Shams Arman - Fire Officer

Shams Arman - Fire Officer

Share

Firefighter, Rescuer, HAZMAT Responder, SFF Specialist, Fire Safety Specialist, Instructor of FSCD on SFF-HAZMAT-Fire Safety and Compliance.

31/01/2026
27/01/2026

যে সকল কেমিক্যাল তরল কিন্তু দাহ্য নয়, সে সকল কেমিক্যাল কী বিস্ফোরণ ঘটাতে পারে? যদি পারে... তাহলে কিভাবে ঘটে এই বিস্ফোরণ?

Photos from Shams Arman - Fire Officer's post 26/01/2026

ক্লোজড সার্কিট ও ওপেন সার্কিট ব্রিদিং এপারেটাস এর পরিচিতি:

১। ওপেন সার্কিট ব্রিদিং অ্যাপারেটাস (Open Circuit Breathing Apparatus)
সংজ্ঞা:
যে ব্রিদিং অ্যাপারেটাসে ব্যবহারকারী সিলিন্ডারে সংরক্ষিত কমপ্রেসড এয়ার শ্বাস হিসেবে গ্রহণ করে এবং নিঃশ্বাস ছাড়ার পর সেই বাতাস সরাসরি বাইরের পরিবেশে বের হয়ে যায় তাকে ওপেন সার্কিট ব্রিদিং অ্যাপারেটাস বলে। সিলিন্ডারে ফ্রেশ এয়ার থাকে।

ওপেন সার্কিট ব্রিদিং অ্যাপারেটাস সাধারণত একটি এয়ার সিলিন্ডার, প্রেসার রেগুলেটর, ফেস মাস্ক, ব্যাকপ্লেট এবং হারনেস নিয়ে গঠিত। এতে ব্যবহৃত বাতাস পুনঃব্যবহার করা হয় না; ফলে প্রতিটি নিঃশ্বাসের পর বাতাস অপচয় হয়। তবে এই ব্যবস্থাটি তুলনামূলকভাবে সহজ, নিরাপদ এবং ত্রুটি শনাক্ত করা সহজ হওয়ায় অগ্নিনির্বাপণ কার্যক্রমে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্ট্রাকচারাল ফায়ার, স্মোকি এনভায়রনমেন্ট, টক্সিক গ্যাসপূর্ণ স্থানে রেসকিউ অপারেশনে এই ব্রিদিং অ্যাপারেটাসই ব্যবহার করে।

২। ক্লোজড সার্কিট ব্রিদিং অ্যাপারেটাস (Closed Circuit Breathing Apparatus)

সংজ্ঞা:
যে ব্রিদিং অ্যাপারেটাসে ব্যবহারকারীর নিঃশ্বাসে ত্যাগকৃত বাতাস পুনরায় ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ব্যবহারযোগ্য করে তোলা হয় এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করে অক্সিজেন যোগ করে পুনঃব্যবহার করা হয় তাকে ক্লোজড সার্কিট ব্রিদিং অ্যাপারেটাস বলে।

অর্থাৎ ক্লোজড সার্কিট ব্রিদিং অ্যাপারেটাস হলো এমন একটি শ্বাসযন্ত্র যেখানে ব্যবহারকারী যে বাতাস শ্বাস নিয়ে আবার ছাড়ে, সেই বাতাস বাইরে ফেলে দেওয়া হয় না। বরং সেই বাতাস যন্ত্রের ভেতরেই আবার ব্যবহারযোগ্য করে তোলা হয়।

*সিলিন্ডারে কী থাকে?
বিশুদ্ধ অক্সিজেন (Pure Oxygen) থাকে, বাতাস (Compressed Air) নয়।

