জাতীয় যুব ঐক্য

জাতীয় যুব ঐক্য

Share

চেতনায় দিয়েছি শাণ মুক্তির মিছিলে আগামীর বাংলাদেশ স্লোগান

জাতীয় যুব ঐক্য
কেন্দ্রীয় কমিটি

13/04/2024

১২ পৃষ্ঠায় ৭ দিন সাপ্তাহিক সময়ের খবর
৮ পৃষ্ঠায় প্রতিদিন দৈনিক সংবাদপত্র

সাংবাদিকতার ধারনা পাল্টে দিতে শিঘ্রই বাজারে আসছে সাপ্তাহিক সময়ের খবর এবং দৈনিক সংবাদপত্র।
সংবাদের গ্রহণযোগ্যতা বা বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে কোন আপোষ নয় !
সাপ্তাহিক সময়ের খবর এবং দৈনিক সংবাদপত্র ৩ টি বিশেষ সংস্বকরনে দেশের প্রতিটি স্থানে পরিবেশক, এজেন্ট, হকার এর মাধ্যমে- পাঁচ টাকা মূল্যের ৮ পৃষ্ঠার দৈনিক পত্রিকা এবং আট মূল্যের ১২ পৃষ্ঠার সাপ্তাহিক পত্রিকাটি পাঠকের হাতে নিজ উদ্যোগে পৌছে দেওয়া হবে।

ব্রেকিং নিউজ, ছবি, ভিডিও, অডিও, টকশো, বিনোদন ভিত্তিক অনুষ্ঠানসহ নানা কনটেন্টের বিচরণ থাকবে সাপ্তাহিক সময়ের খবর এবং দৈনিক সংবাদপত্র এর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সকল প্লাটফর্মে ।

থাকুন সাপ্তাহিক সময়ের খবর এবং দৈনিক সংবাদপত্র এর সাথে, পড়ুন , দেখুন ,লেখুন ,মতামত দিয়ে সহায়তা করুন।
পেইজে লাইক দিয়ে সাথেই থাকুন

অবনী অনিমেষ
সম্পাদক ও প্রকাশক
সাপ্তাহিক সময়ের খবর
দৈনিক সংবাদপত্র
+8801612408992
+8801712408992
+8801819732204

Photos from জাতীয় যুব ঐক্য's post 21/10/2023

দেশ গড়ার শপথ নিন গণতন্ত্রী পার্টিতে যোগ দিন।

আমরা কবুতর প্রতীক এর সমর্থক
গণতন্ত্রী পার্টি
জাতীয় ছাত্র ঐক্য
জাতীয় যুব ঐক্য
Gonotantry Party

19/10/2023

যুব সমাজের সমস্যার সমাধান,তাদের আশার প্রতিফলন এবং দেশ-জাতির প্রতি তাদের দায়িত্ব পালনের প্রতিশ্রুতি নিয়ে যুব সমাজের নিজস্ব সংগঠন জাতীয় যুব ঐক্য। এই সংগঠন যুব সমাজের স্বার্থের প্রতি অবিচল থেকে যুবকদের প্রকৃত আন্দোলনের নিরলস সংগ্রাম করে আসছে। বেকার সমস্যা সমাধানে, বেকার ভাতা, শূন্যপদে নিয়োগদান, কর্মসংস্থানসহ যুব সমাজের বিভিন্ন দাবি ও অধিকার আদায়ের সংগ্রাম আজ সর্বস্তরে স্বীকৃতি পাচ্ছে। এর জন্য নির্দ্বিধায় বলা যায় জাতীয় যুব ঐক্য এর একক কৃতিত্ব। এজন্য আত্মসন্তুষ্ঠি নয়, তবে উৎসাহের বিষয় তো বটেই। যুব সমাজের ভেতর দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে জাতীয় স্বাধীনতা সংহতকরণ ও মেহনতি মানুষের স্বার্থের পক্ষে সংগ্রামে জাতীয় যুব ঐক্য জন্মলগ্ন থেকেই উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখে আসছে। নতুন চেতনা সমৃদ্ধ যুব সমাজ গড়ে তোলার লক্ষ্যে যুবসমাজের মধ্যে দেশপ্রেম ও মানুষের প্রতি ভালোবাসা জাগিয়ে রাখতে অব্যাহত প্রচেষ্টা জাতীয় যুব ঐক্য পরিচালনা করে আসছে। দেশব্যাপী সংগঠনের প্রসার, রাজনৈতিক-সামাজিক আন্দোলন ইত্যাদি নানামুখী কর্মধারা এর প্রমাণ।

