হাজী ছৈয়দের রহমান চৌধুরী ওয়াকফ এস্টেট - ই, সি নং -১৪০৭৬
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from হাজী ছৈয়দের রহমান চৌধুরী ওয়াকফ এস্টেট - ই, সি নং -১৪০৭৬, Social service, গ্রাম: পশ্চিম অলিনগর, ডাকঘর : করেরহাট, থানা : জোরারগন্জ, উপজেলা : মিরশরাই, চট্টগ্রাম।, Chittagong.
হাজী ছৈয়দের রহমান চৌধুরী ওয়াকফ এস্টেট (ই, সি নং -১৪০৭৬): চট্টগ্রাম জেলার মিরশরাই উপজেলার করেরহাট ইউনিয়নের পূর্ব ও পশ্চিম অলিনগর মৌজায় অবস্থিত একটি ট্রাস্টে রাখা এবং দাতব্য বা ধর্মীয় উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা সম্পত্তির একটি ইসলামিক দান।
20/04/2025
🔴ইসালুস সাওয়াব মাহফিল অনুষ্ঠিত।
🔥 আমার দাদা ছৈয়দুর রহমান চৌধুরীর
৪৯ তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মরহুমের পিতা, মাতা,মাতুল,মাতামহ পিতামহ , স্ত্রী সন্তান সন্ততির পরলৌকিক কল্যাণের উদ্দেশ্যে উনার প্রতিষ্ঠিত আমজাদিয়া ফোরকানিয়া মাদ্রাসায় ইসালুস সাওয়াব মহাফিল প্রকৌশলী মহিউদ্দিন সাধারণ সম্পাদক ইনগাইট মিরসরাই, মালিক ভুইয়া বিল্ডিং ডিজাইন এন্ড ডিজাইন বারৈয়ারহাট, চট্টগ্রাম, সঞ্চালনায় ,অত্র মাদ্রাসার পরিচালক মৌলভী আব্দুল মোমেনের কোরআন📖 তেলাওয়াত মাধ্যমে শুরু হয়। মৃতদের জন্য জীবিতদের করণীয় নিয়ে 📯বয়ান করেন মোহাম্মদ আজিজুল হক,পেশ ইমাম অলিনগর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ। মৃত্যু ও মৃত্যু পরবর্তী জীবনের উপর📯 বয়ান করেন মাওলানা আব্দুল হান্নান, অধ্যাপক বটতলা ইসলামিয়া আলিয়া মাদ্রাসা ও খতিব ফানা উল্লাহ ফকির জামে মসজিদ।
বয়ান শেষে মরহুমের পাড়া প্রতিবেশী , নিকটবর্তী আত্মীয়-স্বজনের ইহলোকিক শান্তি ও পরলৌকিক কল্যাণ কামনা করে দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে মাহফিল শেষ হয়। মোনাজাত করেন মাওলানা আবু ইউসুফ মোহাম্মদ নাছের💥
18/04/2025
👤স্মৃতিতে-আমার -দাদা-ছৈয়দের রহমান চৌধুরী।(সমাজসেবী ও শিক্ষা অনুরাগী)
"""""""""""""""""""""""""""""""
👁️🗨️আজ (১৭.০৪.২৫)আমার শ্রদ্ধেয় দাদা ছৈয়দের রহমান চৌধুরীর (সমাজসেবী ও শিক্ষা অনুরাগী ) মৃত্যু দিবস। তাকে স্মরণ করছি গভীর শ্রদ্ধা ভালোবাসায়.........
