“খিদার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়, পূর্ণিমার চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি মনেহয় ”— কবির এই চিরন্তন সত্যের বাস্তব প্রতিচ্ছবি আমাদের উপকূল, নদী ও হাওরাঞ্চলের মৎস্যজীবী ভাইয়েরা।
জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে মাননীয় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন মৎস্যজীবীদের জীবনসংগ্রামের কথা তুলে ধরে বলেন, যারা মাছ আহরণ করেন তারা মূলত খেটে খাওয়া, পরিশ্রমী ও সংগ্রামী মানুষ। জীবিকার তাগিদে প্রতিকূল আবহাওয়া, ঝড়-ঝঞ্ঝা ও অনিশ্চয়তার সঙ্গে প্রতিনিয়ত লড়াই করেই তারা দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন।
মৎস্যজীবীদের জীবনমান উন্নয়ন, তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং কল্যাণ নিশ্চিত করার বিষয়টি সরকারের সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচিত হচ্ছে। কারণ দেশের এই পরিশ্রমী মানুষগুলোর মুখে হাসি ফুটলে সমৃদ্ধ হবে বাংলাদেশ।
পোস্ট অ্যাডমিন
০৯/০৬/২০২৬
হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন
মন্ত্রী - কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়
বাংলাদেশ গণপ্রজাতন্ত্রী সরকার।
উপদেষ্টা, বিএনপি চেয়ারম্যান এবং ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক, বিএনপি।
In the United Nations General Assembly, Bangladesh’s leading party representative, Minister mr. Khalilur Rahman, has been elected as the Chairperson. This is a major achievement of the current government. Therefore, I extend my heartfelt congratulations to our honourable Prime Minister, Mr. Tarique Rahman, and the Minister of Foreign Affairs mr.Khalilur Rahman.”
Post - admin
গুরুত্বপূর্ণ সচেতনতামূলক বার্তা-
কোরবানির পশুর চামড়া শুধু একটি অংশ নয়,
এটি দেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ।
প্রতি বছর কোরবানির ঈদে সংগ্রহ হওয়া চামড়া দেশের চামড়া শিল্প, রপ্তানি খাত ও হাজারো মানুষের জীবিকার সাথে জড়িত।
একটু অসতর্কতায় নষ্ট হতে পারে কোটি টাকার সম্ভাবনা।
তাই চামড়া যেন ছুরি দিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় এবং সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা হয়—
সেই গুরুত্বপূর্ণ সচেতনতামূলক বার্তা নিয়ে মানুষের পাশে মাননীয় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন।
সচেতন হোন, দেশের সম্পদ রক্ষা করুন।
পোষ্ট- এডমিন
২৭/০৫/২০২৬
কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক খামারিদের বছরের বড় আয়ের উৎস
---মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, পবিত্র ঈদুল আযহাকে কেন্দ্র করে কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক কৃষক ও খামারিদের জন্য বছরের অন্যতম বড় আয়ের উৎস হিসেবে কাজ করছে।
মন্ত্রী আজ কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার নেউরা পশুর হাটে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে কোরবানির পশুর হাট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিক সাথে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, কোরবানির পশু পালন ও বিক্রির মাধ্যমে লাখো পরিবার আর্থিকভাবে উপকৃত হচ্ছে এবং এটি ধীরে ধীরে একটি শিল্পভিত্তিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে পরিণত হচ্ছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক গবাদিপশু কোরবানি হয়, যা বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ কোরবানির আয়োজন। এ উপলক্ষে সারা দেশের কৃষক ও খামারিরা এক থেকে দুই বছর ধরে গরু, ছাগল, ভেড়া ও মহিষ লালন-পালন করে বাজারে নিয়ে আসেন। ফলে কোরবানির মৌসুম প্রান্তিক খামারিদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সুযোগ তৈরি করেছে।
তিনি বলেন, সরকার প্রান্তিক কৃষক ও খামারিদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বিভিন্ন সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। গবাদিপশু পালন সম্প্রসারণে বিভিন্ন সহায়তা ও প্রশিক্ষণের পাশাপাশি খামারভিত্তিক উৎপাদন বৃদ্ধির উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এর ফলে দেশে বাণিজ্যিকভাবে পশুপালনের প্রবণতা বাড়ছে এবং এটি কৃষিভিত্তিক অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করছে।
কোরবানির পশুর হাটে নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা ও বাজার ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন পশুর হাটে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং প্রাণিসম্পদ বিভাগের সমন্বয়ে নিবিড় নজরদারি চলছে। হাটগুলো পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। একইসঙ্গে পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা, চিকিৎসা ও ওষুধ সরবরাহে প্রতিটি হাটে ভেটেরিনারি টিম দায়িত্ব পালন করছে। খামারি ও ব্যাপারিদের সেবা নিশ্চিত করতে প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন।
