হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৬তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ শিশুদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন করা হয়
বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ - যুবলীগ - সংগঠন
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ - যুবলীগ - সংগঠন, Political Party, bangladesh, Comilla.
06/03/2026
ঐতিহাসিক ৭ মার্চ স্বাধীনতার সংগ্রামের অমর আহ্বান
----
বাংলাদেশের ইতিহাসে ৭ মার্চ একটি স্মরণীয় ও গৌরবময় দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে ঢাকার রেসকোর্স ময়দান (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান)-এ লাখো মানুষের উপস্থিতিতে জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেন। এই ভাষণ বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতার জন্য প্রস্তুত ও ঐক্যবদ্ধ করেছিল। তাই ৭ মার্চ বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন হিসেবে চিহ্নিত।
১৯৪৭ সালে ভারত ভাগের পর পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠী পূর্ব বাংলার মানুষের ওপর বিভিন্ন ধরনের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বৈষম্য চাপিয়ে দেয়। এর ফলে বাঙালি জাতির মধ্যে অসন্তোষ ও প্রতিবাদের সৃষ্টি হয়। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করলেও পশ্চিম পাকিস্তানের শাসকরা ক্ষমতা হস্তান্তরে টালবাহানা শুরু করে। এমন পরিস্থিতিতে দেশের মানুষ দিকনির্দেশনার জন্য অপেক্ষা করছিল।
এই সংকটময় মুহূর্তে ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। তাঁর ভাষণ ছিল বাঙালি জাতির স্বাধীনতার সংগ্রামের রূপরেখা। তিনি বলেন, “এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।” তাঁর এই আহ্বানে সমগ্র বাঙালি জাতি মুক্তিযুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হয়ে ওঠে। এই ভাষণ বাঙালির মনে সাহস, আত্মবিশ্বাস ও স্বাধীনতার স্বপ্ন জাগিয়ে তোলে।
বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, বিশ্ব ইতিহাসেও গুরুত্বপূর্ণ। ২০১৭ সালে ইউনেস্কো এই ভাষণকে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে Memory of the World Programme-এ অন্তর্ভুক্ত করে। এটি বাংলাদেশের জন্য একটি বড় গৌরব।
৭ মার্চের ভাষণ বাঙালি জাতির স্বাধীনতার চেতনাকে জাগিয়ে তুলেছিল। এই ভাষণই পরবর্তীতে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ-এর অনুপ্রেরণা হয়ে ওঠে। তাই ৭ মার্চ আমাদের জাতীয় জীবনে চিরস্মরণীয় একটি দিন।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ | বঙ্গবন্ধু | Bangabandhu | 7th March
-----
১৯৭১ সালের ৭ ই মার্চ ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ ভাষণটি দিয়েছিলেন।
১০ লক্ষাধিক লোকের সামনে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর কামান-বন্দুক-মেশিনগানের হুমকির মুখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ওই দিন বজ্রকণ্ঠে ঘোষণা করেন- ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’
বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণকে 'মেমোরি অব দা ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্টারে' অন্তর্ভুক্ত করে ইউনেস্কো।
#অগ্নিঝরামার্চ
#শেখমুজিবেরভাষণ #শেখমুজিব
06/03/2026
ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ – জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণ দিবসের কর্মসূচি
- সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে সারা দেশে সকল দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন
- ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের ঐতিহাসিক বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে শ্রদ্ধা নিবেদন
- টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন
- ঐতিহাসিক ভাষণ পাঠ ও আলোচনা সভা
- তরুণ, যুব, ছাত্রসমাজ-সহ নতুন প্রজন্মের মধ্যে এই ভাষণের গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরার জন্য বিভিন্ন পর্যায়ে সংলাপের আয়োজন
06/03/2026
ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি ও বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার বাণী
ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ। বাঙালি জাতির মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাসে অনন্য ও অবিস্মরণীয় দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের জনসমুদ্রে দাঁড়িয়ে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বজ্রকণ্ঠে উচ্চারিত হয়েছিল এক কালজয়ী ভাষণ। বিশ্বের সর্বকালের অন্যতম শ্রেষ্ঠ এই ভাষণ ইউনেস্কোর হেরিটেজ হিসেবে স্বীকৃত।
জাতির পিতার সেই ভাষণ কেবল একটি রাজনৈতিক বক্তব্য ছিল না, ছিল শোষিত ও বঞ্চিত বাঙালি জাতির রাজনৈতিক স্বাধীনতার ঘোষণা। মাত্র প্রায় ১৮ মিনিটের সেই মহাকাব্যিক ভাষণে ছিল বাঙালির সুদীর্ঘ ইতিহাসের শোষণের ধারাবাহিকতায় পাকিস্তানের দুই দশকের বঞ্চনার ইতিহাস এবং স্বাধীনতা যুদ্ধের রূপরেখা। “এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম”- বঙ্গবন্ধুর এই আহ্বান স্বাধীনতা ও মুক্তির জন্য উন্মুখ জাতিকে এক মোহনায় দাঁড় করিয়েছিল। যুদ্ধের এই সূচনা বিন্দু ধরেই স্বাধীন বাংলাদেশ অর্জিত হয়।
আজ বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এক বিশেষ সময় পার করছে। ইতিহাসের প্রতিটি বাঁকে যখনই অন্ধকার নেমে এসেছে, যখনই গণতন্ত্র ও মেহনতি মানুষের অধিকার লুণ্ঠিত হয়েছে, তখনই সাতই মার্চের সেই কালজয়ী ভাষণ আমাদের সাহস জুগিয়েছে। প্রতিটি চড়াই-উতরাই ও দু:সময়ে বঙ্গবন্ধুর সেই অদম্য প্রত্যয় আমাদের নতুন করে উজ্জীবিত করে। আমরা বিশ্বাস করি, সত্য ও ন্যায়ের পথে থাকলে কোনো অপশক্তিই আমাদের দাবিয়ে রাখতে পারবে না। প্রত্যাশিত মুক্তি আমাদের আসবেই।
আমি গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। যারা বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মদান করেছেন, সম্ভ্রম হারিয়েছেন; সেইসব মহান ও মহিয়সীদের প্রতি আমার শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। সাতই মার্চের উদ্দীপনা বুকে নিয়ে আসুন আমরা সাম্রাজ্যবাদ ও মৌলবাদের দখলমুক্ত সোনার বাংলা গড়ার শপথ নিই।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।
আঁধার কেটে ভোর হোক
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।
27/02/2026
ভুয়া মামলার ফাঁদে গণমাধ্যমের স্বাধীনতাঃ ৫ আগস্টের পর থেকে বাংলাদেশে যেভাবে দমন-পীড়নের শিকার হয়েছেন সাংবাদিকরা
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশে যখন রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ঘটছিল, সাংবাদিকরা তখন রাজপথে থেকে বিক্ষোভ, সংঘর্ষ আর অনিশ্চয়তার খবর সংগ্রহ করছিলেন। কয়েক মাস পর দেখা যাচ্ছে, অনেকে কেবল খবর পরিবেশনই করছেন না, বরং নিজেরাই খবরের শিরোনাম হয়ে উঠেছেন।
সেই তারিখের পর থেকে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা, গ্রেপ্তার, ভীতি প্রদর্শন এবং শারীরিক হামলার ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে বলে দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলো জানিয়েছে। গণমাধ্যম সংশ্লিষ্টরা সতর্ক করে বলছেন, রাজনীতির এই সন্ধিক্ষণে এমন প্রবণতা সংবাদপত্রের স্বাধীনতাকে চরম ঝুঁকির মুখে ফেলছে।
