28/07/2023
২০২৩ সালের এসএসসি ফলাফল।
The Mission is.............. To established one of the best school in Bangladesh. The school monogram is be printed on the shirt pocket.
The school, situated in Nangalkot upazilla at Comilla distric, was established in 1929,
founded by HAZI BAZLUR RAHMAN (SAYED ALI)
It's considered as one of the best schools in Comilla. This is a combined school.Presently all the classes from 6 to 10 are running.There are two sections in each of the class - ‘A’, ‘B'.Almost 1000 students are studying in the school with 20 teachers. The uniform for
28/07/2023
২০২৩ সালের এসএসসি ফলাফল।
25/07/2023
Come back to class 🙂
২০২৩ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থী সকলের জন্যে দোয়া ও শুভকামনা। সবাই ভালো ফলাফল করে নিজ নিজ পিতা-মাতার ও বিদ্যালয়ের সম্মান অক্ষুণ্ণ রাখুক।
আল্লাহতালা সবার মনের আশা পূরণ করুক।
করোনাভাইরাস: জেনে নিন কোনটা ভ্রান্ত, কোনটা অভ্রান্ত।
নতুন করোনাভাইরাস বিশ্বব্যাপী মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়েছে। বিশ্বের প্রায় ১৭০টি দেশে ছড়িয়ে পড়া ভাইরাসটিতে আক্রান্ত ও মৃত মানুষের সংখ্যা সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। এই অবস্থায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়াই স্বাভাবিক। হয়েছেও তাই। মুশকিল হচ্ছে, এই আতঙ্কের সঙ্গে ভাইরাসটি নিয়ে নানা বিভ্রান্তিও ছড়িয়ে পড়ছে। নানা সূত্রের বরাত দিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দেওয়া হচ্ছে নানা পরামর্শ ও সুরক্ষা কৌশল।
এসব অপরীক্ষিত কৌশল ও পরামর্শ যদি সঠিক না হয়, তবে এ থেকেও বিপদ ঘটতে পারে। এ ক্ষেত্রে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দেওয়া পরামর্শই অনুসরণ করা উচিত। যেহেতু বিশ্বে করোনাভাইরাসটি মোকাবিলায় বিভিন্ন দেশের নানা সংস্থার নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের সঙ্গে কেন্দ্রীয়ভাবে সমন্বয়ের কাজটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাই করছে, সেহেতু তাদের দেওয়া তথ্যের ওপরই নির্ভর করাটা মঙ্গলজনক। আসুন, দেখে নেওয়া যাক ভাইরাসটি নিয়ে চারপাশে কী কী বিভ্রান্তি রয়েছে এবং এগুলো সম্পর্কে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাই–বা কী বলছে—
উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়াতেও কোভিড-১৯ ছড়ায় না—ভুল
নতুন করোনাভাইরাস উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়ায় সংক্রমিত হয় না বলে একটি তথ্য বিভিন্ন মাধ্যমে উচ্চারিত হতে শোনা যায়। তথ্যটি ভুল। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, এখন পর্যন্ত উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়াসহ সব ধরনের পরিবেশ এবং এলাকায় করোনাভাইরাসের সংক্রমিত হওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে। জলবায়ু ও আবহাওয়া যেমনই হোক, সতর্ক থাকুন। কোভিড-১৯ আক্রান্ত ব্যক্তি শনাক্ত হয়েছে এমন এলাকা ভ্রমণের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে সতর্ক থাকুন। মনে রাখবেন, কোভিড-১৯ থেকে সুরক্ষিত থাকার সবচেয়ে ভালো পথ হচ্ছে একটু পরপরই সাবান-পানি বা অ্যালকোহলভিত্তিক হ্যান্ড রাব বা স্যানিটাইজার দিয়ে হাত পরিষ্কার করা। একই সঙ্গে হাত দিয়ে নাক, মুখ, চোখ স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন।
চীনে গত ফেব্রুয়ারিতে তুষারপাত ও ঠান্ডা আবহাওয়ার মধ্যেই করোনাভাইরাস ছড়িয়েছিল। ছবি: রয়টার্স
