🌿🎋🌿🎋🌿🎋🌿🎋🌿🎋🌿
আল মুমিনূন-23
وَلَقَدْ أَرْسَلْنَا نُوحًا إِلَىٰ قَوْمِهِۦ فَقَالَ يَٰقَوْمِ ٱعْبُدُوا۟ ٱللَّهَ مَا لَكُم مِّنْ إِلَٰهٍ غَيْرُهُۥٓ أَفَلَا تَتَّقُونَ
আর অবশ্যই আমি নূহকে তার কওমের নিকট প্রেরণ করেছিলাম। অতঃপর সে বলল, ‘হে আমার কওম, তোমরা আল্লাহর ইবাদাত কর। তিনি ছাড়া তোমাদের কোন ইলাহ নেই। তবুও কি তোমরা তাকওয়া অবলম্বন করবে না
Sharif »•« khan
এ পেইজে প্রতিদিন ১০_২০ টি হাদিস পুষ্ট করা হয়। তাই পেইজে লাইক দিয়ে একটিভ থাকুন
==============
🌷🎋 কুইজ 🎋🌷
🌿 ক্বিয়ামাত দিবসে কাদেরকে পাথর দিয়ে মাথা ভেঙ্গে দেয়া হবে 🌿
ﺃَﻟَﻢْ ﻳَﺮَﻭْﺍْ ﻛَﻢْ ﺃَﻫْﻠَﻜْﻨَﺎ ﻣِﻦ ﻗَﺒْﻠِﻬِﻢ ﻣِّﻦ ﻗَﺮْﻥٍ ﻣَّﻜَّﻨَّﺎﻫُﻢْ ﻓِﻲ
ﺍﻷَﺭْﺽِ ﻣَﺎ ﻟَﻢْ ﻧُﻤَﻜِّﻦ ﻟَّﻜُﻢْ ﻭَﺃَﺭْﺳَﻠْﻨَﺎ ﺍﻟﺴَّﻤَﺎﺀ ﻋَﻠَﻴْﻬِﻢ ﻣِّﺪْﺭَﺍﺭًﺍ
ﻭَﺟَﻌَﻠْﻨَﺎ ﺍﻷَﻧْﻬَﺎﺭَ ﺗَﺠْﺮِﻱ ﻣِﻦ ﺗَﺤْﺘِﻬِﻢْ ﻓَﺄَﻫْﻠَﻜْﻨَﺎﻫُﻢ ﺑِﺬُﻧُﻮﺑِﻬِﻢْ
ﻭَﺃَﻧْﺸَﺄْﻧَﺎ ﻣِﻦ ﺑَﻌْﺪِﻫِﻢْ ﻗَﺮْﻧًﺎ ﺁﺧَﺮِﻳﻦَ
তারা কি দেখেনি যে, আমি তাদের পুর্বে কত সম্প্রদায়কে ধ্বংস করে দিয়েছি, যাদেরকে
আমি পৃথিবীতে এমন প্রতিষ্ঠা দিয়েছিলাম, যা তোমাদেরকে দেইনি। আমি আকাশকে
তাদের উপর অনবরত বৃষ্টি বর্ষণ করতে দিয়েছি এবং তাদের তলদেশে নদী সৃষ্টি করে
দিয়েছি, অতঃপর আমি তাদেরকে তাদের পাপের কারণে ধ্বংস করে দিয়েছি এবং তাদের
পরে অন্য সম্প্রদায় সৃষ্টি করেছি।
( 6 - 5 )
---ছালাতের মাসায়েল সমুহ---
(কুরঅান ও সহীহ হাদিস অনুসরনে)
========================================
ছালাতের রুকন সমুহ:
রুকন অর্থ স্তম্ভ। একটি অপরিহার্য বিষয়।ইচ্ছেকৃতভাবে বা ভুল করে ছুটে গেলেও সালাত বাতিল বা নষ্ট হয়ে গেছে। সালাতে রুকন ৭ টি।
নিম্নরুপ:
১. কিয়াম বা দাড়ানো : তোমরা তোমার প্রভুর জন্য একনিষ্ঠচিক্তে দাড়িয়ে যাও। (বাকারা :২৩৮)
২.তাকবীরে তাহরীমা: অর্থাৎ অাল্লাহু অাকবর বলে কাধ বা কান বরাবর হাত উঠানো।
রাসুল (সঃ) বলেন, ছালাতের জন্য সবকিছু হারাম হয় তাকবিরের মাধ্যমে, সবকিছু হালাল হয় সালামের মাধ্যমে।
(অাবু দাউদ,তিরমিযি, মিশকাত হা/৩১২)
৩.সুরা ফাতিহা পাঠ করা।
রাসুল (সঃ) বলেন, ঐ ব্যাক্তির সালাত সিদ্ধ হয় না,যে সালাত সুরা ফাতিহা পড়া হয় না।
(মুক্তাফাক অালাইহে,মিশকাত হা/৮২২)
৪.+৫. রুকু, সিজদাহ করা।
অাল্লাহ বলেন,হে মুমিনগন! তোমরা রুকু সিজদাহ করা।
(হজ্ব :৭৭)
৬. তা'দীলে অারকান বা ধীরেসুস্থে সালাত অাদায় করা।
(দলিল: মুক্তাফাক অালাইহে,মিশকাত হা/৭৯০ হাদিস টি)
৭.শেষ বৈঠক।
(বুখারি,মিশকাত হা/৯৪৮)
=========================================
ছালাতের ওয়াজিবসমুহ:
রুকনের পর ওয়াজিবের স্হান।ইচ্ছেকৃতভাবে ভুল করলে সালাত বাতিল,ভুল করে বাদ গেলে সহো সিজদাহ দিতে হয়। ওয়াজিব ৮টি।
আরও জানতে নিচের লিংকটি ক্লিক করুন। এবং সবাই শেয়ার করুন।
http://sharifkhanbd.blogspot.com/2015/10/blog-post_53.html?m=1
হযরত আবু মূসা আশয়ারী (রা)-এর কুরআন তিলাওয়াতঃ
...
রাসূলুল্লাহ (সা) এর বিশেষ নৈকট্য লাভের সৌভাগ্য যাঁদের হয়েছিল
আবু মূসা আশয়ারী (রা) ছিলেন তাঁদের অন্যতম। পবিত্র কুরআনের
সাথে আবু মূসা (রা) এর সম্পর্ক ছিল অত্যন্ত গভীর। রাত-দিনের
প্রায় প্রতিটি মুহূর্ত কুরআন তিলাওয়াত ও শিক্ষাদানের মাধ্যমে ব্যয়
করতেন। ইয়েমেনের ওয়ালী থাকাকালীন একবার মুয়ায বিন জাবাল (রা)
তাঁকে জিজ্ঞেস করেন, “আপনি কীভাবে কুরআন তিলাওয়াত করেন?”
তিনি বলেন, “রাত-দিন যখনই সুযোগ পাই একটু করে তিলাওয়াত করে
নেই।”
তিনি সুমধুর কণ্ঠে তিলাওয়াত করতেন। যা রাসুলের (সা) খুবই পছন্দ
ছিল। একবার হযরত আয়িশা (রা) কে সঙ্গে করে রাসূল (সা) কোথাও
যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে আবু মুসার কুরআন তিলাওয়াত শুনতে পেয়ে
সেখানেই দাড়িয়ে যান। আরেকবার মসজিদে নববীতে আবু মূসা (রা)
জোর আওয়াজে ঈশার নামাজে কুরআন পাঠ করছিলেন । সুমধুর আওয়াজ
শুনে উম্মাহাতুল মুমিনীন (রাসুল (সা)এর স্ত্রীগণ) হুজরার পর্দার
কাছে এসে কান লাগিয়ে তা শুনতে থাকেন। সকালে এ কথা জানলে তিনি
বলেন, “আমি যদি তখন এ কথা জানতাম তাহলে আরও চিত্তাকর্ষক
আওয়াজে তিলাওয়াত করে তাঁদেরকে কুরআনের আশেক বানিয়ে দিতাম।”
......