সঙ্কট, সমস্যায় হতাশ যুবকের ভেতর প্রাণের স্পন্দন ছড়িয়ে দেবার জন্য জাতীয় যুব ঐক্য নিরলস প্রয়াস অব্যাহত রেখেছে। ক্ষমতাসীন এবং সুবিধাবাদী মহলের প্রলোভনের ফাঁদ থেকে যুব সমাজকে রক্ষা করার জন্য, উন্নত বিকশিত যুব সমাজ গড়ে তোলার জন্য নিরন্তর প্রয়াস এবং উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে।

স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন, ’৯০-র গণঅভ্যুত্থান, সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী আন্দোলন, জাতীয় সম্পদ রক্ষা আন্দোলন, সাম্প্রদায়িকতা-জঙ্গিবাদ বিরোধী আন্দোলন, যুব কনভেনশন, মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতাকারীদের বিরুদ্ধে আন্দোলন ও গণজাগরণ মঞ্চ সৃষ্টি, নারী যুব ক্যাম্প ইত্যাদি বহুবিধ কাজে জাতীয় যুব ঐক্য এক সাহসী-উদ্যোগী ভূমিকা রেখেছে। এ সংগঠনটি সবসময় চেয়েছে যুবকদের অংশগ্রহণে সমাজতান্ত্রিধারায় অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সামাজিক বিকাশ, প্রতিটি নাগরিকের অধিকার নিশ্চিত করার গণআন্দোলন। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এ লক্ষ্যে দেশের যুবকদের কর্মসংস্থানের জন্য আন্দোলন-সংগ্রাম করে আসছে। সাফল্য আছে অনেক।

কর্মসংস্থান সংকটে অন্যতম সমস্যা হচ্ছে ‘নিয়োগ বাণিজ্য’। একজন সাধারণ যুবক তার শিক্ষা জীবনের পরীক্ষা প্রস্তুতির পাশাপাশি, শিক্ষা শেষে চাকরি পেতে আর্থিক প্রস্তুতিও গ্রহণ করতে হচ্ছে। দরিদ্র বাবার জায়গা-সম্পত্তি বিক্রি করে কিংবা সুদে টাকা নিয়ে হলেও চাকরি পাওয়ার জন্য এক ধরণের মানসিক পূর্ব প্রস্তুতি আগে থেকেই নিতে হচ্ছে। একদিকে কর্মহীন যুবকদের ব্যাপকতা, অন্যদিকে সীমিত কর্মসংস্থান এই সংকটকে আরো তীব্র করেছে। জাতীয় যুব ঐক্য এর নিজস্ব আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় সারাদেশে ‘ঘুষ ছাড়া চাকরি চাই’ দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছে। দেশের কোনো কোনো জায়গায় ঘুষছাড়া চাকরি চাই দাবিতে গড়ে ওঠা আন্দোলনে পুলিশ হামলা করেছে। বাধা দিয়েছে। তবুও এসব কর্মসূচিতে সাধারণ জনগণ ও যুবকদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ও অংশগ্রহণ ছিলো। এছাড়া ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ডেঙ্গু প্রতিরোধে গণসচেতনতা সৃষ্টি ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা, করোনা পরিস্থিতিতে খাদ্য সহায়তা, স্যানিটাইজার উৎপাদন-সহ বহুমুখী কার্যক্রম, কর্মসংস্থানের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। রোমাঞ্চকর সব ঘটনা। অসংখ্য সফল গৌরবগাঁথা।

গণতান্ত্রিক প্রগতিবাদী সংগঠন জাতীয় যুব ঐক্য গড়ার পেছনে প্রধান উদ্দেশ্য ছাত্র-যুবসমাজে সুস্থ রাজনৈতিক চেতনার বিকাশ এবং দেশে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পক্ষে অগ্রচারী সহায়ক সাংগঠনিক শক্তি গড়ে তোলা।উদার গণতন্ত্রী প্রগতিবাদী ধারায় সংগঠিত করা।

