03/01/2022
গৌরব, ঐতিহ্য, সংগ্রাম ও সাফল্যের ৭৪ বছর।
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে সকলকে জানাই শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, পলোগ্রাউন্ড শাখা, Political organisation, pologround, Chittagong.
03/01/2022
গৌরব, ঐতিহ্য, সংগ্রাম ও সাফল্যের ৭৪ বছর।
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে সকলকে জানাই শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
28/09/2021
শেখ হাসিনাঃ অগ্রযাত্রার অগ্রদূত
বাঙালি জাতির হাজার বছরের শৃঙ্খলমুক্তি ঘটেছে যার নেতৃত্বে, সেই মহান মানুষটির নাম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। দীর্ঘ দুই যুগের সংগ্রাম শেষে, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ চূড়ান্তভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন তিনি। প্রাণ বাজি রেখে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে আপামর বাঙালি। 'জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু' ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে পড়ে ৫৫ হাজার বর্গমাইলের এই রণাঙ্গণ। ৯ মাস যুদ্ধ শেষে, ১৬ই ডিসেম্বর বিশ্বের বুকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে বাংলাদেশ।
কিন্তু চারপাশে শুধু লাশ আর লাশ, পাকিস্তানি জান্তা ও রাজাকারদের অমানবিক তাণ্ডবে জনগণ-রাস্তাঘাট-অবকাঠামো সবকিছুই বিপর্যস্ত। তাই স্বাধীনতার পর দেশকে নতুন করে গড়ে তোলার চ্যালেঞ্জ নিতে হলো বঙ্গবন্ধুকে। শোষিত-নিপীড়িত মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর যে স্বপ্ন তিনি দেখতেন, তা বাস্তবায়নের জন্য সমাজ সংস্কারে হাত দিলেন। মাত্র সাড়ে তিন বছরের শাসনামলে জাতির পিতা যেসব উদ্যোগ নিয়েছিলেন, তার ওপর ভিত্তি করেই আজকের বাংলাদেশকে গড়ে তুলছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। বাঙালি জাতিকে যে সোনার বাংলার স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে তা আজ পূর্ণতা পেয়েছে। সোনার বাংলার লক্ষ্য অর্জন শেষে বাঙালি জাতি এখন এক নতুন ডিজিটাল বাংলাদেশ অভিমুখে যাত্রা করছে।
বঙ্গবন্ধুকন্যার মানবিক নেতৃত্বে, বাংলার দুঃখী মানুষের জীবনমান আমূল বদলে গেছে। অভাব, মঙ্গা ও দারিদ্রের কড়াল গ্রাস থেকে বেরিয়ে এসেছে বাংলাদেশ। গত এক দশকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দশ লক্ষাধিক উদ্যোক্তা তৈরি হয়েছে। নতুন করে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়েছে প্রায় এক কোটি মানুষের। নামমাত্র মূল্যে সার ও বীজ পাচ্ছেন প্রান্তিক কৃষকরা। খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ং সম্পূর্ণ হয়েছে বাংলাদেশ।
স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু যেমন এক কোটি শরণার্থীসহ প্রায় দুই লাখ স্থানচ্যুত মানুষকে পুনর্বাসন করেন, বাস্তুহীনদের জন্য নির্মাণ করেন ৪৩ লক্ষ বাসগৃহ। তেমনি ১৯৯৮ সালের বন্যায়, দেশের ৭০ ভাগ এলাকা প্লাবিত হওয়ার পরেও তা শক্তহাতে মোকাবিলা করেন শেখ হাসিনা। বন্যার কারণে রোগবালাই এবং খাদ্যাভাবে এক কোটি মানুষ মারা যাবে বলে আগাম সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছিল বিশ্বগণমাধ্যমে। কিন্তু ফলে কোনো লোকক্ষয় ছাড়াই আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে এই দুর্যোগ শক্তহাতে মোকাবিলা করেন তিনি। এরপরই আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে শেখ হাসিনাকে 'বিস্ময়কর' নেতা বলে অভিহিত করা হয়। সেই ধারাবাহিকতায়, কখনোই অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো থেকে পিছপা হননি বঙ্গবন্ধুকন্যা। এই মানবিক নেত্রীর নির্দেশে দেশের ভূমিহীন ও গৃহহীন মানুষদের মাথাগোঁজার ঠাই করে দিতে প্রায় ৯ লক্ষ ঘর তৈরির কাজ অব্যাহত রেখেছে সরকার।