তাঁর সুললিত কণ্ঠের দরুণ রাসুল (সা) বলতেন, “দাউদ (আ) এর সুরের
কিছু অংশ লাভ করেছে আবু মূসা।”
.
- আসহাবে রাসূলের জীবনকথা-২
হযরত ওমর (রাযিঃ) এর খেলাফতের সময় একদা এক ঈদের নামাজের
জামাতে ঈমামতি করবেন স্বয়ং খলিফাতুল মোছলেমীন হযরত ওমর
ফারুক (রাযিঃ) নিজে । সকল সাহাবাগন ও মুসুল্লিগন নামাজের জামাতের
অপেক্ষায় অপেক্ষমান। জামাতের সময় অতিক্রম করে যাচ্ছে। কিন্ত
ঈমাম হযরত ওমর ফারুক (রাযিঃ) অনুপস্থিত। সকলে খোজাখুজি করতে
লাগলো হযরত ওমর ফারুক (রাযিঃ) কোথায় ?
.. .
খুজতে খুজতে গিয়ে হুজরার মধ্যে ওমর (রাযিঃ) কে পাওয়া গেল। দেখা
গেল তিনি মুনাজাত তুলে অজোরে চোখের পানি ছেড়ে দিয়ে
কাদতেছেন।
মুনাজাত শেষে সাহাবাগন বললেনঃ হে, খলিফাতুল মুসলেমীন । আজ
ঈদের দিন । খুশীর দিন । অথচ আপনি কাঁদতেছেন ??? ? !
.. .
ওমর (রাযিঃ) চোখ মুছে কান্নাভরে বললেনঃ আজ তো খুশী ঐ
ব্যক্তির জন্য যিনি নিশ্চিত যে তার বিগত ৩০ টি রোজা, তারাবীহ,
কোরআন তেলাওয়াত, তাছবীহাত, সমস্ত অংঙ্গ প্রত্যঙ্গের সিয়াম
সাধনা মহান আল্লাহ্ পাকের দরবারে কবুল হয়েছে তার জন্য।
আমি ওমর তো আল্লাহ্ পাকের পক্ষ থেকে এমন কোন নিদর্শন বা
ইশারা পাইনি যে আমার এসমস্ত কবুল হযেছে। তাহলে আমার কি করে
ঈদ হতে পারে ??? ?
.. .
এই ছিল অর্ধ বিশ্বের খলিফাতুল মুসলেমীন হযরত ওমর ফারুক (রাযিঃ)
এর ঈদের খুশী।
.. .
.. .
.. .
আর বাঙ্গালীর কিছু ঈদ দেখুনঃ
.. .
অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের উৎসব মানেই ফুর্তি। ড্রামের তালে উদ্দাম
নৃত্য। অশ্লীলতা আর বেহায়াপনার ছড়াছড়ি। মোড়ে মোড়ে বসে
বিশাল ড্রামের পসরা। কান স্তব্ধ করা শব্দে বাজে হিন্দি, ইংলিশ
অশ্লীল গানের মিউজিক। মুসলিম রাষ্ট্রের আকাশ কম্পিত হয়
বিধর্মী সংস্কৃতির উল্লাসে।
… .
মার্কেট গুলোতে অবাধ পর্দাহীনতার অভাব হতে থাকে। যুবতী,
ললনাদের শরীর প্রদর্শনী আর অবাধ মার্কেটিং এর এক মহোৎসব
চলতে থাকে। এই ভীড়ের মাঝেই চলতে থাকে ধস্তাধস্তি, ধাক্কাধাক্কি
আরো না জানা কত কিছু।
… .
