Mushroom Valley - মাশরুম ভ্যালি

Mushroom Valley - মাশরুম ভ্যালি

Share

আসুন নিয়মিত মাশরুম খাই, রোগবালাই থেক

22/02/2025

একই খরচে বেশি উপকার
তাহলে মাশরুম চাও কফি কেন নয়?

26/07/2022

🍄🍄 ডায়াবেটিস অথবা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য আপনি যদি ওষুধ খেয়ে থাকেন, তাহলে ওষুধের পাশাপাশি মাশরুম কফি খেতে পারেন। মাশরুম দেহের অপকারী কোলেস্টোরেলের মাত্রা কমায়, উপকারী কোলেস্টোরেল বাড়ায় এবং বিভিন্ন ধরনের প্রদাহ কমিয়ে দেয়।
👉 আমাদের কাছে পাচ্ছেনঃ
✅ ১. ইন্সট্যান্ট মাশরুম স্যুপ 🍲
✅ ২. ইন্সট্যান্ট মাশরুম চা 🍵
✅ ৩. ইন্সট্যান্ট মাশরুম কফি ☕
✅ ৪. মাশরুম পাউডার 🍚
📌 প্যাকেট সাইজঃ ৫০০ গ্রাম ও ২৫০ গ্রাম।
📌 যে কোন পরিমান অর্ডার করতে ইনবক্স করুন অথবা যোগাযোগ করুনঃ
☎ +880 1844-450095 (Direct Call/ Whatsapp)
🌐 www.wowcoffeebd.com
📍 Fresh Enterprise, House: 248, Azampur Super Market, Sha Kobir Mazar Road, Dakhin khan, Uttara, Dhaka-1230.

03/07/2022

প্রতিদিন নূন্যতম ১ চা চামচ গুড়া মাশরুম বা মাশরুম পাউডার মাত্র ছয় মাসেই আপনার হৃদরোগ এবং উচ্চ রক্তচাপ নিরাময় করবে সম্পূর্ণভাবে। এছাড়াও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও মেধাশক্তি বৃদ্ধিতে মাশরুম পাউডার অত্যন্ত কার্যকরী ভাবে কাজ করে।

29/06/2022

যদি আপনিও নিজেকে পুরোপুরি সক্রিয় করতে চান তবে আপনার মাশরুম কফি খাওয়া উচিত। এটি প্রতিদিন ব্যবহৃত কফির চেয়ে বেশি উপকারী এবং আপনার হজমতন্ত্রকে উন্নত করতে কাজ করে।
মাশরুম ওষুধের জন্য ব্যবহৃত হয় তবে সম্প্রতি মাশরুম কফি প্রস্তুত করা হয়েছে। আসলে মাশরুম কফিতে মাশরুমের কোন স্বাদ নেই। কারণ এটি মাশরুম পাউডার থেকে তৈর করা হয়।

মাশরুম কফি খাওয়ার উপকারিতা:-
শক্তি বৃদ্ধি করে

মাশরুম কফিতে ক্যাফিনের পরিমাণ সাধারণ কফির তুলনায় অনেক কম থাকে । তবে এর পরেও মাশরুম কফি আপনাকে শক্তি দিতে কাজ করে। এটি আপনাকে সক্রিয় রাখতে সহায়তা করবে এবং আপনার ক্লান্তি দূর করার জন্যও সাহায্য করবে। এটি গ্রহণ করলে কোনও ক্ষতি হবে না।

ওজন হ্রাস করে

যদি আপনি ওজন হ্রাস করতে চান, তবে আপনার মাশরুম কফি খাওয়া উচিত। মাশরুম কফি ওজন কমাতে খুব উপকারী । এতে অন্য কফির মতো বেশি পরিমাণ ফ্যাট এবং কোলেস্টেরল নেই।
হাড় মজবুত করে
মাশরুমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এবং খনিজ রয়েছে, যাতে সেলেনিয়াম, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম রয়েছে। এই সমস্ত উপাদানগুলি হাড়কে শক্তিশালী রাখতে আপনাকে সাহায্য করবে। এ ছাড়া মাশরুম কফি আপনার জয়েন্টে ব্যথা থেকেও মুক্তি দিতে পারে।

