23/03/2020
Comilla Town Hall - কুমিল্লা টাউন হল
কুমিল্লা টাউন হল
জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে একটি পরিচালনা পরিষদ টাউন হল পরিচালনা করে। বর্তমানে এর সাধারণ সদস্য সংখ্যা এক হাজার। টাউন হলে দুটি বিভাগ রয়েছে। একটি গণপাঠাগার, অন্যটি নগর মিলনায়তন। এর মধ্যে পাঠাগারের নিয়মিত সদস্য সংখ্যা ৬০০। আজীবন সদস্য ১৪ জন। পাঠাগারে এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটেনিকাসহ বিভিন্ন ভাষায় রচিত প্রায় ২৪ হাজার বই রয়েছে। এ টাউন হলটি কুমিল্লা শহরের কান্দিরপাড়ে মহারাজ বীরন্দ্রচন্দ্রের স্মৃতিকে ধরে রেখেছে।
23/03/2020
পেইজটি লাইক দিয়ে রাখুন। সাথে থাকুন। facebook.com/DeshPriyo.Bangla
DeshPriyo - দেশপ্রিয় A Platform of Bangladeshi Traditional and Heritage Product
৩০ মার্চ কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
আগামী ৩০ মার্চ কুমিল্লা সিটি করপোরেশন (কুসিক) নির্বাচন হবে।
সোমবার দুপুরে নির্বাচন কমিশন (ইসি) এ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে।
তফসিল অনুযায়ী ২ মার্চের মধ্যে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দিতে হবে।
১৫ ফেব্রুয়ারি কে এম নুরুল হুদার নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব গ্রহণের পর এই প্রথম কোনও নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হলো।
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে ৬ মার্চ মনোনয়নপত্র যাচাইবাছাই করা হবে। নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সসয় ১৩ মার্চ।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে ২০১৬ সালের ২০ ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের কথা ছিল। কিন্তু সীমানা জটিলতার কারণে উচ্চ আদালতের আদেশে ওই সময় ভোট নেওয়া যায়নি। পরে এই জটিলতার অবসান হলেও বিদায়ী ইসি সময় স্বল্পতায় তফসিল ঘোষণা করেনি। ৬ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লার জেলা প্রশাসক জাহাঙ্গীর আলমকে সরকার প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে।
আজ কুমিল্লায় আসছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার
আজ শুক্রবার ২০ জানুয়ারি ২০১৭ কুমিল্লায় আসছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার । বেলা সাড়ে তিনটায় নগরীর ছোটরা এলাকায় নবনির্মিত কুমিল্লা আঞ্চলিক নির্বাচন অফিস উদ্বোধন করবেন তিনি। নির্মাণের আড়াই বছর পর কুমিল্লা আঞ্চলিক নির্বাচন অফিসটি উদ্বোধন করা হবে।
কুমিল্লা গণপূর্ত বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী হাসিনুর রহমান ও উপ-সহকারী প্রকৌশলী হারুনুর রশীদ জানান, কুমিল্লা আঞ্চলিক নির্বাচন অফিসটি মহানগরীর ছোটরা এলাকায় প্রায় ৩৩ শতক জমির উপর নির্মিত। পাঁচতলা ভিত্তি সম্পন্ন চারতলা ভবনটির নির্মাণ কাজ করেন যৌথ ঠিকাদারী ভবন নির্মাণ প্রতিষ্ঠান এমবিবিএন্ড এমবিএআই। গণপূর্ত বিভাগের তত্ত্বাবধানে ৫ কোটি ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে চারতলা ভবনটির কাজ শুরু হয় গত ২০১৩ সালের জানুয়ারি মাসে। ভবন নির্মাণের কাজ শেষ হয় ২০১৪ সালের জুলাই মাসে।
উদ্বোধনের আগে পাঁচতলা ভিত্তি বিশিষ্ট চারতলা ভবনটির নান্দনিক ডিজাইন আর উন্নত গঠনশৈলীর কারণে কর্মকর্তাদের কাছে বেশ আর্কষণীয় পাশাপাশি জেলাবাসীরও নজর কেড়েছে। ভবনটির সামনে গাড়ি পার্কিংয়ের যথেষ্ট পরিমাণ জায়গা রাখাসহ বাগান করার জন্য পর্যাপ্ত জমি রাখা হয়েছে।
শান্ত নিরিবিলি পরিবেশে ছোটরা এলাকায় নির্মিত ভবনটি নিয়ে যৌথ ঠিকাদারী ভবন নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান এমবিবিএন্ড এমবিএআইয়ের ঠিকাদার মির্জা মো: কোরাইশী বলেন, আমাদের যৌথ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান থেকে বেশ কিছু সরকারি-বেসরকারি ভবন নির্মাণ করেছি। আমরা সব সময় নির্মাণ সামগ্রীর গুণগত মান ঠিক রেখে ভবন নির্মাণ করে থাকি। মানের ব্যাপারে আমরা আপোষহীন। এছাড়াও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে আমাদের কাজ বুঝিয়ে দেই। ঠিকাদার মির্জা মো: কোরাইশী আরো বলেন, আঞ্চলিক নির্বাচন অফিস,কুমিল্লার ভবনটি আমাদের যৌথ ঠিকাদারী ব্যবসার একটি অন্যতম সফলতার অংশ।
এদিকে ভবন উদ্বোধন নিয়ে কুমিল্লা জেলা নির্বাচন কর্মকতা মো:রাশেদুল ইসলাম জানান, শুক্রবার বেলা সাড়ে ৩ টায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিব উদ্দিন, সচিব আবদুল্লাহসহ আরো বেশ কয়েকজন অতিথি উপস্থিত থাকবেন। আঞ্চলিক নির্বাচন অফিস, কুমিল্লার ভবনটি উদ্বোধন উপলক্ষে ইতিমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন করা হয়েছে।
এক নজরে কুমিল্লা
