28/04/2024
পরিবেশ বিজ্ঞানীরা ভারসাম্য রক্ষার্থে যেকোন রাষ্ট্রের মোট ভূ-ভাগের অন্তত ২৫ ভাগ বনভূমির একান্ত আবশ্যকতার কথা সবসময়ই বলে আসছেন। কিন্তু সব গাছ মানুষ বা সব পরিবেশে জন্য বন্ধুসুলভ নয়।
বাংলাদেশের পরিবেশ ও প্রকৃতির জন্য ইউক্যালিপটাস এমনই একটি গাছ। দেশে দীর্ঘদিন ধরে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে সামাজিক বনায়নের নামে চলছে এ ইউক্যালিপটাস রোপন। মহাসড়কগুলোর দুপাশে যেমন তেমনি সংরক্ষিত বনাঞ্চল পুনরোদ্ধারের নামে অবাধে চলছে এ বিদেশি গাছ রোপন।
ইউক্যালিপটাস গাছ কি?
ইউক্যালিপটাস মূলত একটি কাঠের গাছ যা প্রকৃতিগত ভাবে অষ্ট্রেলিয়ায় পাওয়া যায়। যদিও এর আবহাওয়াগত অভিযোজন ক্ষমতার কারণে প্রায় সব মহাদেশেই দেখতে পাওয়া যায়।
পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন একটি পানিখেকো ইউক্যালিপটাস গাছ ৪০ থেকে ৫০ লিটার পানি শোষণ করে মাটিকে নিরস ও শুষ্ক করে ফেলে। এছাড়া মাটির নিচের গোড়ায় ২০-৩০ ফুট জায়গা নিয়ে চারদিকে থেকে গাছটি পানি শোষণ করে বলে অন্যান্য ফলদ গাছের ফলন ভালো হয় না। এই গাছে কোনো পাখি বাসা বাঁধে না। ইউক্যালিপটাস গাছের ফলের রেণু নিঃশ্বাসের সঙ্গে দেহে প্রবেশ করলে অ্যাজমা হয়। এমনকি যে বসতবাড়িতে অধিক পরিমাণে ইউক্যালিপটাস গাছ আছে সেসব বাড়ির শিশু ও বৃদ্ধদের শ্বাসকষ্ট হতে পারে। যে ফলের বাগানে এ গাছের সংখ্যা বেশি সেখানে ফল কম ধরতে পারে।
কেন ক্ষতিকর?
ডালপালা বিস্তার ছাড়াও গাছের মূল থাকে মাটির ১৫ মিটার গভীরে। গাছগুলো পানি ও খনিজ লবণ শোষণ ছাড়াও মাটির গভীর থেকে অতিরিক্ত পানি শোষণ করে ডালে জমা রাখে। ফলে যে স্থানে এ গাছ থাকে সেই স্থান হয়ে পড়ে পানিশূন্য ও অনুর্বর। এতে ওই অঞ্চলের পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় অন্য প্রজাতির গাছের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই গাছ মাটি পানিশূন্য ও অনুর্বর করে।
২০-৩০ বছর কোনো স্থানে গাছগুলো থাকলে সেখানে অপর প্রজাতির কোনো গাছ জন্মাতে পারে না। কারণ পাতার টক্সিক কেমিক্যাল মাটিতে থাকা নাইট্রোজেন পরমাণু ভেঙ্গে দিয়ে ছোট ছোট উদ্ভিদের খাদ্য তৈরির স্বাভাবিক প্রক্রিয়া ব্যাহত করে। এতে মাটির পুষ্টি-প্রবাহও নষ্ট হয়। আর ওই গাছের পাতা পড়ে ছয় ইঞ্চি পর্যন্ত মাটির স্তর বিষাক্ত করে ফেলে। এতে ওই স্থানে ঘাস ও লতাপাতা জন্মাতে পারে না।
ইউক্যালিপটাস গাছ বিভিন্ন পোকামাকড় ও পাখিদের জন্য যথেষ্ট ক্ষতিকর। এই গাছ অতিরিক্ত কার্বন-ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ করে বলে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। তাছাড়া আমাদের দেশের স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ২০৩ সেন্টিমিটারের বেশি নয়। অথচ এ প্রজাতির গাছের জন্য স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ৭০০-৮০০ সেন্টিমিটার দরকার। ফলে আশপাশের এলাকা সবসময় শুষ্ক থাকায় দাবানল হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