কাজেই বিশ্বব্যাপী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছিল নবধারার যুব আন্দোলন। ইতিমধ্যে বিশ্বের কয়েকটি দেশে যুবকরা রাষ্ট্র পরিচালনা করছে। এদের নিরলস প্রচেষ্টা আর কঠোর পরিশ্রমের অনুপ্রেরণায় বাংলাদেশের যুবকরা জাতীয় যুব ঐক্য এর নেতৃত্বে আজ সংঘবদ্ধ হয়েছে। শক্তি বেড়েছে। আন্দোলনের চেহারা বদলে যাচ্ছে। প্রতিটি আন্দোলন-গণআন্দোলনে নেতৃত্ব দিচ্ছে। কাজগুলো খুবই কঠিন। সকল ক্ষেত্রেই আরো অনেক বেশি কর্মধারা প্রয়োজন এবং এটাই সময়ের দাবি। জাতীয় যুব ঐক্য নেতাকর্মীদের আরো অনেক ধৈর্য্য, সাহস এবং একাগ্রতা নিয়ে অগ্রসর হতে হবে। সাধারণ যুবকদের স্বপ্নজাগানিয়া অগ্রসর নিজস্ব সংগঠন হিসেবে জাতীয় যুব ঐক্য কে দাঁড় করাতে হবে।

অবনী অনিমেষ
সংগঠক
জাতীয় যুব ঐক্য
কেন্দ্রীয় কমিটি

17/10/2023

ফিলিস্তিন সংকটঃ
**************

এক.
কয়েকদিন থেকে অবজার্ভ করছি। পশ্চিমা মিডিয়ার সংবাদ ফলো করছি। আরব মিডিয়ার সংবাদও দেখার চেষ্টা করছি। সেই সাথে আমাদের উপমহাদেশ আর অন্যান্য মুসলিম-অমুসলিম দেশের অবস্থান সম্পর্কেও জানার চেষ্টা করেছি। এগুলো দেখার পর মনে হলো কিছু অবজারভেশন এবং জিজ্ঞাসা শেয়ার করা উচিত।

ফিলিস্তিন প্রায় ৭৫ বছর ধরে মানবনিধন নামক অত্যাচারের ভেতর দিয়ে যাচ্ছে। সকাল বেলা বাসা থেকে বের হওয়ার সময় পরিবারের সদস্য থেকে বিদায় নিয়ে বের হয়, রাতে দেখা হওয়ার সম্ভাবনা নাই মনে করে। রাতে ঘুমানোর সময় কালিমা পড়ে সবার সাথে শেষ দেখা করে ঘুমায় ঘুমের ঘরে বিস্ফোরিত হয়ে মরার ভয়ে। এতগুলো বছর ধরে প্রায় প্রতিদিন তাদের বাড়ীতে জানাযার নামাজ হয়, বাবার কোলে শিশু থাকে, সন্তানের কাঁধে বাবা, মা, বয়োবৃদ্ধরা পর্যন্ত ছাড় পায় না। আজ পর্যন্ত এই গণহত্যা কেউ বন্ধ করার জন্য কার্যকরভাবে এগিয়ে আসে নি। কেউ না।

একবার ভাবুন তো, আপনার ঘরে যদি আপনার কোলের শিশু সন্তানের লাশ পড়ে থাকতো, আপনার মা যদি ধ্বসে পড়া দালানের নীচে চাপা পড়ে মরে পড়ে থাকতো, আপনার বাবা যদি বোমার বিস্ফোরণে পুড়ে ভস্মীভূত হয়ে যেত, আপনার কেমন লাগতো। আপনার ছেলেটাকে যদি তুলে নিয়ে বছরের পর বছর জালিমের কারাগারে অত্যাচার করতে থাকতো, আপনার কেমন লাগতো। এগুলো নিজেকে দিয়ে ভাবুন, কারণ মুসলমান ভাইদের কষ্ট ফিল করার মতো অনুভূতি আমাদের অনেক আগেই আমরা বেচে দিয়েছি। এগুলো টাকার কাছে আর মসনদের রাজনীতির কাছে বিক্রি হয়ে গেছে।

