09/04/2015
আমাদের নগর কর্তারা যত উঁচু গালায় বলুক না কেন চট্টগ্রাম আধুনিক শহর ! পরিবেশ বান্ধব , জলবদ্ধতা মুক্ত নগরী !! কিন্তু কোন বিদেশী আমাদের দেশে এসে এমন কষ্ট করলে নিজেকে এই শহরের একজন ভাবতে অনেক কষ্ট হয়
frown emoticon
frown emoticon
ছবিটি Facebook Useer -- Muhammad Forkan Rasel er Time Line থেকে নেওয়া
Admin : Rony
31/12/2014
মানলে উপকার আপনারই হবেঃ
১. সকালে সূর্যোদয়ের আগে ঘুম থেকে উঠা উচিত। মুখ ধুয়েই
এক থেকে দুই গ্লাস পানি খাওয়া ভাল। এতে সহজে কোন
পেটের রোগ হয় না।
২.সকালের বিশুদ্ধ বাতাস শরীরের জন্য বিশেষ উপকারী।তাই
হাটা উচিত।
৩.খালি পেটে চা বা কফি খাওয়া ঠিক না।
৪. খাবার যতদূর সম্ভব নিয়মিত খাওয়া উচিত।
৫. আমাবশ্যা বা পূর্ণিমাতে উপবাস করলে স্বাস্থ্য ভাল
থাকে।
৬. খাবার সময় বেশি পানি খাওয়া ঠিক না। খাবার শেষ করার
অন্তত ১ ঘন্টা পরে পানি খাওয়া উচিত তবে দিনে যত
বেশি পানি পান করা যায় ততই ভাল। বেশি পানি পান
করলে কোন ক্ষতি নেই।
৭. খাবার ভালমত চিবিয়ে খাওয়া উচিত।
৮. দুপুরে খাবার সময় ১২ টা এবং রাতে খাবার সময় ৯ টার
আগে হওয়া উচিত। কেননা বেশি রাতে খেলে খাবার ঠিকমত
হজম হয় না, তাই রাতে হালকা খাওয়া উচিত। অধিক
রাতে দুধ ছাড়া কিছু খাওয়া ঠিক না।
৯. রাতে খাওয়ার অনন্ত আধ ঘন্টা থেকে এক
ঘন্টা পরে ঘুমাতে যওয়া উচিত।
১০. অতিরিক্ত পরিশ্রমের পর বিশ্রাম না নিয়ে খাওয়া ঠিক
নয়, তেমনি খাবার পর অবশ্যই কিছুক্ষন বিশ্রাম
নেওয়া দরকার।
১১.রোদ থেকে এসে বা অতিরিক্ত পরিশ্রমের পর
সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডা পানি খাওয়া ঠিক না।
¤¤ভাল লাগলে লাইক কমেন্ট করে জানাবেন ।
25/09/2014
95 % ভুল উত্তর
দেয়,
1 GB = কত MB?
A) 986 MB
B) 1000 MB
C) 1024 MB
D) 1033 MB
E) 1055 MB
সঠিক উত্তর
কী??
22/09/2014
পড়ায় মন বসে না? তাহলে এই লেখাটা, আপনার জন্যই
পোমোডরো টেকনিক – মন ভোলানোর, মন বসানোর কার্যকরী কায়দা
পড়ায় বসেনা মন? বিরক্তিকর সব পড়াশোনা অথবা একঘেঁয়ে কাজ করতে গেলে পায় বেজায় ঘুম? অথবা ধরে যায় মাথা, কিংবা মন চলে যায় হেথা নয়, হোথা নয়, অন্য কোথাও? তাহলে আমার এই লেখাটা, আপনার জন্যই। নিউরোবিজ্ঞানীরা কিছুদিন আগে একটা ইন্টারেস্টিং গবেষণা করেছিলেন। কিছু ছাত্রকে তাদের খুব অপছন্দের কোনো বিষয়ে পড়াশোনা করতে দিয়ে তাদের মস্তিষ্কের উপর রাখছিলেন নজর। কী আশ্চর্য, অল্প একটু পরেই দেখা গেলো, ব্যথা পেলে মানুষের মস্তিষ্কের যে অংশের পেইন রিসেপ্টর স্নায়ুকোষ সক্রিয় হয়ে উঠে, বিরক্তিকর পাঠ্যবই পড়তে গিয়ে ছাত্রদের একই রকমের ব্যথা হচ্ছে। কাজেই ভ্যানভ্যানানি পড়া পড়তে গেলে মাথায় যদি করে ব্যথা, সেটা পড়া ফাঁকি দিতে আপনার আলসেমি বা অজুহাত না, বরং সেটা আপনার দেহের মনের কড়া প্রতিবাদ — এই চাপিয়ে দেয়া বিরক্তিকর পড়ার বিরুদ্ধে। কিন্তু? পাশ তো করতেই হবে পরীক্ষায়। অথবা অফিসের বসের দেয়া কাজটা করতে হবে শেষ? তবে উপায় কী? আছে। মনকে ফাঁকি দেয়ার কায়দাটা আছে। চলুন, দেই শিখিয়ে।
