জামায়াতে ইসলামী ফটিকছড়ি

জামায়াতে ইসলামী ফটিকছড়ি

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from জামায়াতে ইসলামী ফটিকছড়ি, Political organisation, ফটিকছড়ি, চট্টগ্রাম, Chittagong.

Photos from জামায়াতে ইসলামী ফটিকছড়ি's post 25/06/2019

প্রাক্তন ছাত্র ভাইদের সাথে মতবিনিময় ও ঈদ পুণর্মিলনী অনুষ্ঠানের অায়োজন করেছে জামায়াতে ইসলামী চকবাজার থানা শাখা!

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগর সেক্রেটারি জনাব নজরুল ইসলাম।

Photos from জামায়াতে ইসলামী ফটিকছড়ি's post 25/06/2019

মীর জাফরের প্রেতাত্মারাই জাতি-বিভেদকে প্রকট করে তুলেছে-------শিবির সভাপতি

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি ড. মোবারক হোসাইন বলেন, জাতির সাথে বিশ্বাস ঘাতকতার কলঙ্কিত অধ্যায় পলাশীর ঘটনার প্রায় তিন শতাব্দী পেরিয়ে গেলেও মীর জাফরদের প্রেতাত্মারা বিলীন হয়ে যায়নি। তারা আবার জাতির ঘাড়ে চেপে বসেছে এবং জাতির বিভেদকে প্রকট করে তুলেছে। তাই দেশ ও জাতিকে বাঁচাতে বিশ্বাসঘাতকদের রুখতে হবে।

তিনি আজ দিনাজপুরের এক মিলনায়তনে ছাত্রশিবির দিনাজপুর শহর শাখা আয়োজিত ঐতিহাসিক পলাশী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

শিবির সভাপতি বলেন, রাষ্ট্র আজ মীর জাফরী ঘাতকতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ। জাতি এমন এক সময়ে পলাশী দিবস পালন করছে যখন মীরজাফর-ঘষেটি বেগমের কালো ছায়া জনগণের অধিকার ও স্বাধীনতাকে পায়ে দলে অবৈধভাবে ক্ষমতা আঁকড়ে আছে। বহু আন্দোলন, রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র আজ বিপন্ন। তারা জনগণকে গোলাম বানাতে চায়।

আর এদেশকে বানাতে চায় আধিপত্যবাদের কলোনি। বিনা ভোটের অদ্ভুত এক সরকার গণতন্ত্রপ্রিয় জনগণের ওপর চেপে বসে আছে। রাষ্ট্রীয় শক্তিকে অন্যায়ভাবে ব্যবহার করে জনগণের উপর নিপীড়ন চালাচ্ছে তারা। রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল করতে জাতি-বিভেদ প্রকট করে তুলছে। দেশের স্বার্থকে জলাঞ্জলি দিয়ে একের পর এক নতজানু নীতি গ্রহণ করছে। দেশ বা জনগণ নয় ক্ষমতার লোভই তাদের কাছে বড়। এ যেন জাতির সাথে বিশ্বাসঘাতক মীর জাফরদের অপকর্মেরই প্রতিচ্ছবি।

তিনি আরও বলেন, ইতিহাস পলাশীর প্রান্তরে থেমে যায়নি। সিরাজউদ্দৌলার উত্তরসূরী হিসেবে নির্যাতিত নিপীড়িত জনতা সময়ের ব্যবধানে জেগে উঠেছিল। সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করে প্রতিরোধের প্রাচীর গড়ে তুলেছিল। ক্ষমতালোভী অপশক্তিকে বিতাড়িত করেছিল। সুতরাং আজকের দখলবাজরাও চিরস্থায়ী নয়। পলাশীর চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে বিশ্বাসঘাতক অপশক্তিদের রুখে দেওয়ার প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে গেলে তারাও মুক্তিকামী জনতার রোষানলে পরে পরাজিত হতে বাধ্য হবে। বিশ্বাসঘাতকদের মত ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হবে তারা, আর বিজয় হবে জনতার।

Photos from জামায়াতে ইসলামী ফটিকছড়ি's post 23/06/2019

পলাশী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল জব্বার।

Photos from জামায়াতে ইসলামী ফটিকছড়ি's post 23/06/2019

ড. মুহাম্মদ মুরসিকে হত্যার বিচার আন্তর্জাতিক আদালতে হতে হবে --------শিবির সভাপতি

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি ড. মোবারক হোসাইন বলেছেন, বিশ্ব ইসলামী আন্দোলনের প্রাণপুরুষ ড. হাফেজ মুহাম্মদ মুরসির মৃত্যু স্বাভাবিকভাবে হয়নি। বরং দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্রে এটি একটি সুপরিকল্পিত হত্যাকান্ড। সুতরাং ড. মুরসিকে হত্যার বিচার আন্তর্জাতিক আদলতে হতে হবে।

