14/03/2026
পাবনায় আগমনকালে প্রধানমন্ত্রীর আলোকচিত্রী কে ড্যাবের
ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন
প্রচারে বিএনপির পাশে সব সময়
14/03/2026
পাবনায় আগমনকালে প্রধানমন্ত্রীর আলোকচিত্রী কে ড্যাবের
ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন
12/03/2026
সাংবাদিক মাসুদ কামালের প্রশ্ন : খেজুরের হিসাব যেই ভাবে দিলেন বন্যার ১২ কোটি টাকার হিসাব টা পই পই করে দেন।
এই হিসাব টা তারা দিবে না কারন এটা ছিলো তাদের দলীয় পুজি।
12/03/2026
এটাই পরিবর্তন।
আমাদের প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান। 🌾❤️
যারা বলে ২৫০০ টাকায় কি হয়? হয়তো তাদের বিলাসী জীবনে এই টাকা কিছুই না, কিন্তু এমনও পরিবার আছে যাদের কাছে এই টাকা অনেক কিছু।
#বিএনপি #সবাই
সরকার হিসেবে বিএনপি সফল
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী
Celebrating my 3rd year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉
সংসদ নির্বাচন: ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
একই দিনে হবে গণভোট
তফসিল: ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে।
30/10/2025
জুলাই কারো বাপের না।
প্রথম বাংলাদেশ, আমার শেষ বাংলাদেশ
জীবন বাংলাদেশ, আমার মরন বাংলাদেশ।
06/05/2025
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যুক্তরাজ্যে উন্নত চিকিৎসা শেষে ঢাকায় পৌঁছেছেন।
৬ মে ২০২৫, মঙ্গলবার
#খালেদাজিয়া #তারেকরহমান #বিএনপি
03/05/2025
ডক্টর মুহাম্মদ ইউনুস এর বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, তার ব্যাখ্যা তিনি নিজে কিম্বা তার পক্ষে আজও কেউ দেননি। তাহলে ধরে নিতেই পারি এসব অভিযোগের সবগুলোই সঠিক। তাহলে এসবের দ্বায় তিনি এড়াতে পারেন না। কিন্তু সমস্যা হলো এদেশের প্রচলিত বিচার ব্যবস্থা এতোই লম্বাটে যে, এত্তোসব অভিযোগ আমলে নিয়ে তদন্ত সাপেক্ষে জবাবদিহিতা বা বিচারের আগেই হয়তো তিনি পগারপার হবেন। সেখেত্রে দূর্নীতিগ্রস্ত দুর্ভাগা জাতীর কপালে নতুন কিছু লানত যোগ হবে।
বাংলাদেশীদের কপালে দীর্ঘদিন থেকেই লানতের মালা ঝুলছে এবং ঝুলবে। আমরা এতে অভ্যস্ত হয়েছি যুগযুগান্তর ধরে। এতদঞ্চলের মানুষ বিশেষ করে বাংলাদেশের মানুষ খুব আবেগি। তারা তাড়াতাড়িই অতিত ভুলে যায় এবং ডক্টর মুহাম্মদ ইউনুস এর খেত্রেও তাইই হবে। মানুষ এসব অভিযোগ ভুলে যাবে, ভুলে যাবে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, শপথভঙ্গের কথা এবং নতুন কোনও আবেগে গা ভাসাবে।
আমরা কি ভুলে গেছি আমেরিকা এবং ভারত একাট্টা হয়ে ১/১১ তৈরি করেছিল নির্বাচিত সরকারের পরিবর্তে তাদের তাবেদার সরকার প্রতিষ্ঠার জন্যে? ১/১'র সময় ডক্টর মুহাম্মদ ইউনুস ছিলেন আমেরিকার দাবার গুটি, ১/১১'র অন্যতম কুশিলব ও কারিগর। তাকে দিয়েই একটি কিংস পার্টি বানিয়েও সেসময় সুবিধা করতে পারেনি আমেরিকা।
বলাবাহুল্য, আমেরিকার দীর্ঘদিনের টার্গেট ছিলো ড. মুহাম্মদ ইউনুস'কে বাংলাদেশের রাষ্ট্র পরিচালনার দ্বায়িত্বে বসিয়ে তার সহায়তায় বঙ্গোপসাগর অঞ্চলে আমেরিকার স্বার্থ হাসিল করা। সেইপথে আমেরিকা বলা যায় ২০২৪ সালে এসে অনেকটাই এগিয়েছে।