চীনে গত ফেব্রুয়ারিতে তুষারপাত ও ঠান্ডা আবহাওয়ার মধ্যেই করোনাভাইরাস ছড়িয়েছিল। ছবি: রয়টার্স
তুষার ও ঠান্ডা আবহাওয়া করোনাভাইরাসকে মারতে পারে না—ভুল
করোনাভাইরাস বা অন্য কোনো রোগ প্রতিরোধে ঠান্ডা আবহাওয়া কার্যকর—এমনটি ভাবার কোনো কারণই নেই। কারণ, বাইরের তাপমাত্রা যা-ই হোক না কেন, মানুষের শরীরের তাপমাত্রা ৩৬ দশমিক ৫ থেকে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের (৯৭-৯৯ ডিগ্রি ফারেনহাইট) মধ্যেই থাকে।
করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সর্বোত্তম পন্থা সাবানজল বা হ্যান্ড-রাব দিয়ে ঘনঘন হাত পরিষ্কার করা। যুক্তরাজ্যে বিনা মূল্যে হাত পরিষ্কারের একটি বুথ।
করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সর্বোত্তম পন্থা সাবানজল বা হ্যান্ড-রাব দিয়ে ঘনঘন হাত পরিষ্কার করা। যুক্তরাজ্যে বিনা মূল্যে হাত পরিষ্কারের একটি বুথ।
গরম পানিতে গোসল করোনাভাইরাস রোধে কার্যকর—ভুল
নতুন করোনাভাইরাস থেকে প্রতিরোধের উপায় হিসেবে অনেকে গরম পানিতে গোসলের কথা বলছেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, গরম পানিতে গোসলের মাধ্যমে করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষিত থাকা যাবে না। কারণ, বাইরের তাপমাত্রা যা-ই হোক না কেন, মানুষের শরীরের তাপমাত্রা ৩৬ দশমিক ৫ থেকে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের (৯৭-৯৯ ডিগ্রি ফারেনহাইট) থাকে। মনে রাখবেন, কোভিড-১৯ থেকে সুরক্ষিত থাকার সবচেয়ে ভালো পথ হচ্ছে একটু পরপরই সাবান-পানি বা অ্যালকোহলভিত্তিক হ্যান্ড রাব বা স্যানিটাইজার দিয়ে হাত পরিষ্কার করা। এর মাধ্যমেই আপনার হাতে থাকা জীবাণু অপসারিত হবে। একই সঙ্গে হাত দিয়ে নাক, মুখ, চোখ স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন।
মশার মাধ্যমে নতুন করোনাভাইরাস ছড়ায়—ভুল
সামনে বর্ষা মৌসুম আসছে। এরই মধ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মশার উপদ্রব বেড়ে গেছে। এই অবস্থায় মশার মাধ্যমে নতুন করোনাভাইরাস ছড়ায় কি না, তা নিয়ে নানা জল্পনা আছে। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, মশার মাধ্যমে নতুন করোনাভাইরাস ছড়ানোর বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো তথ্য বা প্রমাণ পাওয়া যায়নি। নতুন এই ভাইরাস শ্বাসপ্রশ্বাসের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি ভাইরাস। আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি বা কাশির সময় তাদের শ্বাসতন্ত্র থেকে নির্গত ড্রপলেট বা লালার বিন্দু বা নাক ঝাড়ার সময় নির্গত জলকণার মাধ্যমে ছড়ায়। নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে একটু পরপর হাত পরিষ্কার করুন এবং হাত দিয়ে নাক-চোখ-মুখ স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন। একই সঙ্গে হাঁচি-কাশি রয়েছে—এমন ব্যক্তির সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন।
নতুন করোনাভাইরাস মারতে হ্যান্ড ড্রায়ার কার্যকর—ভুল
হ্যান্ড ড্রায়ার দিয়ে হাত শুষ্ক করার মাধ্যমে নতুন করোনাভাইরাসকে মারা যায় না। কোভিড-১৯ থেকে সুরক্ষিত থাকার সবচেয়ে ভালো পথ হচ্ছে একটু পরপরই সাবান-পানি বা অ্যালকোহলভিত্তিক হ্যান্ড রাব বা স্যানিটাইজার দিয়ে হাত পরিষ্কার করা। হাত ধোয়ার পরপরই টিস্যু পেপার বা উষ্ণ বাতাস বা হ্যান্ড ড্রায়ার দিয়ে হাত শুকিয়ে নিন। একই সঙ্গে হাত দিয়ে নাক-চোখ-মুখ স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন।
অতিবেগুনি রশ্মিতে করোনাভাইরাস মরে—প্রমাণ নেই
অতিবেগুনি রশ্মিতে করোনাভাইরাস মরে কি না, তার চেয়েও বড় কথা হচ্ছে, এ রশ্মি থেকে ত্বকের বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা থাকে।
