27/05/2026
"অর্জনের সৌন্দর্য ত্যাগের গভীরতায় নিহিত"
Theme of Research: Determination of economically important marine fisheries resources, innovation
27/05/2026
"অর্জনের সৌন্দর্য ত্যাগের গভীরতায় নিহিত"
24/05/2026
সমুদ্রের নিচের উষ্ণ স্রোত: আগামী দিনের আবহাওয়ার নতুন গল্প
এল নিনো হলো প্রশান্ত মহাসাগরের নিরক্ষীয় অঞ্চলে সমুদ্রপৃষ্ঠের পানির অস্বাভাবিক উষ্ণতা বৃদ্ধি। অপরদিকে যখন সমুদ্রের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি বেড়ে যায়, তখন সেটিকে “সুপার এল নিনো” বলা হয়। এমন ঘটনা সাধারণত ১০ থেকে ১৫ বছরে একবার ঘটে এবং এর প্রভাব অনেক বেশি দীর্ঘস্থায়ী ও বিস্তৃত হয়। এটি পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলের আবহাওয়ার ওপর বড় প্রভাব ফেলে, যেমন খরা, অতিবৃষ্টি, তাপপ্রবাহ, ঘূর্ণিঝড়ের পরিবর্তন ইত্যাদি।
বিশেষজ্ঞদের মতে প্রশান্ত মহাসাগরের (Pacific Ocean) গভীরে প্রায় ৯ হাজার মাইল দীর্ঘ একটি অস্বাভাবিক উষ্ণ পানির প্রবাহ তৈরি হয়েছে এবং ২০২৬ সালের সম্ভাব্য এল নিনোটি গত ১৪০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী হতে পারে। এই সমুদ্রের গভীর স্তরে বিস্তৃত উষ্ণ পানির দীর্ঘ তরঙ্গকে বিজ্ঞানীরা কেলভিন ওয়েভ (Kelvin Wave) নামে নামকরণ করেছেন, কারণ এটি বিজ্ঞানী লর্ড কেলভিন কর্তৃক বর্ণিত ঘূর্ণায়মান পৃথিবীতে সীমান্ত-অনুসরণকারী (boundary-trapped) তরঙ্গগত গতির তাত্ত্বিক কাঠামোর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
আমরা অনেকেই ভাবছি এল নিনো শুধু দূরের কোনো দেশের আবহাওয়ার ঘটনা। কিন্তু বাস্তবতা হলো, এর প্রভাব বাংলাদেশেও খুব স্পষ্টভাবে অনুভূত হতে পারে। অতিরিক্ত গরম, দীর্ঘস্থায়ী হিটওয়েভ, অনিয়মিত বর্ষা, কোথাও অতিবৃষ্টি আবার কোথাও খরা; এসবই এল নিনোর সম্ভাব্য প্রভাব। এছাড়াও এর প্রভাবে দক্ষিণ এশিয়ায় মৌসুমি বৃষ্টিপাত দুর্বল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বাংলাদেশের জন্য বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ কারণ আমাদের কৃষি, মৎস্য, উপকূলীয় জীবন ও খাদ্য নিরাপত্তা সরাসরি আবহাওয়ার সাথে জড়িত। যদি বর্ষা দেরিতে আসে বা বৃষ্টির ধরণ অস্বাভাবিক হয়, তাহলে ধান উৎপাদন, মাছের প্রজনন, নদী ও উপকূলীয় বাস্তুসংস্থান প্রায় সবকিছুর ওপর চাপ তৈরি হতে পারে। সমুদ্রের পানির তাপমাত্রা বেড়ে গেলে সামুদ্রিক মাছের মাইগ্রেশন, শৈবাল ব্লুম, ক্ষতিকারক শৈবাল ব্লুম (HABs) এবং উপকূলীয় মাছ চাষে বড় পরিবর্তন দেখা দিতে পারে।
তবে বিজ্ঞানীরা এটাও বলছেন, এখনো শতভাগ নিশ্চিতভাবে “সুপার এল নিনো” ঘোষণা করার সময় আসেনি। কারণ এল নিনো তৈরি হওয়া নির্ভর করে সমুদ্র ও বায়ুমণ্ডলের জটিল পারস্পরিক ক্রিয়ার ওপর। অতীতে কয়েকবার শক্তিশালী পূর্বাভাস দিলেও তা দুর্বল হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু এবারের সমুদ্রের তাপমাত্রা, কেলভিন ওয়েভ এবং বৈশ্বিক উষ্ণায়নের বর্তমান পরিস্থিতি বিজ্ঞানীদের উদ্বিগ্ন করে তুলেছে।
জলবায়ু পরিবর্তনের এই সময়ে বাংলাদেশকে শুধু দুর্যোগের পরে নয়, আগেই প্রস্তুতি নিতে হবে। কৃষি, পানি ব্যবস্থাপনা, উপকূলীয় সুরক্ষা, মৎস্য ও ব্লু-ইকোনমি খাতে এখন থেকেই অভিযোজন পরিকল্পনা আরও শক্তিশালী করা জরুরি। কারণ সমুদ্রের নিচের এই উষ্ণ স্রোত হয়তো আগামী দিনের আবহাওয়ার নতুন গল্প লিখতে শুরু করেছে।
18/05/2026
