Lost Modesty Supporting Team - Cox’s Bazar

Lost Modesty Supporting Team - Cox’s Bazar

Share

আমরা কাজ করছি অশ্লীলতা আর নোংরামির বিরুদ্ধে।

বিসমিল্লাহির রহমানীর রহীম।
পরীক্ষার মৌসুমে মাথার মধ্যে এত্ত প্রোডাক্টিভ আইডিয়া গিজগিজ করে যে, তার কিছুও যদি কাজে লাগাতে পারতাম , তাহলে হায়! এতদিনে দুই দশটা নোবেল নিশ্চিত পেয়ে যেতাম। পর্নমুভির ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে সবাইকে সচেতন করার জন্য কোন একটা প্রজেক্ট চালু করা যায় কিনা সেই আইডিয়াও আসলো এক পরীক্ষার মৌসুমেই। তৎক্ষণাৎ পরীক্ষার পড়া ছেড়ে আদা জল খেয়ে নেমে পড়লাম ইন্টারনেট ঘেঁটে ঘেঁটে ম্যাটেরিয়ালস বের ক

03/09/2024

একজন ব্যাক্তিত্ব সম্পন্ন পুরুষ হতে চাও? কিভাবে হবে জানতে চাও?
তোমাদের জন্যই ষোলো ম্যাগাজিনে আছে হাসান আলী ভাইয়ের লেখা - আর আমি তোমাদের শেখাব কীভাবে পুরুষ হতে হয়!

07/06/2024

কিশোর ম্যাগাজিন "ষোলো"।
ইন্টারনেটের এই যুগে বইয়ের পাতায় কিশোর কিশোরীদের আটকে রাখা বিরল ব্যপার।
এই অসাধ্য সাধন করতে পারে ষোলো। বই পড়ার অভ্যাস করতে চান, কিন্তু কেন যেন সম্ভব হয়ে উঠছে না, আপনার ছেলেটা সারাক্ষণ ফোন নিয়ে পড়ে থাকে বই ধরতেই চায় না। এমন রোগ যাদের আছে তাদের হাতে ধরিয়ে দিন এই চমৎকার এই কিশোর ম্যাগাজিন।
তারপর মজা দেখুন...

আর তোমরা যারা টিনেজার, এটা একবার হাতে নিয়েই দেখো না। শেষ না করে উঠতেই চাইবে না।
বই পড়া বিদঘুটে কিংবা রসকষহিন কোনো ব্যাপার যে নয় সেটা বুঝতে পারবা।

- ষোলো ম্যাগাজিন নিয়ে বই পোকাদের আড্ডাখানা গ্রুপে রিভিউ দিয়েছেন Tanjib Zaman ভাই। মূল লিংক কমেন্টে।

#ষোলো

20/04/2024

প্রেমের সাথে হাত ধরাধরি করে আসে মাদকও। প্রেমে বা ব্রেকআপের ভয়াবহ স্ট্রেস থেকে সাময়িক মুক্তি পাবার জন্য অনেকেই মাদকের শরণাপন্ন হয়। [1] কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটির ন্যাশনাল সেন্টার অন অ্যাডিকশান অ্যান্ড সাবস্ট্যান্স অ্যাবিউস-এর চালানো এক গবেষণায় দেখা যায় গার্লফ্রেন্ড বা বয়ফ্রেন্ডের সাথে যে যতো বেশি সময় কাটায় সে ততো বেশি মদ, গাঁজা, বিড়ি সিগারেটের নেশায় পড়ে যায়। [2]অনেকেই হয়তো প্রেম চলার সময় মাদকে আসক্ত হয় না। কিন্তু ব্রেকআপের পর ছ্যাঁকার কষ্ট ভুলতে মাদকে আসক্ত হয়ে যায়। প্রেম পিছু ছাড়লেও মাদক পিছু ছাড়ে না।