শিক্ষা--সাহিত্য-শিল্প সংস্কৃতির পাদপীঠ কুমিল্লা প্রাচীন ঐতিহ্য সমৃদ্ধ জেলা হিসেবে এ উপমহাদেশে সুপরিচিত। কুমিল্লার খাদি , তাঁত, কুটির, মৃৎ ও কারু শিল্প, রসমালাই, মিষ্টি, ময়নামতির শীতল পাটি ইত্যাদি স্ব-স্ব ঐতিহ্যে স্বকীয়তা আজও বজায় রেখেছে। কালের বিবর্তনের ধারায় এসেছে অনেক কিছু, অনেক কিছু গেছে হারিয়ে,তবে হারায়নি এখানকার মানুষের আন্তরিকতাপূর্ণ আতিথেয়তা ও সামাজিক সম্প্রীতি।
অবস্থানঃ ২৩০-১" হতে ২৪০-১১" উত্তর অক্ষাংশ ও ৯০০-৩৪" হতে ৯১০-২২" পূর্ব দ্রাঘিমাংশ।
সীমানাঃ- উত্তরে ব্রাক্ষণবাড়ীয়া জেলা, দক্ষিণে ফেনী ও নোয়াখালী জেলা, পূর্বে ভারতের ত্রিপুরা, পশ্চিমে চাঁদপুর, নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সীগঞ্জ জেলা।
আয়তনঃ ৩০৮৭.৩৩ বর্গ কিলোমিটার।
আন্তর্জাতিক সীমান্ত দৈর্ঘ্যঃ ১০৬ কিলোমিটার।
প্রশাসনিক কাঠামোঃ
উপজেলা: ১৬ টি (আদর্শ সদর, সদর দক্ষিণ, চৌদ্দগ্রাম, লাকসাম, বরুড়া, নাঙ্গলকোট, মনোহরগঞ্জ, চান্দিনা, তিতাস, দাউদকান্দি, হোমনা, মেঘনা, মুরাদনগর, দেবিদ্বার, বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়া)
থানা : ১৬ টি
সিটি কর্পোরেশন : ০১ টি
পৌরসভা : ০৮ টি
ইউনিয়ন : ১৭৮ টি
গ্রাম : ৩,৬৮৭ টি
জোত : ৫,৩৪,৩০৭ টি
মৌজা : ২,৬০৩ টি
ইউনিয়ন ভূমি অফিস : ১৭২ টি
হাট-বাজার : ৫৫৫ টি
জনসংখ্যা(২০০১ সালের আদমশুমারী অনুয়ায়ী):
মোট জনসংখ্যা : ৪৫,৯১,৩৪০ জন
পুরুষ : ২৩,১০,৯৪০ জন
মহিলা : ২২,৮০,৪০০ জন
জনসংখ্যার ঘনত্ব ( প্রতি বর্গ কি:মিঃ ) : ১৪৮৭ জন (প্রায়)
জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার : ১.৮% (প্রায়)
শিক্ষা সংক্রান্ত তথ্যঃ
বিশ্ববিদ্যালয় : ০১ টি
মাধ্যমিক বিদ্যালয় : ৫১৮ টি
উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় : ৯০ টি
মাদ্রাসা : ৩৫৯ টি
সরকারি মেডিক্যাল কলেজ : ০১ টি
ক্যাডেট কলেজ : ০১টি
মেডিক্যাল কলেজ (বেসরকারি) : ০২ টি
প্রাথমিক বিদ্যালয়ঃ
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় : ১৩৩৩ টি
রেজিস্টার্ড বিদ্যালয় : ৪৪৯ টি
আনরেজিস্টার্ড বিদ্যালয় : ১০ টি
কমিউনিটি বিদ্যালয়: ২০২ টি
কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয় : ২২৬ টি
অন্যান্য প্রাথমিক বিদ্যালয়ঃ
কেজি : ৩৩৭ টি
উচ্চ মাধ্যমিক সংযুক্ত : ১৬ টি
পি টি আই সংযুক্ত : ০১ টি
এন.জি.ও পরিচালিত : ৫৪৩ টি
সংযুক্ত ইবতেদায়ী : ১৭১ টি