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট, সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র, কক্সবাজার এর আয়োজনে অদ্য ১৮ মে, ২০২৬ তারিখে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বার্ষিক গবেষণা অগ্রগতি মনিটরিং ও মূল্যায়ন সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন ড. মোঃ আমিরুল ইসলাম, পরিচালক (গবেষণা ও পরিকল্পনা)। এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন অত্র কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ আশরাফুল হক, মোঃ নাজমুল হুদা, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা, কক্সবাজার ও মনিটরিং টিমের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।
কারিগরি সেশনে মোট ৬ টি প্রকল্প উপস্থাপিত হয়, যার ধারাবাহিকতায় মনিটরিং টিম কেন্দ্রের মলিকুলার বায়োলজি , ভ্যালু এডেড, সীউইড, লাইভ ফিড গবেষণাগার, কোরাল হ্যাচারী এবং ইনডোর ও আউটডোর IMTA পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে মনিটরিং টিম অত্র কেন্দ্রের চলমান গবেষণার ভূয়সী প্রশংসা এবং উত্তোরত্তর সাফল্য কামনা করেন।
16/05/2026
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই)-এর কক্সবাজারস্থ সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্রে “সামুদ্রিক মাছ ব্যবহার করে মূল্য সংযোজিত পণ্য উৎপাদন: পুষ্টিকর ও নিরাপদ খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ” শীর্ষক একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন ও সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রের কেন্দ্র প্রধান ও প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ আশরাফুল হক। কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকার উদ্যোক্তা ও আগ্রহী অংশগ্রহণকারীদের উপস্থিতিতে এ প্রশিক্ষণে মোট ২৫ জন অংশগ্রহণ করেন। নিরাপদ, পুষ্টিকর ও রেডি-টু-ইট খাদ্যের ক্রমবর্ধমান চাহিদার প্রেক্ষাপটে সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার এবং উদ্যোক্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।
প্রশিক্ষণে সামুদ্রিক টুনা, ম্যাকেরেল ও লো-ভ্যালুড ফিশ ব্যবহার করে ফিশ বল, ফিশ ক্র্যাকার্স, সসেজ, ক্যানজাত পণ্যসহ বিভিন্ন ভ্যালু এডেড পণ্য উৎপাদনের উপর হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। এছাড়াও নিরাপদ খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, স্বাস্থ্যসম্মত উৎপাদন ব্যবস্থা, সংরক্ষণ পদ্ধতি এবং পণ্যের গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। কেন্দ্রের চলমান ভ্যালু অ্যাডেড গবেষণা প্রকল্পের ফলাফলের ভিত্তিতে অংশগ্রহণকারীদের আধুনিক প্রযুক্তি ও সম্ভাবনাময় পণ্য উন্নয়ন সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
প্রশিক্ষণের শেষ পর্যায়ে অংশগ্রহণকারীদের মতামত ও অভিজ্ঞতা বিনিময়, প্রশ্নোত্তর পর্ব এবং সনদপত্র বিতরণের মাধ্যমে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদের বহুমুখী ব্যবহার, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং উদ্যোক্তা উন্নয়নে এ ধরনের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন।
08/05/2026
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট-এর সম্মানিত মহাপরিচালক ড. অনুরাধা ভদ্র মহোদয় বিএফআরআই সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র, কক্সবাজার সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি কেন্দ্রের চলমান গবেষণা কার্যক্রম ও সামগ্রিক গবেষণা অগ্রগতি বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন এবং গবেষণার মানোন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ কার্যক্রম বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
📅 ০৭ মে ২০২৬ খ্রি.
