ফেসবুকের হোমপেইজে গেলে দেখি চাঁদ 'লাল', তারপর আমার এখানের আকাশের দিকে তাকাইলে দেখি চাঁদ এখনো সাদা! :🙂
A R S E N I K
Simple but signifitiant
একটা সিনারিও চিন্তা করুন।
ধরুন, হ/ম\স বললো তাদের লড়াইয়ের উদ্দেশ্য শরীঅ।হ প্রতিষ্ঠা না। তারা সেক্যুলার ওয়েতে দেশ চালানোর ঘোষণা দিলো এবং ইস্র\ইলকে মেনে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলো। বিনিময়ে ইস্র\ইল ও আমেরিকা তাদেরকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দিলো। যুদ্ধ বন্ধ হয়ে গেলো। আর কোনো মুসলিমদের মৃত্যু হলো না।
মুসলিমরা অন্তত মারা যাচ্ছে না, তারা খাবার-পানি পাচ্ছে, আপনি কি এ আউটকামে খুশী হবেন?
যদি আপনার জবাব 'হ্যাঁ' হয়, তাহলে ভাই, মুসলিম হিসেবে আপনার ঈমান-আক্বীদাহ ও আন্ডারস্ট্যান্ডিং এ সিরিয়াস সমস্যা আছে। আল্লাহর ওয়াদা, আখিরাতের বাস্তবতা, সাফল্যের সংজ্ঞা নিয়ে আপনার আলাদাভাবে ভাবা উচিত, পড়ালেখা করা উচিত, ঈমান বৃদ্ধি করা উচিত।
মুসলিম হিসেবে আমাদের বাস্তবতা, বিজয় ও সাফল্যের কনসেপ্ট পুরোপুরি ভিন্ন। আমাদের জন্য দুঃখ-দূর্দশা আসলেই সেটা পরাজয় না, অনেক বিলাসী জীবন কাটালেই সেটা মুক্তি না। নাস্তিকদের চিন্তা এমন হতে পারে। কিন্তু আমাদের চূড়ান্ত বিজয় দুনিয়ায় না, বরং আখিরাতে। কারণ দুনিয়ার যেকোনো কিছু দুনিয়ার মতই ক্ষণস্থায়ী।
তাই আবু সুফিয়ান (পরে ইসলাম গ্রহণ করেন) উহুদের পরে যখন বলছিলো, "হে মুহাম্মদ! তোমরা একটাতে বিজয় অর্জন করেছো, আমরা একটাতে। সমান সমান হলো।" এর জবাবে তখন উমর রাদিআল্লাহু আনহু বলেন, "আমাদের মৃতরা জান্নাতে যাবে, তোদের মৃতরা যাবে জাহান্নামে। আমাদের মাওলা আছে, তোদের মাওলা নেই। আমরা কখনোই সমান না।"
অর্থাৎ, মুমিন ও বাকিরা সমান না। দুনিয়ার পরাজয়ই পরাজয় না।
তাহলে দুনিয়ার এ দুঃখ-দূর্দশার ফলাফল কী? কখন বোঝা যাবে এটা রাহমাহ না আযাব? এ ব্যাপারে ইমাম ইবনে তাইমিয়া বলেন, "যদি কোনো কষ্ট কাউকে আল্লাহর কাছে আনে, সেটাই তার জন্য রাহমাহ। আর যদি কোনো বিলাসিতাও তাকে আল্লাহ থেকে দূরে নিয়ে যায়, তাহলে সেটা তার জন্য আযাব।"
শান্তিতে থাকতে পারা, মৌলিক অধিকার পাওয়া জরুরি নিঃসন্দেহে। কিন্তু পশুর মত এগুলোই আমাদের চূড়ান্ত মাক্বসাদ না। যেকোনো পরিস্থিতিতে আল্লাহর আনুগত্য করে, তার রজ্জু আরো আঁকড়ে ধরে আখিরাতে জান্নাত অর্জন করাটাই হবে মুমিনের চূড়ান্ত লক্ষ্য। সেটাই আসল সাফল্য।
তাই তো সন্তানের লাশ কোলে নিয়ে ফি[লি]*তিনি বাবা বলতে পারে, "কাবার রবের শপথ! আমরা সফল হয়েছি।"
collected
জান্নাতে অনন্তকালের যৌবন পেতে খনিকের দুনিয়ায় দাড়ি, বাবড়ি চুল রাখা এবং খাস পর্দার কারণে না হয় একটু বুড়ো/বুড়ি খেতাব পেলেন। তাতে ক্ষতি কী???