পোমোডরো টেকনিক
কায়দাটা খুব সহজ। পড়া বা এরকম আর কোনো কাজকে ২৫ মিনিটের খণ্ডে ভাগ করে নিন। ঘড়িতে বা মোবাইলে এলার্ম সেট করুন ঠিক ২৫ মিনিট পরে। এর বেশিও না, কমও না। এবং অন্য সব কিছু বন্ধ করে ২৫ মিনিট ধরে কাজটা করুন। যেই মাত্র এলার্ম বাজবে, অমনি কাজ বন্ধ। মিনিট পাঁচেক, দশেক হাওয়া খান, চা খান, সেলফি তুলেন, মন যা চায় তাই করেন। তার পর আবারও ২৫ মিনিটের এলার্ম। এর কারণটা কী? কারণ হলো বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, ২৫ মিনিটের মাথাতেই ব্রেইনের নিউরণগুলাতে বিরক্তিকর পড়ার প্রতিবাদ হিসাবে শুরু হয়ে যায় ব্যথা, আর আপনিও বিরক্ত হয়ে দেন ছেড়ে হালটা। কাজেই ঠিক ২৫ মিনিটের মাথায় যদি অপছন্দের কাজটা থামিয়ে দিতে পারেন, তাহলে নিউরনগুলা থাকবে খোশ মেজাজে। মনকে পারবেন ভোলাতে। আপনিও থাকবেন মেজাজে বেজায় খোশ। কাজটাও হবে, যতোই বিরক্তির হোক না কেনো। মন ভোলানোর এই টেকনিকের নাম? পোমোডরো টেকনিক। আজই তাহলে দেন শুরু করে। আর দেরি কেনো? ask.fm সাইটে একাধিক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে এই প্রশ্নটা পেলাম, পড়ায় কীভাবে বসাবেন মন। তাই এখানেই লিখে ফেললাম জবাবটা। কাজে লাগলে ধন্যবাদ দেয়ার বদলে আরো কয়েকজনকে দিবেন শিখিয়ে। শেয়ার দিবেন যেন সবাই জানে।
[ মূল লেখকঃ Ragib Hasan, Assistant Professor at University of Alabama at Birmingha, USA. Ex Lecturer, CSE, BUET - facebook.com/ragibhasan]
21/09/2014
কিডনি নষ্টের ১০টি অনিয়ম
১. প্রস্রাব আটকে রাখা।
২. পর্যাপ্ত পানি পান না করা।
৩. অতিরিক্ত লবন খাওয়া।
৪. যেকোন সংক্রমনের দ্রুত
চিকিৎসা না করা।
৫. মাংস বেশি খাওয়া।
৬. প্রয়োজনের তুলনায় কম খাওয়া।
৭. অপরিমিত ব্যথার ওষুধ সেবন।
৮. ওষুধে সেবনে অনিয়ম।
৯. অতিরিক্ত মদ খাওয়া।
১০. পর্যাপ্ত বিশ্রাম না নেওয়া।
আমাদের ছোট খাট
টিপসগুলো অবহেলা করবেন
না।
09/09/2014
যেসব কারণে বিয়ে করা উচিত
বিয়ে জীবনের একটি অপরিহার্য অংশই। তাই যতই না না বিয়ে ফুল ফুটলে ঠিকই সানাই বাঝবে। তাছাড়া বিয়ে করার ব্যাপারে প্রত্যেকটি ধর্মই সুন্দর ও পরিষ্কার করে বিধান দিয়েছে। তাই বিয়েকে না বলে দ্রুত প্রস্তুতি নেওয়ায় ভাল।
বিয়ের সুবিধা-অসুবিধা দুইই আছে। সমাজবিজ্ঞানীরা বলছেন, অবিবাহিতদের থেকে বিবাহিতরা সামাজিক জীবনে অনেক বেশি সুখী।বিবাহিত দম্পত্তির সন্তান মানসিক এবং স্বাস্থ্যগত দিক থেকে অনেক বেশি ভালো থাকে।
এসব কারণ ছাড়াও এমন ১০টি কারণ আছে যার জন্য বিয়েটা করে ফেলা উচিত।
দীর্ঘ জীবন পেতে: বিবাহিতরা দীর্ঘ জীবন লাভ করেন।বিবাহিতরা তাদের সঙ্গীকে ভালোভাবেই দেখভাল করতে পারেন। তবে খেয়াল রাখবেন, আপনার সঙ্গীটি যেন আপনাকে বোঝে।
নিজেকে ভালো রাখতে: পরিসংখ্যান বলছে, বিবাহিত নারী-পুরুষ অধিক স্বাস্থ্য সচেতন হয়ে থাকে। কিছু বিবাহিত মানুষ তাদের জীবনসঙ্গীর জন্য অনেক বাজে অভ্যাস ছেড়ে দেন। আপনার সঙ্গীকে ভালোবাসলে আপনিও তা ফেরত পাবেন।
