কুমিল্লা জেলায় মোট ৩৬৮৭টি গ্রাম আছে আপনার গ্রামের নামটি কি!
নতুন প্রজন্ম মুরাদনগর কুমিল্লা
d
৭ হাজার ১৮৭ জন মুক্তিযুদ্ধার ভূমি এই কুমিল্লা ( রেকর্ড অনুযায়ী)
আজকের এই ভিডিও কনফারেন্স আমাদের জাত চিনায় দিছেন মাননীয় সাংসদ হাজী আ ক ম বাহাউদ্দীন বাহার (এম.পি), , অনুরোধসহ কুমিল্লা নামের যৌক্তিকতা তুলে ধরছেন বলিষ্ঠ কণ্ঠে, অন্যদের মত তেলবাজি কুমিল্লা বাসী করে না।
বাংলাদেশের প্রথম পতাকাটা কুমিল্লার ছেলে শিব নারায়ণের দেওয়া, বাংলা ভাষাটারে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিটা পাকিস্তান পার্লামেন্টে প্রথম বৃহত্তর কুমিল্লার ছেলে ধীরেন্দ্রনাথ করছিল। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি ও একজন নারী আর তৎকালীন সমাজের শিক্ষা ব্যবস্থা সংস্কার করে নারী শিক্ষা আন্দোনের নেতৃত্ব দিছেন এই কুমিল্লার মেয়ে নবাব ফৌজুন্নেছা চৌধুরাণী।। ভাষাটারে আন্তর্জাতিক স্বীকৃত আইনা দিল কুমিল্লার ছেলে রফিকুল, তাদের কথা মনে না রেখে আপনি একজন খুনির কথা বল্লেন।। এইটা কেমন বিচার মাননীয়?? আপনি যা দিবেন তাই মেনে নিব, কিন্তু এইটা আমাদের চাওয়া না।। কুড়িগ্রাম, কুষ্টিয়ার সাথেও কু আছে। আপনার এমন মন্তব্য আমাদের ব্যথিত করছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।। সারাজীবন যে মোনয়েম খান বঙ্গবন্ধু কে জেল খাটাইল কিশোরগঞ্জ, বৃহত্তর ময়মনসিংহে তার জন্ম, সেটা ত ঠিকই ময়মনসিংহ বিভাগ হলো।।
আমরা কুমিল্লা নামেই বিভাগ চাই।।
"কুমিল্লা" নামেই বিভাগ চায় কুমিল্লার ৫০ লক্ষ্য মানুষ। আমরা অন্য কোনো নামে বিভাগ চাই না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপর সম্মান রেখেই বলছি, বিভাগ যদি দিতেই হয়, তবে কুমিল্লা নামেই দিন। নইলে বিভাগ চাই না।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনি বলেছেন কুমিল্লা নামের সাথে খুনি মোস্তাক এর নাম জড়িত। তাই বলে কি বাংলাদেশ নামের উপর কুমিল্লার কারো কোনো অবদান নেই? ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে, স্বাধীনতা যুদ্ধে কুমিল্লার কি কোনো অবদান নেই? একজন কুলাঙ্গার এর জন্য পুরো কুমিল্লা বাসী সাফার করবে, এটা কিভাবে হয়?
