22/11/2023
hi
Son of Comilla
22/11/2023
hi
06/12/2022
আমার ফাঁসি চাই বইটি অনলাইনে পরছিলাম,১৪৪ পৃষ্ঠা তে চোখ আটকে গেলো , এই জন্যই কি বইটি নিষিদ্দ করেছে ??
সত্য কথা বললেই কি রাজাকার কিংবা নিষিদ্দ করতে হবে ??
সূত্র- আমার ফাসি চাই, পৃষ্ঠা ১৪৪ ::
কিসের আবার রাজাকার, আমার আত্মীয় এটাই বড় কথা – শেখ হাসিনা !!
বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা তার মেয়ে পুতুলের বিয়ে ঠিক করলে ধানমন্ডি ৫ নম্বর রোডের ৫৪ নম্বর বাড়িতে শেখ হাসিনার স্বামী ড.ওয়াজেদ মিয়া এসে শেখ হাসিনার প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে বলতে লাগলেন, মেয়ে কি তোমার একার? মেয়ে কি আমার না? তুমি রাজাকারের (ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হুসেন, বর্তমান প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী) ছেলের সাথে আমার মেয়ের বিয়ে ঠিক করেছ। রাইফেল হাতে নিয়ে যে রাজাকারগিরি করেছে। মুক্তিযোদ্ধা মেরেছে। তার ছেলের সাথে আমি কিছুতেই আমার মেয়ের বিয়ে দেব না।
শেখ হাসিনা বললেন, আমি মেয়ে বিয়ে দিব। পারলে তুমি ঠেকাও। ড.ওয়াজেদ বললেন, তাই বলে রাজাকারের ছেলের সাথে বিয়ে দেবে? শেখ হাসিনা ক্ষিপ্ত হয়ে বললেন, কিসের আবার রাজাকার ফাজাকার, আমার আত্মীয় এটাই বড় কথা। সাথে মরলে আত্মীয়রাই মরে। দেখ নাই ঐ মুক্তিযোদ্ধা ফুক্তিযোদ্ধারাই আমার মা বাবা ভাইদের কিভাবে মেরেছে। মেয়ে আমি এখানেই বিয়ে দেব, তুমি পারলে ঠেকাও।
তখন ড. ওয়াজেদ মিয়া বললেন, তোমাদের সাথে ঠেকাঠেকিতে তো আর আমি পারব না। তবে আমি বলে দিচ্ছি, এ বিয়েতে আমি নাই।
শেখ হাসিনা তার স্বামীর কথা রাখলেন না। রাজাকারের সাথে আবার নতুন করে আত্মীয়তা করলেন !!
সূত্র- আমার ফাসি চাই, পৃষ্ঠা ১৪৪, লেখক মুক্তিযোদ্ধা মতিউর রহমান রেন্টু (তিনি ও তার স্ত্রী একটানা ১৭ বছর শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত সহকারী ছিলেন। আওয়ামী সরকার ১৯৯৬ সালে ‘আমার ফাসি চাই’ বইটি বাজেয়াপ্ত করে।)
14/10/2022
হায়রে টাকা জীবন চাকা,
আটকে দিলি তুই।
কেউ পেল বাড়ি গাড়ি,
কেউ পায়না সুঁই।
টাকা হলে সবই মিলে,
এইকি ধরার রীতি?
টাকা ছাড়া আপনজনও,
জানায় অকাল ইতি।
ভাইয়ের সুখ বোনের হাসি,
টাকা হলেই পাবে।
টাকা ছাড়া তোমায় ফেলে,
সবাই চলে যাবে।
হায়রে টাকা তুইযে বাঁকা,
আপন করিস পর।
এই অভাগার ভাঙা বুকে,
তুলিস,না আর ঝড়।
বাপকে নিলি মাকে নিলি,
নিলিরে বোন ভাই।
চেয়ে দেখি এই দুনিয়ায়,
আপন কেহ নাই।
অসৎ যারা তোকে পেল,
সৎ মানুষের ভীড়ে।
এই ধরনী জয় করলো,
তোর ক্ষমতা ঘিরে।
নিয়মিতো পোস্ট পেতে পেইজটি Follow দিয়ে সাথেই থাকুন🌸
08/10/2022
ভাই গিরিশ চন্দ্র সেন কোরআন মাজিদের প্রথম বাংলা অনুবাদক নন,তিনি ছিলেন প্রকাশক।
একটি ভুল প্রচারের নিরসন।
★★★+++++++++★★★++++++++★★★.
