09/05/2020
ফটিকছড়ি বাগানবাজার ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডে করোনা আক্রান্ত রোগীর বাড়ী লকডাউন করছেন দাতঁমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের চৌকস ইনচার্জ সোহরাওয়ার্দী সরোয়ার। এ সময় উক্ত রোগীর পরিবারকে ১ মাসের খাদ্য প্রদান করা হয়।
এছাড়া এমপি মহোদয়ের নির্দেশে তার পরিবারের সকলের করোনা নমুনা পরীক্ষা করা হবে বলে জানান আইসি সরোয়ার।
ঘরে থাকুন, সুস্থ্য থাকুন
01/05/2020
জীবন কথা।
আবুল কালাম
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক,সিলেট
(সম্মানিত উপদেষ্টা,বাগান বাজার এসোসিয়েশন)
সকলের তরে সকলে অামরা
====================
সবাইকে পবিত্র রমজানের শুভেচ্ছা ৷ এ গ্রুপটি রান করার পর থেকেই ভাবছি অামি সবার সাথে একটু পরিচিত হওয়া দরকার ৷ অামি ১৯৮৯ সালে চিকন ছড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে ভর্তি হই ৷ অামি চিকন ছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলাম ৷ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে যাঁদের পেয়েছিলাম তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন মাহবুব স্যার (বনানী, হেঁয়াকো-প্রয়াত), কবির স্যার (প্রয়াত), কাসেম স্যার(প্রয়াত), গফুর স্যার, রাবেয়া ম্যাডাম ৷ গ্রামের বাড়ি অামার মোহাম্মদপুরের পশ্চিম মধ্যম পাড়ায় ৷ সে সময়ে অনেক প্রতিকূল অবস্থার সাথে নিয়ত সংগ্রাম করেই অামাকে এত পথ পাড়ি দিয়ে স্কুলে অাসতে হতো ৷ বর্তমান মোহাম্মদপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে অাঁধারমানিক রাস্তার মাথা পর্যন্ত রাস্তার দুই পাশে ছিল গহীন অরণ্য, বাড়িঘরের উদ্ভব ঘটেছে তারও বহু পরে ৷ মাহবুব স্যারের অান্তরিক প্রচেষ্টা এবং দোয়ায় ১৯৮৮ সালে ৫ম শ্রেণীতে বৃত্তি পেয়েছিলাম ৷ সে সময় প্রতি ইউনিয়নে একজন ছাত্র এবং একজন ছাত্রীকে বৃত্তির জন্য মনোনীত করা হতো ৷ সে বছর বাগানবাজার ইউনিয়ন থেকে ছাত্রদের মধ্যে অামি বৃত্তি লাভ করলেও বৃত্তি প্রদানের জন্য কোন উপযুক্ত ছাত্রী পাওয়া যায়নি ৷ সে সময় লোকজনের কাছে শুনতাম ১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত চিকন ছড়া প্রাইমারী থেকে নাকি অামিই প্রথম বৃত্তি পেয়েছিলাম ৷ মাহবুব স্যারের স্নেহ, অার প্রাথমিক বৃত্তি লাভ অামাকে অাজকের জায়গায় নিয়ে এসেছে ৷
ক্লাস এইট পর্যন্ত অামি চিকন ছড়া স্কুলে পড়াশুনা করি ৷ এ সময়ের অনেক ঘটনা, অনেক স্মৃতি মনের জানালায় উঁকি দেয় ৷ ক্লাস সিক্সে অামাদের ব্যাচটা ছিল বেশ মেধাবী ব্যাচ ৷ হলুদিয়ার হাসেম মেম্বার, ইসলামপুরের অাব্দুল অালিম, বাংলাবাজারের খায়রুল শাহীন, চিকনছড়ার মন্নান মনুসহ অারো অনেক মেধাবী ছিল অামাদের সাথে ৷ পরবর্তী জীবনে হয়তো তারা তাদের মেধাকে যথোপযুক্ত পরিচর্যা করতে পারেনি বলে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেনি ৷ সিক্স থেকে সেভেনে কে প্রথম হবে এটা নিয়ে এক বিশাল স্নায়ুযুদ্ধ শুরু হলো ৷ অামি সব মিলিয়ে সবার থেকে একটু ব্যাকডেইটেড ছিলাম ৷ যে কারণে অামার প্রতিযোগী সহপাঠি বন্ধুরা অামাকে একটু হয়তো দুর্বল মনে করে ছিল ৷ তবে মনের দিক থেকে অামি ছিলাম অতিশয় সবল ৷ অবশেষে অামিই প্রথম হলাম ৷ অামি প্রতিযোগি বন্ধুরা অামার থেকে অনেক কম নম্বর পেল ৷ এতে করে দু'একজন শক্ত প্রতিদ্বন্দী খুবই হতাশ হলো ৷ তন্মধ্যে হাসেম ছিল অন্যতম ৷ সে তখনকার প্রধান শিক্ষক সামছুদ্দিন স্যারকে ধরে একটা অটো প্রমোশন নিল ৷ সেভেনে না পড়ে এইটে ভর্তি হলো এবং অবিশ্বাস্যভাবে এইট থেকে নাইনে প্রথম স্থান লাভ করলো ৷
