14/03/2024
প্রিয় গরুর গোশত,
আশা করি ভালই আছো, বিনীত নিবেদন, আগে মাঝে মাঝে তোমার সাথে দেখা হতো। কখনো সপ্তাহে, কখনো ১৫ দিনে একবার, এরপর মাসে একবার। কিন্তু এখন এমন অবস্থা আর কোনদিন দেখা হবে কিনা জানিনা? নাকি খাসির গোশতের মত তোমাকেও চির বিদায় দিতে হবে? মনে হচ্ছে তুমি এখন বিলাসী পণ্য। দরিদ্ররা তোমাকে ভুলে গিয়েছে সেই অনেক আগেই, এখন আমরাও বিদায় জানাচ্ছি,,, ভালো থেকো গরুর গোশত।
ইতি---মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত!!
08/02/2024
কোন এক সময় মোবাইল ছাড়া পারিবারিক বন্ধনগুলো ঠিক এইরকম ছিল 😢
22/01/2024
যেই গ্যালারিতে ধ্বনি উঠতো—
"বাংলাদেশের জান,বাংলাদেশের প্রাণ—সাকিব আল হাসান"। সেই একই গ্যালারি থেকে আজ ভূয়া ভূয়া ধ্বনি আসতেছে! ব্যাপারটা এতো সহজ মনে করিয়েন না। আর ওরা সবাই যে তামিম ভক্ত কিংবা সাকিব হেটার্স এমনটাও না, ওখানে সাধারন পাব্লিক ছিলো যারা গত বিপিএলে সাকিব সাকিব বলে গলা ফাটিয়েছে।
জাস্ট এতটুকু মনে রাখেন— আল্লাহ যাকে ইচ্ছা সম্মান দেন, যাকে ইচ্ছে সম্মান দিয়ে বেইজ্জতি করেন। টাকা পয়সা থাকলেই সম্মান পাওয়া যায় না।
২১/০১/২০২৪
16/06/2023
রাগ করেই ঘর থেকে বেড়িয়ে পড়লাম। এতটাই রেগে ছিলাম যে বাবার জুতোটা পড়েই বেরিয়ে এসেছি। বাইক ই যদি কিনে দিতে পারবেনা, তাহলে ছেলেকে ইঞ্জিনিয়ার বানাবার সখ কেন.? হঠাৎ মনে হল পায়ে খুব লাগছে। জুতোটা খুলে দেখি একটা পিন উঠে আছে। পা দিয়ে একটু রক্তও বেরিয়েছে। তাও চলতে থাকলাম। এবার পাটা ভিজে ভিজে লাগল। দেখি পুরো রাস্তাটায় জল। পা তুলে দেখি জুতোর নিচটা পুরো নষ্ট হয়ে গেছে। বাসস্ট্যান্ডে এসে শুনলাম একঘন্টা পর বাস। অগত্যা বসে রইলাম। হঠাৎ বাবার মানি ব্যাগটার কথা মনে পড়ল, যেটা বেরোবার সময় সঙ্গে নিয়ে এসেছিলাম। বাবা এটায় কাউকে হাত দিতে দেয় না। মাকেও না। এখন দেখি কত সাইড করেছে। খুলতেই তিনটে কাগজের টুকরো বেরল। প্রথমটায় লেখা "ল্যাপটপের জন্য চল্লিশ হাজার লোন"। কিন্তু আমার তো ল্যাপটপ আছে, পুরনো বটে। দ্বিতীয়টা একটা ডা: প্রেসক্রিপশন। লেখা "নতুন জুতো ব্যাবহার করবেন"। নতুন জুতো। মা যখনই বাবাকে জুতো কেনার কথা বলত বাবার উত্তর ছিল "আরে এটা এখনও ছ'মাস চলবে"। তাড়াতাড়ি শেষ কাগজটা খুললাম। "পুরানো স্কুটার বদলে নতুন বাইক নিন" লেখা শোরুমের কাগজ। বাবার স্কুটার!! বুঝতে পেরেই বাড়ির দিকে এক দৌড় লাগালাম। এখন আর জুতোটা পায়ে লাগছে না। বাড়ি গিয়ে দেখলাম বাবা নেই। জানি কোথায়। একদৌড়ে সেই শোরুমটায়। দেখলাম স্কুটার নিয়ে বাবা দাঁড়িয়ে। আমি ছুটে গিয়ে বাবাকে জড়িয়ে ধরলাম। কাঁদতে কাঁদতে বাবার কাঁধটা ভিজিয়ে ফেললাম। বললাম "বাবা আমার বাইক চাইনা। তুমি তোমার নতুন জুতো আগে কেন বাবা। আমি ইঞ্জিনিয়ার হব, তবে তোমার মতো করে।" "মা" হল এমন একটা ব্যাঙ্ক, যেখানে আমরা আমাদের সব রাগ, অভিমান, কষ্ট জমা রাখতে পারি। আর "বাবা" হল এমন একটা ক্রেডিট কার্ড, যেটা দিয়ে আমরা পৃথিবীর সমস্ত সুখ কিনতে পারি। লিখা:
10/11/2019
বাবরি মসজিদ ভেঙ্গে মন্দির বানানোর রায় দিয়েছে ভারতীয় সরকার"
৪৯১ বছর আগে এই মসজিদ ২০০০এর অধিক
মুসলিমের রক্তে রঞ্জিত এই মসজিদ"
জানিনা মুসলিম কবে জেগে উঠবে"
24/02/2018
Chandgaon in chittagong. চান্দগাঁও চট্টগ্রাম বাংলাদেশ , মোহাম্মদ হাসানুল হক বেলাল,
03/12/2016
আমার বয়স যখন মাত্র ষোল বছর।তখন বিয়ে করি
এক তের বছরের মেয়েকে।
বাবা মার ইচ্ছেতেই বিয়ে হয়েছিল আমাদের।
নিজেই লুঙ্গি সামলে রাখতে পারতামনা,রাতে ঘুমুলে
গিট্টু দিতাম।অথচ সেই আমি তখন চেষ্টা করতাম
ছোট্ট বউটাকে শাড়ি পরিয়ে দিতে।
নিজেই পেতামনা পকেট খরচের টাকা,অথচ বউয়ের
জন্য আচার কিনতে হত।
খুব সুন্দর ছিলো দিনগুলি।ভালবাসা যেন অজান্তেই
তৈরি হয়েগেল মনের ভিতর।প্রথম কেউ বলতে
সেই ছিল আমার জীবনে।
সে ছিল খুব ছোট,হাসত খেলত।বাবা মা তার কান্ড
দেখে হাসতেন।
আমিও হাসতাম এইভেবে যে এটাই আমার বউ।
ছোট্ট মিষ্টি সোনা বউ।সারাদিন হৈহুল্লোড়ে
থেকে যখন রাতে সে বলত মাথা ব্যাথা করছে,মাথা
টিপে দিতাম।পা দুটোও টিপে দিতাম।আমার বউতো,
আমিই তো তারসব।আজ অবুজ কালতো বুঝবেই।
তখন আরোবেশি ভালবাসবে আমাকে।
,
দিন যেতে থাকলো।বউয়ের বয়স যখন
সতের,এখন আর সে হাসেনা খেলেনা।এখন
অনেক কিছুই বোঝে সে।শ্বশুর বাড়িতে
গেলে একাকি থাকতাম আমি।
সে আমায় বলত, তুমি আমার সাথে বেড়ুবেনা,আমার
লজ্জা করে।
কিছু বলতামনা,কষ্ট লুকিয়ে রাখতাম।
আসার সময় বায়না ধরত তাকে রেখেযেতে।
রেখে আসতাম।বাড়ি এসে প্রতিদিন ফোন করতাম
তাকে।প্রতিটা কলই ওয়েটিং থাকত।মেসেজ গুলোর
উত্তর না পেয়ে লজ্জায় আর মেসেজ করতামনা।
তিনমাস পর যখন শ্বশুরবাড়ি যেতাম বউয়ের
প্রথমবাক্য ছিলো তিনদিন থেকে চলেযাবে।
রাতের আধারে চুপিচুপি তার ফোনটা অনকরে
দেখতাম
প্রতি মিনিটে কারো প্রেমময় মেসেজে চাপা
পরেছে আমার মেসেজগুলো।
কষ্ট পেতে থাকলাম আমি।সবাইকে বলে শাসন
করাহল তাকে।সেই থেকেই শুরু।
,
তারপর আমার বউয়ের বয়স যখন উনিশ,আমার বয়স
তখন বাইশ।একটা মেয়ে এল কোলজুড়ে।
আনন্দের সীমা ছিলনা আমার,আমার পরিবারের।
তারপর মেয়ের বয়স যখন মাত্র ছমাস।আধো
আধো দুএকটা শব্দে ডাকে আমার মেয়ে।যখনি বাবা
বলে ডাকদিত কলিজা যেন ঠান্ডা হয়েযেত আমার।বউ
তখন অন্য দুনিয়া নিয়ে ব্যস্ত।তখনো ফোনে কথা
বলত বুঝতাম।আমার প্রতি দুর্ব্যবহারই সেটা প্রমাণ
করেদিত।কিন্তু মেয়ের কথাভেবে কিছু বলতামনা।
তারপর এলো সেদিন,যেদিন আমি কেঁদেছিলাম।স্বামী হয়ে তার দুটো পা জড়িয়ে ধরেছিলাম।ভিক্ষে
চেয়েছিলাম মেয়ের মা ডাকার অধিকার।কিন্তু সে
আমাকে ত্যাগকরে চলেগেল।৩ টা ৩৮ মিনিটে সই
করলাম ডিভোর্স পেপারে। সে নতুন ভালবাসার
মানুষকে নিয়ে চলেগেল অনেক দুরে।মাহারা হল
আমার মেয়েটা।
,
আমার মেয়ের বয়স যখন দশবছর।নিজহাতে তাকে
আমি শাড়ি পরাতাম।ও যখন ছোটতে কাঁদত মারজন্যে
ওকে কোলে তুলে নিজেও কাঁদতাম।মার অভাব কি
কখনো পুরনহয়?।নিজের মাকে ডাকতে গিয়ে
কান্না আসত আমার।আমার মেয়ের যে মা নেই।ও
ডাকবে কাকে?
