10/08/2025
খোঁজ নিয়ে জানলাম ১০ /২০ টা টকশো করেছেন উনি
৭১ প্রশ্নে কোন আপস নয়....✊
সকল মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান বাধ্যতামূলক
10/08/2025
খোঁজ নিয়ে জানলাম ১০ /২০ টা টকশো করেছেন উনি
10/08/2025
বুঝেন ভালো, কিন্তু করেন তার উল্টো
10/08/2025
খোঁজ নিয়ে দেখেন ঐ জায়গায় বিএনপির চাঁদাবাজির কারণে জনগণ অস্থির
10/08/2025
ওদের চিকিৎসা না করিয়ে জনপ্রতি ১২ কোটি টাকা যদি ওদেরকে বা ওদের পরিবারকে দিয়ে দিতেন তাদের চেয়ে বেশি খুশি আর কেউ হতো না
10/08/2025
তাতেই অনেকের পাতলা পায়খানা শুরু
10/08/2025
জঙ্গি তৈরির কারিগর
ছাত্রশিবিরের কার্যক্রম হচ্ছে ‘মানুষ তৈরির প্রজেক্ট’: শিবির সভাপতি
10/08/2025
ওরে রাজনীতিবিদ।
বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) জবাবের একটি অনুলিপি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের প্রোফাইলে পোস্ট করেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
10/08/2025
দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। আহ্ দেশ
ঋণের কিস্তির টাকা না দেওয়ায় হাত-পা বেঁধে বাবাকে হত্যাচেষ্টা
10/08/2025
ইলিশের বাজারে দুই সরকারের দুই চিত্র : শেখ হাসিনায় উৎপাদন রেকর্ড, ইউনুস আমলে পাচারের রেকর্ড
বাংলাদেশে ইলিশ কিনতে গেলে এখন হাতে আগুনের ছ্যাঁকা লাগে। ছোট একটি ইলিশের দাম শুনলে মনে হয়, মাছ না কেনাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। অথচ একই সময়ে পশ্চিমবঙ্গের বাজারে ইলিশের দাম বাংলাদেশের চেয়ে কম। এই অস্বাভাবিক ব্যবধানের পেছনে কার হাত আছে? মোহাম্মদ ইউনুসের অবৈধ সরকারের আমলাতান্ত্রিক অদক্ষতা, নীতিগত বিপর্যয় এবং বাজার ব্যবস্থাপনায় চরম ব্যর্থতাই এই সংকটের মূল কারণ।
রাজধানীর কারওয়ান বাজারে গেলে দেখা যায়, ক্রেতারা ইলিশের দাম শুনে মুখ ঘুরিয়ে নিচ্ছেন। ৫০০ গ্রামের একটি ইলিশের দাম ১,৪০০ থেকে ১,৬০০ টাকা। এক কেজির ওপরের ইলিশের দাম ২,৬০০ টাকা ছাড়িয়ে গেছে। অথচ কলকাতার বাজারে একই আকারের ইলিশ ৬০০ থেকে ৭৫০ রুপিতে বিক্রি হচ্ছে, যা বাংলাদেশি টাকায় ১,০৫০ টাকার মতো। এক কেজির ইলিশ সেখানে ১,৫০০ থেকে ১,৮০০ রুপিতে মিলছে, অর্থাৎ ২,১০০ থেকে ২,৫০০ টাকা। প্রশ্ন জাগে, বাংলাদেশে ইলিশের উৎপাদন বেশি হলেও দাম এত বেশি কেন?
ইলিশ রক্ষায় নিষেধাজ্ঞা জরুরি, কিন্তু মোহাম্মদ ইউনুস সরকারের নীতিই এই সংকটকে তীব্র করেছে। আগে বাংলাদেশে নিষেধাজ্ঞা ছিল ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই, আর ভারতের ছিল ১৫ এপ্রিল থেকে ১৩ জুন। ফলে বাংলাদেশি জেলেরা নিষেধাজ্ঞা মেনে বসে থাকলে ভারতীয় জেলেরা ইলিশ ধরত। এবার ইউনুস সরকার ভারতের সময়ের সঙ্গে মিলিয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে, ১৫ এপ্রিল থেকে ১১ জুন। কিন্তু সমস্যা হলো, এই সময়টি ইলিশের প্রজননের জন্য আদর্শ নয়। বিশেষজ্ঞরা আগেই সতর্ক করেছিলেন, এই সিদ্ধান্ত বিজ্ঞানসম্মত নয়। ফলাফল কী হয়েছে? নিষেধাজ্ঞা কাজে আসেনি, উৎপাদন বাড়েনি, বরং জেলেরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।
ইলিশের বাজারে আরেকটি বড় সমস্যা হলো চোরাচালান। পশ্চিমবঙ্গের বাজারে মিয়ানমারের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে বলে দাবি করা হয়, কিন্তু বাস্তবতা হলো, বাংলাদেশের ইলিশও পাচার হয়ে যাচ্ছে। ইউনুস সরকারের নজরদারি দুর্বল হওয়ায় এই পাচার বন্ধ হচ্ছে না। কলকাতার মাছ আমদানিকারকরা ইতিমধ্যেই বাংলাদেশ থেকে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছে। একটি দায়িত্বশীল সরকার হলে এই অনুরোধ কঠোরভাবে নাকচ করে দিত, কিন্তু ইউনুস সরকার নীরব।
আগে যারা চিৎকার করতেন, "আওয়ামী লীগ সরকার সব ইলিশ রপ্তানি করে দিচ্ছে, দেশে ইলিশ নাই!" তারা এখন কোথায়? ইউনুস সরকার ক্ষমতায় আসার পর ইলিশের দাম আকাশছোঁয়া, উৎপাদন কম, চোরাচালান বেড়েছে। এই সরকারের নীতিই সাধারণ মানুষকে ইলিশ খাওয়া থেকে বঞ্চিত করছে।
ইউনুস সরকারের ব্যর্থতা শুধু ইলিশের বাজারেই সীমিত নয়। এটি তাদের সার্বিক অদক্ষতা ও অপশাসনেরই প্রতিচ্ছবি। তারা জনগণের টাকায় ক্ষমতায় বসে জনগণকেই লুটপাট করছে। ইলিশের মতো সাধারণ মানুষের প্রিয় মাছটিকেও তারা নাগালের বাইরে নিয়ে গেছে। এই সরকারের আমলে কোনো কিছুরই উন্নতি হয়নি, বরং প্রতিটি ক্ষেত্রেই অবনতি হয়েছে। জনগণের পক্ষে দাঁড়ানোর মতো কোনো নীতি বা পরিকল্পনা তাদের নেই।
এই সরকারের অপশাসন, অদক্ষতা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো সময়ের দাবি। ইলিশের দাম কমাতে, উৎপাদন বাড়াতে এবং চোরাচালান বন্ধ করতে একটি সক্রিয়, দক্ষ ও জনবান্ধব সরকার প্রয়োজন। ইউনুস সরকার তা দিতে পারবে না, কারণ তারা ইতিমধ্যেই প্রমাণ করেছে, তারা শুধু ব্যর্থতা ও লুটপাটের সরকার।