গান্দ্রা পোষ্ট-ই-সেন্টার
পোস্ট-ই-সেন্টার তথ্য সেবা কেন্দ্র
04/06/2021
স্ত্রীর পরকীয়ায় জীবন গেছে ব্যবসায়ীর
পাবনার ঈশ্বরদীতে কাপড় ব্যবসায়ী শাকিল হত্যার সাথে জড়িত নিহত শাকিলের স্ত্রী মিম খাতুন ও ছোট ভাই সাব্বির হোসেনকে আটক করেছে পুলিশ। একইসাথে হত্যার মূলরহস্য উদঘাটন করার দাবি করা হয়েছে পুলিশের পক্ষ থেকে। পুলিশ জানিয়েছে, শাকিল হত্যার নেপথ্যে স্ত্রী ও ভাইয়ের পরকীয়া প্রেম।
বুধবার দুপুরে পাবনার ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) ফিরোজ কবির প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, শাকিল হত্যার সাথে তার স্ত্রী ও ছোট ভাই জড়িত থাকার বিষয়টি পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে। পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যার ঘটনা বর্ণনা দিতে গিয়ে এই পুলিশ কর্মকর্তা জানান, ২৮ মে রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঈশ্বরদী থানা পুলিশের কাছে সংবাদ আসে যে রূপনগর কলেজপাড়া মহল্লায় আহসান হাবীবের বাড়ির দ্বিতীয় তলার ভাড়াটিয়া শাকিল আহমেদ (৩৫) নিহত হয়েছেন। নিহত শাকিল একই উপজেলার দুবলাচারার (পতিরাজপুর) মো: ইব্রাহিম হোসেনের ছেলে।
তিনি বলেন, শাকিলকে হত্যার রহস্য উদঘাটনে পাবনা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মহিবুল ইসলাম খানের নির্দেশনায় পুলিশ কাজ শুরু করে। বিভিন্ন তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই রহস্য উদঘাটনসহ হত্যায় জড়িত দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।
তদন্তকালে জানা যায়, নিহত শাকিলের স্ত্রী মিমের সাথে শাকিলের ছোট ভাই সাব্বিরের পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। এ ছাড়া শাকিলের সাথে পরিবারের জমিজমা ও পুকুরে মাছ চাষের ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধ ছিল। শাকিল একই বাড়িতে অবস্থান করে আলাদাভাবে সংসার করতেন। এরপর শাকিল তার স্ত্রী মিম ও ভাই সাব্বিরের পরকীয়ার বিষয়টি আঁচ করতে পেরে স্ত্রীকে সাব্বিরের সাথে কথা বলতে নিষেধ করেন। কিন্তু সাব্বির গোপনে একটি মোবাইল ফোন মিমকে দেন, যা মিম লুকিয়ে শুধু সাব্বিরের সাথে কথা বলতেন। শুধু তাই নয়, প্রায় সময়ে তারা বাড়ি ফাঁকা পেলে ঘনিষ্টভাবে মিশতেন।
সাম্প্রতিক সময়ে আরো কিছু বিবাদকে কেন্দ্র করে শাকিল গত ১৯ মে স্ত্রীকে নিয়ে ঈশ্বরদীর রূপনগর কলেজপাড়া মহল্লায় আহসান হাবীবের বাড়ির ভাড়াটিয়া হিসেবে উঠেন। এতে মিম ও সাব্বির একে অপরের থেকে কিছুটা দূরে চলে যাওয়ায় তারা উভয়ই শাকিলের প্রতি ক্ষিপ্ত হন ও তাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন বলে পুলিশের দাবি।
