10/06/2017
https://youtu.be/VWyj085sBow
Bahubali 2 funny Bangla Dubbing | বাহুবালি ২ ফানি ডাবিং নোয়াখালি বিভাগ চাই | Ideabuzz BD
বাহুবালি ২ ফানি ডাবিং নোয়াখালি বিভাগ চাই । Bahubali 2 funny Bangla Dubbing we try to do something different. think ideabuzz BD is your channel and share you...
10/06/2017
https://youtu.be/fAg-VYUFKvw
Noakhali VS Sylhet (FUNNY DEBATE) l SHEIKH AKBAR GETTING INTO A FIGHT
Here's a funny Bengali debate I did with my friend, Sheikh! If you enjoyed, be sure to share & subscribe! Comment Below who won! If you guys wanna find out m...
08/06/2017
কুমিল্লা বিভাগ কুমিল্লা নামেই চাই
12/05/2017
পড়তে পারেন
হিউয়েন সাংয়ের ভ্রমণলিপি ও আজকের কুমিল্লা ॥ মাইনুল শাহিদ | চিন্তাসূত্র
খ্রিস্টীয় সপ্তম শতাব্দীতে ভারতবর্ষ ভ্রমণ করতে এসে চৈনিক বৌদ্ধশ্রমণ ও পরিব্রাজক হিউয়েন সাং ‘কুমিল্লা রাজ্যে’ এসেছিলেন। এই আগমনের বর্ণনা ৬৪৬ সালে তিনি লিপিবদ্ধ করেন। শতাধিক রাজ্য ভ্রমণের বহুমূল্য প্রাচীন ভ্রমণলিপিটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৫৭ সালে ফরাসি ভাষায়। অনুবাদ করেন চীন-বিশেষজ্ঞ স্তানিসলাস জুলিয়েন।…
17/04/2017
বাংলাদেশ রেলওয়ে ৩০ হাজার ৯৫৫ কোটি টাকা ব্যয়ে কুমিল্লা হয়ে ঢাকা ও চট্টগ্রামের মধ্যে ডাবল ট্রাক স্ট্যান্ডার্ড গেজ লাইন নির্মাণ করবে। ২০১৯ সালে এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে রেলপথে ঢাকা-চট্টগ্রামের দূরত্ব কমবে ৯০ কিলোমিটার।
ঢাকা-চট্টগ্রাম বাংলাদেশ রেলওয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রুটের একটি। এ রুটের দৈর্ঘ্য ৩২০ দশমিক ৭৯ কিলোমিটার। বর্তমানে ঢাকা থেকে টঙ্গী –ভৈরব বাজার-ব্রাহ্মণবাড়িয়া-কুমিল্লা হয়ে চট্টগ্রামে পৌঁছে। ফলে ভ্রমণে অনেক বেশি সময় লাগছে।
ঢাকা থেকে কুমিল্লার লাকসাম হয়ে চট্টগ্রাম পর্যন্ত হাইস্পিড ট্রেন লাইন নির্মিত হলে প্রায় ৯০ কিলোমিটার দূরত্ব ও প্রায় দুই ঘণ্টা সময় কমবে। তখন ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের দূরত্ব দাঁড়াবে ২৩০ কিলোমিটার। এ পথে ট্রেন চলবে ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার গতিতে। ফলে ঢাকা থেকে দুই ঘণ্টায় পৌঁছানো যাবে চট্টগ্রামে।
রেলওয়ে মন্ত্রী মো. মুজিবুল হক শনিবার বলেন, সাধারণ মানুষের বৃহত্তর সুবিধায় সরকার বাংলাদেশ রেলওয়ের (বিআর) সেবা বাড়াতে অনেকগুলো উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার জনগণের জন্য এই জনপ্রিয় সরকারি পরিবহণ ব্যবস্থা সহজতর করতে আন্তরিক হওয়ায় বিগত কয়েক বছরে বাংলাদেশ রেলওয়ের সেবার মান উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আনুমানিক ৩০ হাজার ৯৫৫ কোটি ৭ লাখ টাকার এই প্রস্তাবিত বিশাল প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে বিআর। প্রকল্প সহায়তা হিসেবে চীন থেকে আসবে ২৪ হাজার ৭৬৪ কোটি ৬ লাখ টাকা।