ফিলিস্তীনিদের দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। কেউ তাদের সাহায্যে এগিয়ে আসে নি। একমাত্র আল্লাহর সাহায্যের উপর ভরসা করে তারা লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। আপনাদের কি মনে হয়, যেই গাযায় পানির সংযোগ নেই, বিদ্যুৎ নেই, কদিন পরপর খাবার সাপ্লাই বন্ধ করে দেয়া হয়, বোমার বিস্ফোরণে ধুলো ধূসরিত হয়ে থাকে সেই গাযায় কেন তারা নিজেদের জীবন দেয়ার পণ করে বসে আছে। কেন সেখান থেকে তাদের সরাতে পারছে না। কারণ এই গাযা দখল করে ইসরাঈল আক্বসা কেড়ে নিবে। আর সেটা ফিলিস্তীনিরা বেঁচে থাকতে হতে দিবে না। আল-আক্বসা রক্ষায় তারা জীবন দিবে। তাদের জন্মভূমি রক্ষায় তারা জীবন দিবে।

গত কয়েকদিনের আমাদের বাংলাদেশের মুসলিম উম্মাহর অবস্থান দেখুন আর ইসরাইলকে সমর্থন দেয়া পশ্চিমাদের অবস্থান দেখুন। তুলনা করুন। আমেরিকা রণতরী পাঠিয়েছে ইসরাইলের সমর্থনে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন সাহায্যের ঘোষণা দিয়েছে। পশিচমের দেশে দেশে ইসরাইলী পতাকা উত্তোলন করা হচ্ছে।

এবার বলেন, কোন মুসলিম দেশ এখনো কোন রকম যুদ্ধ সহায়তা পাঠিয়েছে ফিলিস্তীনে? কেউ ফিলিস্তীনের সমর্থনে প্রকাশ্যে কোন বক্তব্য দিয়েছে? কয়টা দেশ ফিলিস্তীনের সমর্থনে রাষ্ট্রীয়ভাবে ফিলিস্তীনের পতাকা উত্তোলনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে?

উল্টো কি করেছে মুসলিম দেশের নেতারা? জর্ডান তার বন্দর খুলে দিয়েছে ইসরাইলের জন্য পাঠানো মার্কিন রণতরী পৌঁছানোর জন্য। দুবাইয়ের আমীর সিরিয়ার আসাদকে নিষেধ করে দিয়েছে যেন ফিলিস্তীনে কোন সাহায্য না পাঠায়। তুরস্ক তো অনেক আগে স্বীকৃতি দিয়ে রেখেছে। কাতার সাহায্য করছে, কিন্তু প্রকাশ্যে পশ্চিমাদের মতো না, ইরান হামাসকে ব্যাক-আপ দিচ্ছে শুনছি, কিন্তু প্রকাশ্যে না। সৌদি আরব তো সমর্থন দেয়ার আগে মার্কিন অনুমতির অপেক্ষা করতে হয়।

একবার ইসরাইলে আক্রমণ হলে যদি পশ্চিমাবিশ্ব এত নড়চড়ে বসতে পারে, কত হাজার বার ফিলিস্তীনে আক্রমণ হলে পরে মুসলিমরা এগিয়ে আসবে? পশ্চিমা দেশগুলো থেকে হাজার হাজার ইয়াহুদী যাচ্ছে ইসরাইলের পক্ষে যুদ্ধে যোগদান করতে, কতজন মুসলিম গিয়েছে এখন পর্যন্ত ফিলিস্তীনকে সাহায্য করতে?

পশ্চিমা মিডিয়া প্রচার করছে ইসরাইল ইন ওয়ার, ফিলিস্তীনে কি যুদ্ধ চলছে না? সেটা কি কখনো বলেছে তারা? ইসরাইলে যারা মারা গেছে তাদের দেখানো হচ্ছে কিলড হিসেবে, আর ফিলিস্তিনীদের দেখানো হচ্ছে মারা গেছে। কেন? মুসলিম বিশ্ব কি কখনো পশ্চিমাদের এসব একমুখী নীতির বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস দেখিয়েছে?

ইসরাইলে দেখানো হচ্ছে হামাস সব শিশু আর বৃদ্ধদের হত্যা করেছে, ফিলিস্তীনে কি এতবছর ধরে কেবল যোদ্ধাদেরকেই হত্যা করা হচ্ছে, কোন সিভিলিয়ানকে হত্যা করে নাই? এগুলো নিয়ে কেউ কথা বলছে না কেন?