পুরা পরিবেশটা আজ এই লাগামহীন নারীদের জন্য কলুষিত। আমাদের
মার্কেটে যাওয়া মানে বাধ্যতামূলক হাজার খানেক চোখের যিনা। আর
কোমল দেহের করূন ধাক্কা তো আছেই। এইতো সেদিন মার্কেটে গিয়ে
ও এদের ভীড় আর দেহ প্রদর্শনীর ভয়ে ফিরে আসতে হয়েছে।
# এদের_কি_কোন_অভিভাবক_নেই .....??
আমরা কি পারি না পবিত্র এ দিনটাকে কলুষিত করা থেকে রক্ষা
করতে... .??? ?
অবাধ নগ্নতা থেকে রক্ষা করতে... .??? ?
গান-মিউজিক ও চোখের জিনার বিভিষিকা থেকে বাঁচাতে পবিত্র এ
দিনটাকে... .??? ?
কেবল আমাদের সদিচ্ছাই পারে পাপের এ জোয়ার রুখে দিতে।
.. .
আমরা বুঝিনা ঈদ বান্দার জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে নেয়ামত সরুপঃ এ
নিয়ামত ভোগ যেন গোনাহের কারণ হয়ে না দাঁড়ায়!!! !
পবিত্র দুই ঈদেই ময়দানে গিয়ে স্রষ্টার দরবারে মাথা ঠেকাতে হয়।
জানাতে হয় শুকরিয়া। বাড়াতে হয় গরীব দুঃখীদের দিকে সাহায্যের
দয়ার্দ্র হাত। এটাই ইসলাম ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের উৎসবের মাঝে
মৌলিক পার্থক্য।
.. .
“হে আল্লাহ্!
তুমি আমাদের মনে তোমার ভয় দিয়ে দাও, আখেরাতের ভয় দিয়ে দাও,
জাহান্নামের ভয়াবহতার ভয় দিয়ে দাও । বিগত রোজা-আগামী
দিনের রোজা, তারাবীহ, কোরআন তেলাওয়াত, তাছবীহাত, সমস্ত
অংঙ্গ প্রত্যঙ্গের সিয়াম সাধনা কবুল করেই নাও মাবুদ। তোমার
দরবার ছারা আর কারো কাছে চাই না আল্লাহ্ l হে আল্লাহ্ তুমি
ক্ষমা করতে ভালবাস, আমাদের সকলের গুনাহ ক্ষমা করে দাও ।
আমাদের মনের নেক নিয়্যাত কবুল করে নাও । আমাদের পিতামাতার
খেদমত করার তৌফিক দিয়েই দাও আল্লাহ্ । সর্বোপরি তোমার
সন্তুষ্টি দিও আল্লাহ্ ।
আমীন... . ইয়া রব্বাল আ'লামীন... .