এ স্কুলে নূর মোহাম্মদ স্যার, অাজিজ স্যার, কাসেম স্যার, জাকির স্যারের স্নেহ অর্জনে সক্ষম হয়েছিলাম ৷ আর প্রধান শিক্ষক সামছুদ্দিন স্যার সম্পর্কে বলতে গেলে মনে হয় একদিন একরাত শেষ হয়ে যাবে। যারা উনার সময়কালে এ স্কুলের ছাত্রছাত্রী ছিলেন তাদের সবাই জানবেন তিনি কেমন ফানি কারেক্টার ছিলেন ৷ 'The Cow' ছিল উনার অন্যতম পাঠদানের বিষয় ৷' the ' অর্থ টি টা খানা খানি ; অার cow অর্থ গরু দিয়েই ক্লাস সিক্সের পুরোটা বছর শেষ করে দিলেন।নানা হাস্যকৌতকের মাধ্যমে তিনি ক্লাস নিতেন ৷ মাঝেমাঝে তিনি অাবার ছাত্রদের বেদম প্রহার করতেন ৷ অাগে থেকে ধারণা করা যেত না কোনদিন তাঁর ক্লাস ইজি হবে অার কোনদিন অনেক গুরুগম্ভীর হবে ৷ তবে সর্বোপরি তিনি একজন দয়ালু মানুষ ছিলেন ৷ উনার অাত্মার মাগফেরাত কামনা করি ৷
নাইনের বছর অামি চলে গেলাম কুমিল্লায় ৷ এখানে এসেই জীবন সম্পর্কে মোটামুটি একটা ধারণা জন্মালো ৷ জীবনের লক্ষ্য উদ্দেশ্য স্থির করে কঠোর মনোনিবেশে পড়াশুনা করেছিলাম ৷ ১৯৯৪ সালে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৮১১ নম্বর পেয়ে একটি কেন্দ্রে প্রথম স্থান অর্জন করে SSC পাশ করেছিলাম ৷ পরবর্তীতে কৃতিত্তের সাথেই HSC সম্পন্ন করি ৷ ভর্তি হলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে ৷ বিজ্ঞান ছেড়ে বাংলায় ভর্তি হবার জন্য অনেক মানুষের সমালোচনার মুখেও অনার্স ও মাস্টার্সে যথাক্রমে প্রথম ও দ্বিতীয় স্থান লাভ করি ৷ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৪ তম সমাবর্তনে স্বর্ণপদক লাভ করি, যে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ ৷ তাছাড়াও অনার্সে প্রথম হবার জন্য ডক্টর মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ জ্ঞানপীঠ পুরস্কার লাভ করি ৷ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অামি সলিমুল্লাহ মুসলিম ( SM Hall) হলের অাবাসিক ছাত্র ছিলাম ৷
পড়াশুনা শেষ করে এক বছর ঢাকার নামকরা মনিপুর হাই স্কুলে শিক্ষকতা করি ৷ তারপর ২৬ তম বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারে এ উত্তীর্ণ হয়ে রাঙামাটি সরকারি কলেজে বাংলা বিভাগের প্রভাষক হিসেবে প্রায় অাড়াই বছর শিক্ষকতা করি ৷ তারপর ২৭ তম বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারে উত্তীর্ণ হই ৷ সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে কাজ করেছি যশোর ও কুষ্টিয়া ডিসি অফিসে ৷ এসি ল্যান্ড হিসেবে কাজ করেছি কক্সবাজার জেলার রামু ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগরে ৷ তারপর সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে এক বছর ঢাকা ডিসি অফিসে ৷ ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৩ বছর কক্সবাজার জেলার মহেশখালীতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (UNO) হিসেবে কাজ করছি ৷ এখানে কর্মকালীন সময়ে চীন, ভারত, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, হংকং সফর করার সুযোগ পেয়েছি ৷ তারপর বছরখানেক অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক/ শিক্ষা ও অাইসিটি) হিসেবে বান্দরবানে কাজ করেছি ৷ বর্তমানে সিলেটে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক)/ADC(General) হিসেবে সিলেটে কর্মরত অাছি ৷
অাল্লাহর নিকট লাখো শুকরিয়া ৷ এলাকার মানুষের কোন উপকারে অাসতে পারলে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করি ৷ অামার মোবাইল নম্বর দিলাম ৷ যে কেউ প্রয়োজনে ফোন করতে পারবেন ৷ ০১৭৪৬-২৬২৬২৮ ৷ সবাইকে ধন্যবাদ ৷
©
25/04/2020
**গত ২৪ ঘণ্টায় ৩০৯ করোনা রোগী শনাক্ত, মোট শনাক্ত ৪৯৯৮ ।
**দেশে করোনায় আরো ৯ জনের প্রাণহানি, মোট মৃত্যু ১৪০।
** ** ২৪ ঘন্টায় ৩,৩৩৭ নমুনা পরীক্ষা, করোনা শনাক্ত ৩০৯।
23/04/2020
আজ ২৩/০৪/২০২০ তারিখ বিকাল ৩ ঘটিকা হতে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, চট্টগ্রাম মহোদয়ের সদয় অনুমতিক্রমে ফটিকছড়ি উপজেলায় লকডাউন ঘোষণা করা হলো।
এ আদেশ অমান্যকারীরদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
23/04/2020
ফটিকছড়ি উপজেলাকে লক ডাউন ঘোষণা।
উপজেলা প্রশাসন।
দেশে গত ২৪ ঘন্টায় করোনায়
মৃত; ৭ জন, মোট ১২৭, আক্রান্ত ; ৪১৪ জন,মোট; ৪১৮৬
ঘরে থাকুন, সুস্হ্য থাকুন
22/04/2020
আজ বুধবার (২২ এপ্রিল) ১৬৫ টি করোনার নমুনা পরীক্ষা করা হয়। চট্টগ্রামে আজ পজিটিভ ৩ জন (লালখানবাজার ১, বালুছড়া ১, ফটিকছড়ি ১)। লক্ষ্মীপুরে ১ একজন পজিটিভ।
ঘরে থাকুন, সুস্হ্য থাকুন
15/04/2020
আাগামীকাল থেকে আরো কঠোর হচ্ছে ফটিকছড়ি উপজেলা প্রশাসন।
ফটিকছড়ি উপজেলার বিভিন্ন প্রবেশ পথে বসানো হচ্ছে তল্লাশি চকি/ চেকপোস্ট।
ঘরে থাকুন, সুস্হ্য থাকুন
30/03/2020
করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সবকিছুই বন্ধ ঘোষনা করা হয়েছে।যার পরিপেক্ষিতে গরিব অসহায় মানুষের দূর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। ইতোমধ্যে বাগান বাজার এসোসিয়েশন এর পক্ষ থেকে বাগান বাজার ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য একটি উদ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে। বাগান বাজার ইউনিয়নের সকল প্রবাসী,চাকুরীজীবি ও ব্যবসায়ী ভাইদের প্রতি অনুরোধ করছি অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সহযোগিতা করার।আমরা চাই আপনাদের সবার সহযোগিতায় ১নং বাগান বাজার ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে চাল,ডাল,তৈল,আলু সহ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য প্রদান করবো ইনশাআল্লাহ।তাই আমরা একটি পরিবারের মাঝে (চাউল+ডাল+আলু+তৈল+সাবান+অন্যান্য)=৪০০টাকা করে নির্ধারণ করেছি।
আপনি কতটি পরিবারের পাশে দাঁড়াবেন?? যতবেশি পরিবারের মাঝে আপনি পাশে দাঁড়াবেন ততবেশি পরিবার এক বেলার আহার পাবে।
বিকাশ পার্সোনাল:
01823381955
01822952999
রকেট পার্সোনাল:
018207049943
সার্বিক পরিচালনায়:
বাগান বাজার এসোসিয়েশন