এমনকি, সমাজের পিছিয়ে পড়া নারীদের মূলধারায় নিয়ে আসার জন্য দেওয়া হচ্ছে শিক্ষাবৃত্তি। প্রথম শ্রেণি থেকে স্নাতক পর্যন্ত প্রায় ৪০ লাখ শিক্ষার্থীকে আনা হয়েছে নিয়মিত বৃত্তির আওতায়। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে সবশ্রেণির সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের। বিধবা, স্বামী পরিত্যক্তা, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধীসহ মোট ৯১ লাখ মানুষকে দেওয়া হচ্ছে সুরক্ষা ভাতা। নারীদের জন্য গর্ভকালীন ছুটি চার মাস থেকে বৃদ্ধি করে ছয় মাস করা হয়েছে, চালু হয়েছে পিতৃকালীন ছুটিও। মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের জন্য সম্মানি কয়েকধাপে বৃদ্ধি করে ২০ হাজার টাকা উত্তীর্ণ করেছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা।
শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে গত এক দশকে ডিজিটাল রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে বাংলাদেশ। গ্রাম পর্যন্ত পৌঁছে গেছে ইন্টারনেট ও তথ্যপ্রযুক্তির সুবিধা। করোনার প্রাদুর্ভাবে ২০২০ সালের শুরুতে বিশ্ব যখন থমকে গিয়েছিল, সেই সেই সময়টাতেও বিচক্ষণতার সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করেছে বাংলাদেশ সরকার। ডিজিটাল প্লাটফর্ম ব্যবহার করে নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা করেছে সরকার, ডিজিটাইজড সিস্টেমের মাধ্যমেই সচল রাখা হয়েচে দেশের অর্থনীতি, স্বাস্থ্যসেবা ও আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা। করোনা প্রতিরোধে মানুষকে স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে সচেতন করতে নিয়মিত অনলাইন প্লাটফর্মগুলোতে প্রচারণা চালিয়েছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী। উগ্রপন্থীদের প্রাণনাশী গুজব মোকাবিলা করে গণমানুষকে ভ্যাকসিন নিতে উৎসাহিত করেছে সরকার। ভ্যাকসিন নিয়ে আন্তর্জাতিক রাজনীতির প্রতিবন্ধকতা এড়িয়ে, এখন পর্যন্ত চার কোটির বেশি ডোজ টিকা দেওয়া সম্ভব হয়েছে শুধু শেখ হাসিনার বিচক্ষণতার কারণে।
তার আধুনিক নেতৃত্বের কারণেই মহামারিকালেও থেমে নেই মানবিক উন্নয়ন কর্মযজ্ঞ। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে নিয়মিতভাবে সরকারি সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে সারা দেশে করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত এক কোটিরও বেশি মানুষের ঘরে। ডিজিটাল সুবিধা ব্যবহার করে নগদ অর্থ প্রদান করা হয়েছে প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং মহামারিতে ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ৫০ লক্ষ কৃষক-শ্রমিক-মজুরের হাতে।
স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু যেমন দেশের ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, তেমনি ইসলামের প্রচার ও প্রসারে ভূমিকা রেখে চলেছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা। তার নির্দেশেই দেশজুড়ে নির্মাণ করা হচ্ছে ৮ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ৫৬০টি মডেল মসজিদ। এমনকি এই করোনাকালে সারা দেশের মসজিদ, মন্দির, মাদ্রাসা ও এতিমখানার উন্নয়ন এবং এসবের সঙ্গে যুক্ত প্রায় অর্ধকোটি মানুষের জন্য নগদ অর্থ প্রদান করেছেন তিনি। এছাড়াও ব্যক্তিগতভাবে অর্থ সংগ্রহ করে এসব খাতে আড়াই শ' কোটি অনুদান দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
জঙ্গিবাদ-উগ্রবাদ ও রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ। স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে উন্নীয় হয়েছে বাংলাদেশ। এজন্য বিশ্ব নেতারা উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন জননেত্রী শেখ হাসিনার।