হজমে সহায়তা করে

মাৎসুওটেক মাশরুমগুলিতে উপস্থিত উপাদানগুলি আপনার হজমের কাজ করে।

রক্তে শর্করাকে সুষম করে তোলে

মাশরুমে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে যার কারণে এটি রক্তে শর্করার পরিমাণ ভারসাম্যহীন করে এবং বিপাকে সাহায্য করে।
যারা সাধারণ কফি থেকে নিজেকে দূরে রাখতে চান তাদের জন্য মাশরুম কফি একটি দুর্দান্ত বিকল্প হতে পারে। তবে গর্ভবতী মহিলাদের মাশরুম কফি খাওয়া উচিত নয়।

22/06/2022

মাশরুম খেলে ডায়াবেটিস রোগীদের যা হয়
ডায়াবেটিস হলে অনেক খাবারই এড়িয়ে চলতে হয়। রক্তে শর্করার পরিমাণ ঠিক রাখতে পুষ্টিকর খাবার খেতে হয়। এতে করে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় ডায়াবেটিস।

স্বাস্থ্য সচেতনরা নিয়মিত মাশরুম খেয়ে থাকেন। জানেন কি, মাশরুম স্বাস্থ্যের জন্য কতটা উপকারী? মাশরুম রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমাতে পারে।
এক গবেষণায় দেখা গেছে, হোয়াইট বাটন মাশরুম একটি প্রি-বায়োটিক হিসেবে কাজ করে এবং অন্ত্রে ব্যাকটেরিয়ার গঠন পরিবর্তন করতে সহায়তা করে।

যা লিভারে ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণকে আরও উন্নত করতে সাহায্য করে। এই গবেষণাটি ইঁদুরের উপর পরিচালিত হয়েছিল। প্রতিদিন প্রায় ৩ আউন্স করে মাশরুম খাওয়ানো হত ইঁদুরকে। এরপর জানা যায়, মাশরুম প্রি-বায়োটিক হিসেবে কাজ করে।

ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে মাশরুমের স্বাস্থ্য উপকারিতা অনেক। বাজারে বিভিন্ন ধরনের মাশরুম পাওয়া যায়। তবে এগুলোর মধ্যে সাদা, পোর্টোবেলো মাশরুম ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী।
ডায়াবেটিস রোগীদের মাশরুম খাওয়া কেন জরুরি?

>> প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে মাশরুমে। এটি সেলেনিউম সমৃদ্ধ; যা একটি শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট।

>> অক্সিডেটিভ স্ট্রেস শরীরে ইনসুলিন প্রতিরোধের কারণ হয়ে থাকে এবং টাইপ ২ ডায়াবেটিসের দিকে পরিচালিত করে। তাই মাশরুম খেলে ইনসুলিন সংবেদনশীলতা উন্নত করে এবং রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা কমে।

>> পলিস্যাকারাইড মাশরুমে পাওয়া এই সক্রিয় যৌগতে অ্যান্টি-ডায়াবেটিক প্রভাব রয়েছে।

>> মাশরুমে ক্যালোরির পরিমাণ অনেক কম। এতে দ্রবণীয় ফাইবার বেশি থাকে। যেকোনো খাবারের সঙ্গে মাশরুম খাওয়া যেতে পারে।

18/06/2022

সপ্তাহে অন্তত তিনদিন মাশরুম সুপ খাওয়া জরুরি কেন জানেন?