29/07/2015
আজরাইল (আ:) কিভাবে মানুষের রুহ কবজ করেন ? বিস্তারিত জানতে নিচের লিংকটি ক্লিক করুন।
→ http://sharifkhanbd.blogspot.com/2015/07/blog-post_9.html?m=1
কোরআন ও সহীহ্ হাদিসের আলোচনাঃ—–——: আজরাইল আঃ কিভাবে মানুষের রূহ কবজ করেন আজরাইল (আ:) কিভাবে মানুষের রুহ কবজ করেন ? মৃত্যুর সময় আসলে কি ঘটে ? হযরত আনাস (রা), হযরত তামীম দারী (রা) এর রেওয়ায়েতে বলেন, রাসূল্লুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ ফরমান, আল্লাহ তায়ালা মালাকুল মউতকে নির্দেশ দিয়ে বলেন, তুমি আমার বন্ধুর কাছে যাও এবং তাকে নিয়ে এসো। আমি তাকে সুখ দুঃখ দিয়ে…
13/07/2015
✔✔``রমযানে দিনের বেলায় সহবাস করলে কি হয়``✔✔
..সবাই শেয়ার করুন।
আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে একটি মরফু‘ হাদীস বর্ণিত আছে,
যে ব্যক্তি ওযর এবং রোগ ব্যতীত রমযানের একটি সাওম ভেঙ্গে
ফেলল, তার সারা জীবনের সাওমের দ্বারাও এর কাযা আদায় হবে না,
যদিও সে সারা জীবন সাওম পালন করে। ইবন মাস‘ঊদ রাদিয়াল্লাহু
‘আনহুও অনুরূপ কথাই বলেছেন। সা‘ঈদ ইবন মুসায়্যিব, শা‘বী, ইবন
যোবায়ের, ইবরাহীম, কাতাদা ও হাম্মাদ রহ. বলেছেন, তার স্থলে একদিন
কাযা করবে।
‘আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
«َّﻥِﺇ ﺎًﻠُﺟَﺭ ﻰَﺗَﺃ َّﻲِﺒَّﻨﻟﺍ ﻰَّﻠَﺻ ُﻪﻠﻟﺍ ِﻪْﻴَﻠَﻋ :َﻝﺎَﻘَﻓ َﻢَّﻠَﺳَﻭ ُﻪَّﻧِﺇ ،َﻕَﺮَﺘْﺣﺍ
:َﻝﺎَﻗ «ﺎَﻣ ؟َﻚَﻟ» ، :َﻝﺎَﻗ ُﺖْﺒَﺻَﺃ ﻲِﻠْﻫَﺃ ﻲِﻓ ،َﻥﺎَﻀَﻣَﺭ ُّﻲِﺒَّﻨﻟﺍ َﻲِﺗُﺄَﻓ
ﻰَّﻠَﺻ ُﻪﻠﻟﺍ ِﻪْﻴَﻠَﻋ َﻢَّﻠَﺳَﻭ ٍﻞَﺘْﻜِﻤِﺑ ﻰَﻋْﺪُﻳ ،َﻕَﺮَﻌﻟﺍ :َﻝﺎَﻘَﻓ َﻦْﻳَﺃ
ُﻕِﺮَﺘْﺤُﻤﻟﺍ » ،ﺎَﻧَﺃ :َﻝﺎَﻗ :َﻝﺎَﻗ ْﻕَّﺪَﺼَﺗ ﺍَﺬَﻬِﺑ»
“এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে
বলল, সে তো জ্বলে গেছে। তিনি বললেন,......
পোষ্টটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক অথবা ভিজিট করুন। এবং শেয়ার করুন।
http://sharifkhanbd.blogspot.com/2015/07/blog-post_47.html?m=1
কোরআন ও সহীহ্ হাদিসের আলোচনাঃ—–——: সহীহ হাদীসের আলোকে সাওম বিশ্বকোষ (৮ম পর্ব) রমযানে দিনের বেলায় সহবাস করলে আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে একটি মরফু‘ হাদীস বর্ণিত আছে, যে ব্যক্তি ওযর এবং রোগ ব্যতীত রমযানের একটি সাওম ভেঙ্গে ফেলল, তার সারা জীবনের সাওমের দ্বারাও এর কাযা আদায় হবে না, যদিও সে সারা জীবন সাওম পালন করে। ইবন মাস‘ঊদ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুও অনুরূপ কথাই বলেছেন। সা‘ঈদ ইব…