থার্মাল স্ক্যানার দিয়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তিকে শনাক্ত করা যায়—পুরোপুরি ঠিক নয়
কারও শরীরে জ্বর থাকলে, তা থার্মাল স্ক্যানারে ধরা পড়বে। নতুন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে যেসব লক্ষণ প্রকাশ পায়, তার একটি হলো জ্বর। তবে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জ্বর হয় না। এমন লক্ষণ প্রকাশ পেতে ২ থেকে ১০ দিন পর্যন্ত সময় লাগে। তাই জ্বর নেই, কিন্তু করোনাভাইরাসে আক্রান্ত—এমন ব্যক্তিকে থার্মাল স্ক্যানার দিয়ে শনাক্ত করা যায় না।
সারা শরীরে অ্যালকোহল বা ক্লোরিন ছিটিয়ে কি করোনামুক্ত থাকা যায়—ভুল
এককথায় উত্তর, ‘না’। পশ্চিমা দেশে এ ধরনের কিছু বিভ্রান্তি ছড়িয়েছিল। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, যে ভাইরাস এরই মধ্যে শরীরে প্রবেশ করেছে, তাকে মারতে সারা শরীরে অ্যালকোহল বা ক্লোরিন বা ব্লিচিং ছড়িয়ে কোনো লাভ নেই। এ ধরনের রাসায়নিকের সংস্পর্শ চোখ ও মুখের ত্বক ও ঝিল্লি (মিউকাস মেমব্রেন) ক্ষতি করে। এ দুটি রাসায়নিকই ঘরদোর পরিষ্কারের কাজে লাগে। তবে ব্যবহারের আগে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ পরামর্শ মেনে ব্যবহার করতে হবে।
নিউমোনিয়ার ভ্যাকসিন করোনা থেকে সুরক্ষা দেবে—ভুল
না। নিউমোকক্কাল ভ্যাকসিন বা হিমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা টাইপ বি ভ্যাকসিনসহ নিউমোনিয়ার ভ্যাকসিন শুধু নিউমোনিয়ার বিরুদ্ধেই কার্যকর। এগুলো নতুন করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষা দেবে না। এই ভাইরাস একেবারেই নতুন এবং আগেরগুলোর চেয়ে আলাদা যে এর প্রতিরোধে একেবারে নতুন ভ্যাকসিনেরই প্রয়োজন। বিভিন্ন দেশের গবেষকেরা করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন তৈরির চেষ্টা করছেন, যেখানে সহায়তা দিচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। বিদ্যমান ভ্যাকসিনগুলো কোভিড-১৯–এর বিরুদ্ধে কার্যকর না হলেও শ্বাসযন্ত্রের অসুস্থতা রোধে বিদ্যমান ভ্যাকসিন যেকোনো মানুষেরই গ্রহণের পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা।
লবণ-পানি বা স্যালাইন দিয়ে নিয়মিত নাক ধুলে কি সুরক্ষিত থাকা সম্ভব—ভুল
না। লবণ-পানি বা স্যালাইন দিয়ে নিয়মিত নাক পরিষ্কার করে নতুন করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষিত থাকা যায়—এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে সাধারণ ঠান্ডাজনিত অসুস্থতায় এ কৌশল কাজে লাগে। শ্বাসপ্রশ্বাসের কোনো সমস্যার ক্ষেত্রে এটি কার্যকর নয়।
রসুন বা এমন কিছু করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষা দিতে পারে—ভুল
রসুন স্বাস্থ্যকর খাবার এবং এর রয়েছে অণুজীবনাশক ক্ষমতা। একইভাবে থানকুনি বা তুলসীপাতাও স্বাস্থ্যকর এবং এগুলোর নানা ঔষধি গুণ রয়েছে। কিন্তু এর কোনোটিরই করোনাপ্রতিরোধী কোনো ক্ষমতা নেই। এমন কোনো প্রমাণ এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।
নতুন করোনাভাইরাসে শুধু বয়স্ক ব্যক্তিরা আক্রান্ত হন—ভুল
নতুন করোনাভাইরাস সব বয়সী মানুষকে আক্রান্ত করতে পারে। বয়স্ক মানুষ বিশেষত যাদের অ্যাজমা, ডায়াবেটিস, হৃদ্রোগসহ নানা স্বাস্থ্য সমস্যা আগে থেকেই রয়েছে, তাদের ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে গুরুতর অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি বেশি। সব বয়সী ব্যক্তিদের সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এ ক্ষেত্রে নিয়মিত হাত ধোয়া ও শ্বাসপ্রশ্বাস সম্পর্কিত সু-অভ্যাসের ওপর জোর দিচ্ছে সংস্থাটি।