স্রেফ এই মাদকই একটা জাতিকে ধ্বংস করে দেবার জন্য যথেষ্ট। জাতির যুবশক্তিকে মাদক একেবারে ভেতর থেকে কুরে কুরে খেয়ে নিঃশেষ করে দেয়। মাদককে কেন্দ্র করে সমাজে ব্যাপক অপরাধ সংঘটিত হয়। মাদকের টাকা জোগাড় করার জন্য বাবা-মাকে খুন করা, চুরি, ছিনতাই করা, ভাড়াটিয়া খুনি হিসেবে কাজ করা, মাদকের প্রভাবে ধর্ষণ করা–এগুলো নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার। [3] সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. আবদুল হাকিম সরকার বলেন, আমাদের সমাজে ৮০ শতাংশ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ঘটছে মাদকের কারণে। সমাজ পুরোপুরি মাদকমুক্ত করতে পারলেই অপরাধ এমনিতেই কমে যাবে। [4]

চলবে ইনশা আল্লাহ্...

প্রবন্ধ: ঘুণপোকা-3
বই: আকাশের ওপারে আকাশ
লেখক: লস্ট মডেস্টি টিম
সম্পাদক: আসিফ আদনান
#আকাশের_ওপারে_আকাশ


রেফারেন্স কমেন্টে দেয়া হলো...

31/03/2024

ব্রেকআপের এবং ঝগড়ার ভয়াবহ এক দিক হলো এটা প্রেমিক প্রেমিকাদের আত্মবিশ্বাস ও আত্মসম্মান একেবারে ধ্বসিয়ে দেয়। মধুর মধুর কথা বলে ঝগড়া বা ব্রেকআপ হয় না। ঝগড়ায় থাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ, মারাত্মক অপমানজনক কথা। এসব শুনতে শুনতে ও বলতে বলতে মন বিষিয়ে যায়। প্রেমিক/প্রেমিকার কথায় মানুষ অনেক বেশি প্রভাবিত হয়। তুই সুন্দর না, তুই শেওড়া গাছের পেত্নী, তুই হট না, তুই একটা ভোটকা, তুই একটা ক্ষ্যাত, তুই জীবনে কিছুই করতে পারবি না, আয়নায় চেহারা দেখছিস নিজের, তোর সাত পুরুষের ভাগ্য আমার মতো মানুষ তোর সাথে প্রেম করে, আমি চলে গেলে তুই কোনো মেয়ে পাবি না–ব্রেকআপ বা ঝগড়ার সময়ে এই জাতীয় কথাগুলো অত্যন্ত গভীর প্রভাব ফেলে মানুষের মনের উপর।

এ ধরনের কথা হয়তো ১০% সত্য কিন্তু বাকি ৯০% একেবারেই মিথ্যা। কিন্ত রাগের মাথায় পরিস্থিতির কারণে বলে ফেলা এই মিথ্যাগুলোই অপরপক্ষ সত্য বলে বিশ্বাস করে নেয়। গবেষণায় দেখা গিয়েছে প্রিয় মানুষের মুখে নিজের সম্পর্কে এই নেতিবাচক মূল্যায়ন তার আত্মবিশ্বাসকে একেবারেই গুঁড়িয়ে দেয়। তীব্রভাবে বিশ্বাস করে নেয় যে, সে একজন ব্যর্থ মানুষ। জীবনের পথচলা বিজয় সরণির সিগনালে আটকে যায়। নিজের চেহারা, শরীর, আচার-আচরণ, ব্যক্তিত্ব নিয়ে মানুষ তখন চরম অস্থিরতা, উদ্বেগে ভোগে। মানুষজনের সামনে সহজ হতে পারে না। সম্পূর্ণ অপ্রয়োজনীয় ভাবে নিজের উপর প্রেশার নিয়ে নিজেকে বদলে ফেলতে চায়। কেউ না খেয়ে, ডায়েট করে, বমি করে শুকনো হতে চায়। রূপচর্চায় পানির মতো টাকা খরচ করে, অশালীন পোশাক-আশাক পরে হট হতে চায়। কেউ বাইক কিনে, বিড়ি সিগারেট বাবা ধরে, ডিএসএলআর দিয়ে মাঞ্জা মারা ছবি তুলে নম্রতা, ভদ্রতা, শালীনতা, সততার আদর্শ ভুলে গিয়ে চাপাবাজি আর প্রতারণার কৌশল শিখে নিজেকে ক্ষ্যাত থেকে স্মার্ট বানাতে চায়।

চলবে ইনশা আল্লাহ্...