ক্লোজড সার্কিট ব্রিদিং অ্যাপারেটাসে নিঃশ্বাসে ত্যাগকৃত বাতাস একটি ক্লোজড লুপের মাধ্যমে পুনরায় সিস্টেমে ফিরে আসে। এতে CO₂ স্ক্রাবার কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করে এবং নির্দিষ্ট মাত্রায় অক্সিজেন যোগ করে। ফলে বাতাসের অপচয় খুব কম হয় এবং দীর্ঘ সময় ব্যবহার সম্ভব হয়।
এই যন্ত্রটি গঠনগতভাবে জটিল এবং ব্যবহারে উচ্চমাত্রার প্রশিক্ষণ প্রয়োজন। দীর্ঘ সময় একটানা ব্যবহারে অক্সিজেনের ঘনত্ব বেড়ে গেলে অক্সিজেন টক্সিসিটির ঝুঁকি থাকতে পারে। সাধারণত টানেল, মাইন, সাবমেরিন, কেমিক্যাল বা বিষাক্ত গ্যাসপূর্ণ স্থানে রেসকিউ অপারেশনে যেখানে দীর্ঘ সময় কাজ করতে হয়, সেখানে এটি ব্যবহৃত হয়।

17/01/2026

মোঃ শফিকুল ইসলাম, উপ সহকারী পরিচালক, মুন্সিগঞ্জ। আপনার আতিথেয়তা, সৌজন্যতা ও সফরের এ আয়োজন অত্যন্ত মনোমুগ্ধকর ছিল। অসংখ্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।

03/01/2026

স্মোক রিডিং (Smoke Reading):
Smoke Reading বলতে আগুন লাগার সময় উৎপন্ন ধোঁয়ার রং, ঘনত্ব, গতি, চাপ ও আচরণ পর্যবেক্ষণ করে আগুনের অবস্থা, বিস্তার ও সম্ভাব্য ঝুঁকি সম্পর্কে ধারণা নেওয়ার প্রক্রিয়াকে বোঝায়। এটি ফায়ার ফাইটারদের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কৌশল, কারণ ধোঁয়াই অনেক সময় আগুনের প্রকৃত অবস্থা সম্পর্কে ফায়ারফাইটারদের পূর্বাভাস দিয়ে থাকে।

Smoke Reading কেন জরুরি?

* আগুনের তীব্রতা ও অবস্থান অনুমান করা যায়

* ফ্ল্যাশওভার বা ব্যাকড্রাফটের সম্ভাবনা বোঝা যায়

* ভেতরে প্রবেশ করা নিরাপদ কিনা সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়

* ভেন্টিলেশন কৌশল নির্ধারণে সহায়তা করে

* ফায়ার ফাইটারদের জীবন রক্ষা করে

স্মোক রিডিং-এর মূল ভিত্তি:
স্মোক রিডিং করার সময় মূলত ধোঁয়ার ৪টি প্রধান বৈশিষ্ট্য বা উপাদান বিশ্লেষণ করতে হয়। যথা-
১. সাইজ (Size/Volume): ধোঁয়ার পরিমাণ (কম, মাঝারি, বেশি) থেকে বোঝা যায় আগুন কতটা বড় এবং কতটা জ্বালানি পুড়ছে। প্রচুর ধোঁয়া মানে বড় আগুন।
২. স্পিড (Speed/Velocity): ধোঁয়া কত দ্রুত বের হচ্ছে বা ছড়িয়ে পড়ছে। ধোঁয়া ধীরে বের হওয়া মানে আগুন নিয়ন্ত্রিত বা ছোট। ধোঁয়া দ্রুত ও চাপ নিয়ে বের হওয়া মানে আগুন দ্রুত বিস্তার লাভ করছে। দ্রুত গতির ধোঁয়া মানে ভিতরে প্রচণ্ড তাপ ও চাপ।
৩. শেপ (Shape/Density): ধোঁয়ার ঘনত্ব বা আকার। ধোঁয়া হালকা ও পাতলা অর্থ আগুন কম বা আগুনের উৎস আরও দূরে বা গভীরে। ঘন ও ভারী ধোঁয়া অর্থ উচ্চ তাপমাত্রা ও অসম্পূর্ণ দহন। ঘন ধোঁয়া মানে অক্সিজেন কম এবং বিস্ফোরণের ঝুঁকি বেশি।
৪. কালার (Color):
* সাদা ধোঁয়া (White Smoke): এটি সাধারণত আগুনের শুরুর দিকে দেখা যায়। এটি নির্দেশ করে যে জ্বালানি গরম হচ্ছে কিন্তু এখনো পুড়ছে না (Pyrolysis)। এটি শুরুর দিকের প্রজ্বলন বাষ্প বা অপূর্ণ দহন থেকে হতে পারে।
বিপদ: যদিও এটি কম বিপজ্জনক মনে হয়, তবে উচ্চ তাপমাত্রায় অক্সিজেনের অভাবে সাদা ধোঁয়া হঠাৎ কালো হয়ে যেতে পারে (incomplete combustion), যা বিস্ফোরণের ঝুঁকি তৈরি করে।