04/05/2026
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক হিসেবে ড. মো. লতিফুল ইসলাম (প্রশাসন ও অর্থ) এবং ড. মো. আমিরুল ইসলাম (গবেষণা ও পরিকল্পনা) চলতি দায়িত্বে দায়িত্বপ্রাপ্ত হওয়ায় সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র, কক্সবাজার-এর কেন্দ্রপ্রধানসহ সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পক্ষ থেকে স্যারদের জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা।
শ্রদ্ধেয় স্যারদের সুস্বাস্থ্য ও সর্বাঙ্গীণ সফলতা কামনা করছি।
01/05/2026
টুনা বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় মাছের একটি এবং
প্রতিদিন কোটি মানুষ এর স্বাদ গ্রহণ করে থাকেন
বাংলাদেশের সমুদ্র নির্ভর নীল অর্থনীতির অপার সম্ভাবনাময় একটি কমোডিটি " টুনা মাছ"। টুনা বিশ্বব্যাপী অত্যন্ত জনপ্রিয়, প্রতিদিন কোটি মানুষ এই মাছের স্বাদ গ্রহণ করেন। উপযুক্ত প্রযুক্তি, দক্ষ মানবসম্পদ ও আধুনিক অবকাঠামো ব্যবহার করে টুনা আহরণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও রপ্তানি বৃদ্ধি করলে দেশের অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখা সম্ভব।
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র ২০২২ সাল হতে “মজুদ নিরূপণ প্রকল্প”-এর আওতায় দেশের সামুদ্রিক জলসীমায় ট্রু টুনা প্রজাতির মাছগুলোর সনাক্তকরণ, মজুদ নিরূপণ, স্টক স্ট্যাটাস এবং সর্বোচ্চ টেকসই আহরণ (Maximum Sustainable Yield - MSY) নির্ধারণসহ বিভিন্ন নমুনায়ন ও গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন।
এছাড়াও ২০২৩ সাল হতে ভ্যালু অ্যাডেড প্রকল্পের আওতায় টুনা মাছের তৈরি ফিশ বল, সসেজ, ক্র্যাকার্স ও সহজেই খাওয়া উপযোগী (Ready-to-eat) টুনা ফিশ ক্যান উৎপাদন নিয়ে বিভিন্ন ধরণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
নীল অর্থনীতির সম্ভাবনা কাজে লাগাতে টুনা হতে পারে আমাদের পরবর্তী রপ্তানি নায়ক।
30/04/2026
29/04/2026
অদ্য ২৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই), সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র, কক্সবাজারে বৈজ্ঞানিক অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা “বিজ্ঞান কথা” অনুষ্ঠিত হয়।
এ মাসের আয়োজনের মূল উপস্থাপক ছিলেন কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আবু বক্কর সিদ্দিক খান, যিনি সম্প্রতি ভারতের Indian Institute of Remote Sensing (IIRS), Dehradun থেকে সুনামের সাথে Post-Graduate Diploma (PGD) in Remote Sensing and GIS কোর্স সম্পন্ন করে সম্প্রতি দেশে ফিরেছেন।
উপস্থাপনায় তিনি Remote Sensing ও GIS-এর মৌলিক ধারণা, স্যাটেলাইট ডাটা বিশ্লেষণ, অ্যালগরিদম ও ডাটা রিট্রিভাল বিষয়ে অর্জিত জ্ঞান তুলে ধরেন। বিশেষভাবে কক্সবাজার উপকূলে Potential Fishing Zone (PFZ) সনাক্তকরণে তাঁর কাজ উপস্থাপিত হয়, যা জেলেদের সম্ভাব্য মাছ ধরার ক্ষেত্র নির্ধারণ, সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনা এবং দেশের ব্লু ইকোনমি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিজ্ঞানীবৃন্দ উপস্থাপনা-পরবর্তী আলোচনা পর্বে দেশের প্রয়োজনীয়তায় Remote Sensing ও GIS প্রযুক্তির বাস্তব প্রয়োগ, বিশেষ করে মৎস্য গবেষণা, সামুদ্রিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা এবং ভবিষ্যৎ Space Oceanography বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও মতামত প্রদান করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্র প্রধান ড. মোহাম্মদ আশরাফুল হক, প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মহোদয়। এসময় সদ্য Post-Graduate Diploma (PGD) ডিগ্রি অর্জনের জন্য কেন্দ্র প্রধান মহোদয়ের পক্ষ থেকে আবু বক্কর সিদ্দিক খান-কে ফুলেল শুভেচ্ছা ও আন্তরিক অভিনন্দন জানানো হয়।
বিএফআরআই-এর সামুদ্রিক গবেষণায় আধুনিক জিওস্পেশাল প্রযুক্তির সংযোজন এবং বাংলাদেশের মৎস্যখাতে Space Oceanography-এর নতুন সম্ভাবনা উন্মোচনে এ অর্জন একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে।
17/04/2026
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই)-এর কক্সবাজারস্থ সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্রে “সামুদ্রিক মৎস্য/চিংড়ি হ্যাচারিতে পোনা উৎপাদনে বিশুদ্ধ লাইভ ফিড ব্যবস্থাপনা: জৈব নিরাপত্তা ও মান নিয়ন্ত্রণ” শীর্ষক একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন ও সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রের কেন্দ্র প্রধান ও প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ আশরাফুল হক। দেশের বিভিন্ন সামুদ্রিক হ্যাচারির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অ্যালজি টেকনিশিয়ান, গবেষকসহ মোট ২৫ জন অংশগ্রহণকারীর উপস্থিতিতে এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। হ্যাচারি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের চাহিদার নিরীখে দক্ষতা বৃদ্ধি ও মানসম্পন্ন লাইভ ফিড উৎপাদন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।
প্রশিক্ষণে বিশুদ্ধ মাইক্রোঅ্যালজি (লাইভ ফিড) চাষ ব্যবস্থাপনা, জৈবিক নিরাপত্তা, মান নিয়ন্ত্রণ এবং বিএফআরআই উদ্ভাবিত পোর্টেবল ফটোবায়োরিএক্টর ব্যবহারের উপর বিস্তারিত আলোচনা ও হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। এছাড়াও কেন্দ্রের বিশুদ্ধ অ্যালজি সরবরাহ সেবা এবং নতুনভাবে উন্নীত মাইক্রোবায়োলজি গবেষণাগার থেকে পানির গুণগত মান ও ব্যাকটেরিয়াল দূষণ সংক্রান্ত পরীক্ষার সেবা বিষয়ে অংশগ্রহণকারীদের অবহিত করা হয়।
প্রশিক্ষণের শেষ পর্যায়ে অংশগ্রহণকারীদের মতামত ও অভিজ্ঞতা বিনিময়, প্রশ্নোত্তর পর্ব এবং সনদপত্র বিতরণের মাধ্যমে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
সামুদ্রিক হ্যাচারিতে মানসম্পন্ন পোনা উৎপাদন, জৈব নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং টেকসই মৎস্য খাত উন্নয়নে এ ধরনের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন।
| Monday | 09:00 - 17:00 |
| Tuesday | 09:00 - 17:00 |
| Wednesday | 09:00 - 17:00 |
| Thursday | 09:00 - 17:00 |
| Sunday | 09:00 - 17:00 |