালন করে তার অবস্থা কিরূপ? তিনি বললেন, সে সওম পালন করেনি এবং ছেড়েও দেয়নি। তিনি পুনরায় জিজ্ঞেস করলেন, যে ব্যক্তি একদিন পর একদিন সওম পালন করে তার অবস্থা কিরূপ? তিনি বললেন, এটা দাঊদ (আঃ)-এর সওম। তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেন, যে একদিন সওম পালন করে ও একদিন করে না, তার অবস্থা কিরূপ? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমি আশা করি যে, আমার এতটা শক্তি হোক। তিনি পুনরায় বললেন, প্রতি মাসে তিনদিন সওম পালন করা এবং রমাযান মাসের সওম এক রমাযান থেকে পরবর্তী রমাযান পর্যন্ত সারা বছর সওম পালনের সমান। আর ‘আরাফাহ্ দিবসের সওম সম্পর্কে আমি আল্লাহ্র কাছে আশাবাদী যে, তাতে পূর্ববর্তী বছর ও পরবর্তী বছরের গুনাহের ক্ষতিপূরণ হয়ে যাবে। আর ‘আশুরার সওম সম্পর্কে আমি আল্লাহ্র কাছে আশাবাদী যে, তাতে পূর্ববর্তী বছরের গুনাহসমূহের কাফ্ফারাহ্ হয়ে যাবে।
🟩 হাদিসের মানঃ সহিহ হাদিস
🔘 [ সহিহ মুসলিমঃ ( হা.এ. - ২৬৩৬ ), ( আ.না. - ১১৬২ ), ( ই.ফা. - ২৬১৩ ), ( ই.সে. - ২৬১২ ) ]
––––––––––––––––––––––––––––––
⚫ সহিহ মুসলিম
🔴 ১৪▪️কিতাবুস্ সিয়াম (রোজা)
🔵 ৩৮▪️অধ্যায়
⚫ মুহার্রমের সওমের ফাযীলাত
🟢 ১১৬৩ ( আন্তর্জাতিক নাম্বার )
২৬৪৫ ( হাদিস একাডেমি নাম্বার )
حَدَّثَنِي قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ أَبِي بِشْرٍ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، الْحِمْيَرِيِّ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، - رضى الله عنه - قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " أَفْضَلُ الصِّيَامِ بَعْدَ رَمَضَانَ شَهْرُ اللَّهِ الْمُحَرَّمُ وَأَفْضَلُ الصَّلاَةِ بَعْدَ الْفَرِيضَةِ صَلاَةُ اللَّيْلِ " .
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: রমাযানের সিয়ামের পর সর্বোত্তম সওম হচ্ছে আল্লাহ্র মাস মুহাররমের সওম এবং ফরয সলাতের পর সর্বোত্তম সলাত হচ্ছে রাতের সলাত।
🟩 হাদিসের মানঃ সহিহ হাদিস
🔘 [ জামে’ আত–তিরমিজিঃ ( ৭৫৫ ),
সহিহ মুসলিমঃ ( হা.এ. - ২৬৩৬ ), ( আ.না. - ১১৬২ ), ( ই.ফা. - ২৬১৩ ), ( ই.সে. - ২৬১২ ),
সহিহ মুসলিমঃ ( হা.এ. - ২৬৪৫ ), ( আ.না. - ১১৬৩ ), ( ই.ফা. - ২৬২২ ), ( ই.সে. - ২৬২১) ]
Jazak Allahu Khayran - জাযাক আল্লাহু খাইরান - ﺟَﺰَﺍﻙَ ﺍﻟﻠّٓﻪُ ﺧَﻴْﺮًﺍ
IRD Foundation
ইউনিকোড বাংলা হাদিস - Bangla Hadith Unicode
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Culinary Team
Attire
Contact the business
Telephone
Website
Address
Chittagong