১৯৭৬ সালের ১৭ই এপ্রিল , চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই উপজেলার করেরহাট ইউনিয়নের অন্তর্গত পূর্ব অলিনগর( হযরত হিম্মত আলী শাহ রা.)কেন্দ্রীয় কবরস্থান পাহাড় -অরণ্যের সেই সুন্দর নিসর্গ তাকে চিরশয্যা পেতে দিয়েছে।
দাদা নেই আজ দুই যুগেরও বেশি সময়, কিন্তু উনার থাকার বাংলোটি খালি পড়ে আছে উনার ব্যবহৃত কিছু আসবাবপত্র সহ। জীবদ্দশায় দাদা দিনের একটি সময় বাংলোর সামনের খোলা জায়গায় বসতেন উনার সাক্ষাৎপ্রার্থী সমাজের বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষ নির্ভয়ে তার সাথে কথা বলতো তাকে সুখ-দুঃখের ভাগীদার করতো, কেউ বিপদে পড়েছে, মেয়ের বিয়ে দিতে পারছে না চাকুরী নেই কিংবা পড়াশোনার খরচ চালাতে পারছে না" অসুবিধা কি? আমি তো আছি -এমন ভরসা দিয়ে তিনি তাদের বিপদ-আপদে পাশে দাঁড়াতেন এভাবেই তিনি দিনের অবসর সময়টুকু সমাজসেবায় অতিবাহিত করতেন।
এখন আগের মত দাদা বাংলোর সামনে বসেন না, যখনই বাড়িতে পা রাখি আমার দাদার মতো ওই বাংলো যেন ভালোবাসার পরশ মেখে বলে -আমি আছি! তোমরা সবাই আগের মত এসো এখানে। সেই বাংলো এখন পূন: সংস্কার হয়ে দিব্যি সাক্ষ্য দিচ্ছে কালকে-কালের বিচারে মানুষকে।
আমার দাদা আমাদের এলাকায় সর্বপ্রথম ১৯৩৫ সালে উনার পিতার নামে প্রতিষ্ঠা করেন আমজাদিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ১৯৬২ সালে স্থাপন করেন জুনিয়র হাইস্কুল। স্কুলটির প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন বেলায়েত হোসেন ভূঁইয়া রা. শিক্ষক ছিলেন ইমাম হোসেন ভূঁইয়া, নুরুল হাদী মাস্টার। মুক্তিযুদ্ধের সময় স্কুলটি পাক হানাদার বাহিনী জ্বালিয়ে দিলে উদয়ের হাটে স্থানান্তরিত হয়ে এখন লায়লা বেগম আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়।
আমাদের এলাকায় ১৯৬৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় বি,এম,কে প্রাথমিক বিদ্যালয় (বাচা মিয়া খোন্দকার প্রাথমিক বিদ্যালয়) প্রতিষ্ঠাতা বাছা মিয়া খোন্দকারের নাতি আমার দাদার ভাতিজা সাবেক সংসদ সদস্য ওবায়দুল খন্দকার,১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় মজুমদার প্রাথমিক বিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠাতা বাচা মিয়া খোন্দকারের নাতনি জামাই , আমার দাদার ভাগনী জামাই শেখ আহাম্মদ মজুমদার। বাঁচা মিয়া খোন্দকার ছিলেন আমার দাদার শ্বশুড়।
আমাদের গ্রামে পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠিত দুটি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং দাদার প্রতিষ্ঠিত জুনিয়র হাই স্কুলকে পূর্ণাঙ্গ হাই স্কুলে রূপ দেওয়ার পিছনে অনুপ্রেরণায় ছিলেন আমার দাদা।
দাদা ওনার সমূদয় ভূ সম্পদ ১৯৫৪ সালে ওয়াকফ করেন ,যা হাজী ছৈয়দের রহমান চৌধুরী ওয়াকক এস্টেট নামে নিবন্ধিত নিবন্ধন নাম্বার :-১৪০৭৬।
ওয়াকফ এস্টেট থেকে পরিচালিত হয় ওনার স্থাপিত ফোরকানিয়া মাদ্রাসা ও মুসাফির খানা।ভূমিহীন মানুষের জন্য ওয়াকফ এস্টেট হতে জমি দান করে বসবাসের জন্য সুযোগ দিয়েছিলেন এমন একটি জমি তে (লিচু তলা বাজার) সংলগ্ন ৭/৮ টি ভুমি হীন পরিবার ঘরবাড়ি তৈরি করে বসবাস করছে।