ট্র্যান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-র গবেষণা অনুযায়ী, ৫ আগস্ট ২০২৪ থেকে ১ নভেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত অন্তত ৪৭৬টি ঘটনায় ১,০৭৩ জন সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মী হামলা, হুমকি, আটক, আইনি ব্যবস্থা বা হয়রানির শিকার হয়েছেন।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম 'দ্য নিউ হিউম্যানিটারিয়ান'-এর তথ্যমতে, ১৪০ জনেরও বেশি সাংবাদিক ফৌজদারি মামলার মুখোমুখি হয়েছেন। এর মধ্যে বিক্ষোভ সংশ্লিষ্ট সংবাদের কারণে অনেকের বিরুদ্ধে খুনের মতো গুরুতর অভিযোগও আনা হয়েছে—যা বিগত বছরগুলোর তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।
গণমাধ্যম পর্যবেক্ষক সংস্থা 'রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারস' (আরএসএফ) ২০২৪ সালের আগস্টে অন্তত ২৫ জন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের নিন্দা জানিয়ে একে 'অসামঞ্জস্যপূর্ণ' এবং 'বিচারিক হয়রানি' হিসেবে অভিহিত করেছে।
৫ আগস্ট ২০২৪ পরবর্তী উল্লেখযোগ্য ঘটনাবলি
━━━━━━━
৫ আগস্ট ২০২৪
রাজনৈতিক পটপরিবর্তন শুরু।
সারা দেশে বিক্ষোভ ও সংঘর্ষের খবর সংগ্রহে সাংবাদিকরা।
আগস্ট–সেপ্টেম্বর ২০২৪
• ফৌজদারি মামলার প্রথম ঢেউ শুরু।
• হত্যা ও বিক্ষোভ সংশ্লিষ্ট মামলায় সাংবাদিকদের নাম অন্তর্ভুক্ত।
• অন্তত ২৫ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলার নিন্দা জানায় আরএসএফ।
অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৪
• একাধিক সাংবাদিক আটক বা দফায় দফায় আদালতে হাজিরা।
• মানবাধিকার সংস্থাগুলোর পক্ষ থেকে ভীতি প্রদর্শন ও হুমকির অভিযোগ।
• অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড বাতিল নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ।
২০২৫-এর শুরুতে
• "মিথ্যা মামলা" প্রত্যাহারের দাবিতে গাজীপুরে সাংবাদিকদের বিক্ষোভ।
• সংবাদ পরিবেশনের জেরে বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা ও তলবের খবর।
২০২৫-এর মাঝামাঝি ও শেষভাগ
• টিআইবি-র তথ্যমতে, ১৫ মাসে ১,০৭৩ জন সাংবাদিক আক্রান্ত।
• আইন ও সালিশ কেন্দ্রের রিপোর্ট অনুযায়ী, শত শত সাংবাদিক নির্যাতন বা আইনি চাপের মুখে।
• প্রথম সারির সংবাদপত্রের কার্যালয়ে মব (উচ্ছৃঙ্খল জনতা) হামলা।
২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সম্পাদক পরিষদ ২০২৪-এর আগস্ট থেকে দায়ের হওয়া
"মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা" প্রত্যাহারের আনুষ্ঠানিক দাবি জানায়।
আইনি চাপ ও গ্রেপ্তার
পর্যবেক্ষক দলগুলো জানাচ্ছে, বিক্ষোভ সংশ্লিষ্ট মামলাগুলোতে অভিযুক্তদের দীর্ঘ তালিকায় প্রায়ই সাংবাদিকদের নাম ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে। সমালোচকদের মতে, এর ফলে সংঘাতের সংবাদ সংগ্রহ করা এবং সংঘাতের অংশ হওয়া—এই দুইয়ের মধ্যবর্তী পার্থক্যটা ঘুচিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব জার্নালিস্টস (আইএফজে) জানিয়েছে, ২০২৪ সালের আগস্টে "সহিংসতায় উসকানি"র অভিযোগে বিদেশ যাওয়ার সময় ব্রডকাস্ট সাংবাদিকদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সংস্থাটি এই অভিযোগগুলোকে ভিত্তিহীন বলে বর্ণনা করেছে।
স্থানীয় মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) জানিয়েছে, কেবল ২০২৫ সালেই ৩৮১ জন সাংবাদিক হেনস্তা বা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, যার মধ্যে কয়েক ডজন সাংবাদিককে সরাসরি তাদের সংবাদ বা মন্তব্যের জন্য আইনি মারপ্যাঁচে ফেলা হয়েছে।
আদালতের বাইরের হামলা