প্রবন্ধ: প্রেম কয়েদি-5
বই: আকাশের ওপারে আকাশ
লেখক: লস্ট মডেস্টি টিম
সম্পাদক: আসিফ আদনান
#আকাশের_ওপারে_আকাশ

16/03/2024

চতুর্দিকে ভালোবাসার আকাল দেখে তুমি হতাশ হবে না। যদি তুমি পবিত্র থাকো, যদি তোমার ভালোবাসা, জীবনসঙ্গিনীর জন্য অপেক্ষা মৌলিক হয় তাহলে আল্লাহ তোমাকে নিশ্চিত ভালো একজন মেয়ের সাথে জুরি বেঁধে দিবেন। জীবনের ভালোবাসা হয়তো কোন এক ভোরে চুপ করে কড়া নাড়বে তোমার দরজায়।
বই: আকাশের ওপারে আকাশ
লেখক টিম: লস্ট মডেস্টি
Courtesy: Najiba Khan & (DHD)
#আকাশের_ওপারে_আকাশ
#মুক্ত_বাতাসের_খোঁজে

23/02/2024

আমরা কি ‘বাঙালি’ নাকি ‘মুসলিম’ ?

03/03/2023

ডিজাইনার - আমাতুল্লাহ আয়িশাহ
বই: আকাশের ওপারে আকাশ
লেখক: লস্টমডেস্টি
#চলচিত্র
#আকাশের_ওপারে_আকাশ
#প্রেমাতাল

01/03/2023

চুপিচুপি একটা কথা বলি। মেয়েরা এই আসল পুরুষদেরই পছন্দ করে। এভাবেই তাদের বানিয়েছেন আল্লাহ তা’আলা। পরিবার, সমাজ, সংস্কৃতির কারণে তাদের অনেকেই আসল পুরুষ চিনতে পারে না, বোহেমিয়ান পুরুষদের সাথে দু’দিন প্রেম করতে পারে, ভুল করে ঘর বাঁধতে পারে কিন্তু মনেপ্রাণে তারা এই আসল পুরুষদেরই খুঁজে বেড়ায়।
বই: আকাশের ওপারে আকাশ
লেখক: লস্ট মডেস্টি
#চলচিত্র
#আকাশের_ওপারে_আকাশ

22/02/2023

সালাফকথন!
বই: আকাশের ওপারে আকাশ
প্রকাশনায় : Ilmhouse Publication
Design : Muhammad Ashraful
#চলচিত্র
#প্রেমাতাল
#আকাশের_ওপারে_আকাশ

22/02/2023

আজকের সব কিশোরী মেয়েরাই রুমের আয়নায় নিজেকে দেখে হয়তো ভাবে কেন সে দেখতে সিলেব্রেটিদের মতো নয়। শোনো হে মেয়ে, এটা আমাদের কারো আসল চেহারা নয়, আমরা কেউ এভাবেই ঘুম থেকে উঠি না, কোনো অভিনেত্রীই এমন না।

প্রতিটি পাবলিক এপেয়ারেন্সের আগে আমাকে ৯০ মিনিট মেকআপ চেয়ারে বসে থাকতে হয়। আমার চুল ঠিক করা আর মেকাপ ঠিক করার পেছনে ৩-৬ জন মানুষ কাজ করে। একজন পেশাদার বিউটিশিয়ান আমার নখ নিয়ে কাজ করে। প্রতি সপ্তাহে আমার আইব্রো প্লাগ করতে হয়, থ্রেডিং করতে হয়। মুখের দাগ আর ডার্ক স্পটগুলো আড়াল করার জন্য আমার শরীরে বিশেষ কসমেটিকের ব্যবহার হয়।