মাত্রাতিরিক্ত দূষণ, অনিয়ন্ত্রত জীবনযাত্রা এবং স্ট্রেসের কারণে যেভাবে আমাদের শরীর ভাঙতে শুরু করেছে, তাতে মাশরুম খাওয়ার প্রয়োজন যে বেড়েছে, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। কারণ একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত এই প্রকৃতিক উপাদনটি খাওয়া শুরু করলে শরীরের অন্দরে এমন কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করে যে তার প্রভাবে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে ক্যান্সার রোগও দূরে থাকতে বাধ্য হয়। তবে ভাববেন না এখানেই শেষ। সম্প্রতি একটি গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত মাশরুম খাওয়ার অভ্যাস করলে ত্বকের বয়সের কাঁটা এগতেই পারে না। ফলে আমৃত্যু ত্বক সুন্দর এবং প্রাণচ্ছ্বল রাখার স্বপ্ন পূরণে আর কোনও বাঁধাই থাকে না। সেই সঙ্গে মেলে নানাবিধ শারীরিক উপকারও। যেমন ধরুন...

১. সেলেনিয়ামের ঘাটতি দূর করে: হাড়কে শক্তপোক্ত করার পাশাপাশি দাঁতের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে, চুল এবং নখের সৌন্দর্য বাড়াতে এবং শরীরকে বিষ মুক্ত রাখতে এই উপাদানটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর সেলেনিয়াম সবথেকে বেশি মাত্রায় থাকে মাশরুমে। এবার বুঝেছেন তো এই প্রকৃতিক উপাদনটি দিয়ে বানানো সুপ খাওয়ার প্রয়োজন কতটা!

২. পুষ্টির ঘাটতি দূর করে: একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে শরীরকে চালাতে যে যে পুষ্টিকর উপাদানগুলির প্রয়োজন পরে, তার বেশিরভাগই মজুত থাকে মাশরুমে। যেমন ভিটামিন ডি-এর কথাই ধরুন না। এই উপাদানটি শরীরের প্রতিটি অঙ্গকে সচল রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রসঙ্গত, এই প্রাকৃতিক উপাদানটি খাওয়া শুরু করলে ক্যালসিয়াম এবং ফসফরাসের ঘাটতিও দূর হয়। ফলে সার্বিকভাবে শরীরের সচলতা বৃদ্ধি পেতে সময় লাগে না।

৩. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে: আর্গোথিয়োনাইন নামক বিশেষ এক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট মজুত রয়েছে মাশরুমে। এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্টটি ইমিউনিটি বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর একবার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে গেলে কোনও রোগের পক্ষেই আর শরীরকে আক্রমণ করা সম্ভব হয় না। ফলে সুস্থ জীবনের পথ প্রশস্ত হয়। প্রসঙ্গত, মাশরুমের মধ্যে থাকা প্রকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক নানাবিধ সংক্রমণের আশঙ্কা কমাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৪. ডায়াবেটিস রোগকে দূরে রাখে: পরিবারে সুগার রোগের ইতিহাস আছে নাকি? যদি থাকে তাহলে রোজের ডায়েটে মাশরুমের অন্তর্ভুক্তি মাস্ট! কারণ এতে থাকা প্রকৃতিক ইনসুলিন শরীরে প্রবেশ করার পর রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে শুরু করে। ফলে ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে। তবে এখানেই শেষ নয়, একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে মাশরুম, লিভার, প্যানক্রিয়াস এবং অন্যান্য এন্ডোক্রনিক গ্ল্যান্ডের কর্মক্ষমতা বাড়াতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৫. অ্যানিমিয়ার প্রকোপ কমায়: শরীরে আয়রনের পরিমাণ কমতে শুরু করলে লহিত রক্ত কণিকার উৎপাদনে বাঁধা আসতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই অ্যানিমিয়ার প্রকোপ বাড়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। এমন পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে মাশরুমের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। কারণ এই প্রকৃতিক উপাদানটি আয়রনে ঠাসা। ফলে অ্যানিমিক রোগীদের নিয়ম করে মাশরুম খাওয়ালে রোগের প্রকোপ কমতে সময়ই লাগে না।

৬. আয়রনের ঘাটতি দূর করে: লোহিত রক্ত কণিকার উৎপাদন বাড়ানোর মধ্যে দিয়ে রক্তাল্পতার মতো সমস্যা দূর করতে এবং শরীরের সচলতা বাড়াতে আয়রন বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এই কারণেই তো নিয়মিত মাশরুম খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা। কারণ এতে উপস্থিত কপার আয়রনের শোষণ মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। ফলে দেহে এই খনিজটির ঘাটতি হাওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়।

