আলহামদুলিল্লাহ,
প্রতি বছর এর ন্যায় এবারো হয়ে গেলো, সদিচ্ছা-শোঁয়ারী, এর তত্ত্বাবধায়নে,
বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি-২০২৫.
সদিচ্ছা-শোঁয়ারী এর পাশে থাকুন।
সদিচ্ছা-শোঁয়ারী, গ্রাম উন্নয়ন সংগঠন।
এটি একটি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক, অলাভজনক, গ্রাম উন্নয়ন মূলক সামাজিক সংগঠন। অন্ন, বস্র,বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা মানুষের মৌলিক চাহিদা নিয়ে কাজ করে এই, সংগঠন।
08/06/2025
৬ষ্ঠ বর্ষে পদার্পন “স্বপ্ন নতুন আলোয় বানঘর” শুভেচ্ছা জানাতে এসেছেন ২৪টি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন “স্বপ্ন নতুন আলোয় বানঘর” এর ৬ষ্ঠ বর্ষে পদার্পন উপলক্ষ্যে দিনব্....
04/06/2025
স্বপ্ন-নতুন আলোয় বানঘর সংগঠনের ৬ষ্ঠ বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে সকল স্বেচ্ছাসেবী ভাই বন্ধু শুভানুধ্যায়ীদের কে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক ❣️
পবিত্র ঈদুল আজহার দিন প্রতি বছরের ন্যায় এবারও সংগঠনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন হবে বাদ আছর বানঘর পাটোয়ারী বাড়ি মিনি পার্কে,
এবারের মিলনমেলায় এলাকার স্বেচ্ছাসেবীদের পাশাপাশি উপজেলার বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন গুলোর দায়িত্বশীলগণ উপস্থিত থাকবেন ইনশাআল্লাহ ।
উক্ত অনুষ্ঠানে সবার উপস্থিতি একান্ত ভাবে কাম্য।
যোগাযোগ 👇
01924805131
01720695817
01727862470
01867294677
02/04/2025
নতুন করে রং করার ফলে মসজিদের পরিবেশটাই অন্যরকম লাগতেছে। অসংখ্য ধন্যবাদ আব্দুল মান্নান কাকা
সদিচ্ছা-শোঁয়ারী, গ্রাম উন্নয়ন সংগঠন।স্বপ্ন-নতুন আলোয় বানঘর
আজ মানুষ ভুলে গেছে তার পরিচয়। মুসলমান বিস্মৃত হয়েছে তার দায়িত্ব ও কর্তব্য। ফলে জলে-স্থলে সর্বত্র চলছে অনাচার, অবিচার ও অশান্তির প্রবলস্রোত। মানুষে মানুষে চলছে হানাহানি, কাটাকাটি ও হিংসা-বিদ্বেষ। অসংখ্য বনি আদম অন্ন, বস্ত্ৰ, বাসস্থান ও চিকিৎসার অভাবে ধুঁকে ধুঁকে মরছে। মানবরচিত বিভিন্ন মতবাদ যেমন সমাজতন্ত্র, বস্তুবাদ, সংকীর্ণ জাতীয়তাবাদ, নাস্তিক্যবাদ ও ধর্মনিরপেক্ষতাবাদের ধ্বজাধারীদের অসারতা এবং বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় তাদের চরম ব্যর্থতা সকলের সামনে আজ দিবালোকের মতো ফুটে উঠেছে। পুঁজিবাদী অর্থনৈতিক ব্যবস্থার কারণে শোষণ ও বৈষম্য প্রকট আকার ধারণ করেছে। রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে চলছে সভ্যতা বিধ্বংসী মারণাস্ত্রের প্রতিযোগিতা। যাদের মুখে শোনা যায় শান্তি ও মানবাধিকার রক্ষার অমিয় বাণী তারাই দেশে দেশে চালাচ্ছে আগ্রাসন এবং ধ্বংসযজ্ঞ। নির্যাতিত ও নিপীড়িত অসহায় মানুষ আল্লাহর নিকট ফরিয়াদ করছে মুক্তির জন্য। মুসলমানদের অবস্থাতো আরো করুণ; ফিলিস্তিন, কাশ্মির, মিয়ানমার, আফগানিস্তান, ইরাক, সিরিয়া, লিবিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে মুসলমানদের রক্ত নিয়ে হোলি খেলছে ইসলাম বিদ্বেষী শক্তি। দিকে দিকে মুসলমানদের উপর চলছে ইসলাম বিরোধী শক্তির নিষ্ঠুর নিধন অভিযান। এ ব্যাপারে মুসলমানদের কোন ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা নেই, নেই কোন কার্যকর পদক্ষেপ। তাই মুসলমানদের বিরুদ্ধে দিন-দিন ষড়যন্ত্র তীব্রতর থেকে তীব্রতর হচ্ছে। যদিও দেশে দেশে ইসলামী পুনর্জাগরণ আন্দোলন আশার নবদিগন্ত উন্মোচন করছে।