চাঁদাবাজি, অনিরাপত্তা বা অব্যবস্থাপনার বিষয়ে এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে। কোরবানির সময় জাল নোটের ঝুঁকি মোকাবিলায় বিভিন্ন হাটে জাল টাকা শনাক্তকরণ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যাতে বিক্রেতা ও ক্রেতা উভয়ই নিরাপদ লেনদেন করতে পারেন।
তিনি আরও বলেন, ঈদের আগ মুহূর্ত পর্যন্ত মাঠপর্যায়ে থেকে পশুর হাট পরিস্থিতি তদারকি অব্যাহত থাকবে, যাতে ক্রেতা-বিক্রেতারা নির্বিঘ্নে কোরবানির পশু কেনাবেচা করতে পারেন।
এসময় কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মোঃ ইউসুফ মোল্লা টিপু, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো: সামছুল আলম, সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুজন চন্দ্র রায়, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা: মো: মাহে আলম, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা ও বাজার পরিস্থিতি কাছ থেকে জানতে মাননীয় কৃষিমন্ত্রী ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন আজ ঢাকার মহাখালীর ডিএনসিসি কাঁচাবাজারে নিজের পরিবারের জন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় বাজার করেন।
কোনো বাড়তি প্রটোকল ছাড়াই তিনি সাধারণ ক্রেতাদের মতো বাজারে ঘুরে ঘুরে কেনাকাটা করেন এবং এ সময় ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের সাথে আন্তরিকভাবে কথা বলে বাজারের বর্তমান অবস্থা, পণ্যের সরবরাহ ও সাধারণ মানুষের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে সরাসরি ধারণা নেন।
জনগণের সাথে এই নিবিড় সংযোগই একজন গণমুখী নেতৃত্বের পরিচয় বহন করে।
মানুষের পাশে থেকে, মানুষের কথা শুনেই এগিয়ে যেতে চান তিনি—এটাই তাঁর রাজনীতির শক্তি ও অঙ্গীকার।
পোস্ট - অ্যাডমিন
২৩/০৫/২০২৬
21/05/2026
কোরবানির চামড়া ও উপজাত সংরক্ষণে অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখা সম্ভব
--- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, কোরবানির পশুর মাংসের পাশাপাশি চামড়া ও অন্যান্য উপজাত সঠিকভাবে সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা করা গেলে জাতীয় অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখা সম্ভব।
আজ কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ-এ অনুষ্ঠিত “কোরবানি বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা-২০২৬ (মাংস প্রক্রিয়াজাতকারী, চামড়া সংরক্ষণকারী এবং ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম)”-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। কর্মশালা আয়োজন করে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর।
ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম, প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীল ভূমিকার প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, কোরবানির পশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং বাজার ব্যবস্থাপনায় আপনাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রশংসনীয়।
তিনি বলেন, কোরবানিকে কেন্দ্র করে বিপুলসংখ্যক মানুষ পশু জবাই, চামড়া ছাড়ানো, মাংস প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বণ্টনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকে। এ বাস্তবতায় দক্ষ জনবল তৈরির বিকল্প নেই। বিশেষ করে চামড়া ছাড়ানোর মতো সংবেদনশীল কাজে প্রশিক্ষিত জনবল না থাকলে চামড়ার গুণগত মান ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং এর বাজারমূল্য কমে যায়।
মন্ত্রী বলেন, দেশের মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট তরুণদের প্রশিক্ষণের আওতায় এনে কোরবানির সময় দক্ষ জনবল তৈরি করা যেতে পারে। এতে একদিকে চামড়ার গুণগত মান উন্নত হবে, অন্যদিকে শিক্ষার্থীদের কর্মদক্ষতা ও স্বল্পমেয়াদি আয়ের সুযোগ সৃষ্টি হবে। তিনি বলেন, সরকার প্রয়োজনে সারা বছরব্যাপী প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়টি বিবেচনা করবে, যাতে কোরবানির সময় দক্ষতার অভাব না থাকে।
মন্ত্রী আরো বলেন, কোরবানির চামড়া অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মাদ্রাসায় দান করা হয়। এ বাস্তবতায় চামড়া সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় লবণ সরবরাহসহ সরকারি সহায়তা অব্যাহত রয়েছে। সঠিকভাবে চর্বি পরিষ্কার, লবণ প্রয়োগ ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করা গেলে চামড়ার গুণগত মান বৃদ্ধি পাবে এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের ক্ষেত্র আরও সম্প্রসারিত হবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে কোরবানিযোগ্য পশু উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং দেশীয় উৎপাদন দেশের চাহিদা পূরণে সক্ষম। দেশীয় খামারিদের সুরক্ষা ও জাতীয় স্বার্থে অবৈধভাবে পাচার বা চোরাই পথে আসা পশু ক্রয়ের বিষয়ে সচেতনতা প্রয়োজন উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের খামারিদের স্বার্থ রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে।