আরব দেশগুলো কি পারে? ঐ যে যুদ্ধ থেমে আসার পর কয়েক হাজার বযান্ডেজ পাঠাবে ক্ষততে লাগানোর জন্য, কয়েক হাজার রুটি পাঠাবে এক বেলা খাওয়ার জন্য, আর গনপ্রতিরোধ দশ ডলার করে টাকা পাঠাবে দেখানোর জন্য আমরা সাহায্য পাঠিয়েছ্। তোমাদের এই সাহায্য দিয়ে হচ্ছেটা কি? যে সাহায্য ফিলিস্তীনিদের জন্মভূমি রক্ষার যুদ্ধ থামাতে পারছে না, এই সাহায্য তোমাদের কাছে চাইছে কে?

এই প্রশ্নগুলোর উত্তর কি আরব বিশ্ব দিতে পারবে? নিজের মসনদ রক্ষা করার তাড়া ছাড়া আর কিছু কি আছে তাদের চিন্তায়?

দুই.
যাই হোক, এবার আপনাদেরকে কিছু পরামর্শ দেই।

প্রথমত যারা এই ইস্যুতে অল্পবিস্তর সচেতন আছেন অন্তত, সবার প্রতি অনুরোধ ফিলিস্তীনের মানচিত্র সম্পর্কে একটু স্বচ্ছ ধারণা নেয়ার চেষ্টা করেন। চারপাশের দেশগুলোর ও শহরগুলোর অবস্থান জানার চেষ্টা করেন। কাজে লাগবে।

দ্বিতীয়ত বিভিন্ন মিডিয়ার সংবাদ তুলনা করা শেখেন। যাঁদের Rashomon effect সম্পর্কে ধারণা আছে, তারা এই ইস্যুতে সেটার প্রয়োগ বুঝার চেষ্টা করেন। যারা জানেন না, একটু গুগল করে জেনে নেন।

তৃতীয়ত আরব-ইসরাইলের মাঝে চারটা যুদ্ধ হয়েছে সবাই জানেন কম-বেশি। কিন্তু প্রেক্ষাপট, কারণ, ফলাফল জানেন খুব কম সংখ্যক। ইতিহাস জানার চেষ্টা করেন।

অবনী অনিমেষ
সংগঠক
জাতীয় যুব ঐক্য
সদস্য
গণতন্ত্রী পার্টি
কেন্দ্রীয় কমিটি

16/10/2023

জাতীয় যুব ঐক্য প্রস্তাবিত ৯দফা দাবিসমূহ -

১. অবিলম্বে বেকার ভাতা চালু কর।
২. করোনাকালীন কর্মহীন হয়ে পরা ও আত্মকর্মসংস্থানে নিয়োজিত ক্ষতিগ্রস্থ যুবদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রণোদনা দাও।
৩. করোনাকালীন কর্মহীন হযে ফিরে আসা প্রবাস ফেরত যুবদের প্রবাসে কর্মে ফিরে যাওয়ার ব্যবস্থা কর।
৪. সরকারি শূন্যপদে নিয়োগ খুলে দাও। আউট সোর্সিং কমিশন বাণিজ্য বন্ধ কর।
৫. ঘুষ ছাড়া চাকরি চাই। নিয়োগ ও বদলিতে বাণিজ্য দূর্নীতি বন্ধ কর।
৬. সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্বশাসিত, আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ পরীক্ষা বিভাগীয় শহরে নিতে হবে। নিয়োগ আবেদনে ব্যাংক ড্রাফট, পে-অর্ডার গ্রহণ বন্ধ কর।
৭. কর্মসংস্থান ব্যংকের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে যুবদের সহজ শর্তে ঋণ প্রদান কর।
৮. কর্মসংস্থানকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে জাতীয় বাজেটে সুস্পষ্ট বরাদ্দ নিশ্চিত কর।
৯. কর্মপ্রত্যাশী যুবদের জন্য অনলাইন নিবন্ধন কেন্দ্র চালু কর। নিবন্ধিত যুবদের একবছরের মধ্যে কাজের ব্যবস্থা কর।

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Dhaka