একদিন
সব মানুষকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্ৰহণ করতে হবে। ফিরে যেতে হবে মহান আল্লাহর কাছে। কিয়ামতের প্রবল প্রলয়ে সমস্ত কিছু ধ্বংসের পর মানুষের ভাল-মন্দের বিচারের সময় এসে যাবে। সেদিন অবশ্যই সকলকে দুনিয়ায় থাকা অবস্থায় তার ভূমিকা ও কাজ সম্পর্কে জবাবদিহি করতে হবে। সেদিন যাদের ভাল কাজের পরিমাণ বেশি হবে তারাই মুক্তি পাবে, পুরস্কার হিসেবে পাবে চির শান্তির জান্নাত। আর যাদের মন্দ কাজের পাল্লা ভারী হবে, তারা পাবে অবর্ণনীয় আজাবে ভরপুর চির দুঃখের জাহান্নাম। আল্লাহ তায়ালা বলেন, “তারপর যার (ভালো কাজের) পাল্লা ভারী হবে, সে মনের মতো সুখী জীবন লাভ করবে। আর যার (ভালো কাজের) পাল্লা হালকা হবে, তার আবাস হবে গভীর খাদ। আর তুমি কি জানো সেটি কি? (সেটি) জ্বলন্ত আগুন।” সূরা আল কারিয়া (৬-১১)
তাই
জাহান্নামের কঠিন আজাব থেকে মুক্তি এবং চিরস্থায়ী জান্নাত লাভের পথনির্দেশনা আল্লাহ নিজেই দিয়েছেন। তাঁর কালামের ভাষায়, “তোমরা আল্লাহর রাস্তায় জান ও মাল দিয়ে সংগ্রাম কর। এটিই হবে তোমাদের জন্য কল্যাণকার, যদি তোমরা বুঝ। তোমাদের গুনাহ ক্ষমা করা হবে, আর তোমাদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে; যার তলদেশে আছে ঝর্ণাধারা।” (সূরা আস সফঃ ১১-১২)
মুসলমানের পরিচয়
ইসলাম অর্থ আত্মসমর্পণ করা। তাই মানুষের মধ্যে যারা ইসলাম কবুল করে বা আল্লাহর কাছে সম্পূর্ণরূপে আত্মসমর্পণ করে তাদের বলা হয় ‘মুসলিম'। কেবল মুসলমানের ঘরে জন্ম নিলেই কেউ মুসলমান হয় না, যতক্ষণ না সে ঈমান আনে ও ইসলামের বিধি-বিধান মেনে চলে। আবার কাফের মুশরিকদের ঘরে জন্ম নিয়েও কেউ যদি ঈমান আনে এবং ইসলামের বিধি-বিধান মেনে চলে তবে সেও মুসলিম হিসেবে গণ্য হয়। মানুষের মধ্যে মুসলিমরা সর্বশ্রেষ্ঠ জাতি। কুরআনের ভাষায়, “তোমরাই হলে সর্বোত্তম জাতি, মানবজাতির কল্যাণের জন্যই তোমাদের সৃষ্টি করা হয়েছে। তোমরা সৎকাজের নির্দেশ দান করবে ও অন্যায় কাজে বাধা দেবে এবং আল্লাহর প্রতি ঈমান আনবে।" (সূরা আলে ইমরান-১১০) অন্য স্থানে বলা হয়েছে, “তোমাদেরকে মধ্যমপন্থি জাতি হিসেবে সৃষ্টি করা হয়েছে, যেন তোমরা মানুষের জন্য সত্যের সাক্ষ্য হতে পার।” (সূরা আল বাকারা-১৪৩)
মানুষের পরিচয়
আমরা মানুষ, আশরাফুল মাখলুকাত তথা সৃষ্টির সেরা জীব। মহান আল্লাহ অসংখ্য ছোট-বড় সৃষ্টির মধ্যে মানুষকে সর্বশ্রেষ্ঠ মর্যাদা দিয়ে সৃষ্টি করেছেন। সব সৃষ্টিকেই তিনি একটি নিয়মের অধীনস্থ করে দিয়েছেন। কিন্তু মানুষকে তিনি ইচ্ছার স্বাধীনতা দিয়েছেন। মানুষ যা চায় তাই করতে পারে। এ স্বাধীনতা দেয়ার সাথে সাথে তিনি মানুষকে করেছেন তাঁর খলিফা বা প্রতিনিধি। মানুষ সৃষ্টির আগে তিনি ফেরেশতাদের ডেকে বলেন, “আমি পৃথিবীতে আমার খলিফা বা প্রতিনিধি প্রেরণ করব।” (সূরা আল বাকারা-৩০) খলিফার কাজ হচ্ছে মনিবের প্রদত্ত দায়িত্ব পালন করা এবং পরে প্রতিনিধি হিসেবে তাঁরই কাছে জবাবদিহি করা।
সদকায়ে জারিয়ায় যেসব কাজ হতে পারে