২০১৯ সালের সম্ভাব্য সময়ের মধ্যে এই প্রকল্পের কাজ শেষ করতে চায়না রেলওয়ে ইইয়াম ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রুপ কো. লি.-এর সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।
প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ডেভেলপমেন্ট অব প্রজেক্ট প্রপ্রোজাল (ডিপিপি) অনুমোদন করেছে। চীন সরকারের আর্থিক সহায়তায় এ প্রকল্প বাস্তবায়নের সুপারিশ করেছে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি)।
সরকারি পরিবহণ হিসেবে রেলওয়েকে একটি সহজ পরিবহণে রূপান্তরিত করতে রেলওয়ে লাইন, কোচ, লোকোমোটিভ ও অন্যান্য উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করা হবে।
মন্ত্রী চলমান ৪৬টি প্রকল্পের উল্লেখ করে বলেন, এসব প্রকল্পের কাজ শেষ হলে রেলওয়ের অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হবে।
স্ট্যান্ডার্ড গেজ নাকি ব্রড গেজ
তবে নতুন এ রেলপথ স্ট্যান্ডার্ড গেজে নির্মাণ করার প্রস্তাবের অনেকেই সমালোচনা করছেন। বর্তমানে বাংলাদেশে দুই ধরনের রেল লাইন প্রচলিত রয়েছে। এগুলো হলো মিটার গেজ ও ব্রড গেজ। নতুন লাইন স্ট্যান্ডার্ড গেজে তৈরি করা হলে তা আরেক ধরনের হবে। এতে স্ট্যান্ডার্ড গেজের ইঞ্জিন ও বগি চালাতে হবে। ফলে মিটারগেজ ও ব্রডগেজ এ লাইনে চলবে না। এতে উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে বা দেশের অন্যান্য অংশের সঙ্গে এ লাইন ব্যবহার করে সরাসরি চট্টগ্রাম পর্যন্ত রেল পরিচালনা করা অসম্ভব হয়ে পড়বে।
উল্লেখ্য মিটার গেজ লাইন প্রস্থে ৩ ফুট ৩ ইঞ্চি প্রায় (১০০০ মিলিমিটার), স্ট্যান্ডার্ড গেজ লাইন ৪ ফুট ৮.৫ ইঞ্চি (১৪৩৫ মিলিমিটার) ও ব্রড গেজ লাইন ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি (১৬৭৬ মিলিমিটার)।
এক্ষেত্রে ঢাকা-চট্টগ্রাম নতুন রেলপথে স্ট্যান্ডার্ড গেজের বদলে ব্রড গেজ ব্যবহার করলে তাতে দেশের অন্যান্য অংশের রেলের সঙ্গে সমন্বয় সাধন করা সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। এছাড়া সেটি সম্ভব না হলে ব্রড গেজের সঙ্গে স্ট্যান্ডার্ড গেজ লাইন একত্রে দেওয়া যায় কি না, তাও খতিয়ে দেখতে অনুরোধ করেছেন রেলওয়ে সংশ্লিষ্টরা।
২০১৯ সালেই ২ ঘণ্টাতেই যাওয়া যাবে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম | কালের কণ্ঠ
বাংলাদেশ রেলওয়ে ৩০ হাজার ৯৫৫ কোটি টাকা ব্যয়ে কুমিল্লা হয়ে ঢাকা ও চট্টগ্রামের মধ্যে ডাবল ট্রাক স্ট্যান্ডার্ড গেজ
24/02/2017
::শুধু অতীত নয় ইতিহাসের আলোকেও দেখি::