* ঘন কালো ধোঁয়া (Black Smoke): এটি অপূর্ণ দহনের (Incomplete Combustion) লক্ষণ। আগুনে প্রচুর জ্বালানি আছে কিন্তু পর্যাপ্ত অক্সিজেন নেই। কৃত্রিম বস্তু যেমন প্লাস্টিক, রাবার, সিন্থেটিক বা পেট্রোলিয়াম পোড়ালে সাধারণত কালো ধোঁয়া হয়।
বিপদ: কালো ধোঁয়া আগুনকে অত্যন্ত উত্তপ্ত এবং অনিয়ন্ত্রিত করে তোলে। ঘন কালো ধোঁয়া জানালার বাইরে বের হলে বোঝা যায় ঘরের ভেতরে তাপমাত্রা অনেক বেশি এবং যেকোনো মুহূর্তে ফ্ল্যাশওভার (Flashover) ঘটতে পারে।

* হালকা বাদামী বা হলুদাভ ধোঁয়া (Tan/Brown/Yellow Smoke):
এটি সাধারণত প্রাকৃতিক জিনিস যেমন কাঠ, কাগজ বা তুলা পোড়ার ফলে হয়। আগুনটি সম্ভবত ভেন্টিলেশন বা অক্সিজেন পাচ্ছে এবং নিয়ন্ত্রণযোগ্য অবস্থায় আছে।
বিপদ: যদি ধোঁয়ার চাপ বেশি থাকে এবং এটি দ্রুত ছড়ায়, তবে আগুন খুব শক্তিশালী হতে পারে।

* ধূসর ধোঁয়া (Gray Smoke): এটি সাধারণত মিশ্র উপাদান পোড়ার ফলে হয়। যদি ধোঁয়া কালো থেকে ধূসরে পরিবর্তিত হয়, তবে বোঝা যায় আগুন কমে আসছে বা জ্বালানি শেষ হয়ে আসছে। তবে হালকা ধূসর ধোঁয়া উচ্চ তাপমাত্রার কারণেও হতে পারে।
আবদ্ধ কক্ষে কালো বা ধূসর ধোঁয়া (Trapped and black or Gray smoke): Decay Stage-এ অক্সিজেন স্বল্পতা, উচ্চ তাপ ও ব্যাকড্রাফট-এর সম্ভাবনা। এখানে Puffing smoke (দরজা-জানালার ছোট ফাঁকা দিয়ে ধোঁয়া একবার বের হওয়া ও আবার ভিতরে ঢুকে যাওয়া) দেখা দিলে ফায়ারফাইটারগণ একটু অসাবধান হলে হঠাৎ দরজা জানালা খুললেই ব্যাকড্রাফট হবে।

ফায়ারফাইটারদের জন্য করণীয়:

*প্রবেশের আগে বাইরে দাঁড়িয়ে ধোঁয়া বিশ্লেষণ;

*প্রয়োজন অনুযায়ী ভেন্টিলেশন পরিকল্পনা;