অলিনগর কমিউনিটি ক্লিনিক ও উনার ওয়াকফ এস্টেট ভুক্ত সম্পত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত।
দাদার জীবদ্দশায় যে কয়জন নাতি নাতনিদের দেখে গিয়েছিলেন তাদেরকে তিনি সমভাবে আদর সোহাগ করতেন রাতের খাওয়ার সময় আমাকে ও ছোট ভাই তুহিন কে সঙ্গী করতেন বয়সে ছোট হওয়ার কারণে। তুহিন এখন দাদার ওয়াকফ এস্টেটের অফিশিয়াল মোতাওয়াল্লি।
ওনার নাতি, নাতনি গণ দাদার রেখে যাওয়া
ওয়াকফ এস্টেটের আয় ও ব্যক্তিগত আয় থেকে অলিনগর কেন্দ্রিয় ঈদগাও ময়দান সম্প্রসারণ ও সৌন্দর্য বর্ধন কাজে, পূর্ব অলিনগর হযরত হিম্মত আলী শাহ রা. কেন্দ্রিয় কবরস্থান সংরক্ষণ ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়নে, পশ্চিম অলিনগর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ নির্মাণ ও ব্যবস্থাপনায়, অলিনগরে একটি গণ গ্রন্থাগার স্থাপনে,আবদান রাখছে এবং ওয়াকফ এস্টেটের ৫০ ভাগ আয় জনকল্যাণে ব্যয় করে ওয়াকফ এস্টেট কে একটি জন কল্যাণ মূখী ওয়াকপ এস্টেটে পরিনত করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
মানুষ চলে যায় প্রকৃতির অমোঘ নিয়ম.... কিন্তু বেঁচে থাকেন তাঁরা তাঁদের স্মৃতিময় জীবন ও কর্মের মধ্যে। আমার লিখায় পশ্চিম অলিনগর আমজাদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ফোরকানিয়া মাদ্রাসা, ভূমিহীন মানুষের বসবাসের পাড়া , অলিনগর কমিউনিটি ক্লিনিক, আমার দাদার অস্তিত্ব ঘোষণা করছে সদর্পে।
এভাবে আমার দাদা বেঁচে থাকুক সবার স্মৃতিতে দাদার স্মৃতিতে লেখাটি শেয়ার করলাম সবার সাথে।👥
05/04/2025
চট্টগ্রাম জেলার -মিরসরাই উপজেলার ১ নং করের হাট ইউনিয়ন পরিষদের অন্তর্গত সর্ব বৃহৎ পূর্ব অলিনগর কবরস্থানের (হযরত হিম্মত আলী শাহ রা. দরগা যে কবরস্থানে বৃদ্যমান) অতীব গুরুত্বপূর্ণ রেকর্ড চট্টগ্রাম মহাফেজ খানা হতে দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর সংগ্রহ করে আজ কবরস্থান পরিচালনা কমিটির প্রতিনিধি জনাব মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনের নিকট হস্তান্তর করলাম।
কবরস্থান পরিচালনা কমিটি রেকর্ড অনুযায়ী কবর স্থানের সীমানা নির্ধারণ করে কবরস্থানের জন্য একটি মহাপরিকল্পনা ও কবরস্থান ব্যবহারের স্থায়ী নীতিমালা তৈরি করে কবরস্থানে সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের ব্যবস্থা নিবেন।
*****************************************
27/02/2025
🔺প্রপিতামহের জন্ম ভিটায়।
🔥মুন্সেফ বাড়ি( হাসমত উল্লাহ মুনসেফ রা.) মহানগর, জুজ খোলা ,নারায়ন হাট, ফটিকছড়ি, চট্টগ্রামে আমার প্রপিতামহ মৌলভী আমজাদ আলীর রা. পিতা, মুন্সী এমদাদ আলী, পিতা: হাসমত আলী মুনসেফ রা. জন্ম ভিটা।
পূর্বপুরুষদের বেড়ে উঠা সেই ভূস্বর্গ ও তার মানুষগুলো কেমন ছিল তা বুঝার দেখার ইচ্ছা ছিল অনেক দিনের আজ দিনের একটা বড় সময় এই বাড়িতে কাটানোর সুযোগ হয়েছে। মুগ্ধ হয়ে ঘুরে ঘুরে দেখেছি পূর্বপুরুষদের স্মৃতি ধন্য জায়গা গুলো, বুকভরে শ্বাস নিয়েছি মহানগর গ্রামের আবহাওয়া শ্রদ্ধায় অবনত হয়েছি এ বাড়ির বর্তমান প্রজন্মের ভালোবাসা ও অন্তরের টান দেখে।
আবারও আসবো ইনশাল্লাহ পিতামহের পিতৃভূমিত শিকড়ে। শুভকামনা সবার জন্য।✅✅
05/02/2025
🔺শিকড়ের টানে,শিকড় সন্ধানে.....