রান্না করতাম,সাজিয়ে দিতাম নিজে।আমি আর মেয়ে
এই আমার দুনিয়া।
এই আমার পৃথিবী। আর বিয়ে করিনি। কারন ভালবাসতাম
তাকে,তখনো এখনো।
মেয়ের বিয়ের কথা চলছে।আমি আবার একাহয়ে
যাবো।মেয়ের অনিচ্ছা সত্বেও ওর মাকে খবর
দিয়েছি।
কাল এসেছিলো সে।অনেকদিন পর দেখলাম
তাকে।ছমাস তিনদিন, বাইশ মিনিট কম চব্বিশ বছর
পরদেখলাম।কল্পনায় ভেবেছিলাম এখনো সেই
ছোট্টই আছে।কিন্তু নাহ,আমার মতই চুলে পাক
ধরেছে ওর।দুটো ছেলের মা আজ ও।
আমি সেদিন ভালোবাসার কাছে হারমেনে
জিজ্ঞেস করেছিলাম কেমন আছো?আজো কি
তোমার মাথা, পা ব্যাথা করে? সে শুধু মাথা
নেড়েছিল।কি বুঝিয়েছে তা দেখতে পাইনি। কারন
চোখদুটো তখন জলে ভেজা ছিল।তাছাড়া বয়স
তো আর আগের মতনেই।
কিন্তু আমার মেয়ে দেখা করেনি ওরসাথে।পর্দার
আড়াল থেকেই একটা প্রশ্ন করেছিল আমার
মেয়ে,
আমার বাবার চব্বিশটা বছর ফিরিয়ে দিতে পারবেকি?
যদি নাপারো তাহলে এসোনা কোনদিন।আমার বাবাই
আমার মা।আমি প্রাউডফিল করি বাবা ডেকে।মা ডাকার
কোন ইচ্ছেনেই আমার,,,,
(এটা একটা গল্প, কিন্তু বাস্তবে আমাদের সমাজে এরকম ঘটনা ঘটে।।। আমি নিজেই দেখছি।প্লিজ প্লিজ প্লিজ কেউ এমনটি করবেন না।সবার জীবনের গল্প এক না হলেও গল্পগুলোর ফলাফল একই।আমি জানি অনেকেই কষ্ট পেয়েছেন এই গল্প পড়ে কিন্তু হচ্ছেত অহরহ এমন।অল্পতে সুখি হতে চেষ্টা করুন।প্লিজ আপুরা মনে কষ্ট নিবেন না।
11/11/2016
কাছে থাকা নয়,
পাশে থাকার নাম বন্দুত্ব ।
মিথ্যে বলে মন ভোলানো নয়,
সত্যি বলে সাহস জোগানোর নাম বন্দুত্ব ।
ভুল দেখে দুরে যাওয়া নয় ,
ভুল সধুরে দিয়ে ভালবাসার নাম বন্দুত্ব ।
সময়ের সাথে পাল্টে যাওয়া নয় ,
সময়কে পাল্টে জবাব দেওয়ার নাম বন্দুত্ব ।
সময়ের সাথে পাল্টে যাওয়া নয় ,
সময়কে পাল্টে জবাব দেওয়ার নাম বন্দুত্ব ।
আজকের এই ব্যস্ত জীবনকেই পরোয়া করে .'
কেমন আছিস ; জানতে চাওয়ার নাম বন্দুত্ব ।
শুধু সেল্পি তুলার সাথে কাঁদে হাত রাখার নাম বন্দুত্ব নয় ,
একাকীত্বের অন্দ্বকারে হাতটা
কাঁধে রাখার ইচ্ছেটাই বন্দুত্ব ....🤒👍🏻✌🏻✊🏿