সর্বপ্রথম ১৮০৮ সালে বাংলা ভাষায় কুরআন শরীফের আংশিক অনুবাদ করেন মাওলানা আমীরুদ্দীন বসুনিয়া।
এরপর বাংলা ভাষায় কুরআন শরীফের পূর্ণাঙ্গ অনুবাদ করেন মৌলভী নাঈমুদ্দীন ১৮৩৬ সালে।
গিরিশ চন্দ্র সেন শুধু উক্ত অনুবাদকে পুস্তক আকারে সন্নিবেশ করেছেন, গিরিশ চন্দ্র হচ্ছেন প্রকাশক। তাও অনেক পরে, ১৮৮৬ সালে।
সুতরাং কুরআন শরীফের প্রথম বাংলা অনুবাদক গিরিশ চন্দ্র নন, বরং মৌলভী নাঈমুদ্দীনই পূর্ণাঙ্গ কুরআন শরীফের প্রথম বাংলা অনুবাদক।
আর মাওলানা আমীরুদ্দীন বসুনিয়া হলেন বাংলা ভাষায় প্রথম কুরআন শরীফের আংশিক অনুবাদক।
গিরিশ চন্দ্র সেনের জন্ম ১৮৩৫ সালে এবং মৃত্যু ১৯১০ সালে। গিরিশ চন্দ্রের জন্মেরও আগে অর্থাৎ ১৮০৮ সালে কুরআন শরীফের বাংলায় অনুবাদের কাজ শুরু করেন মাওলানা আমীর উদ্দীন বসুনিয়া।
এরপর গিরিশ চন্দ্র সেনের জন্মের একবছর পরই অর্থাৎ ১৮৩৬ সনে মৌলভী নাঈমুদ্দীন পূর্ণাঙ্গ কুরআন শরীফের বাংলা অনুবাদ সম্পন্ন করেন।
আরবি জানেননা,আরবি ব্যাকরণ জানেননা,
এমন ব্যাক্তি কুরআন অনুবাদ করেছে এমন প্রচার মুর্খতা।
বাংলা ভাষাভাষীদের মধ্যে ব্যাপকভাবে প্রচলিত আছে যে, ভাই গিরীশ চন্দ্র সেন আল কুরআনের প্রথম বাংলা অনুবাদক। এ প্রচারণার কিছু কারণ ছিল। বৃটিশ আমলে এদেশে ব্রাহ্মধর্মের একটা জোয়ার এসেছিল।
গোঁড়া হিন্দু গিরীশ চন্দ্র সেন এক সময় হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে ব্রহ্মধর্ম গ্রহণ করেন। ব্রাহ্মধর্ম এ দেশে ছিল একটি নতুন ধর্মমত।
তাই এ ধর্মমত আপামর জনসাধারণের মধ্যে প্রচারের জন্য গিরীশ চন্দ্র নিজে উদ্যোগী হলেন।
কিন্তু অর্থকড়ির তো প্রয়োজন। সেটা আসবে কোথেকে! তিনি ফারসী ভাষায় পন্ডিত ছিলেন।
মুসলমানদের পকেট থেকে টাকা বের করার জন্য বেশকিছু ইসলামী বই রচনা করলেন এবং সেই সাথে পবিত্র আল কুরআনের প্রকাশ করলেন প্রকাশক হয়ে। মুসলমানরা এ বই কিনলোও প্রচুর। ফলে বাংলা ভাষাভাষী যারাই কুরআন শরীফের বঙ্গানুবাদ হাতে পেতে চাইলো তাদের হাতে পৌঁছে গেল তার প্রকাশিত কুরআন শরীফ।
এ ব্যাপারে তাঁকে ব্রাহ্মসমাজ হিন্দু ব্যক্তিবর্গ এমন কি বৃটিশরাও যথেষ্ট সহযোগিতা করেছে। ফলে মানুষ মনে করেছে পবিত্র কুরআন শরীফের প্রথম বঙ্গানুবাদকারী হচ্ছেন ভাই গিরীশ চন্দ্র সেন।
আসলে পবিত্র কুরআনের প্রথম বঙ্গানুবাদকারী যে মৌলবী মোহাম্মদ নঈমউদ্দীন সে কথা অল্প কিছু লোক জানলেও ব্যাপকভাবে প্রচার করার সুযোগ আসেনি।
গিরীশ চন্দ্র কুরআনের অনুবাদ বিক্রি করে যে অর্থ লাভ করতেন তা ব্যয় করতেন ব্রহ্মধর্ম প্রচার কাজে। ফলে ব্রাহ্মধর্ম প্রচারের মিশনের সাথে কুরআন বিক্রয়ের একটা গভীর সম্পর্ক ছিল।
মৌলবী মোহাম্মদ নঈমউদ্দীন ছিলেন একজন মুসলমান। তিনি স্বত:প্রণোদিত হয়ে আল কুরআনের বঙ্গানুবাদ করেছিলেন। তা প্রচারের জন্য গিরীশ চন্দ্র সেনের মতো কোনো মিশন ছিল না। যার কারণে তার প্রচার প্রসার ছিল সীমিত।
এমনি করেই আল কুরআনের প্রথম বঙ্গানুবাদকারী হয়েও মৌলবী মোহাম্মদ নঈমউদ্দীন ভাই গিরীশ চন্দ্র সেনের মতো প্রচার পেতে পারেন নাই।
★★★++++++++★★★++++++++★★★.