🔥আমার হৃদয়ে নিঃশব্দে, নিরন্তর বয়ে চলা একটি নদী আছে। নদীটি চট্টগ্রাম জেলার, ফটিকছড়ি উপজেলার, নারায়ন হাট,মহানগর( জুজ খোলা )গ্রামের মুন্সেফ বাড়ি।
যে বাড়ির পলি জলে বড় হয়েছিলেন আমার প্রপিতামহ ( মৌলভী আমজাদ আলী)সহ স্বজনেরা।
এই বাড়ির মাটিকে, আলো,বাতাসকে কখন ও ছুঁয়ে দেখিনি।
তবুও অসীম মায়া, গভীর, নিবির টান বুকের গভীরে বয়ে চলেছি শৈশব থেকে।
শৈশবেই দাদুর মুখে, বাবার মুখে, আমাদের বংশের বড়ভাই খাইরুল ওয়ারা চৌধুরীর মুখে হাজার বার শুনেছি এই বাড়ি,ও গ্রামের কথা।
যে গ্রামে ছিল আমাদের পূর্বপুরুষদের ভিটেমাটি। যেখানে এককালে শ্বাস নিয়েছেন, বড় হয়েছেন আমাদের পূর্বপুরুষগণ ।
দাদু বেঁচে নেই,বাবা নেই এই বাড়ির পরবর্তী প্রজন্ম কে কোথায় আছেন তাও আমার অজানা। এই বাড়িতে দাদা,বাবা,চাচারা এসেছিলেন কিনা তার কোন স্মৃতি আমার কাছে নেই ।
তবে চট্টগ্রামে শহরে চকবাজারের কপাসগোলায় হাসমত উল্লাহ মুন্সেফ রা. বাড়িতে বাবা চাচারা যাতায়াত করতে দেখেছি। বাড়ির সামনের রাস্তাটি হাসমত উল্লাহ্ মুনসেফ লেন নামে পরিচিত।
মৌলভী এহায়ার( পৈতৃক নিবাস এই বাড়ি) ঢাকার নারিন্দার বাড়িতে আমার বাবার যাতায়াত ছিল। জনহীতকর কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ তিনি খান বাহাদুর উপাদি পেয়েছিলেন। ঢাকার নবাবদের সাথে খান বাহাদুর এহায়ার সাথে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ইমেরিটাস শিক্ষাবিদ, মনোবিজ্ঞানী,সমাজ হৈতশী অধ্যাপক সুলতানা সারওয়াত আরা জামানের ( তিনি সুলতানা জামান নামে পরিচিত) পৈতৃক নিবাস এই বাড়ি।১৯৮৮ সালে আমার বাবা আমাকে উনার ঢাকার ইস্কাটনের বাসায় নিয়ে গিয়েছিলেন।
মৌলভী আব্দুল খালেক জজ, খান বাহাদুর সিরাজুল ইসলাম সাব-জজ, বিশিষ্ট পদার্থবিজ্ঞানী, জ্যোতিবিদ, গণিতবিদ, বিশ্ব তত্তবিদ ইমেরিটাস অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলামের, পৈতৃক নিবাস এই বাড়ি। কবি রাহাত আরা বেগম ছিল এই বাড়ির পুত্রবধূ।
পূর্বপুরুষদের বেড়ে উঠা সেই ভূস্বর্গ ও তার মানুষগুলো কেমন ছিল তা বুঝার জানার ইচ্ছে ছিল অনেক দিনের-এই বাড়ির সদস্য -* জনাব মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, সিনিয়র শিক্ষক(কৃষি) দাতমারা মঈনুল উলুম দাখিল মাদ্রাসা।*.জনাব আরেফিন মিঠুন, কর্মকর্তা ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড। * মোহাম্মদ ইব্রাহিম সাবেক চেয়ারম্যান ৩নং নারায়ণহাট ইউনিয়ন,সহযোগিতায় আমার জানার পথ কে সুগম করেছে।
উনাদেরকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
সময় সুযোগ পেলে পূর্ব পুরুষদের স্মৃতিধন্য জায়গা শুলো ঘুরে ঘুরে দেখার ও বুকভরে শ্বাস নেয়ার ইচ্ছা আছে । শুভ কামনা সবার জন্য।✅