৭. খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়: মাশরুমের শরীরে মজুত থাকা ফাইবার এবং উপকারি এনজাইম শরীরে প্রবেশ করার পর এমন খেল দেখায় যে ধীরে ধীরে রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল বা এল ডি এল মাত্রা কমতে শুরু করে। অন্যদিকে বাড়তে শুরু করে উপকারি কোলেস্টেরলের মাত্রা। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হার্টের কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। সেই সঙ্গে কমে অ্যাথেরোস্কেলেরোসিস, হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের আশঙ্কাও।

৮. রক্তচাপকে স্বাভাবিক রাখে: নানা কারণে রক্তচাপ কি খুব ওঠানামা করছে? তাহলে তো মাশাই মাশরুমের সঙ্গই আপনার বন্ধুত্ব করার সময় এসে গেছে। কারণ মাশরুমে উপস্থিত পটাশিয়াম, শরীরের অন্দরে সোডিয়ামের ভারসাম্য ঠিক রাখার মধ্যে দিয়ে ব্লাড প্রেসারকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৯. ক্যান্সার রোগকে দূরে রাখে: মাশরুমের অন্দরে বিটা-গ্লকেন এবং লাইনোলিক অ্যাসিড নামে দুটি উপাদান থাকে, যা শরীরে প্রবেশ করার পর কার্সিনোজেনিক গ্রোথ হতে দেয় না। সেই সঙ্গে শরীর থেকে টক্সিক উপাদানদেরও বের করে দেয়। ফলে ক্যান্সার রোগ ধারে কাছেও আসতে পারে না। প্রসঙ্গত, গত কয়েক বছরে আমাদের দেশে যে হারে ক্যান্সার রোগের প্রকোপ বেড়েছে, তাতে মাশরুমের মতো অ্যান্টি-কার্সিনোজেনিক খাবার খাওয়ার প্রয়োজন যে বেড়েছে, তাতে কোনও সন্দেহ নেই।

১০. হাড়কে শক্তপোক্ত করে: ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ হওয়ার কারণে নিয়মিত এই প্রকৃতিক উপাদানটি খেলে ধীরে ধীরে হাড়ের গঠনে উন্নতি ঘটতে শুরু করে। সেই সঙ্গে নানাবিধ হাড়ের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও হ্রাস পায়। তাই তো বুড়ো বয়সে গিয়ে যদি জয়েন্টের ব্যথায় কাবু হতে না চান, তাহলে এখন থেকেই মাশরুমের সঙ্গে বন্ধুত্ব পাতাতে শুরু করুন। দেখবেন দারুন উপকার পাবেন।

13/06/2022

🍄🍄 মাশরুম চা কেন?
এই চায়ের মূল উপাদান মাশরুম। হাই প্রোটিনযুক্ত। হজম হয় তাড়াতাড়ি। প্রোটিন ছাড়াও এতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও খনিজপদার্থ। বিশেষ করে মধুমেহ, রক্তাল্পতা, ওবেসিটিতে যাঁরা ভুগছেন, তাঁদের জন্য উপকারী। স্মৃতিশক্তি বাড়াতে, ত্বক সজীব রাখতে, হাড় শক্ত রাখতেও এর জুড়ি মেলা ভার। তবে এর জনপ্রিয়তার আসল কারণ হল, উচ্চ অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট উপাদান। যা কোষের পুনর্জন্মে সাহায্য করে। তাই মালাই মারকে নয়, কাল থেকে সকালে নিতে হবে মাশরুম চা।
অ্যান্টিভাইরাল বৈশিষ্ট্য

