সরকার বাহাদুর,
প্লিজ ছিনতাইকারী নিয়ন্ত্রণ করুন।
আপনাদের আইন শৃঙ্খলার অবস্থা ইউনুস আমলের হলে তো মুশকিল।
Dhaka, ঢাকা
Dhaka [ ঢাকা ] is a district in central Bangladesh and is the densest district in the nation.
রোজার মাসে সরকারি অফিসে দাড়িওয়ালা ঘুষখোরদের ওজু করে দৌড়াদৌড়ি দেখলে কি করতে ইচ্ছে করে?
#রমজান #রোজা #ইসলাম
01/12/2025
বীর প্রতীক ক্যাপ্টেন (অব:) সিতারা বেগম।
বীর প্রতীক ক্যাপ্টেন (অব.) সিতারা বেগম ১৯৭১ সালে ত্রিপুরার বিশ্রামগঞ্জে অবস্থিত বাংলাদেশ ফিল্ড হাসপাতালের প্রধান ছিলেন। হাসপাতালের দায়িত্বরতদের মধ্যে তিনিই একমাত্র সেনাবাহিনী থেকে আগত অফিসার। সিতারা বেগম মেজর হায়দারের বোন। মুক্তিযুদ্ধে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি বীর প্রতীক উপাধি লাভ করেন।
#সিতারাবেগম #মুক্তিযুদ্ধ #গিরিধরদে #বাংলাদেশের_দুষ্প্রাপ্য_ছবি_সমগ্র #ইতিহাসেরখোঁজেগিরিধর
28/11/2025
শাহবাগে ‘গানের আর্তনাদ’ অনুষ্ঠানে ‘জুলাই মঞ্চের’ হামলা
বাউল আবুল সরকারকে গ্রেপ্তার এবং মানিকগঞ্জ ও ঠাকুরগাঁওয়ে বাউল শিল্পীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে আয়োজিত ‘গানের আর্তনাদ’ অনুষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার বিকাল সাড়ে চারটার দিকে রাজধানীর শাহবাগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের সামনে এ ঘটনা ঘটে। আয়োজক ও অংশগ্রহণকারীদের অভিযোগ, ‘জুলাই মঞ্চ’-এর কয়েকজন সদস্য এই হামলা চালিয়েছেন।
আয়োজকদের অভিযোগ: পূর্বপরিকল্পিত হামলা
ঘটনার বিষয়ে বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক সামি আবদুল্লাহ বলেন,
“জুলাই মঞ্চ ও উসমান হাদির ভোটের প্রচারের ‘কনসার্ট ফর ঢাকা’ অনুষ্ঠান থেকে কিছু লোক এসে আমাদের পূর্বঘোষিত কর্মসূচিতে হামলা চালিয়েছে। এটি সম্পূর্ণ পূর্বপরিকল্পিত ছিল। কর্মসূচি শুরুর আগেই তারা বিভিন্ন জায়গায় জড়ো হয়েছিল। তারা আমাদের প্রোগ্রামের ব্যানার ভাঙচুর করেছে।”
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী মিশকাত তানিশা অভিযোগ করেন,
“হামলাকারীদের একজন আমাকে জুতা খুলে মারার হুমকি দিয়েছে।”
আয়োজকের বক্তব্য: ব্যাকড্রপ ভাঙচুর, মাইকে চিৎকার
‘গানের আর্তনাদ’ অনুষ্ঠানের এক আয়োজক মার্জিয়া প্রভা বলেন,
“বাউল আবুল সরকারের মুক্তির দাবি ও সারা দেশে বাউলদের ওপর হামলার প্রতিবাদে আয়োজিত আমাদের কর্মসূচিতে জুলাই মঞ্চ মব হামলা করেছে। তারা এসে মাইকে চিৎকার করে আবুল সরকারের নাম সরিয়ে দিতে বলে। আমাদের ব্যাকড্রপ ভেঙে দেওয়া হয়েছে। তবে আমাদের বন্ধুরা শক্তভাবে এই মব প্রতিহত করেছে, আমরা ভয় পাইনি। মশাল মিছিলের মাধ্যমে সারা বাংলায় বাউলদের ওপর হামলার প্রতিবাদ ও আবুল সরকারের মুক্তির দাবি জানানো হবে।”
জুলাই মঞ্চের পাল্টা কর্মসূচি ও বক্তব্য
