05/11/2017
লোহাগাড়া উপজেলা আওয়ামীলীগ আয়োজিত জনসভায় বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক,মাননীয় মন্ত্রী জননেতা জনাব ওবায়দুল কাদের এম পি'র আগমনে জনসমুদ্রে পরিণিত,,,,লোহাগাড়া উপজেলা আওয়ামীলীগ
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from বাংলাদেশ ছাত্রলীগ লোহাগাড়া উপজেলা, Political Party, Chittagong.
05/11/2017
লোহাগাড়া উপজেলা আওয়ামীলীগ আয়োজিত জনসভায় বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক,মাননীয় মন্ত্রী জননেতা জনাব ওবায়দুল কাদের এম পি'র আগমনে জনসমুদ্রে পরিণিত,,,,লোহাগাড়া উপজেলা আওয়ামীলীগ
05/11/2017
নব-নির্বাচিত দক্ষিন জেলা ছাত্রলীগ কমিঠিতে স্থান পাওয়া লোহাগাড়া উপজেলা ছাত্রলীগের পক্ষ হতে বরণ করে নেওয়ার মুহূর্তে।
28/07/2017
মুজাহিদ পুত্রের বিরোধীতায় চাকরী গেলো গ্রামীণফোন প্রকৌশলীর যুদ্ধাপরাধী আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের পুত্র আলী আহমেদ তাহিকের বিরুদ্ধে ফেসবুক স্ট্যাটাসের জেরে চাকরী গেলো গ্রামীণ ফোনের এক জ্যেষ্ঠ প্রকৌশলীর।
06/04/2017
20/02/2017
সভাপতি "রেজাউল"
সহ-সভাপতি "মিনহাজ"
সাধারণ সম্পাদক "নাবেদ" এবং
সাংগঠনিক সম্পাদক হিসাবে "আরাফাত সানি"
সৌজন্যে- বাংলাদেশ ছাত্রলীগ লোহাগাড়া উপজেলা
03/09/2016
রেনু মাত্র দুই দিন আগে ২৩ মার্চ পাকিস্তান দিবসে নিজের ভাতের থালায় পানি ঢেলে দিয়েছিলেন। ভাত খাননি। মুজিব যথারীতি তাঁর সঙ্গে খেতে বসেছিলেন।
রেনু জিগ্যেস করেছিলেন, ‘ইয়াহিয়ার সঙ্গে নাকি তোমার সমঝোতা হচ্ছে?’
মুজিব কিছু না বলে খেতে থাকেন।
‘সমঝোতা কোরো না।’ রেনু বলেন।
মুজিব রেগে গিয়ে বলেন, ‘আলোচনা হচ্ছে। এখনো কিছু হয় নাই।’
রেনু বলেন, ‘খবরদার, তুমি আপস করবে না। কিসের সমঝোতা ইয়াহিয়ার সঙ্গে? তুমি যদি সমঝোতা করো, দেশের মানুষ তোমার ওপর ক্ষুব্ধ হবে। তারা আর তোমার সঙ্গে থাকবে না। তখন যেকোনো সময় ইয়াহিয়া তোমাকে মেরে ফেলতে পারবে।’
মুজিব আরও রেগে গিয়ে বলেন, ‘আরে বললাম তো সমঝোতা হয় নাই। আলোচনা চলছে।’
রেনু নিজের ভাতের মধ্যে পানি ঢেলে দেন। সারা দিন তিনি আর ভাত খাননি। দুপুরে খাননি, রাতে খাননি।
শেষে মুজিব তাঁকে বললেন, ‘তুমি আমাকে এই চিনলা, আমি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রিত্বের জন্য বাংলাদেশের মানুষের সাথে বেইমানি করব? আমার জীবন যেতে পারে, কিন্তু আমি দেশের মানুষের মুক্তি ছাড়া আর কিছু চাই না। ওঠো, ভাত খাও।’