স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী : ৭১ টি
আনন্দ স্কুল : ৪৭৬ (চান্দিনা + নাঙ্গলকোট-৩২৯)
শিক্ষার হার: ৬০.৩% (২০০১ সালের শিক্ষা জরীপ অনুযায়ী)
স্বাস্থ্য সংক্রান্ত তথ্যঃ
হাসপাতাল:
৫০০ শয্যা বিশিষ্ট আধুনিক হাসপাতাল : ০১ টি
১০০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালঃ ০১ টি
পুলিশ হাসপাতাল : ০১ টি
জেল হাসপাতাল : ০১ টি
সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল : ০১ টি
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কমপ্লেক্সঃ ১১ টি
পল্লী স্বাস্থ্য কেন্দ্র : ০১ টি
টি,বি, ক্লিনিক : ০১ টি
স্কুল হেলথ ক্লিনিক : ০১ টি
উপ -স্বাস্থ্য কেন্দ্র : ৪৮ টি
ডায়াবেটিক সেন্টার : ০১ টি
ইউনিয়ন পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র : ১২৩টি
জম্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহারকারীর হার : ৬৭.১৫%
যাতায়াত ব্যবস্থাঃ
মহাসড়কঃ-১৩২.০০ কি:মি:
সড়কও জনপথ বিভাগঃ-
পাকা : ৬৪১.০০ কি:মি:
আধাপাকা : ১৩৬.০০ কি:মি:
কাঁচা : ৩১০.০০ কি:মি:
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগঃ
পাকা : ৭৬৫.০০ কি:মি:
কাঁচা : ২৪৪৮.০০ কি:মি:
জেলা পরিষদ সড়কঃ
পাকা : ২০২৩.০৮ কি:মি:
কাঁচা : ৪৫২.৩১ কি:মি:
কুমিল্লা পৌরসভা সড়কঃ
পাকা : ১১০.০০ কি:মি:
কাঁচা : ৫.০০ কি:মি:
লাকসাম পৌরসভা সড়কঃ
পাকা : ৩২.০০ কি:মি:
কাঁচা : ৯২.০০ কি:মি:
রেলপথ: ২১২.০০ কি:মি:
ফেরীঘাটঃ ৩৪ টি
নদীবন্দরঃ ০১ টি
যাত্রী ছাউনিঃ- ১৪ টি
প্রধান নদী: মেঘনা, গোমতী, তিতাস, ডাকাতিয়া, কাঁকড়ী।
ভূমি সংক্রান্ত তথ্যঃ
মোট ভূমি : ৭,৬০,১৭৫ একর
চাষাবাদযোগ্য ভূমি : ৫,৯৩,৩৮০ একর
চাষের অযোগ্য : ১,৫৩,৯৩৩ একর
এক ফসলী : ১,৩১,০৬২ একর
দোফসলী : ৩,৫৫,০৩৭ একর
তিন ফসলী : ১,০৬,৯৯৪ একর
সেচের আওতায় : ৩,১৯,৯৪৭ একর
মোট বনভূমি: ২,১৮১ একর
শিল্প সংক্রান্ত তথ্যঃ
বৃহৎ শিল্প :
বস্ত্রকল : ০৭ টি
পাটকল : ০৪ টি
ইঞ্জিনিয়ারিং ও স্টীল : ৪৯৯টি
পানীয় : ০১ টি
হিমাগার : ২৮ টি
গার্মেন্টস : ০১ টি
সিনেমা হল : ১৯ টি
ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পঃ
মোট ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পঃ ১২৫৭০ টি
ক্ষুদ্র শিল্প : ২১৬৯ টি
কুটির শিল্প : ১০৪০১ টি
শিল্প নগরী : ০২ (দুই) টি
বিসিক শিল্প নগরী, কুমিল্লা
বিসিক শিল্প নগরী, চৌদ্দগ্রাম