প্রতিদিন সকাল ৬টায় ঘুম থেকে উঠে সাড়ে ৬টায় আমি জিমে চলে যাই। সেখানে ৯০ মিনিট ধরে এক্সারসাইজ করি, কখনও সন্ধায় আবার কখনও ঘুমানোর আগেও এভাবে চলে। আমি কি খাব আর কি খাব না এটা ঠিক করার জন্য একজন ফুল টাইম লোক নিয়োগ করা আছে। যতটুকু আমি খাই, তার চেয়ে বেশি আইটেমের মেকআপ আমার মুখে লাগাতে হয়। আমার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত ও আকর্ষনীয় পোশাকটি বাছাই করার জন্য একটি টীম সবসময় নিযুক্ত থাকে।

এতকিছুর পরও আমি যথেষ্ট নিখুঁত হতে পারি না। এরপর আছে ফটোশপের দারুণ সব কারসাজি।

একথা আমি আগেও বলেছি, আবারও বলছি, যে অভিনেত্রীকে পর্দায় দেখে তুমি ঈর্ষায় ভাজা ভাজা হয়ে যাচ্ছ, তাকে এরকম বানাতে একটা বিশাল টীম, কাড়ি কাড়ি টাকা, প্রচুর সময় দরকার হয়। এর কোনোকিছুই বাস্তব নয়, এটা এমন কিছু নয় যা তোমাকেও অর্জন করতে হবে। এটা এক আর্টিফিশিয়াল জগৎ।"

(একজন বলিউড অভিনেত্রীর লেখা থেকে ভাবানুবাদ করা হয়েছে)

- ইউসুফ আহমেদ

22/02/2023

“মুক্ত বাতাসের খোঁজে” বইটা নিয়ে আমার একটি ভালোলাগার স্মৃতি আছে। বইটা বের হয়েছিল দুই হাজার আঠারো সালের জানুয়ারিতে। আমি তখন অনার্স থার্ড ইয়ারে উঠব উঠব ভাব। মানে সেকেন্ড ইয়ার ফাইনাল পরীক্ষা চলছিল আরকি!

বইটা আমি পেয়েছিলাম ফেব্রুয়ারি কিংবা মার্চ মাসে। আমার এক কাজিনের কাছ থেকে হাদিয়া নিয়েছিলাম। হাদিয়া নিয়েছিলাম বলতে, সে আমাকে একটা বই হাদিয়া দিতে চাচ্ছিল। আমি তখন বললাম, “মুক্ত বাতাসের খোঁজে” দাও। বই পাওয়ার অল্প কয়েক দিনের মাঝেই পড়ে শেষ করে ফেলি। অনেক বিষয় নতুন জেনেছিলাম। কিছু বিষয়ে আমি বেশ উপকৃতও হয়েছিলাম। আলহামদুলিল্লাহ্।

যাই হোক, সে বছরের মাঝামাঝি আমি আমার এক ক্লোজ ফ্রেন্ডকে বইটার এক কপি হাদিয়া দিই। সে পর্নোগ্রাফিতে আসক্ত—এমনটা ভেবে হাদিয়া দিয়েছি এমন না। এমনি দিয়েছিলাম। সে ছিল আমার মাদ‘উ। মানে, আমি তাকে দাওয়াহ’র অংশ হিসেবে বইটা হাদিয়া দিয়েছিলাম। যেন এর মাধ্যমে আমাদের দুজনের সম্পর্কের হৃদ্যতা বাড়ে। কেননা, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলছেন, ‘হাদিয়া আদান-প্রদানে ভালোবাসা বাড়ে’।

তো, বইটা পেয়ে আমার বন্ধু অনেক খুশি হয়। সে তখন আমাকে একটি ব্যাপার শেয়ার করে। তার জীবনে পরিবারের বাহিরে কারও কাছ থেকে এই প্রথম কোনো গিফট বা হাদিয়া পেল সে। এটা শুনে আমি বেশ অবাক হয়েছিলাম। আবার দারুণ একটা ভালোলাগাও কাজ করছিল এটা ভেবে যে, আমি তার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটা ঘটনার অংশ হয়ে গেলাম। আলহামদুলিল্লাহ্।