মোস্তাকের কুমিল্লা না এটা। কোনো কুলাঙ্গার এর উপর দেশের পরিচয় হয় না। বঙ্গবন্ধুর পরিচয়ে বাংলাদেশ, মোনায়েম খানের পরিচয়ে না। বঙ্গবন্ধু ভালো লোক ছিল, তাই বঙ্গবন্ধুর পরিচয়ে বাংলাদেশ, যখন বাংলাদেশ চিনতো না, তখন বলতো শেখ মুজিবের দেশ।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনি বলছেন খুনি মোস্তাক এর দেশ কুমিল্লার, কিন্তু এই কুমিল্লার বিচারপতি ই কিন্তু বঙ্গবন্ধুর আসামিদের ফাঁসির রায় দেন। বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলা, জাতীয় চার নেতা হত্যা মামলা, আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার রাষ্ট্র পক্ষের প্রধান আইনজীবী ছিলেন কুমিল্লার সিরাজুল হক (বাচ্চু মিয়া) এবং তার মৃত্যুর পর তার ছেলে এডভোকেট আনিসুল হক।
২১ শে আগষ্ট গ্রেনেড হত্যা মামলার প্রধান আইনজীবী মোঃ রেজাউল রহমান ছিলেন কুমিল্লার।
আজকে আমরা বাংলা ভাষায় কথা বলি, পাকিস্তান গণপরিষদে একমাত্র ব্যক্তি কুমিল্লার ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত, যিনি পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা করার জন্য বিল উত্থাপন করেন।
এভাবে একজন খুনির জন্য পুরো জেলাকে দোষী না করে, আমাদের কুমিল্লার অবদান এর জন্য সাধুবাদ জানান।
আপনার আওয়ামিলীগ বিনির্মানে কুমিল্লা বাসীর কি কোনো অবদান ছিল না? আজকের বাংলাদেশ নামের জন্য কুমিল্লা বাসীর কি কোনো অবদান ছিল না? তাহলে কেন একজন মাত্র কুলাঙ্গার এর জন্য পুরো কুমিল্লা বাসীকে দোষী করবেন?
কুমিল্লা নামের সাথে আমাদের ভালোবাসা, আমাদের আবেগ, আমাদের আত্বা মিশে আছে।
আমরা খুনি মোস্তাক এর নামের "ম" তে মেঘনা চাই না, আমরা কুমিল্লা নামেই বিভাগ চাই।
-আহমেদ মাহি
পীর কাশিমপুর এর নিয়মিত আপডেট পেতে লাইক দিন, অন্যদের জানাতে শেয়ার দিবেন।
পীর কাশিমপুর টু বাংলাদেশ। Pir Kashimpur to Bangladesh is a social awareness blog. Awareness of problems & prospects of society.
22/04/2020
Email: [email protected], [email protected] +8801813340400 (Whatsapp)
Details: https://www.anantabd.net/sanitizing-tunnel-sanitation-booth-in-bangladesh/
02/06/2016
২নং আকুবপুর ইউনিয়নে আলো ছড়াচ্ছেন টেবিল ফ্যান প্রতীকের মোঃ কামরুল হাসান কেনাল
২নং আকুবপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আলো ছাড়াচ্ছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ কামরুল হাসান কেনাল।
এই ইউনিয়নের অন্য প্রার্থীরা যখন জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে নানা অপপ্রচার ও একে অন্যকে আক্রমণ করে বক্তব্য রাখছেন। এছাড়াও যেখানে অন্য প্রার্থীরা বাহির থেকে সন্ত্রাসী নিয়ে এসে এলাকায় মহড়া দিচ্ছেন। ও ভোটারদের আতঙ্কগ্রস্ত করছেন। তখন ব্যতিক্রম সৃষ্টি করেছেন মোঃ কামরুল হাসান কেনাল।
তিনি অন্য প্রার্থীকে সম্মান করে জনগণকে যোগ্যতা, সততা, শিক্ষা, প্রগতিশীলতা এবং উন্নয়নের প্রশ্নে বাস্তবতা বিবেচনা করে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন। জানা গেছে তরুণ এই জনপ্রতিনিধির ব্যতিক্রমধর্মী প্রচারণায় খুশি এলাকার সাধারণ ভোটাররা। বিশেষ করে অনেক নারী ভোটার তাঁর পক্ষে কাজ করছেন বলে জানা গেছে।
সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মোঃ কামরুল হাসান কেনাল মনোনয়ন পাওয়ার পর ইউনিয়নের সৎ, আদর্শবান মানুষেরা খুশি হন।