তিনি আজ রাজধানীর এক মিলনায়তনে ইসলামী ও সমমনা ছাত্রসংগঠনসমুহের উদ্যোগে মিশরের সাবেক প্রেসিডেন্ট মরহুম ড. মুহাম্মদ মুরসির রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। শিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল মোঃ সিরাজুল ইসলামের পরিচালনায় মাহফিলে বক্তব্য রাখেন- নিজাম উদ্দিন আল আদনান- সাংগঠনিক সম্পাদক, ছাত্র জমিয়ত, আব্দুর রহমান ফারুকী- সাধারণ সম্পাদক, জাগপা ছাত্রলীগ, শেখ এনামুল হাসান তানিম- সভাপতি, ছাত্র কল্যাণ পার্টি, এ এম কে আসাদ- সভাপতি, মুসলিম ছাত্রলীগ, শরিফুল ইসলাম- সাধারণ সম্পাদক, ছাত্র মিশন, সৈয়দ মোহাম্মদ মিলন-কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক, বাংলাদেশ ছাত্রমিশন, মোঃ শরিফুল ইসলাম- সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রমিশন, আব্দুর রহমান- সদস্য, কেন্দ্রীয় সংসদ মুসলিম ছাত্রলীগ।

শিবির সভাপতি বলেন, অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকে তাকে স্বীকৃত অধিকার থেকেও বঞ্চিত করা হয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, কিডনি ও লিভারজনিত রোগে ভুগলেও তাঁকে সুচিকিৎসা দেয়া হয়নি। পরিবারের সদস্যদের সাথে যথাযথভাবে সাক্ষাতের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। কারাগারে তাকে অত্যন্ত অবহেলায় রাখা হয়েছে। আদালত এজলাসে মূর্ছা যাওয়ার পর ২০ মিনিট কোন চিকিৎসা না দিয়ে ফেলে রেখে মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে। এমনকি এই শহীদের লাশের ময়না তদন্তের রিপোর্ট পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি। আন্তর্জাতিক বহু প্রভাবশালী গণমাধ্যম অকাট্ট তথ্য প্রমাণ দিয়ে বলেছে তাকে পরিকল্পিতভাবে তিলে তিলে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়া হয়েছে। এতে স্পষ্টতই প্রমাণিত হয় তাকে সুপরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ইন্তেকালের পর ড. মুহাম্মদ মুরসির দাফনেও বাধা দেওয়া হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে নিজ শহরে দাফনের আবেদন জানালে তা নাকচ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গত ১৮ জুন ভোরে কঠোর গোপনীয়তায় রাজধানী কায়রোর নসর এলাকায় তাঁকে দাফন করা হয়। সেখানে পরিবারের সদস্য ও ড. মুরসির দুই আইনজীবী ছাড়া কাউকে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়নি। যা মানবাধিকারের মারাত্মক লঙ্ঘন। গণতান্ত্রিক পন্থায় জনগণের নির্বাচিত প্রেসিডেন্টকে হত্যায় বিশ্ব শক্তি নিরব ভূমিকা পালন করতে পারে না। এমন বর্বরতায় নিরব থাকলে মানুষ গণতান্ত্রিক পন্থার প্রতি বিশ্বাস হারিয়ে ফেলবে যা বিশ্ব শান্তির জন্য কল্যাণকর হবে না। অবিলম্বে আন্তর্জাতিকভাবে ড. মুরসির হত্যার বিচারের ব্যবস্থা করতে হবে। আমরা আজকের এই দোয়া মাহফিল থেকে স্পষ্ট করে বলতে চাই, জুলুম-নির্যাতন করে ইসলামী আন্দোলনের অগ্রযাত্রা রোধ করা যায় না স্বয়ং মিশরই তার বড় প্রমাণ। ড. মুরসির ইন্তেকালে মুসলিম উম্মাহ ও বিশ্বের শান্তি প্রিয় মানুষের হৃদয় বিগলিত হয়েছে। কোটি কোটি তরুণ তাঁর রেখে যাওয়া কাজকে আঞ্জাম দিতে দৃঢ় প্রত্যয়ী হয়েছে। সুতরাং সাম্রাজ্যবাদী ও স্বৈরাচারি অপশক্তির ষড়যন্ত্র সফল হবে না, ইনশাআল্লাহ। ইসলামী আদর্শ প্রতিষ্ঠায় তাঁর এ আত্মত্যাগ মুসলিম উম্মাহ ও সকল মুক্তিকামী জনতা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ রাখবে।

পরে নেতৃবৃন্দকে সাথে নিয়ে তিনি শহীদ ড. মুহাম্মদ মুরসির রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন।

Photos from জামায়াতে ইসলামী ফটিকছড়ি's post 22/06/2019

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য হযরত মাওলানা মুমিনুল হক চৌধুরীর ৪র্থ র্জানাযা সাতকানিয়ায় অনুষ্ঠিত।

অাল্লাহ তা'য়ালা মরহুমকে কবুল করুন।

Photos from জামায়াতে ইসলামী ফটিকছড়ি's post 22/06/2019

পুলিশি বাঁধা উপেক্ষা করে জানাযায় মুসল্লির ঢলঃ

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা মুমিনুল হকের ৩য় জানাযায় (প্যারেড মাঠে) ছাত্রলীগের ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও পুলিশি বাঁধা! হাজার হাজার মুসল্লিকে জানাযায় অংশগ্রহণ করতে দেয়া হয়নি!