বইটা পড়া শুরু করার পর সে আমাকে বলল, ‘তুমি আমাকে বইটা কী জন্য দিসো? তোমার কি এটা মনে হইসিল যে, আমি এসবে (পর্নোগ্রাফিতে) আসক্ত?’
আমি বললাম, ‘না, এমনিই দিয়েছি; বন্ধু হিসেবে।’
তখন সে বলল, ‘এই বইটা আমার আরও পাঁচ বছর আগে প্রয়োজন ছিল। তাহলে হয়তো জীবন থেকে অনেক কিছুই হারিয়ে যেত না।’

তার এই কথাটা শুনে খারাপ লেগেছিল। আবার ভালোও লাগছিল এটা ভেবে যে, সে বইটা দ্বারা উপকৃত হয়েছে এবং আমি তার এই পরিবর্তনের সহযোগী হতে পেরেছি। আলহামদুলিল্লাহ্।

কিছুদিনের মাঝেই সে পুরো বইটা পড়ে শেষ করে। এরপর আমাকে ম্যাসেঞ্জারে নক দিয়ে বলে, ‘তোমার টাইমলাইনে পোস্ট অপশন খুলে দেও। আমি একটা পোস্ট দিব।’ আমি পোস্ট অপশন খুলে দিলাম। “মুক্ত বাতাসের খোঁজে” বইটির ছবি দিয়ে ক্যাপশনে কয়েক লাইনের ছোট্ট একটি কবিতা লিখে পোস্ট করে সে। কবিতাটা ছিল আমার প্রতি তার ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে! 🙂

আমি যখন তাকে এই বইটি হাদিয়া দিয়েছিলাম, সে তখন বলতে গেলে প্র্যাক্টিসিং ছিল না। শুধু সালাতে নিয়মিত ছিল। বাকি টুকটাক ফ্রি-মিক্সিং, মাঝেমধ্যে একটুআধটু গান শোনার অভ্যাসো ছিল। সময়ের সাথে সাথে সে এগুলো সব ছেড়ে দেয়। কুরআন পড়া শিখে, আরও বইপত্র পড়া শুরু করে। এক সময় দাড়িও রেখে দেয়। আল্লাহর রহমতর এখনও পর্যন্ত সে দ্বীনের ওপর আছে। আলহামদুলিল্লাহ্।

“মুক্ত বাতাসের খোঁজে” বই নিয়ে আরও কিছু ভালোলাগার ঘটনা আছে আমার। তবে এটা ছিল সবচেয়ে বেশি ভালোলাগার ঘটনা। নিজের ঘনিষ্ঠ বন্ধুকে দ্বীনে ফিরতে দেখার মতো আনন্দাদায়ক ব্যাপার খুব কমই আছে। আর সেখানে যদি আমার নিজেরও নগণ্য কিছু ভূমিকা থাকে, তাহলে তো আনন্দের তীব্রতা বেড়ে যায় কয়েকশ গুণ!

তার এই পরিবর্তনে আমিও আল্লাহর কাছ থেকে কিছু সাওয়াব পাব বলে আশা করি। কিন্তু পর্দার আড়াল থেকে আরও কিছু মানুষও গুণোত্তর ধারায় সাওয়াব পেতে থাকবে। তারা হলো “মুক্ত বাতাসের খোঁজে” বইটির লেখক লস্ট মডেস্টি টিম। এটা ভাবলে মাঝেমধ্যে লস্ট মডেস্টি টিমকে ঈর্ষা হয়!
-
রিভিউটি লেখেছেন- যে বইটি আপনার অবশ্যই পড়া উচিত

Want your business to be the top-listed Government Service in Cox's Bazar?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


Chittagong Division
Cox's Bazar
4700