সকল ভোটার রা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করতে প্রার্থী কোন দলের তা দেখবেন না। রিপোর্টটি সংগ্রহ করতে দিয়ে জনাব, আব্দুল সালামের সাথে কথা বলে জানা যায়, আওয়ামী লীগ , বিএনপি বা জাতীয় পার্টি সকল দলের ভোটাররা কামরুক হাসান কেনাল-কে ই যোগ্য মনে করেন স্থানীয় প্রতিনিধি হিসেবে। কারন তরুন এই নেতাকে সুখে দুঃখে সবসময় আমরা পাশে পাই। মোঃ কামরুল হাসান কেনাল কোন দলের হয়ে মনোনয়ন না নেয়ায় খুশি এলাকার ভোটাররা। সাধারণ ভোটাররা খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, ব্যক্তিগত জীবনে সজ্জন, পরিচ্ছন্ন ও সুশিক্ষিত এই তরুণ ভালো ও উত্তম চরিত্রের অধিকারী। ফলে নির্বাচনী মাঠে তাঁকে নিয়েই আলোচনা সর্বত্র।
ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে মোঃ কামরুল হাসান কেনাল নির্বাচনী প্রচারণায় সব ধর্মের, সব দলের মানুষকে শ্রদ্ধা ও সম্মান করে প্রচারণা চালাচ্ছেন। বিশেষ কোন ধর্মীয় গোষ্ঠীর বিভ্রান্তিকর প্রচারণায় কান না দিয়ে উন্নয়নের প্রশ্নে তিনি টেবিল ফ্যান প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান ভোটারদের। তাছাড়া নির্বাচনী এলাকার প্রয়াত ছোটপীর ও বড় পীরের মাজার জিয়ারত করে তাঁদের আত্মার শান্তি কামনা করে প্রচারণা শুরু করেন। বিভিন্ন এলাকার প্রবীণ ব্যক্তি যাঁরা ইউনিয়ন গঠনে নানাভাবে ভূমিকা রেখেছেন এবং মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে সম্প্রীতি বজায় রাখার অবদান রেখেছেন তাঁদের সঙ্গে দেখা করে দোয়া ও আশীর্বাদ নিয়ে এসেছেন। তাছাড়া এলাকার নারী ভোটারদের কাছেও তিনি নিজেকে স্বচ্ছতার সঙ্গে তোলে ধরে আলোচনায় অবস্থান করছেন। কৃষকের সাথে কথা বলে তাদের খোজখবর নেন ও আধুনিক পদ্ধতিতে চাষে এলাকার কৃষকদের প্রশিক্ষত করার প্রয়াস ব্যক্ত করেন। কৃষকের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁদেরকে সকল ধরনের সরকারি-বেসরকারিভাবে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। তাছাড়া মাঠে তার নির্বাচনী ইশতেহার সাড়া ফেলেছেন। শ্রমিক দিনমজুরের ভাঙা ঘরে গিয়েও তিনি তাদের সঙ্গে কথা বলে দোয়া চাইছেন।
এলাকার যুব ও ছাত্র সমাজ নিয়ে তার পরিকল্পনা সুদূর প্রসারী। ২নং আকুবপুর ইউনিয়নে মোট ১৪ টি গ্রামের যুব ও ছাত্র সমাজকে তথ্য ও প্রযুক্তিতে প্রশিক্ষত করে তাদের নিয়ে আউটসোর্সিং ফোরাম করার ইচ্ছা ব্যক্ত করেন। তাতে করে গ্রামের ছেলেরা ঘরে বসে আয়ের সুযোগ পাবে ও বেকার সমস্যা দূর হবে।
আকুবপুর এলাকার ভোটার মাওলানা মাহবুবুর রহমান বলেন, মোঃ কামরুল হাসান কেনাল এবারের আকুবপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সবচেয়ে যোগ্য, উচ্চশিক্ষিত, আধুনিক এবং স্বচ্চরিত্রবান প্রার্থী। নির্বাচনী মাঠে তার বিনয়ী কথা-বার্তা ভোটারদের মধ্যে সাড়া ফেলেছেন। একজন যোগ্য ও সৎ প্রার্থী হিসেবে সাধারণ ভোটাররা তাঁর প্রতি বিশেষ আকৃষ্ট হয়েছেন বলে তিনি জানান।
মোঃ কামরুল হাসান কেনাল বলেন, আমি পারিবারিকভাবেই মানুষকে সম্মান করে কথা বলার শিক্ষা পেয়েছি। ইউনিয়নের সকল নাগরিক আমার কাছে সম্মানীয়। সকল বিপদে-আপদে আমি তাদের পাশে আন্তরিকভাবে থাকার চেষ্টা করব।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Muradnagar
Cumilla