আল্লাহ যদি কিয়ামতের মাঠে জিজ্ঞেস করে ওহে আবু উবায়দা কী নেক আমল নিয়ে এসেছ?
: আল্লাহ! আমি আপনার নিপীড়িত বান্দাদের জন্য লড়াই করেছি। তাদেরকে মুক্ত করে মায়ের মুখে হাসি ফুটিয়েছি। বাবার চোখে আনন্দের অশ্রু এনে দিয়েছি।
আল্লাহ যদি জিজ্ঞেস করে ওহে অমুক শায়েখ! তুমি কী নেক আমল নিয়ে এসেছ?
: আল্লাহ! আপনার পথে যারা জিহাদ করেছে, আপনার মাজলুম বান্দাদের জন্য যারা নিজেদের জীবন বাজি রেখেছে, যারা হতভাগা মায়ের মুখে হাসি ফুটিয়েছে; আমি তাদের আকীদার ভুল ধরেছি। তাদেরকে আরব শাসকদের আনুগত্য করতে বলেছি। ঘরে বসে সহীহ আকীদার ডিলারশিপ বিলি করতে বলেছি।
22/11/2023
ঈমানদার মুসলিমদের বিজয় তো সুনিশ্চিত।🕋☝️
কিন্তু, বিজয়ের আগে মহান "আল্লাহ্'তাআলা'র" কাছে মুসলিমদেরকে ঈমানী পরীক্ষা দিতে হবে এবং জি হা দের ময়দানে জান-মাল উৎসর্গ করে দিতে হবে।🤗
ইতিহাসে লেখা থাকবে, চরম বিপদের দিনে গাজা একাই লড়ে গিয়েছে। অথচ চারপাশে ছিল অস্ত্রসস্ত্রে সজ্জিত ২১টি আরব দেশ। গাজার সহায়তার জন্য তারা একটুও নড়েনি।
ইতিহাসে লেখা থাকবে, আরব আমিরাতের দুই জন স্বেচ্ছাসেবী ‘ম্যাগেন ডেভিড অ্যাডম’-এর সঙ্গে যোগ দিয়েছে- আহত ইহুদীদের চিকিৎসা সহায়তা দিতে। যখন ইহুদী রাষ্ট্রটি গুড়িয়ে চলেছে গাজার একেকটি হাসপাতাল।
ইতিহাসে আরো লেখা থাকবে, গাজাবাসীর খাদ্য, ওষুধ ও পানির তীব্র প্রয়োজন ছিল, অথচ গোটা আরব বিশ্ব মিলে ত্রাণের একটি ট্রাকও পাঠাতে পারেনি।
ইতিহাসে এও লেখা থাকবে, ১৭ বছর ধরে অবরুদ্ধ ছোট্ট ভূখণ্ড গাজা এমন একটি বাহিনীকে পরাজিত করেছে, যাদেরকে আরবের ২১টি দেশের বাহিনী ভয় করে।
ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে, গাজা উম্মতের আগামীর পথ এঁকে দিয়েছে, সাধ্যের সবটুকু নিয়ে নিজ কর্তব্যে অটল থেকেছে। দখলদার ও তার সহযোগীদের সামনে ভেঙে পড়েনি। যে সময়ে মুসলিম বিশ্বের তথাকথিত নেতারা ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে হামাগুড়ি দিচ্ছিল।
হে মহাপরাক্রমশালী আল্লাহ, তোমার কুদরতে, শুধু তোমার কুদরতে ফিলিস্তিন ও আলআকসাকে স্বাধীন করো। গাজার ভাইদের তুমি সাহায্য করো। আমীন ইয়া রাব্বাল আলামীন।