কুমিল্লা ভেঙ্গে এ পর্যন্ত ৬টি জেলা হয়েছে। ১৭৫৭ সালে সিরাজউদ্দৌলার হেরে গেলে কুমিল্লায়ও মোঘল শাসনের অবসান ঘটে এবং কয়েক বছরের মধ্যেই ব্রিটিশ প্রশাসক আসে। কুমিল্লা ভেঙ্গে ব্রিটিশরা ১৮২১ সালে নোয়াখালি জেলা করে। সেই জেলাও অনেক বছর প্রশাসনিক ও আদালত সংক্রান্ত কাজে সরাসরি কুমিল্লার উপর নির্ভর ছিল। আর চাঁদপুর, ব্রাহ্মণাবড়িয়া, ফেনী, লক্ষ্মীপুর ১৯৮৪ মহকুমা থেকে জেলায় উন্নীত হয়।
ত্রিপুরা নাম নিয়ে বিভ্রান্ত হওয়ার কিছু নাই। সুবা বাংলায় অন্য অনেক জেলার মতো কুমিল্লারও একটি পোশাকি নাম ছিল রওশনাবাদ আর ব্রিটিশ বাংলায় কুমিল্লার একটি আরো একটি পোষাকি নাম ছিল 'ডিস্ট্রিক্ট অব টিপ্পেরা'। শাসক ইংরাজ ও সংশ্লিষ্টদের কাগজপত্রেই এই নাম সীমাবদ্ধ ছিল। পাহাড়ি ত্রিপুরার রাজ্য কখনোই মোগল সুবা বাংলার অংশ ছিল না, তদুপরি ত্রিপুরার মহারাজা 'রওশানাবাদ'এর জমিদারি কিনে নেন একসময়। কর্নওয়ালিসের কারণে তা আবার চিরস্থায়ীও হয়ে যায়। অপর একটি রাজ্যের মহারাজা আবার ব্রিটিশ বাংলায় জমিদারও ছিলেন বলে ইংরেজ-কথিত 'যথাবিহীত সম্মান প্রদর্শন' রীতিতে ও প্রশাসনিক নামকরণের সুবিধার্থে ব্রিটিশরা বৃহত্তর-অবিভক্ত কুমিল্লাকে 'ডিস্ট্রিক্ট অব টিপ্পেরা' বা DISTRICT OF TIPPERAH লিখত। এ প্রসঙ্গে উল্লেখ করা যায়, কুমিল্লা অঞ্চলের প্রথম ইংরেজি শেখার স্কুল আজ থেকে ১৮০ বছর আগে ব্রিটিশরা ১৮৫৭ সালে 'কুমিল্লা গভরমেন্ট স্কুল' নামেই প্রতিষ্ঠা করেছিল। আর কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ ১৮৯৯ সাল থেকেই এই নামে চলছে। ব্রিটিশরা চলে গেলে 'ত্রিপুরা' নামেরও স্বাভাবিক মৃত্যু ঘটে। কুমিল্লা নামটি কখনোই সুপ্ত অবস্থা ছিল না। বাংলার পূর্বাঞ্চলে আজকের সিলেট, বৃহত্তর কুমিল্লা, নোয়াখালির সাধারণ মানুষের চলতি কথায় 'ত্রিপুরা' নামের কোন প্রচলনও ছিল না৷
এখনো কুমিল্লা জেলা ১৭টি উপজেলা নিয়ে গঠিত। জেলার হিসাবে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি সংখ্যক উপজেলা কুমিল্লাতেই। এবং ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী জনসংখ্যার বর্তমান হিসাবটা বিচার করে দেখুন নিজেই -
কুমিল্লা : ৫৬,০২,৬২৫
নোয়াখালী : ৩৩,৭০,২৫১
ব্রাহ্মণবাড়িয়া : ২৮,৪০,৪৯৮
চাঁদপুর : ২৬,০০,২৬৩
লক্ষ্মীপুর : ১৭,২৯,১৮৮
ফেনী :১৪,৯৬,১৩৮
কুমিল্লার জনসংখ্যার চেয়ে নোয়াখালীর জনসংখ্যা এখনও ৪০ ভাগ কম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ৫০ ভাগ কম, চাঁদপুর ৫৩ ভাগ কম, লক্ষ্মীপুর ৬৯ ভাগ কম ও ফেনী ৭৩ ভাগ কম। অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক, প্রশাসনিক নানা উপাত্ত বিশ্লেষণে বিভাগ হিসেবে কুমিল্লা নামের যৌক্তিকা আরো অনেক বেশি। কিন্তু তাৎক্ষণিক আবেগ ছাড়া বিশ্লেষণের দিকে কজন তাকায়? নরকে মই কাড়াকাড়ি করে শেষে বাঙালির নরকের উচু দেয়াল পার না হতে পারার গল্পের মতোন না হয়ে যায় আবার !
