18/02/2024
ফ্রী হোম ডেলিভারি। ৯৩০ টাকা।
বেস্ট সেলিং ৫টি বই মাত্র - ৯৩০ টাকা।
ক্যাশ অন ডেলিভারিতে বই হাতে পেয়ে মূল্য পরিশোধ করা যাবে।
১। আর রাহীকূল মাখতূম
২। আল আযকার
৩। তাসাউফ ও আত্মশুদ্ধি
৪। লা তাহযান
৫। ইনজয় ইয়োর লাইফ
অফসেট পেপার, হার্ড কভার এবং মজবুত বাইন্ডিং।
এই প্যাকেজ টি ইতিমধ্যে ৪০০০+ (চার হাজার প্লাস)
মানুষ আস্থার সাথে সংগ্রহ করেছেন।
ফ্রী হোম ডেলিভারি।
দেশের যে কোন প্রান্ত থেকে অর্ডার করতে পারেন, কোন প্রকার অগ্রীম পেমেন্ট ছাড়াই।
৫ টি বই একসাথে ৯৩০ টাকা।
অর্ডার করতে আপনার নাম, মোবাইল নাম্বার ও সম্পূর্ণ ঠিকানা লিখে মেসেজ করুন অথবা ফোন করুন 01966-965113.
26/04/2022
তিনজন নেতা এসেছিলেন উপমহাদেশে। তাঁদের প্রভাব, তাঁদের ঘিরে
থাকা বিতর্ক, তাঁদের উত্তরাধিকার আজকের দিন পর্যন্ত রাজনৈতিক
বৈরিতায় ইন্ধন জুগিয়ে চলেছে। রাজনীতির আকাশে বিশাল নক্ষত্রের মতন জ্বলজ্বল করছে আজও তাঁদের নাম- শেখ মুজিবুর রহমান, ইন্দিরা গান্ধী, জুলফিকার আলী ভুট্টো।
তাঁদের রাজনৈতিক ভূমিকা সম্পর্কে রয়েছে পরস্পরবিরোধী কাহিনী। বক্তার ওপর নির্ভর করে প্রতিটা কাহিনীর থাকে ‘বাংলাদেশী’, ‘ভারতীয়’ ও ‘পাকিস্তানী’ সংস্করণ। এসব সংস্করণের মধ্যে সংযোগ অন্বেষণ এবং তিন নেতার পূর্ণাঙ্গ ও বস্তুনিষ্ঠ রাজনৈতিক প্রতিকৃতি তুলে ধরা হয়েছে এই বইতে। এই তিনজন কিংবদন্তিতুল্য নেতা উপমহাদেশের রাজনীতিতে রেখে গিয়েছেন অমোচনীয় দাগ। শেখ মুজিবুর রহমান, ইন্দিরা গান্ধী ও জুলফিকার আলী ভুট্টো যে পরিমাণ ভালবাসা পেয়েছেন, ঠিক সেই পরিমাণে বদনামও কুড়িয়েছেন। অনুগামী, গুণগ্রাহী আর অনুগত সমর্থকরা তাঁদের আইডলে পরিণত করেছে, রোমান্টিক করে তুলেছে, করুণ রসের বস্তুতে পরিণত করেছে। তাঁদের স্মরণ করা হয় নায়ক ও শহীদ হিসেবে। অন্যদিকে সমালোচকদের চোখে তাঁরা স্বৈরাচারী, দলান্ধ দুর্জন- যাঁরা তাদের দেশের ইতিহাসে রেখে গেছেন কালো দাগ।
কাকতালীয় বিষয়, তিনজনেরই মৃত্যু হয়েছে অস্বাভাবিকভাবে।
23/04/2022
#আজ শুধু বই দিবস-ই নয়; বইয়ের জগতের অপরিহার্য অংশ মেধাস্বত্ব বা কপিরাইট দিবসও!
জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো ১৯৯৫ সাল থেকে প্রতিবছর ২৩শে এপ্রিল বই পড়ার প্রতি গুরুত্ব ও সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বইয়ের জগতের অপরিহার্য অংশ মেধাস্বত্ব বা কপিরাইট বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘বিশ্ব বই ও কপিরাইট দিবস’ উদযাপন করে থাকে।
02/04/2022
#রহমতের_১০_দিনের_সেহরি_ও_ইফতারের_সময়সূচি
15/02/2022
#কবি_আল_মাহমুদ...