বেগম মুজিব খাবার টেবিলে বসলেন। মুজিবও বসলেন। খাওয়ার পরে তিনি তাঁর পানের বাটাটা নিয়ে খুব যত্ন করে পান বানালেন। একটা নিজের জন্য। একটা হাসুর আব্বার জন্য।
মুজিব পান চিবুতে চিবুতে ভাবলেন, এই ছোটখাটো মানুষটা রাজনীতির এমন জটিল সমীকরণ এত সহজ করে বোঝে কী করে। যেমন আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা থেকে প্যারোলে মুক্তি নিয়ে লাহোরের গোলটেবিল বৈঠকে যাওয়ার আইয়ুব খানের প্রস্তাবে রেনু ‘না’ করে দিয়েছিলেন। তিনি হাসুকে দিয়ে চিঠি পাঠিয়েছিলেন বন্দী মুজিবকে, ‘খবরদার, তুমি প্যারোলে মুক্তি নেবে না। তোমাকে নিঃশর্তভাবে ছাড়তে হবে।’
জেনালে ও নারীরা বই থেকে। বাংলাদেশের জন্মের ইতিহাসে বেগম মুজিবের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ,,,
পুলাপান এখন অনেক রসিক-প্রতিভাবান :)
"মজলিসে সুরার সেই আড্ডাটা আজ আর নেই,
কোথায় হারিয়ে গেল সোনালী বিকেল গুলো সেই।। আজ আর নেই,
মুঈনুল বিলেতে, রাজ্জাক আমেরিকায়, নেই তারা আজ কোন খবরে,
রসিকলাল সাকা ভাই ঘুমিয়ে আছে যে আজ কবরে,
পাকিকে ভালবেসে আঘাত পেয়ে যে শেষে, লোহার গারদে আছে আলীম ভাই, বেবাকে ধুকছে দুরন্ত অনুতাপে হামিদ করেনি তাগোরে ক্ষমা হায়।।
সাঈদীই আজ শুধু সবচেয়ে সুখে আছে, শুনেছি চান্দেতে প্লট তার,
চান্দের আলোয় আগা গোড়া মোড়া সে, দাড়ি-মোছ সব কিছু লাল তার,
পাক বাহিনীর ছেলে গোলাম আজম ভাই সহিংসতার ছক শুধু আঁকতো
আর চোখ ভরা কথা নিয়ে একমুখ হাসি নিয়ে আমাদের ম্যাডামটা বসে শুধু থাকতো।।
একটা টেবিলে সেই তিনচার ঘন্টায়, দেশটা গ্রেনেডে জ্বলতো
কখোনো ২১শে আগষ্ট ,কখোনো ১৪ই ডিসেম্বর, এই নিয়ে তর্কটা চলতো
রোদ ঝড় বৃষ্টিতে যেখানেই যে থাকুক কাজ
সেরে ঠিকএসে জুটত
দশটায় শুরু করে জমিয়ে আড্ডা মেরে রাত পোনে ২ টায় উঠত।।
কবি কবি চেহারা কাধেতে ঝোলানো ব্যাগ মুছে যাবে কামরুর নামটা
একটা কবিতা তার হলনা পত্রিকায় ছাপা, পেলনা সে সাংবাদিকের দামটা
টিভিতে, পেপারে রসালো নাটকে সাকাচৌ অভিনয় করতো
বাঘা বাঘা রিপোর্টার হররোজ সাকায় কি-কয় তাই শুধু বলতো।।
সেই নয়জন নেই আজ টেবিলটা তবু আছে
নয়টা পেয়ালা আজো খালি নেই
একই সে টেবিলে আজ বসতেছে নূতন ন্যাতা
শুধু সেই সেদিনের পাকি নেই।
কতো স্বপ্নের রোদ ওঠে এই হাওয়া ভবনে কত স্বপ্নের মেঘে ঢেকে যায়
কতজন এলো গেল কতজনই আসবে ষড়যন্ত্রটা শুধু থেকে যায়।"
Courtesy: FAZLUL BARI BHAI
18/07/2016
যতদিন রবে তোমার হাতে দেশ,
পথ হারাবে না দেশ।।