কুমিল্লা রপ্তানী প্রক্রিয়াকরণ এলাকাঃ কুমিল্লা ই পি জেড এ ৬০টি শিল্প ইউনিট সহ ২০৮টি প্লট তৈরীর পরিকল্পনা আছে যেখানে ৪০,৫০০ জন শ্রমিকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশা করা যায়।
প্রাকৃতিক সম্পদ:
কুমিল্লায় রয়েছে বাখরাবাদ গ্যাস সিস্টেমস লিঃ এর মূল স্থাপনা এবং গ্যাস ফিল্ড
বর্তমান গ্যাস কূপ: ০৮ টি
প্রথম উৎপাদন : ১৯৮৪ সাল
আনুমানিক গ্যাস মজুদ : প্রতিদিন ৩০/৩৫ মিলিয়ন কিউবিক ফিট উত্তোলনযোগ্য।
ঐতিহাসিক দর্শনীয় স্থানঃ
কুমিল্লায় ঐতিহাসিক দর্শনীয় স্থানের মধ্যে রয়েছে পল্লী উন্নয়ন একাডেমি, শালবন বিহার, আনন্দ বিহার, ময়নামতি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ও যাদুঘর, ময়নামতি যুদ্ধ সমাধি ক্ষেত্র (ওয়ার সিমেট্রি), বোটানিক্যাল গার্ডেন, চিড়িয়াখানা, কুমিল্লা পৌর উদ্যান, শাহ সুজা মসজিদ, ধর্মসাগর দীঘি, বলেশ্বর দীঘি, রূপবানমুড়া, চন্ডিমুড়া, লালমাই বৌদ্ধ বিহার, লালমাই পাহাড়, ময়নামতি পাহাড় প্রভৃতি।
অন্যান্য
সেনানিবাস: ০১ টি (ময়নামতি, কুমিল্লা)।
বিডিআর সেক্টর হেড কোয়ার্টারঃ ০১ টি (কোটবাড়ী, কুমিল্লা)।
কেন্দ্রীয় কারাগার : ০১ টি
নগর মিলনায়তন : ০১ টি
আধুনিক মিলনায়তন : ০১ টি
District Election Office, Comilla - জেলা নির্বাচন অফিস, কুমিল্লা
facebook.com/316596692056339
District Election Office, Comilla - জেলা নির্বাচন অফিস, কুমিল্লা
আঞ্চলিক সার্ভার স্টেশন, কুমিল্লা
৬৪ জেলার নাম ও প্রতিষ্ঠা সাল
আমাদের কুমিল্লা জেলার মর্যাদা পায় ১৭৯০ সালে। সে হিসাবে ২২৫ বছরের পুরাতন শহর। ১৮৯০ থেকে পৌরসভা হিসেবে নাগরিক সুবিধা দিয়ে আসছে।
✬ চট্টগ্রাম ——- ১৬৬৬ সাল
✬ ঢাকা ——- ১৭৭২ সাল
✬ রাজশাহী ——- ১৭৭২ সাল
✬ ময়মনসিংহ ——- ১৭৮৭ সাল
✬ কুমিল্লা ——- ১৭৯০ সাল
✬ বরিশাল ——- ১৭৯৭ সাল
✬ সিলেট ——- ১৭৭৫ সাল
✬ দিনাজপুর ——- ১৭৮৬ সাল
✬ রাঙামাটি ——- ১৮৬০ সাল
✬ ফরিদপুর ——- ১৮১৫ সাল
✬ বগুড়া ——- ১৮২১ সাল
✬ পাবনা ——- ১৮৩২ সাল
✬ রংপুর ——- ১৮৭৭ সাল
✬ যশোর ——- ১৭৮১ সাল
✬ কুষ্টিয়া ——- ১৮৬৩ সাল
✬ টাঙ্গাইল ——- ১৯৬৯ সাল
✬ নোয়াখালী ——- ১৮২১ সাল
✬ মুন্সীগঞ্জ ——- ১৯৮৪ সাল
✬ নরসিংদী ——- ১৯৮৪ সাল
✬ নারায়ণগঞ্জ ——- ১৯৮৪ সাল
✬ মানিকগঞ্জ ——- ১৯৮৪ সাল
✬ গাজীপুর ——- ১৯৮৪ সাল
✬ কিশোরগঞ্জ ——- ১৯৮৪ সাল
✬ জামালপুর ——- ১৯৮৪ সাল
✬ শেরপুর ——- ১৯৮৪ সাল
✬ নেত্রকোণা ——- ১৯৮৪ সাল
✬ গোপালগঞ্জ ——- ১৯৮৪ সাল