ধিক তাদের জন্য ! একজন মৃত ব্যক্তিও তাদের জন্য আতঙ্ক!

Photos from জামায়াতে ইসলামী ফটিকছড়ি's post 22/06/2019

মজলুম জননেতা মাওলানা মুমিনুল হক চৌধুরী আজ (রাত ৩ঃ৪০ মিনিটে) আন্তর্জাতিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চট্টগ্রামে চিকিৎসারত অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন।

ইন্না লিল্লাহি ওয়া-ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

জানাজা নামাজের সময়সূচীঃ
* ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় IIUC সকাল ১১টা।
* চট্টগ্রাম প্যারেড মাঠ ১.৩০ মি.
* নিজ বাড়ি সাতকানিয়া বিকাল ৫টা।

উনাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন ও পরিবার-পরিজনকে উত্তম ধৈর্য্য ধারণের তাওফিক দান করুন।

Photos from জামায়াতে ইসলামী ফটিকছড়ি's post 21/06/2019

ঢাকা মহানগরী উত্তর জামায়াতের দোয়া মাহফিল

ড. মুরসির মৃত্যু রহস্য উদঘাটনে আন্তর্জাতিক তদন্ত হওয়া দরকার ----সেলিম উদ্দিন

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমীর মুহাম্মদ সেলিম উদ্দীন বলেছেন, শহীদ ড. মোহাম্মদ মুরসি ছিলেন বিশ্ব ইসলামী আন্দোলনের প্রবাদ পুরুষ। গত ১৭ জুন আদালত এজলাসে তার মৃত্যু কোন স্বাভাবিক মৃত্যু ছিল না বরং তাকে মিশরের স্বৈরাচারি ও ফ্যাসীবাদী সরকার পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে বলে সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে। আদালতে এজলাসে মূর্ছা যাওয়ার পর ২০ মিনিট কোন চিকিৎসা না দিয়ে ফেলে রেখে মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়। এমনকি এই শহীদের মরদেহ ও ময়না তদন্তের রিপোর্ট পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি। এতে স্পষ্টতই প্রমাণিত হয় যে, ড. মুরসির মৃত্যু স্বাভাবিক ছিল না বরং তা ছিল রহস্যজনক হত্যাকান্ড। তিনি তার রহস্যজনক মৃত্যুর কারণ উদঘাটনে আন্তর্জাতিক তদন্তের আহবান জানান এবং মরহুমের শাহাদাত কবুলিয়তের জন্য মহান আল্লাহ তায়ালার দরকারের দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করে। মহানগরী আমীর শহীদ মুরসির পরিবার, মুসলিম ব্রাদারহুডের নেতাকর্মী ও মিশরের সাধারণ জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনাও জ্ঞাপন করেন।

তিনি আজ রাজধানীর একটি মিলনায়তনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তর আয়োজিত মিশরের গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রথম সাবেক প্রেসিডেন্ট শহীদ ড. মোহাম্মদ মুরসি স্বরণে শোকসভা ও দোয়া মাহফিলে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। দোয়া মাহফিল অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারি সেক্রেটারি লস্কর মোহাম্মদ তসলিম, কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য নাজিম উদ্দীন মোল্লা ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের মজলিশে শুরা সদস্য হোসাইন আহমদ প্রমূখ।