নতুন করোনাভাইরাস প্রতিরোধ এবং এর চিকিৎসায় অ্যান্টিবায়োটিক কার্যকর—ভুল
অ্যান্টিবায়োটিক ভাইরাসের বিরুদ্ধে কাজ করে না। এটি শুধু ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কাজ করে। নতুন করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯ একটি ভাইরাস। তাই এর প্রতিরোধ বা চিকিৎসায় অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা উচিত নয়। তবে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি অনেক রোগীকে হয়তো অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হচ্ছে। মনে রাখতে হবে, সেগুলো করোনাভাইরাসের চিকিৎসার জন্য নয়, বরং ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ যেন না ঘটে, সেজন্য দেওয়া হচ্ছে।
নতুন করোনাভাইরাস প্রতিরোধে বা এর চিকিৎসায় কোনো সুনির্দিষ্ট ওষুধ আছে—ভুল
নতুন করোনাভাইরাস প্রতিরোধে বা এর চিকিৎসায় এখন পর্যন্ত কোনো সুনির্দিষ্ট ওষুধ নেই। তবে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে প্রকাশিত বিভিন্ন উপসর্গ অনুযায়ী তাকে চিকিৎসাসেবা দিতে হবে। যাদের অবস্থা গুরুতর হবে, তাদের বিশেষ পরিচর্যার আওতায় নিতে হবে। এর ভ্যাকসিন ও চিকিৎসার জন্য সুনির্দিষ্ট ওষুধ তৈরিতে গবেষণা চলছে। এ–সম্পর্কিত গবেষণার গতি বাড়াতে বিভিন্ন দেশে কাজ করে চলা গবেষক ও সংস্থাগুলোকে সহায়তা দিচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। কোনো সুনির্দিষ্ট ওষুধ আবিষ্কৃত হলে তার ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল হবে আগে।
তথ্যসূত্র: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)
অল্প বয়সীরাও ঝুঁকির মধ্যে: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
তরুণেরাও করোনাভাইরাসে আক্রান্তের ঝুঁকিতে রয়েছেন বলে সতর্ক করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
অল্প বয়সী কিশোর-তরুণ করোনাভাইরাস প্রতিরোধী নয়। অবশ্যই বয়স্ক ও সংক্রমণের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে সামাজিকতা ও যোগাযোগ এড়িয়ে চলবেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এ কথা বলে সবাইকে সতর্ক করেছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান ড. টেড্রস অ্যাডহানম গেব্রেইয়েসুস বলেছেন, তরুণদের বেছে নেওয়া সিদ্ধান্ত ‘অন্য কারও জন্য জীবন এবং মৃত্যুর মধ্যে পার্থক্য’ তৈরি করতে পারে।
বিবিসি অনলাইনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত মানুষের সংখ্যা ১১ হাজার ছাড়িয়েছে। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা আড়াই লাখ পার হয়ে গেছে।
বয়স্ক রোগীদের মধ্যে ভাইরাসের সংক্রমণের আশঙ্কা বেশি বলে অনেক দেশেই তরুণেরা স্বাস্থ্য সতর্কতা নিয়ে আত্মসন্তুষ্ট। এ নিয়ে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনও প্রকাশিত হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধানের মন্তব্যে সে একই বিষয় ফুটে উঠেছে।
গত বছরের ডিসেম্বরে চীনে প্রথম করোনাভাইরাস ধরা পড়ে। এখন এ মহামারির কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে ইউরোপ।
ইতালিতে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা গেছেন। গতকাল শুক্রবার দেশটিতে ৬২৭ জন মারা গেছেন। এ নিয়ে দেশটিতে মোট মৃত মানুষের সংখ্যা দাঁড়াল ৪ হাজার ৩২।
অনেক দেশ এবং অঞ্চল শুক্রবারে নতুন করে যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে, সেগুলো হলো:
যুক্তরাজ্য: দেশটির প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেছেন, গতকাল রাত থেকে ক্যাফে, পাব ও রেস্তোরাঁ বন্ধ থাকবে।