আসামীর কাঠগড়ায় খলীফা আল মানসুর
খলীফা আল-মানসুর এসেছেন মদীনায়। প্রধান কাজী ইবনে
ইমরান বিচার সভায় বসে আছেন। একজন উটের মালিক এসে
খলীফার বিরুদ্ধে তাঁর কাছে নালিশ জানালো। অষ্টম
শতকের সর্বশ্রেষ্ঠ সমৃদ্ধ ও উন্নত ইসলামী সাম্রাজ্যের
অথিপতি খলীফা আল-মানসুরের বিরুদ্ধে একজন উট চালক
অভিযোগ এনেছে।
সামান্য উট চালক সে নয়। জনগণের তখন ছিল পূর্ণ
আত্মবিশ্বাস। সত্য ও আত্মপ্রত্যয়ে প্রদীপ্ত ছিল তাদের
জীবন। জনগণের এই চেতনা ছিল জাগ্রত। আর খলীফাগণ যে
জনগণের সেবক মাত্র সে সম্বন্ধেও তাঁরা সচেতন ছিলেন।
জনগণের দাবীর কাছে, বলিষ্ট জনমতের কাছে নতি
স্বীকার করতি খলীফারাও ব্ন্দিুমাত্র কুণ্ঠাবোধ করতেন
না। খলীফার কাছে কাজীর সমন গেল। কাজীর দরবারে
তাঁকে হাজির হতে হবে। খলীফা আল-মানসুর সঙ্গীদের
বললেন, “আমাকে আদালত ডেকেছে, সে জন্য আমাকে একাই
যেতে হবে। সেখানে আমি একজন সাধারণ আসামী মাত্র।”
ঠিক সময়ে খলীফা হাজির হলেন কাজীর সম্মুখে। কাজী
তাঁর আসন থেকে উঠলেন না। যেমন কাজ করছিলেন তেমনি
কাজ করে চললেন। বিচার হলো। কাজী খলীফার বিরুদ্ধে
রায় দিলেন। রায় প্রকাশিত হবা মাত্র খলীফা হর্ষধ্বনি
করে বলেন উঠলেন, “আল্লাহকে শত ধন্যবাদ আপনার এ
বিচারের জন্য। আল্লাহ আপনকে পুরস্কৃতি করুন। আমি
সামান্য দশ হাজার দিরহাম আপনাকে পুরষ্কার দেবার জন্য
আদেশ দিলাম।”
...
আমরা সেই সে জাতি – ১ম খন্ড
আবুল আসাদ
08/06/2015
http://www.sharifkhanbd.blogspot.com/2015/04/blog-post_50.html?m=1
→: কুরআন তিলাওয়াত বা অন্যান্য ইবাদাতের সাওয়াব কি মৃত ব্যক্তির নিকট পৌঁছে এই ওয়েবসাইটটি একমাত্র উদ্দেশ্য কুর‘আন ও সুন্নাহ্র আলোকে ইসলামের প্রকৃত বার্তা ছড়িয়ে দেয়া। ... (বাংলা ভাষায় ৬০০টির অধিক ইসলামী জ্ঞানের বিভিন্ন উপকরণের এক বিশাল সমাহার!) ........................ ........ নামঃ- মোঃ শরিফুল ইসলাম ````````` সিটি ঃ- কুমিল্লা , বাংলাদেশ ``````````` মোবাইল নাম্বারঃ- ০১৮৩৮…
অনেকে বলে থাকে মাযহাব অর্থ চলার পথ। মাযহাব অর্থ
যদি চলার পথ হয় তাহলে সেই চলার পথের মাথায় একটি