✬ শরীয়তপুর ——- ১৯৮৪ সাল
✬ মাদারীপুর ——- ১৯৮৪ সাল
✬ রাজবাড়ি ——- ১৯৮৪ সাল
✬ কক্সবাজার ——- ১৯৮৪ সাল
✬ বান্দবান ——- ১৯৮১ সাল
✬ খাগড়াছড়ি ——- ১৯৮৪ সাল
✬ ফেনী ——- ১৯৮৪ সাল
✬ ব্রাহ্মণবাড়িয়া ——- ১৯৮৪ সাল
✬ চাঁদপুর ——- ১৯৮৪ সাল
✬ নাটোর ——- ১৯৮৪ সাল
✬ নওগাঁ ——- ১৯৮৪ সাল
✬ চাঁপাইনবাবগঞ্জ ——- ১৯৮২ সাল
✬ সিরাজগঞ্জ ——- ১৯৮৪ সাল
✬ জয়পুরহাট ——- ১৯৮৪ সাল
✬ লালমনিরহাট ——- ১৯৮৪ সাল
✬ কুড়িগ্রাম ——- ১৯৮৪ সাল
✬ নীলফামারী ——- ১৯৮৪ সাল
✬ গাইবান্ধা ——- ১৯৮৪ সালে
✬ পঞ্চগড় ——- ১৯৮৪ সাল
✬ খুলনা ——- ১৯৮৩ সাল
✬ ঠাকুরগাঁও ——- ১৯৮৪ সাল
✬ সাতক্ষীরা ——- ১৯৮৪ সাল
✬ বাগেরহাট ——- ১৯৮৪ সাল
✬ ঝিনাইদহ ——- ১৯৮৪ সাল
✬ নড়াইল ——- ১৯৮৪ সাল
✬ মাগুরা ——- ১৯৮৪ সাল
✬ চূয়াডাঙ্গা ——- ১৯৮৪ সাল
✬ মেহেরপুর ——- ১৯৮৪ সাল
✬ ঝালকাঠি ——- ১৯৮৪ সাল
✬ পিরোজপুর ——- ১৯৮৪ সাল
✬ পটুয়াখালী ——- ১৯৬৯ সাল
✬ বরগুনা ——- ১৯৮৪ সাল
✬ ভোলা ——- ১৯৮০ সাল
✬ হবিগঞ্জ ——- ১৯৮৪ সাল
✬ মৌলভীবাজার ——- ১৯৮৪ সাল
✬ সুনামগঞ্জ ——- ১৯৮৪ সাল
✬ লক্ষ্মীপুর ——- ১৯৮৪ সাল
✬ চাঁদপুর ——- ১৯৮৪ সাল
কুমিল্লা জেলার পর্যটন অঞ্চল/দর্শনীয় স্থান সমূহের মধ্যে একটি বীরচন্দ্র গণপাঠাগার ও নগর মিলনায়তন। যার নামকরণ করা হয়েছে সে সময়ের মহারাজ বীরচন্দ্র মাণিক্যরাজ-এর নামে। কেননা তাঁরই অনুদানে তখন তাঁর দেয়া জমির ‘পরে তৈরী হয় কুমিল্লা বীরচন্দ্র নগর মিলনায়তন ও গণপাঠাগার।
১৮৮৫ সালে তৎকালীন জেলা প্রশাসক এফ এইচ স্ক্রাইন ত্রিপুরা জেলার চাকলা রোশনাবাদের জমিদার নরেশ মহারাজ ‘বীরচন্দ্র মানিক্য বাহাদুর ‘- এর কাছে পাঠাগার তৈরীর নিমিত্ত জমি প্রদানের অনুরোধ জানান। মহারাজ কুমিল্লা শহরের প্রাণকেন্দ্র কান্দিরপাড়ে ১০ বিঘা জমির উপর একটি ভবন নিজস্ব অর্থায়নে করে দেন। ১৮৮৫ হালড় ৬ মে প্রতিষ্ঠিত ওই ভবনই কুমিল্লার গনপাঠাগার ও নগর মিলনায়তন, যা কুমিল্লা টাউন হল নামে পরিচিত।
পাঠাগারে এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা, রাজমালা থেকে শুরু করে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের কবি, সাহিত্যিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় মনীষীদের রচনাসমগ্র রয়েছে। এখানে বাংলা ভাষার ২৪ হাজার বই ও ইংরেজি ভাষার ছয় হাজার বই রয়েছে। ৩০ হাজার বই দিয়ে ৬৩টি আলমারি সজ্জিত। সদস্যরা একসঙ্গে এক সপ্তাহের জন্য