মাশরুম চা অ্যান্টিভাইরাল বৈশিষ্ট্যে ভরপুর। প্রাণীদের উপর করা একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, চাগা মাশরুমের নির্যাস হেপাটাইটিস সি ভাইরাসের উপর দারুন কার্যকর। মাত্র ১০ মিনিটে ভাইরাসের সংক্রমণের মাত্রা ১০০ গুণ কমিয়ে দেয়। যাই হোক, অ্যান্টিভাইরাল থেরাপিতে এই মাশরুমগুলির প্রভাব নিয়ে এখনও প্রচুর গবেষণা প্রয়োজন।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়

আজ থেকে নয়, বহুদিন ধরেই মাশরুম চায়ের জনপ্রিয়তা রয়েছে। মূলত হালকা মিষ্টি গন্ধের জন্যই অনেকে এই চা খুব পছন্দ করেন। তবে গবেষণা থেকে জানা গিয়েছে, চাগা মাশরুমের নির্যাস প্লীহা লিম্ফোসাইটকে উদ্দীপিত করে। এতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, বেটাগ্লুকান, প্রোটিন ও ভিটামিন। যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

টিউমার কমায়

মাশরুম চা নিয়মিত এবং পরিমিত সেবন টিউমার এবং ক্যানসার কোষের বৃদ্ধি রুখে দেয়। ওয়ার্ল্ড জার্নাল অফ গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি দ্বারা প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে মাশরুম চা লিভারে ক্যানসার কোষের বৃদ্ধি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে। গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল ক্যানসার প্রতিরোধেও মাশরুম চা ভালো কাজ দেয়।

উচ্চ রক্তচাপ কমায়

এতে সোডিয়ামের পরিমাণ খুবই কম থাকে। এবং এতে উচ্চমাত্রার আঁশ এবং প্রচুর পরিমাণে পটাসিয়াম থাকে যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। প্রোটিন, ফাইবার, ভিটামিন এবং মিনারেলে ভর্তি মাশরুম ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য খুবই উপকারী। মাশরুমে এনজাইম ও প্রাকৃতিক ইনসুলিন থাকে যা চিনিকে ভাঙতে পারে।

13/03/2022

🍄🍄 ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগ নিয়ন্ত্রনে মাশরুম স্যুপ খুবই উপকারী। একমাত্র আমাদের কাছেই পাচ্ছেন নিজস্ব খামার হতে উৎপাদিত ইন্সট্যান্ট মাশরুম স্যুপ যা মাত্র ২ মিনিটের গরম পানিতেই তৈরী করা যায়।
👉 আমাদের কাছে পাচ্ছেনঃ
✅ ১. ইন্সট্যান্ট মাশরুম স্যুপ 🍲
✅ ২. ইন্সট্যান্ট মাশরুম চা 🍵
✅ ৩. ইন্সট্যান্ট মাশরুম কফি ☕
✅ ৪. মাশরুম পাউডার 🍚
📌 প্যাকেট সাইজঃ ৫০ গ্রাম ও ১০০ গ্রাম।
📌 যে কোন পরিমান অর্ডার করতে ইনবক্স করুন অথবা যোগাযোগ করুনঃ
☎ +880 1844-450095 (Direct Call/ Whatsapp)
🌐 www.wowcoffeebd.com
📍 Fresh Enterprise, House: 248, Azampur Super Market, Sha Kobir Mazar Road, Dakhin khan, Uttara, Dhaka-1230.

08/02/2022

🍄মাশরুম স্যুপ🍄
যে কোন পরিমান প্যাকেট কিনলেই এখন পাচ্ছেন ৫০% ছাড়ে।
🍲 ১০০ গ্রাম ১৩০ টাকা ।
🍲 ৫০ গ্রাম ৭৫ টাকা ।
অর্ডার করতে ইনবক্স করুন।
অথবা যোগাযোগ করুনঃ
☎ +880 1844-450095 (Whatsapp)
🌐 www.wowcoffeebd.com
📍 Fresh Enterprise, House: 248, Azampur Super Market, Sha Kobir Mazar Road, Dakhin khan, Uttara, Dhaka-1230.

08/02/2022

মাশরুম কি এবং কেন ???