১৯৭৮ সালে হজ্বে যান। হজ্ব করে আসার পর প্রগতিবাদী কবিরা তাঁকে ‘মৌলবাদী’ বলে আখ্যা দেয়। তাদের মৌলবাদী আখ্যাকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে কবি লিখলেন ‘বখতিয়ারের ঘোড়া’ কাব্যগ্রন্থটি।
জীবনানন্দ দাসের ‘মহাপৃথিবী’ কাব্যগ্রন্থটি পড়ার পর মীর আব্দুস শুকুর ভাবলেন, 'আরে! এমন কবিতা তো আমিও লিখতে পারি'। যেই কথা, সেই কাজ। একটা কবিতা লিখে ফেললেন। জীবনের প্রথম কবিতাটি পড়তে দিলেন চাচাতো বোন হানুকে।
হানু কবিতাটি পড়ে বললো, “এই কবিতা তো আগে কোথাও পড়েছি!”
বোনের মন্তব্য শুনে তরুণ কবি হাসবেন নাকি কাঁদবেন? তাঁর লেখা কবিতাকে বোন বলছে ‘আগে পড়েছি’। যেন তিনি এটা কপি করেছেন। আবার এটাও তো ভাবতে পারেন, আমি আসলেই তো কবিতা লিখতে পারি।
মোল্লা বাড়িতে জন্ম নেয়া একটা ছেলে বললো- ‘আমি কবি হতে চাই’। তরুণ বয়সের এই আবেগকে রুখে দেবার জন্য হানু বাধা দিলেন। বললেন, “কবিতা লিখলে ভাত জুটবে কোত্থেকে?”
জীবন সাগরে সাঁতার কাটতে গিয়ে চাচতো বোনের কথাটি বারবার তাঁর মনে পড়ে। তল্পিতল্পাহীন অবস্থায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে ঢাকায় আসেন কবি হবার জন্য।
ঢাকায় এসে জীবিকার সন্ধান করে ঢাকাকেই আপন করে নেন। ঢাকা আর নিজের জন্মস্থানের তুলনা করে বলেন- “যে শহর জন্ম দেয় কিন্তু জীবিকা দেয় না তারচেয়ে যে শহর জীবিকা দেয় তাকে আমার কাছে মাতৃতুল্য মনে হয়।”
সেদিন চাচাতো বোন তাকে ‘কবি’ বলে স্বীকৃতি দেয়নি। কিন্তু, তাঁর জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মানুষদের একজন ছিলেন তাঁর চাচী, সেই চাচী তাকে ‘কবি’ বলে ডাকতেন। গ্রামের মানুষরাও তাঁকে ‘কবি’ বলে ডাকতো। অথচ তখনো তাঁর কোনো কবিতা প্রকাশিত হয়নি!
মোল্লাবাড়িতে জন্মগ্রহণ করা আল মাহমুদকে একসময় মানুষ ‘বিশ্বাসীদের কবি’ সম্বোধন করে। অথচ জীবনের প্রথমদিকে নিজের বিশ্বাস নিয়ে দোদুল্যমান ছিলেন এই কবি। তাঁর মা বাবাকে অভিযোগ করতেন, “তোমার ছেলে তো বইটই পড়ে নাস্তিক হয়ে গেছে।” বাবা মায়ের কথা কানে নিতেন না। তিনি ভাবতেন, এই ছেলে বিভ্রান্ত হতে পারে। সে অবশ্যই ফিরে আসবে।
আল মাহমুদ জীবনের মধ্যখানে ফিরেও আসেন। ১৯৭৮ সালে হজ্বে যান। হজ্ব করে আসার পর প্রগতিবাদী কবিরা তাঁকে ‘মৌলবাদী’ বলে আখ্যা দেয়। তাদের মৌলবাদী আখ্যাকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে কবি লিখলেন ‘বখতিয়ারের ঘোড়া’ কাব্যগ্রন্থটি।
এতোদিন তাঁর যতো বন্ধু-শুভাকাঙ্খী জুটেছিলো, এই কাব্যগ্রন্থ লেখার পর সবাই তাঁর বিরুদ্ধে চলে যায়। এই কাব্যগ্রন্থ তাঁকে আবার নতুন করে ‘মৌলবাদী’ প্রমাণ করিয়ে দেয়। বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা তাঁর লেখা প্রকাশ বন্ধ করে দেয়। যারা সারাদিন বাক-স্বাধীনতার কথা বলে চায়ের কাপ গরম করতো, সেইসব প্রগতিবাদীদের এমন ডাবল স্ট্যান্ডার্ড দেখে কবি বেশ মজা পান। তাঁর আত্মজীবনীতে এই নিয়ে লিখেন।