— মাইনুল শাহিদ
21/02/2017
‘দাবি মোদের একটাই, কুমিল্লা নামে বিভাগ চাই’— স্লোগানে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলনে মাঠে নেমেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, পেশাজীবীসহ সকল মহলের জনতা। জেলা শহর ছাড়াও উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে ছড়িয়ে পড়েছে প্রতিবাদী জনতার মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও চলছে প্রতিবাদের ঝড়। ধীরে ধীরে কঠোর আন্দোলনে রূপ নিচ্ছে সর্বস্তরের কুমিল্লাবাসীর দাবি। তাদের মতে, কুমিল্লার হাজারো বছরের ইতিহাস-ঐতিহ্যকে ম্লান করে শুধু স্থানীয় একটি ইউনিয়নের নামে বিভাগ হবে—এটা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। জেলার বুড়িচং উপজেলার ইউনিয়ন ‘ময়নামতি’ দিয়ে সমগ্র কুমিল্লার ঐতিহাসিক পরিচয় উঠে আসে না।
‘কুমিল্লা’ নামে বিভাগের দাবিতে রবিবার সকাল ১১টায় কুমিল্লা নগরীর কান্দিরপাড় পূবালী চত্বরে মানববন্ধন ও প্রতিবাদী সমাবেশ করেছে কুমিল্লা নাগরিক ফোরাম। এতে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সভাপতি কামরুল আহসান বাবুল, সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম, অধ্যক্ষ শফিকুর রহমান, আবুল কাশেম হূদয়, এটিএম হুমায়ুন কবীর, মাহমুদুল হক পিটারসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। এছাড়া বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ-কুমিল্লা, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ ও কুমিল্লা জিলা স্কুলের শিক্ষার্থীবৃন্দ, জেলা ক্রীড়া সংস্থা, বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠন, জেলা সদর ও বিভিন্ন উপজেলা সদরের প্রায় অর্ধশত সংগঠনের উদ্যোগে ‘কুমিল্লা’ নামে বিভাগের দাবিতে কর্মসূচি পালন করা হয়।
খন্দকার মোশতাকের বাড়ি অপসারণের দাবি
এদিকে, বঙ্গবন্ধু হত্যার অন্যতম পরিকল্পনাকারী সাবেক রাষ্ট্রপতি খন্দকার মোস্তাকের গ্রামের বাড়ি দাউদকান্দি উপজেলার দশপাড়ায় অবস্থিত বাড়িটি অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে প্রতিবাদী জনতা। রবিবার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত দাউদকান্দি উপজেলা আওয়ামী লীগের ব্যানারে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এ সময় বক্তব্য রাখেন দাউদকান্দি উপজেলা চেয়ারম্যান মেজর (অব.) মোহাম্মদ আলী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আহসান হাবিব লিল মিয়া, সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সালাম, মেঘনা উপজেলা চেয়ারমান আবদুস সালাম, দাউদকান্দি পৌর মেয়র আবু নাঈম সেইন, দাউদকান্দি ও তিতাস উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যানসহ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ। বক্তারা বলেন, বঙ্গবন্ধু খুনের সাথে জড়িত খন্দকার মোশতাকের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার দাউদকান্দির দশপাড়ায় বলে হয়তো বঙ্গবন্ধু কন্যা ‘কুমিল্লা’ নামের প্রতি নাখোশ হয়ে প্রস্তাবিত বিভাগের নাম ‘ময়নামতি’ করার জন্য মত দিয়েছেন। কিন্তু কলঙ্কিত ব্যক্তির পাপের জন্য এমনটি করা হলে কুমিল্লাবাসীর প্রতি অবিচার করা হবে।
http://www.ittefaq.com.bd/print-edition/country/2017/02/21/177443.html
‘কুমিল্লা’ নামে বিভাগের দাবিতে জেগে উঠেছে জনতা | সারাদেশ | The Daily Ittefaq
‘দাবি মোদের একটাই, কুমিল্লা নামে বিভাগ চাই’— স্লোগানে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলনে মাঠে নেমেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, পেশাজীবীসহ সকল মহলের জনতা। জেলা শহর ছাড়াও উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে ছড়িয়ে পড়েছে প্রতিবাদী জনতার মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও চলছে প্রতিব...