তিনটি বই নিতে পারেন। তা ছাড়া সংরক্ষিত গ্রন্থগুলো পাঠাগারে বসে পাঠ করা যায়। টাউন হল ভবনের দ্বিতীয় তলায় যে কেউ গেলে সেখানে অধ্যয়ন করতে পারবেন। টাউন হলের নিচতলায় সর্বসাধারনের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে ৪৪টি জাতীয় আঞ্চলিক, স্থানীয় দৈনিক পত্রিকা ও সাময়িকী। যে কেউ চাইলে পুরোনো পত্রিকার কপি দেখতে পারেন।
এ টাউন হলে পদধূলি দিয়েছেন মহাত্মা গান্ধী, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম, দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস, মওলানা ভাসানী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আরো অনেক মনীষি ।
কুমিল্লা ক্লাব
স্থাপিতঃ ১৯১৭
কান্দিরপাড়, কুমিল্লা-৩৫০০, বাংলাদেশ,
পিএবিএক্সঃ ০৮১-৬৫৪৫২, ফোনঃ ৬৪৫৬৬, ফ্যাক্সঃ ০৮১-৬৪৫৬৬
ই-মেইলঃ [email protected],ওয়েবসাইটঃ comillaclub.com
ক্লাবের নাম
কুমিল্লা ক্লাব, কুমিল্লা
স্থাপিত
১৯১৭
ঠিকানা
কান্দিরপাড়, কুমিল্লা
পোস্ট কোড-৩৫০০ কুমিল্লা,
বাংলাদেশ।
টেলিফোন নং
পিএবিএক্সঃ ০৮৮-০৮১-৬৫৪৫২
ফ্যাক্স নং
০৮১-৬৪৫৬৬
ই-মেইল
[email protected]
ওয়েবসাইট
comillaclub.com
সদস্য
৫৬৮
অবস্থান
প্রধান শহর
মোট ক্লাবের আয়তন
১৮০০ বর্গফুট
মোট কর্মকর্তা-কর্মচারী
৬০
বিমানবন্দর থেকে দুরত্ব
৪ কিঃ মিঃ
রেলস্টেশন থেকে দুরত্ব
০২ কিঃ মিঃ
ব্যবসা কেন্দ্র থেকে দুরত্ব
সিটি সেন্টার
খোলার সময়
বিকাল ২টা থেকে রাত ১২ টা পর্যন্ত
বন্ধের দিন
নেই
মহা ব্যবস্থাপক
মোঃ ইয়াসিন মিয়া
সম্মানী সচিব
জনাব মোঃ আরফানুল হক রিফাত
সভাপতি
ডেপুটি কমিশনার, কুমিল্লা
ক্লাব সদস্যদের চার্জ
বছরে ৬০ দিন এবং মাসে ৫ দিন
BAR সেবা
একটি
কার্ড রুম
দুটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত
ফুড সার্ভিস
রেস্টুরেন্টস (শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত)
চাইনিজ ও কন্টিনেন্টাল
আবাসিক কক্ষ
ক. কক্ষ
খেলা-ধূলা
ক. টেনিস কোর্ট
খ. বিলিয়ার্ডস
গ. পোল বোর্ড
ঘ. ব্যাডমিনটন
ঙ. টেবিল টেনিস
একটি
তিনটি
একটি
একটি
একটি
পোশাক
অন্য সুযোগ সুবিধা
ক.পাঠাগার
সংযুক্ত পাবলিক লাইব্রেরী
সুসজ্জিত ব্যায়ামাগার
একটি
সুইমিংপুল
একটি
সেলুন
একটি
লন্ড্রি সার্ভিস
আছে
উপজেলার ঐতিহ্য
খাদ্য
রসমলাই