*SCBA ছাড়া কখনো ধোঁয়ার মধ্যে প্রবেশ নয়;

*Smoke reading অনুযায়ী অ্যাটাক স্ট্র্যাটেজি পরিবর্তন।

Photos from Shams Arman - Fire Officer's post 25/12/2025

স্মোক রিডিং (Smoke Reading) হলো একজন দক্ষ ফায়ারফাইটারের "ষষ্ঠ ইন্দ্রিয়"। এটি কেবল দেখার বিষয় নয়, বরং অভিজ্ঞতা এবং তাত্ত্বিক জ্ঞানের সমন্বয়। ধোঁয়ার রঙ, গতি এবং আকৃতি পড়তে না পারলে আগুন নেভানোর কাজ চরম ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে।
“Understanding Fire Science reduces firefighting risk."

20/12/2025

ফায়ারফাইটিং মানে শুধু পানি নিক্ষেপ নয়—আগুনের বিজ্ঞান বোঝা।

এই জ্ঞান ছাড়া আগুন নেভানো সম্ভব, কিন্তু নিরাপদভাবে নয়।

থারমাল ক্যাপাসিটি (Thermal Capacity) ও থার্মাল লেয়ার (Thermal Layer):

এই দুইটি ধারনা ফায়ার ফাইটারদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এগুলো সরাসরি আগুনের আচরণ, তাপের বিস্তার, ফ্ল্যাশওভার ঝুঁকি এবং ফায়ার ফাইটারের জীবন সুরক্ষার সঙ্গে সম্পর্কিত।

♨️ থারমাল ক্যাপাসিটি কেন জানা জরুরি:
🛑 কোনো বস্তুর তাপ শোষণ ক্ষমতাকে ঐ বস্তুর থার্মাল ক্যাপাসিটি বলা হয়। থার্মাল ক্যাপাসিটি দুইটি বৈশিষ্ট্যকে নির্দেশ করে - তাপ শোষণ ও তা ধারন করার ক্ষমতা। 

🛑 কংক্রিট, ইট, স্টিল বা ভারী যন্ত্রপাতির থারমাল ক্যাপাসিটি বেশি। আগুন নিভলেও এগুলো দীর্ঘ সময় তাপ ধরে রাখে, ফলে পুনঃপ্রজ্জ্বলনের সম্ভাবনা থাকে।

🛑 উচ্চ থারমাল ক্যাপাসিটি সম্পন্ন বস্তু ঠান্ডা করতে বেশি পানি ও সময় লাগে—এটা না জানলে আগুন আবার জ্বলে উঠতে পারে।

🛑 স্টিল উচ্চ তাপে শক্তি হারায়। স্টিলে বেশি তাপ সঞ্চিত থাকলে ছাদ বা বিম হঠাৎ ধসে পড়ার ঝুঁকি থাকে।

🛑 আগুন নিভে যাওয়ার পরও বস্তুর ভেতরে সঞ্চিত তাপ ফায়ার ফাইটারদের জন্য বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে।

🛑 বাইরে থেকে ঠান্ডা মনে হলেও ভেতরে উচ্চ তাপ থাকলে হঠাৎ স্ট্রাকচারাল ফেইলিউর বা ফ্ল্যাশ ওভার ঘটতে পারে। তাই কক্ষের ভিতরে প্রবেশ করতে হলে অবশ্যই টেম্পারেচার চেক করার টেকনিক প্রয়োগ করতে হবে।

🛑 পানিরও কিন্তু তাপ শোষণ ক্ষমতা রয়েছে। পানি কতটা তাপ শোষণ করে তা পানির প্রয়োগ কৌশলের উপর নির্ভর করে। অগ্নি প্রযুক্তি বিজ্ঞানের ভাষায় একে পানির থার্মাল ক্যাপাসিটি বলা হয়।

♨️ থার্মাল লেয়ার কেন জানা জরুরি:

🌈 থার্মাল লেয়ার হলো—আগুনের সময় কক্ষের ভেতরে তাপ ও ধোঁয়ার স্তরভিত্তিক বিভাজন (উপরে গরম, নিচে তুলনামূলক ঠান্ডা)। অর্থাৎ আগুনের কারনে উত্থিত তাপ ও ধোঁয়ার সিলিং এ অবস্থান হতে নিচের দিকে নেমে আসা, যা একপর্যায়ে স্বাভাবিক বাতাসের জায়গা দখল করে নেয় এবং বাতাসকে ধাক্কা দিয়ে নিচের দিকে নামিয়ে দেয়।

🌈  উপরের থার্মাল লেয়ার যদি দ্রুত নিচে নামতে থাকে তাহলে বুঝতে হবে ফ্ল্যাশওভার আসন্ন। এক্ষেত্রে নিচু হয়ে অগ্রসর (Stay low) কৌশল কার্যকর, কারণ নিচের স্তর তুলনামূলক ঠান্ডা ও অক্সিজেনসমৃদ্ধ।

🌈 ভুল ভেন্টিলেশন করলে থার্মাল লেয়ার ভেঙে পড়ে, হঠাৎ তাপ নেমে এসে ফায়ারফাইটার আহত/নিহত হতে পারে। আবদ্ধ কক্ষে নিয়ম মেনে দরজা বা জানালা খুলে হাইড্রোলিক ভেন্টিলেশন করলে তাপ ও ধোঁয়া হ্রাস পায়।

🌈 সিলিং কুলিং বা শর্ট পালসড স্প্রে বা ফগ ব্যবহার করে উপরের গরম লেয়ার ঠান্ডা না করলে আগুন আচমকা বিস্ফোরণধর্মী হতে পারে। রিভলভিং ব্রাঞ্চপাইপ ব্যবহার করেও কুলিং করা যেতে পারে।

🚒 তাহলে আমরা বলতে পারি, থারমাল ক্যাপাসিটি শেখায়- কোথায় তাপ লুকিয়ে আছে।

🚒 থার্মাল লেয়ার শেখায়- 
কখন আগুন প্রাণঘাতী রূপ নেবে।

এই জ্ঞান ছাড়া আগুন নেভানো সম্ভব, কিন্তু নিরাপদভাবে নয়।

মনে রাখতে হবে, ফায়ারফাইটিং মানে শুধু পানি নিক্ষেপ নয়—আগুনের বিজ্ঞান বোঝা। 19/12/2025