করে শয়তান দাঁড়িয়ে আছে। আব্দুল্লাহ্ ইবনে মাসউদ
রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর বর্ণিত হাদীছে নবী
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বর্ণনা
করেছেন-
ﺧَﻂَّ ﻟَﻨَﺎ ﺭَﺳُﻮﻝُ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠَّﻪ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻳَﻮْﻣًﺎ ﺧَﻄًّﺎ
ﺛُﻢَّ ﻗَﺎﻝَ ﻫَﺬَﺍ ﺳَﺒِﻴﻞُ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺛُﻢَّ ﺧَﻂَّ ﺧُﻄُﻮﻃًﺎ ﻋَﻦْ ﻳَﻤِﻴﻨِﻪِ
ﻭَﻋَﻦْ ﺷِﻤَﺎﻟِﻪِ ﺛُﻢَّ ﻗَﺎﻝَ ﻫَﺬِﻩِ ﺳُﺒُﻞٌ ﻋَﻠَﻰ ﻛُﻞِّ ﺳَﺒِﻴﻞٍ ﻣِﻨْﻬَﺎ
ﺷَﻴْﻄَﺎﻥٌ ﻳَﺪْﻋُﻮ ﺇِﻟَﻴْﻪِ ﺛُﻢَّ ﺗَﻠَﺎ ”ﻭَﺃَﻥَّ ﻫَﺬَﺍ ﺻِﺮَﺍﻃِﻲ
ﻣُﺴْﺘَﻘِﻴﻤًﺎ ﻓَﺎﺗَّﺒِﻌُﻮﻩُ ﻭَﻟَﺎ ﺗَﺘَّﺒِﻌُﻮﺍ ﺍﻟﺴُّﺒُﻞَ ﻓَﺘَﻔَﺮَّﻕَ
ﺑِﻜُﻢْ ﻋَﻦْ ﺳَﺒِﻴﻠِﻪِ “
“রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের
সামনে মাটিতে একটি রেখা টানলেন। সে রেখার উপর হাত
রেখে বললেন, এটি হল আল্লাহর পথ। অতঃপর সে রেখার
ডানে ও বামে আরো অনেকগুলো রেখা অঙ্কন করে বললেন, এ
সবগুলোই পথ। তবে এ সব পথের মাথায় একটি করে শয়তান
দাঁড়িয়ে আছে। সে সর্বদা মানুষকে ঐ পথের দিকে
আহবান করছে। এ কথা বলার পর রাসূল সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম কুরআনের এই আয়াতটি পাঠ
করলেন,
ﻭَﺃَﻥَّ ﻫَﺬَﺍ ﺻِﺮَﺍﻃِﻲ ﻣُﺴْﺘَﻘِﻴﻤًﺎ ﻓَﺎﺗَّﺒِﻌُﻮﻩُ ﻭَﻟَﺎ ﺗَﺘَّﺒِﻌُﻮﺍ
ﺍﻟﺴُّﺒُﻞَ ﻓَﺘَﻔَﺮَّﻕَ ﺑِﻜُﻢْ ﻋَﻦْ ইিটএ“
ﺳَﺒِﻴﻠِﻪ আমার সঠিক পথ। সুতরাং তোমরা এই সঠিক পথের
অনুসরণ কর। অন্যান্য পথের অনুসরণ করনা। তাহলে সে
সব পথ তোমাদেরকে আল্লাহর সঠিক পথ হতে বিপদগামী করে
দিবে। আল-আন‘আম, ৬/১৫৩। সুনানে ইবনে মাজাহ,
অধ্যায়; রাসুলের সুন্নাতের অনুসরণ, হাদীস
নম্বর-১১, তাখরীজ কুতুবুত সিত্তাহ: আহমদ: ১৪৮৫৩
তাহক্বীক্ব আলবানী: সহীহ। তাখরীজ আলবানী: যিলূলুল
জান্নাহ: ১৬।
আসলে মাযহাব শব্দের অর্থ ধর্ম, ধর্মমত, পথ, মত,
মতবাদ, আদর্শ, বিশ্বাস।
হাদীস থেকে বুঝা যায়, আল্লাহর ﺻِﺮَﺍﻁ (সিরাত) বা পথ
একটি। অথচ মাযহাব হল চারটি তাই চারটির মাথায় একটি
করে শয়তান দাঁড়িয়ে আছে আর সে সর্বদা মানুষকে ঐ
পথের দিকে আহবান করছে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Address
Comilla
Cumilla

04/08/2015