সেলিম উদ্দিন বলেন, মিশরের জুলুমবাজ ও অবৈধ সরকার ড. মুরসির মৃত্যুকে স্বাভাবিক বলে প্রচার করলেও তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ব্রিটেনের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ইন্ডিপেনডেন্ট। মুরসির বন্ধু ও সহকর্মীদের উদ্ধৃতি দিয়ে এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিশর সরকার সাবেক প্রেসিডেন্টকে যথাযথভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেননি। এদিকে মুরসি কারাগারে অকালে মারা যেতে পারেন বলে আন্তর্জাতিক কয়েকটি সংস্থা আগে থেকেই সতর্ক করেছিল। কারণ হিসেবে বলা হয়েছিল, সাবেক এই প্রেসিডেন্টকে কারাবন্দি রাখার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মানদন্ড বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি সাবেক প্রেসিডেন্ট ড. মোহাম্মদ মুরসির অকাল মৃত্যুর আশঙ্কা জানিয়ে তার প্রতি অবহেলার জন্য দেশটির ক্ষমতাসীন আবদুল ফাত্তাহ আল সিসিকেও দায়ী করেছিল যুক্তরাজ্যের বিশেষ স্বাধীন বন্দিত্ব পর্যালোচনা প্যানেল ‘ইনডিপেনডেন্ট ডিটেনশান রিভিউ প্যানেল’। কাতার-ভিত্তিক আল-জাজিরা নিউজ নেটওয়ার্ক জানিয়েছে, সাবেক প্রেসিডেন্ট মুরসি গত ৭ মে সর্বশেষ শুনানির দিন কারাগারে তার অপর্যাপ্ত চিকিৎসার ব্যাপারে প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছিলেন, চিকিৎসার অভাবে তার জীবন বিপদাপন্ন। তিনি এই পরিকল্পিত হত্যাকান্ডের বিশ্ববাসীকে সোচ্চার হওয়ার আহবান জানান।

তিনি বলেন, ড. মুরসি ২০১২ সালে একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে মিশরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেও দেশী ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ২০১৩ সালেই তাকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়। সামরিক জান্তা তাকে দীর্ঘদিন গোপন স্থানে রেখে নির্যাতন চালায় এবং পরে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভিন্ন মামলায় জড়িয়ে বিচারের নামে প্রহসন করে প্রাণদন্ডসহ বিভিন্ন দন্ডে দন্ডিত করে। তিনি দীর্ঘদিন উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, কিডনি ও লিভারজনিত রোগে ভুগছিলেন । কিন্তু কারাবন্দি এ রাজনীতিককে যথাযথ চিকিৎসা নিতে না দিয়ে তাকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছে মিশরের সামরিক জান্তা। ছয় বছর দিনে ২৩ ঘণ্টা নির্জন কারাগারই ছিল তার ঠিকানা। ছয় বছরে মাত্র তিনবার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পান মুরসি। মৃত্যুর পর মুরসির দাফনেও বাধা দেওয়া হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে নিজ শহরে দাফনের আবেদন জানালে তা নাকচ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গত ১৮ জুন ভোরে কঠোর গোপনীয়তায় রাজধানী কায়রোর নসর এলাকায় তাকে দাফন করা হয়। সেখানে পরিবারের সদস্য ও মুরসির দুই আইনজীবী ছাড়া কাউকে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়নি। যা মানবাধিকারের মারাত্মক লঙ্ঘন। কিন্তু জুলুম-নির্যাতন করে অতীতে কখনোই ইসলামী আন্দোলনের অগ্রযাত্রা রোধ করা যায়নি। তিনি শহীদ মুরসির শোককে শক্তিতে পরিণত করে ইসলাম প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়ে বিশ্ব মুসলিমকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান।

হাতিরঝিল থানা পশ্চিম
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের নায়েবে আমীর আব্দুর রহমান মুসা বলেছেন, মিশরের স্বৈরাচারি ও অগণতান্ত্রিক সরকার সাবেক প্রেসিডেন্ট ড. মুরসিকে পরিকল্পিতভাবেই হত্যা করেছে। কারাগারে তার সাথে মানবিক আচরণ করা হয়নি। এমনকি তাকে ন্যুনতম চিকিৎসা সেবাও দেয়া হয়নি। তিনি শহীদ প্রেসিডেন্ট মুরসির রহস্যজনক মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং তার শাহাদাত কবুলিয়াতের জন্য মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে দোয়া ও মোনাজাত করেন।

তিনি আজ রাজধানীতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরীর উত্তর হাতিরঝিল পশ্চিম থানা আয়োজিত মিশরের সাবেক প্রেসিডেন্ট ড. মুরসির স্মরণে শোকসভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। থানা আমীর মু. আতাউর রহমান সরকারের সভাপতিত্বে দোয়া মাহফিলে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উলামা বিভাগের সভাপতি ড. মাওলানা হাবিবুর রহমান। উপস্থিত ছিলেন থানা সেক্রেটারি ইউসুফ আলী মোল্লা, থানা কর্মপরিষদ সদস্য সুলতান মাহমুদ, জামায়াত নেতা আবু সাঈদ, মুজাহিদুল ইসলাম, মহিউদ্দীন পারভেজ ও নবী হোসেন প্রমূখ।