~আবু ফারহা}
[আল কাউসার]
فَإِن طَلَّقَهَا فَلَا تَحِلُّ لَهُ مِن بَعْدُ حَتَّىٰ تَنكِحَ زَوْجًا غَيْرَهُ ۗ فَإِن طَلَّقَهَا فَلَا جُنَاحَ عَلَيْهِمَا أَن يَتَرَاجَعَا إِن ظَنَّا أَن يُقِيمَا حُدُودَ اللَّهِ ۗ وَتِلْكَ حُدُودُ اللَّهِ يُبَيِّنُهَا لِقَوْمٍ يَعْلَمُونَ [٢:٢٣] وقال الليث عن نافع كان ابن عمر إذا سئل عمن طلق ثلاثا قال لو طلقت مرة أو مرتين فأن النبي صلى الله عليه و سلم أمرني بهذا فإن طلقتها ثلاثا حرمت حتى تنكح زوجا غيرك
স্ত্রীকে তিন তালাক দিয়ে দেবার পর উক্ত স্ত্রীর সাথে ঘর সংসার করার কোন সুযোগ নেই। প্রতিটি মুমিন মুসলমান আল্লাহর ও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিদের্শ মানতে বাধ্য।
মূল কথাঃ তিন তালাকের পর করনীয়
আপনি যখন শরীয়তের আইন লঙ্ঘণ করলেন, তখন শাস্তি হিসেবে আইন করা হয়েছে যে,
উক্ত স্বামীর কাছে স্ত্রী আর আসতে পারবে না। শাস্তি স্বরূপ তারই স্ত্রী অন্য ব্যক্তির সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হবে। এবং দ্বিতীয় স্বামীর সাথে সহবাস হতে হবে।
তারপর যদি দ্বিতীয় স্বামী মারা যায়, কিংবা কোন কারণে তালাক দেয়, তাহলেই কেবল প্রথম স্বামী আবার বিয়ে করতে পারবে। ইদ্দত শেষ হওয়ার পর।
এটা শরীয়তের আইন লঙ্ঘণকারী স্বামীর জন্য একটি শাস্তি। তার নিজের স্ত্রী অন্য ব্যক্তির সাথে শারিরীক সম্পর্কে জড়াবে। একজন স্বামীর জন্য এর চেয়ে বড় শাস্তি আর কী হতে পারে?
সহজ কথায় শরীয়ত লঙ্ঘণকারী স্বামীর জন্য শাস্তিস্বরূপ এ বিধান রাখা হয়েছে।
"মসজিদে আযান হলো, কেউ এলো না। মসজিদে ২য় বার আযান হলো, সবাই মুয়াজ্জিনকে পেটাতো আসলো কারন ২ বার আযান দেবার কোন নিয়ম নাই"
যা বুঝার তা বুঝে নেন!
20/09/2023
এরকম খবর তো দেখেনই, পানিতে ডুবে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রের মৃত্যু। অবাক না হয়ে পারা যায় না, পুরো দুনিয়ায় পানিতে ডুবে মরা মানুষের ৮৫%এরই বয়স ১৪ বছরের নিচে, সেখানে গ্রাজুয়েশন লেভেল পড়া এতগুলো ধামড়া ছেলে কেন পানিতে ডুবে মরে?