ঘটনার সময় শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে ‘ধর্মীয় মূল্যবোধে আঘাতকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা’ এবং ‘জাতীয় সম্প্রীতি বিনষ্টে উদ্ভূত সাংস্কৃতিক চক্রান্ত প্রতিরোধে জুলাই সমাবেশ’ শীর্ষক আরেকটি কর্মসূচির আয়োজন করে জুলাই মঞ্চ।
সেখানে বক্তব্য দিতে গিয়ে মাসুম বিল্লাহ বলেন,
“আমরা পাশেই আমাদের কর্মসূচিতে ছিলাম এবং তাদের বোঝানোর চেষ্টা করেছি যেন ধর্ম নিয়ে কটূক্তিকারীদের পক্ষে কোনো অনুষ্ঠান না করা হয়। কিন্তু তারা আমাদের কথা শোনেনি। এরা সবসময় মেয়েদের সামনে রেখে তেড়ে আসে। মেয়েরা নয়, আসলে এরাই সন্ত্রাসী এবং মেয়েদের সামনে রেখে আক্রমণ চালায়।”
জুলাই মঞ্চের এক আয়োজক মো. ওয়াসীর বলেন,
“আমরা বলেছিলাম, আপনারা বাউলদের পক্ষে আন্দোলন করুন, কিন্তু আবুল সরকারের নামটি বাদ দিন। তারা রাজি হয়নি। তাই আমরা তাদের বোঝাতে চেয়েছি—এখানে কোনো কালচারাল ফ্যাসিজম চলবে না।”
কিছু লোক বর্বরতাকে গৌরবের বিষয় বানিয়েছে। এই ক্ষতির পোষাতে আমাদের বহু বছর লাগবে।
যে মাছ আমার আত্মীয় স্বজন প্রতিবেশিরা কিনে খেতে পারবে না, আমি টাকা থাকলেও সেটা কিনে খাবো না।
আসেন এই শপথ নেই। এটাই মনুষ্যত্ব।
যোগেন্দ্রনাথের পদত্যাগপত্র
বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের রাজনৈতিক অসচেতনতার একটি বড় দৃষ্টান্ত বরিশালের যোগেন্দ্রনাথ মণ্ডল। তিনি হিন্দু হয়েও মুসলিমলীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলেন। তিনি পাকিস্তান সরকারের আইন ও শ্রম বিষয়ের মন্ত্রী ছিলেন। ১৯৫০ সালে পাকিস্তানের সাম্প্রদায়িক আক্রমণকৃত অঞ্চল পরিদর্শন করে তিনি বুঝতে পারেন হিন্দু সম্প্রদায়ের হয়েও মুসলিমলীগকে সমর্থন করা তার উচিত হয়নি। অতীতের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে তার মধ্যে ব্যাপক অনুশোচনা আসে। ১৯৪৭ থেকে ১৯৫০ সাল পর্যন্ত বন্দর নগরী ও পাকিস্তানের সাবেক রাজধানী করাচীতে বসবাস করতেন। তিনি পশ্চিম পাকিস্তানে যাওয়ার পথে কোলকাতা বিমানবন্দরে অবতারণ করেন। সেখান থেকেই পরবর্তীতে তিনি ১৯৫০ সালের ৮ আগস্ট একটি দীর্ঘ পদত্যাগপত্র পাকিস্তানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খানের বরাবরে প্রদান করেন। সম্পূর্ণ পদত্যাগপত্রটি জুড়ে প্রকাশ পেয়েছে অন্যের শক্তিতে শক্তিমান হতে চাওয়া ভ্রান্ত এক রাজনীতিবিদের প্রচণ্ড হতাশার কথা। পদত্যাগপত্রটি বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি ঐতিহাসিক দলিল হয়ে আছে।পদত্যাগপত্রে যোগেন্দ্রনাথ মণ্ডল বলেন:
"প্রিয় প্রধানমন্ত্রী মহোদয়,