যুক্তরাষ্ট্র: মেক্সিকো ও কানাডার সঙ্গে সীমান্ত বন্ধ থাকবে। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ককে ‘লকডাউন’ করা হয়েছে। ওষুধের দোকান, মুদির দোকানের মতো জরুরি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ছাড়া সব বন্ধ থাকবে।
কর্মচারীদের প্রয়োজনে ঘর থেকে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নিউইয়র্কে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ৭ হাজার ১০০ ছাড়িয়েছে।
স্পেন: বিনা কারণে বাইরে ঘোরাঘুরি করলে সেনাবাহিনীর টহল দল তাকে আটক করবে বলে সতর্ক করেছে দেশটির সরকার।
বাভারিয়া: জার্মানির দ্বিতীয় বৃহত্তম জনবহুল এ অঞ্চল লকডাউন করা হয়েছে। এটাই দেশটিতে প্রথম লকডাউনের ঘটনা।
ফ্রান্স: পুলিশ জানায়, প্যারিস রেলস্টেশনে প্রহরা বসানো হয়েছে, যাতে কেউ সপ্তাহের ছুটিতে বাইরে ভ্রমণে যেতে না পারেন।
ইন্দোনেশিয়া: আগামী সোমবার থেকে জাকার্তায় জরুরি অবস্থা জারি হচ্ছে। বার, সিনেমা হলসহ অন্যান্য ব্যবস্থাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা যা বলছে
জেনেভায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান কার্যালয় থেকে এক অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে টেড্রস অ্যাডহানম বলেন, যদিও বয়স্ক ব্যক্তিরা সবচেয়ে বেশি আঘাত পান, তবু অল্প বয়স্ক লোকদের এড়ানো যায় না।
তরুণদের উদ্দেশে টেড্রস অ্যাডহানম গেব্রেইয়েসুস বলেন, ‘তরুণদের জন্য আমার একটি বার্তা আছে: তোমরা “অজেয় নও”। এই ভাইরাস তোমাদের কয়েক সপ্তাহের জন্য হাসপাতালে পাঠাতে পারে। এমনকি মৃত্যুর মুখেও ঠেলে দিতে পারে। হয়তো তোমাদের অসুখ হবে না। কিন্তু তোমাদের অনিয়ন্ত্রিত চলাফেরা আরেকজনকে জীবন-মরণের সন্ধিক্ষণে ঠেলে দিতে পারে।’
চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহর বিশ্বের বাকি দেশগুলোকে আশার আলো দেখাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান ড. টেড্রস অ্যাডহানম গেব্রেইয়েসুস।
গবেষণায় দেখা গেছে, সব বয়সী মানুষই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারে। তবে তা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত বয়স্কদের ক্ষেত্রে বেশি বিপজ্জনক। ইতালিতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে যাঁরা মারা গেছেন, তাঁদের গড় বয়স ৭৮ দশমিক ৫। নিউইয়র্ক টাইমসের তথ্য অনুযায়ী, চীনে যাঁরা মারা গেছেন, তাঁদের মধ্যে ৫০ বছরের নিচে বয়সীর সংখ্যা ১ শতাংশের কম। তবে যাঁদের বয়স ৮০–এর বেশি, তাঁদের ক্ষেত্রে মৃত্যুর হার ১৫ শতাংশের বেশি।
রয়টার্স জানিয়েছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এখন সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার পরিবর্তে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার পরামর্শ দিচ্ছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিশেষজ্ঞ মারিয়া কার্কহোভ বলেন, ‘আমরা চাই মানুষ সংযুক্ত থাকুক। ইন্টারনেট, সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে যোগাযোগ রেখে মানসিক স্বাস্থ্য ঠিক রাখুন। এটা শরীর সুস্থ রাখার মতোই জরুরি
নতুন করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে মাস্ক ব্যবহারের কথা বলা হচ্ছে। বিষয়টি জনপরিসরে ছড়িয়ে পড়লে শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলেই মাস্কের সংকট দেখা দিয়েছিল। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এর দামও অত্যধিক বেড়ে গিয়েছিল। আসুন জেনে নিই মাস্ক ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কী বলছে?