আইনি মামলাগুলো পরিস্থিতির একটি খণ্ডচিত্র মাত্র। সাংবাদিকরা রাজনৈতিক পক্ষগুলোর কাছ থেকে শারীরিক লাঞ্ছনা, হুমকি ও চাপের কথা জানিয়েছেন। ২০২৫ সালের শেষদিকে রয়টার্স জানায়, প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টারসহ শীর্ষস্থানীয় সংবাদপত্রগুলোর কার্যালয়ে মব হামলা চালানো হয়েছে, যা সাময়িকভাবে মুদ্রণ কার্যক্রম ব্যাহত করে এবং গণমাধ্যমের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা জাগায়।
সম্পাদকদের মতে, এ ধরনের হামলা এবং ফৌজদারি মামলা এমন এক পরিবেশ তৈরি করেছে যেখানে সাংবাদিকরা কোনো সংবেদনশীল খবর প্রকাশের আগে তার আইনি পরিণতি নিয়ে বারবার ভাবতে বাধ্য হচ্ছেন।
সম্পাদক পরিষদের হস্তক্ষেপ
২০২৬ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি সম্পাদক পরিষদ এক বিবৃতিতে ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা "মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা" প্রত্যাহারের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানায়।
পরিষদ বলেছে, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে তা স্বচ্ছ আইনি প্রক্রিয়ায় বিচার হতে পারে, কিন্তু রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বা ভয় দেখানোর জন্য করা মামলা সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রতি সাংবিধানিক অঙ্গীকারকে ক্ষুণ্ন করে।
অন্যদিকে সরকারি প্রতিনিধিরা দাবি করছেন, সকল মামলা আইনি পথেই এগোচ্ছে এবং সাংবাদিকসহ কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নন।
সতর্কতার বার্তা
নিউজ রুমগুলোর ভেতরে সম্পাদকরা ক্রমবর্ধমান ‘সেলফ-সেন্সরশিপ’ বা স্ব-আরোপিত নিয়ন্ত্রণ এবং অতিরিক্ত সতর্কতার কথা উল্লেখ করেছেন। সাংবাদিকরা বারবার আদালতে হাজিরা দেওয়া, আইনি লড়াইয়ের আর্থিক চাপ এবং পেশাগত নিরাপত্তা নিয়ে অনিশ্চয়তার কথা জানিয়েছেন।
গণমাধ্যম বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন যে, এর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব কেবল সাংবাদিকদের ওপরই পড়বে না, বরং সাধারণ মানুষের স্বাধীন তথ্য পাওয়ার পথকেও সংকুচিত করে তুলবে।
বাংলাদেশ যখন রাজনৈতিক রূপান্তরের পরবর্তী পথ পাড়ি দিচ্ছে, পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, এই মামলাগুলোর সুষ্ঠু সমাধানই হবে গণতান্ত্রিক দায়বদ্ধতা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতার এক চূড়ান্ত পরীক্ষা।
🛑
মব সন্ত্রাস বনাম দুর্বল বিচার ব্যবস্থা: রাষ্ট্র কোন পথে দাঁড়িয়ে?
➡️ https://www.youtube.com/live/veqKnLU5li8?si=uWTojMcvKyZgNAT6
➡️ https://www.facebook.com/share/v/1Cf9dFRqJt/?mibextid=wwXIfr
27/02/2026
পিতার মৃত্যু
প্যারোলে মুক্তি!
বাংলাদেশ মনে রেখো,
এই অন্যায় হয়েছিল ছাত্রলীগের সাথে,
যারা দিয়েছিল স্বাধীন দেশের পতাকা!
27/02/2026
ইউনুস এর সরকার ড:শিরিন শামিন কে গুম করেছে।অবিলম্বে শিরিন শামিন কে উদ্ধার করার জন্য আহবান করছি। আর আওয়ামী লীগের সবাইকে এই পোস্ট শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করছি।
25/02/2026
সংবিধান, বৈধতা ও ন্যায়বিচার: বর্তমান শাসনব্যবস্থা কোন পথে? | The Daily Republic | Bangladesh Brief | ALBD | LIVE
অতিথিঃ
অ্যাডভোকেট এ কে এম ইসলাম
প্রাক্তন প্রসিকিউটর, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল বাংলাদেশ।
ব্যারিস্টার তাপস কান্তি
সাবেক প্রসিকিউটর, আইসিটিবিডি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল, বাংলাদেশ।
সঞ্চালকঃ
হেলাল উদ্দীন
তারিখঃ ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, বুধবার
সময়ঃ রাত ১১:০০ ঘটিকা
25/02/2026