পূর্ব বাংলার অনগ্রসর হিন্দু জনগণের উন্নতি সাধন আমার জীবন সাধনা। উদ্দেশ্য সাধনের ব্যর্থতায় আমি চরম হতাশাগ্রস্ত। তাই গভীর ভারাক্রান্ত হহৃদয়ে আপনার মন্ত্রী পরিষদ থেকে পদত্যাগ করছি। ভারত-পাক উপমহাদেশের ইতিহাসের এই সন্ধিক্ষণে যে সকল কারণ আমাকে পদত্যাগে প্রণোদিত করেছে– তার বিস্তারিত বিবরণ দেওয়া সঙ্গত বলে আমি মনে করি।
..অনুতাপ-অনুশোচনার সঙ্গে সেই দিনগুলির কথা স্মরণে আসে যখন এই উপমহাদেশের ৩২ কোটি হিন্দু আমার বিরুদ্ধে ছিল এবং আমাকে চিহ্নিত করেছিল হিন্দু ও হিন্দুধর্মের শত্রুরূপে। ...ঢাকায় নয়দিন অবস্থান কালে আমি ঢাকা ও তার সন্নিহিত দাঙ্গা-বিধ্বস্ত এলাকাগুলি পরিদর্শন করি।... ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকা চট্টাগ্রাম রেলপথে শত-শত হিন্দু-হত্যায় আমি মর্মাহত। বরিশালে পৌঁছে দাঙ্গার যে চিত্র আমি পেয়েছি তা আমাকে স্তম্ভিত করেছে। আমি বুঝতে পারি না যে জেলা সদর থেকে মাত্র ৬ মাইল দূরে কাশীপুর, মাধবপাশা ও লাকুটিয়ায় এরকম ভয়াবহ দাঙ্গা কিভাবে হতে পারে। মাধবপাশা জমিদার বাড়িতেই ২০০ হিন্দুকে হত্যা করা হয়। আহতের সংখ্যা ৪০। মুলাদিতে দেখেছি নরকের বীভৎসতা। মুলাদি বন্দরেই (পাট-গুদামে) হত্যা করা হয় ৩০০ হিন্দুকে।... পুরুষদের নির্বিচারে হত্যা করে হিন্দু যুবতীদের লুণ্ঠিত দ্রব্যের ন্যায় উপঢৌকন দেওয়া হয় হত্যা কাণ্ডের নায়কদের।
..মার্চের শেষদিকে শুরু হয় হিন্দুদের দেশান্তর-যাত্রা, ব্যাপকভাবে। মনে হল যেন অনতিবিলম্বেই সকল হিন্দু পূর্ব পাকিস্তান ছেড়ে ভারতে চলে যাবে। ভারতে সৃষ্টি হয় তীব্র প্রতিক্রিয়া—ওঠে রণ-হুংকার। পরিস্থিতি খুবই সঙ্কটজনক। একটা জাতীয় বিপর্যয় যেন অবশ্যম্ভাবী। অনিবার্য দুর্যোগ এড়াতে স্বাক্ষরিত হল দিল্লিচুক্তি।
দিল্লিচুক্তির ৬ মাস পরেও পাকিস্তানে ও বিদেশে হিন্দু-বিদ্বেষী ও ভারতে বিরোধী প্রচার অব্যাহত। সমগ্র পাকিস্তানে “কাশ্মীর দিবস" পালন সেই সাক্ষ্যই বহন করে। ভারতে বসবাসকারী মুসলমানের নিরাপত্তার জন্য পাকিস্তানের শক্তিশালী সামরিক বাহিনীর প্রয়োজন—পাঞ্জাবের (পাক) রাজ্যপালের এই সাম্প্রতিক বিবৃতিতে ভারতের প্রতি পাকিস্তানের প্রকৃত উদ্দেশ্য সুস্পষ্ট।
পূর্ববাংলার অবস্থা আজ কিরূপ? ইতিমধ্যেই ৫০ লক্ষ হিন্দু দেশত্যাগ করেছে। ....স্বদেশে হিন্দুরা আজ “রাষ্ট্রহীন”—প্রবাসী। তাদের একমাত্র অপরাধ—ধর্মে তারা হিন্দু। আমার সুচিন্তিত সিদ্ধান্ত, পাকিস্তানে হিন্দুদের কোন স্থান নেই। তাঁদের ভবিষ্যৎ গাঢ় তমসায় আচ্ছন্ন—হয় ধর্মান্তর অথবা অস্তিত্ব লোপ।
..পাকিস্তানের সামগ্রিক অবস্থা–হিন্দুদের প্রতি চরম নৃশংসতার কথা বাদ দিলেও আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাও কম বিষাদ-তিক্ত ও ইঙ্গিতবহ নয়। সংসদীয় দলের নেতা ও প্রধান মন্ত্রী রূপে আপনি গত ৮-ই সেপ্টেম্বর আমাকে এক বিবৃতি দিতে বাধ্য করেছিলেন। আপনি জানেন অসত্য এবং তার চেয়েও ঘৃণ্য অর্ধসত্যের উপর ভিত্তি করে কোন বিবৃতি দানে আমি সম্মত ছিলাম না।...এই ভণ্ডামী ও অসত্যের গুরুভার অসহনীয়। বিবেকের দংশনে আমি জর্জরিত । তাই মন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং আপনার হাতে তা অর্পণ করছি। আশা করি, বিলম্ব না করে আপনি তা গ্রহণ করবেন। আপনি অবশ্য এই শুন্যপদ এমন ভাবে পুরণ করবেন যা আপনার ইসলামিক রাষ্ট্রের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য সাধনে হবে সহায়ক ও সঙ্গতিপূর্ণ।"