ইতোমধ্যে শতভাগ বিদ্যুতের আওতায় এসেছে ৬১টি জেলা। পাহাড় কিংবা দুর্গম চরেও পৌঁছে যাচ্ছে বিদ্যুতের সুবিধা। মানুষের মাথাপিছু আয় বেড়েছে তিনগুণ। স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নের ফলে বেড়েছে গড় আয়ু। ব্যাপক অবকাঠামোগত উন্নয়নের ফলে সহজ হচ্ছে যোগাযোগব্যবস্থা। চারলেনের সড়ক ব্যবস্থা বাস্তবায়িত হচ্ছে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া। নিজস্ব অর্থায়নে দ্বিতল বিশিষ্ট পদ্মাসেতুর কাজ সম্পন্ন করে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ। চট্টগ্রামের কর্ণফুলি নদীর নিচে বঙ্গবন্ধু টানেল ও রাজধানীর মেট্রোরেলের কাজও প্রায় শেষ। এতোদিন টেলিভিশনের পর্দায় বিদেশের যেসব মেগাপ্রকল্পের চোখ ধাঁধানো দৃশ্য আমরা দেখতাম, ঠিক সেসব অবকাঠামোই দেশের মাটিতে বাস্তবায়ন করেছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এসব উদ্যোগের কারণেই একসময়ে 'তলাবিহীন ঝুড়ি'র বাংলাদেশকে, বিশ্ব আজ সমীহ করছে। গত এক যুগে বাংলাদেশের মানুষের জীবনযাত্রার মানের যে উন্নয়ন, তা আজ বিশ্বনেতাদের কাছে এক বিস্ময়। একারণে ২০১৯ সালে জাতিসংঘের অধিবেশনে তৎকালীন মহাসচিব বান কি মুন বাংলাদেশকে ‘উন্নয়নের মডেল’হিসেবে অভিহিত করেন। ২০২১ সালে, বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তী পালনকালে, এই নতুন বাংলাদেশের পেছনে শেখ হাসিনার কৃতিত্বের কথা উল্লেখ করেছেন বিশ্ব নেতারা।
একজন দূরদর্শী রাষ্ট্র নায়ক হিসেবে বাংলাদেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও এখন সম্মানিত করা হচ্ছে আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। দেশের সামাজিক পরিস্থিতি উন্নয়নে অভূতপূর্ব ভূমিকা রাখায় বিশ্বের শীর্ষ দশ মহান নেতার একজন হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন তিনি।
তার নান্দনিক নেতৃত্বে বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশের শান্তিপূর্ণ ইমেজ গড়ে ওঠার স্বীকৃতি দিয়েছে জাতিসংঘ। একারণে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক গুরুত্বপূর্ণ পদ পেয়েছে বাংলাদেশ।
১৯৭৪ সালে প্রথমবারের মতো জাতিসংঘে বাংলায় ভাষণ দিয়ে যেভাবে বাংলা ও বাঙালির স্বকীয়তার জানান দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু, তেমনি শেখ হাসিনাও বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরেছেন বাংলাকে। তার অদম্য নেতৃত্বেই বাংলাদেশ আজ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একটি কল্যাণকামী রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় জাতিসংঘে উত্থাপন করা শেখ হাসিনার প্রস্তাবনাগুলোর উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন বিশ্বনেতারা। ধরিত্রী রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকা ও দর্শনের কারণে বিশ্বনেতারাও আজ সমীহের দৃষ্টিতে দেখে বাংলাদেশকে। বঙ্গবন্ধুকন্যার মানবিক ও সুদূরপ্রসারী নেতৃত্বে যেভাবে এগিয়ে চলছে বাংলাদেশ, তাতে উন্নত বিশ্বের কাতারে নাম লেখানোটা এখন শুধু সময়ের ব্যাপার মাত্র।
28/09/2021
আমরা গর্বিত, কারণ আমাদের একজন শেখ হাসিনা আছেন।যার নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ..
শুভ জন্মদিন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা..
14/09/2021
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগ যখন দেশের ক্ষমতায় আসে তখন উন্নতি হয়। উড়ে এসে জুড়ে বসারা ক্ষমতাটাকে ভোগের জায়গা বানায়। অর্থ-সম্পদ বানানোর একটা মেশিন হিসাবে পায়। আমরা যখন সরকারে আসি তখন আন্তরিকতা, আদর্শ, নীতি ও সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করি। কারণ এদেশের মানুষের মুক্তির জন্য সংগ্রাম করেছে আওয়ামী লীগের কর্মীরা, পাশে থেকেছে জনগণ। কিন্তু উড়ে এসে জুড়ে যারা ক্ষমতায় বসে, তাদের সেই দায়বদ্ধতা থাকে না। দেশের মানুষের প্রতি তাদের কোনও খেয়ালই থাকে না। এটা হলো বাস্তবতা।
#শেখহাসিনা
11/05/2021
প্রিয় নেতা MD Shaiful Alam Leemon ভাই এর সার্বিক সহযোগীতায় এবং Mehadi Hassan Nipu ভাইয়ের পরামর্শে,,, ২৫ টি গরীব ও দুস্থ পরিবারকে ঈদ সামগ্রী উপহার বিতরণ করা হয় যেখানে স্বেচ্ছাসেবক লীগ, রেলওয়ে শ্রমিকলীগ, বাংলাদেশ ছাত্রলীগসহ, অঙ্গসংগঠনের নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।।
আয়োজনে ঃ বাংলাদেশ ছাত্রলীগ,১৫ নং বাগমনিরাম ওয়ার্ড।।