যৌন রোগ ঝুঁকি কমাতে: বিবাহিত মানুষের একটি নিয়মিত এবং স্থিতিশীল যৌন জীবন থাকে। তারা সাধারণত অন্য যৌন সঙ্গী খোঁজেন না। এর ফলে যৌন রোগের ঝুঁকি অনেকটা কমে যায়। যেসব দম্পত্তি একে অপরকে ভালোবাসেন এবং একে অপরের প্রতি অনুগত ও বিশ্বস্ত থাকেন অন্যদের তুলনায় যৌন রোগের ঝুঁকি তাদের অনেক কম।
সুস্বাস্থ্যের জন্য: বিবাহিত নারীরা অধিক স্বাস্থ্য সুবিধায় থাকেন। একটি ভাল যৌনজীবন সুখ এবং সন্তুষ্টি বাড়িয়ে দেয়। গবেষণায় প্রমাণিত, বিবাহিতরা কম বিষণ্নতায় ভোগেন।
স্বাস্থ্য সমস্যার সমাধানে: শুধু বিবাহিত নারীরাই নন বিবাহিত পুরুষরাও শারিরীক ও মানসিকভাবে অবিবাহিতদের থেকে বেশি ভালো থাকেন।বিবাহিত পুরুষরা বেশি মাত্রায় ভালোবাসার প্রতি যত্মশীল হন।তাদের আবেগ অবিবাহিতদের তুলনায় বেশি। এটা পুরুষদের কার্ডিওভাসকুলার সিস্টেমের জন্য ভালো। স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাক ও অন্যান্য রোগ প্রবণতা বিবাহিতদের কম থাকে।
উপার্জন বাড়াতে: এটা সুস্পষ্ট দম্পতিরা ব্যাচেলরের চেয়ে বেশি টাকা ব্যয় করেন। আরও কেনার সামর্থ্য অর্জন করতে তারা আরও আয় বাড়াতে তৎপর থাকেন। বিবাহিতরা তাদের সঙ্গী এবং বাচ্চাদের জন্য ভালো কিছু করার তাগিদ থেকে আরও উপার্জনের প্রতি ঝোঁকেন।
বদ অভ্যাস ছাড়তে: বিবাহিতরা অধিকমাত্রায় দ্বায়িত্বশীল থাকেন।এজন্য খারাপ অভ্যাস ত্যাগ করা তাদের জন্য আনেকটা সহজ হয়ে যায়। যদি সঙ্গী মদ এবং সিগারেট অপছন্দ করেন তবে তারা তা ছেড়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন।
বিবাহিত দম্পত্তিরা সন্তানকে বেশি সময় দিতে পারেন: বিবাহিত দম্পত্তিদের সন্তানরা সত্যিকারের পারিবারিক বন্ধনটা বুঝতে শেখে। সন্তানরা অনেক প্রতিকুল পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে পারে।এটা তাদের ব্যক্ত্যিত্বকে উন্নত করে এবং ভবিষ্যতে পারিবারিক জীবনেও তারা সুখী হয়।
জীবনে পূর্ণতা আনতে: বিবাহিতরা বেশি টাকা আয় করেন। এজন্য তারা সুন্দর জায়গায় সুন্দর বাড়িতে বসবাস করতে পারেন। এছাড়া তারা সন্তানদের ভ্রমণ, ভালো খাবার এবং ভালো স্কুলে পড়াতে পারেন।
আজীবন সঙ্গ পেতে: বিয়ে ছাড়া সারা জীবন কারো নিবিড় সঙ্গ পাওয়া সম্ভব না।সাধারণত সারা জীবন একসাথে থাকার প্রত্যয়ে মানুষ বিয়ে করে।
তাহলে কি সিদ্ধান্ত নিলেন? বিয়েটা করে ফেলায় ভাল। ভাল দেখে ভাল বংশের একটি সঙ্গি দেখে করে ফেলুন বিয়ে। - See more at: http://www.mtnews24.com/details.php?id=23274&page=8 .vlvzhHRL.dpuf
04/09/2014
আপনার চোখ কত
ভালো কাজ
করে তা পরিক্ষা করে নিন।
এই
ছবিটিতে ৩টি সংখ্যা আছে।
কি কি সংখ্যা আপনি দেখছেন
কমেন্ট
করে জানান।
সঠিক উত্তর
পরে কমেন্ট
করে জানিয়ে দেয়া হবে।
02/09/2014
যাদের বউ আছে তারা সকালবেলা কিংবা যে কোন সময় বউকে নিয়ে ঘুমালে তাদের ঘুম ভাঙ্গার সাথে সাথে বাম পাশে ডান হাত দিয়ে দেখে বউ আছে কি না।
আর যে অভাগাদের বউ নাই কিংবা বিয়েই করে নাই তারা তাদের ঘুম ভাঙ্গার সাথে সাথেই ডান পাশে বাম হাত দিয়ে বালিশের পাশে রাখা মোবাইল ফোনটা খোজে ।
কথা কিন্তু সত্য….---
কে কে একমত ??
লাইক, কমেন্ট করে সাড়া দিন !!!