প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ কর্মকর্তা ফিরোজ কবির বলেন, পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী শাকিলের স্ত্রী মিম ২৭ মে রাত ১০টার দিকে পানির সাথে তিনটি ঘুমের ট্যাবলেট গুড়া করে মিশিয়ে শাকিলকে খাওয়ান। পরের দিন ২৮ মে শাকিল সারাদিন ঘরে ঘুমাতে থাকেন। সাব্বির ওই দিন সন্ধ্যার পর শাকিলের ভাড়া বাসায় গোপনে যান। তখনো শাকিল ঘুমের ওষুধের প্রভাবে খাটের ওপর ঘুমাচ্ছিলেন। তখন সাব্বির ও মিম পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী শোফাসেটের কুশন বালিশ নিয়ে শাকিলের শয়নকক্ষে গিয়ে তাকে ঘুমন্ত অবস্থায় নাকে ও মুখে বালিশচাপা দিয়া শ্বাসরোধে হত্যা করেন।
পুলিশ জানায়, শাকিলকে হত্যার পর বিষয়টি ভিন্নখাতে প্রভাবিত করতে আসামিরা লাশের তার হাত-পা বেঁধে বাইরে দরজার কাছে রেখে ঘরের দরজাটি বাইরের দিক থেকে লাগিয়ে দিয়ে তারা চলে যান।
পুলিশ জানায়, তাদেরকে গ্রেফতারের পর আদালতে মিম স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এই হত্যায় আরো কোনো আসামি জড়িত আছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য আসামি সাব্বিরকে চার দিনের পুলিশ রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
17/05/2021
আসুন জরুরি ভিত্তিতে মুসলিম নিধনকারী অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইলকে সাহায্যকারী দেশের পন্য ও ইসরাইলি পন্য বর্জন করি
09/05/2021
08/05/2021
পারিবারিক ক্ষোভ থেকেই তানিশাকে নির্মমভাবে হত্যা করে জেঠাতো ভাই নিশান-সংবাদ সম্মলনে পুলিশ সুপার
নিজস্ব প্রতিবেদক।
ফেনীর কালিদহে মাদ্রাসা ছাত্রী তানিশা ইসলামকে হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা করে নির্মমভাবে গলা কেটে হত্যার দায় স্বীকার করেছে হত্যাকারী জেঠাতো ভাই নিশান।শনিবার দুপুরে জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেন পুলিশ সুপার খোন্দকার নুরুন্নবী।
এসময় তিনি জানান, ব্যক্তিগত জীবনে আক্তার হোসেন নিশানের বাবা জীবিত না থাকায় তানিশার পরিবার তাদের কথায় কথায় তুচ্ছতাচ্ছিল্য করতো।এর আক্রোশের জেরে রাগে ক্ষোভে সে তানিশাকে হত্যা করে।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে তানিশাকে বাসায় একা রেখে মা ও বোন পাশের বাড়িতে যান।সে সুযোগে পরিকল্পিত ভাবে নিশান ঘরে ঢুকে এবং তানিশাকে হত্যার উদ্যেশ্যে তাদের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়।একপর্যায় তানিশাকে গলাটিপে হত্যার চেষ্টা করে।পরে তানিশা অজ্ঞান হয়ে পড়লে তাকে টেনে হেছড়ে বাড়ীর দোতলায় নিয়ে সিলিং এর সাথে শক্ত দড়ি দিয়ে বেঁধে আত্মহত্যা করেছে বলে দড়িতে বাধাঁর চেষ্টা করে। কিন্তু এতেও ব্যর্থ হয় নিশান।এসময় পাশে থাকা একটি আম কাটার ধারালো ছুরি দিয়ে গলায় আঘাত করে হত্যা নিশ্চিত করা হয়। এর ঘন্টা দেড়েক পর ঘরে তানিশাকে না পেয়ে তার মা ছাদের দিকে খুঁজতে গেলে তানিশার গলা কাটা মরদেহ দেখতে পান।
একপর্যায় খবর পেয়ে পুলিশের বিভিন্ন সংস্থা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে।এসময় ঘরের ছাদ থেকে পাওয়া একজোড়া স্যান্ডেলের সূত্র ধরে তানিশার জেঠাতো ভাই অষ্টম শ্রেণির ছাত্র নিশানকে আটক করা হয়। তাকে জিজ্ঞাসায় হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ছুরিটি বাড়ির ছাদ থেকে উদ্ধার করে পুলিশ।