08/01/2024
চীনাবাদাম যেভাবে হয়ঃ
চীনাবাদাম গাছে এক ব্যতিক্রম ঘটনা ঘটে। এর ফুল মাটির উপরে হলেও ফল মাটির নিচে গঠিত হয় ।
চীনাবাদাম গাছের প্রত্যেক কান্ড পর্ব থেকে ফুল বের হয় । এই ফুলে সফল পরাগায়ন হওয়ার পর একটি বিশেষ অঙ্গ গঠিত হয় , যাকে প্যাগ বলা হয়। প্যাগ টি মূলত পরিবর্তিত ডিম্বাশয়ের একটি অংশ, যার অগ্রভাগ ডিম্বাশয় বহন করে । প্যাগটি নিম্নমুখী হয়ে লম্বা হতে থাকে এবং একসময় মাটির নিচে চলে যায়। পরবর্তীতে প্যাগের অগ্রভাগ স্ফিত হয়ে মাটির নিচে ফল গঠন করে।
#চিনাবাদাম #কাচাঁবাদাম
08/01/2024
সবজির চারা যেভাবে রোপণ করতে হয়ঃ
বেশিরভাগ সবজি চাষে প্রথমে চারা করে পরে মূল জমিতে ট্রান্সপ্লান্ট করা হয়।
আর এই ট্রান্সপ্লান্টের সময় চারা রোপণে চারার প্রথম প্রকৃত পাতা পর্যন্ত মাটিতে পুঁতে দেওয়া প্রয়োজন। এতে চারা থেকে অধিক অস্থানিক মূল বের হওয়ার সুযোগ পায়।
সুবিধা -
•গোড়া অধিক শক্ত হয় , ফলে চারা সহজে ঢলে পরে না
•অধিক শিকড় দিয়ে চারা মাটি থেকে খাদ্য নিয়ে দ্রুত সবল হয়ে উঠে
•ট্রান্সপ্লান্ট শক দ্রুত কাটিয়ে উঠতে পারে
যেসব সবজির জন্য প্রযোজ্য - কপি জাতীয় সকল সবজি, কুমড়া জাতীয় সবজি (স্কোয়াশ,লাউ, মিষ্টি কুমড়া, ইত্যাদি), টমেটো
#চারা
30/12/2023
খেজুরের নামে চিনা জুজুবি ফল খাচ্ছেন না তো? আসল খেজুর চেনার উপায় জানুন !!!
খেজুরের উপকারিতা অনেক। বাজারে সহজে পাওয়াও যায়। বিশেষ করে রমজানের সময় তো খেজুরের চাহিদা দ্বিগুণ হয়। কারণ, খেজুর খেয়ে রোজা ভাঙা হয়। কিন্তু জানেন কি এই চাহিদার আড়ালেই নকল খেজুর খাচ্ছেন বহু মানুষ।
খেজুরের মতোই দেখতে চিনা জুজুবি ফল বিক্রি হচ্ছে বহু বাজারে। জুজুবি ফল বিক্রি করে বলা হচ্ছে আসল খেজুর।
কী ভাবে চিনবেন এই নকল খেজুর? জুজুবি না খেজুর? কোনটা খাচ্ছেন? বাজার থেকে কী কিনছেন?
চিনের একটি অতি পরিচিত ফল হল জুজুবি। চিনে এই ফলের চাষ ও চাহিদা প্রচুর। এই দেশ বহু জিনিসের নকল করার জন্যও নাম করেছে গোটা বিশ্বে।
জুজুবি কাঁচা অবস্থায় ছোট আপেলের মতো দেখতে। আর পাকার পরে খেজুরের মতো দেখতে হয়ে যায়। ভারতের বাজারে আজওয়া খেজুর বলে অনেক জায়গাতেই বিক্রি হয় জুজুবি ফল। বাংলাদেশের বাজারেও ছেয়ে গিয়েছে চিনের এই জুজুবি ফল।
তবে আসল খেজুর চেনার কিছু উপায় রয়েছে। বাজারে আসল খেজুর কিনতে হলে তার ত্বক দেখে কিনুন। সতেজ ও তাজা খেজুরের চামড়া সাধারণত কুঁচকানো হবে।
উপরের চামড়া হবে চকচকে ও উজ্জ্বল। আসল খেজুরের মিষ্টি কখনোয় অতিরিক্ত হয় না, তা হয় সহনশীল।
06/11/2023
গাছ হচ্ছে প্রাকৃতিক বাতাস শোধনকারী। স্পাইডার প্ল্যান্টস, পিস লিলির মতো ইনডোর প্ল্যান্টগুলো ঘরের বাতাসে জমে থাকা বিষাক্ত উপাদান দূর করতে সাহায্য করে। বাতাসের মান ভালো করতে সহায়তা করে। যাদের বিভিন্ন ধরনের অ্যালার্জি ও শ্বাসতন্ত্রের রোগ রয়েছে তাদের জন্য এই গাছগুলো ঘরে রাখা বেশ উপকারি।