05/02/2025
🔺শিকড়ের টানে শিকড় সন্ধানে~~~~~।
🔥পিতামহ হাজী ছৈয়দের রহমান চৌধুরীর মুখে শুনেছিলাম একদা উনার মাতামহ শেখ মুন্সী গাজী চৌধুরীর বাড়ি ছিল (শিকড়) অবিভক্ত বৃটিশ ভারতের ত্রিপুরা জেলার রোশনাবাদ এস্টেট ,চম্পকনগর পরগনায়।
দক্ষিণারঞ্জন মিত্রের রূপকথার গল্প ঠাকুরমার ঝুলিতে যেমন বহু রাজা রানী দৈত্য দানব নীলপরী লালপরী কত কি রূপকথার গল্প থাকে তেমনি ঐ সময়( ছোট বেলায় )আমার কাছে রূপকথার গল্প মনে হতো।
ত্রিপুরা জেলার রোশনাবাদ স্টেট, চম্পকনগর পরগনার কোথায় ছিল আমাদের শেকড় ত্রিপুরা জেলার রোশনাবাদ স্টেটের চম্পকনগর পরগনার মৌজা ম্যাপের সুএ ধরে এবং শেখ মুন্সী গাজী চৌধুরীর বর্তমান প্রজন্মের আত্মীয়-স্বজন, এবং
ত্রিপুরা রাজ্যের প্রান্তিক শহর সাবরুমের বাসিন্দা বিশিষ্ট লোকসংস্কৃতি গবেষক, সাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক, লেখক এবং সাংবাদিক অশোকান্দন রায়বর্ধনের সাথে কথা বলে জানতে পারি আধুনিক বাংলাদেশের, ছাগলনাইয়া উপজেলার, শুভপুর ইউনিয়নের অন্তর্গত সীমান্তবর্তী চম্পকনগর ও সোনাপুর গ্রাম তৎকালীন ত্রিপুরা জেলার রোশনাবাদ এস্টেট, চম্পকনগর পরগনার অন্তর্ভুক্ত ছিল।
এখনো চম্পকনগরে শেখ মুন্সী গাজী চৌধুরী কিছু আত্মীয়-স্বজন বসবাস করছেন, দেশ ভাগের সময় শেখ মুন্সী গাজী চৌধুরী সহায় সম্পত্তি বেশির ভাগ অংশ ভারতের অংশে পড়ে যায়।
শেকড় ছিল বলেই আমরা শাখা প্রশা কারা পৃথিবীর আলো দেখতে পেরেছি, সে শেকড়কে আমরা ভুলি কি করে? শেকড়কে কবর দিয়ে শাখা প্রশাখারা বাঁচে এটাই নিয়ম।
শেখ মুন্সি গাজী চৌধুরী সকল নিকট আত্মীয়-স্বজনের মাগফেরাত কামনা করছি
শেখ মুন্সী গাজী চৌধুরীর বর্তমান প্রজন্মের আত্মীয়-স্বজনএবং স্থানীয়দের তথ্য মতে ব্রিটিশ বিরোধী বিপ্লবী এবং ত্রিপুরার রোশনাবাদ পরগণার কৃষক বিদ্রোহের নায়ক শমসের গাজীর রাজস্ব কর্মকর্তা ছিলেন শেখ মুন্সি গাজী চৌধুরীর উর্দ্ধতন পূর্বপুরুষ আলিয়া গাজী চৌধুরী ।
নবাব সিরাজউদ্দৌলার পর ঔপনিবেশিক শক্তির হাতে প্রথম নিহত হন (১৭৫৭ সালে)ত্রিপুরা রাজ্যের শেষ স্বাধীন মুসলিম নবাব বীর শমসের।
সীমান্তবর্তী চম্পকনগর ও সোনাপুর এলাকাটি শমসের গাজীর স্মৃতি বিজড়িত স্থান। সেখানে রয়েছে শমসের গাজীর সুরঙ্গ, বাঁশের কেল্লা রিসোর্ট, দিঘিসহ নানা স্থাপনা। অন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার ধ্বংসাবশেষ ভারতের ত্রিপুরার মধ্যে ভাগ হয়ে গেছে।✅
20/12/2024
"অন্ধ বিশ্বাস হল অদৃশ্যমান এক শিকল যা স্বেচ্ছায় মানুষ তার পায়ে পেচিয়ে রাখে"।
15/11/2024
পশ্চিম অলিনগর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ উন্নয়নে হাজী ছৈয়দের রহমান ওয়াকক এস্টেট থেকে নগদ ৭০ হাজার টাকা প্রদান করা হয়।
03/09/2024
এক.