মোহাম্মদপুর থানা পশ্চিম
বংালাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. মুহা. রেজাউল করিম বলেছেন, মিশরের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে সর্বপ্রথম নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ড. মোহাম্মাদ মুরসীর আদালত কক্ষে মৃত্যু রহস্যজনক। তার অকাল মৃত্যুতে বিশ্ব ইসলামী আন্দোলন একজন অন্যতম সিপাহসালারকে হারালো। তার মৃত্যুতে মুসলিম উম্মাহর যে ক্ষতি হয়েছে তা সহজেই পুরুণীয় নয়। তিনি ড. মুরসির মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং মৃত্যুর কারণ উদঘাটনে একটি আন্তর্জাতিক তদন্ত কমিটি গঠনের আহবান জানান এবং তার শাহাদাত কবুলিয়াতের জন্য মহান আল্লাহ তায়ালার দরকারের দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন। মহানগরী সেক্রেটারি মরহুম মুরসির শোকাহত পরিবার-পরিজন, দলীয় নেতাকর্মী ও মিশরের সাধারণ জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনাও জ্ঞাপন করেন।

তিনি আজ রাজধানীর একটি মিলনায়তনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরীর মোহাম্মদ থানা পশ্চিম আয়োজিত মিশনের প্রথম নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসীর মৃত্যুতে শোকসভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। থানা আমীর ডা. শফিউর রহমানের সভাপতিত্বে ও থানা সেক্রেটারি আব্দুল ওয়াজেদের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন। উপস্থিত ছিলেন থানা কর্মপরিষদ সদস্য ফজলুল হক, জামায়াত নেতা আবু নাঈম, আলী আহমদ মজুমদার, মশিউর রহমান ও আবুল কালাম আজাদ প্রমূখ।

ড. এম আর করিম বলেন, ড. মুরসির রহস্যজনকভাবে ইন্তেকালে গোটা মুসলিম উম্মাহ গভীরভাবে শোকাভিভুত ও মর্মাহত। মিসরের অত্যন্ত জনপ্রিয় প্রেসিডেন্ট ড. মুরসিকে ২০১৩ সালে সেদেশের সেনা প্রধান জে: আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি অবৈধভাবে সামরিক অভ্যুত্থান ঘটিয়ে ক্ষমতাচ্যুত করেন। অন্যায়ভাবে ক্ষমতাচ্যুত করার পর তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা দায়ের করে প্রায় ৬টি বছর অবৈধভাবে কারাগারে আটক রেখে তাকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়া হয়েছে। তিনি কারাগারে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সুবিধা ও পরিবারের সদস্যদের সাথে যথাযথভাবে সাক্ষাতের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।

তিনি বলেন, স্বৈরাচারি সিসি সরকার মিশরের জনগণ ও মুসলিম ব্রাদারহুডের নেতা-কর্মীদের উপর নির্মম ও নিষ্ঠুর গণহত্যা ও জুলুম-নির্যাতন এখন অব্যাহত রেখেছে। সিসি মিশর থেকে গণতন্ত্র, আইনের শাসন, জনগণের ভোটাধিকার হরণ ও ন্যায়বিচার নির্বাসনে পাঠিয়ে গোটা দেশকে একটি বৃহৎ কারাগারে পরিণত করেছেন। সেখানে কোন শ্রেণির মানুষেরই জানমালের কোন নিরাপত্তা নেই। জে. সিসির সরকারের চরম জুলুম ও নির্যাতনের শিকার হয়ে ড: মুরসি আদালতের এজলাসে রহস্যজনকভাবে ইন্তেকাল করেছেন। এ ঘটনা মিশর সরকারের জুলুম-নির্যাতনের জ্বলন্ত উদাহরণ। তাই ইসলামী আদর্শ ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় তার এ আত্মত্যাগ মুসলিম উম্মাহ ও সকল মুক্তিকামী জনতা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে।

বাড্ডা থানা পশ্চিম
বাড্ডা পশ্চিম থানার উদ্যোগে মিশরের প্রেসিডেন্ট ড. মোহাম্মদ মুরসীর স্বরণে রাজধানীর একটি মিলনায়তনে শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। থানা আমীর আবু ইফাদদের সভাপতিত্ব্ েও সেক্রেটারি মাওলানা এ আর নোমানীর পরিচালনায় দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. মুহা. রেজাউল করিম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগরী উত্তরের কর্মপরিষদ সদস্য, মহানগরীর যুব সম্পাদক ও রামপুরা-বাড্ডা জোনের পরিচালক ডা. ফখরুদ্দীন মানিক। উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

খিলক্ষেত থানা
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারি সেক্রেটারি লস্কর মোহাম্মদ তসলিম বলেছেন, মিশরের সাবেক প্রেসিডেন্ট ড. মোহাম্মদ মুরসি ছিলেন বিশ্ব ইসলামী আন্দোলনের অগ্রসৈনিক। কিন্তু স্বৈরাচারি ও ফ্যাসীবাদী সরকার পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। তিনি ড. মুরসির মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন এবং তার রুহের মাগফিরাত কামনায় মহান আল্লাহ তালায়ার দরবারে দোয়া ও মোনাজাত করেন।