কুমিল্লার রসমলাই সারাদেশে এক নামে পরিচিত। দুধ, ছানা ও চিনি সমন্বয়ে তৈরি এ মিস্টান্ন। যার প্রচলন কুমিল্লাতেই শুরু হয়। প্রতি কেজি রসমলাই স্থানভেদে ১৭০ থেকে ২০০ টাকা বিক্রি হয়ে থাকে। এছাড়াও অন্যান্য দুগ্ধজাত দ্রব্যাদি প্রস্ত্ততের জন্য কুমিল্লা বিখ্যাত।
সব্জি
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার আমড়াতলি ও পাঁচথুবী ইউনিয়ন সব্জি চাষের জন্য সারাদেশে প্রসিদ্ধ। এখানে বেগুন, টমাটো, সীমসহ শীতকালীন বিভিন্ন সব্জি জন্মে থাকে।
মাছ
কুমিল্লার সদর উপজেলার গোমতী নদীর মাছ সারাদেশে প্রসিদ্ধ। বিশেষত: বাইন, মাগুর, বোয়াল, পাবদা, বেলে প্রভৃতি মাছ এখানে প্রচুর পাওয়া যায়।
বস্ত্র
খাদি/খদ্দর
কুমিল্লার বিখ্যাত খদ্দর শিল্প ১৯২১ সাল থেকে এ অঞ্চলে প্রচলিত।কুমিল্লার খদ্দর শিল্পগত উৎর্কষে প্রচুর খ্যাতি লাভ করেছিল এবং এখান থেকে খদ্দর কাপড় কলকাতা ও বোম্বে পাঠানো হত। সারা বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত কুমিল্লার খদ্দর স্ব-নামে পরিচিত।
স্থান
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলাধীন ধর্মসাগর, শাহসুজা মসজিদ, রানির কুঠি, টাউন হল, বীরচন্দ্র নগর পাঠাগার ইত্যাদি স্থান পর্যটন এলাকা হিসেবে সারাদেশে প্রসিদ্ধ।
এছাড়া এখানকার মৃৎশিল্পের বেশ সুখ্যাতি রয়েছে। অন্যান্য কুটির শিল্পের মধ্যেবেতের কাজ, শীতল পাটি, হুকা, মাদুর ইত্যাদি বিখ্যাত।
প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব
নাম
জীবনকাল
মহারাজ বীরচন্দ্র মানিক্যবাহাদুর
১৮৩৭-১৮৯৬
মহেশচন্দ্রভট্টাচার্য
১৮৫৮-১৯৪৩
নওয়াব স্যার সৈয়দশামসুল হুদা
১৮৬২-১৯২২
রায় বাহাদুরআনন্দচন্দ্র রায়
১৮৬৩-১৯২০
সৈয়দ আবদুলজববার
১৮৬৭-১৯৫১
নওয়াব সৈয়দহোচ্ছাম হায়দার চৌধুরী
১৮৬৮-১৯২১
অখিলচন্দ্রদও
১৮৬৯-১৯৫০
খান বাহাদুরআবিদুর রেজা চৌধুরী
১৮৮০-১৯৬১
আবদুররসুল
১৮৭০-১৯১৭
খান বাহাদুর আবদুলকরিম
১৮৭৩-১৯৪৫
নওয়াব মোশাররফহোসেন
১৮৭৬-১৯৬৬
শচীন দেব বর্মন
১৯06-১৯75
ধীরেন্দ্রনাথদত্ত
১৮86-১৯71
ক্যাপ্টেননরেন্দ্রনাথ দত্ত
১৮৮৪-১৯৪৯
হেমপ্রভামজুমদার
১৮৮৮-১৯৬২
নওয়াব স্যারকে,জি,এম,ফারুকী
১৮৯০-১৯৮৪
আশরাফ উদ্দিন আহমদচৌধুরী
১৮৯৩-১৯৭৬
অতীন্দ্রমোহনরায়
১৮৯৪-১৯৭৯
শহীদুলহক
১৮৯৪-১৯৬৮
খান বাহাদুরমফিজউদ্দিন আহমদ
১৮৯৮-১৯৭৯
আবদুলমালেক
১৮৯৮-১৯৬৫
হাবিবুর রহমানচৌধুরী
১৮৯৯-১৯৭২
এ, কে, এম, জহিরুলহক (লীল মিয়া)
১৯০৩-১৯৮১
ড. আখতার হামিদখান
১৯১৪-১৯৯৯
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Kandirpar
Cumilla
3500