১. রক্ত দান করার মাধ্যমে। ২. এতিমের লালন-পালনের দায়িত্ব নেওয়া। ৩. মসজিদ নির্মাণ কিংবা মসজিদের প্রয়োজনীয় আসবারের ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখা। ৪. প্রয়োজনীয় এলাকায় পানীয় জলের ব্যবস্থা করে দেওয়া। ৫. কোরআন শিক্ষা দেওয়া বা কোরআন শিক্ষা ব্যবস্থাপ করে দেওয়া।
৬. অসহায়-দুঃস্থ মানুষের চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থায় হাসপাতাল নির্মাণ কিংবা চিকিৎসা সামগ্রীর ব্যবস্থা করে দেওয়া। ৭. কবরস্থানের জন্য জমি দান করা কিংবা জমি ক্রয়ে আর্থিক সহায়তা করা। মৃতদের সৎকারের খরচ জোগানো কিংবা বহনের জন্য এ্যাম্বুলেন্স ক্রয়ে সাহায্য করা। ৮. মুসলমানদের কল্যাণে আসে এমন ইসলামি বই-তাফসির, হাদিস, ফিকাহ শাস্ত্রের বই-পুস্তক মুদ্রণ কিংবা বিতরণে সহায়তা করা। ৯. অত্যাচারিত মুসলমান সম্প্রদায়ের পাশে দাঁড়ানো। ১০. গাছ লাগানো, যেটার ফল ও অক্সিজেনের মাধ্যমে মানুষ উপকৃত
পোস্ট এডমিন - Fakhrul Islam
মানুষ কখনো একা বাস করতে পারে না। আদিকাল থেকেই মানুষ একে অন্যের সঙ্গে মিলেমিশে বা সংঘবদ্ধ হয়ে বসবাস করে আসছে। এভাবেই সৃষ্টি হয়েছে সমাজের। আর সমাজ হলো মানুষের বেঁচে থাকার প্রধান ভিত্তি। সমাজে বসবাসের কারণে সবাইকে কিছু দায়-দায়িত্ব পালন করতে হয়, যাকে বলে সামাজিক দায়িত্ব। বিশ্ববিখ্যাত দার্শনিক এরিস্টটল বলেছেন, ‘মানুষ সামাজিক জীব’। সমাজবদ্ধভাবে বসবাস করতে পছন্দ করে মানুষ। সমাজের শৃঙ্খলার তাগিদে, সামাজিক বৈষম্য দূরীকরণে, মানুষের মাঝে সাম্য গড়ে তুলতে সামাজিক দায়িত্বের গুরুত্ব অপরিসীম। সামাজিক জীব হিসাবে মানুষের রয়েছে সামাজিক দায়বদ্ধতা।
সমাজবিজ্ঞানী ম্যাকাইভার সমাজের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে সামাজিক সম্পর্কের প্রতি গুরুত্বারোপ করে বলেছেন, ‘যেসব সামাজিক সম্পর্কের মাধ্যমে আমরা জীবনধারণ করি, সেসব সম্পর্কের সংগঠিত রূপ হলো সমাজ।’ সমাজবিজ্ঞানী জিসবার্টের সংজ্ঞানুযায়ী, ‘সমাজ হলো সামাজিক সম্পর্কের জটিল জাল, যে সম্পর্কের দ্বারা প্রত্যেক মানুষ তার সঙ্গীদের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত।’ আমরা এসব বক্তব্য বিশ্লেষণ করলে পাই-মানুষের পক্ষে একা বাস করা বা জীবনযাপন করা সম্ভব নয়। যে জীব সর্বদা মানুষের কল্যাণ সাধন করবে, যার দ্বারা কোনো অকল্যাণ হবে না-এমন সামাজিক জীবই কাম্য। কাজেই সমাজকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে সামাজিক দায়-দায়িত্বের বিষয়ে সবার সচেতন থাকা উচিত। সমাজে অসহায়, হতদরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষরা আমাদেরই স্বজন, বিত্তবানদের সম্পদে তাদের অধিকার রয়েছে। দুঃখজনক হলেও সত্য, আমরা সমাজের অসহায় মানুষদের কথা ভুলে যাই; উপলব্ধি করি না, যে সমাজ থেকে আমাদের এই অর্থবিত্তের অর্জন, সেই সমাজের কাছে আমরা অনেক বেশি ঋণী। তাই ব্যক্তিগত ও সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কসদিচ্ছা-শোঁয়ারী, গ্রাম উন্নয়ন সংগঠন।
স্বপ্ন-নতুন আলোয় বানঘর উন্নয়ন সংগঠন। স্বপ্ন-নতুন আলোয় বানঘর
পোস্ট এডমিন -Fakhrul Islam
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Telephone
Website
Address
SHOWARY, LAKSHMANPUR
Cumilla
MONOHORGONJ,LAKSAM