কবি হবার দায় অনেক। আশেপাশের অনেকেই সেটা সহ্য করতে পারেন না। নিজের এমন মনোবেদনা নিয়ে কবি লিখেন- “নিজের পক্ষের লোকেরা যখন ক্রমাগত দুঃখের আয়োজন করেন, তখন কবির জন্য অপার্থিব সুখের আয়োজন করেন তার রব।”
জীবনের শেষবেলায় কবি রবের আশ্রয় খুঁজতে থাকেন।
কবি লিখেন:
“কোনো এক ভোর বেলা, রাত্রি শেষে শুভ শুক্রবারে
মৃত্যুর ফেরেস্তা এসে যদি দেয় যাওয়ার তাকিদ;
অপ্রস্তুত এলোমেলো এ গৃহের আলো অন্ধকারে
ভালোমন্দ যা ঘটুক মেনে নেবো এ আমার ঈদ।”
মৃত্যুবরণ করাকে কবি ঈদের সাথে তুলনা করেন কেন? তা-ও আবার শুক্রবারে?
কবি হয়তো এই হাদীসটি জানতেন- “জুম’আর দিনে অথবা জুমু’আর রাতে যদি কোনো মুসলমান ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করে, তাহলে কবরের শাস্তি হতে আল্লাহ তাঁকে রক্ষা করবেন।” [জামে আত-তিরমিজি: ১০৭৪]
১৯৩৬ সালের ১১ জুলাই আল মাহমুদ জন্মগ্রহণ করেন। মৃত্যুবরণ করেন ২০১৯ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি।
জান্নাতে বিশ্বাসী কবিদের পাশে তাঁর স্থান হোক, আমরা এই দু'আ করি।
20/01/2022
#বই : ম্যাসেজ
#লেখক : মিজানুর রহমান আজহারি।
ইসলাম এক নক্ষত্র, যার সংস্পর্শে সমস্ত আঁধার বিলীন হয়ে যায়, ঘোর অমানিশাও তাতে নিজেকে সঁপে দিয়ে আলোকোজ্জ্বল হয়। ইসলাম তো এমন এক জ্যোতিষ্ক, যা উৎসারিত হয়েছে আরশে আজিমের মহিমান্বিত রওশন থেকে। জাহেলিয়াত পরাজয় কবুল করেছিল ইসলামের বুকে আশ্রয় পেয়ে। এই পবিত্র দ্বীন আত্মাকে করেছে প্রশান্ত, চরিত্রকে করেছে নিষ্কলুষ, জীবনকে করেছে সার্থক, মানবতাকে দিয়েছে মুক্তি। এর আলোকচ্ছটা যে জমিনে পড়েছে, সেখানে অঙ্কুরিত হয়েছে শান্তির সবুজ তরু। এই রওশনের ঝলক যে হৃদয় ধারণ করেছে, সে হৃদয় হয়েছে দারাজ দিল। যে যুগ ধারণ করেছে, তা হয়েছে খইরুল কুরুন বা সর্বোত্তম যুগ।
কিন্তু হায়! অজ্ঞতা ও অবহেলার কালো মেঘে সেই সূর্য আজ মেঘ লুপ্ত। আলোহীন এ ধরায় উঠে না প্রাণের জোয়ার। তোলে না কেউ আর মানবতার জয়োধ্বনি। অধিকার হারিয়ে মুমূর্ষুপ্রায় মানবতা। নব্য জাহেলিয়াতের এই গাঢ়-কালো মেঘপুঞ্জ চুর্ণ করতে দরকার একটি নির্ভেজাল ঈমানি দমকা হাওয়া; যে হাওয়ায় জ্ঞানের সৌরভ মিশে মোহিত করবে প্রতিটি হৃদয়। সেই মোহনীয় দক্ষিণা হাওয়ার গুঞ্জন তুলতেই আমাদের আয়োজন-‘ম্যাসেজ’।
বই : ম্যাসেজ
লেখক : মিজানুর রহমান আজহারি
প্রকাশনী : গার্ডিয়ান পাবলিকেশন্স
বিষয় : ইবাদত, আত্মশুদ্ধি ও অনুপ্রেরণা
পৃষ্ঠা : ২৯৬ (হার্ড কভার)
নির্দারিত মূল্য : ২৭৫ টাকা।