আন্তর্জাতিক অপরাধ তদন্ত আদালতের চীফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলামকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। অবৈধ ইউনুস সরকার কর্তৃক অসাংবিধানিক উপায়ে অধ্যাদেশ জারি করে আইন পরিবর্তনের মাধ্যমে আইসিটি ট্রাইব্যুনালে জুলাই স*ন্ত্রাসের কথিত গ*ণহত্যার বিচার শুরু করা হয় মূলত যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রতিশোধ হিসেবে। এই তাজুল ছিলো এর অন্যতম মাস্টারমাইন্ড।
বিচারের নামে আইসিটি ট্রাইব্যুনালে যে ক্যাঙ্গারু ট্রায়াল গত ১৬ মাসের বেশি সময় ধরে চলে আসছে সেটা কেবলমাত্র ন্যায়বিচারের পরিপন্থীই না, বরং বিচারের নামে রাষ্ট্র কর্তৃক মানাবাধিকার লঙ্ঘনের এক ঘৃণ্য নজির হয়ে থাকবে। এই প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত সকলকেই একদিন বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে।
২০২৪ সালের ৮ সেপ্টেম্বর তাজুল ইসলামকে পূনর্গঠিত আইসিটির চীফ প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছিলো। তাজুল তার ঘনিষ্ঠদের এই ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ দেয়, যার সবাই জামাত শিবিরের সাথে সম্পৃক্ত। লোক দেখানো সাজানো বিচারের পাশাপাশি যে কাজটি তারা করেছে সেটা হলো, ট্রাইব্যুনালকে ব্যবহার করে শত শত কোটি টাকার দুর্নীতি এবং চাঁদাবাজি।
গ*ণহত্যার মামলায় নাম ঢুকিয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও সদস্য, এমনকি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকেও শত কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে এই তাজুল গং। তাজুলের ডান হাত হিসেবে পরিচিত প্রসিকিউটর গাজী মনোয়ার হোসেন তামিম কাজ করেছে মূল ক্যাশিয়ার হিসেবে। খোদ ট্রাইব্যুনালেরই আরেক প্রসিকিউটর বিএম সুলতান মাহমুদ প্রকাশ্যে এই নিয়ে অভিযোগ করেছে, যদিও এটা করেছে ভাগাভাগি সংক্রান্ত দ্বন্দ থেকে।
বেশিরভাগ টাকার লেনদেন হয়েছে ক্যাশে এবং দেশের বাইরে। চীফ প্রসিকিউটর তাজুল ২০২৪ এর নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে ২১ দিনের সফরে যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডায় গিয়েছিলো। লেনদেনের একটা বড় অংশ হয়েছে সেখানে। আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের সর্বাত্মক সমর্থনে এই তাজুল গং এতোটাই বেপরোয়া এবং ক্ষমতাবান হয়ে উঠেছিলো যে, দেশেও বিভিন্ন ব্যাংক একাউন্টে সরাসরি টাকা জমা নিয়েছে।
এমন তিনটা একাউন্টের তথ্য নিচে দেয়া হলো।
১। মোঃ আবুল হোসেন
একাউন্ট নং- ৩১৩৩২১৭০০৭৫২৮
প্রাইম ব্যাংক, আইবিবি মিরপুর ব্রাঞ্চ।
২। মোঃ সাইফুল ইসলাম
একাউন্ট নং- ১১০১০০৬৬৬৭৬৮৮
যমুনা ব্যাংক, মতিঝিল ব্রাঞ্চ।
৩। মোঃ জাহিদ হাসান নয়ন
একাউন্ট নং- ১৮৭০২১০১৪০১
স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক, গুলশান ব্রাঞ্চ।
আইসিটির মামলা থেকে নাম বাদ দেয়ার কথা বলে একজনের থেকে এই একাউন্টগুলোতে ২৫ লক্ষ টাকা নিয়েছে তাজুল গং। টাকা জমা দেয়ার রশিদ যুক্ত করা হলো। এটা জাস্ট ছোট্ট একটা স্যাম্পল। রাষ্ট্র চাইলে সহজেই এই একাউন্ট গুলোর ডিটেইলস বের করে দেখতে পারে এগুলো কাদের একাউন্ট, এগুলোতে কত টাকা কখন ঢুকেছে এবং পরবর্তীতে কারা সেই টাকা তুলে নিয়েছে। ছোট্ট একটা ক্লু দিলাম, চাইলে এটা থেকেই তাজুল গং এর দুর্নীতির অকাট্য প্রমাণ বের করা সম্ভব।
আর তাজুল গং এর উদ্দেশ্যে একটাই কথা, ট্রাইব্যুনালে বিচারের নামে যে প্রহসন তোমরা করেছে, সেটার বিচার এই বাংলাদেশের মাটিতেই হবে। আর যে শত শত কোটি টাকা তোমরা নিরীহ নিরপরাধ মানুষদের জিম্মি করে আদায় করেছো, সেগুলো খুব বেশিদিন ভোগ করার সুযোগ হবে না।
We are watching your every move.
21/02/2026
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে
সকল ভাষা শহীদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Culinary Team
Attire
Contact the business
Website
Address
Bangladesh
Comilla
3519