( নিত্যরঞ্জন দাস ২০১০ : ৩৭২-৩৭৪)
তথ্য সহায়তা:
১. নিত্যরঞ্জন দাস, 'মুসলিম শাসন ও ভারতবর্ষ', তুহিনা প্রকাশনী, কলকাতা: এপ্রিল ২০১০
ড. শ্রীকুশল বরণ চক্রবর্ত্তী
সহকারী অধ্যাপক,
সংস্কৃত বিভাগ,
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
ছেলেটি বিয়ের আগে বলেছিল, তোমাকে রাণীর মত রাখবো, মেয়েটি বিয়ের পর বুঝল, রানী তার স্বামীর প্রথম স্ত্রীর নাম।
01/08/2025
ছবিটি ১৯৭২ সালের আগস্ট মাসে তোলা—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চত্বরে এক টুকরো ইতিহাস যেন জমে আছে এতে। সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম, যারা যুদ্ধ দেখেছে, স্বপ্ন বুনেছে, এবার তারা জ্ঞান ও চিন্তাশীলতার পথে এগোচ্ছে। ছবিতে ছেলেমেয়েরা মডার্ণ পোশাকে—কিন্তু সে আধুনিকতা ভদ্র, রুচিশীল এবং শালীন।
সেসময় ক্যাম্পাসের যে চিত্র ছিলো তা হলো -
মেয়েরা কেউ হালকা রঙের সালোয়ার কামিজে, কেউবা শাড়ি পরে ক্যাম্পাসে হাঁটছে আত্মবিশ্বাস নিয়ে। তাদের চোখেমুখে স্পষ্ট এক ধরনের বুদ্ধিবৃত্তিক ঔজ্জ্বল্য। ছেলেরা সাধারণত হাফ শার্ট বা পাঞ্জাবি পরেছে—সাদামাটা কিন্তু পরিপাটি। কারও কাঁধে বইয়ের ব্যাগ, কেউ দাঁড়িয়ে তর্ক করছে সময়ের রাজনীতি ও সংস্কৃতি নিয়ে।
এই ছবিটি শুধু পোশাকের নয়, মননের পরিচয় বহন করে। সেই সময়ের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একাডেমিক শিক্ষার কেন্দ্র ছিল না, ছিল প্রগতিশীলতা, সংস্কৃতি, রাজনীতি আর সৌন্দর্যের মিলনমঞ্চ। এদের আলাদা করে চেনা যেত—তাদের চলন, ভাবনা, চাহনি, এবং শালীন অথচ দৃঢ় উচ্চারণে।
এই ছবি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—প্রগতি মানেই পশ্চিমা অনুকরণ নয়, আর শালীনতা মানেই পশ্চাৎপদতা নয়। ১৯৭২ সালের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ছিল সেই সেতু—যারা ঐতিহ্য ও আধুনিকতার মাঝে ভারসাম্য বজায় রেখে এক নতুন বাংলাদেশের ভিত্তি গড়ছিল।
14/07/2025
এখা ভালো থাকা যায় না,
সকলকে নিয়ে ভালো থাকাটা স্থায়ী হয়।
এই নববর্ষটি খৃস্টীয়। খেরেস্তানদের, নাসারাদের।
সেজন্য এটাকে আপন করতে না পারলে পুরো ত্যাগ করুন। কাজকর্ম হিজরি বা বাংলা বর্ষে করুন।
পারবেন?
পারবেন না।
যদি নাই পারেন, তবে ন্যাকামি বাদ দিয়ে নিউ ইয়ার মেনে নিন, পালন করুন।
Happy New Year!
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Dhaka Sadar
Dhaka
1000