থারমাল ক্যাপাসিটি (Thermal Capacity) ও থার্মাল লেয়ার (Thermal Layer): এই দুইটি ধারনা ফায়ার ফাইটারদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এগুলো সরাসরি আগুনের আচরণ, তাপের বিস্তার, ফ্ল্যাশওভার ঝুঁকি এবং ফায়ার ফাইটারের জীবন সুরক্ষার সঙ্গে সম্পর্কিত। ♨️ থারমাল ক্যাপাসিটি কেন জানা জরুরি: 🛑 কোনো বস্তুর তাপ শোষণ ক্ষমতাকে ঐ বস্তুর থার্মাল ক্যাপাসিটি বলা হয়। থার্মাল ক্যাপাসিটি দুইটি বৈশিষ্ট্যকে নির্দেশ করে - তাপ শোষণ ও তা ধারন করার ক্ষমতা। 🛑 কংক্রিট, ইট, স্টিল বা ভারী যন্ত্রপাতির থারমাল ক্যাপাসিটি বেশি। আগুন নিভলেও এগুলো দীর্ঘ সময় তাপ ধরে রাখে, ফলে পুনঃপ্রজ্জ্বলনের সম্ভাবনা থাকে। 🛑 উচ্চ থারমাল ক্যাপাসিটি সম্পন্ন বস্তু ঠান্ডা করতে বেশি পানি ও সময় লাগে—এটা না জানলে আগুন আবার জ্বলে উঠতে পারে। 🛑 স্টিল উচ্চ তাপে শক্তি হারায়। স্টিলে বেশি তাপ সঞ্চিত থাকলে ছাদ বা বিম হঠাৎ ধসে পড়ার ঝুঁকি থাকে। 🛑 আগুন নিভে যাওয়ার পরও বস্তুর ভেতরে সঞ্চিত তাপ ফায়ার ফাইটারদের জন্য বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। 🛑 বাইরে থেকে ঠান্ডা মনে হলেও ভেতরে উচ্চ তাপ থাকলে হঠাৎ স্ট্রাকচারাল ফেইলিউর বা ফ্ল্যাশ ওভার ঘটতে পারে। তাই কক্ষের ভিতরে প্রবেশ করতে হলে অবশ্যই টেম্পারেচার চেক করার টেকনিক প্রয়োগ করতে হবে। 🛑 পানিরও কিন্তু তাপ শোষণ ক্ষমতা রয়েছে। পানি কতটা তাপ শোষণ করে তা পানির প্রয়োগ কৌশলের উপর নির্ভর করে। অগ্নি প্রযুক্তি বিজ্ঞানের ভাষায় একে পানির থার্মাল ক্যাপাসিটি বলা হয়। ♨️ থার্মাল লেয়ার কেন জানা জরুরি: 🌈 থার্মাল লেয়ার হলো—আগুনের সময় কক্ষের ভেতরে তাপ ও ধোঁয়ার স্তরভিত্তিক বিভাজন (উপরে গরম, নিচে তুলনামূলক ঠান্ডা)। অর্থাৎ আগুনের কারনে উত্থিত তাপ ও ধোঁয়ার সিলিং এ অবস্থান হতে নিচের দিকে নেমে আসা, যা একপর্যায়ে স্বাভাবিক বাতাসের জায়গা দখল করে নেয় এবং বাতাসকে ধাক্কা দিয়ে নিচের দিকে নামিয়ে দেয়। 🌈 উপরের থার্মাল লেয়ার যদি দ্রুত নিচে নামতে থাকে তাহলে বুঝতে হবে ফ্ল্যাশওভার আসন্ন। এক্ষেত্রে নিচু হয়ে অগ্রসর (Stay low) কৌশল কার্যকর, কারণ নিচের স্তর তুলনামূলক ঠান্ডা ও অক্সিজেনসমৃদ্ধ। 🌈 ভুল ভেন্টিলেশন করলে থার্মাল লেয়ার ভেঙে পড়ে, হঠাৎ তাপ নেমে এসে ফায়ারফাইটার আহত/নিহত হতে পারে। আবদ্ধ কক্ষে নিয়ম মেনে দরজা বা জানালা খুলে হাইড্রোলিক ভেন্টিলেশন করলে তাপ ও ধোঁয়া হ্রাস পায়। 🌈 সিলিং কুলিং বা শর্ট পালসড স্প্রে বা ফগ ব্যবহার করে উপরের গরম লেয়ার ঠান্ডা না করলে আগুন আচমকা বিস্ফোরণধর্মী হতে পারে। রিভলভিং ব্রাঞ্চপাইপ ব্যবহার করেও কুলিং করা যেতে পারে। 🚒 তাহলে আমরা বলতে পারি, থারমাল ক্যাপাসিটি শেখায়- কোথায় তাপ লুকিয়ে আছে। 🚒 থার্মাল লেয়ার শেখায়- কখন আগুন প্রাণঘাতী রূপ নেবে। এই জ্ঞান ছাড়া আগুন নেভানো সম্ভব, কিন্তু নিরাপদভাবে নয়। মনে রাখতে হবে, ফায়ারফাইটিং মানে শুধু পানি নিক্ষেপ নয়—আগুনের বিজ্ঞান বোঝা।

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


5 Simson Road
Dhaka
1000