বাসার কাজের মহিলা প্লেট ধুতে গিয়ে প্লেটগুলো ভেঙ্গে ফেললো! ব্যাপারটা বিব্রতকর, তাই না? বাসার মালিক যদি দেখেন এই কাজ করেছে, তাহলে কাজের লোকের চাকরি যাবে তো যাবে, খুব রাগী কেউ হলে মারও খেতে পারে।
মুসলিম শাসনামলে এমন ক্ষেত্রে ওয়াকফ প্রতিষ্ঠান ছিলো। সেই প্রতিষ্ঠানে ভাঙ্গা প্লেট-গ্লাস, তৈজসপত্র নিয়ে গেলে তারা নতুন প্লেট-গ্লাস দিতো। এটার জন্য আলাদা টাকা দিতে হতো না, ইন্সুইরেন্সও করতে হতো না।
দুই.
বিয়ের পাত্রীর জন্য দামি অলংকার প্রয়োজন, বিয়ের দিনের পরার জন্য ভালো জামা প্রয়োজন। শুধুমাত্র একদিন পরার জন্য এতো দাম দিয়ে কাপড় কেনার সামর্থ্য অনেকের থাকে না। মুসলিম শাসনামলে এমন ওয়াকফ প্রতিষ্ঠান ছিল; সেখানে গিয়ে পাত্র-পাত্রী পছন্দমতো কাপড়, স্বর্ণ-গহনা নিয়ে আসতে পারতো। বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে ফেরত দিয়ে আসতো। কোনো ভাড়া দিতে হতো না।
তিন.
রাস্তায় অনেক কুকুর থাকে, যেগুলো ময়লা-আবর্জনার মধ্যে খাবার খুঁজে খায়। কিন্তু মুসলিম শাসনামলে রাস্তার কুকুরের জন্য পর্যন্ত খাবার-পানির ব্যবস্থা ছিলো।
চার.
হাসপাতালে রোগীরা ভর্তি হতো। রোগীদের মধ্যে অনেকেই ১০ দিন, ২০ দিন, ১ মাস ভর্তি থাকতো।
অসুস্থতার কারণে ঐ সময় তারা উপার্জন করতে পারতো না। মুসলিম শাসনামলে তাদের চিকিৎসা খরচ ছিল সম্পূর্ণ ফ্রি! শুধু তাই নয়, হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাবার সময় তাদেরকে বেতনের মতো টাকা দেয়া হতো। অর্থাৎ, ঐ সময় সে কাজ করলে বেতন পেতো। অসুস্থতার কারণে কাজ না করায় পরিবার যেন কষ্টে না থাকে সেজন্য টাকাও দেয়া হতো!
[মুসলিম শাসনামলের এমন সোনালী অধ্যায় সম্পর্কে জানতে পারবেন গার্ডিয়ান প্রকাশিত 'ইতিহাসের অপবাদ: অপবাদের ইতিহাস' বইয়ে।]
(সংগৃহীত)
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
গ্রাম: পশ্চিম অলিনগর, ডাকঘর : করেরহাট, থানা : জোরারগন্জ, উপজেলা : মিরশরাই, চট্টগ্রাম।
Chittagong
4327