পরে নিহত তানিশার ভাই আশ্রাফুল ইসলাম হাসনাত বাদী হয়ে জেঠাতো ভাই নিশানকে আসামী করে শুক্রবার সকালে ফেনী মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।ওইদিন দুপুরে নিশানকে আদালতে হাজির করলে সে আদালতে হত্যার কথা স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দেয়। আদালতের নির্দেশনায় নিশানকে ঢাকায় কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
উল্লেখ্য:গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১ টায় ফেনী সদর উপজেলার কালিদহ ইউনিয়নের আলী ভুঞা বাড়ির সৌদি প্রবাসী শহিদুল ইসলামের ছোট মেয়ে তানিশা ইসলাম তিশার গলা কাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।এরপরই সামাজিক মাধ্যমসহ সব স্থানে ঘটনার দৃষ্টান্ত বিচার চরয়ে ফুসে উঠে সাধারণ মানুষ।
07/05/2021
রাজপূত্র মোহাম্মদ বিন সালমান তার নিজস্ব ফাউন্ডেশন থেকে ১০০ মিলিয়ন রিয়াল বিভিন্ন দাতব্য সংস্থা ও ঋণের পরিশোধ করতে না পারা কয়েদিদের মাঝে বিতরণ করা নির্দেশনা দিয়েছেন !!
১০০ মিলিয়ন রিয়েলের মধ্যে ২৯ টি দাতব্যসংস্থাকে ৮৭ মিলিয়ন রিয়াল ; বাকি ১৩ মিলিয়ন রিয়াল দেওয়া হবে, যারা ঋন নিয়ে পরিশোধ করতে না পেরে ঋনের মামলা কাঁধে নিয়ে জেলখানায় রয়েছে এমনকি তাদের কে মুক্তি করে দেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন ! মানে তাদেরকে জেলে থেকে মুক্তি করে দিয়ে তাদের ঋণ শাহাজাদা পরিশোধ করে দিবে
বিষয়টা আমার খুব ভালোলেগেছে ; ব্যবসা বানিজ্যর জন্য অনেকে ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে থাকেন । বাট, অনেকে ব্যবসায় লসে পরে যথাসময় ঋণ শোধ করতে পারে না, তখন তাদের বিরুদ্ধে ব্যাংক মামলা করে ; পরবর্তী তারা ঋণের বোঝা কাঁধে নিয়ে জেলখানায় দিন কাটাতে হয় তাদের পরিবার পরিজনদের ছেড়ে.. এরকম ১৫০ জন কয়েদিদের মুক্ত করে মোহাম্মদ বিন সালমান তাদের ঋণ পরিশোধ করে তাদেরকে ঈদের খুশি ভাগাভাগি করার জন্য তাদের পরিবার পরিজনদের কাছে ফিরিয়ে দিবেন ! উক্ত ব্যাংকও তাদের ঋণ দেওয়া টাকা ফেরত পাবে আর ঋণখেলাপীরাও ঋণমুক্ত হয়ে পরিবারের কাছে ফেরত যাবে #মাশাআল্লাহ
06/05/2021
আলহামদুলিল্লাহ, আমরা কোনও ঝামেলা ছাড়াই নিরাপদে বাংলাদেশে ফিরে এসেছি। রাজস্থান রয়্যালস এবং কলকাতা নাইট রাইডার্স ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলিকে এটি করার জন্য ধন্যবাদ জানাতে চাই। আমি আমাদের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের এই অবদানের জন্য ধন্যবাদ জানাতে চাই।
Alhamdulillah, we have safely back in Bangladesh without any trouble. I would like to thank Rajasthan Royals and Kolkata Knight Riders franchises for making it happen. I would also like to thank our health ministry for it's contribution.
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the business
Telephone
Address
Cumilla
3519