তিনি আজ রাজধানীর একটি মিলনায়তনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরীর খিলক্ষেত থানা আয়োজিত ড. মুরসির স্মরণে শোকসভা ও দোয়া মাহিফলে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। থানা আমীর হোসাইন আহমদের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বায়তুলমাল সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম ও সমাজ কল্যাণ সেক্রেটারি মোহাম্মদ উল্লাহ আক্কাস প্রমূখ।

Photos from জামায়াতে ইসলামী ফটিকছড়ি's post 21/06/2019

ড. মুরসির শাহাদাৎ ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদের প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে ---নূরুল ইসলাম বুলবুল

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমীর নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেছেন, মিসরের মজলুম জননেতা ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত প্রথম বৈধ প্রেসিডেন্ট ড. মুহাম্মাদ মুরসি। যাকে অন্যায়ভাবে ক্ষমতাচ্যুত করে কারাগারে বন্দি করে রাখা হয়েছিল। ৬৭ বছর বয়সী বর্ষীয়ান এই নেতা দেশটির আদালতের এজলাসেই অসুস্থ হয়ে ইন্তেকাল করেন। আমরা মনে করি এটা কোন স্বাভাবিক মৃত্যু নয় বরং তাঁকে পরিকল্পিত ভাবে শহীদ করা হয়েছে। ফলে তাঁর মৃত্যুর এ ঘটনায় আমরা স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের জন্য জাতিসংঘের প্রতি আহবান জানাচ্ছি। ইসলামী আন্দোলনের অবিসংবাদিত এই নেতা তার উন্নত চরিত্রের মাধ্যমে নিজেকে বিশ্ব ইসলামী আন্দোলনের আইকন বা মডেল হিসেবে উপস্থাপন করেছেন। তার শাহাদাৎ বিশ্বব্যাপী ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদের প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

শুক্রবার রাজধানীর একটি মিলনায়তনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের উদ্যোগে শহীদ মুহাম্মাদ মুরসির শাহাদাৎ কবুলিয়াতের জন্য আয়োজিত দোয়া মাহফিলে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদের পরিচালনায় দোয়া অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহঃ সেক্রেটারী এডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন। আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য আব্দুস সবুর ফকির, অধ্যাপক মোকাররম হোসাইন, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য শামছুর রহমান, কামাল হোসাইন, মু. আব্দুল জব্বার, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের মজলিশে শুরা সদস্য আশরাফুল আলম ইমন, শাহীন আহমদ খান, আব্দুস সাত্তার সুমন প্রমূখ নেতৃবৃন্দ।

নুরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, মিসরের ইতিহাসে প্রথম অবাধ ও গণতান্ত্রিক নির্বাচনে জয়ী হয়ে প্রেসিডেন্ট হয়েছিলেন ইসলামি আদর্শে বিশ্বাসী মুসলিম ব্রাদারহুড নেতা মুহাম্মাদ মুরসি। কিন্তু ২০১৩ সালে ইহুদিবাদী ও সাম্রাজ্যবাদী শক্তির ইন্ধনে মিসরীয় সেনাবাহিনী তাকে এক রক্তক্ষয়ী অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত করে। মুরসির নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক সংগঠন মুসলিম ব্রাদারহুডকে নিষিদ্ধ এবং তাকে সহ হাজার হাজার নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে প্রহসনমূলক বিচারের মুখোমুখি করা হয়। তিনি মুরসির ছয় বছরের বন্দিজীবনে মাত্র তিনবার পরিবারের সদস্যদের সাক্ষাতের বিষয়ে উল্লেখ করে আরও বলেন, তার এ মৃত্যুর জন্য সরকারের উপেক্ষা ও অমানবিক আচরণই মূলত দায়ী। মিশরীয় প্রশাসন তাকে দীর্ঘ সময় ধরে একাকী বন্দী রেখে, পর্যাপ্ত চিকিৎসা প্রদান না করে এবং পরিবারের লোকজন ও আইনজীবীদের দেখা করতে না দিয়ে চরম মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর তথ্য মতে মিশরে কারাগারজুড়ে সরকারের দ্বারা ব্যাপক হারে বন্দীদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটছে। ব্রিটিশ রাজনীতিক ও আইনজীবীদের একটি প্যানেলও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনার কথা উল্লেখ করেন। তিনি অবিলম্বে এ সকল অন্যায় ও জুলুম বন্ধ করে রাজনৈতিক বন্দীদের মুক্তি দিতে মিশরীয় প্রশাসনের প্রতি আহবান জানান।