তথ্যসুত্রঃ
ইন্টারনেট ও অনলাইন ভিত্তিক বিভিন্ন মিডিয়া।
১,,, দৈনিক সংগ্রামঃ ২১ শে জুলাই,২০১৮.
২,,,, দৈনিক ঢাকা পোস্টঃ ৭ই সেপ্টেম্বর,২০১৮.
৩,,, জিব্রাইলের ডানাঃ ১লা মার্চ,২০০৯.
৪,,, বিডি আল কোরআনঃ ৪ঠা এপ্রিল,২০১৩.
৫,,, সাইবার মোজাহিদঃ জানুয়ারি,২০১৮.
৬,,,, মাসিক মদিনাঃ আগস্ট,২০০৪.
প্রশ্নোত্তর পর্ব,পৃষ্ঠাঃ ৪৭.
02/10/2022
অন্যের দোষ গোপন রাখার পুরষ্কার
একবার কিছু লোক উকবা ইবনু আমের (রাদ্বি.)-এর কাছে এসে বলল— 'আমাদের এক প্রতবেশী মদ খায় এবং যা তা করে বেড়ায়। আমরা কি তার নামে শাসকের কাছে অভিযোগ করব?'
উকবা বলেন, 'না। আমি রাসূল (সা.)-কে বলতে শুনেছি, যে কোনো মুসলিমের ভুল দেখতে পেয়ে সেটাকে গোপন রাখল, সে যেন জীবন্ত কবরস্থ কোনো শিশুকন্যাকে কবর থেকে উদ্ধার করল।' (আদাবুল মুফরাদ, ইমাম বুখারী)
প্রকৃত মুসলিমের বৈশিষ্ট্যই হলো, সে অন্যের দোষত্রুটি গোপন রাখবে। যারা মানুষের সম্মানে আঘাত আনে এবং কারো গোপনীয় বিষয় নিয়ে কথা বলে, অশ্লীলতা ছড়ায়, তাদের জন্য ভয়ানক শাস্তির ঘোষণা দিয়েছে পবিত্র কুরআন। আল্লাহ্ বলেন, 'যারা পছন্দ করে যে, ঈমানদারদের মধ্যে অশ্লীলতা প্রসার লাভ করুক, তাদের জন্য দুনিয়া ও আখিরাতে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি রয়েছে। আল্লাহ্ জানেন, তোমরা জানো না।' (সূরা নূর, ১৯)
ইসলামি সমাজের প্রতিটি ব্যক্তি হবে লাজুক ও অপরের দোষ গোপনকারী। তুচ্ছ ও ছোটখাটো বিষয়ে সে মাথা ঘামাবে না। তার রয়েছে ইসলামের আলোর উদ্ভাসিত এক চারিত্রিক দৃঢ়তা। ফলে সে মানুষের সম্মানে আঘাত করা থেকে বেঁচে থাকবে। জবানকে বাঁচিয়ে রাখবে পাপের প্রসার ঘটানো থেকে। হোক তা তার নিজের পাপ, বা কোনো দেখা ঘটনা, অথবা কোনো শোনা বিষয় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
“আমার সকল উম্মতকেই মাফ করা হবে। একমাত্র পাপের প্রচারকারী ব্যতীত। পাপের প্রচারের একটি হলো, কেউ রাত্রির অন্ধকারে কোনো অন্যায় করল। আল্লাহ সেটা গোপন রাখলেন। অথচ সকাল হতেই সে সবাইকে ডেকে বলল, হে অমুক! গতরাতে আমি এমন এমন করেছি। তার প্রতিপালক তার অন্যায় পুরোটা রাতে লুকিয়ে রেখেছেন। আর সকালে সে আল্লাহর গোপনীয় বিষয় প্রকাশ করে দিয়েছে।' -বুখারী ও মুসলিম
'আদর্শ মুসলিম ও তার ব্যক্তিত্বের স্বরূপ' বই থেকে
লেখক : ড. মুহাম্মাদ আলী আল হাশেমী
লিংক কমেন্টে
আমাদের পরিচয় মুসলমান কিন্তু
আজকে আমরা সুন্নি -কাওমি -আহলে হাদিস ইত্যাদি
দিয়ে ইসলামকে ভাগ করে দিয়েছি।
আল্লাহ পাক সকলকে এক পতাকা তলে আসার তাওফিক দান করুন, আমিন।