অর্ডার করতে নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর লিখে মেসেজ করুন।
অথবা কল করুনঃ 01767-575642
#ডেলিভারি চার্জ ঢাকা সিটির ভিতরে ৪০ টাকা এবং ঢাকার বাহিরে ৭০ টাকা।
31/12/2021
ইকরা বইয়ের পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা।
24/12/2021
#আমরা_শোকাহত
হায়রে জীবন
ঢাকা থেকে বরগুনার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা অভিযান-১০ লঞ্চে সুগন্ধা নদীর মাঝে রাত তিনটার দিকে ভয়াবহ আগুন লেগেছে।
এ ঘটনায় ৩০+ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং শতাধিক মানুষকে দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা যায়।
মৃত ব্যক্তিদের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং আহত সকল যাত্রীর দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি। হে আল্লাহ্ পরিবারের সবাইকে ধৈর্য ধারণ করার তাওফিক দান করুন। আমিন
15/12/2021
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ইকরা বইয়ের পক্ষ থেকে সকলকে শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ 💘💘💘💘💘
03/12/2021
📕ডা. জাকির নায়েক লেকচার সমগ্র(সবখন্ড একত্রে) মাত্র ৩৯০ টাকা!!
অর্ডার এর জন্য "Send Message" এ ক্লিক করে আপনার নাম, মোবাইল নাম্বার ও সম্পূর্ণ ঠিকানা দিন অথবা কল করুন 01767-575642
মুদ্রিত মূল্যঃ ৫০০ টাকা
বিক্রয় মূল্যঃ ৩৯০ টাকা
পৃষ্ঠা: ৮৭৬
20/11/2021
#মুসলিম_জাহানের_চার_খলিফার_জীবনি(৪টি বই)
৪টি বইয়ের মূদ্রিত মূল্য: ১১০৫ টাকা
ডিস্কাউন্ট মূল্য: ৬০০ টাকা
মোট পৃষ্ঠাসংখ্যা—১৩৯২ পৃষ্ঠা
#ফ্রী_ডেলিভারি
১/ মুসলিম জাহানের প্রথম খলিফা হযরত আবু বকর সিদ্দীক রা. (হার্ডকভার)
by মাওলানা নূরুদ্দীন
মূদ্রিত মূল্য - ২৭৫টা
পৃষ্ঠা- ৩৫২
২/ মুসলিম জাহানের তৃতীয় খলিফা হযরত ওসমান রা. (হার্ডকভার)
by মাওলানা নূরুদ্দীন
মূদ্রিত মূল্য - ২০০টা
পৃষ্ঠা- ২২৪
৩/ মুসলিম জাহানের দ্বিতীয় খলিফা হযরত ওমর ফারুক রা. (হার্ডকভার)
by আল্লামা শিবলী নোমানী রহ.
Translator মাওলানা লুৎফুর রহমান
মূদ্রিত মূল্য - ৩৫০টা
পৃষ্ঠা- ৪৪৮
৪/ মুসলিম জাহানের চতুর্থ খলিফা হযরত আলী রা. (হার্ডকভার)
by মাওলানা লুৎফুর রহমান
মূদ্রিত মূল্য - ২৮০টা
পৃষ্ঠা-৩৬৮
ইসলামের ৪ খলিফা ছিলেন আমাদের রাসুল (সঃ) এর খুব কাছের সাহাবী এবং আত্মীয়। তাদের জীবনের সব কিছুই ছিল শিক্ষণীয় দিক নির্দেশনায় ভরপুর। তাদের জীবন নিয়ে আমরা যত জানতে পারবো ততই নিজেদের জ্ঞানের ভান্ডার পূর্ণ হবে।
৪টি বইয়ের মূদ্রিত মূল্য - ১১০৫ টাকা
ডিসকাউন্ট মূল্য - ৬০০ টাকা
#ফ্রী_ডেলিভারি
অর্ডার করতে নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর লিখে মেসেজ করুন।
অথবা কল করুনঃ 01767-575642