20/02/2017
৩০ মার্চ কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
আগামী ৩০ মার্চ কুমিল্লা সিটি করপোরেশন (কুসিক) নির্বাচন হবে।
সোমবার দুপুরে নির্বাচন কমিশন (ইসি) এ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে।
তফসিল অনুযায়ী ২ মার্চের মধ্যে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দিতে হবে।
১৫ ফেব্রুয়ারি কে এম নুরুল হুদার নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব গ্রহণের পর এই প্রথম কোনও নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হলো।
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে ৬ মার্চ মনোনয়নপত্র যাচাইবাছাই করা হবে। নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সসয় ১৩ মার্চ।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে ২০১৬ সালের ২০ ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের কথা ছিল। কিন্তু সীমানা জটিলতার কারণে উচ্চ আদালতের আদেশে ওই সময় ভোট নেওয়া যায়নি। পরে এই জটিলতার অবসান হলেও বিদায়ী ইসি সময় স্বল্পতায় তফসিল ঘোষণা করেনি। ৬ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লার জেলা প্রশাসক জাহাঙ্গীর আলমকে সরকার প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে।
20/02/2017
দপ্তরের জন্য দুটি স্থানের প্রস্তাব
কুমিল্লা বিভাগ গঠনের প্রশাসনিক কাজ শুরু
অক্টোবর ০৯, ২০১৫ | প্রিন্ট সংস্করণ । প্রথম আলো
বৃহত্তর কুমিল্লা ও নোয়াখালীর ছয় জেলা নিয়ে কুমিল্লা বিভাগ গঠনের জন্য প্রশাসনিক কাজ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) মো. নজরুল ইসলামকে সভাপতি করে নয় সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটিকে আগামী এক মাসের মধ্যে সুপারিশসহ প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া কুমিল্লা বিভাগীয় কার্যালয়ের জন্য দুটি স্থানের প্রস্তাব করা হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (সমন্বয়) বিজয় ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, চলতি বছরের ২৬ জানুয়ারি মন্ত্রিসভার বৈঠকে ফরিদপুর ও কুমিল্লা বিভাগ গঠনের লক্ষ্যে একটি সিদ্ধান্ত হয়। এতে বিষয়টি সামগ্রিকভাবে পরীক্ষা ও পর্যালোচনা করে সুপারিশ পেশ করতে বলা হয়। গত ২১ সেপ্টেম্বর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ নয় সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করে। এ কমিটি বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে। ৩০ সেপ্টেম্বর ওই কমিটির প্রথম সভা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে ওই কমিটির দ্বিতীয় সভা হয়। সভায় কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আবদুল মতিন প্রয়োজনীয় নথিপত্র উপস্থাপন করেন।
এদিকে ৫ অক্টোবর কুমিল্লার ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক এ কে এম মামুনুর রশিদ চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কাছে কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়ন নিয়ে একটি প্রতিবেদন পাঠান। ওই প্রতিবেদনে কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়নের যৌক্তিকতা তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে বর্তমানে কুমিল্লা জেলার প্রশাসনিক কাঠামো উল্লেখ করা হয়।
ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক বলেন, ‘কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়নের জন্য চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে কিছু তথ্য চাওয়া হয়। এ পরিপ্রেক্ষিতে আমরা বিভাগ গঠনের পর্যাপ্ত তথ্য দিয়ে প্রতিবেদন পাঠাই। কুমিল্লায় বিভাগীয় কমিশনার ও পুলিশের উপমহাপরিদর্শকের (ডিআইজি) কার্যালয় ও বাসা নির্মাণের জন্য দুটি স্থানের প্রস্তাব দেওয়া হয়। এর একটি হলো কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার দৌলতপুর মৌজার সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের পাঁচ একর জায়গা। এটি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের আদর্শ সদর উপজেলার নন্দনপুর থেকে ১ দশমিক ৭৫ কিলোমিটার পূর্বে চিশতিয়া টেক্সটাইল মিলের বিপরীতে। অন্যটি হলো একই মহাসড়কের লাগোয়া সদর দক্ষিণ উপজেলার সুরাতলি মৌজার বেলতলি-সংলগ্ন সাওড়াতলি এলাকার তিন একর জায়গা। ওই জায়গায় একসময় কুমিল্লা ট্রমা সেন্টার হওয়ার কথা ছিল। পরে তা হয়নি। বর্তমানে ওই জায়গা অব্যবহৃত পড়ে আছে।
18/02/2017
কুমিল্লা নামের সাথে জড়িয়ে আছে হাজার বছরের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য। এই নাম ছাড়া অন্য নামে বিভাগ গ্রহণযোগ্য নয়। কুমিল্লা নামেই বিভাগ চাই।
18/02/2017
কুমিল্লা নামের সাথে জড়িয়ে আছে হাজার বছরের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য। এই নাম ছাড়া অন্য নামে বিভাগ গ্রহণযোগ্য নয়। কুমিল্লা নামেই বিভাগ চাই।