তিনি আরও বলেন, মুরসি সরকার ইসলামের পুনর্জাগরণ ঘটিয়ে মাত্র ১ বছরে মিশরের বুকে ইসলামকে একটি পুর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা হিসেবে উপস্থাপন করেছিলেন যা ইহুদিবাদী ও সাম্রাজ্যবাদী শক্তির চক্ষুশুল হয়েছিল। এই অপশক্তি শুধুমাত্র মুরসি ও ইখওয়ানকে নয়, জুলুম-নির্যাতনের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী ইসলামের পুনর্জাগরনকে স্তব্ধ করে দিতে চাই। এরই ধারাবাহিকতায় এই ইসলাম বিরোধী শক্তি মিশরের মতই বাংলাদেশের বুকেও মাওলানা নিজামী সহ শীর্ষ ইসলামী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দকে জুডিশিয়াল কিলিং এর মাধ্যমে হত্যা করেছে। অথচ জুলুম নির্যাতন ও হত্যার মাধ্যমে ইসলামী আন্দোলনকে স্তব্ধ করা যায়না বরং তা অগ্নিস্ফুলিঙ্গ হয়ে চারিদিকে আরও ছড়িয়ে পড়ে। মুহাম্মদ মুরসির শাহাদাৎ ও ইখওয়ানের এই ত্যাগ ও কুরবানী বিশ্ব ইসলামী আন্দোলনকে আরও বেগবান করবে এবং কর্মীদের প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

অনুষ্ঠানে ড. মুহাম্মদ মুরসির শাহাদৎ কবুলিয়াতের জন্য মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের কাছে নুরুল ইসলাম বুলবুল বিশেষ দোআ ও মোনাজাত পরিচালনা করেন।

এছাড়াও আজকে খিলগাঁও পুর্ব, মতিঝিল, খিলগাঁও পশ্চিম, যাত্রবাড়ি পশ্চিম, শ্যামপুর, কামরাঙ্গীরচর, হাজারীবাগ দক্ষিণ, বংশাল, ডেমরা উত্তর সহ ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের বিভিন্ন থানায় ড. মুহাম্মদ মুরসির শাহাদৎ কবুলিয়াতের জন্য দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

Photos from জামায়াতে ইসলামী ফটিকছড়ি's post 21/06/2019

শহীদ মুরসির স্মরণে চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতের দোয়া মাহফিল

ড: মুরসির শাহাদাত ইসলামী পুণ:জাগরণকে আরো একধাপ এগিয়ে দিয়েছে-মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরী আমীর মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান বলেছেন, ড: মুরসির শাহাদাত ইসলামী পুণ:জাগরণকে আরো একধাপ এগিয়ে দিয়েছে। তিনি মিশরের জনপ্রিয় নেতা, গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রেসিডেন্টকে ক্ষমতাচ্যুত করে চিকিৎসায় অবহেলা করে সরকার তাঁকে হত্যা করেছে। ইসলামী আদর্শ ও ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় শহীদ প্রেসিডেন্ট ড: মুরসির ত্যাগ ও কুরবাণী বিশ্ব মুসলিমের জন্য প্রেরণা হয়ে থাকবে আজীবন। আমরা তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোকাহত ও মর্মাহত। আমরা অবিলম্বে আদালতে রহস্যজনকভাবে এই হত্যা কান্ডের আন্তর্জাতিক বিচার বিভাগীয় দতন্ত করার জোর দাবী জানাচ্ছি।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরীর উদ্যোগে আয়োজিত শহীদ প্রেসিডেন্ট ড: মুহাম্মদ মুরসি স্মরণে দোয়া মাহফিলে সভাপতির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথা বলেন।

চট্টগ্রাম মহানগরী আয়োজিত দোয়া মাহফিলে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, নগর জামায়াতের এসিসটেন্ট সেক্রেটারী অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমিন, নগর জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ উল্লাহ,নগর জামায়াতের মজলিশে শূরার সদস্য এস.এম.লুৎফর রহমান ও মকবুল আহমদ প্রমুখ।

চকবাজার থানা জামায়াত আয়োজিত শহীদ প্রেসিডেন্ট ড: মুহাম্মদ মুরসির স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল থানা জামায়াতে ইসলামী নেতা আহমদ খালেদুল আনোয়ারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন, নগর জামায়াতের সেক্রেটারী ও কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য মজলুম জননেতা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, নগর জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ উল্লাহ্। দোয়া মাহফিলে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন,জামায়াত নেতা একরামুল হক, গোলাম রহমান ও আবদুল হক প্রমুখ।

শহীদ প্রেসিডেন্ট ড: মুরসি স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি নগর জামায়াতের সেক্রেটারী মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, মিশরের ইতিহাসে গণতান্ত্রিকভাবে জনগণের ভোটে প্রথম নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ড: মুরসি। তিনি অত্যন্ত জনপ্রিয় নেতা, তাঁর জ্ঞান ও পান্ডিত্যে শুধু মিশর নয় গোটা বিশ্ব মুসলিম মুগ্ধ। তিনি বলেন, মৃত্যুর পূর্বেও তিনি অত্যন্ত প্রাঞ্জল ভাষায় কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে মিশর বাসী তথা বিশ্ববাসীর উদ্দেশ্যে প্রেরণা দায়ক বক্তব্য রেখেছেন। আমরা বাংলাদেশী জনগণও তাঁর রহস্যজনক মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।