কখন ও কেন মাস্ক ব্যবহার করবেন
* নিজে সুস্থ থাকলে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বা সন্দেহ করা হচ্ছে—এমন ব্যক্তির শুশ্রূষা করার সময়ই শুধু আপনার মাস্ক পরার প্রয়োজন রয়েছে।
* হাঁচি বা কাশি থাকলে মাস্ক ব্যবহার করুন, যেন আপনার শরীরে করোনাভাইরাস থাকলে তা অন্যদের মধ্যে না ছড়ায়।
* মাস্ক ব্যবহার তখনই কার্যকর, যখন আপনি অ্যালকোহলভিত্তিক হ্যান্ড রাব (বাজারে থাকা সাধারণ হেক্সিসল বা অনুরূপ পণ্য) বা সাবান-পানি দিয়ে ঘন ঘন হাত পরিষ্কার করেন।
* মাস্ক ব্যবহার করতে হলে এর ব্যবহারবিধি জেনেই করা উচিত।
কীভাবে ব্যবহার করবেন
* মাস্ক পরার আগে হাত (সাবান-পানি দিয়ে অন্তত ২০ সেকেন্ড বা হ্যান্ড রাব দিয়ে) পরিষ্কার করে নিন।
* মাস্ক পরার সময় এর সামনের অংশ ধরবেন না।
* নাক ও মুখ মাস্ক দিয়ে ঢেকে ফেলুন এবং মনে রাখবেন, মুখ ও মাস্কের মধ্যে যেন কোনো ফাঁকা স্থান না থাকে।
* ব্যবহারের সময় মাস্ক স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন। আর যদি স্পর্শ করেন, তবে হাত (সাবান-পানি দিয়ে অন্তত ২০ সেকেন্ড বা হ্যান্ড রাব দিয়ে) পরিষ্কার করে নিন।
* ব্যবহৃত মাস্কটি আর্দ্র বা ভেজা বা স্যাঁতসেঁতে মনে হওয়ামাত্রই তা বদলে ফেলুন। ডিসপোজিবল বা একবার ব্যবহারের জন্য তৈরি মাস্ক বারবার ব্যবহার করবেন না।
* মাস্ক অপসারণের সময় এর সামনের অংশ স্পর্শ করবেন না। মাস্ক খুলে ফেলার সঙ্গে সঙ্গে তা ঢাকনা দেওয়া ময়লার বাক্সে ফেলুন।
* মাস্ক অপসারণের পর হাত পরিষ্কার করে নিন।
এসএসসি পরীক্ষায় যারা ভাল ফলাফল করতে সক্ষম হয়েছ তোমাদের সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন এবং যারা ভাল করতে পারোনি তাদেরকে পড়াশুনায় আরো মনযোগী হবার অনুরোধ রইল।
পাশ যাই হোক, জিপিএ - ৫ এর এই দৈন্য দশা বহু পুরনো। গ্রেড পয়েন্ট চালু(২০০১ সাল) হওয়ার পর থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত কোন ব্যাচ এ সর্বোচ্চ কতজন এ+ পেয়েছে আমার জানা নেই। তবে সংখ্যাটা ২-৩ এর বেশী না মনে হয়। সমস্যাটা কোথায় ? দৌলখাঁড় স্কুলে এ+ পাওয়ার মত কোন স্টুডেন্ট নাই না অন্য কিছু? আপনার মতামত কি ?
#দৌলখাঁড়_উচ্চ_বিদ্যালয়
ি_রেজাল্ট
#জিপিএ_৫
06/05/2018
দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের এস.এস. সি -২০১৮ এর সম্পূর্ণ রেজাল্ট
যার যার রোল নাম্বার দিয়ে রেজাল্ট দেখে নিন।
Congratulations to all of who passed JSC exam.
Specially to those who achieve GPA 5.00
And for all : This is just start, plan for next and give your full concentration on Study.