মাশরুম হলো এক ধরণের ভক্ষণযোগ্য মৃতজীবী ছত্রাকের ফলন্ত অংগ। এগুলো মূলত Basidiomycetes অথবা Ascomycetes শ্রেণীর অন্তরগত ছত্রাক। ছত্রাকবিদরা বিশ্বে প্রায় ৩ লক্ষ প্রজাতির ছত্রাক চিহ্নিত করতে পেরেছেন। এই অসংখ্য ছত্রাকের মধ্য থেকে দীর্ঘ যাচাই ও বাছাই করে যে সমস্ত ছত্রাক সম্পূর্ণ খাওয়ার উপযোগী, পুষ্টিকর ও সুস্বাদু সেগুলোকেই তাঁরা মাশরুম হিসেবে গণ্য করেছেন। সুতরাং ব্যাঙের ছাতা এবং মাশরুম এক জিনিস নয়। ব্যাঙের ছাতা প্রাকৃতিক ভাবে যত্রতত্র গজিয়ে ওঠা বিষাক্ত ছত্রাকের ফলন্ত অংগ কিন্তু মাশরুম হলো বিশ্বের সর্বাধুনিক পদ্ধতি (টিস্যু কালচার)-এর মাধ্যমে উৎপন্ন বীজ দ্বারা সম্পূর্ণ পরিচ্ছন্ন পরিবেশে বিজ্ঞান সম্মত উপায়ে চাষ করা সুস্বাদু, পুষ্টিকর এবং ঔষধীগুণ সম্পন্ন সবজি, যা সম্পূর্ণ হালাল।

মাশরুম একপ্রকার অপুষ্পক উদ্ভিদ। সবজি হিসেবে এটি একটি পুষ্টিকর খাদ্য। এটি ছত্রাকের বা ইউমাইসেটিসের অন্তর্ক্তূক্ত। এতে সবুজ কণা (Chlorophyll) নাই বিধায় সবুজ কণাযুক্ত উদ্ভিদের মতো নিজের খাদ্য নিজে প্রস্তুত করতে পারে না। সে কারণে খাদ্যের জন্য এরা প্রাণীজ বা উদ্ভিজ বস্তুর ওপর নির্ভরশীল। মাশরুমের মত দেখতে বন জংগলে ছাতা আকৃতির ছত্রাক জন্মে যেগুলো খাওয়ার অনুপযোগী ও বিষাক্ত। গ্রীকরা মাশরুমকে যোদ্ধাদের শক্তিবর্ধক খাবার হিসেবে গন্য করেন, রোমানরা একে ঈশ্বরের খাবার এবং চাইনিজ লোকেরা মাশরুমকে দীঘজীবি হওয়ার খাদ্য হিসেবে বিশ্বাস করেন। ছত্রাকের উঁচু ও নিচু এই দুটি স্তর রয়েছে, মাশরুম উঁচু স্তরের ছত্রাক এবং প্রধানতঃ ব্যাসিডিউমাইসেটিস শ্রেনীর অন্তর্ভূক্ত, এতে যৌন স্পোর হয়। ক্যারিওগ্যামী (Karyogamy) ও মিওসিসের (meiosis) ফলশ্রুতিতে এই স্পোর উৎপন্ন হয় এবং এগুলো এক নিউক্লিয়েট বিশিষ্ট এবং হ্যাপলয়েড (Haploid)
ব্যাসিডিওমাইসেটিস ব্যতিত এসকোমাইসেটিস শ্রেণীর অন্তর্গত কিছু মাশরুম রয়েছে এগুলো স্পঞ্জ মাশরুম বা মোরেল (morels) নামে পরিচিতি। এক্ষেত্রেও যৌন স্পোর হয় তবে তা বেসিডিও স্পোর নয়, তা এসকোস্পোর (ascospore) নামে পরিচিতি। স্পঞ্জ মাশরুমও ভক্ষণযোগ্য। আমরা ছাতার মতো মাশরুমের যে অংশটি দেখতে পাই এটিকে ছত্রাকের ফ্রুটিং বডি (fruiting body) বলা হয়।

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


House: 248, Azampur Super Market, Sha Kobir Mazar Road, Dakhin Khan, Uttara
Dhaka
1230