22/03/2021
সাবেক ছাত্রনেতা,
পলোগ্রাউন্ডের কর্নধার,
মেহেদী হাসান নিপু ভাইকে শুভেচ্ছা।
30/01/2021
৬২'র ছাত্র আন্দোলন ও ৬৯'র গণ অভ্যুত্থানের অন্যতম সাহসী ছাত্র নেতা,১৯৭১সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের সাহসী বীর,
চট্টগ্রাম সরকারী কমার্স কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি,
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী ইন্তেকাল করেছেন।
(ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
মহান রাব্বুল আলামিন উনাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুক, আমিন। এবং শোক-সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই।
15/12/2020
সবাইকে মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা🇧🇩🇧🇩🇧🇩
17/11/2020
লাখ লাখ মানুষ জমায়েত হয়েছে মৌলানা ভাসানীর আগুনের মতো গরম বক্তৃতা শোনবার জন্যে। কিন্তু পাকিস্তানি পুলিশ জনসভা করতে দিবেনা। ভাসানীও পিছু হাঁটবেন না। আছরের আজান হলো তখন। মাওলানা ভাসানী রাজপথে জায়নামাজ বিছিয়ে নামাজ শুরু করলেন। অজু করে পিছনে দাঁড়িয়ে গেলো জনতা। পুলিশতো আর নামাজে বাঁধা দিতে পারবেনা। নামাজ শেষে সালাম ফিরিয়ে মোনাজাত ধরলেন মৌলানা। ঐ মোনাজাতে প্রচন্ড কন্ঠে মহান আল্লাহর কাছে জালিম পাকিস্তান সরকারের কাছ থেকে মুক্তি চাইলেন, চাইলেন স্বাধীনতা। লাখ লাখ মানুষ 'আমিন' বলে গর্জে উঠলো। জনসভা হলোনা তবে পুলিশের চোখের সামনেই বক্তৃতা হয়ে গেলো। এমন নেতা আমাদেরই ছিলো, এই দেশেরই ছিলো।
দেওবন্দে বিদ্যা অর্জন করা মৌলানা ভাসানী এককালে খেলাফত আন্দোলন করেছেন। ১৯৪৭ সালে ভারত ভাগ হয়ে যখন পাকিস্তানের জন্ম হয় তখন তিনি ঐতিহাসিক ‘সিলেট রেফারেন্ডাম’- এ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। সিলেট রেফারেন্ডামের সাফল্য থেকেই সিলেট তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তানে সংযুক্ত হয়। যাদের হাত ধরে আওয়ামীলীগের জন্ম তাদেরই একজন এই মজলুম জননেতা মৌলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী। তবে পরবর্তীতে এই আওয়ামীলীগ থেকে তিনি নিজেই বের হয়ে এসে গঠন করলেন 'ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি' (ন্যাপ)। এককালে তিনি বৃটিশদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন, শেষ বয়সে লড়াই করেছেন পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে। পাকিস্তানিরা তাকে ডাকতো 'কাফের মাওলানা'। হায়, স্বাধীনতার পক্ষে লড়াই করলে 'কাফের' হয়ে যেতে হয়! ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে তিনি সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন। এই গণঅভ্যুত্থানের ফলে স্বৈরাচার আইয়ুব খানের পতন হয়। এতো বড় মাপের নেতা হয়েও তার ব্যক্তিগত জীবন ছিলো নিতান্তই সাদা-মাটা। জীবনে এত বেশী জুলুম-নির্যাতন সহ্য করেছেন যে তাকে 'মজলুম' উপাধী দিতে ভুল করেনি দেশের মানুষ।
১৯৫৭ সালে কাগমারী সম্মেলনে তিনি পাকিস্তানের স্বৈরশাসকের বিরুদ্ধে ঘৃণাভরে বলেছিলেন 'ওয়ালাইকুমুস সালাম'- সেই কথা আজ অমর হয়ে গেছে। দেশ স্বাধীন হবার পর বয়সের ভারে যখন শরীর প্রায় অক্ষম তখনও তিনি ফারাক্কা বাঁধ অভিমুখে লংমার্চে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি আজীবন লড়াই করে গেছেন গণতন্ত্রের জন্যে, কথা বলার স্বাধীনতার জন্যে, নিজের দেশের জন্যে। তার রাজনৈতিক দর্শনের সাথে স্বার্থের মিল থাকেনা বলে অনেকেই আজ তার অবদানকে ভুলতে বসেছেন, তাকে প্রাপ্য সম্মান দিতে কার্পন্য করছেন। তবে ইতিহাস এদের ভুলবেনা। বিবিসি পরিচালিত জরিপে সর্বকালের সেরা বাঙালীতে তিনি হয়েছেন অষ্টম।
আজ ১৭ নভেম্বর, মজলুম জননেতা মৌলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর মৃত্যুদিবস। সিরাজগঞ্জে জন্ম নেওয়া এই মহান নেতা ৯৬ বছর বয়সে মারা যান টাঙ্গাইলে, ১৯৭৬ সালের আজকের দিনে। তার নাম অক্ষয় থাকুক- এই হোক আজকের প্রার্থনা...
তুমি রবে, নিরবে-
মনেরও গহিনে...
( সংগৃহীত)