সময় খুব বেশি দূরে নয়- বাংলাদেশকে একটা দীর্ঘ যুদ্ধে জড়ানো হবে, যেমনটা ইউক্রেইন'কে জড়ানো হয়েছে। মায়ানমারের জান্তা বিরুধি আরাকান আর্মি, রোহিঙ্গা সালভেশন আর্মি (আরসা) চিন বিদ্রোহী বিদ্রোহী গেরিলা গ্রুপের সাথে বাংলাদেশকে জড়িত করে একটি সম্মিলিত বাহিনী লড়বে মায়ানমারের জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে।
তারই প্রাথমিক পদক্ষেপ হলো আরাকান আর্মির জন্য কক্সবাজার এলাকা দিয়ে করিডোর চাওয়া। বলা হচ্ছে রোহিঙ্গাদের ত্রান সহায়তা দেয়ার জন্যে এই করিডোর ব্যবহার করা হবে। হয়তো হবেও কয়েকদিন, কিন্তু সে করিডোর মুলত ব্যবহৃত হবে সামরিক সরবরাহ লাইন হিসাবে। আমেরিকা, ইউরোপ ও ব্রিটিশ গোলাবারুদ করিডোর দিয়ে যাবে যুদ্ধখেত্রে আর শুনশান নিরব বঙ্গোপসাগর হয়ে উঠবে উত্তপ্ত অস্ত্র সরবরাহের সচল ভাসমান ঘাটি।
বিশ্বের চারটি পরাশক্তি পরিকল্পিত এই দীর্ঘযুদ্ধে অংশিদার হবে। কেননা- আরাকানের পুরো দখল নিতে হলে চীনের তৈরি আরাকানের আধুনিক সমুদ্র বন্দরটিকে দখল করতে হবে। রাশিয়া ও চীন চাইবে জান্তা সরকার টিকে থাকুক। ভারত তার লগ্নী করা অর্থের প্রজেক্টগুলো টিকিয়ে রাখার স্বার্থে রাশিয়া ও চীনের সাথে জান্তার পক্ষে লড়াই করবে। বলা চলে দক্ষিন এশিয়া হয়ে উঠবে বারুদের গন্ধময় বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চল।
আমেরিকা, ইউরোপ, ব্রিটেন এক ঢিলে দুই/তিন পাখি মারবে। তারা মধ্যপ্রাচ্য থেকে রাশিয়াকে দক্ষিন এশিয়ায় নিয়ে আসবে, যা ইতিমধ্যে সিরিয়ার পতনের মাধ্যমে শুরু হয়েছে। তারপর ইরানকে একচেটিয়া আঘাত করে করে পর্যুদস্ত করবে এবং কয়েক টুকরা করে ফেলবে। অবশ্যই এর পরের টার্গেট হবে তুর্কীরা। রথচাইল্ড পরিকল্পনায় গ্রেটার ইসরাইল বাস্তবায়ন ক্রমশ এগিয়ে যাবে এবং ২০৩৫ সালের মধ্যেই তা বাস্তবায়ন হয়ে যাবে। তখন ইসরাইল শাসন করবে গোটা মধ্যপ্রাচ্য সহ উত্তর আফ্রিকার বিশাল অঞ্চল। ্বি অঞ্চলের সম্পদের একচ্ছত্র মালিক ও নিয়ন্ত্রল হবে ইসরায়েল আর ইসরাইলী শাসনের আওতায় থাকা মধ্যপ্রাচ্যের সব মুসলিম দেশগুলো ভেঙ্গেচুরে টুকরো টুকরো হবে। তাদেরকে নিজেদের মধ্যে যুদ্ধ বাধিয়ে দিয়ে দিবে ইসরায়েল যা যুগযুগান্তর ধরে চলবে। ফলে ক্রমশ সম্পদ হারিয়ে গরীব হতে হতে একদিন অতিতে ফিরে যাবে অধিকাংশ আরব মুসলিম দেশ। আর এটাই হবে ভোগবিলাসে মত্ত ও বিভক্ত মুসলিমদের শেষ নিয়তি।
মায়ানমার কনফ্লিক্টে জড়িয়ে বাংলাদেশ আরও গরীব হবে। আমেরিকা ইউরোপ ও ব্রিটেন বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চল, ভারতের মিজোরাম, বার্মার আরাকান, রাখাইন সহ আরও কিছু অঞ্চল নিয়ে এশিয়ায় নতুন ইসরাইল বানাবে আগামী এক দশকের মধ্যেই।
এরই মধে ডক্টর মুহাম্মদ ইউনুস'কে জাতিসংঘের মহাসচিব বানিয়ে পুরস্কৃত করবে লানতের ব্যক্তি উপহার হিসাবে। লানতীয় সেই উপহার পেয়েই আবেগি বাংলাদেশীরা আবেগের বঙ্গোপসাগর ও সম্পদের আরব সাগরে ভেসে ভেসে দক্ষিন এশিয়া থেকে মধ্যপ্রাচ্য হয়ে প্রশান্ত মহাসাগরে অনির্দিষ্টকালের জন্য হারিয়ে যাবে।
বিশ্বাস হয়না! বিশ্বাস করো!
করতেই হবে।