বাংলাদেশের একসময়ের বিখ্যাত ব্লগার নয়ন চ্যটার্জি খুব দারুণ একটা অবজারবেশন এনেছিলেন। ভার্সিটির ম্যাক্সিমাম ছেলে মূলত জিন্স পরে। এরপর কোথাও সাতার কাটতে গিয়ে ওই কাপড়েই নেমে পড়ে। পানিতে কিছুক্ষণ থাকার পর পা-ই প্রচন্ড ভারী হয়ে যায়, বরং দুই পায়ে দুটো ইট বেঁধে দিলেও এর চেয়ে কম ভারী হতো। এই অবস্থায় কোনো দক্ষ সাতারুর পক্ষেও ভেসে থাকা সম্ভব নয়। এরপর লাইফগার্ড কিংবা কেউ পৌছানোর আগেই দ্রুত ডুবে যায়। প্রফেশনাল সাতারের পোশাক এজন্যই ছোট হয়।
বাংলাদেশের ভার্সিটিগুলো যে কী পরিমাণ ইউজলেস মাল জন্ম দিচ্ছে তার প্রমাণ এই ঘটনাগুলো। যে ফালতু সিলেবাস তা তো সরকারী বেসরকারী কোনো জব দিতে পারলো না, ইভেন লাইফের বেসিক শিক্ষাটাও নিতে পারলো না। কারণ ভার্সিটি শেখায় না কিভাবে ট্যাক্স হিসেব করতে হয়, বিজনেস স্টার্ট করতে হয়, আগুন লাগলে কিভাবে নেভাতে হয়।
বড় ক্রিমিনাল শিক্ষকরা। তারা জীবন চলে গেলেও সিলেবাস আপডেট করবেন না, কারণ করলে সেই ৪০ বছর আগে নেওয়া পিএইচডিখানার আর কোনো দাম থাকবে না। তাই সেই প্রাগৈতিহাসিক 'জ্ঞান' রোজ উগরে দেবেন আর ছাত্ররা উত্তরাধিকার সুত্রে পাওয়া শীট কপি করে 'পাবলিক ভার্সিটিতে রয়াল(?) ডিপার্টমেন্টে পড়া গ্রাজুয়েটের' দাম্ভিকতা দেখানোর চেষ্টা করবে।
আর কোন ছাত্র রেয়ারলি বড় কিছু ফেললে সবার আগে বেহায়ার মত ক্রেডিটটা নিতে চলে আসবেন, 'সে ছিল আমাদের নিয়মিত ছাত্র'। ইভেন বিসিএসেও! অথচ এই শিক্ষকদেরই দেওয়া অ্যাটেন্ডেন্স, টেস্ট, আর অ্যাসাইনমেন্টের ঠেলায় ছাত্ররা চাকরির পড়া পড়তে পারেনি।
মেয়েদের উচ্চশিক্ষা নিয়ে আপত্তির বড় অংশ এখানেই। ইউনিভার্সিটি যদি সত্যি সত্যি কোনো ভ্যলু অফার করতে পারতো, তাহলে খানিকটা যৌক্তিক ছিলো। ভ্যালু তো নেইই, গিটার, ব্যভিচার, আর 'ভাইয়ের জয় হোক'। আমরা 'জ্ঞানার্জন থেকে বাঁধা দিচ্ছি' এটা স্টুপিড লেভেলের যুক্তি। কারণ, কেবল জ্ঞানই উদ্দেশ্য হলে এরচেয়ে হাজারগুণ ইফেক্টিভ বিকল্প রয়েছে।
এখন দুনিয়া কত বদলে গেছে! টিচারের দেড় ঘন্টা ঘুমধরানো লেকচারের পরিবর্তে দশ মিনিটের ইউটিউব টিউটোরিয়াল বেশি কিছু শেখায়। সিনিয়রের নোটের চাইতে চ্যটজিপিটি বেটার।
আশার কথা এই, আমাদের নতুন জেনারেশন এই বড়সড় স্কামের ব্যপারে জানতে পারছে।
ভার্সিটি ৬ বছর পড়িয়ে বিশ হাজার টাকার একটা চাকরীর নিশ্চয়তা দিতে পারছে না, অথচ ইউটিউব দেখে অনলাইন ক্যারিয়ার গড়ে ফেলেছে এরকম ছেলের সংখ্যা তো কম না।
____________
আহমাদ খান
 ক্রিকেটের সবচেয়ে শক্তিশালি দলের (রেন্ডিয়া) বিরুদ্ধে এমন পারফরম্যান্স করার পর কেন তানজিম সাকিবের দেড় বছর আগের স্ট্যাটাস মনে পড়লো! আগে কেনো তা কারো চোখে পড়েনি?
কাহিনী কী বুঝতে পারছেন তো!
বাতাস কিন্তু উলটা বইছে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Dhaka
63447