এছাড়াও জামায়াতে ইসলামী খুলশী,আকবরশাহ,বাকলিয়া,কোতোয়ালী,ই.পি.জেড থানায় এবং নগরীর দেওয়ান বাজারস্থ বি.আই.এ জামে মসজিদে বাদ জু‘মা মুহতারাম খতিব ছাহেবের নেতৃত্বে শহীদ প্রেসিডেন্ট মুরসির স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
জামায়াত নেতা এম.এ.কাদের, এম.এ. হান্নান চৌধুরী, এম.এ. আলম, এস.এম.লুৎফর রহমান ও এস.এম হকের সভাপতিত্বে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

Photos from জামায়াতে ইসলামী ফটিকছড়ি's post 21/06/2019

ড. মুরসি স্মরণে সিলেট মহানগর জামায়াতের দোয়া মাহফিল

ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় মুরসির আত্মত্যাগ মুসলিম উম্মাহর জন্য অনুকরণীয় -এডভোকেট জুবায়ের

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগরী আমীর এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেছেন, আদালতের এজলাসে মিশরের প্রথম গণতান্ত্রিক প্রেসিডেন্ট ড. মুরসি ইন্তেকালে গোটা মুসলিম উম্মাহর ন্যায় বাংলাদেশের জনগণও গভীরভাবে শোকাভিভূত ও মর্মাহত। মিশরের অত্যন্ত জনপ্রিয় প্রেসিডেন্ট ড. মুরসিকে ২০১৩ সালে জেনারেল আব্দুল ফাত্তাহ আল-সিসি অবৈধভাবে সামরিক অভ্যুত্থান ঘটিয়ে ক্ষমতাচ্যূত করেন। অন্যায়ভাবে ক্ষমতাচ্যুত করার পর তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা দায়ের করে প্রায় ৬টি বছর অবৈধভাবে কারাগারে আটক রেখে নির্যাতন চালিয়ে শেষ পর্যন্ত তাঁকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়া হয়। ড. মুরসিকে গ্রেফতারের পর থেকে অবৈধ সামরিক জালিম সরকার মিশরের জনগণ ও মুসলিম ব্রাদারহুডের নেতা-কর্মীদের উপর হত্যা, জুলুম-নির্যাতনের মহোৎসব চালাচ্ছে। এছাড়া মুসলিম ব্রাদারহুডের হাজার হাজার নেতা-কর্মীকে কারাগারে আটক রেখে নির্যাতন করে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, সেনা শাসক জেনারেল সিসি মিশর থেকে গণতন্ত্র, আইনের শাসন, জনগণের ভোটাধিকার হরণ ও ন্যায়বিচার নির্বাসনে পাঠিয়ে গোটা মিশরকে একটি বৃহৎ কারাগারে পরিণত করেছেন। সেখানে কারো জানমালের কোনো নিরাপত্তা নেই। জেনারেল সিসির সরকারের চরম জুলুম ও নির্যাতনের শিকার হয়ে ড. মুরসি বিনা চিকিৎসায় আদালতের এজলাসে ইন্তেকাল করেছেন। এ ঘটনা মিশর সরকারের জুলুম-নির্যাতনের জ্বলন্ত উদাহরণ। ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ রাষ্ট্র ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় ড. মুরসির আত্মত্যাগ সারা বিশ্বের মুসলিম উম্মাহ ও সকল মুক্তিকামী জনতা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে। আল্লাহ ড. মুরসির জীবনের সকল নেক আমল কবুল করে তাকে জান্নাতুল ফেরদাউসে উচ্চ মর্যাদা দান করুন। তাঁর পরিবার-পরিজন, দলীয় সহকর্মী ও মিসরের শোক সন্তপ্ত জনগণকে এ শোক সহ্য করার তাওফিক দান করুন। আমীন।

তিনি গতকাল শুক্রবার সিলেট মহানগর জামায়াতের উদ্যোগে মিশরের প্রথম গণতান্ত্রিক প্রেসিডেন্ট ড. মুরসি স্মরণে আলোচনা সভা ও মাগফেরাত কামনায় অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে সভাপতির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন। মহানগর সেক্রেটারী মাওলানা সোহেল আহমদের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, মহানগগর নায়েবে আমীর মোঃ ফখরুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারী এডভোকেট মোঃ আব্দুর রব ও মোঃ শাহজাহান আলী এবং জামায়াত নেতা মাওলানা আব্দুল মুকিত প্রমূখ।

Want your business to be the top-listed Government Service in Chittagong?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


ফটিকছড়ি, চট্টগ্রাম
Chittagong
84220