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, জনগণের সচেতনতা, প্রশিক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে কোরবানির ব্যবস্থাপনা আরও উন্নত হবে এবং জাতীয় অর্থনীতিতে প্রাণিসম্পদ খাতের অবদান আরও বাড়বে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, অবৈধভাবে আসা পশু ক্রয় করে কোরবানি দেওয়া কতটা সমীচীন-এ বিষয়ে ধর্মীয় ও সামাজিকভাবে সচেতনতা তৈরি প্রয়োজন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোরবানির পশু ক্রয় ও ব্যবস্থাপনায় সচেতনতা বৃদ্ধি, দেশীয় খামারিদের সুরক্ষা এবং চামড়া সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি।
তিনি বলেন, দেশে কোরবানির পশুর চাহিদার তুলনায় উৎপাদন বেশি থাকা সত্ত্বেও পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে অবৈধ বা চোরাই পথে পশু প্রবেশের ঘটনা ঘটে। তিনি দেশীয় খামারিদের স্বার্থ রক্ষায় জনগণকে অবৈধভাবে আসা পশু বর্জনের আহ্বান জানান।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের বিপুল জনসংখ্যাকে সমস্যা হিসেবে নয়, সম্পদ হিসেবে কাজে লাগাতে হবে। যুবসমাজকে দক্ষতা, উৎপাদনশীলতা ও ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি মাদকসহ সামাজিক অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে সচেতন থাকার আহ্বান জানান।
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, দেশের স্বার্থবিরোধী কোনো কার্যক্রমকে প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না। দেশীয় উৎপাদন, খামারি ও জাতীয় অর্থনীতির স্বার্থ রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সমৃদ্ধ ও সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ শাহজামান খানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ দেলোয়ার হোসেন। এসময় স্বাগত বক্তব্য দেন অধিদপ্তরের পরিচালক ডাঃ মোঃ বয়জার রহমান এবং মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পরিচালক ডাঃ বেগম শামছুননাহার আহম্মদ, পরিচালক ড. এ. বি. এম. খালেদুজ্জামান।
কর্মশালায় মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, মাংস প্রক্রিয়াজাতকারী, চামড়া সংরক্ষণকারী এবং ভেটেরিনারি মেডিকেল টিমের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
২১/০৫/২০২৬
পোস্ট অ্যাডমিন
পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারে বর্তমান সরকারের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার 'দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল, জলাধার খনন ও পুনঃখনন' কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আজ শনিবার (১৬ মে ২০২৬) চাঁদপুর সদর উপজেলার বিশ্ব খাল পুনঃখননের শুভ উদ্বোধন করেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান এবং আরও উপস্থিত ছিলেন কৃষিমন্ত্রী হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন।
পরে খালপাড়ে একটি নিম গাছের চারা রোপন করেন।
১৬ মে ২০২৬
পোস্ট অ্যাডমিন
“কুমিল্লা বিভাগের দাবি আজ উচ্চারিত হলো দৃঢ় কণ্ঠে…”
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সামনে কুমিল্লাবাসীর দীর্ঘদিনের ন্যায্য দাবি তুলে ধরলেন কৃষিমন্ত্রী হাজী আমিন আর রশিদ ইয়াছিন ।
তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন—
কুমিল্লা বিভাগ এবং কুমিল্লা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি দাবি নয়, এটি এ অঞ্চলের মানুষের স্বপ্ন, আবেগ ও ভবিষ্যতের প্রশ্ন।
“মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
এটা আমাদের প্রাণের দাবি।
কুমিল্লার মানুষের প্রথম দাবি।
আপনি যেভাবে নেন, এই দাবি আপনাকে দিতেই হবে…”
এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জানান—
যদি এটি সত্যিই জনগণের দাবি এবং বিবেকের দাবি হয়ে থাকে, তাহলে বিষয়টি পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি কুমিল্লা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিষয়ে মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর সাথে আলোচনা করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়েও তিনি আশ্বাস প্রদান করেন।
জনগণের অধিকার আদায়ে সাহসী ও স্পষ্ট উচ্চারণই একজন প্রকৃত জননেতার পরিচয়।
কুমিল্লার উন্নয়ন, শিক্ষা ও প্রশাসনিক অগ্রগতির স্বার্থে এই আশ্বাস নতুন আশা ও অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।
পোস্ট - অ্যাডমিন
১৬/০৫/২০২৬
মাননীয় কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী জনাব মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ আজ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার মেদির হাওড়ে পরিদর্শন করেন। এসময় মন্ত্রী বন্যা ও অতিবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সাথে কথা বলে তাঁদের ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে খোঁজ নেন।
পোস্ট -অ্যাডমিন
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Kandripar, Comilla/6
Comilla
3500
